Thursday 21st of June 2018 06:51:23 AM

আমারসিলেট  টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩জুনঃ  রাগিব রাবেয়া ডিগ্রী কলেজের প্রভাষক মোঃ সাইদুর রহমান বলেন, রমজান মাস সংযমের মাস। এ মাসের শিক্ষা নিয়ে আমাদের ভালকে গ্রহণ করা এবং মন্দকে বর্জন করা উচিত। একই সাথে তিনি আল বারাকা ইসলামী ছাত্র সংস্থার পরিবেশ সুন্দর ও সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য স্ব স্ব অবস্থান থেকে কাজ করার আহ্বান জানান এবং সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
গতকাল লালারগাঁও হাবিবিয়া হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসার হল রুমে দোয়া ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন।
আল বারাকা ইসলামী ছাত্র সংস্থার সভাপতি মোঃ রাসেল আহমদের সভাপতিত্বে ও মোঃ খায়রুল আলমের পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন ফারইষ্ট লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোং লিঃ সুনামগঞ্জ সার্ভিস সেন্টারের ইনচার্জ মোহাম্মদ শাহাব উদ্দিন, পশ্চিম সদর উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের সিনিয়র শিক্ষক মুজিবুর রহমান, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও লন্ডন প্রবাসী মোঃ আনর মিয়া, একতা যুব সংঘ এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও মেসার্স নজরুল এন্টারপ্রাইজের প্রোপ্রাইটর মোঃ নজরুল ইসলাম, বিশিষ্ট বব্যবসায়ী ও ক্রীড়া সংগঠক নুর উদ্দিন ইমন, মোঃ শাহাব উদ্দিন, জুনেদ স্পোর্টিং ক্লাব লালারগাঁও এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও আম্বরখানাস্থ মেসার্স জুনেদ এন্টারপ্রাইজের প্রোপ্রাইটর জুনেদ আহমদ, ক্রীড়া সংগঠক খায়রুল হাসান, শামীম আহমদ, পশ্চিম সদর উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক ও জুনেদ স্পোর্টিং ক্লাব লালারগাঁও এর সাধারণ সম্পাদক মোঃ কয়েছ আহমদ, আল বারাকা ইসলামী ছাত্র সংস্থার সদস্য মোঃ খায়রুল আলম, তোফায়েল আহমদ, জাবেদ আহমদ, আকিল আহমদ, মুজিবুর রহমান, হাফিজ বিলাল আহমদসহ আল-বারাকা ইসলামী ছাত্র সংস্থার সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
লালারগাঁও হাবিবিয়া হাফিজিয়া দাখিল মাদ্রাসার হিফজ শাখার প্রধান হাফিজ আশিকুর রহমান আল বারাকা ইসলামী ছাত্র সংস্থার সার্বিক উন্নয়ন এবং দেশ জাতির কল্যাণ কামনা করে মোনাজাত পরিচালনা করেন।প্রেস বার্তা

আমারসিলেট  টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩জুন,বেনাপোল প্রতিনিধি: বেনাপোল রেল রোড সীমান্ত প্রেসক্লাবের স্থায়ী কার্যালয়ে পূর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষনা এবং ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। তথ্য প্রযুক্তির জগতে উদ্যমী এবং সাহষী তরুনদের সমম্বয়ে বেনাপোল সীমান্ত প্রেসক্লাবের আত্মপ্রকাশ ঘটে। প্রেসক্লাব পরিচালনা ক্ষেত্রে উপদেষ্টা পরিষদ এবং কার্যনির্বাহী কমিটি অত্যন্ত আব্যশকীয়তা। পবিত্র রমজান মাসে সীমাবদ্ধতা বজায় রেখে স্বল্প পরিসরে পুর্বেই ঘোষিত আহবায়ক কমিটি কর্তৃক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী স্ব-স্ব পদের বিপরীতে উপদেষ্টা এবং নির্বাহী কমিটি’র নাম ইফতার দোয়া অনুষ্ঠানে ঘোষনা করা হয়।
কার্যনির্বাহী কমিটি’র সদস্যরা হলেন:Ñ সভাপতি মোঃ সাহিদুল ইসলাম শাহীন, সহ-সভাপতি আলী হোসেন বাচ্চু, সাধারন সম্পাদক মোঃ আয়ুব হোসেন পক্ষী, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আসাদুজ্জামান রিপন, সহ- সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ তামিম হোসেন সবুজ, অর্থ-সম্পাদক মোঃ নজরুল ইসলাম, সহ-অর্থ সম্পাদক মোঃ শামিম হোসেন নয়ন, দপÍর সম্পাদক মোঃ আরিফুল ইসলাম সেন্টু, সহ-দপ্তর সম্পাদক সুমন হুসাইন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ রাসেল ইসলাম, সহ- প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ সেলিম রেজা তাজ, সাহিত্য সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ জাকির হোসেন, সহ-সাহিত্য সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া সম্পাদক আমিনুর রহমান তুহিন, তথ্য যোগাযোগ ও গণসংযোগ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, সহ- তথ্য যোগাযোগ ও গণসংযোগ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ জয়নাল আবেদীন বাবু, আইন বিষয়ক সম্পাদক মোঃ জাহিরুল ইসলাম মিলন, কার্যকারী সদস্য মোঃ মেহেদী হাসান, মোঃ কাজু তুহিন, মোঃ আমজাদ হোসেন টিটু, সদস্য মোঃ লোকমান হোসেন, শেখ মঈনুদ্দিন, মোঃ লোকমান হোসেন রাসেল, শফিকুল ইসলাম, মোশারেফ হোসেন মনা, মোঃ মনির হোসেন, ইকবাল হোসেন রাসেল ও আওয়াল হোসেন।

আমারসিলেট  টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩জুনঃপ্যালেস্টাইনসহ কয়েক দশক ধরে মধ্যপ্রাচ্যে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। সম্প্রতি তার পুনরাবৃত্তি ঘটল আরেকবার জেরুজালেমে মার্কিন দূতাবাস স্থানান্তরের মাধ্যমে। ইরাক ও সিরিয়ার তথাকথিত গৃহযুদ্ধ ও রক্তপাতের আড়ালে প্যালেস্টাইনে নির্যাতন, নিপীড়ন ও রক্তপাত কখনও বন্ধ হয় নি। ইসরাইলীদের প্যালেস্টাইনে ভূমি দখল এখন স্বাভাবিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে।

হত্যা রক্তপাত প্রতিদিন রুটিন কর্মসূচি হিসাবে ইসরাইলীরা ঘটিয়ে চলেছে। যে বিশ্ব সবসময় প্যালেস্টাইনের স্বাধীনতার জন্য সোচ্চার ছিল আজ জরুরী হয়ে পড়েছে তাকে আবার জাগ্রত করা। বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি বিশ্বের সকল নিপীড়িত জনগণের সাথে থাকার আদর্শে বিশ্বাস করে। আমাদের মুক্তিযুদ্ধে বিশ্বমানবতার সমর্থন আমরা পেয়েছি। এই ঋণ আমাদের পরিশোধ করতে হবে প্রতি মুহূর্তে।

৬০ বছরেরও বেশি সময় ধরে মধ্যপ্রাচ্যে যে সংঘাত চলে আসছে, তার অন্যতম প্রধান খেলোয়াড় হিসেবে মানা হয় যুক্তরাষ্ট্রকে। একমাত্র যে দেশ ইসরায়েলের ওপর সরাসরি প্রভাব বিস্তারে সক্ষম, সে হলো এই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এই দুই দেশ কৌশলগত মৈত্রীতে আবদ্ধ। এই দুই দেশে সরকার বদল হয়, নতুন নেতা আসেন, কিন্তু তাঁদের কৌশলগত আঁতাতের কোনো পরিবর্তন হয় না। যুক্তরাষ্ট্র বরাবর নিজেকে মধ্যপ্রাচ্য সমস্যার নিরপেক্ষ ‘সমঝোতাকারী’ হিসেবে উপস্থাপনের চেষ্টা করে থাকে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের নিরপেক্ষতার অর্থ আগে ইসরায়েলের স্বার্থ, তারপর অন্য কথা। অনেকেই বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই একপেশে নীতি তার নিজের জাতীয় স্বার্থবিরোধী। সাবেক প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার ও সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী বব গেইটস সরাসরিই বলেছেন, বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের ভেতর যে মার্কিনবিরোধী মনোভাব, তার পেছনে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যপ্রাচ্যনীতি। তা সত্ত্বেও ইসরায়েল প্রশ্নে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান পরিবর্তিত হওয়ার লক্ষণ নেই। বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের দোকানদারী করে বেড়ানো এই রাষ্ট্রটির অবস্থানও সবসময় এ সঙ্গে স্ববিরোধী। ট্রাম্প মুখে বলছেন যে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েল ফিলিস্তিনের মধ্যে মহান শান্তিচুক্তি করাতে চায়। অথচ কাজটা ঠিক উল্টো। জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানীর হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের স্বীকৃতি সেই বিপরীত মনোভাব স্পষ্ট করে। যদিও ট্রাম্পের এই সমর্থনে বিশ্বের উল্লেখযোগ্য রাষ্ট্রের সমর্থন নেই। ইইউ, রাশিয়া, চীন ইরান তো নয়, এমনকি সম্প্রতি ভারতও একে সমর্থন করে নি। সাবেক প্রেসিডেন্ট ওবামার আমলে গাজায় গণহত্যাকে সমর্থনযোগ্য না বলে উল্লেখ করেও ইসরায়েলের এই আগ্রাসনকে তাদের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় বলে সাফাইও গান। যুক্তরাষ্ট্র এখনো ইসরায়েলকে প্রতিবছর তিন বিলিয়ন ডলার সামরিক ও অর্থনৈতিক সাহায্য দিয়ে থাকে। ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যে কোন মুভমেন্ট ঠেকাতেও যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি সহায়তা করেছে এমন অভিযোগ পুরনো।

১৫ নভেম্বর ১৯৮৮ সালে আলজিয়ার্স শহরে নির্বাসনে ঘোষিত একটি রাষ্ট্র, যেখানে প্যালেস্টাইন লিবারেশন অরগানাইজেশন (পিএলও) ও প্যালেস্টাইন জাতীয় পরিষদ (পিএনসি) একপাক্ষিক ভাবে ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিল। আমরা সকলেই সংগ্রামী প্যালেস্টাইনের নেতা ও ইয়াসির আরাফাতের ঘনিষ্ট সহযোদ্ধা জর্জ হাবাসের কথা জানি। প্যালেস্টাইন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম শুধুমাত্র মুসলিম জনগোষ্ঠির সংগ্রাম ছিল না। এটা ছিল প্যালেস্টাইন জনগোষ্ঠির নিজস্ব রাষ্ট্র গঠনের সংগ্রাম। ১৯৮৮ ঘোষণার সময়ে কোনো অঞ্চলেই পিএলওর নিয়ন্ত্রণ ছিল না, যদিও তারা যে অঞ্চলগুলি দাবি করেছিল বাস্তবে সেইগুলি ইসরায়েলের দখলে ছিল। আরবরা দাবি করেছিল, ১৯৪৭ সালে জাতিসংঘ দ্বারা প্রস্তাবিত ফিলিস্তিন বিভাগ যেভাবে প্রস্তাবিত হয়েছিল, যেখানে ফিলিস্তিন ভূখন্ড (গাজা ভূখন্ড ও ওয়েস্ট ব্যাংক) ছাড়াও ইসরায়েল শাসনাধিন অঞ্চলও ছিল এর অন্তর্ভূক্ত এবং জেরুজালেমকে ঘোষিত রাষ্ট্রের রাজধানী আখ্যা দেওয়া হয়েছিল। জাতিসংঘ এখনও প্যালেস্টাইনকে প্রতীকি ও ভবিষ্যতের স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে বিবেচনা করে।

১৯৭৪ আরবলীগ শীর্ষ বৈঠকে স্থির হয়েছিল, পিএলও ফিলিস্তিনের জনগণের একমাত্র বৈধ প্রতিনিধি এবং ও তাদের জন্য জরুরি ভিত্তিতে একটি স্বাধীন দেশ প্রতিষ্ঠিত আহবান জানিয়েছিল। ২২ নভেম্বর ১৯৭৪, থেকে প্যালেস্টাইন ও পিএলওকে ‘রাষ্ট্রহীন-সত্তা’ রূপে পর্যবেক্ষক অবস্থায় রাখা হয়েছে। যারা কেবলমাত্র জাতিসংঘে তাদের বক্তব্য রাখতে পারেন, কিন্তু ভোট দেবার কোনো ক্ষমতা নাই। দল ছিল ফাতাহ ও হামাস। কিন্তু রাজনৈতিক মতভিন্নতার কারণে ও ক্ষমতা নিয়ে হামাস ও ফাতাহ এর মধ্যে বিরোধ হয়। যার ফলে ফিলিস্তিনের প্রধান দুই অংশ ওয়েস্ট ব্যাংক ফাতাহ সরকারের অধীনে নিয়ে নেয়। আর অন্যদিকে গাজা ভুখন্ডে হামাস সরকার গঠন করে। হামাসকে ঘিরেই গাজায় সংকট তৈরি করে ইসরায়েল। ইয়াসির আরাফাত চরম সংকটময় অবস্থায় ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন। চেষ্টা করেন দেশটিতে শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য। ১৯৯৩ সালে ইসরায়েলের সঙ্গে অসলো শান্তিচুক্তির জন্য তিনি শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান। দখলদারি ইসরায়েলিদের বিরুদ্ধে মুক্তির সংগ্রামের লক্ষ্যে ১৯৬৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও)। ১৯৬৮ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ইয়াসির আরাফাত ছিলেন এ সংগঠনটির চেয়ারম্যান। তিনি ফিলিস্তিনের শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক দল ফাতাহরও নেতা ছিলেন। ১৯৯১, ১৯৯৩ ও ২০০০ সালে আরাফাত ইসরায়েলের সঙ্গে শান্তিচুক্তির মাধ্যমে কয়েক দশকের সংঘাতের অবসান ঘটানোর প্রয়াস নেন। যদিও রাজনৈতিক দল হামাস শুরু থেকে তার এই শান্তিপূর্ণ মনোভাবের বিরোধিতা করে। ২০০৪ সালে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দ্বারা গৃহবন্দি অবস্থায় ইয়াসির আরাফাতের রহস্যময় মৃত্যু ঘটে। বলা হয়, তাকে রাসায়নিক বিষ প্রয়োগে হত্যা করা হয়। এই ঘটনার পুণতদন্ত শুরু হলেও যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ প্রভাবে তাদের অন্যতম মিত্র ফ্রান্স তা মাঝপথে তদন্ত বন্ধ ঘোষণা করে।

১৯৮৭ সালে ওই সময় একের পর এক ইসরায়েলি সহিংসতার বিরুদ্ধে তৎকালীন ফাতাহ সরকারের মনোভাব ছিল রক্ষণশীল। অস্ত্রের জবাব অস্ত্রের মাধ্যমে না দিয়ে তারা চাইছিল ইসরায়েলের সঙ্গে সমঝোতায় আসতে। ফাতাহ সরকারের এই নীতির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও ইসরায়েলকে সশস্ত্র জবাব দিতে হামাস গঠন করা হয়। হামাস প্রাথমিকভাবে দুটি উদ্দেশ্য নিয়ে গঠিত হয়। প্রথমত এর সামরিক শাখার মাধ্যমে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়া। দ্বিতীয়ত ফিলিস্তিনে বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কর্মসূচি পরিচালনা করা। তাদের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সামরিক শাখা রয়েছে। ২০০৪ সালে আরাফাতের মৃত্যুর পর হামাস ও ফাতাহর মধ্যে সম্পর্কের অবনতি হয়। সাম্প্রতিক সময়ে যখন আবার এই দুইপক্ষের মধ্যে ন্যূনতম ঐক্যমত্য প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা তৈরি হয়, ঠিক তখনই যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি ইসরায়েলের পক্ষে অবস্থান নিয়ে চাপ তৈরি করে।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংকটের আরেকটি বড় উপাদান ইরানের সঙ্গে করা ছয় জাতির পরমাণু চুক্তি থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বেরিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত। ট্রাম্পের ইরান চুক্তি বর্জনের সিদ্ধান্তকে জোরালোভাবে সমর্থন করেছে ইসরাইল, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। এ তিনটি দেশই মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম শক্তিধর রাষ্ট্র ইরানের ঘোর বিরোধী। তবে বাকি বিশ্ব এই চুক্তির পক্ষে। লক্ষ্যণীয় হলো মুসলিম রাষ্ট্র হলেও সৌদি আরব এ অঞ্চলে বরাবরই ইসরায়েল-মার্কিন স্বার্থে পক্ষে অবস্থান নিয়ে এসেছে। এবারও তার ব্যতিক্রম হয় নি। আরব-ইসরাইল সংকট, আইএস’র উত্থান, সিরিয়ায় বিদ্রোহ, ইয়েমেনে মানবিক বিপর্যয়, অভিবাসন ইস্যুসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে যখন মধ্যপ্রাচ্য টালমাটাল, তখনও সৌদি আরব নির্দ্বিধায় মার্কিন স্বার্থের পক্ষে অবস্থান নিয়ে কাতার সংকট ডেকে আনে। যার মাশুল এখন শুধু মধ্যপ্রাচ্যকে গুণতে হচ্ছে তাই নয়, সৌদি আরবের মার্কিন-ইসরাইলের এই সখ্যতা সমগ্র আরবের জনগণই নয় বরং বিশ্বকেই সংকটের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।

সিরিয়া সংকট মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতাকে নিঃসন্দেহে ভিন্ন মাত্রা দিয়েছে। কিন্তু সেখানেও সেই যুক্তরাষ্ট্র- সৌদি-ইসরায়েল সম্পর্কের ত্রিভূজ বিদ্যমান। রাশিয়া সরাসরি সিরিয়ায় হস্তক্ষেপের আগ পর্যন্ত এই সংকট সুরাহার পথে যুক্তরাষ্ট্রের ভাবারও প্রয়োজন বোধ করে নি। সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের নাক গলানোর ঘটনার পর থেকে যা যা ঘটেছে, তাকে আগামী বিশ্বের সামরিক লড়াইয়ের জোটদের মহড়া বললেও ভুল হবে না।

শুধু মধ্যপ্রাচ্যই নয়, যুক্তরাষ্ট্র কোরীয় শান্তি প্রক্রিয়ার পথেও বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে ট্রাম্পের সাম্প্রতিক কোরীয় নেতা উন এর সাথে বৈঠক বাতিলের ঘোষণা আগামীর পথকে বন্ধুর করে তুলেছে। নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে যখন দুই কোরিয়ার মধ্যে আলোচনা ও মৈত্রীর সম্ভাবনা তৈরি হলো, ঠিক তখনই যুক্তরাষ্ট্রের এই আচরণ পুরো প্রক্রিয়াটিকেই ক্ষতির মুখে ফেলে এখনও অবশ্য ঐ আলোচনা আবার হবে বলে বলা হচ্ছে। তবে সেটাও অনিশ্চিত। এর প্রধান কারণ ভিন্ন। ২৯ মার্চ ২০১৮, উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উন প্রথমবারের মতো চিনে গিয়ে পারস্পরিক সামরিক সহযোগিতার উদ্যোগ নেয়। ফলে উত্তর কোরিয়া, চীন, ইরান, সিরিয়া, তুরস্ক ও রাশিয়া এক বলয়ে চলে আসে। খতিয়ে দেখলে এই সামরিক সহযোগিতা জোটের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে ইসরায়েল। আর সে কারণেই কোরীয় শান্তি প্রক্রিয়াকে বিঘিœত করতে যুক্তরাষ্ট্র তৈরি করেছে নতুন মিশন। ভেনেজুয়েলা, ব্রাজিল ও ম্যাক্সিকো সহ সমগ্র দক্ষিণ আমেরিকায় রাজনৈতিক অস্থিরতা সৃষ্টির জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে মধ্যপ্রাচ্য থেকে শুরু করে বিশ্বের কোনোখানেই এই মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্র তথা মার্কিন সা¤্রাজ্যবাদ শান্তির পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে না। বরং বিদ্যমান সংকটকে আরো ঘনীভূত করে তুলছে। যার অর্থ হলো, বিশ্বকে আরো একটা মহাযুদ্ধের মুখোমুখি করার পরিকল্পনায় নেমেছে তারা। আর কে না জানে, এবারের যুদ্ধ শুরু হলে তা পারমাণবিক আঘাত-পাল্টা আঘাতের মাধ্যমে পুরো বিশ্বকেই অস্তিত্বের সংকটে ফেলে দেবে। তাই আজ আমাদের মত দেশের বৈদেশিক নীতি ও বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা দাবি করে। (সমাপ্ত) লেখকঃফজলে হোসেন বাদশা:সাধারণ সম্পাদক,বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি

আমারসিলেট  টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩জুন,শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি:  মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের ৭০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে র‌্যালী ও আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার শ্রীমঙ্গলস্থ লেবার হাউজ হল রুমে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মাখন লাল কর্মকারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান প্রেমসাগর হাজরা, সংগঠনের (চা শ্রমিক ইউনিয়নের) সাধারণ সম্পাদক রামভজন কৈরী, অর্থ সম্পাদক পরেশ কালিন্দি, বালিশিরা ভ্যালী সভাপতি বিজয় হাজরা প্রমুখ।

সভায় চা শ্রমিক ইউনিয়নের প্রয়াত নেতাকর্মীদের স্বরনে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। পরে অনুষ্ঠান স্থল থেকে বিভিন্ন চা বাগান থেকে আসা চা শ্রমিকদের নিয়ে একটি র‌্যালী বের করে। র‌্যালীটি শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদর্শন করে আবার লেবার হাউজে এসে শেষ হয়।

আমারসিলেট  টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩জুন,সানিউর রহমান তালুকদার, নবীগঞ্জ থেকে: হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় নিখোঁজের পাঁচ দিনের মাথায় কাওছার মিয়া (১৪) নামে এক কিশোরের মস্তকহীন লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় পানিউমদা ইউনিয়নের চাতল গ্রামের নিকটবর্তী একটি জঙ্গল থেকে এ লাশ উদ্ধার করা হয়। সে পানিউমদা ইউনিয়নের চলতা গ্রামের হায়দর আলীর পুত্র। পুলিশ এঘটনায় সন্দেহভাজন হিসাবে ওই গ্রামের ২জন কে আটক করে। আটকৃতরা হলো কাছুম আলীর পুত্র দুরুদ মিয়া (২৬) ও ওসুফি মিয়ার পুত্র জবলু মিয়া।
পুলিশ ও স্থানী সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর কাওছার তাদের বাড়ির নিকটে স্থানীয় একটি দোকানে যায়। সেখান থেকে রাত সাড়ে ১১টার দিকে একই এলাকার কাছুম মিয়ার ছেলে দুরুদ মিয়ার সঙ্গে বাড়ি ফেরার পথে নিখোঁজ হয় কাওছার। পরে তাকে অনেক খোঁজাখুঁজির পর কোনো সন্ধান না পেয়ে তার পিতা হায়দর আলী নবীগঞ্জ থানায় একটি জিডি করেন। নিখোঁজের পাঁচ দিনের মাথায় গতকাল বিকেলে ওই এলাকার একটি জঙ্গলে মস্তকহীন লাশ দেখতে পায় স্থানীয় লোকজন। এবং তার শরিরে বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। তাৎক্ষণিক এ খবর পেয়ে সহকারী পুলিশ সুপার নবীগঞ্জ-বাহুবল সার্কেল পারভেজ আলম চৌধুরী, নবীগঞ্জ থানার ওসি এস.এম আতাউর রহমানসহ সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে লাশ উদ্ধার করেন। তবে এটি পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবী করেন কাওছারের পিতা হায়দর আলী।
এব্যাপারে নবীগঞ্জ থানার ওসি এস.এম আতাউর রহমান বলেন, পাঁচ দিন আগে নিখোঁজ হওয়ার পর তার পিতা থানায় একটি জিডি করেন এবং পুলিশ এবিষয়ে তদন্তও করে, ধারণা করা হচ্ছে এটা পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।

আমারসিলেট  টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩জুন,নড়াইল প্রতিনিধি:    নড়াইলে বেদে ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে ৫০দিন ব্যাপী প্রশিক্ষন উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এ প্রশিক্ষনের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মোঃ এমদাদুল হক চৌধুরী।
জেলা সমাজসেবার উপ-পরিচালক রতন কুমার হালদারের সভাপতিত্বে শহর সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ আবু সাইদ,নড়াইল প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি এনামুল কবির টুকু, সরকারি কর্মকর্তা,এনজিও প্রতিনিধি, বেদে ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর প্রশিক্ষনার্থীগন,সাংবাদিক,সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
এ প্রশিক্ষনে বেদে ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর মোট ৫০ জনের মধ্যে ২৫ জন মহিলাকে সেলাই ও ২৫ জনকে পুরুষকে চামড়ার জুতা তৈরীর উপর প্রশিক্ষন প্রদান করা হবে।

আমারসিলেট  টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩জুন,বেনাপোল থেকে এম ওসমান: দেশের সর্ববৃহৎ বেনাপোল স্থলবন্দরে ভারতীয় ট্রাক টার্মিনালে ভয়াবহ অগ্নিকান্ড সংঘঠিত হয়েছে। রবিবার ভোর ৪টার দিকে এ অগ্নিকান্ড ঘটে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছেন বেনাপোল, ঝিকরগাছা ও যশোর ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিটসহ স্থানীয় জনতা।

বন্দর সূত্রে জানা যায়, এ টার্মিনালে ভারত থেকে আমদানিকৃত পণ্য নিয়ে ভারতীয় ট্রাক অবস্থান করে। পাশাপাশি ভারত থেকে বিভিন্ন যানবাহনের চেসিস ও তৈরি মোটর সাইকেল রাখা হয়। আর এক পাশে এসিড জাতীয় দাহ্য পদার্থ ছিল। এসিডের ড্রাম বাস্ট হয়ে একটি ট্রাকে পড়লে আগুনের সূত্রপাত ঘটে বলে অনেকে জানান। শুক্র ও শনিবার ছুটির দিন থাকায় বন্দরের অভ্যন্তরে ভারতীয় পণ্য বোঝাই ট্রাক রেখে বাড়িতে চলে যায় চালকরা। এসব ট্রাকে তুলা, সুতা, মটর পার্টস ও কেমিকেল পণ্য ছিল। আগুনে ভারতীয় পণ্য বোঝাই ১০/১২ টি ট্রাক ও বেশ কিছু মোটর সাইকেল পুড়ে ছাই হয়ে যায়। আগুনের খবর পেয়ে যশোর জেলা প্রশাসক আব্দুল আওয়াল, বন্দর পরিচালক আমিনুল ইসলাম, শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলক কুমার মন্ডলসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেছেন।

বেনাপোল স্থলবন্দরের পরিচালক আমিনুল ইসলাম জানান, আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ফায়ার সার্ভিসের বিভিন্ন ইউনিট কাজ করছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ও আগুনের সূত্রপাত এখনই বলা যাচ্ছে না।

“পায়ুপথে উত্তপ্ত গলানো মোম ঢেলে দেয়-কারো কাছে বললে ক্রসফায়ারের হুমকি পুলিশের এসআই রকিবুল হাসানের !”

আমারসিলেট  টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩জুন,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ   হবিগঞ্জে সাংবাদিক ও নাট্যকর্মী সিরাজুল ইসলাম জীবনকে পুলিশ কর্তৃক নির্যাতনের ঘটনায় ৩ সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। শনিবার (২জুন) দুপুরে হবিগঞ্জের পুলিশ সুপার বিধান ত্রিপুরা সহকারী পুলিশ সুপার রবিউল ইসলামকে প্রধান করে এ তদন্ত কমিটি গঠন করেন।

এছাড়াও তদন্ত কমিটি আগামী ৩ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দেয়ারও নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

এদিকে জীবনকে নির্যাতনের প্রতিবাদ ও দোষী পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবীতে শহরে মানববন্ধন করেছে কয়েকটি সাংস্কৃতিক সংগঠন। দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে সাংস্কৃতিক সংগঠন নাট্যমেলাসহ কয়েকটি সংগঠনের পক্ষ থেকে ঘটনার প্রতিবাদে মানববন্ধন করা হয়।

নির্যাতিত সাংবাদিক

এতে বক্তব্য দেন সাংষ্কৃতিক সংগঠন হবিগঞ্জ নাট্য মেলার সভাপতি শাহ আলম চৌধুরী মিন্টু, সবুজ মেলা সংগঠনের সভাপতি সফিকুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক কর্মী কামাল আহমেদ প্রমুখ।

বক্তারা অবিলম্বে নির্যাতনকারী পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানান। অন্যথায় বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলা হবে বলে হুশিয়ারি প্রদান করেন।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার রাতে মিথ্যা অভিযোগে ইউকেভিত্তিক গণমাধ্যম চ্যানেল এস এর সাংবাদিক সিরাজুল ইসলাম জীবনকে ধরে এনে থানায় রাতভর বেধড়ক মারপিট করে পুলিশ।

পরে শুক্রবার বিকেলে তাকে ১০পিস ইয়াবা দিয়ে মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়। এর প্রতিবাদে সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ সদর থানার সামনে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে হবিগঞ্জে কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট,ইলেক্ট্রনিক ও অনলাইন মিডিয়ায় সাংবাদিকরা।

“সাংবাদিক নির্যাতনের প্রতিবাদে জনগণ”

উল্লেখ্য,জানা যায়,সাংবাদিক জীবন স্থানীয় সাংবাদিকদের জানান, আমাকে ও আমার ভাইকে পুলিশ বাসায় বেধড়ক লাঠিপেটা করে চোখ বেঁধে থানায় নিয়ে আসে। তারপর থানা হাজতে নিয়ে এসে পুলিশ আমার কাছে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাদা দিতে রাজি না হলে চালানো হয় অকথ্য নির্যাতন। একপর্যায়ে পায়ুপথে উত্তপ্ত গলানো মোম ঢেলে দেয় পরে ১০ টি ইয়াবা দিয়ে আদালতে চালান করে বলে সাংবাদিকদের জানান জীবন।

জীবন আরও বলেন,”নির্যাতনের কথা যদি কাউকে বলে তাহলে ক্রসফায়ারে মেরে ফেলার হুমকি দেয় হবিগঞ্জ সদর থানার এসআই রকিবুল হাসান।”

আমারসিলেট  টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩জুন,আলী হোসেন রাজন,মৌলভীবাজারঃ বালু উত্তোলনকারী কেউ কেউ ইজারা নিয়ে বালু উত্তোলন করছে কেউ বা আবার ইজারা ছাড়াই অবৈধ প্রক্রিয়ায় ম্যানেজ করে মাসের পর মাস শ্রমিকদের দিয়ে বালু তুলে বিক্রি করছেন।

অনিয়ন্ত্রিতভাবে মৌলভীবাজার অবৈধ বালু উত্তোলন করছে। বাড়িঘর কবরস্থান, কালভাট  সহ বিভিন্ন স্থাপনা হুমকির মুখে  আবার  সরকার দলের নাম ব্যাবহার করে  টাকা উত্তোলনের অভিযোগও রয়েছে।

সেতু, কালভার্ট, বাঁধ, সড়ক, মহাসড়ক সহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি-বেসরকারি স্থাপনা ও আবাসিক এলাকা থেকে এক কিলোমিটারের মধ্যে বালু উত্তোলন নিষিদ্ধ থাকলেও এসব মানছেন না মৌলভীবাজারের অবৈধ বালু উত্তোলনকারীরা । মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ১২ নং গিয়াসনগর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ডের শাহপুর এলাকার দুটি কালভাটের নিচ তেকে চলছে অনিয়ন্ত্রিতভাবে বালু উত্তোলন। বৈধভাবে বালু উত্তোলনের ফলে হুমকিতে পড়েছে পাকা সড়ক, সেতু, কালভার্ট।

এদিকে অভিযোগ রয়েছে নিষেধাজ্ঞা না মেনে প্রভাবশালীদের ছত্রছায়া সরকার দলের নাম ব্যাবহার করে মোকামবাজারের ডেউয়া ছড়া থেকে  অবৈধ বালু উত্তোলন করছেন মো কামাল মিয়া । অনন্য দিকে গিয়াসনগরের শাহপুরে টুনটুনি ছড়া থেকে  অবৈধ বালু উত্তোলন করছেন মো: আকাম মিয়া ও রমজান মিয়া।

সরেজমিনে গেলে সাংবাদিক দেখে পালিয়ে যায় অবৈধ বালু ব্যাবসাহী ও বালু উত্তোলন কাজে নিয়োজিত শ্রমিকরা।

এলাকা বাসী বলছে শাহপুরের টুনটুনি ছড়া ও মোকামবাজারের ডেউয়া ছড়ারার ভিতরে  মিশিন লাগিয়ে অবৈধ বালু তুলছে। অবৈধ বালু তুলার কারনে ছড়ার রাস্তার বিভিন্ন স্থানে ফাঁটল দেখা দিয়েছে। হেলে পড়েছে  ঘর-বাড়ি কবরস্থান সহ বিভিন্ন স্থাপনা। আর চা বাগানে কাজ না থাকায় পেটের ধায়ে ২শ টাকা মজুরীতে অবৈধ বালু উত্তোলনের কাজে আসছে নারী চা শ্রমীকরা।

মোকাম বাজার ডেউয়া ছড়া থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন করার সময়  শ্রমিক আউয়াল মিয়া জানান গাছ ব্যাবসায়ী কামল মিয়ার কথায় আমি বালু তুলছি আমার কোন দুষ নেই।

গাছ ও বালু ব্যাবসায়ী কামাল মিয়ার সাথে সরেজমিনে দেখা করলে তিনি বলেন আমি আওয়ামীলীগ করি আর এই আওয়ামীলীগের জন্য আমি অনেক কষ্ট করেছি অনেক টাকা পয়সা আমার নষ্ট হয়েছে।

এখন আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় একটু এদিক সেদিক ত হবেই। তা ছারা মোকাম বাজারের অনেক গরীবরা আমার না ব্যাবহার করে ডেউয়া ছড়া থেকে বালু তুলে তাদের সংসার চালায়। তিনি আরো বলেন মৌলভীবাজারের বড় বড় সাংবাদিকদের সাথে কামাল মিয়ার ভালো সম্পর্ক আছে । এই বড় সাংবাদিকদের মধ্যে দুজন মৌলভীবাজারের সনাম ধন্য ব্যবসায়ী কামাল মিয়ার মামা লাগেন  কোন সমস্যা হলে  মামারাই  শেল্টার দিয়ে থাকে।

এদিকে গিয়াসনগরের শাহপুরের টুনটুনি ছড়ার নারী চা শ্রমিক রতনা মালাকার বলেন  এখানে আমাদের কোন দুষ নেই আমরা পেটের দায়ে কাজ করতে এসেছি দুষ যা হবে  আকাম ও রমজানের। তারা আমাদের দিয়ে বালু তুলাছে কোনটা ভালো কোনা মন্দ আমরা কি করে বলবো।  আকাম  ও রমজানের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও যোগাযোগ করা যায় নি।

হুসনে এন্টারপ্রাইজের মালিক সাজ্জাদুর রহমান মনাই জানান অবৈধ বালু ব্যাবসায়ীরা মোকাম বাজার ও টুনটুনি ছড়া থেকে  অবৈধ বালু উত্তোলন করে কম দামে বালু বিক্রি করার কারনে গাবরুছড়া বালু মহাল ইজারা নিয়ে বালু উত্তোলন করে মুল টাকা তুলতে  পারছিনা

জেলা প্রশাসক মোঃ তোফায়েল ইসলাম  জানান  যারা অন্যায়ভাবে বা  নীতি বহির্ভূত ভাবে বালু তুলছে তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি আইনে ব্যবস্থা নেয়ার হবে।

দ্রুত অবৈধ বালু উত্তোলনকারীদের আইনের আওয়াতায় নেয়ার দাবী ও বালু উত্তোলনে নিষেধাজ্ঞা এখন প্রয়োজন বলে মনে করেন স্থানীয়রা।

আমারসিলেট  টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩জুন,বেনাপোল প্রতিনিধিঃ সংসদ সদস্য আলহাজ শেখ আফিল উদ্দিন বলেছেন, আমাদের মত সকল সুযোগ- সুবিধা পাওয়ার অধিকার রয়েছে প্রতিবন্দ্বিদের। তারাও আমাদের মত মানুষ, তারা আমাদের ভাই বোন স্বজন অথবা নিকট আত্মীয়। আমাদের যেমন সমাজে অধিকার রয়েছে, তাদেরও রয়েছে। বর্তমান সরকার প্রতিবন্দ্বিদের সামাজিক, অর্থনেতিক, শিক্ষার উন্নয়ন নিয়ে কাজ করছেন। যার সুফল ইতিমধ্যে পেতে শুরু করেছে তারা। প্রতিটা উপজেলা তাদেও জন্য খোলা হচ্ছে প্রাথমিক বিধ্যালয় ও থেরাপি সেন্টার। দেশের জনগন জানেন বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে প্রধানমন্ত্রী কন্যা সাইমা ওয়াজেদ পুতুল অটিজমের পরে কাজ শুরু করেছেন। যা বিশ্ব দরবারে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। শনিবার সকালে ১০নং শার্শা সদর ইউনিয়ন পরিষদ চত্তরে প্রতিবন্ধি¦দের জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয় ও থেরাপি সেন্টারের উদ্বোধন কালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

উপজেলা প্রতিবন্দ্বি কল্যান সংস্থার সভাপতি আবু বক্করের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলক কুমার মন্ডল, জেলা সমাজ সেবা উপ-পরিচালক অসিত কুমার শাহা, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রব প্রমুখ।

আরো উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আলহাজ সালেহ আহমেদ মিন্টু, অধ্যক্ষ ইব্রাহিম খলিল, ভাইস চেয়ারম্যান মেহেদি হাসান, ১০নং শার্শা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহারাব হোসেন, শার্শা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক বিশিষ্ট সাংবাদিক মোরাদ হোসেন, যুবলীগ নেতা আজাদ, আনার হোসেন, মুক্তার হোসেন, ছাত্রলীগ নেতা আব্দুর রহিম সরদার, বাস্তহারা লীগ নেতা আবুল হোসেন, ইউপি সদস্য নাছিম রেজা, আব্দুল খালেক, মমিনুর রহমান, শিরিনা খাতুন প্রমুখ।

এর আগে প্রতিবন্ধি¦দের জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয় ও থেরাপি সেন্টারের উদ্বোধন করেন সংসদ সদস্য আলহাজ শেখ আফিল উদ্দিন।

আমারসিলেট  টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩জুন,নড়াইল প্রতিনিধি: নড়াইলের লোহাগড়া ও কালিয়া উপজেলায় সাপের কামড়ে শিশুসহ দু’জনের মৃত্যু হয়েছে।

পারিবারিক ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, নড়াইলের কালিয়া উপজেলার চাঁচুড়ি ইউনিয়নের কালডাঙ্গা গ্রামের অহিদুল মোল্যার ছেলেকে শামীউল মোল্যা (১৩) শুক্রবার (১ জুন) সন্ধ্যায় বাড়িতে সমবয়সীদের সাথে খেলা করার সময় খড়ের পালা থেকে তাকে সাপে দংশন করে। নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তির পর ভ্যাসকিন না থাকায় খুলনায় নেয়ার পথিমধ্যে শামীউল মারা যায়।

এদিকে, লোহাগড়া উপজেলার নলদী ইউনিয়নের নালিয়া গ্রামের বিশ্বজিত দে’র ছেলে শান্ত (৩৫) শুক্রবার বিকেলে বাড়িতে রান্নাঘরে কাজ করার সময় সাপে দংশন করে।

নলদী ইউনিয়নের সদস্য বাদশা মিয়া জানান, নড়াইল সদর হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক তাকে মৃত্যু ঘোষণা করেন।

আমারসিলেট  টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩জুন,রেজওয়ান করিম সাব্বির,জৈন্তাপুর প্রতিনিধি: নতুন প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করতে সিলেট জেলার জৈন্তাপুর উপজেলায় এজেলার সবচেয়ে বৃহৎ ম্যুরাল নির্মাণ করা হয়েছে। “অমিয় ভাষণ-স্বাধীনতা” নামের এই ম্যুরালটি গত ৩১ মে বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করেন সংসদ সদস্য ইমরান আহমদ।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ ও অস্ত্র হাতে মুক্তিযোদ্ধাদের উল্লাসের চিত্র নিয়ে জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসের বাহিরের একটি দেয়ালে ম্যুরালটি নির্মাণ করা হয়েছে। ১৮ফুট উচ্চতা ও ১৫ ফুট প্রস্থ বিশিষ্ট দেয়াল চিত্রের নীচে ভূমি সমান্তরালে তৈরী করা হয়েছে একটি স্তম্ভ লাগানো হয়েছে ফুলের গাছ। এর নির্মাণ শৈলী ও অন্তর্নিহিত ভাব মিলে চেতনা উদ্রেকের পাশাপাশি সৌন্দর্য্য অবলোকনের একটি স্থান হয়েছে। ম্যুরালের সামনে অদূরে গাছের নীচে তৈরী করা হয়েছে একটি বেঞ্চ। যেখানে বসে যে কেউ সৌন্দর্য্য উপভোগ করতে পারবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মৌরীন করিমের পরিকল্পনায় ও উপজেলা প্রশাসনের বাস্তবায়নে নির্মিত ম্যুরালটি সিলেট জেলার সর্ববৃহৎ ম্যুরাল বলে জানা যায়। উদ্বোধনের পর হতে প্রতিদিন দর্শনার্থী এই ম্যুরালটি দেখতে আসছেন। তরুণ, বৃদ্ধ সকলেই ম্যুরালের সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার করছেন।

ম্যুরালটি নির্মাণের উদ্দেশ্য জানতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মৌরীন করিমের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান জাতির পিতা শেখ মুজিব হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী। তাঁর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ আমাদের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম দিক নির্দেশনা ও প্রেরণা। আর স্বাধীনতা হচ্ছে বাঙ্গালী জাতির শ্রেষ্ঠ অর্জন। এই বিষয় গুলোকে আমাদের নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতেই এই ম্যুরালটি নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে তা বাস্তবায়ন করেছি। তিনি আর বলেন জৈন্তাপুরে মুক্তিযোদ্ধাদের মুক্তিযোদ্ধের স্মৃতি তুলে ধরার জন্য ভাষ্কর্য্য কিংবা ম্যুরাল নেই সেই দায় বদ্ধতা হতে এই ম্যুরাল নির্মাণ করা হয়েছে।

ম্যুরালটি উদ্বোধনের পর জৈন্তাপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এর সাবেক কমান্ডার সিরাজুল হক তা দেখতে এসেছিলেন। তিনি জানান জাতির পিতার ৭ মার্চের ভাষণের আহবানে সাড়া দিয়ে আমরা মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলাম। তাঁর এই চিত্রটি তুলে ধরায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ধন্যবাদ জানান। স্বাধীনতা পরবর্তী প্রজন্মের এই অফিসার ইতোমধ্যে জৈন্তাপুরের মুক্তিযোদ্ধাদেরকে ব্যতিক্রমধর্মী সম্মাননা দিয়েছেন। এবার এই ম্যুরালটি নির্মাণ করে জাতির পিতা ও মুক্তিযুদ্ধ কে তরুণ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরলেন। তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। সেই সাথে তিনি প্রতিবেদকে আরও জানান আমরা আর বেশি দিন বেঁচে থাকব না, চলে যাব না ফেরার দেশ। আমার অনেক সহ যোদ্ধারাও পাড়ি জমিয়েছেন না ফেরার দেশে৷ বর্তমানে জৈন্তাপুর উপজেলায় স্বাধীনতা বিরুদীদের প্রজন্মরা মাথা ছাড়া দিচ্ছে। সুযোগে তারা আওয়ামীলীগে ঢুকে পড়েছে এবং তাদের নিয়ন্ত্রনে সব কিছু নিয়ে যাচ্ছে। তাই আমরা মুক্তিযোদ্ধাদের দাবী নতুন প্রজন্মের কাছে উপজেলার স্বাধীনতা বিরুদী আল-বদর, রাজাকার, আল-সামস ও শান্তি কমিটির সদস্যদের পরিবারের পরিচয় তুলে ধরা অত্যান্ত জরুরী হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটি বাস্তবায়ন হলে নতুন প্রজন্মরাও জানতে পারবে এ উপজেলায় আমাদের স্বাধীনতা বিরুধী কারা৷ তিনি সরকারে উচ্চ মহলের কাছে বিষয়টি নজরে আমার আহবান জানান।

ম্যুরালের সামনে ছবি তুলতে আসা নতুন প্রজন্মের এক প্রতিনিধি জৈন্তিয়া কলেজের দ্বাদশ শ্রেনির ছাত্র প্রণব দাস, জৈন্তাপুর তৈয়ব আলী ডিগ্রী কলেজের ছাত্র আফজল হোসেন শাহীন বলেন- আমরা বঙ্গবন্ধু ও স্বাধীনতার ইতিহাস পড়েছি, এই চিত্রটির সামনে দাড়িয়ে জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। এটা দেখলে মনের মধ্যে একটি চেতনা জাগ্রত হয়। ধন্যবাদ জানাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মৌরীন করিমকে।