Thursday 21st of June 2018 06:52:05 AM

আমারসিলেট  টুয়েন্টিফোর ডটকম,০২জুন,ডেস্ক নিউজঃ সৌদি আরবের মন্ত্রিসভায় ফের ব্যাপক রদবদল আনা হয়েছে। সবচেয়ে বড় পরিবর্তনটি এসেছে দেশটির শ্রম ও সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে। বেকারত্ব দূর ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে এ পরিবর্তন আনা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় এক ডিক্রি জারির মাধ্যমে এ পরিবর্তন আনা হয়েছে।খবর রয়টার্স

জানা গেছে, শ্রমমন্ত্রী ড. আলী বিন নাসের আল গুফাইসকে সরিয়ে দিয়েছেন বাদশা সালমান বিন আবদুল আজিজ বিন সৌদ। তার জায়গায় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে দেশটির বেসরকারি খাতের সফল ব্যবসায়ী আহমাদ বিন সুলাইমান আল রাজেহীকে। আহমাদ বিন সুলাইমান সৌদির ঐতিহ্যবাহী ব্যাবসায়ী পরিবার আল রাজেহী’র অন্যতম সদস্য। তিনি পেশায় একজন প্রকৌশলী।

দেশটির সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়। এই মন্ত্রণালয়ের নতুন মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আল উলা প্রদেশের গভর্নর প্রিন্স বদর বিন মোহাম্মদ বিন ফারহান আল-সৌদ। ইসলাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে ধর্মীয় পুলিশ প্রধান শেখ আব্দুল আতিফ আল-শেখকে।

আগামী ২০২২ সালের মধ্যে দেশটিতে ১২ লাখ নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির চেষ্টা করছেন যুবরাজ সালমান। এদিকে মক্কা ও অন্যান্য পবিত্র স্থানসমূহের জন্য একটি কমিশন গঠন করা হয়েছে। জুবেইল ও ইয়ানবুর রয়্যাল কমিশনের প্রধান করা হয়েছে আব্দুল্লাহ আল-সাদানকে।

এছাড়া সৌদি যুবরাজের আদেশক্রমে একটি নতুন পরিষদ গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে, যার নামকরণ করা হয়েছে জেদ্দা ঐতিহাসিক প্রকল্প বিভাগ। এটি নিয়ন্ত্রণ করবে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়।

আমারসিলেট  টুয়েন্টিফোর ডটকম,০২জুন,ডেস্ক নিউজঃ    টেকনাফ উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি ও পৌর কাউন্সিলর একরামুল হকের নিহত হওয়ার বিষয়টি একজন ম্যাজিস্ট্রেট তদন্ত করবেন বলে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ওই ম্যাজিস্ট্রেট্রের দেওয়া রিপোর্ট অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউ যদি প্রলুব্ধ হয়ে এই ঘটনা ঘটিয়ে থাকেন তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

শনিবার দুপুরে ধানমন্ডিতে নিজ বাসায় সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘ম্যাজিস্ট্রেট যদি একরামের নিহত হওয়ার ঘটনাকে ‘হত্যা’ হিসেবে নিশ্চিত করেন, তাহলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

এছাড়াও বিষয়টি খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে বলে জানান আসাদুজ্জামান খান কামাল।

মাদকবিরোধী অভিযানে কক্সবাজারের টেকনাফে গত ২৬ মে গুলিতে একরামুল হক নিহত হন। তবে তাকে বাসা থেকে র‌্যাব এবং ডিজিএফআই এর স্থানীয় দুইজন কর্মকর্তা ডেকে নেয়ার পর হত্যা করা হয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে তার পরিবার অভিযোগ করেছে।

ঘটনার সময়কার ফোন কলের একটি অডিও ক্লিপ সাংবাদিকদের শুনিয়েছেন একরামের স্ত্রী। কিছু সংবাদমাধ্যমেও অডিওটি প্রকাশ করা হয়েছে। ঘটনা নিয়ে রেকর্ড করা অডিওটি প্রকাশ হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

একরামুল হক উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি। তিনি টেকনাফ পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন ও পৌর এলাকার কায়ুকখালী গ্রামের মৃত আব্দুস সাত্তারের ছেলে।

একরামের স্ত্রীর অডিও রেকর্ডের বিষয়ে জানতে চাইলে সাংবাদিকদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ঘটনা যদি এ ধরনের ঘটেই থাকে, যদি প্রমাণ হয়, তাহলে অবশ্যই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিচার হবে।’

আমারসিলেট  টুয়েন্টিফোর ডটকম,০২জুন,ডেস্ক নিউজঃ    পবিত্র ওমরাহ পালনের উদ্দেশে সৌদি আরব গেছেন সংসদ সদস্য (এমপি) আবদুর রহমান বদি। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন মেয়ে, মেয়ের জামাই, বন্ধু আকতার কামাল ও মৌলানা নূরী।

শুক্রবার (১ মে) মধ্যরাতে একটি বেসরকারি বিমানযোগে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে বদি ওমরা পালনে সৌদি আরবের উদ্দেশে দেশ ছাড়েন।

মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে এমপি বদির হঠাৎ দেশত্যাগ করে সৌদি আরবে পাড়ি জমানো রহস্যজনক মনে করছেন অনেকে। অভিযান থেকে বাঁচতেই বদি ওমরায় চলে গেছেন বলেও ধারণা করা তাদের।

অতি সম্প্রতি টেকনাফে বন্দুকযুদ্ধে বদির দুঃসম্পর্কের বেয়াই, যুবলীগ নেতা আকতার কামাল মেম্বার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য, যুবলীগের সাবেক সভাপতি ও কাউন্সিলর একরামুল হক নিহত হন। এ ঘটনায় সংবাদ ও যোগাযোগ মাধ্যমে নানা আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় ওঠে।

টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী সাংবাদিকদের জানান, ওমরাহ পালন তার ব্যক্তিগত বিষয়। তবে মাদকবিরোধী অভিযানকে এড়িয়ে এই মুহূর্তে ওমরাহ পালন করতে সৌদি আরব গমন তার উচিৎ হয়নি। মাদক নির্মূলে আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীকে সাহায্য করার প্রয়োজন ছিল তার।

টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল বশর জানান, এ সংকট পরিস্থিতিতে উখিয়া টেকনাফের মানুষকে অনিশ্চিতের দিকে ঠেলে দেয়া তার উচিত হয়নি। তিনি ভালোর পক্ষে এবং অবৈধের বিপক্ষে ভূমিকা পালন করতে পারতেন। কিছুদিন পরে ওমরাহ পালন করলে, তার তেমন সমস্যা হতোনা বলেও জানান তিনি।

এদিকে, সৌদি আরবে যাওয়ার আগে এমপি বদি গণমাধ্যমকে বলেন, অভিযানের ভয়ে তার দেশ ছাড়ার তথ্যটি সম্পূর্ণ অসত্য। তিনি অনেক আগেই ওমরাহ পালনের সিদ্ধান্ত নিয়ে ছিলেন। রমজানের শেষ সপ্তাহ জুড়ে তিনি মসজিদ আল-হারামে ইতেকাফ করার নিয়ত করেছেন। ওমরাহ পালন শেষ আগামী ১৭ জুন দেশে ফেরার কথা রয়েছে বদির।

আমারসিলেট  টুয়েন্টিফোর ডটকম,০২জুন,কমলগঞ্জ  প্রতিনিধিঃ    কমলগঞ্জ উপজেলার রাজকান্দি রেঞ্জের অধীন আদমপুর বনবিট থেকে প্রতিদিন চুরি হচ্ছে মূল্যবান গাছ গাছালি। অব্যাহত ভাবে গাছ চুরির কারনে বনাঞ্চল প্রায় শূন্য হতে চলেছে। প্রাকৃতিক ও সামাজিক বনায়ন থেকে গাছ পাচারের সাথে বিটের কর্মরত অসাধূ এক কর্মচারীর জড়িত থাকার অভিযোগ থাকলেও কার্যকরী কোন পদক্ষেপ গ্রহন করছেন না বিভাগীয় কর্তৃপক্ষ। রেঞ্জ কর্মকর্তা ও বন প্রহরী একই এলাকার হওয়ায় তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয় না বলেও শোনা যাচ্ছে।

গত ১০ দিনে সামাজিক বনায়নের আগর বাগান থেকে প্রায় ১৫ টি মূল্যবান আগর গাছ চুরি হয়েছে। আদমপুর বন বিট কর্মকর্তা শ্যামল দেব আগর গাছ চুরির কথা স্বীকার করে বলেন,সামাজিক বনায়ন থেকে গাছ চুরি রোধে উপকারভোগীদের সহযোগীতা প্রয়োজন।

আগরসহ মূল্যবান অন্যান্য গাছ পাচারের সাথে জড়িত রয়েছেন ওই বিটে কর্মরত প্রহরী কামাল হোসেন। তার সহযোগীতায় কোন ধরনের বাধা ছাড়াই প্রতিদিন পাচার হচ্ছে হাজার হাজার টাকা মূল্যের মূল্যবান বৃক্ষরাজি। বন প্রহরী হলেও কর্মকর্তার মতোই ক্ষমতা প্রয়োগ করেন কামাল হোসেন। ওই বিটে যেই বিট অফিসার হিসেবে যোগদান করেন তাকে ম্যানেজ করে বা ফাঁকি দিয়ে কামাল হোসেন দীর্ঘ দিন যাবত গাছ পাচার কর আসছেন।

২০১৭ সালের আগষ্ট মাসে আদমপুর বিটে কামাল হোসেন যোগদান করার পর স্থানীয় গাছ পাচারকারীদের সাথে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলেন। ২ মাস পর ডেপুটেশনে তাকে কামারছড়া বিটে পদায়ন করা হয়। সেখানেও তার বিরুদ্ধে গাছ পাচারের ব্যাপক অভিযোগ উঠে। ৩ মাস পর আবার তাকে আদমপুর বিটে পদায়ন করা হয়। রাজকান্দি রেঞ্জ অফিসে কর্মরত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক স্টাফ জানান, রেঞ্জ কর্মকর্তার কারনে কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে কোন বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। রেঞ্জ কর্মকর্তা আর কামাল হোসেন একই এলাকার যে কারনে কামালের বিষয়ে একাধিক অভিযোগ উঠলেও রেঞ্জার কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেন না।

অভিযুক্ত কামাল হোসেন বলেন, তিনি কোন ধরনের গাছ পাচারের সাথে জড়িত নয়। রাজকান্দি রেঞ্জ কর্মকর্তা আবু তাহের বলেন, কামালের প্রতি তার কোন দুর্বলতা নেই। ডিএফও ব্যবস্থা না নিলে তিনি কিছু করতে পারেন না। আর বিশাল বনে গাছ চুরি তো থাকবেই।

আমারসিলেট  টুয়েন্টিফোর ডটকম,০২জুন,নড়াইল প্রতিনিধিঃ  নড়াইল জেলার বিভিন্নস্থানে মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযানে চালিয়ে জেলায় মোট ৩৪ জনকে আটক  করেছে পুলিশ।  শুক্রবার রাত থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত চার থানায় অভিযান চালিয়ে  তাদের আটক করা হয়।

পুলিশ কন্টোলরুম সূত্রে জানা গেছে, দেশ ব্যাপী মাদক বিরোধী অভিযানের অংশ হিসাবে জেলার চার থানায় অভিযান চালিয়ে ৫ মাদক ব্যবসায়ীসহ  বিভিন্ন মামলা ও অভিযোগে মোট ৩৪ জনকে আটক করা হয়।এ সময় ২৫ পিচ ইয়াবা ও ৩৫ গ্রাম গাজা উদ্ধার করা হয়।

এর মধ্যে নড়াইল সদর থানায় ৬ জন , লোহাগড়ায় ১৭জন,  কালিয়ায়  ৭ জন ও নড়াগাতি থানায় ৪ জনকে আটক করা হয়।  আটককৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরন করা হয়েছে।

আমারসিলেট  টুয়েন্টিফোর ডটকম,০২জুন,কমলগঞ্জ  প্রতিনিধিঃ কমলগঞ্জ-মৌলভীবাজার সড়কের ভটের মিল নামক এলাকায় বাসায় চাকায় পিস্ট হয়ে এক এনজিও কর্র্মীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সকাল সাড়ে ১০ টায় এ ঘটনাটি সংঘটিত হয়।

কমলগঞ্জ থানা পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ঢাকা মেট্রো জ ১১-২৮৯৬ নাম্বারের বাসটি মৌলভীবাজার যাবার সময় সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে মুন্সীবাজারের অদুরে ভটের মিল এলাকা অতিক্রম করছিল। হঠাৎ বাসটি খড় পরিবহন করা একটি ঠেলা গাড়ীকে ধাক্কা দেয়। এতে ঠেলা গাড়ীর সামনে থাকা কুলাউড়ার শরীফপুর ইউনিয়নের তিলকপুর গ্রামের উত্তম ভট্রাচার্য্য পিংকু (৫০) বাসের চাকার নিচে পড়ে যান। তখন চালক বাস না থামিয়ে প্রায় ১০-১৫ হাত জায়গা উত্তমকে থেথলিয়ে নিয়ে যান। এতে ঘটনাস্থলেই উত্তমের মৃত্যু হয়।

নিহত উত্তম সূর্যের হাসি ক্লিনিকে কর্মরত ছিলেন। খবর পেয়ে কমলগঞ্জ থেকে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ও কমলগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। ওসি নজরুল ইসলাম জানান, লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা হবে। ঘাতক চালক পালিয়ে গেলেও বাস আটক করা হয়েছে।

আমারসিলেট  টুয়েন্টিফোর ডটকম,০২জুন,মিজানুর রহমান,দাম্মাম সৌদি আরবঃ ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনা ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যরের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয়েছে সৌদিআরব দাম্মামের আবকিক জেলা বিএনপির ইফতার মাহফিল। আবকিক জেলা বিএনপির সভাপতি গাজী শাহ আলমের সভাপতিত্বে ও সাংবাদিক মিজানুর রহমানের পরিচালনায় উক্ত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন আবকিক জেলা বিএনপির প্রধান উপদেষ্টা ডাঃ ওয়াহিদুজ্জামান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন আবকিক জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম,আবকিক জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ন সিনিয়র যুগ্ন সাধারন সম্পাদক হোসেন মোহাম্মদ ইয়ার, আবকিক জামাতের সভাপতি মাওলানা মর্তুজা খান, ইন্জিনিয়ার শাহাদাত হোসেন, আব্দুল আহাদ, আব্দুল মোতালেব, আব্দুর রব,আমিন মিয়া ইমরান খান, নুরুজজামান, শাহীনুর মোল্লা, জাহাঙ্গীর আলম সহ নেতৃবৃন্দ।
সভায় সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দ্রুত মুক্তি সহ সকল মুসলিম উম্মার জন্য বিশেষ মোনাজাত করেন মাওলানা মর্তুজা খান। আলোচনা পর্ব শেষে শতাধিক নেতা কর্মীর ইফতার অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সভার সমাপ্তি হয়।

আমারসিলেট  টুয়েন্টিফোর ডটকম,০২জুন,ডেস্ক নিউজঃ    আসন্ন ১৩ জুন দেশের ৩ টি সিটি নির্বাচনের তফসীল ঘোষণার পর  মহান সাধক শাহ জালাল রাদিয়াল্লাহু আনহুর স্মৃতি বিজড়িত পুণ্যভুমি নামে খ্যাত সিলেটে চলছে ভোটের প্রস্তুতি। এরই মধ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রস্তুত করে নির্বাচন কমিশনে প্রেরণ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে কেন্দ্র নির্ধারণেও ব্যস্ত সময় পার করছেন জেলা নির্বাচনী কর্মকর্তারা।

চূড়ান্ত ভোটার তালিকা অনুযায়ী এবার সিসিক নির্বাচনে ভোটার বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে বাড়ছে কেন্দ্র ও বুথ।

সিলেটের আঞ্চলিক নির্বাচনী কর্মকর্তা আলাউদ্দীনের দেওয়া তথ্যমতে, সিলেট সিটি করপোরেশনে (সিসিক) ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ২১ হাজার ২০০। এর মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৭১ হাজার ২৫১ জন এবং মহিলা ১ লাখ ৪৯ হাজার ৯৪৯ জন।

গত ২০১৩ সালের পর এ কয় বছরে ভোটার বেড়েছে ৩০ হাজার ১৫৪ জন। তন্মধ্যে পুরুষ ভোটার বেড়েছে ১৪ হাজার ৭০ জন এবং মহিলা ১৬ হাজার ৮৪ জন। ওই বছর মোট ভোটার ছিল ২ লাখ ৯১ হাজার ৪৬। এর মধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৫৭ হাজার ১৮১ এবং মহিলা ১ লাখ ৩৩ হাজার ৮৬৫ জন।

সিসিক নির্বাচনে ওই সময় ২৭ ওয়ার্ডে কেন্দ্র সংখ্যা ছিল ১২৮টি। এবার তা বেড়ে হচ্ছে ১৩৪টি। কক্ষ সংখ্যা ছিল ৮৯৬ ও অস্থায়ী ১১টি। এবার তা বেড়ে হবে সাড়ে ৯শ’। অস্থায়ী কক্ষ সংখ্যা নিয়ে এই সংখ্যা আরো বাড়তে পারে জানিয়েছেন নির্বাচনী কর্মকর্তারা।

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন সিলেট নগরীর সর্বশেষ হালনাগাদ ভোটার তালিকা অনুযায়ী নগরীর

১নং ওয়ার্ডের মোট ভোটার ৮ হাজার ৭৬০ জন। ২০১৩ সালে এই ওয়ার্ডে ভোটার ছিল ৭ হাজার ৯৮২ জন। সে তুলনায় এই ওয়ার্ডে ভোটার বেড়েছে ৭৭৮ জন।

২ নং ওয়ার্ডে ভোটার সংখ্যা ৬ হাজার ৭৮৩ জন। এ ওয়ার্ডে ভোটার বেড়েছে ৪৪৪ জন। ৩ নং ওয়ার্ডে ভোটার সংখ্যা ১১ হাজার ৮৫৯ জন। এ ওয়ার্ডে ভোটার বেড়েছে ১ হাজার ৪৭ জন।

৪ নং ওয়ার্ডে মোট ভোটার ৮ হাজার ৭৩৬ জন। এখানে নতুন ভোটার হয়েছেন আরো ৭৮০ জন।

৫ নং ওয়ার্ডে মোট ভোটার ১৫ হাজার ১৯ জন। এ ওয়ার্ডে ২ হাজার ৯০১ জন ভোটার বেড়েছে।

৬ নং ওয়ার্ডে মোট ভোটার ১২ হাজার ৪১০ জন। এ ওয়ার্ডে ৯০২ ভোটার বেড়েছে।

৭ নং ওয়ার্ডে মোট ভোটার ১৮ হাজার ৫৯৩ জন। এবার ভোটার বেড়েছে ১ হাজার ৬০৫টি।

৮ নং ওয়ার্ডের ভোটার ১৮ হাজার ১০১। এ ওয়ার্ডে ৭ হাজার ৬৮৬ টি ভোট বেড়েছে। ৯

 নং ওয়ার্ডের মোট ভোটার ১৫ হাজার ৮৬১। এই ওয়ার্ডে ভোট বেড়েছে ৩ হাজার ৭৭টি।

১০ নং ওয়ার্ডে মোট ভোটার ১৫ হাজার ৮৯৩। আর ভোট বেড়েছে ১ হাজার ৬৩৬টি।

১১ নং ওয়ার্ডের ভোটার ১২ হাজার ৯২৭। এবার ভোট বেড়েছে ১ হাজার ৩০২টি।

১২ নং ওয়ার্ডের মোট ভোটার ৯হাজার ৮৮৭। এ ওয়ার্ডে ভোট বেড়েছে ৭৫২টি।

১৩ নং ওয়ার্ডে মোট ভোটার ৯ হাজার ৫৭৯। এ ওয়ার্ডে ২০১৩ সালের ভোটার ছিল ১০ হাজার ৫১৯। অর্থাৎ ভোট কমেছে ৯৪০টি।

১৪ নং ওয়ার্ডের মোট ভোট ৯ হাজার ১৯৩। এই ওয়ার্ডে ভোট বেড়েছে ২৩৫০টি।

১৫ নং ওয়ার্ডের ভোটার সংখ্যা ১০ হাজার ৩৬১ জন। এ ওয়ার্ডে ভোটার বেড়েছে ১২৯৪টি।

১৬ নং ওয়ার্ডে ভোটার মোট ৯ হাজার ৩৯৯। ওয়ার্ডে ভোটার বেড়েছে ৯৯৮টি।

১৭ নং ওয়ার্ডের মোট ভোটার ১৩ হাজার ৮২১ জন। এ ওয়ার্ডে ভোট বেড়েছে ২০৮২টি।

১৮ নং ওয়ার্ডের ভোটার ১১ হাজার ৬২২। ওয়ার্ডে ভোট বেড়েছে ১২২৪টি।

১৯ নং ওয়ার্ডের ভোটার ১১ হাজার ৫৩৯ জন। এ ওয়ার্ডে ভোটার বেড়েছে ৭২৩টি।

২০ নং ওয়ার্ডের মোট ভোটার ১০ হাজার ৫৯১। এ ওয়ার্ডে ভোটার বেড়েছে ৭৯২টি।

২১ নং ওয়ার্ডে মোট ভোটার ১১ হাজার ৯১৬ জন। ওয়ার্ডে ভোট বেড়েছে ১১৬৬টি।

২২ নং ওয়ার্ডে মোট ভোটার ১০ হাজার ১৬০ জন। এ ওয়ার্ডে ভোটার কমেছে ৭৮০টি।

২৩ নং ওয়ার্ডের মোট ভোটার ৭ হাজার ১২টি। এ ওয়ার্ডে ভোট বেড়েছে ৫২০ টি।

২৪ নং ওয়ার্ডে মোট ভোটার ১২ হাজার ৭১৬ জন। এ ওয়ার্ডে ভোট বেড়েছে ৯৭২টি।

২৫ নং ওয়ার্ডে মোট ভোটার ১২ হাজার ৫৩৩ জন। এ ওয়ার্ডে ভোট বেড়েছে ১৯৩৩টি।

২৬ নং ওয়ার্ডে মোট ভোটার ১৪ হাজার ১৪১ জন। এখানে ভোট বেড়েছে ১১৬৯ টি।

২৭ নং ওয়ার্ডে মোট ভোটার ১১ হাজার ৮৪৪ জন। এ ওয়ার্ডে ভোট বেড়েছে ৯৯৯টি।

আমারসিলেট  টুয়েন্টিফোর ডটকম,০২জুন,বেনাপোলে থেকে এম ওসমান:  বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) বেনাপোল চেকপোস্টসহ পথে বিভিন্ন জায়গায় বৈধ পাসপোর্টযাত্রীদের হয়রানি করছে বলে একাধিক অভিযোগ উঠেছে। আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট বেনাপোল দিয়ে প্রতিদিন কয়েক হাজার দেশি-বিদেশি পাসপোর্টযাত্রী বাংলাদেশ-ভারত যাতায়াত করে থাকে।

তাদের পথে কয়েক জায়গায় বিজিবি তল্লাশি করে। ভারত থেকে সঙ্গে আনা পণ্য আটক দেখিয়ে রেখে দেয়া হচ্ছে। এসব পণ্যের কোনো কাগজপত্র দেয়া হচ্ছে না পাসপোর্টযাত্রীদের। প্রতিবাদ করলে নেমে আসে চালান দেয়ার হুমকি।

বিজিবি’র এসব অভিযোগের বিরুদ্ধে স্থানীয় সাংবাদিকরা লেখালেখি করলে তাদেরও দেয়া হয় নানা ধরনের হুমকি। এর আগেও লাঞ্ছিত হয়েছেন ২/৩ জন সাংবাদিক। তাই প্রতিদিন বেনাপোল চেকপোস্ট থেকে আমড়াখালি পর্যন্ত বিজিবি’র হয়রানি চললেও চেয়ে চেয়ে দেখা ছাড়া কথা বলার সাহস নেই কারও।

ঢাকার কেরাণীগঞ্জের পাসপোর্টযাত্রী আব্দুর রাজ্জাক অভিযোগ করে বলেন, তার ক্রয়কৃত শার্ট, প্যান্টের পিস ও তার পুরাতন ব্যবহৃত শার্ট বেনাপোল চেকপোস্ট বিজিবি রেখে দিয়েছে। তিনি জানান, মাত্র একশ’ ডলারের পণ্য ক্রয় করেছি। তাও বিজিবি রেখে দিয়েছে। কাস্টমস কর্তৃপক্ষ চারশত ডলারের পণ্য ভারত থেকে শুল্ক বাদে আনার অনুমতি দিলেও বিজিবি তা মানছে না।

এছাড়া যশোরের রেলগেট এলাকার শিরিনা বেগম কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার ৫ জোড়া জুতা, দুটি শাড়ি, ৩ টি থ্রি-পিছ বিজিবি জোর করে ক্যাম্পে নিয়ে রেখে দিয়েছে। এ রকম শিরিনার মতো কয়েকজন একই ধরনের অভিযোগ করেন বেনাপোল চেকপোস্টে।

ঢাকার পাসপোর্টযাত্রী আলমগীর কবির বলেন, কাস্টমস স্কানিং করে তারপর ব্যাগ খুলে চেক করে। এরপর কাস্টমস শুল্ক গোয়েন্দারাও ব্যাগ তল্লাশি করে ছেড়ে দেয়। তারপর গেট পার হলে রাস্তার উপর বিজিবি ওই একই ব্যাগ খুলে তল্লাশি শুরু করে। ব্যাগের সাইজ বড় দেখলে ক্যাম্পে নিয়ে তন্নতন্ন করে তল্লাশি চালায়। এটা কোনো সভ্য সমাজের কাজ হতে পারে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।

বেনাপোল চেকপোস্টের একটি সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানায়, সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে প্রতিদিন ভারত থেকে মদ, গাঁজা, ফেনসিডিল, চকলেট, বিস্কুট, কসমেটিকসহ নানা ধরনের পণ্য বাজার ছেয়ে ফেলছে। আবার বাংলাদেশ থেকে প্রতিদিন কোটি কোটি টাকার স্বর্ণ ও হুন্ডির টাকা পাচার হলেও মাঝে মধ্যে দুই-একটি চালান আটক করলেও এর সিংহ ভাগ চলে যাচ্ছে পাচার হয়ে। সম্প্রতি বিজিবি বেনাপোলের পুটখালী সীমান্তের ৮ কিলোমিটার ‘ফ্রি ক্রাইম জোন’ ঘোষণা করলেও সেখানে থেমে নেই স্বর্ণপাচার এবং ভারত থেকে মাদক পাচার।

যাত্রীরা অভিযোগ করে বলেন, পাসপোর্টযাত্রীর কাছ থেকে বিজিবি যেসব পণ্য রেখে দিচ্ছে তার কোনো কাগজপত্র দিচ্ছে না। এই পণ্যগুলো কোথায় কীভাবে যাচ্ছে বা কাস্টমসে সঠিকভাবে জমা হচ্ছে কি-না তার কোনো সঠিক প্রমাণাদি নেই। কারণ ওইসব পণ্যের মালিক থাকার পরও মালিকবিহীন দেখিয়ে তারা পণ্য আটক করছে। এর আগে বিজিবি পাসপোর্টযাত্রীদের কাছ থেকে যেসব পণ্য আটক করতো তাদের নাম ও পাসপোর্ট নম্বর উল্লেখ করে কাস্টমসে জমা দিত এবং যাত্রীদের এক কপি কাগজও দিয়ে দিত। ওই কাগজ নিয়ে যাত্রী কাস্টমস থেকে সরকারি শুল্ক পরিশোধ করে পণ্য চালান ছাড় দিতো।

এখন বিজিবি যাত্রীদের কোনো কাগজ দিচ্ছে না। ফলে যাত্রীরা ওই পণ্য সরকারি শুল্ক দিয়ে নিতেও পারছে না। আটক সব পণ্য কাস্টমস গোডাউনে জমা করা হয় কি না তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে যাত্রীদের মাঝে।

বেনাপোল চেকপোস্টে ঢাকার পাসপোর্টযাত্রী ফারুক হোসেন অভিযোগ করে বলেন, সরকারের কাস্টমস বিভাগ ব্যাগ স্কানিং ও তল্লাশি করে ছেড়ে দেয়ার পর একই বিজিবি কাস্টমস গেটে, আমড়াখালী চেকপোস্টে, বেনাপোল রেলস্টেশন এলাকায় তল্লাশি করে থাকে। এতে করে হয়রানি হতে হতে ধৈর্যের বাধ ভেঙে যায়। তিনি বলেন, সরকারি ভ্রমণ কর দিয়ে বৈধপথে ভারত থেকে ব্যবহারের কিছু জিনিসপত্র আনার পরও বিজিবি’র হাতে প্রতিনিয়ত হয়রানির শিকার হচ্ছি। আমরা সবাই জিম্মি হয়ে গেছি প্রশাসনের লোকদের কাছে।

বেনাপোল কাস্টমসের একটি সূত্র জানায়, বন্ডেড এলাকার ৫ কিলোমিটারের মধ্যে বিজিবি’র বৈধ পাসপোর্টযাত্রীদের কোনো পণ্য দেখার নিয়ম না থাকলেও তারা এটা দেখছে আমাদের করার কিছু নেই। এ নিয়ে বার বার বৈঠক হওয়া সত্ত্বেও বিজিবি তা মানছে না বলে সূত্র জানায়।

বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান স্বজন বলেন, এ ব্যাপারে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেও কোনো কিছু হচ্ছে না বলে তিনি জানান। দেশি-বিদেশি পাসপোর্টযাত্রীরা বেনাপোল চেকপোস্টে এসে অসম্মানিত হচ্ছে বলে তিনি জানান।

এ ব্যাপারে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)’র বেনাপোল চেকপোস্ট আইসিপি ক্যাম্পে যোগাযোগ করা হলে তারা বিজিবি’র ব্যাটালিয়নে কথা বলার পরামর্শ দেন।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)’র আমড়াখালি চেকপোস্টের সুবেদার মিজানুর রহমানের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, আমাদের উপরের নির্দেশ আছে বছরে একজন পাসপোর্টযাত্রী ৩ বার চারশ’ ডলারের পণ্য আনতে পারবে। আর যেসব পণ্য আমরা আটক করছি তা মালিকবিহীন করা হচ্ছে। পাসপোর্ট প্যাসেঞ্জারদের এসব পণ্য কাস্টমস শুল্ক গুদামে জমা করা হয় বলে তিনি জানান।

আমারসিলেট  টুয়েন্টিফোর ডটকম,০২জুনঃ বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর সভাপতি আলহাজ্ব নাঈম উল ইসলাম বলেন, যাকাত দান নয়, গরীবের হক। বর্তমান আমাদের দেশে যে যাকাত বন্টন হয় তা সম্পূর্ণভাবে লোক দেখানো এবং গরীবের উপর শোষন। যাকাত এমনভাবে প্রদান করতে হবে যে, ডান হাতে প্রদান করলে যাতে বাম হাত না জানে। তিনি আরো বলেন, দারিদ্রমুক্ত সমাজ গড়তে কুরআন সুন্নাহ্ মোতাবেক যাকাত বন্টনের বিকল্প নাই। বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনা চট্টগ্রাম উত্তর জেলার ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে উপর্যুক্ত মন্তব্য করেন।

বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনা চট্টগ্রাম উত্তর জেলার উদ্যোগে আজ ০১ জুন শুক্রবার মাহে রমজান শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল নগরীর একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে যুবনেতা মাষ্টার মুহাম্মদ ইসমাঈল এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। প্রস্তুতি কমিটির আহবায়ক মাওলানা হাসান মুরাদ কাদেরীর স ালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর সভাপতি আলহাজ্ব নাঈম উল ইসলাম।

উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সহ-সভাপতি সৈয়দ মুহাম্মদ হোসেন। তিনি বলেন, ইসলামী সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠাই বর্তমান মুসলিম যুব সমাজকে বদরের চেতনায় উজ্জীবিত হওয়া সময়ের দাবী।

বিশেষ অতিথি ছিলেন আন্জুমানে খোদ্দামুল মুসলেমীন শারজাহ্ প্রাদেশিক শাখার সভাপতি মুহাম্মদ জিয়াউল হক, ইসলামী ফ্রন্ট চট্টগ্রাম উত্তর জেলা নেতা মুহাম্মদ মঈনুল আলম, যুবনেতা এম এ মনসুর, মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। প্রধান বক্তা ছিলেন যুবসেনা কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক যুবনেতা জামাল উদ্দিন রাব্বানী। তিনি বলেন, ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থা থেকে বিমূখ থেকে দূর্নীতি ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার স্বপ্ন দেখা অলীক কল্পনা মাত্র।

বিশেষ বক্তা ছিলেন ছাত্রসেনা চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সভাপতি ছাত্রনেতা সরওয়ার উদ্দিন চৌধুরী। সংগঠনের নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সৈয়দ মুহাম্মদ গোলাম কিবরিয়া, মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ, মুহাম্মদ শাহজাহান, মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন, মুহাম্মদ নূরুল আজিম জনি, মুহাম্মদ জাবের, মুহাম্মদ আমান উল্লাহ, মুহাম্মদ শহীদ, মুহাম্মদ নেজাম, মুহাম্মদ নাসির উদ্দিন রুবেলসহ সকল নেতৃবৃন্দ।

আমারসিলেট  টুয়েন্টিফোর ডটকম,০২জুন,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ   পরির্বতন চাইলে আর উন্নয়ন হবে না। এই এলাকার উন্নয়নের রোল মডেল হিসাবে বর্তমান প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা যাদুকাটা নদীর উপর আপনাদের জন্য পদ্ধা সেতুর মত আরেকটি সেতু এই এলাকার উন্নয়নের জন্য দিচ্ছেন। তার ফল আপনারাই ভোগ করবেন। এই এলাকায় যে উন্নয়ন হয়েছে তার প্রমান আপনারাই যা এর পূর্বে আর হয় নি। আপনারা আবারও নৌকা মার্কায় আপনাদের মূল্যবান ভোট দিয়ে আমাকে আবার জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচিত করুন উন্নয়ন করেছি আরো করব কথা দিলাম। পূর্বে সবাই লুটপাট করে নিজের নিয়ে ব্যস্থ ছিল। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সারাদেশে উন্নয়নের জোয়ারে ভাঁসছে। আপনাদের মূল্যবান ভোট আমাকে দিয়ে যে দায়িত্ব দিয়েছেন তা আমি আমানত মনে করে আগলে রেখে আপনারে উন্নয়নের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে সারাক্ষন কাজ করছি। তা আপনাদের কেও ধরে রাখতে হবে। এই এলাকার প্রতিটি গ্রামে এখন বিদ্যুৎতের আলোতে আলোকিত হয়েছে এই সরকারের আমলে।

সুনামগঞ্জ ১আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন তাহিরপুর উপজেলার শাহ আরেফিন মাজার কমিটির উদ্যোগে শুক্রবার বিকালে শাহআরেফিন আস্তানায় ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

বাদাঘাট ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান,উপজেলা আ,লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি ও শাহ-আরেফিন মাজার কমিটির সহ সভাপতি হাজী জালাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও বাদাঘাট ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি সেলিম হায়দার স ালনায় বিশেষ অতিথি হিসাবে অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন,সুনামগঞ্জ পুলিশ সুপার বরকত উল্লাহ খান,তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পূনেন্দ্র দেব,তাহিরপুর উপজেলা আ,লীগের সভাপতি আবুল হোসেন খানঁ,সাবেক সভাপতি আব্দুছ ছোবাহান আখঞ্জি,সিনিয়র সহ-সভপাতি আলী মুর্তুজা,সাধারন সম্পাদক অমল কান্তি কর,সাংগঠানিক সম্পাদক আলমগীর খোকন,উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক হাফিজ উদ্দিন পলাশ,যুগ্ম আহবায়ক রায়হান উদ্দিন রিপন,বাদাঘাট ইউনিয়নের আ,লীগের আহবায়ক জুনাব আলী,সাবেক চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন,উত্তর বড়দল ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান জামাল উদ্দিন,উত্তর বড়দল ইউনিয়নের যুবলীগ সভাপতি মাসুক মিয়া,সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জুমুর কৃষ্ণ তালুকদার,ছাত্রলীগ নেতা রাহাদ হায়দার প্রমুখ।
এর পূর্বে সুনামগঞ্জ ১আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন তাহিরপুর উপজেলার উত্তর বড়দল ইউনিয়নে দুপুরে চাঁনপুর গ্রামে ২৭৫পরিবারের মাঝে বিদ্যুৎ উদ্ভোধন করে সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জুমুর কৃষ্ণ তালুকদার পরিচালনায় এক জনসভার মিলিত হয়ে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন।

এসময় অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন,জামাল উদ্দিন,মাসুক মিয়া প্রমুখ।

আমারসিলেট  টুয়েন্টিফোর ডটকম,০১জুন,হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে পিকলের আঘাতে আঃ সোবাহান ওরফে আবু মিয়া (৬০) নামে এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। ১ জুন শুক্রবার বিকাল ৩টায়  উপজেলার সাটিয়াজুরী ইউনিয়নের দেওলগাও গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ মহিলাসহ  ৩ জন কে আটক করেছেন। নিহত আঃ সোবাহান ওরফে আবু মিয়ার মরদেহ হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে পাওয়া , দেওলগাও গ্রামের মৃত রশীদ মিয়া গণ এর পুত্র কালাম মিয়া গণ ও ইছাকুটা গ্রামের মৃত আকছির মিয়ার পুত্র আরোদ মিয়া সহ একই গ্রামের সিজু মিয়ার পুত্র সুমন মিয়ার সাথে আঃ সোবাহান ওরফে আবু মিয়ার অনেকদিন যাবত পূর্ব বিরোধ চলছিল। এরই জের ধরে শুক্রবার বিকাল ৩ টায় কালাম মিয়া গণ, আরোদ মিয়া ও সুমন মিয়া আঃ সোবাহান ওরফে আবু মিয়ার বাড়িতে এসে সংঘর্ষে জরিয়ে পরলে তাদের হাতে থাকা পিকলের আঘাতে আঃ সোবাহান ওরফে আবু মিয়া গুরুতর রক্তাক্ত জখম হন।

তাৎক্ষনিক স্হানীয় লোকজন আঃ সোবাহান ওরফে আবু মিয়া কে  চুনারুঘাট সরকারী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কত্যর্বরত চিকিৎসক আঃ সোবাহান ওরফে আবু মিয়া কে মৃত ঘোষণা করেছেন। নিহত আঃ সোবাহান ওরফে আবু মিয়া ওই গ্রামের মৃত সৈয়দ উল্লার পুত্র।

এব্যাপারে চুনারুঘাট থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম আজমিরুজ্জামান সত্যতা স্বিকার করে জানিয়েছেন, আমরা এক মহিলা ও দু’জন ব্যক্তি কে আটক করেছি। এবং নিহত আঃ সোবাহান ওরফে আবু মিয়ার মরদেহ হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

এঘটনায় চুনারুঘাট থানায় মামলার রুজু হয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা আগ পর্যন্ত আটককৃতদের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি।