Saturday 17th of November 2018 05:25:38 PM

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনার চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর সাধারণ সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রসেনার সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ হাবিবুল মোস্তাফা সিদ্দিকীর সাথে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর সভাপতি ছাত্রনেতা মুহাম্মদ মাছুমুর রশিদ কাদেরী এবং সাধারণ সম্পাদক ছাত্রনেতা মুহাম্মদ মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে নগর উত্তর ছাত্রসেনার আইটি সেলের সদস্যবৃন্দ আজ ০৬ জুলাই শুক্রবার বিকালে এক সৌজন্য স্বাক্ষাতে মিলিত হয়।

এসময় হাবিবুল মোস্তাফা বলেন, চট্টগ্রামে দৈনিক সমকালের সিনিয়র রিপোর্টার সাংবাদিক রুবেল খাঁনের আড়াই বছরের শিশু কন্যা ভুল চিকিৎসার শিকার হয়ে নির্মমভাবে মৃত্যুবরণ করেছে। এই ইস্যুতে ঘৃণ্য তৎপরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। রাইফার মৃত্যুর জন্য গোটা চিকিৎসক সমাজকে দায়ী করছি না। বরং প্রমাণিত দোষী চিকিৎসকদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ বিচার দাবী করছি। তিনি আরো বলেন, রাইফা হত্যা নিয়ে এক শ্রেণির চিকিৎসক যে রাজনীতি শুরু করেছেন তা দেখে জাতি ক্ষুদ্ধ ও মর্মাহত।

সাক্ষাতকালে উপস্থিত ছিলেন ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম মহানগর উত্তরের তথ্য প্রযুক্তি সম্পাদক ও আইটি সেলের প্রধান মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ আরাফাত, মুহাম্মদ তৌহিদুল হক, মুহাম্মদ মাহমুদুল হাসান, হাফেজ মুহাম্মদ আবদুল কাদের প্রমূখ। ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর সভাপতি মাছুমুর রশিদ কাদেরী বলেন, ছাত্রসেনার সাবেক নেতৃবৃন্দের তথ্য সংগ্রহ করে তাদের সাথে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করার লক্ষ্যেই আমরা আকার্ইভ তৈরির কর্মসূচি হাতে নিয়েছি।

তিনি ছাত্রসেনা মহানগর উত্তরের শিক্ষাবান্ধব গঠনমূলক কার্যক্রমে সাবেক নেতৃবৃন্দের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন।

কমলগঞ্জ প্রতিনিধি: শুক্রবার (৬ জুলাই)জালালাবাদ এসোসিয়েশন,ঢাকার উদ্যোগে কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুর ও ইসলামপুর ইউনিয়নের একশত বন্যাদুর্গত মানুষকে আর্থিক সাহায্য প্রদান করা হয়।এদিন বেলা দুইটায় আদমপুর তেতইগাঁও রশিদউদ্দিন উচ্চবিদ্যালয় হলরুমে ৩০জন ও পরে ইসলামপুর পি,এম,পি, পাবলিক উচ্চবিদ্যালয় প্রাঙনে ৭০জনকে জনপ্রতি পাঁচশত করে টাকা প্রদান করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জালালাবাদ এসোসিয়েশন,ঢাকার অর্থ সম্পাদক এডভোকেট জসিম উদ্দিন আহমদ, জালালাবাদ এসোসিয়েশন,ঢাকার নির্বাহী সদস্য ও সিলেট সমিতি,উত্তরার সভাপতি ক্যাপ্টেন মোঃ মিজানুর রহমান, আদমপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি হাজির বক্স, অর্থ সম্পাদক আব্দুল গফুর, সাংবাদিক শাব্বির এলাহী,জালালাবাদ এসোসিয়েশন,ঢাকার আজীবন সদস্য মতিউর রহমান রয়েল, মাহবুব মোর্শেদ ইমন, রবীন্দ্র কুমার সিংহ, নেছার আহমেদ,জসিম উদ্দিন মিঠু প্রমুখ।

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ সময়ের প্রয়োজনে কানজুল ঈমানের এপ প্রতিটি আহলে হক অর্থাৎ আহলে সুন্নাত দাবীদার প্রতিটি লোকের প্রাণের দাবী হিসেবে দীপ্তমান।কানজুল ঈমান এক প্রেমিক আব্দুল মজিদ কথা প্রসঙ্গে আফসোস করে বলেন,”আজ যে এপ নিয়ে কথা বার্তা বা বিরোধিতা করা হচ্ছে তা অত্যান্ত লজ্জাজনক।এ ধরনের এপ তো আরও ১৫/২০ সাল আগেই হওয়ার কথা ছিল আজ লক্ষাধিক পাঠকের মোবাইলে ইন্সটল থাকার কথা ছিল যেহেতু কেহ এমন দায়িত্ব নিতে সমর্থ হয়নি অথচ এর মধ্যে একজন স্বেচ্ছায় এ কঠিন দায়িত্ব নিয়ে সুন্নি মতাবলম্বীদের সময়ের দাবী পূরণে সচেষ্ট হয়েছে এখন এ নিয়ে পাল্টাপাল্টি  অসৌজন্য মুলক ভাষা ব্যবহার শুভনিয় দেখাচ্ছে না”যাক এবার আসি মুল কথায়,নিম্নে আব্দুল বাতেন মিয়াজির স্ট্যাটাস থেকে কিছুটা সাজিয়ে হুবহু তুলে ধরা হল।

যে কারণে কানযুল ঈমান এপ থেকে বাংলা মুছে দিতে হচ্ছে
ডঃ আব্দুল বাতেন মিয়াজী

“পোষ্টের বক্তব্যের বাইরে মন্তব্য, মন্দ শব্দ এবং গালিগালাজ থেকে আল্লাহ্‌ পাক আমাদের হেফাজত করুন।”

আর্থিক লাভের জন্য এপ করেছি?

মাওলানা আব্দুল মান্নান একজন শ্রদ্ধাভাজন বক্তি। তিনি অনেকের সহযোগিতা নিয়ে হলেও আলা হযরত রাহমাতুল্লাহি আলাইহি কর্তৃক কুরআনুল কারীমের অনবদ্য উর্দু অনুবাদ কানযুল ঈমান-এর বাংলা উপহার দিয়েছেন। এটা সুন্নিয়তের একটা বড় খেদমত, সন্দেহ নেই। পুরো অনলাইন জগত বাতিলদের এপে সয়লাব হয়ে গেছে। সুন্নিদের তেমন কোন এপ নেই। এ আফসোস থেকে আমি এ কাজে হাত দেই এবং একে একে ২৫ টির মতো গুরুত্বপূর্ণ কিতাবের এপ উপহার দেই। এর মধ্যে অনেকের দাবী রক্ষা করতে গিয়ে কানযুল ঈমানের বাংলা এপও করি। তখন মাওলানা মান্নান সাহেবের সাথে আমার ব্যক্তিগত জানাশোনা বা পরিচয় ছিল না। এর আগে যেসব কিতাবের এপ করেছি, তাতে কেউ অনুমতির ব্যাপারে বাধা হয়ে দাঁড়ান নি।

আমি আলা হযরতের সৈনিক। স্বাভাবিক ভাবেই ভেবেছিলাম কানযুল ঈমান প্রতিটি আশেকে রাসুলের। আর কুরআন আল্লাহ্‌ পাকের কালাম। এর প্রচার ও প্রসার স্বয়ং ওহীর মালিকের নির্দেশ। কিন্তু না, মাওলানা আব্দুল মান্নান এপ বের হবার সাথে সাথেই এতে ঘোর আপত্তি জানালেন। তিনি অনুমতি দিতে অস্বীকৃতি জানালেন। উনার আপত্তির অন্যতম কারণ উনি উল্লেখ করলেন আমি নাকি ব্যবসার উদ্দেশ্যে এপ করেছি। মায়াযাল্লাহ। আমি বিশ্বাস করি উনি সুন্নিয়তের খেদমতের জন্য কানযুল ঈমানের অনুবাদ করেছেন। আমারও তো একই উদ্দেশ্য। কিন্তু উনি ভাবছেন এতে আমার অনেক আর্থিক লাভ হয়েছে। কি লাভ হয়েছে তা নিচে বিস্তারিত উল্লেখ করছি।

এপ রিলিজ করার পর থেকে মান্নান সাহেবের স্বনামধন্য একজন আলেম আমার নাম বিকৃত করে একাধিকবার পোষ্ট দিয়েছেন। অথচ কারো নাম বিকৃত করা কোন মুমিনের কাজ নয়, কেননা আল্লাহ্‌ পাক বলেন, “মুমিনগণ, কেউ যেন অপর কাউকে উপহাস না করে। কেননা, সে উপহাসকারী অপেক্ষা উত্তম হতে পারে এবং কোন নারী অপর নারীকেও যেন উপহাস না করে। কেননা, সে উপহাসকারিণী অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ হতে পারে। তোমরা একে অপরের প্রতি দোষারোপ করো না এবং একে অপরকে মন্দ নামে ডেকো না (গালি দিও না)। কেউ বিশ্বাস স্থাপন করলে তাদের মন্দ নামে ডাকা গর্হিত। যারা এহেন কাজ থেকে তওবা না করে তারাই যালেম।” [সূরা আল-হুজরাত ৪৯:১১]

সুন্নিদের স্বনাম ধন্য একজন আলেমের বারবার কুরআনের নির্দেশের এমন লঙ্ঘন সত্যিই অবাক করার মতো। এর ভার আমি আল্লাহ্‌ পাকের কাছেই অর্পণ করলাম। তাছাড়া মওলা আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর মতে মন্দ শব্দ ব্যবহার নিচু লোকদের একটি পরিচয়ও।

অন্যের অনুবাদ চুরি করে ব্যবসা করছি?
সম্প্রতি সৈয়দ জালাল উদ্দিন আজহারি সাহেবও একই সুরে কথা বললেন। উনি মিশরের আল-আজহার থেকে লেখাপড়া করে একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। আধুনিক যুগের মানুষ। উনি আমার একটি পোষ্টে মন্তব্য করলেন এরকম, “অন্যের অনুবাদ চুরি করে এপস করে ব্যবসা করছে আর অন্য চোরেরা এতে সমর্থন করছে! চোরে চোরে ……ভাই।” যেমনটি আপনারা স্ক্রিনশটে দেখতে পাচ্ছেন।

জালাল উদ্দিন আজহারি সাহেব আমাকে অন্যের লেখা চুরির অপবাদ দিলেন। সাথে আরো অপবাদ দিলেন আমি এই এপ করে ব্যবসা করছি। আমি জানতাম উনি খুব মেধাবী মানুষ। কিন্তু উনি যে বাস্তবতা থেকে এতো দূরে তা জানতাম না। এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন মন্তব্য মানুষের অজ্ঞতাকে প্রকাশ করে দেয়।

এপ থেকে কি আয় হচ্ছে?

এপ করে ব্যবসা করা সম্ভব। তিনটি উপায়ে। যারা আমার করা এপটি ইন্সটল করেছেন তারা যাচাই করে এই তিনটি ব্যাপার মিলিয়ে জানাবেন প্লীজ।

একঃ
এপে এড দেয়া। আমার কোন এপেই আমি এড সংযুক্ত করিনি।

দুইঃ এপটি বিক্রি করা। আমার এপ কারো কিনতে হয়নি। অর্থাৎ এপটি সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে পাওয়া যাচ্ছে।

তিনঃ donation. কেউ বলতে পারবেন না আমি কারো কাছ থেকে কোন আর্থিক অনুদান নিয়েছি কিংবা আমার এপে বা সাইটে ডোনেট করার কোন আবেদন করেছি। আমাদের দেশের পীরেরা সাধারণত অন্যের অনুদান নির্ভর থাকেন। কিন্তু একটি পরিচিত দরাবারের এক পীরজাদা নিজের পরিচয় গোপন রাখার শর্তে আমাকে ১০ (দশ) হাজার টাকা দিতে চেয়েছিলেন এপ করার জন্য। সেই নূরনবী এপ করার সময়। আমি উনাকে তা উনার কাছেই রেখে দিতে বলি। প্রয়োজনে চেয়ে নেবো বলে জানাই। আজো তার প্রয়োজন হয়নি। যা খরচ হয়েছে, আমি নিজের পকেট থেকেই তা বহন করেছি।

অনুমতিঃ

এপ রিলিজের পর থেকে অন্তত ১০ থেকে ১৫ জন লোক মান্নান সাহেবের সাথে দেখা করে এ ব্যাপারে একটি সমাধানে আসার চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু মান্নান সাহেবের একই কথা, আগে এপ মুছে দিতে হবে, এরপর এ নিয়ে কথা হবে। ছাত্রসেনার এক সিনিয়র নেতা যিনি বর্তমানে আমেরিকায় থাকেন, উনি নিজ উদ্যোগে মান্নান সাহেবের সাথে কথা বলেছেন। মান্নান সাহেব উনাকেও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, উনি আমাকে এপ করার অনুমতি দিবেন না।

অনেকেই দোষারোপ করছেন এপ করার পূর্বে আমার উচিৎ ছিল অনুবাদকের অনুমতি নেয়া। অনেকে আবার আমার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবার উস্কানিও দিচ্ছেন। আচ্ছা, বাতিলেরা এক ডজনেরও বেশি অনুবাদের কয়েকশ এপ করে নেটে ছেড়ে দিয়েছে। তাদের একেক এপের ইন্সটল হয়েছে লাখেরও বেশি। মউদুদি, সাইদী, আহলে হাদিসের ডঃ মুজিবুর রহমান এবং মহিউদ্দিন খান সহ অনেক অনুবাদ পাওয়া যায়। এসবই উন্মুক্ত। যে কেউ বিনা অনুমতিতে কপি করে নেটে কিংবা এপে ব্যবহার করতে পারেন। যাঁদের লক্ষ্য একটাই, আর তা হল, যত বেশি মানুষ তাদের মতবাদ সম্পর্কে জানবে ততই তাদের আক্বীদার প্রসার হবে। আহলে হাদিস সংখ্যায় সুন্নিদের এক দশমাংশও হবে না। অথচ এদের এপ, ওয়েবসাইট এবং বইয়ের অনলাইন ভাণ্ডার দেখলে মনে হবে এরাই ইসলামের খেমদত করে যাচ্ছে।

এর ব্যতিক্রম আমাদের সুন্নিদের বেলায়। উল্লেখ্য, এপ শুরু করার পূর্বে আল্লামা মুফতি বখতিয়ার সাহেবের সাথে আমার কথা হয়েছে। সুন্নি কিতাবাদির এপ করার পূর্বে লেখক, প্রকাশক বা অনুবাদকের অনুমতি নিয়ে প্রশ্ন তুলি আমি। উনি আমাকে আশ্বস্ত করলেন যে অনুমতি নিয়ে কোন সমস্যা হবে না। বরং আমাদের এ কাজে আর সময় ব্যয় না করে ঝাঁপিয়ে পড়া উচিৎ।

আরো উল্লেখ্য, চট্টগ্রামের আমান উল্লাহ (Aman Ullah Aman) এবং জাফর সিদ্দিক (Jafar Siddique) নামে দুজনের সাথে এপ করারও বছর খানেক পূর্বে কথা হয়েছে। আমান উল্লাহ সাহেবকে আমি মান্নান সাহেবের সাথে কথা বলে আমাকে টেক্সট মেনেজ করে দেবার জন্য আহ্বান জানাই। উনি আমাকে মান্নান সাহেব সহ আরো অনেকের সাথে পরিচয় করিয়ে দিবেন বলে আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু তা আর করা হয় নি। এপ রিলিজ করার পর জাফর সিদ্দিক আমাকে মেসেঞ্জারে আশ্বস্ত করেছিলেন যে উনি এবং আমান উল্লাহ মান্নান সাহেবের কাছ থেকে বছর দুই পূর্বে অনুমতি নিয়ে লোক খুঁজছিলেন। কিন্তু এপ করা হয়নি। উনারা মান্নান সাহেবের সাথে কথা বলে সমস্যার সমাধান করবেন। [উনাদের প্রত্যেকের সাথে এসব কথার রেকর্ড আমার কাছে রয়েছে। প্রয়োজনে মন্তব্যে সেগুলো দেবো]

আমি এপ রিলিজ করার পর মান্নান সাহেব এবং উনার আশেপাশের কিছু লোকের বদ্ধমূল ধারণা জন্মেছে যে, এই এপ করে আমি প্রচুর টাকার মালিক হয়ে গেছি। উনাদের এ কথার সুর ধরে উনাদের অনেক ভক্ত ও অনুরাগী ফেসবুকে আমার নামে অনেক মিথ্যা অপবাদ ছড়াচ্ছেন। অনেকেই আবার আমাকে কপিরাইট আইনের কথা স্মরণ করিয়ে দিতে ভুলেন নি।

বাংলা মুছে দিচ্ছিঃ

এই অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, আমার কানযুল ঈমান এপ থেকে বাংলা অনুবাদ মুছে দেবো। যারা ইংরেজি কিংবা উর্দু বুঝেন তারা আপাতত ইংরেজি এবং উর্দু পড়তে পারেন। আর আল্লাহ্‌ পাক চাইলে এ মহৎ কাজের জন্য হয়তো কাউকে কবুল করবেন। তখন নতুন করে বাংলা এড করা হবে। এর স্থলে অনেকের দাবী অনুযায়ী বাংলা উচ্চারণ দিয়ে দেবো ইনশাআল্লাহ।

নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইলে মাটি বহনকারী একটি ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের গাছের সাথে ধাক্কা লেগে এক নারী শ্রমিকসহ ৬ শ্রমিক আহত হয়েছে। আহতদের নড়াইল ও যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শুক্রবার সকাল ৭টার দিকে নড়াইল-যশোর সড়কের সীতারামপুর এলাকায় মাটি বহনকারী ট্রাকটি একটি যাত্রীবাহীবাসকে সাইড দিতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাকটি রাস্তার পাশের একটি গাছের সাথে জোরে ধাক্কা লাগে। এসময় ট্রাকে থাকা ৬ শ্রমিক গুরুতর আহত হন। আহতরা হলেন সদর উপজেলার চামরুল গ্রামের আববক্কার, ইকবাল মোল্যা, সাইফুল মোল্যা, আমির হোসেন, লায়েব আলীর স্ত্রী রেশমা ও সোহরাব হোসেন। আহতদের মধ্যে ইকবালের বাম পায়ের হাটুর নিচের অংশ শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। দুর্ঘটনা কবলিত ট্রাকটির ড্রাইভারের একজন সহকারী চালাচ্ছিলো বলে জানাগেছে।

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ দুর্গম হাওরের উপজেলা শাল্লায় জুয়ার আসর থেকে মহিলা জুয়ারিসহ ২৩ জুয়ারিকে আটক করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৩টায় উপজেলার হবিবপুর ইউনিয়নের দাড়াইন বাজার থেকে তাদের আটক করা হয়। শাল্লা থানার এসআই মাসুদ মিয়ার নেতৃত্বে একদল পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।
আটককৃতরা হলেন, শাল্লা উপজেলার হবিবপুর ইউনিয়নের কাশীপুর গ্রামের আবুল হোসেন (৫৮), এরশাদ মিয়া (৫০), আব্দুল হামিদ (৫৫), আশিক মিয়া (৩২), আঙ্গুর আলম (৫৫), কাবিল হোসেন (৪০), সিরাজ মিয়া (৫০), হোসেন মিয়া (২৮), ফরাজ মিয়া (২৪), ভোলানগর গ্রামের শিবেন্দ্র দাস (৩০), আটগাঁও ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের কবির মিয়া (২৪), ইমরান মিয়া (২৭), মোফাজ্জল হোসেন (২৭), দাউদপুর গ্রামের মনু মিয়া (৬০), শাল্লা ইউনিয়নের ইয়ারবাজ গ্রামের আব্দুল কাইয়ুম ((৪৮), ছন্দু মিয়া (৫৬), শাল্লা বড়বাড়ি গ্রামের আব্দুর রশিদ (৪৫), দিরাই উপজেলার চরনারচর ইউনিয়নের চরনারচর গ্রামের মোজাফ্ফর মিয়া (৩৫), নোয়াগাঁও গ্রামের গুলেনা বিবি (৪৫), শ্যামারচর গ্রামের ফুল মিয়া (৪০), স্বপন মিয়া (২৮), কিশোরগঞ্জ জেলার ইটনা উপজেলার শান্তিপুর গ্রামের আনোয়ার হোসেন (২৮) ও আমজাদ আলী (৩২)।
জানা যায়, দিরাই-শাল্লা রোডের পূর্বপাশে ভোলানগর গ্রামের কাছের দাড়াইন বাজারে দিরাইয়ের মিরাজ মিয়া নামের একজনের দোকান ঘরে দীর্ঘদিন ধরে জুয়ার আসর বসছিল। বাজারটি থানা থেকে কিছু দূরে হওয়ায় প্রতিদিনই জুয়ার আসর বসত। এই জুয়ার আসরে ইঞ্জিন চালিত নৌযানে বিভিন্ন এলাকার জুয়ারিরা খেলতে আসত। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল পুলিশ অভিযান চালিয়ে ২৩ জুয়ারিকে আটক করে।  আটককৃতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছিল।
শাল্লা থানার ওসি (তদন্ত) জাহিরুল ইসলাম ২৩ জুয়ারিকে আটকের সত্যতা স্বীকার করে বলেন,‘আটককৃত জুয়ারিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অপরাধ ডেস্কঃ ডান পায়ের ভাঙা দুই হাড়, মাথায় আটটি সেলাই ও সারা শরীরে মারের ক্ষত নিয়ে যন্ত্রণায় দিন যাচ্ছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তরিকুল ইসলামের।সংবাদ স্টার থেকে।

ছাত্রলীগের হামলার কথা বলতে গিয়ে হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে তরিকুল বলছিলেন, ‘ওদেরকে অনুরোধ করছিলাম, আর যেন না মারে। কেউ কথা শুনল না। যাদের হাতে লাঠি ছিল সবাই পেটাচ্ছিল। খুব কাছে থেকে যেন দেখছিলাম মৃত্যুকে।কী নির্দয়ভাবেই না পেটাচ্ছিল আমাকে! কোনো মানুষ মানুষকে পেটাতে পারে এভাবে, কল্পনাও করিনি কোনোদিন।এক পর্যায়ে জীবনেরই আশা ছেড়ে দিয়েছিলাম।’

কথা বলার শক্তি নেই, ক্ষীণ গলায় থেমে থেমে কথাগুলো বলছিলেন তরিকুল। একটু জোরে কথা বলার চেষ্টা করলেই যন্ত্রণায় কুঁকড়ে যাচ্ছিল তার শরীর।

কোটা সংস্কারের দাবিতে বিক্ষোভের সময় গত সোমবার তরিকুলকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান গেটের সামনে রাস্তায় ঘিরে ধরে পেটায় ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। গণমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, ছাত্রলীগের বেশ কয়েকজন মিলে যখন লাঠি নিয়ে তরিকুলকে পেটাচ্ছিল তখন আব্দুল্লাহ আল মামুন লোহার হাতুড়ি দিয়ে তার পিঠে ও পায়ে আঘাত করে। কাঠের উপর যেভাবে পেরেক পোঁতা হয়, সেভাবে তরিকুলের শরীরে আঘাত করছিল হাতুড়ি দিয়ে। তরিকুল এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক।

লাঠি- হাতুড়ির আঘাতে যন্ত্রণায় কাতরানো তরিকুলকে পুলিশ ও কয়েকজন সাংবাদিক রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করে। তার ভাঙা পা-টি উরু পর্যন্ত প্লাস্টার করে দেওয়া হয়েছে। ডাক্তাররা এখন তার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছেন।

তরিকুলের অবস্থা সম্পর্কে হাসপাতালের অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের প্রধান এমএকে শামসুদ্দিন জানান, তার ভাঙা হাড় জোড়া লাগতে অন্তত তিন মাস সময় লাগবে।

হাতুড়ি নিয়ে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের দিকে ধেয়ে যাচ্ছে ছাত্রলীগের নেতা আব্দুল্লাহ আল মামুন। ছবি: স্টার

‘চার সপ্তাহ পায়ের প্লাস্টার রাখা হবে। তার সারা শরীরে যন্ত্রণা হচ্ছে। এখন সম্পূর্ণ বিশ্রাম দরকার তার।’

তরিকুলকে হাতুড়ি দিয়ে পেটানো ছাত্রলীগের উপ সম্পাদক মামুনকে গতরাতে ফোন করা হলে সাংবাদিক বুঝতে পেরেই তিনি ফোন রেখে দেন।

তরিকুল ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র। তার বাড়ি গাইবান্ধায়। তিন ভাইবোনের মধ্যে তরিকুল দ্বিতীয়। সেদিনের কথা স্মরণ করতে গিয়ে বলছিলেন, পূর্ব ঘোষিত পতাকা মিছিলে অংশ নেওয়ার জন্য তিনি ক্যাম্পাসে যাচ্ছিলেন। মেইন গেটের সামনে গিয়ে দেখেন গেট বন্ধ করে রাখা হয়েছে। গেটের সামনেই একটি জটলা ছিল। পুলিশ তাদের ঘিরে রেখেছিল।

তরিকুল বলেন, জটলা করে থাকা ছাত্রদের আন্দোলনকারী ভেবে সামনে গিয়ে দেখি ছাত্রলীগের নেতাকর্মী। তারা আমাদের ধাওয়া করে। সেখান থেকে পালানোর চেষ্টা করলেও কিছুক্ষণের মধ্যেই ধরে ফেলে ওরা। এর পরই ঘিরে ধরে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা পেটাতে শুরু করে। এসময় কেউ একজন বাঁশের লাঠি দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে। সারা শরীরে কত মার পড়েছে আর স্মরণ করতে পারছিলেন না তিনি।

‘মারের চোটে রাস্তায় পড়ে যাই… চিৎকার করে ওদের থামতে বলছিলাম। কিন্তু আর উঠে দাড়াতে পারিনি।’

তিনি জানান, এর পরই কেউ একজন ভারি কিছু দিয়ে তার ডান পায়ে আর পিঠে আঘাত করতে শুরু করে।

‘ওটা লাঠি মনে হচ্ছিল না। ভাবলাম রড বা এধরনের ভারি কিছু হবে। প্রথম আঘাতেই চিৎকার করে উঠি। দ্বিতীয় বারের আঘাতে পা-টা ভেঙে গেল মনে হয়েছিল। যন্ত্রণা সহ্য করতে পারছিলাম না।মনে হচ্ছিল আর বাঁচব না।মারা যাওয়াও হয়ত সহজ ছিল, এই কষ্ট সহ্য করার চেয়ে।কাকুতি- মিনতি করেছি বাঁচার জন্যে। তাদের মন একটুও গলেনি।’

এর পরও থামেনি হামলাকারীরা। পুরো ঘটনাটির ছবি ও ভিডিও রয়েছে দ্য ডেইলি স্টারের কাছে।

এক্স-রে রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, তরিকুলের ডান পায়ের দুটি হাড়ই ভেঙে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

তরিকুল বলেন, ‘হামলার সময় সেখানেই পুলিশ ছিল। কিন্তু তারা থামায়নি। পুলিশ চাইলেই আমাকে এভাবে মারতে পারত না।’

তরিকুলের সঙ্গে কথা বলার সময় পুলিশের কনস্টেবল নাজমুল ও হাবিলদার হাসিনুর হাসপাতাল কক্ষে ঢুকে এই প্রতিবেদকে তাৎক্ষণিকভাবে সেখান থেকে বেরিয়ে যেতে বলেন। তারা বলেন, তরিকুল পুলিশ হেফাজতে রয়েছে তাই তার সঙ্গে কথা বলতে হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি লাগবে। এ ব্যাপারে মতিহার থানার ওসি শাহাদাত হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি তরিকুলের পুলিশ হেফাজতে থাকার কথা অস্বীকার করেন।

হাতুড়ির আঘাতে ভেঙে যাওয়া তরিকুলের ডান পায়ের দুই হাড়ের এক্স-রে ছবি। সুত্র- দা ডেইলি স্টার।

“চলছে শোকের মাতম,মৃতদেহ দ্রুত দেশে আনার দাবি  পরিবারের সদস্যদের”

নড়াইল প্রতিনিধিঃ সৌদি আরবের জেদ্দায় বুধবার সকালে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতের তিনজনের বাড়ি নড়াইলে। এরা হলেন নড়াইল সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের ইশারত শেখের ছেলে ই¯্রাফিল শেখ, লোহাগড়া উপজেলার লাহুড়িয়া গ্রামের সৈয়দ পাড়ার সৈয়দ হোসেন আলী ও একই উপজেলার আড়পাগ্রামের মনির হোসেন।

মৃত্যুর খবর শোনার পর এসব পরিবারের সদস্যদের মাঝে চলছে শোকের মাতম। স্ত্রী, সন্তান আত্মীয় স্বজন ও এলাকাবাসীর মাঝে শোকাবহ পরিবেবশের সৃষ্টি হয়েছে।  পরিবারের সদস্যদের মাঝে একটু স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতে বুকভরা স্বপ্ননিয়ে মরুভূমির দেশে পাড়ি জমালেও দুর্ঘটনায় মারা যাওয়ার পর পরিবারের সদস্যদের সব স্বপ্ন এখন দু:স্বপ্নে পরিণত হয়েছে।

পরিবারের সদস্যরা তাদের প্রিয়জনের মৃতদেহ দ্রুত দেশে আনার দাবি জানিয়েছেন।

আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর আত্রাইয়ে আছুরা বিবি (৪০) নামের এক মানসিক রোগী গত এক মাস ধরে নিখোঁজ রয়েছে। পরিবারের লোকজন আত্মীয়-স্বজনদের বাড়িসহ সম্ভাব্য সকল স্থানে খোঁজ নিলেও তার কোন সন্ধান তারা পায়নিএ ব্যাপারে আত্রাই থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে। নিখোঁজ আছুরা বিবি উপজেলার ইসলামগাঁথী গ্রামের মো: আকবর আলীর স্ত্রী। তার শ্যামবর্ণ গায়ের রং, মুখমন্ডল গোলাকার, উচ্চতা আনুমানিক ৫ ফুট।

নিখোঁজ আছুরা বিবির ছেলে আশিক আলীর সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমার মা গত ৩১ মে হারিয়ে যাওয়ার পর আমি গত ৬ জুন আত্রাই থানায় জিডি করেছি। যার নং-২০২। তিনি আরো জানান আমার মা দীর্ঘ দিন যাবৎ মানসিক রোগে ভুগছিলো। আমি মায়ের একটি বিষয় লক্ষ করেছে তিনি বেশির ভাগ সময় হাত মাথার উপড়ে উঠিয়ে রাখে আর একটু পর পর হাতটি ঝাকুনি দেয়। গর্ভধারিনী মা কে প্রায় এক মাস ধরে তাদের কাছে না পেয়ে ছেলে-মিয়ে ও আতœীয় স্বজন নাওয়া খাওয়া ছেড়ে দিয়ে পাগল প্রায়। যদি কোন সহৃদয় ব্যক্তি মহিলাটির খোঁজ বা সন্ধ্যান পেয়ে থাকেন তাহলে স্থানীয় থানায় অথবা ০১৭১০-৪৯১৩৪৮ নাম্বারে খোঁজ দেওয়ার আকুল আবেদন জানিয়েছে তার অভিভাবকরা।

এ ব্যাপারে আত্রাই থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মোবারক হোসেন জানান, নিখোঁজ আছুরা বিবির সন্ধানের জন্য দেশের বিভিন্ন থানায় ছবিসহ পরিচয় পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং এ ব্যাপারে তদন্ত চলছে।

বেনাপোল প্রতি‌নি‌ধি: অবৈধ প‌থে ভারতে পাচার হওয়া চার বাংলাদেশি নারীকে ফেরত পাঠিয়েছেন ভারত পুলিশ। বুধবার রাতে ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদের ট্রাভেল পারমিট প্রক্রিয়ায় বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

ফেরত আসারা হলেন, টাঙ্গাইলের জোঁছনা (২৫), যশোরের শরিফা (২৬), রংপুরের সুমি আক্তার দিপা (২৩) ও ঢাকার রিনা (২১)।

জানা যায়, ভা‌লো কা‌জের প্র‌লোভ‌নে ৫ বছর আগে পাচারকারীদের খপ্পরে পড়ে এরা সীমান্ত পথে ভারতে যায়। পরে ভারতীয় পুলিশ তাদের উদ্ধার করে আদালতে সোপর্দ করে। সেখান থেকে ভারতের একটি এনজিও সংস্থা তাদের ছাড়িয়ে নিজেদের আশ্রয়ে রাখে। পরে দুই দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমতি ক্রমে ট্রাভেল পারমিট প্রক্রিয়ায় তাদের ফেরত আনা হয়। কাগজপত্রের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে এই দীর্ঘ সময় লেগে যায়।

বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারগ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, ফেরত আসা নারীদের আইনী প্রক্রিয়া শেষে রাতেই তাদের বেনাপোল পোর্টথানা পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc