Saturday 21st of July 2018 05:49:36 AM

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম মহানগর উত্তরের আয়োজনে ছাত্রসেনার প্রথম শাহাদাৎ বরণকারী শহীদ মুহাম্মদ আব্দুল হালিম এর ৩৪তম শাহাদৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা গতকাল ১০ জুলাই মঙ্গলবার সকালে বহদ্দারহাটস্থ নাফিস ভবন কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

ছাত্রসেনা নগর উত্তর সভাপতি ছাত্রনেতা শায়ের মুহাম্মদ মাছুমুর রশিদ কাদেরীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক ছাত্রনেতা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর সাংগঠনিক সম্পাদক জননেতা মুহাম্মদ শফিউল আলম। প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা কেন্দ্রীয় সভাপতি ছাত্রনেতা এইচ এম শহীদুল্লাহ। উদ্ভোধনী বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনা চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর সাধারণ সম্পাদক যুবনেতা মুহাম্মদ হাবিবুল মোস্তাফা সিদ্দিকী।

বিশেষ অতিথি ছিলেন ছাত্রসেনা কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ছাত্রনেতা দিদারুল ইসলাম কাদেরী, গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক ছাত্রনেতা সাইফুল ইসলাম নেজামী, ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম মহানগর উত্তরের সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ আব্দুল কাদের রুবেল। কুরআন সুন্নাহ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে শহীদ হালিম এর জীবন ও কর্ম নিয়ে বক্তারা বলেন, যুগে যুগে শহীদি রক্তে ইসলাম পুনরুজ্জীবিত হয়েছে।

১৯৮৪ সালে স্বাধীনতা বিরোধী অপশক্তি আব্দুুল হালিমকে শহীদ করে এদেশে সূফীবাদী ধারার শান্তিকামী ইসলামী রাজনীতির পথ বন্ধের পায়তারা করেছে। কিন্তু একজন হালিমের শাহাদাতের সুধা পানের মাধ্যমে লক্ষ হালিম আজ মাঠে এসেছে। তাঁর এই আত্মত্যাগ আমাদেরকে সঠিক পথে অবিচল থাকতে প্রেরণা যুগাবে আজীবন।

সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মুহাম্মদ শাহজালাল, এইচ এম রফিকুল ইসলাম, মুহাম্মদ গোলাম মোস্তফা, মুহাম্মদ এহসান, এইচ এম কুতুব উদ্দীন, মুহাম্মদ কাউসার খান, মুহাম্মদ ফোরকান রেযা, মুহাম্মদ এরশাদুল করিম, মুহাম্মদ তৌহিদুল হক, মুহাম্মদ মঈন উদ্দীন কাদেরী, মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ আরাফাত, মুহাম্মদ বাবর আলী, মুহাম্মদ শাহাদাত হোসেন, মুহাম্মদ আবদুস সাত্তার, মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান, এম এইচ আরমান, আবু সায়েম মুহাম্মদ কাইয়ুম, এস এম ওয়াহিদুল আলম, মুহাম্মদ আবদুল কাদের, মুহাম্মদ সাব্বির হোসাইন, মুহাম্মদ ইমদাদুল হক ইমতিয়াজ, মুহাম্মদ মিজানুর রহমান ফরহাদ, এইচ এম নাঈম উদ্দীন প্রমূখ।

নিশাত আনজুমান,জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃ ১১ জুলাইঃ জয়পুরহাটে বিদেশী পিস্তলসহ মিলন হোসেন(২১)  নামে এক যুবক আটক করেছে পুলিশ। বুধবার ভোরে সদর উপজেলায় চকশ্যাম এলাকা থেকে একটি বিদেশী পিস্তল ও  ৫ রাউন্ড গুলিসহ তাকে আটক করা হয়।

আটককৃত মিলন হোসেন উপজেলার খঞ্জনপুর (পূর্ব পাড়া ) গ্রামের মৃত রস্তুম আলীর ছেলে

জয়পুরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার উজ্জল কুমার রায় বুধবার দুপুরে সাংবাদিকদের জানান , ভোরে চকশ্যাম এলাকায় অস্ত্র কেনা বেচা হচ্ছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিদেশী পিস্তল ও  ৫ রাউন্ড গুলিসহ তাকে আটক করা হয়। তার বিরুদ্ধে জয়পুরহাট সদর থানায় মামলা হয়েছে।

বিক্রমজিত বর্ধন,নিজস্ব প্রতিনিধি:মৌলভীবাজার জেলার সদর থানাধীন দক্ষিণ কলিমাবাদ গ্রামে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-৯ এর সিপিসি-২, শ্রীমঙ্গল ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বিমান চন্দ্র কর্মকার এর নের্তৃত্বে অভিযান পরিচালনা করে ০২ জন সক্রিয় মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে।

১০ জুলাই ২০১৮ ইং তারিখ ০১.৩৫ ঘটিকায় অভিযানে মৌলভীবাজার জেলার সদর থানাধীন দক্ষিণ কলিমাবাদ গ্রামস্থ বীর বিক্রম হাউস হোল্ডিং নং-২৭/০২-০৪ এর সামনে পাকা রাস্তার উপর থেকে ২০০ পিছ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ০২ জন সক্রিয় মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করে র‌্যাব।

আটককৃত অভিযুক্তরা হলেন ১। মোঃ আবু সাঈদ (৪২), পিতা- মৃত ইসমাইল মিয়া, গ্রাম-লম্বধরপুর, থানা-সদর, জেলা-মৌলভীবাজার ২।মোঃ আব্দুল আহাদ (৩২),পিতা-মৃত:আলকাছ মিয়া, গ্রাম-লম্বধরপুর, থানা-সদর, জেলা: মৌলভীবাজার। গ্রেফতারকৃত আসামীরা মৌলভীবাজার জেলার অন্যতম মাদক ব্যবসায়ী।

ধৃত আসামীদ্বয় দীর্ঘদিন যাবত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও লোক চক্ষুর অন্তরালে মৌলভীবাজার জেলাসহ বিভিন্ন জেলায় মাদকবিক্রয় করে থাকে। তাদের এই গড়ে তোলা মাদক চক্রের মাধ্যমে দেশের যুবসমাজকে ধ্বংসের দিকে ধাবিত হচ্ছে।

উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য এবং গ্রেফতারকৃত আসামীদ্বয়কে মৌলভীবাজার জেলার সদর থানায় মামলার মূলে হস্তান্তর করা হয়েছে।

নিশাত আনজুমান,জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃ জয়পুরহাট সদর উপজেলার রাংতা গ্রামে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে স্বামী -স্ত্রী দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। মুরগীর খামারে কাজ করতে গিয়ে এ দূর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন- রাংতা গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে মজিবর রহমান (৫০) এবং তার স্ত্রী কারিমা খাতুন (৪২)।

রাংতা গ্রামের নিহতদের প্রতিবেশী মর্জিনা খাতুন, আঃ খালেকসহ বেশ ক’জন স্থানীয় ব্যক্তি জানায়, শেয়ালের হাত থেকে মুরগী রক্ষার জন্য খামারের বেড়ায় বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়ে রেখেছিলেন আঃ আজিজ দম্পত্তি। ১০ জুলাই মঙ্গলবার দুপুরে কোন এক সময়ে তারা দু’জনে খামারে কাজ করতে গেলে অশাবধনতা বশত বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে পড়লে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। পরে প্রতিবেশীরা খামার থেকে লাশ উদ্ধার করে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যায় পুলিশ।
জয়পুরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সেলিম হোসেন ঘটনাাস্থল পরিদর্শন শেষে বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন এটি একটি দুর্ঘটনা।

বিক্রমজিত বর্ধন,নিজস্ব প্রতিনিধি: পলিথিনের প্যাকেটে জুতার আঠা (জুতা ঠিক করতে ব্যবহৃত আঠা)। পলিথিন ফুলিয়ে তার মধ্যে গাম ঢেলে একটু ঝাকিঁয়ে, পলিথিনের ভিতর নাক-মুখ ঢুকিয়ে দিয়ে লম্বা দীর্ঘ শ্বাস নেওয়া। এর পর দীর্ঘ সময় অনেক কিছু ভুলে আনন্দে সময় কাটানোর নাম ড্যান্ডি নেশা।

শ্রীমঙ্গলের আনোয়ার, শাহীন, ফাহিম, সুমন, সাত্তার, নাসিমা, শান্তার মতো প্রায় শিশুরা সকাল থেকে রাত অব্দি শহরের বিভিন্ন জায়গায় দাড়িয়ে বা হেটে এই কাজ করতে দেখা যায়। ভিক্ষাবৃত্তির পাশপাশি এই কাজটা তাদের নিত্য দিনের। যা থেকে এক প্রকার নেশা তৈরি হয়ে যায়। এ নেশা তাদের কাছে ড্যান্ডি নামেই পরিচিত। অল্প পয়সায় এই নেশা করা যায় বলে পথ শিশুরা ঝুঁকে পড়ছে এই নেশায়। এক জনের কাছ থেকে ছড়িয়ে যাচ্ছে অন্যজনের কাছে। মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল শহর ঘুরে এমন তথ্যই মিললো।

খোঁজ নিয়ে জানা গেল, শহরতলীর বিভিন্ন বস্তি ও কলোনির নিম্ম আয়ের পরিবারের ছোট ছোট ছেলে মেয়েরা পরিবারের আর্থিক অবস্তা খারাপ থাকার দরুন শহরের বিভিন্ন শপিংমলসহ বিভিন্ন জায়গায় ভিক্ষা করে

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. জয়নাল আবেদীন টিটু বলেন, ড্যান্ডি নেশায় যেসব সামগ্রী ব্যবহার করা হয় তাতে করে শ্বাসনালীতে দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ তৈরী হয়। এর ফলে নেশাগ্রহনকারী স্থায়ী শ্বাস কষ্টে ভোগে, ব্রেন (মস্তিস্ক) ডেমেজ করে ফেলে। নেশাগ্রহনকারীর খাবারের রুচি কমে যায়, ক্ষুদা অনুভূতি হয় না, ফলে খাবার না খাওয়ার কারনে পুষ্টিহীনতায় ভোগে এবং শ্বাসনালীতে ইনফেকশন হয়ে ঘন ঘন রোগাক্রান্ত হয়। নেশাগ্রস্ত থাকার কারনে অসুস্থ হয়েও চিকিৎসকের স্বরনাপন্ন হতে চায় না। এসব নেশাগ্রহন কারীকে শাস্তি দিয়ে এই নেশা থেকে দুরে সরানো যাবে না। তাদেরকে ভালো করে বুঝিয়ে তাদের প্রতি ভালোবাসা দেখিয়ে তাদের নেশার জগৎ থেকে সরিয়ে আনতে হবে।

ঢাকার পথ শিশুদের পাশাপাশি মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ড্যান্ডি নেশায় আসক্ত হয়ে পড়েছে পথ শিশুরা। যে বয়সে তারা নিয়মিত স্কুলে যাওয়ার কথা থাকলেও পড়ালেখার পরিবর্তে তারা সারাদিন ঘুরে বেড়ায় শহরের ওলি গলিতে ড্যান্ডি নেশার টাকা জোগাড় করতে।

সন্ধ্যা নামার পরেই শ্রীমঙ্গল শহরে তারা বসে পড়ে ড্যান্ডি নেশা করতে। এমনি কিছু পথ শিশুর দেখা মিললো শ্রীমঙ্গল ষ্টেশন রোডে। এদের নাম, ফাহিম, শাহীন, সুমন, নাসিমা, শান্তা । ওই শিশুদের কাছে কৌশলে জানা গেল ড্যান্ডির, কম দামে জুতায় লাগানো গাম কিনে পলিথিনের ব্যাগে ঢ়ুকিয়ে শ্বাস নেওয়া হয়, যা থেকে এক প্রকার নেশা তৈরি হয়ে যায়। এ নেশা তাদের কাছে ড্যান্ডি নামে পরিচিত।

অল্প পয়সায় এই নেশা করা যায় বলে এতে ঝুঁকে পড়ছে এক শ্রেণীর পথশিশুরা।এক জনের কাছ থেকে ছড়িয়ে যাচ্ছে অন্যজনের কাছে। এমনই তথ্য পাওয়া গেল নেশাগ্রস্ত শিশুদের সঙ্গে কথা বলে।

তাদের বয়স আনুমানিক ৮ থেকে ১২ বছরের পথ শিশুরা,। মরণ নেশা ড্যান্ডি নেশাতে তাদের সাথে রয়েছে আরো ১৫-২০ জনে একটি সংবদ্ধ চক্র এরা সবাই পথ শিশু।

সারাদিন এই শিশুরা শহরের গুরুত্বপূর্ন স্থানের সামনে অবস্থান নিয়ে ভিক্ষা করতে দেখা যায়। ভিক্ষা করে যে টাকা পায় তা খরচ করে ড্যান্ডি নেশাতে।

পথ শিশু নাসিমা, শান্তার তাদের আনুমানিক বয়স হবে ১২ থেকে ১৫ বছর । এদের সাথে রয়েছে আরোও ৩ থেকে ৪ জন পথ শিশু মেয়ে এরা ড্যান্ডি নেশার টাকা জোগাড় করতে সন্ধ্যার পরে নেমে পড়ে দেহ ব্যবসাতে । এতে করে তারা হারাচ্ছে তাদের আগামী দিনের সুন্দর ভবিষ্য। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক পথশিশু জানায় শান্তাদের এ কাজে ব্যবহার করে ষ্টেশন এলাকার ট্রাক ষ্ট্যান্ডের ট্রাক চালক , আরোও অনেকে ।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ৩০ থেকে ৪০ টাকায় এক ধরনের জুতার আঠা, সাইকেলের সলিভিশন (টায়ারের গাম) কিনে শিশুরা পলিথিনের ব্যাগে আঠাল ওই পদার্থ ঢেলে কিছুক্ষণ ঝাঁকানো দিতে হয়। তারপর পলিথিন এর ভিতর নাক, মুখ ঢুকিয়ে জোরে শ্বাস নিলে তা থেকে সৃষ্টি হয় এক ধরনের নেশা আর এই নেশা ড্যান্ডি নামে পরিচিত।

কথা হয় সুমন নামে এক পথ শিশুর সাথে। সুমন জানায়, আগে সে প্রতিদিনই এই ড্যান্ডি নেশা করতো তবে এখন আর সে এই নেশায় আসক্ত নয়। তবে তার সাথে থাকা ১০-১৫ জন প্রায় প্রতিদিনই এই নেশা করছে। সুমন জানায় শ্রীমঙ্গলের রাধানাথ সিনেমা হলের পাশে,সাগর দীঘির পাড় মাছের আড়ৎ এর পাশে এবং স্টেশনে বসে সেবন করা হয় এই নেশা । তীব্র গন্ধ না থাকায় কেউ নেশা করার সময় তাদের ধরতে পারে না।

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এক ড্যান্ডি সেবন কারীকে খরচ কেমন জিজ্ঞেস করলে সে জানায়, স্যার ‘এ নেশার খরচ কম, ড্যান্ডির নেশা বড়ই মারাত্বক, সময় মত না পাইলে মাথা ঠিক থাকে না ।

এ ব্যাপারে সিলেট বিভাগীয় সাবেক স্বাস্থ্য পরিচালক ডা: হরিপদ রায় জানান, জুতার আঠার উগ্র ক্যামিক্যালের নির্যাসে তারা নেশায় আসক্ত হয়। দীর্ঘদিন এটি ব্যবহারের ফলে ঠোঁঠে, জিহ্বায়, গলায় ও খাদ্য নালিতে ক্যান্সার আক্রান্ত হতে পারে। পথ শিশুরাও স্বপ্ন দেখে দেশ গড়ার । এই পথ শিশুরা সব ধরনের সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত। আমাদের সমাজের সকল বিত্তবানেরা যদি পথ শিশুদের সাহায্যে এগিয়ে আসে তাহলে পথ শিশুদের আগামী দিনগুলো সুন্দর হতো। এমনকি তারাও হতে পারে আগামী দিনের ভবিষ্য কর্ণধার।

এদিকে এই ড্যান্ডির প্রধান উপকরণ জুতার আঠা পথ শিশুদের কাছে বেশি মুনাফার আশায় বিক্রয় করছে এক ধরনের ব্যবসায়ীরা। এইসব বিপথগামী পথ শিশুদের তো ব্যবসায়ীরা চেনেন। ব্যবসায়ীরা জেনে বুঝেই শিশুদের কাছে এসব উপকরণ তুলে দিচ্ছেন সামান্য কয়েকটা টাকার জন্য।

বিপথগামী এসব পথ শিশুরা সাময়িক সুখের প্রত্যাশায় হারিয়ে যাচ্ছে অন্ধকারের চোরাবালিতে। তাদের জীবন হয়ে পড়ছে জরাজীর্ণ। এই পথ শিশুরা জড়িয়ে পড়ছে নানা অপরাধ মূলক কর্মকান্ডে। এসব বিপথগামী শিশুদের ফিরিয়ে আনতে এখন প্রয়োজন সমন্বিত উদ্যোগ। আর এ ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসা জরুরী বলে অভিজ্ঞ মহল মনে করেন নতুবা ড্যান্ডি নেশায় আক্রান্ত পথশিশুদের কারনে ঝুঁকির মুখে পরবে ভ্রমন পিপাসুদের শহর শ্রীমঙ্গল ।

সিলেটঃ সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ৪নং ওয়ার্ডে কাউন্সিলর পদে লাটিম প্রতীক পেয়েছেন সাবেক তিন তিন বারের কাউন্সিলর রেজাউল হাসান কয়েছ লোদী। আজ মঙ্গলবার রিটার্নিং অফিসার এ প্রতীক বরাদ্দ করেন।

কয়েছ লোদী ৪নং ওয়ার্ডবাসীকে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, আমাকে ৪নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনসাধারণ ৩০ জুলাই লাটিম মার্কায় পুনরায় ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবে এবং আশাবাদ ব্যক্ত করেন কয়েছ লোদী। তিনি ৪নং ওয়ার্ডবাসীর সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন।প্রেস বার্তা

সাদিক আহমেদ,স্টাফ রিপোর্টার: শ্রীমঙ্গল চৌমুহনা চত্বরে ইয়াকুব শপিং সেন্টারে ইন্টারন্যাশনাল স্মার্টফোন নির্মাতা কোম্পানি, এমআইটি টেকনোলজি রিভিউ অনুসারে ২০১৫ সালের ৫০টি অন্যতম  স্মার্ট কোম্পানির তালিকায় ২য় স্থানের অধিকারী কোম্পানি এবং গিনেস বুক রেকর্ড কৃতিত্বের দাবীদার শাওমি’(Xiaomi) শোরুমে’র উদ্ভোধন করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫ টায় শুরু হয় উদ্ভোধনী অনুষ্ঠান।

এতে উপস্থিত থেকে উদ্ভোধন করেন, শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ সার্কেলের এসপি আশরাফুজ্জামান ,শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ কে এম নজরুল ইসলাম,মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামিলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও দ্বারিকা পাল মহিলা ডিগ্রী কলেজের প্রিন্সিপাল সৈয়দ মনসুরুল হক,বিশিষ্ট সমাজ সেবক হাজী ফজলে এলাহী ,শ্রীমঙ্গল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ইয়াহিয়া খান ও সাধারণ সম্পাদক হাজী কামাল হোসেন প্রমুখ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন,শ্রীমঙ্গল অনলাইন প্রেসক্লাব সভাপতি আনিছুল ইসলাম আশরাফী,শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইদ্রিস আলীসহ  আরও অনেকে।

এছাড়া কোম্পানির পক্ষ থেকে উপস্হিত ছিলেন শাওমি মোবাইল ফোনের রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার দীন ইসলাম রানা, টেরিটোরি সেলস ম্যানেজার ইলিয়াছ আহমদ চৌধুরী, মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ রাব্বিউল হাসানসহ শাওমির সাথে সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তাগণ ।

প্রথমে মিলাদ মাহফিল ও মুনাজাত শেষে কেক কেটে শুভ উদ্ভোধন করা হয় শোরুমটির।

শোরুম পরিচালক ইকরামুল ইসলাম ইমন বলেন,আমরা অন্যান্য কোম্পানি থেকে ভাল সুবিধা দেওয়ার আশা করছি এবং এই কোম্পানির মাল বাজারে সেরা বলে তিনি জানান।

আর ও জানা যায়,শাওমি স্মার্টফোন বিক্রির ক্ষেত্রে, শাওমি অন্যান্য স্মার্টফোন নির্মাতা যেমন- স্যামসাং এবং অ্যাপল থেকে ভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে থাকে। লেই জুন, শাওমির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) উল্লেখ করেন যে, কোম্পানিটি ফোনের দাম প্রায় তৈরি খরচের সমানই রাখে,যদিও এ ক্ষেত্রে ফোনের গুণগত মান এবং কর্মক্ষমতা অন্যান্য প্রিমিয়াম স্মার্টফোনের তুলনায় কোনও অংশে কম নয়। কোম্পানিটি এছাড়াও ফোন সংক্রান্ত অন্যান্য পেরিফেরাল ডিভাইস, স্মার্ট হোম পণ্য, অ্যাপস, অনলাইন ভিডিও এবং থিম ইত্যাদি বিক্রি করে মুনাফা অর্জন করে থাকে।

উল্লেখ্য,শাওমি বিভিন্ন ধরনের পণ্য তৈরি করে, তবে এর মধ্যে মোবাইল ফোন, টিভি,এম আই নোট,এম আই নোট প্রো,শাওমি এমআই প্যাড,এমআইবক্স (সেট-টপ বক্স),এমআই ক্লাউড (ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিস),এমআইটক (ম্যাসেজিং সার্ভিস), এমআই পাওয়ার ব্যাংক (এক্সটার্নাল ব্যাটারি),এমআই ব্যান্ড (ফিটনেস মনিটর এন্ড স্লিপ ট্র্যাকার),স্মার্ট হোম পণ্য ব্লাড প্রেসার মনিটর,এয়ার পিউরিফাইয়ার,ই অ্যাকশন ক্যামেরা,এম আই স্মার্ট স্কেল,এম আই ওয়াটার পিউরিফাইয়ার,স্মার্ট হোম কিট,নাইনবুট মিনি,স্মার্ট রাইস কুকার এবং রাওটার উল্লেখযোগ্য।