Saturday 17th of November 2018 05:10:58 PM

“যৌতুক ও মাদকের বিরুদ্ধে যুবসমাজকে এগিয়ে আসতে হবে”

নিজস্ব প্রতিনিধিঃআন্জুমানে রজভীয়া নূরীয়া বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান পীরে তরিক্বত আল্লামা আবুল কাশেম নূরী বলেন, যৌতুক  ও মাদকাসক্তি সমাজের সবচেয়ে ঘৃণিত ব্যাধি। যৌতুকের কারণে যেভাবে একটি পরিবার নষ্ট হয়, ঠিক মাদকের কারণে ধ্বংস হয় একটি সমাজ ও দেশ। তিনি আরো বলেন, গত দশ বছর যাবত আন্জুমানে রজভীয়া নূরীয়া যৌতুকের বিরুদ্ধে দেশ-বিদেশে সেমিনার, সমাবেশসহ বিভিন্নভাবে আন্দোলন করে আসছে। আগামীতে যৌতুক বিরোধী মহাসমাবেশের পাশাপাশি মাদকাসক্তির বিরোদ্ধেও সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে তিনি জানান। সাথে সাথে যৌতুক ও মাদকের বিরুুদ্ধে যুবসমাজকে এগিয়ে আসার আহবান জানান।

গতকাল ২ জুলাই সোমবার বিকেলে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আন্জুমানে রজভীয়া নূরীয়া কাতার শাখার সভাপতি আলহাজ কাজী মুহাম্মদ ফোরকান রেজা স্বদেশ গমন উপলক্ষে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানকালে সভাপতির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত মন্তব্য করেন। রজভীয়া নূরীয়া ইসলামী সাংস্কৃতিক ফোরামের সভাপতি শায়ের মুহাম্মদ মাছুমুর রশিদ কাদেরীর সঞ্চালনায় সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন

আন্জুমানে রজভীয়া নূরীয়া বাংলাদেশের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব সৈয়দ মুহাম্মদ সেলিম, সাংগঠনিক সচিব মুহাম্মদ মিয়া জুনায়েদ, সহ-সাংগঠনিক সচিব মুহাম্মদ ফরিদুল আলম, দপ্তর সচিব মাওলানা আব্দুল কাদের রেজভী, উত্তর জেলা প্রচার সম্পাদক মুহাম্মদ মিনহাজ সিদ্দিকী, মুহাম্মদ জাহেদ, মুহাম্মদ রাশেদ, মুহাম্মদ ইব্রাহিম, মুহাম্মদ বরাত, মুহাম্মদ রুহুল আমিন প্রমূখ।

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর আত্রাই-ভবানীগঞ্জ সড়কের কার্পেটিং উঠে গিয়ে খানাখন্দে ভরে গেছে। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এ সড়ক দিয়ে চলাচল করছে ছোট বড় যানবাহন। দীর্ঘদিন থেকে সড়কটির কার্পেটিং উঠেগিয়ে বেহাল দশা হয়ে থাকলেও প্রয়োজনীয় সংস্কার না করায় জনদুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। আত্রাই উপজেলার দুর্ভোগের আরেক নাম আত্রাই-ভবানীগঞ্জ সড়ক।

দীর্ঘদিন থেকে প্রয়োজনীয় সংস্কারের অভাবে ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতার কারণে এ সড়কটি বর্তমানে চলাচলের জন্য অযোগ্য হয়ে পড়েছে। আত্রাই সীমানা থেকে বাগমারা সীমানা পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার রাস্তা মেরামত না করায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাধ্য হয়েই চলাচল করছে বিভিন্ন ছোটবড় যানবাহন। আর মাঝেমধ্যে ঘটে যাওয়া ছোটবড় দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাচ্ছে নিরীহ পথচারী।

আত্রাই-ভবানীগঞ্জ সড়ক একটি জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক। রাজশাহী বিভাগীয় শহরের সাথে সড়ক পথে যোগাযোগের জন্য এলাকাবাসীর এ সড়কের বিকল্প কোন পথ নেই। আত্রাই উপজেলাসহ রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার হাজার হাজার লোকজন প্রতিদিন এ সড়ক দিয়ে চলাচল করে থাকে। এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন বাস, ট্রাক, ট্রলি, সিএনজি, অটোরিক্সা ও মোটরসাইকেলসহ ছোট বড় বিভিন্ন প্রকার যানবাহন চলাচল করে। সড়কের পার্শ্ববর্তী বাগমারা অংশের সংস্কার কাজ হলেও আত্রাই অংশে ৫ কিলোমিটারের মত সড়ক দীর্ঘদিন থেকে সংস্কার না করায় চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সড়কের বিভিন্ন যায়গায় কার্পেটিং উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় প্রতিনিয়ত ছোট বড় দুর্ঘটনাও ঘটছে। সামান্য বৃষ্টি হলে এসব খানাখন্দে পানি জমে থাকায় যানবাহনের চাকার পানিতে পথচারীদের পোষাক পরিচ্ছদ বিনষ্ট হয়ে যায়। এ নিয়ে চরম দুর্ভোগের শিকার হন এলাকার হাজার হাজার পথচারী। উপজেলার ঐতিহ্যবাহী আহসান উল্লাহ মেমোরিয়াল সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের শত শত শিক্ষার্থীদের এ সড়ক দিয়ে বিদ্যালয়ে যাতায়াত করতে হয়। এসব শিক্ষার্থীদেরও চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

এ সড়কের অটো চালক মতিউর রহমান বলেন, রাস্তার এ দুর্দশার কারনে আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এ রাস্তায় গাড়ি চালাই। এখানে গাড়ি চালাতে গিয়ে একদিকে সময়ের অপচয় অপরদিকে বিভিন্ন যন্ত্রাংশ প্রায়ই নষ্ট হয়ে গাড়িরও অনেক ক্ষতি সাধিত হয়।

আহসানগঞ্জ হাটের বিশিষ্ট কাপড় ব্যবসায়ী বাবর আলী শেখ বলেন, প্রতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার হাটে এ রাস্তা দিয়ে আমাদের দোকানের মালামাল নিয়ে যেতে হয়। দীর্ঘদিন থেকে রাস্তাটির যে দুরাবস্থা তাতে মনে হয় দেখার কেউ নেই।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের এ্যাম্বুলেন্স ড্রাইভারি টিপু সুলতান বলেন, প্রায় দিনই রোগি নিয়ে এ রাস্তা দিয়ে আমাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যাতায়াত করতে হয়। রাস্তাটির প্রয়োজনীয় সংস্কার না করায় অতিরিক্ত সময় ও কষ্ট দুটোই হয়। এ রাস্তা দিয়ে যাবার সময় রোগির সাথে আমাদেরকেও রোগি হয়ে যেতে হয়।

এ ব্যাপারে নওগাঁ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী হামিদুল হক পথচারীর দুর্ভোগের কথা স্বীকার করে বলেন, সড়কটি সংস্কারে বরাদ্দ পাশ হয়েছে। অল্পদিনের মধ্যে দরপত্র আহবানের মধ্যদিয়ে কাজ শুরু করা হবে।

শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে বাংলাদেশ অটো টেম্পু শ্রমিক ফেডারেশন (রেজি: নং বি- ১৯৯৮) অবৈধ কমিটির সকল কর্মকান্ড বন্ধে প্রশাসনের ব্যবস্তা গ্রহনের দাবীতে মানববন্ধন ও শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে স্বারকললিপি প্রদান করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে হবিগঞ্জ রোডস্থ উপজেলা প্রেসক্লাবের সামনে ‘মৌলভীবাজার জেলা অটো টেম্পু, বেবী, মিশুক, সিএনজি সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার আয়োজনে সংগঠনের সভাপতি এম এ সালামের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুর রহমান এর সঞ্চালনায় এ মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের উপজেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. তাজুল ইসলাম, দপ্তর সম্পাদক মখলিছুর রহমান, সাবেক সভাপতি আব্দুল কাদির ছানু, ভানুগাছ রোডস্থ সিএনজি গ্রুপ কমিটির সভাপতি এম এ মনির মৌলভীবাজার রোড সিএনজি গ্রুপ কমিটির সাধারণ সম্পাদক শ্রী পরিমল দেব প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা মৌলভীবাজার বাংলাদেশ অটো টেম্পু শ্রমিক ফেডারেশনের অবৈধ কমিটির অবৈধ কর্মকা-সহ সকল তৎপরতা বন্ধ এবং কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহনের দাবীসহ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। এবং ১৫ দিনের মধ্যে অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ না করলে জেলার সাথে সম্পৃত্ত হয়ে আমরা কঠোর আন্দোলনে নামবো।

পরে মানবন্ধন শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোবাশেশরুল ইসলামের বরাবরে একটি স্মারকলীপী দেওয়া হয়। এ সময় সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি, মৌলভীবাজার:মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের আগুন লেগে প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মঙ্গলবার ভোরবেলা শহরের গদার বাজারের ‘নিলয় এন্ড অয়ন ভেরাইটিজ স্টোরে’ এই অগ্নিকান্ডের ঘটনাটি ঘটে।

দোকানের সত্বাধিকারী সন্তোষ দেবনাথ বলেন, প্রতিদিনকার মতো সোমবার রাতে দোকানের বিদ্যুতের মেইন সুইচ বন্ধ করে বাড়ি যাই। সকাল সাতটার দিকে খবর পেয়ে দোকানে ছুটে এসে দেখি ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নেভানোর কাজ করছে। ফায়ার সার্ভিস আগুন নিয়ন্ত্রনে আনার পর দোকানে কোন জিনীসই আস্ত নেই। সব পুড়ে ছাই হয়ে যায়। তিনি অভিযোগ করে বলেন, এর আগে আমার এই দোকানটি নেওয়ার জন্য চেষ্টা করেছিল। আমি দোকান ছাড়ি নি। এ কারনে কেউ হয়তো বা আমার দোকানে পরিকল্পিত ভাবে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস শ্রীমঙ্গল স্টেশনের ফায়ারম্যান, মো আশরাফুল ইসলাম বলেন, অগ্নিকান্ডের ঘটনায় দোকানের প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের তৎপরতায় আগুন নিয়ন্ত্রনে আসায় আেেশপাশের দোকান গুলোতে আগুন ছড়িয়ে যায় নি। আমরা ধারনা করছি ইলেকট্রিক সর্ট সার্কিট থেকে এই আগুনের সুত্রপাত হতে পারে।

নড়াইল প্রতিনিধিঃঃনড়াইলে এক গৃহবধু গণধর্ষণ এবং সাত বছরের এক শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। অসুস্থ্য দুজনকেই সোমবার রাতে নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকালে লোহাগড়া উপজেলার কোটাকোল ইউনিয়নের মাইগ্রামের জনৈক ব্যক্তির স্ত্রী তিন সন্তানের জননী তার বাড়ির পাশের মৎস্য ঘেরের পাড়ে সবজি তুলতে যান।

ঘেরের পাশেই তাদের কলাবাগানে এক কাঁধি কলা কাটা দেখে তিনি সেখানে এগিয়ে যান। এসময় কলা কে কেটেছে জানতে চেয়ে চিৎকার দিলে কলাবাগানে লুকিয়ে থাকা তেলকাড়া গ্রামের সুলতান মোল্যার ছেলে মিলন ৩/৪ জন এগিয়ে এসে তার মুখ চেপে ধরে পালাক্রমে ধর্ষণ করে চলে যায়।

পরে প্রতিবেশিরা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে এনে নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। ধর্ষণের শিকার ওই নারীর স্বামী ঢাকায় একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করেন। তার তিনটি সন্তান রয়েছে।
অপরদিকে সোমবার বিকালে নড়াইল পৌরসভার ধোপাখোলা গ্রামের ৭ বছরের এক শিশুকে আম খাওয়ানোর লোভ দেখিয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত তুষার বিশ্বাস ওরফে ধেনু বিশ্বাসকে আটক করেছে পুলিশ। অসুস্থ্য ওই শিশুকে নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং ডাক্তারী পরীক্ষা সম্পন্ন হয়।

দুটি ধর্ষণের ঘঁটনায় সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা হয়েছে।

নড়াইল প্রতিনিধিঃনড়াইলে পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৩ মাদক ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন মামলা ও অভিযোগে ২৯ জনকে গ্রেফতার করেছে। অভিযানকালে, ১৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
জেলা পুলিশের কন্ট্রোলরুম সূত্রে জানাগেছে, সোমবার থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত গত ২৪ ঘন্টায় জেলার ৪ থানা নড়াইল সদর, লোহাগড়া , কালিয়া ও নড়াগতির বিভিন্ন এলাকায় মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালিত হয়।

অভিযানকালে সদর থানা পুলিশ ১ মাদক ব্যবসায়ি কাছ থেকে ৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধারসহ বিভিন্ন মামলা ও অভিযোগে ০৬ জন, লোহাগড়া থানা পুলিশ ২ মাদক ব্যবসায়ি কাছ থেকে ১০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধারসহ বিভিন্ন মামলা ও অভিযোগে ১১ জন, কালিয়া থানা পুলিশ বিভিন্ন মামলা ও অভিযোগে ০৫ জন এবং নড়াগাতী থানা পুলিশ বিভিন্ন মামলা ও অভিযোগে ০৭ জনকে গ্রেফতার করে।
নড়াইলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন জানান, জেলার ৪ থানায় অভিযানকালে মাদক মামলায় ৩, জি আর মামলায় ১৬ জন, সিআর মামলায় ৬ জন ও নিয়মিত মামলায় ৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। জেলায় মাদক নিয়ন্ত্রণ ও আইন শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের এ অভিযান চলমান থাকবে। তিনি মাদক ব্যবসায়ীসহ সকল অপরাধীদের ধরিয়ে দিতে জনগনের সহযোগিতা কামনা করেন।

ডেস্ক নিউজঃ মেক্সিকোকে হারিয়ে শেষ আটে পৌঁছে গেল ব্রাজিল। সোমবার রাতে শেষ ষোলোতে দিনের প্রথম ম্যাচে ব্রাজিল জিতেছে ২-০ গোলে। সময়ের সেরা তারকাদের মধ্যে এই রাউন্ডে লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো না পারলেও নেইমার সেই কাজটা করে দেখিয়ে দিলেন।
অপরদিকে জার্মানিকে হারিয়ে মেক্সিকো গ্রুপপর্বে যে অঘটন ঘটিয়েছিল তার আংশিকও যেন এখানে দেখাতে পারল না এই ম্যাচে। তাই বিদায় নিকে হলো এই রাউন্ড থেকেই।
নেইমার করেছেন এক গোল, করিয়েছেন আরেকটি। প্রথমার্থের খেলা অবশ্য গোল শূন্যই ছিল। ৫১ মিনিটে নেইমারের গোলেই এগিয়ে যায় ব্রাজিল। সম্মিলিত আক্রমণ থেকে মেক্সিকোর বক্সে গোলমুখ ঘেঁষে বেরিয়ে যাওয়া বল সামনের দিকে লম্বা করে পা বাড়িয়ে ছূঁয়ে পাঠিয়ে দেন জালে।
দ্বিতীয় গোলটা হয়েছে নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার মাত্র দুই মিনিট আগে। বাঁ দিক থেকে নেইমারের বানিয়ে গোলে আলতো শটে লক্ষ্যভেদ করেন রবার্তো ফিরমিনো। শেষ পর্যন্ত মেক্সিকো আর কোনও গোল দিতে ব্যর্থ হওয়ায় ২-০ ব্যবধানে জিতেই শেষ আট নিশ্চিত ব্রাজিলের।
এর আগে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর পর্তুগাল ও সাবেক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন স্পেন বিদায় নেয়। আর জার্মানির বিদায় হয়ে যায় প্রথম রাউন্ডেই। সেই অঘটনের বিশ্বকাপে ব্রাজিল অবশ্য নিরাপদেই শেষ আটে পা রাখল।

ফারুক মিয়া, চুনারুঘাট প্রতিনিধিঃ চুনারুঘাট উপজেলার সাটিয়াজুরী ইউনিয়নের ছিলামী (সিরাজনগর) গ্রামের আঃ সালাম ওরফে আঃ ছমেদের পুত্র সফিক মিয়া ওরফে কালা সফিক (৩৫) পুলিশ এসল্ট মামলার পলাতক ওয়ারেন্টের আসামীকে গ্রেফতার করেছে চুনারুঘাট থানা পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকাল ৫টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চুনারুঘাট থানার এ.এস.আই শরীফ হোসেনের নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার এএসআই সামছুদ্দিন ও এএসআই কমল রায় সহ একদল পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে উপজেলার সাটিয়াজুরী ইউনিয়নের বাসুদেবপুর হাওর এলাকা থেকে পুলিশ এসল্ট মামলার পলাতক ওয়ারেন্টের আসামী সফিক মিয়া ওরফে কালা সফিককে গ্রেফতার করে চুনারুঘাট থানায় নিয়ে আসে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, সফিক মিয়া ওরফে কালা সফিক জি.আর ৩৪৩/১৬, ১২০/১৪, ১৭৮/১৫ চুরি, ডাকাতি, পুলিশ এসল্ট মামলা সহ ১০টি মামলার পলাতক ওয়ারেন্টের আসামী ছিল। সে দীর্ঘদিন যাবত ধরে পুলিশের চোখে ফাঁকি দিয়ে আত্মগোপন করে পালিয়ে বেড়াচ্ছিল।

এ বিষয়ে চুনারুঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ কে এম আজমিরুজ্জামান পুলিশ এসল্ট মামলার পলাতক ওয়ারেন্টের আসামী সফিক মিয়া ওরফে কালা সফিককে গ্রেফতারের বিষয়টি সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। কালা সফিককে ধরাতে এলাকায় সুস্থির নিশ্বাস ফিরে এসেছে।

স্টাফ রিপোর্টারঃচুনারুঘাট উপজেলার উবাহাটা ইউনিয়নের কেউন্দা গ্রামের মীর নূর আহাম্মদ ওরফে সিরাজ মিয়ার পুত্র মামুন মিয়া (১৬) কে হত্যার ঘটনায় তার বাবা নিরীহ কৃষক মীর নূর আহম্মদ বাদী হয়ে ১৬ জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

সম্প্রতি মামলার বিবরণে জানা যায়, কিশোর মামুন হত্যার ১ বছর পেরিয়ে গেলেও পুলিশ হত্যা মামলার পলাতক ৮ আসামীকে এখনও ধরতে পারেনি। মামুন হত্যা মামলার এজাহারভূক্ত পলাতক ৮ আসামীরা হলেন- উপজেলার উবাহাটা ইউনিয়নের কেউন্দা গ্রামের মৃত আঃ নূর ওরফে কনা মিয়ার পুত্র প্রধান আসামী সবুজ মিয়া (৩৫), মৃত মিছির উদ্দিনের পুত্র ফজলু মিয়া (৪০), মৃত আব্দুর রুশনের পুত্র দুলাল মিয়া (৪০), মৃত আঃ রেজ্জাকের পুত্র ফজলে আহাম্মদ ওরফে বাচ্চু মিয়া (৬৭), মৃত আঃ মতিনের পুত্র আরজু মিয়া (৫০), মৃত জহুর হোসেনের পুত্র ভিংরাজ মিয়া (৪২), মৃত আঃ রেজ্জাকের মেয়ে মোছাঃ রাজিয়া বেগম (৬৫), শাইলগাছ গ্রামের মৃত আঃ মন্নাফের পুত্র নূরুল হক (৪৫)।

উল্লেখ্য যে, গত বছরের ২৪ জুলাই সোমবার সকাল অনুমান ৮টায় কেউন্দা গ্রামের ছুরুক মিয়ার পুকুর পাড় থেকে কিশোর মামুন মিয়ার লাশ উদ্ধার করে চুনারুঘাট থানা পুলিশ।

এ ব্যাপারে মামুন মিয়ার পিতা নূর আহম্মদ ওরফে সিরাজ মিয়া ওই দিন রাতে ১৬ জনকে আসামী করে চুনারুঘাট থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। থানার জি.আর মামলা নং- ৩৭, ধারা- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০ (সংশোধিত ২০০৩) এর ৭/৩০ তৎসহ ৩০২/২০১/৩৪ দঃ বিঃ।

মামুন মিয়া হত্যার ১ বছর পেরিয়ে গেলেও আজও পুলিশ পলাতক ৮ আসামীকে গ্রেফতার করতে পারে নি ? এ নিয়ে মামলার বাদী নূর আহম্মদ প্রতিদিনই হবিগঞ্জ ডিবি কার্যালয়ে গিয়ে পলাতক ৭ আসামীদেরকে গ্রেফতার করার জন্য মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ওসি ডিবি শাহ আলমকে তাগিদ দিলেও এখন পর্যন্ত ৭ পলাতক আসামী ধরা ছোয়ার বাহিরে।

এ নিয়ে কেউন্দা এলাকার সাধারণ মানুষের জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে ? নিহত মামুন মিয়ার পরিবারের কান্নার হাহাজারি এখন পর্যন্তও থেমে নেই। মামলার বাদী মীর নূর আহাম্মদ ও তার পরিবার পলাতক আসামীদের হুমকিতে নিরাপত্তাহীনতায় বসবাস করছেন।

নিহত মামুন মিয়ার পিতা অসহায় দরিদ্র কৃষিক মীর নূর আহাম্মদ তার পুত্র হত্যার সুবিচার পাওয়ার জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

কমলগঞ্জ প্রতিনিধিঃ কমলগঞ্জের আদমপুর ইউনিয়নের কেওয়ালী ঘাট ও হকতিয়ার খলা গ্রামের ধলই নদীর ভাঙ্গন রোধ ও ক্ষতিগস্থদের প্রয়োজনীয় সাহায্য করার দাবিতে নদী তীরে মানববন্ধন করেছেন গ্রামবাসী। সোমবার (২ জুলাই) সকালে হকতিয়ারখলা গ্রামের ধলাই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধের ভাঙ্গন এলাকায় দাঁড়িয়ে মণিপুরি আদিবাসী নারী পুরষেরা এ মানবন্ধন করেন।

আদমপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো: জুমের আলীর সভাপতিত্বে মানবন্ধনে স্থানীয় জনগন ছাড়াও আরও অংশ নেন  ইউপি সদস্য মো: বশির বক্স, ইউপি সদস্য কে মনিন্দ্র সিংহ প্রমূখ। মানবন্ধন চলাকালে ইউপি সদস্যরা বলেন, আদমপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড ছাড়াও ৩ নং ও ৬নং ওয়ার্ডে নদী ভাঙ্গনে ৬ শতাধিক পরিবার ক্ষতিগস্থ হয়।

এদের মধ্যে কেওয়ালী ঘাট ও হকতিয়ারখলা গ্রামের নদীতীরবর্তী অনেক বসতঘর সম্পূর্ণরুপে নদী গর্বে বিলিন হয়েছে। জমির রোপিত আউশ ফসল  বিনষ্ট হয়েছে। সরকারীভাবে ব্যাপক ত্রাণ সামগ্রী আসলেও এখানকার প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্থরা তেমন ত্রাণ সহায়তা পাননি।

এজন্য ইতিমধ্যেই নারী ও পুরুষ মিলিয়ে ৬ জন্য ইউপি সদস্য ত্রাণ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ তুলে ইউপি চেয়ারম্যান আবদাল  কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।নতুন করে আউশ ধান রোপন করা যাচ্ছে না। তারা আরও বলেন, এখনই ধলাই নদীর ভাঙ্গন এলাকা মেরামত করে প্রতিরক্ষা বাঁধের বাকি ঝুঁকিপূর্ণ স্থান সংস্কার করতে হবে। তা নাহলে আগামীতে আমন ধানও চাষাবাদ করা সম্ভব হবে না।

আদমপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবদাল হোসেন বলেন, কেওয়ালীঘাট ও হকতিয়ার খলা গ্রামে নদী ভাঙ্গনে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এ গ্রামগুলির ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝেও ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। ত্রাণ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ সঠিক নয় বলে তিনি দাবি করেন।

কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহমুদুল হক ত্রাণ বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ গ্রহনের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। ক্ষতিগ্রস্থ কেই ত্রাণ না পেলে তালিকা দিলে অবশ্যই তাদের ত্রাণ দেওয়া হবে। নির্বাহী কর্মকর্তা আরও বলেন, ধলাই নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধের ভাঙ্গন মেরামতের কাজও শুরু হয়ে গেছে।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc