Wednesday 15th of August 2018 12:42:06 PM

“জাতীয় বাজেটে শিক্ষাখাতে ২৫ শতাংশ বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে”

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৬জুনঃ আসন্ন ২০১৮-১৯ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে শিক্ষাখাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দের দাবিতে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর শাখা আজ সকালে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন এর মাধ্যমে অর্থমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন। ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর সভাপতি ছাত্রনেতা মুহাম্মদ মাছুমুর রশিদ কাদেরীর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলে ছিলেন সাধারণ সম্পাদক ছাত্রনেতা মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ ছাত্রনেতা গোলাম মোস্তাফা, অর্থ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ কাউছার খাঁনসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, বাজেট আমাদের জাতীয় জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সারা বছর আমাদের জাতীয় জীবনের আয়-ব্যয় কেমন হবে তার প্রতিফলন হয় বাজেটে। আমাদের দেশের নাগরিকরা আগের চেয়ে অনেকবেশি সচেতন তাই রাজনীতির পাশাপাশি অর্থনীতির বিষয় গুলো নিয়েও তাদের আগ্রহ বাড়ছে। বাজেট বিষয়ে তাদের আগ্রহ ও প্রচুর। বাজেট উপস্থাপনের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়- বিট্রিশ শাসনের শুরুর দিকে এই উপমহাদেশে সর্বপ্রথম বাজেট উপস্থাপনার সূচনা করেছিলেন জেমস উইলসন। দেশ ভাগ হওয়ার পর ১৯৪৮ সালে বাজেট উপস্থাপন করেন তৎকালীন অর্থমন্ত্রী মালিক মুহাম্মদ। ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশে সংসদে সর্ব প্রথম বাজেট পেশ করেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদ। স্বাধীনতার পর থেকে বর্তমান পর্যন্ত (১৯৭২-২০১৭) সর্বমোট ৪৬ বার বাজেট উপস্থাপিত হয়েছে। প্রথম বাজেট ছিল ৭৮৬ কোটি টাকার এবং শেষেরটি প্রায় ৪ লক্ষ ২০ হাজার কোটি টাকার। তবে প্রতিবছরই মানুষের দৃষ্টি থাকে শিক্ষাখাতে প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর। কারণ এর ওপরই অনেকাংশে নির্ভর করে আগামীতে দেশের শিক্ষা খাতের অবকাঠামো উন্নয়ন-অনুন্নয়নের রূপরেখা।

আমাদের পাশেই দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো গত ২/৩ দশকে তাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় এনেছে আমূল পরিবর্তন, যা পরবর্তীতে তাদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করেছে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের শিক্ষাখাতে জাতীয় বাজেটের বরাদ্দের অনুপাতে বাংলাদেশের শিক্ষাখাতে জাতীয় বাজেটের বরাদ্দের আনুপাতিক বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, আফ্রিকার অনগ্রসর অধিকাংশ দেশ যেমন- কেনিয়া, তানজানিয়া শিক্ষাখাতে বরাদ্দদেয় জাতীয় বাজটের ২০ ভাগের বেশি। দক্ষিণ এশিয়ার অধিকাংশ দেশ যেমন- ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান তাদের কেন্দ্রীয় এবং প্রাদেশিক বরাদ্দসহ শিক্ষাখাতে বরাদ্দ দেয় ২০ ভাগেরও বেশি। আশ্চর্যজনক হলেও সত্য বাংলাদেশ শিক্ষাখাতে বরাদ্দ দেয় জাতীয় বাজেটের মাত্র ১৪ ভাগ।

বর্তমান সরকার ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের ৪ লক্ষ ৬০ হাজার কোটি টাকার দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় আকারের বাজেট ঘোষণা করতে যাচ্ছে। এই বাজেটের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ব্যয়খাত হলো শিক্ষাখাত। কিন্তু পত্রিকায় প্রকাশিত বিবরণে দেখা যায় এবারে শিক্ষা খাতের চেয়ে সরকার জনপ্রশাসন, প্রতিরক্ষা ও যোগাযোগ খাতকে বেশী প্রাধান্য দিচ্ছে। গতবারও বরাদ্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই খাতই ছিল সবচেয়ে অবহেলিত। এদেশের সচেতন ছাত্রজনতার প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন হিসেবে ইসলামী ছাত্রসেনা শুধুমাত্র শিক্ষাখাতে মোট বাজেটের ২৫ শতাংশ বরাদ্দের দাবি জানাচ্ছে। পাশাপাশি তা বাস্তবায়নে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা, মাদরাসা শিক্ষা, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিক্ষা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে যৌক্তিক দাবি পেশ করছে।

জনস্বার্থে নিম্নে স্মারকলিপির হুবহু তুলে ধরা হলঃ

বরাবর,
মাননীয় অর্থমন্ত্রী
বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা।

মাধ্যমঃ মাননীয় জেলা প্রশাসক, চট্টগ্রাম জেলা।

বিষয়: ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরের বাজেটে শিক্ষাখাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দের দাবিতে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনার বাজেট প্রস্তাবনা।

বাজেট আমাদের জাতীয় জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সারা বছর আমাদের জাতীয় জীবনের আয়-ব্যয় কেমন হবে তার প্রতিফলন হয় বাজেটে। আমাদের দেশের নাগরিকরা আগের চেয়ে অনেকবেশি সচেতন তাই রাজনীতির পাশাপাশি অর্থনীতির বিষয় গুলো নিয়েও তাদের আগ্রহ বাড়ছে। বাজেট বিষয়ে তাদের আগ্রহ ও প্রচুর। বাজেট উপস্থাপনের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়- বিট্রিশ শাসনের শুরুর দিকে এই উপমহাদেশে সর্বপ্রথম বাজেট উপস্থাপনার সূচনা করেছিলেন জেমস উইলসন। দেশ ভাগ হওয়ার পর ১৯৪৮ সালে বাজেট উপস্থাপন করেন তৎকালীন অর্থমন্ত্রী মালিক মুহাম্মদ। ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশে সংসদে সর্ব প্রথম বাজেট পেশ করেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদ। স্বাধীনতার পর থেকে বর্তমান পর্যন্ত (১৯৭২-২০১৭) সর্বমোট ৪৬ বার বাজেট উপস্থাপিত হয়েছে। প্রথম বাজেট ছিল ৭৮৬ কোটি টাকার এবং শেষেরটি প্রায় ৪ লক্ষ ২০ হাজার কোটি টাকার। তবে প্রতিবছরই মানুষের দৃষ্টি থাকে শিক্ষা খাতে প্রস্তাবিত বাজেটের উপর। কারণ এর উপরই অনেকাংশে নির্ভর করে আগামীতে দেশের শিক্ষা খাতের অবকাঠামো উন্নয়ন-অনুন্নয়নের রূপরেখা।

বর্তমান সরকার ২০১৮-১৯ অর্থ বছরের ৪লক্ষ ৬০ হাজার কোটি টাকার দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় আকারের বাজেট ঘোষণা করতে যাচ্ছে। এই বাজেটের সবচেয়ে গুস্তত্বপূর্ণ ব্যয়খাত হলো শিক্ষাখাত। কিন্তু পত্রিকায় প্রকাশিত বিবরণে দেখা যায় এবারে শিক্ষা খাতের চেয়ে সরকার জনপ্রশাসন, প্রতিরক্ষা ও যোগাযোগ খাতকে বেশী প্রাধান্য দিচ্ছে। গতবারও বরাদ্দ পাওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুস্তত্বপূর্ণ এই খাতই ছিল সবচেয়ে অবহেলিত।অথচ শিক্ষা হলো রাষ্ট্রের সকল আর্থ-সামাজিক উন্নতির চাবিকাঠি। সেজন্য শিক্ষা হলো রাষ্ট্রের সর্বোত্তম বিনিয়োগ। শিক্ষা কেন রাষ্ট্রের জন্য সর্বোত্তম বিনিয়োগ সেটা নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পরপরই ১৯৯৯ সালের ২ জানুয়ারি দিল্লিতে শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে অম্যর্ত্য সেন বলেছিলেন: “ঊষবসবহঃধৎু ঊফঁপধঃরড়হ রং ধ পবহঃৎধষ পড়সঢ়ড়হবহঃ ড়ভ ধহু শরহফ ড়ভ বপড়হড়সরপ ফবাবষড়ঢ়সবহঃ ……… ঊপড়হড়সরপ ঢ়ড়বিৎং, ংঁপয ধং ঔধঢ়ধহ যধফ যরময ষবাবষং ড়ভ বফঁপধঃরড়হ নবভড়ৎব ঃযবু ধফাধহপবফ ঃড়ধিৎফং রহফঁংঃৎরধষ ফবাবষড়ঢ়সবহঃ.” (রয়টার, ২ জানুয়ারি ৯৯)
রবীন্দ্রনাথ প্রায় শত বছর আগে আরো একধাপ এগিয়ে বলেছিলেন “আমাদের সকল সমস্যার সবচেয়ে বড় রাস্তা হচ্ছে শিক্ষা।” (রাশিয়ার চিঠি, পৃঃ ৫৫৫, দশমখন্ড)। আমাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য শিক্ষার গুরুত্ব কাগজে-কলমে হাজারকাব্য করে বলা হলেও শিক্ষা ব্যবস্থায় পশ্চাৎপদ দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ এখনো অন্যতম। অথচ আমাদের পাশেই দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো গত ২/৩দশকে তাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় এনেছে আমূল পরিবর্তন যা পরবর্তীতে তাদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করেছে। বিগত অর্থ বছরগুলোর বাজেট বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়-
২০০৯-১০ অর্থবছরে শিক্ষা খাতে জাতীয় বাজেটের বরাদ্দ ছিল ১৪.১৮ শতাংশ। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে তা দাঁড়িয়েছে ১১.২৯ শতাংশে। ২০০৯-১০
অর্থবছর থেকে ২০১৩-১৪ অর্থবছরে জাতীয় বাজেট বৃদ্ধি পেয়েছে ১০১.৩১ শতাংশ কিন্তু ২০০৯-১০ অর্থবছর থেকে ২০১৩-১৪ অর্থবছরে শিক্ষা বাজেট বৃদ্ধি পেয়েছে মাত্র ৬০.২১ শতাংশ। এই অসম প্রবৃদ্ধির ফলে বাজেটে শিক্ষার আপেক্ষিক গুস্তত্ব ১৪.১৮ শতাংশ থেকে ক্রমাগত হ্রাস পেয়ে ২০১৩-১৪ সালে তা ১১.২৯ শতাংশে পরিণত হয়েছে। ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে বরাদ্দ ছিল আনুপাতিক হারে অনেক কম। ২০১৪-১৫ অর্থ বছরে বরাদ্দ ছিল ১৩.১ শতাংশ এবং ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে বরাদ্দ ছিল ১১.৬ শতাংশ। সর্বশেষ ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১৪.৭ শতাংশ। পৃথিবীর অন্যকোন রাষ্ট্রে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ নিয়ে এত বেশী অবহেলা-উপেক্ষা চোখে পড়ে না। এ এছাড়াও পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের শিক্ষাখাতে জাতীয় বাজেটের বরাদ্দের অনুপাতে বাংলাদেশের শিক্ষাখাতে জাতীয় বাজেটের বরাদ্দের আনুপাতিক বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, আফ্রিকার অনগ্রসর অধিকাংশ দেশ যেমন- কেনিয়া, তানজানিয়া শিক্ষাখাতে বরাদ্দদেয় জাতীয় বাজটের ২০ ভাগের বেশি। দক্ষিণ এশিয়ার অধিকাংশ দেশ যেমন- ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, ভুটান তাদের কেন্দ্রীয় এবং প্রাদেশিক বরাদ্দসহ শিক্ষাখাতে বরাদ্দ দেয় ২০ ভাগেরও বেশি। আশ্চর্যজনক হলেও সত্য বাংলাদেশ শিক্ষাখাতে বরাদ্দ দেয় জাতীয় বাজেটের মাত্র ১৪ ভাগ।

শিক্ষাখাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দের দাবি বিবেচনায় রাখে। এখানে লক্ষ করা যায়, শিক্ষা বাজেটের সাথে প্রযুক্তি,খেলাধুলা,স্বা¯হ্য,ধর্ম সহ নানা বিষয় জুড়ে দেওয়া হয়। এমনকি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন বাজেটে সামরিক বাহিনী পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের বারদ্দও ঢুকিয়ে দেয়া হয়। ২০১১-১৩ অর্থবছরে শিক্ষার সাথে প্রযুক্তি এবং ২০০৮-০৯ অর্থবছরে শিক্ষা ও প্রযুক্তির সাথে স্বাস্থখাতকেও জুড়ে দেয়া হয়েছিল। ফলে বরাদ্দকৃত স্বল্প অর্থ টুকু ভাগাভাগি হয়ে যায় অন্যান্য খাতের সাথে।

তাই এদেশের সচেতন ছাত্রজনতার প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন হিসেবে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা শুধুমাত্র শিক্ষাখাতে মোট বাজেটের ২৫ শতাংশ বরাদ্দের দাবী জানানোর পাশাপাশি তা বাস্তবায়নে নিন্মোক্ত প্রস্তাবনা ও কিছু যৌক্তক দাবী পেশ করছে।

প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা :
১. বর্তমানে দেশে এক লক্ষ তেত্রিশ হাজার নয় শত একটি সরকারী, রেজিঃ সরকারী ও নন রেজিঃ প্রাইমারি স্কুল রয়েছে। এসব স্কুলে ছাত্র শিক্ষক অনুপাত ৪৩ঃ১। তা অর্ধেকে নিয়ে আসতে হলে প্রয়োজন অনেক সংখ্যক শিক্ষক নিয়োগ। তাই এই সংকট নিরসনে শিক্ষক চাহিদা বাড়াতে হবে।
২. দেশের প্রায় ৩ লক্ষ মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিনগনকে আধুনিক পদ্ধতির সমন্বয়ে দ্বীনি তালিম দিয়ে প্রশিক্ষিত করে তাদের মাধ্যমে ‘মসজিদ ভিত্তিক’ প্রাথমিক বিদ্যালয় বা মক্তব পরিচালনা করা যায়। এই ক্ষেত্রে নিবন্ধিত ইমাম মুয়াজ্জিনরা অবসরপ্রাপ্ত হলে তাদেরকে ‘ইমাম মুয়াজ্জিন ট্রাষ্ট’ থেকে আর্থিক সুবিধা প্রদান নিশ্চিত করতে হবে।
৩. পথশিশু, সুবিধা বি ত দুর্গম এলাকার পাহাড়ী অধিবাসীদের শিক্ষিত করে তুলতে বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করতে হবে।
৪. প্রত্যেক থানায় আলাদা পরীক্ষা কেন্দ্র স্থাপন করতে হবে।
৫. পাঠ্য পুস্তক হতে ইসলাম বিরোধী সব গল্প-প্রবন্ধ-উপন্যাস অপসারণ করে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক ক্ষেত্রে ধর্মীয়-নৈতিক শিক্ষার প্রতি জোর তাগিদ দিতে হবে।
৬. প্রতিটি উপজেলায় ন্যূনতম একটি মাধ্যমিক স্কুলকে সরকারিকরণ করতে হবে।
৭. সব মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে আই সি টি নির্ভর ক্লাস রুমের ব্যবস্থা করতে হবে।

মাদ্ররাসা পর্যায়ে আমাদের প্রস্তাবনা :
১. প্রত্যেক মাদ্রাসায় কম্পিউটার বরাদ্দ সহ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ে পদ সৃষ্টি করে শিক্ষক নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণ করে অবকাঠামোগত উন্নয়ন করতে হবে।
২. বিভাগ ভিত্তিক মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড এবং বাংলাদেশ মাদ্রাসা টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (বিএমটিটিআই) প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
৩. মাদ্রাসা গুলোতে সহকারী শিক্ষক ও সহকারী মাওলানা পদে বেতন বৈষম্য দূর করতে হবে।

বিজ্ঞান -প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষা :
১. কারিগরি শিক্ষা লাভকারী শিক্ষার্থীদের উচ্চ শিক্ষা অর্জনের জন্য বিশেষয়িত সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বাড়াতে হবে।
২. ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রী ধারীদেরকে চাকরিক্ষেত্রে প্রাপ্য সম্মানের ব্যবস্থা করতে হবে।
৩. প্রচলিত শিক্ষাপদ্ধতির পরিবর্তে কারিগরি শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানগুলোতে ‘কো-অপারেটিভ এন্ড প্রোডাক্টিভ এডুকেশন সিষ্টেম’ চালু করতে হবে। যাতে করে এক সাথে শিক্ষার্থী, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সরকার অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্ভিতা অর্জন করতে পারে।
৪. মাধ্যমিক পর্যায়ে কারিগরি শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে। তা ছাড়া দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে কারিগরি বিদ্যালয়ের সংখ্যা বাড়ানো সহ এর অবকাঠামোগত উন্নতি সাধনে ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরে পর্যাপ্ত বাজেট থাকতে হবে।
৫. প্রতিটি উপজেলায় একটি কারিগরি বিদ্যালয় স্থাপন, প্রতিটি জেলায় গ্লার্লস টেকনিক্যাল স্কুল, নতুন প াশটি উপজেলায় পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউট, সববিভাগীয় শহরে মহিলা পলিটেকনিক ইনষ্টিটিউটসহ সববিভাগে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন করতে হবে।

বিশ্ববিদ্যালয় :
১. শিক্ষকতা পেশাকে ব্যবসায়ীকরণের হাত থেকে রক্ষা করতে সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে হবে। তাই সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় গুলোর জন্য বাজেটে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ থাকতে হবে।
২. রাজনৈতিক বিবেচনায় নয়, মেধার ভিত্তিতে শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে।
৩. বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে যথার্থ গবেষণা কর্ম সম্পাদন করতে প্রচুর অর্থের প্রয়োজন হয়। প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষকদের জন্য গবেষণার দ্বার উন্মুক্ত করতে হবে। এজন্য চাই প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্ধ।
৪. নতুন বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, যুগোপযুগি বিভাগ সৃষ্টি ও আসনসংখ্যা বাড়াতে হবে।
৫. তথ্য ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বাড়াতে হবে।
৬. প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বাংলা বিভাগ যুক্ত করা সহ ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার উপর পাঠদান বাধ্যতামূলক করতে হবে।

সামগ্রিক প্রস্তাবনা
বাজেট হচ্ছে একটি সরকারের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনার মৌলিক রূপরেখা এবং একটি প্রজ্ঞাবান সরকার বাজেট প্রণয়নের সময় সমাজের নানা চ্যুতি- বিচ্যুতি, অতীত ও বর্তমানের কার্যকারণ এবং ভবিষ্যতের জন্য সংশোধনমূলক বাস্তবসম্মত একটি কর্মপদ্ধতি নির্ধারণ করে, যার প্রতিচ্ছবি বাজেট বরাদ্দের মাধ্যমে পরিস্ফুট হয়। শিক্ষাখাতে সরকারের বাজেট বরাদ্দ দেখে মনে হচ্ছে, তারা সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষাখাতে যে নৈরাশ্যজনক পরিস্থিতি বিরাজমান সে সম্পর্কে সম্যক অবগত নন অথবা তারা এ পরিস্থিতিকেই স্বাভাবিক হিসেবে মেনে নিয়েছেন, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। শিক্ষাখাতে তুলনামূলকভাবে বাজেট না বাড়ানো, শিক্ষানীতি বাস্তবায়নে গড়িমসি করা, সারা দেশে প্রশ্ন ফাঁস, কৃত্রিম মেধাবী তৈরির কর্মযজ্ঞ এবং সর্বোপরি সুশীল সমাজের প্রস্তাবনা অগ্রাহ্য করে একে শিক্ষাখাতে অগ্রগতির চিহ্ন হিসেবে দাবি করা সরকারের ব্যর্থতা হিসেবেই দেখা হবে। কার কাছে কতটুকু চাইতে হবে তা নির্ধারণ করতে পারাটা জীবনের একটি বড় শিক্ষা। গত বছরের অভিজ্ঞতায় তাই সরকার ও অর্থমন্ত্রীর কাছে আগ্রাসী শিক্ষা-বাজেট আমরা আর আশা করছি না। কিন্তু সরকার, অর্থমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট সবার কাছে এ বছরের বাজেট ও আগামী দিনের কথা মাথায় রেখে আমরা চারটি অনুরোধ করতে চাই।

এক. এ বাজেটে যতটুকু বরাদ্দ করা হয়েছে, সেখানে অপচয় যথাসম্ভব কমিয়ে পুরো অর্থ যেন যথাযথভাবে কাজে লাগানো যায়, সেই কর্মকৌশল ঠিক করে সে অনুযায়ী বাজেট বাস্তবায়ন করা হোক।
দুই. প্রতিবছর অন্তত ০.৫ শতাংশ হারে শিক্ষাখাতে জিডিপির বরাদ্দ বাড়ানো হোক।
তিন. শিক্ষাখাতের বাজেটের সঙ্গে অন্য কোনো খাত যুক্ত না করা হোক এবং শিক্ষাখাতের মধ্যে গবেষণার জন্য বরাদ্দ বাড়ানো হোক।
চার. শিক্ষাখাতে দুর্নীতি কমিয়ে বাজেটকে অর্থবহভাবে বাস্তবায়ন করার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।

এছাড়াও কিছু যৌক্তিক দাবী পেশ করছি –
১. শিক্ষার প্রত্যেক স্তর ও ক্ষেত্রে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করতে হবে।
২. মোবাইল ব্যবহারে সরকারি নীতিমালার পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন করতে হবে। মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আই সি টি আইন ও শাস্তির বিধান সম্পর্কিত সচেতনতা মূলক ক্যাম্পেইনের ব্যবস্থা করতে হবে।
৩. যে সব বেসরকারি শিক্ষক অবসরে গেছেন তারা এখনো অবসর ভাতা পাননি। তাদেরকে অবিলম্বে অবসর ভাতা প্রদান করে অনিশ্চিয়তা থেকে মুক্তি দিতে হবে।
৪. নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমপিও ভুক্তির জন্য বরাদ্দ থাকতে হবে।
৭. শুধুমাত্র শিক্ষাখাতে ২৫% এবং জাতীয় আয়ের ৮ ভাগ বরাদ্দ নিশ্চিত করতে হবে।

টেকসই উন্নতি করতে হলে শিক্ষা- বাজেট বাড়ানোর বিকল্প নেই। এটি আমাদের কথা নয়, অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের কথা। সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা উন্নতির জন্য অনেক কথা বলেন, আমরা প্রতিবছর সেগুলো বিশ্বাস করি। কিন্তু শিক্ষা-বাজেটে সরকারের এসব কথার প্রতিফলন না থাকায় বিশ্বাসগুলো প্রায়ই ঠুনকো হয়ে যেতে থাকে।

বিগত ২০১৭-২০১৮ সালে বাজেটে শিক্ষা নিয়ে তেমন কোন নতুন ঘোষণা না থাকায় দেশের সাধারণ জনগণ হতাশ হয়েছিল। অথচ উন্নত ও উন্নয়শীল সবদেশেই বর্তমানে শিক্ষা খাতকে অগ্রধিকার দিয়ে আসছে। এমনকি অফ্রিকার কঙ্গো ও উগান্ডার মতো দরিদ্র দেশগুলোও শিক্ষাখাতে বরাদ্দ দেয় তাদের মোট বাজেটের ৩০ শতাংশ বা তার চেয়ে বেশি (শিক্ষা বুলেটিন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়)। কিন্তু স্বাধীনতার পর এ যাবৎ ৪৬ বার বাজেট ঘোষণা করা হলেও আমরা শিক্ষা খাতে বরাদ্দ মোট বাজেটের ২০ শতাংশ পর্যন্ত ও নিয়ে যেতে পারিনি।

তাই বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি এবং বিশ্বমানের শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করার জন্য ইউনেস্কোর সুপারিশ অনুযায়ী, শিক্ষা ক্ষেত্রে জাতীয় ২০১৮-২০১৯ অর্থ বছরের বাজেটে শুধু শিক্ষা খাতে ২৫% বরাদ্দ সহ শিক্ষা খাত নিয়ে কিছু যৌক্তিক প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেছে। আমরা আশা করি যদি প্রস্তাবিত সুপারিশমালা গুলো বিবেচনা করা হয় তাহলে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন সাধিত হবে।

অচিরেই বিশ্ব দরবারে আমরা একটি শিক্ষিত ও উন্নত জাতি হিসেবে স্বীকৃতি পাব বলে আমরা বিশ্বাস করি। আমরা আশা করি সরকার আগামী বাজেটে এই সুপারিশগুলো গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করবে এবং বাস্তবায়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৬জুনঃ    সিলেট মহানগর হকার্স লীগ নেতা আব্দুর রকিবকে গ্রেপ্তার করেছে কোতোয়ালি থানার পুলিশ। মঙ্গলবার দিবাগত রাত পৌনে ১টার দিকে নগরীর বন্দর বাজার ফাঁড়ি এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে কোতোয়ালি মডেল থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

সিলেট মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফয়াজ উদ্দিন ফয়েজ সাংবাদিকদের জানান, সোমবার বিকেলে সড়কে বসতে না দেওয়ায় তার নেতৃত্বে সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) মেয়রের ওপর হামলার চেষ্টা ও নগর ভবনে হামলা করে হকাররা।

ওই ঘটনায় পরের দিনই রকিবকে প্রধান করে সিটি করপোরেশনের আইন সহকারী শ্যামল রঞ্জন দেব বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রাতে ফাঁড়ির পাশে ঘোরাঘুরি করছিল রকিব। এ সময় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়। এ মামলায় অজ্ঞাত আরো শতাধিক হকারকে আসামি করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

উল্লেখ্য, সোমবার বিকেলে বন্দরবাজার এলাকায় সড়কের প্রায় অর্ধেক পথ জুড়ে বসে হকাররা। এতে পথচারীদের চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টির পাশাপাশি রাস্তায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। এ সময় সিটি করপোরেশনের কয়েকজন কর্মী সেখানে গিয়ে তাদেরকে রাস্তা ছেড়ে দেওয়ার অনুরোধ করেন।

এতে বিক্ষুব্ধ হয়ে হকাররা তাদের ওপর হামলা করলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী সেখানে গেলে তাকে লক্ষ্য করে হকাররা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। একইসাথে তারা সিটি করপোরেশনেও হামলা চালায় বলে সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়।

এ বিষয়ে সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, রকিবের নেতৃত্বে পরিকল্পিতভাবে হকাররা সিটি করপোরেশন কর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এতে সিটি করপোরেশনের কর্মচারী আনসার আলী, সুমন আহমদ ও ইউসুফ মিয়া আহত হয়েছেন।

এছাড়া, এ ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেপ্তারে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন সিলেটের বিশিষ্ট জনেরা।

তারা বলেছেন, নগরীর বন্দরবাজার এলাকায় হকারদের তাণ্ডব, নগর ভবনে হামলা এবং মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর ওপর হামলার প্রচেষ্টা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। হামলাকারী যেই হোক, তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসতেই হবে।

সোমবার রাতে নগরীর একটি কমিউনিটি সেন্টারে নগরবাসীর ব্যানারে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতি, সিলেট চেম্বার, সিলেট প্রেসক্লাব, বিভিন্ন মার্কেটের ব্যবসায়ীবৃন্দসহ নগরীর বিশিষ্টজনেরা অংশ নেন।

সভায় হকারদের তাণ্ডবের চিত্র তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। এ সময় তিনি হকার উচ্ছেদ না হওয়া পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন। এর প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বিশিষ্টজনদের নিয়ে নগরীতে হকার উচ্ছেদে অভিযান চালান সিসিক মেয়র আরিফুল হক।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৬জুন,নড়াইল  প্রতিনিধিঃ    নড়াইলে পুলিশের মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে ৪ জন মাদক ব্যবসায়িসহ বিভিন্ন মামলা ও অভিযোগে ২৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

জেলা পুলিশের কন্ট্রোলরুম সূত্রে জানাগেছে, মঙ্গলবার  থেকে বুধবার সকাল পর্যন্ত গত ২৪ ঘন্টায় জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদক  বিরোধী অভিযান পরিচালিত হয়। এ সময় ২০ পিচ ইয়াবা ও ২০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার করা হয়। অভিযানকালে নড়াইল সদর থানা পুলিশ ১ মাদক ব্যবসায়ি, ১০পিচ ইয়াবাসহ বিভিন্ন মামলা ও অভিযোগে ০৬ জন, লোহাগড়া থানা পুলিশ ৩ মাদক ব্যবসায়ি,১০ পিচ ইয়াবা ও ২০ গ্রাম গাঁজাসহ বিভিন্ন মামলা ও অভিযোগে ১১ জন, কালিয়া থানায় ৬ জন এবং নড়াগাতী থানা পুলিশ  ৪ জনকে গ্রেফতার করে।

নড়াইলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাদকের বিরুদ্ধে যে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষনা করেছেন,বিশেষ করে দেশকে রক্ষা করার জন্য,এটাকে যুদ্ধ হিসাবে ঘোষনা করেছেন, সেই স্প্রিটটাঁকে কাজে লাগিয়ে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। জেলার আইন শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং মাদক নিয়ন্ত্রণে পুলিশের এ অভিযান চলমান থাকবে। তিনি মাদক ব্যবসায়ীসহ সকল অপরাধীদের ধরিয়ে দিতে জনগনের সহযোগিতা কামনা করেন।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৬জুনঃ  রোটার‌্যাক্ট  ক্লাব অব সিলেট এলিগ্যান্সের প্রেসিডেন্ট রোঃ রিনা বেগমের পরিচালনায় ক্লাবের সভা নিয়মিত ইফতার মাহফিল ৫/৬/১৮ইং নগরীর একটি অভিজাত হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রোটারী ক্লাব অব সিলেট এলিগ্যান্স এর পিপি রোটা: দেলোয়ার হোসেন, পিডি আর আর রোটা: এড. হোসাইন আহমদ শিপন, রোটারী ক্লাব অব সিলেট রিগ্যান্স সিটির প্রেসিডেন্ট ইলেক্ট রোটা: কয়েস আহমদ সুমন, রোটারী ক্লাব অব সিলেট এলিগ্যান্স এর মেম্বার রোটা. মাহবুব আহমেদ, এক্স রো. আবুল হোসেন, রোটার‌্যাক্ট ডিস্ট্রিক অর্গানাইজেশন আর আইডি-৩২৮২ বাংলাদেশের এডিশনাল ডিস্ট্রিক কো-অডিনেটর রো. রাশেদুজ্জামান রাশেদ, আর আর মাহমুদুল হাসান, রোটার‌্যাক্ট ক্লাব অব সিলেট এলিগ্যান্সের প্রেসিডেন্ট ( ২০১৮-১৯ ) রো. রবিউল ইসলাম সানি, ভাইস প্রেসিডেন্ট রো. আশরাফুজ্জামান, সেক্রেটারী রো. ইমরুল হাসান, সেক্রেটারী (২০১৮-১৯), রো. শেখ সুহিন মিয়া, জয়েন সেক্রেটারী রো. নাঈম আহমদ, ট্রেজারার রো. রেজিয়া আক্তার, কমিউনিটি সার্ভিস ডিরেক্টর রো. বদরুল ইসলাম, মেম্বার রো. সাদেক, এহিয়া, রাসেল, ইসলাম উদ্দিন, শাহীন, আব্দুর রুফ, শাকির আহমদ রিপন, আজিজুর রহমান সোহাগ, তহুরা আহমদ মিম, নওরীন জাহান ইশা, কামরুজ্জামান, রোটার‌্যাক্ট ক্লাব অব  মৌলভীবাজার সেন্ট্রালের মেম্বার রো. তানহা প্রমুখ।

ইফতার পূর্ববর্তী দোয়া মাহফিলে আগামী রোটাবর্ষের ডি আর আর রো. নাফিজুল আলমের বাবার  রোগ মুক্তির কামনা করা হয়।প্রেস বার্তা।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৬জুন,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ   ঢাকা বিভাগের আলোচিত জেলা কিশোরগঞ্জের চাকরিজীবী  ও ব্যবসায়ীদের নিয়ে সিলেটে “কিশোরগঞ্জ জেলা সমিতি” নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক কমিটি গঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ জুন২০১৮) সিলেট নগরীর একটি হোটেলে আয়োজিত ইফতার মাহফিল ও পরিচিতি সভায় সিলেটস্থ কিশোরগঞ্জবাসীর এ সংস্থার আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়।

২১ সদস্য বিশিষ্ট এই আহ্বায়ক কমিটিতে সিলেট রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের পুলিশ সুপার নূরুল ইসলাম আহ্বায়ক এবং তাজপুর কলেজের প্রভাষক মাসুদ করিম সদস্য সচিব নির্বাচিত হয়েছেন।

আহ্বায়ক কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, সাইফুল আলম পারভেজ,আফাদুল ইসলাম তারেক, মহিউদ্দিন মাহী, আয়াজ আলম ভূঁইয়া, ইঞ্জিনিয়ার ফখরুল আহমেদ, গিয়াস উদ্দিন, ডা. জিয়া উদ্দিন টিটু, শফিকুল ইসলাম নয়ন, আল-আমিন, নাসিমূল হক, সাজ্জাদ হোসেন তপু, মহিউদ্দিন উজ্জল, জুয়েল মিয়া, জাহিদুল ইসলাম জাহিদ ও লতিফা ইসলাম। আহ্বায়ক কমিটির বাকি ৪ সদস্যের নাম পরবর্তিতে ঘোষণা করা হবে বলে একটি সুত্রে জানা গেছে।

এছাড়া সিলেট কাস্টমস এক্সাইজ এন্ড ভ্যাট কমিশনারেট এর কমিশনার মো. শফিকুল ইসলামকে প্রধান উপদেষ্টা করে ১১ সদস্যের একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠন করা হয়েছে।

আরও জানা গেছে,প্রফেসর ড. মোজাম্মেল হক, সাজেদা খাতুন, লুৎফুর রহমান, আবু ইউসুফ মিয়া, সাঈদ মিল্কী, অধ্যাপক জামালুর রহমান ও শফিকুল ইসলামকে নিয়ে একটি উপদেষ্টা পরিষদ কমিটি গঠন করা হয়েছে এর মধ্যে বাকি তিন সদস্যের নাম পরবর্তিতে ঘোষণা করা হবে।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৬জুনঃ মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রসেনার অভিষেক ও যৌথ ইফতার মাহফিল সম্পন্ন হয়েছে। ৫ জুন ২০১৮ মঙ্গলবার  বিকাল ৩ টায় বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা মৌলভীবাজার জেলা ছাত্রসেনার নবনির্বাচিত ২০১৮-২০১৯ শেষনের অভিষেক অনুষ্ঠান জেলা ছাত্রসেনার সভাপতি এম এ এম রাসেল মোস্তফার সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক মো: জুবায়ের জুবেল এর পরিচালনায় শহরের বনফুল কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসাবে ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট এর সভাপতি জননেতা মাও: হারিছ আল কাদরি, বিশেষ অতিথি জেলা ফন্টের সহ সভাপতি মাও: আব্দুল মুহিত হাছানী, সাধারণ সম্পাদক কাজি মো: কুতুব উদ্দীন,সহ সাধারণ সম্পাদক এম মইনুল ইসলাম খান, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ নাজাত উল্লাহ, কেন্দ্রীয় যুবসেনার সহ সাংগঠনিক সম্পাদক এম মুহিবুর রহমান মুহিব, জেলা যুবসেনার সি:সহ সভাপতি সাহাব উদ্দীন আহমদ,সহ সাধারণ সম্পাদক ডা:মামুনুর রশিদ, মাও:আরিফুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম মেম্বার।

প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ও শপথ বাক্য পাঠ করান কেন্দ্রীয় ছাত্রসেনার তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক, বিশেষ বক্তা কেন্দ্রীয় সদস্য সিলেট মহানগর সভাপতি ময়নুল ইসলাম রাব্বি, মহানগর সহ সভাপতি শাখাওয়াত হোসাইন, আব্দুল খালিক ছালিক।

জেলা ছাত্রসেনার মধ্যে, জুনেদুল ইসলাম চৌধুরী আদনান,আশরাফুল খান রুহেল, সাইফুল ইসলাম চৌধুরী,আবুল কালাম, রেজা খান বেহেস্তি,শাহ নাজমুল বাবুল,মোশাররফ, প্রমুখ।

অভিষেক অনুষ্ঠান শেষে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, যুবসেনা,ছাত্রসেনা,মৌলভী বাজার জেলা শাখার যৌথ আয়োজনে ফ্রন্ট সভাপতি মাও: হারিছ আল কাদরির সভাপতিত্বে জেলা ছাত্রসেনার সভাপতি এম এ এম রাসেল মোস্তফার পরিচালনায় মাহে রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়, এসময় বক্তব্য রাখেন ফ্রন্ট, যুবসেনা, ছাত্রসেনার জেলা উপজেলার নেতৃবৃন্দ।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৬জুন,বিক্রমজিত বর্ধন:বিশ্ব পরিবেশ দিবসে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে অবমুক্ত করা হয়েছে ৫টি বন্যপ্রাণী ৪টি পরিযায়ী পাখি।

মঙ্গলবার সকাল ১১ টায় মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের আমতৈল বেত বাগান নামক স্থানে বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সিতেশ রঞ্জন দেবের সভাপতিত্বে এই প্রাণীগুলো অবমুক্ত করেন বিজিবি শ্রীমঙ্গল সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মো. জাহিদ হোসেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন ৪৬ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্ণেল আব্দুল্লাহ আল মোমেন, সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মো. আনিসুর রহমান, প্রাক্তন সিলেট বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. হরিপদ রায়, বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক সজল দেব, গৌতম কুমার দেব সহ ইলেক্ট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিক বৃন্দ।

অবমুক্ত করা প্রাণীগুলোর মধ্যে ছিল একটি অজগর সাপ, একটি গন্ধগকুল, একটি লজ্জবতী বানর, একটি শঙ্খিনী সাপ, একটি তক্ষক ও ৪টি পরিযায়ী পাখি।

বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সিতেশ রঞ্জন দেব বলেন, অবমুক্ত করা প্রানীগুলো গত দেড় মাসে শ্রীমঙ্গল উপজেলার বিভিন্ন স্থানে খাদ্যের সন্ধানে লোকালয়ে এলে মানুষের হাতে ধরা পরে। আমরা এগুলো উদ্ধার করে লাউয়াছড়ায় তাদের পরিবেশে অবমুক্ত করেছি।

অবমুক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বিজিবি বিজিবি শ্রীমঙ্গল সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মো. জাহিদ হোসেন বলেন, বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে আমরাও এখন বন্যপ্রাণী ও পরিবেশ রক্ষায় কাজ করে চলেছি। বন্যপ্রাণী ও পরিবেশ রক্ষায় সবাইকেই নিজ নিজ স্থান থেকে এগিয়ে আসার আহবান করেন তিনি।

পরে শ্রীমঙ্গল বধ্যভূমি একাত্তর প্রাঙ্গনে নারিকেল, অশক ও পলাশ গাছের চারা রোপন করা হয়।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৫জুন,রেজওয়ান করিম সাব্বির, জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধিঃ  জৈন্তাপুরে মাতৃত্বকালীন ভাতা প্রাপ্তিতে মহিলা ইউপি সদস্যরা জোর পূর্বক উপজেলা মহিলা কর্মকর্তার ও ইউপির নামে চাঁদা আদায় করে নিচ্ছে। প্রতিবাদ করলে অন্যসকল ভাতা বন্ধের হুমকী প্রদান করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

আজ ৫ জুন দুপর ১২টায় জৈন্তাপুর উপজেলার ৫নং ফতেহপুর ও ৬নং চিকনাগুল ইউনিয়নের ৯৮জনের মধ্যে মাতৃত্বকালীন সুবিধাভোগী মহিলারা ভাতার টাকা উত্তোলন করতে আসে জৈন্তাপুর উপজেলা সদরস্থ বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক জৈন্তাপুর শাখায়।

গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে জানা যায় ৬নং চিকনাগুল ইউনিয়ন পরিষদের ৪-৫-৬নং ওয়ার্ডের মহিলা সদস্য সুভাসিনী রানী নাথ এবং ৭-৮-৯নং ওয়ার্ডের মহিলা সদস্য সাদিকা বেগম ব্যাংকের সম্মুখে উপস্থিত হয়ে মাতৃত্বকালীন ভাতাভোগী মহিলাদের নিকট হতে জোরপূর্বক ভাবে ইউনিয়ন এবং উপজেলা অফিসারের খরচের নামে ১হাজার ২শত ৫০টাকা করে চাঁদা উত্তোলন করছে।

ঘটনাস্থলে সংবাদকর্মীর উপস্থিতি টের পেয়ে ৭-৮-৯নং ওয়ার্ডের মহিলা সদস্য সাদিকা বেগম কেটে পড়ে। কিন্তু কোন কিছু বুঝে উঠার আগেই ৪-৫-৬নং ওয়ার্ডের মহিলা সদস্য সুভাসিনী রানী নাথ চাঁদা আদায়ের সময় ক্যামেরা বন্ধি হন।

প্রতিবেদকের কাছে মাতৃত্বকালীন ভাতাভোগী জৈন্তাপুর উপজেলার ৬নং চিকনাগুল ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের কহাইগড় ২য় খন্ডের আমির উদ্দিনের স্ত্রী জাকিয়া বেগম তার ২মাসের কন্যা শিশু রোহামাকে নিয়ে ভাতা উত্তোলন করতে আসে, একই এলাকার বাদশা মিয়ার স্ত্রী তাহমিনা বেগম তার ৮মাসেন শিশু কন্যা রুমাকে নিয়ে ভাতা উত্তোলন করতে আসে, এমনি ভাবে ভাতা উত্তোলন করতে আসেন ময়নুউদ্দিনের স্ত্রী রহিমা বেগম ১০মাসের শিশু লোকমান কে নিয়ে, হেলাল আহমদের স্ত্রী সালমা বেগম তার ২মাসের শিশু সাফিয়াকে নিয়ে।

আলাপকালে তারা প্রতিবেদককে জানান- মাতৃত্ব ভাতা পাওয়ার জন্য প্রথমে আবেদন বাবত আমাদের নিকট হতে ইউপি সদস্যারা ৫শত টাকা করে অগ্রিম নিয়েছে যা উপজেলায় দিতে হবে বলে জানান। পরবর্তী আজ ভাতা উত্তোলন করে ব্যাংক হতে বাহির হওয়ার পথে ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি চৌকিদার আব্দুর রহিমের মাধ্যমে আমাদের গতিপথ রোধ করে মহিলা সদস্যা জন প্রতি ৫শত টাকা এবং চৌকিদার ২৫০টাকা করে দিতে হয়েছে। ২দফায় আমরা তাদেরকে মোট ১হাজার ২শত ৫০টাকা করে চাঁদা দিয়েছি। আমরা চাঁদা না দিলে পরবর্তীতে আর কোন ভাতাদীর সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হবে না এবং পরিবারের অন্য যারা সুবিধা পাচ্ছেন তাদের সুবিধা বন্দ করে দেওয়া হবে বলে চৌকীদারের মাধ্যমে হুমকী দেন ইউপি সদস্যারা। আমরা একান্ত বাধ্য হয়ে তাদের দাবী অনুযায়ী চাঁদা দিয়েছি।

চাঁদা আদায়কালে ইউপি সদস্যা সুভাসীনী রানী নাথকে ছবি তুলার একপর্যায় প্রতিবেদকের পরিচয় তিনি জানার পর বলেন টাকা গুলো ভাতা ভোগীরা উপহার হিসাবে আমাদেরকে দিয়েছে কোন চাঁদা নেই নাই। ভাতাভোগীদের বক্তব্যের কথা বললে তিনি বলেন- তাদের টাকা ফেরত দিয়ে দিবেন।

বিষয়টি জানতে উপজেলা জৈন্তাপুর উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা তাহমিনা বেগমের সাথে মোবাইল ফোনে আলাপকালে তিনি বলেন- আমরা বিনা খরছে তাদের যাবতীয় কাজ করে দিয়েছি। শুধুমাত্র ১০টাকা মূল্যে তাদেরকে কৃষি ব্যাংকে একাউন্টের করে দেওয়া হয়েছে। কারো নামে চাঁদা আদায়ের বিষয় আমাদের জানা নেই। বিষয়টি খোঁজ খবর নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

চিকনাগুল ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুর রশিদ সিলেটে থাকায় মোবাইল ফোনে প্রতিবেদককে জানান- আমার পরিষদ হতে এসকল কাজে কোনরুপ অর্থ লেনদেন করার উপর নিষেদাজ্ঞা রয়েছে। কেউ এই বিষয় কিছু করে থাকলে ইউনিয়ন পরিষদ বিষয়টি খতিয়ে দেখবে। ঘটনা সঠিক থাকলে সংবাদ প্রকাশে আমার কোন আপত্তি নেই।

এবিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌরীন করিম প্রতিবেদককে বলেন- কিভাবে একজন ইউপি সদস্যা মহিলা হয়েও একজন মায়ের কাছ হতে চাঁদা আদায় করছে ভাবতেও অবাক লাগে। মাতৃত্বকালীন মহিলাদের কাছ হতে চাঁদা নেওয়া হয় এর চেয়ে লজ্বার বিষয় কিছুই নেই। আমি বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি।