Saturday 22nd of September 2018 05:32:53 PM

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৮মে,রেজওয়ান করিম সাব্বির,জৈন্তাপুর প্রতিনিধি: প্রকৃতিকন্যা খাত জাফলংয়ের জিরো পয়েন্টের পাথর লোট কোন ভাবেই থামছে না। দিন-রাত সমান তালে চলছে পাথর লোটের মহোৎসব। আঙ্গুল ফলে কলাগাছ হচ্ছে সামছা পাটি। এলাকাবাসীর অভিযোগ স্থানীয় বিজিবি বিরুদ্ধে। সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসন ও সীমান্তরক্ষী বাহিনী নিরব ভূমিকা পালন করছে।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়- স্থানীয় একটি পাথর খেকু চক্র সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও বিজিবি’র সাথে আতাত করে ভারতের ডাউকি নদী হতে পানির ¯্রােতে নেমে আসা নুড়িপাথর স্তুপ হয়ে বাংলাদেশ সীমান্তের পিয়াইন নদীর উৎসমূখে জমাট বেধে আছে। সিলেটের জাফলংয়ের স্বচ্ছ পানির, সারী-সারী পাহাড়, ঝর্ণার মনোরম দৃশ্য দেখতে প্রতিদিন হাজার হাজার দেশি-বিদেশী পর্যটকরা সমাগত হয়। পাথর খেকু চক্রের একটি বাহিনী দীর্ঘদিন হতে স্থানীয় বিজিবি’র সহায়তায় জিরো পয়েন্টের সৌন্দর্য্য বিনষ্ট করে পাথর লোট অভ্যাহত রাখে।

কোয়ারী এলাকায় সাধারনত খনিজ সম্পদ আহরনের অনুমতি থাকলেও সীমান্ত রেখার সন্নিকট হতে ১৫০গজ দূরত্বে হতে খনিজ সম্পদ সংগ্রহ, আহরন, উত্তোলন সম্পূর্ণ ভাবে নিষিদ্ধ রয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ হতে অপার সৌন্দর্য্যরে লীলা ভূমি জাফলংয়ের জিরো পয়েন্ট হতে ৫শত গজের মধ্যে পাথর উত্তোলন, সংগ্রহ, আহরনের উপর নিষেদাজ্ঞা রয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় পাথর খেকু চক্রের সদস্যরা জিরো পয়েন্টের পাথর সাবাড় করতে স্থানীয় বিজিবির সাথে প্রতি নৌকা ১৫শত টাকা হারে চুক্তি করে জিরো পয়েন্টের পাথর লোট করা হচ্ছে। কোন কোন সময় সীমান্ত রেখা পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করে পাথর লোট করে চক্রের সদস্যরা। এসময় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী নৌকা ধরে নিয়ে গেলেও শ্রমিকরা প্রাণ পানিতে ঝাপ দিয়ে রক্ষাপায়।

গত ২রা, ৩রা মে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী ১২টি নৌকা ধরে নেয়। স্থানীয় ও জাতীয় সংবাদ মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পরও কোন ভাবে থামছে না পাথর লোট। বৃষ্টি হওয়ার সাথে সাথে ডাউকী ও পিয়াইন নদীতে পানি বৃদ্ধিপায় এই সুযোগে পাথর লোটকারী চক্রের সদস্যরা অর্থের বিনিময়ে শত শত নৌকা দিয়ে জিরো পয়েন্টের সৌন্দর্য্য বিনষ্ট করে পাথর লোট চালায়। নৌকা হতে অর্থ কালেকশন করে চক্রের নিজস্ব গঠিত সামছা বাহিনী।

বাহিনীর সদস্যরা টাকা সংগ্রহ করে তা বন্টন করে যার বড় অংশ যায় স্থানীয় বিজিবির হাতে এমনটাই অভিযোগ স্থানীয় ব্যবসায়ীদের। অনেক সময় তাদেরকে বাঁধা দিতে গেলে নানা হুমকী ধমকী দিয়ে যায় চক্রটি। একাধিকবার সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসনকে বিষয়টি জানালে তারা কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহন করে না। ব্যবসায়ীরা বিজিবির উর্দ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করা হলে লোক দেখানো অভিযান ছাড়া কিছুই করা হয় না।

বরং দিন দিন জিরো পয়েন্টের পাথর লোটের তীব্রতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এলাকার সচেতন মহলের দাবী বাংলাদেশের প্রকৃতিক সৌন্দর্য্যরে লীলা ভূমি প্রকৃতিকন্যা জাফলংয়ের হাজার হাজার পর্যটদের কথা চিন্তা করে পাথর লোট বন্দের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী জানান।

এবিষয়ে জানতে সংগ্রাম সীমান্ত ফাঁড়ির ক্যাম্প কমান্ডারের সাথে একাধিক বার যোগাযোগ করা হলে অতিথি থাকার কারনে কথা বলা সম্ভব হয়নি। তবে বিজিবির গোয়েন্দা সদস্য শাহাবুলের সাথে আলাপকালে তিনি বলেন বিষয়টি নিয়ে ক্যাম্প কমান্ডরের সাথে আলাপ করতে বলেন।

“বাঁশকলের মাধ্যমে কোটি টাকার রাজস্ব ফাকি”

 

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৮মে,রেজওয়ান করিম সাব্বির,জৈন্তাপুর প্রতিনিধি:   সিলেটের জাফলংয়ের পিয়াইন নদীর বুকে ফের চেপে বসেছে অবৈধ বোমা মেশিন। বোমা মেশিন  কিংবা  ফেলুডার সাধারণ লোকজনের কাছে যন্ত্র দানব নামে পরিচিত। বোমা মেশিন দিয়ে অবৈধ ভাবে উত্তোলন করা হচ্ছে ভূগর্ভের পাথর। ধ্বংশ হচ্ছে জাফলংয়ের পরিবেশ মরতে বসছে পিয়াইন নদী। বোমা মেশিন দিয়ে পাথর উত্তোলনের ফলে কতিপয় অর্থলোভী লাভবান হলেও মারাত্বক হুমকির মুখে নদীর তীরবর্তী, কান্দুবস্তী, নয়াবস্তী, জাফলং চা-বাগান, লাখেরপাড়, লন্ডনী বাজার, বল্লাপুঞ্জি, নকশিয়া পুঞ্জি, নয়াগাঙ্গের পাড়, রাধানগর, পোড়াবাড়ী, ছৈলাখেল, আসামপাড়া, বাউরভাগ এলাকার বাসিন্দারা।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায় পিয়াই নদীর বুকে নিষিদ্ধ ঘোষিত ১০/১২ সিলিন্ডার শতাধিক বোমা মেশিন একাধিক স্থানে বসিয়ে পাইপের মাধ্যমে নদীর গভীর তলদেশ হতে পাথর উত্তোলন করছে। অপরিকল্পীত ভাবে পাথর উত্তোলনে নদীর তীর ভাঙ্গন দেখা  দিয়েছে ব্যাপক ভাবে। বিলিন হতে যাচ্ছে চা-বাগান, বসতবাড়ী, ফসলী জমি। বোমা মেশিন দিয়ে পাথর উত্তোলন ও অবৈধ বাশকল এবং তদসংলগ্ন নদীর বুকে বেইলি ব্রীজ স্থাপন করে প্রতিদিন লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রভাবশালী  সংঙ্গবদ্ধ চক্র। ফলে বিপুল পরিমান রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। অবৈধ ভাবে পাথর উত্তোলন করতে গিয়ে মাটি চাপায় ৫শ্রমিক নিহতের ঘটনায় পাথর উত্তোলন কিছু দিন বন্ধ থাকে। ফের পাথর উত্তোলন শুরু হওয়ায় জনমনে প্রশ্ন উঠে, এসব অর্থলোভীদের খুটির জোর হচ্ছে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিশ্বজিত কুমার পাল ও সহকারী কমিশনার(ভুমি) সুমন চন্দ্র দাস।

ক্ষুদ্ধ প্রতিক্রিয়ায় স্থানীয় এলাকার লোকজন জানান, শীর্ষ চাঁদাবাজ চক্রের সাথে জড়িত উপজেলা প্রশাসন। সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হলে নিরব দর্শকের ভুমিকা পালন করে উপজেলা প্রশাসন। প্রশাসনের নিরব ভুমিকায় ইজারাদার ছাড়া ও আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে প্রতি দিন শত শত মালবাহী ট্রাক হতে রয়েলট্রির নামে উত্তোলন হচ্ছে কোটি কোটি টাকা। আর রাজস্ব থেকে বি ত হচ্ছে সরকার।

বিনিময়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী কমিশনার ভুমি দু’জনেই অবৈধ টাকার আঙ্গুল ফুলে কলাগাছে পরিনত হচ্ছেন। গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিশ্বজিত কুমার পাল যোগদানের পর জাফলং পাথর কোয়ারীতে অবৈধ ভাবে পাথর উত্তোলনের মাটি চাপায় অসংখ্য শ্রমিক নিহত ঘটনা বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক গণমাধ্যমে ধারাবাহিক ভাবে প্রচার হয়েছে। সচেতন মহলের প্রশ্ন জাফলংয়ের অবৈধ ভাবে পাথর উত্তোলনের সময় অসংখ্য লোক নিহত হল অনেকে পঙ্গুত্ব হলো কিন্তু প্রশাসন কর্মকর্তা এখনো বহাল তবিয়্যাতে।

অবৈধ বাশকল, বেইলী ব্রীজ বোমা মেশিন দিয়ে পাথর উত্তোলন ও সরকারি রাজস্ব ফাকির দায় এড়াতে চলছে উপর মহলে নানা তদবির। নিজকে স্বচ্ছ রাখতে মাঝে মধ্যে করছেন লোক দেখানো ট্র্রাস্কফোর্স  অভিযান করেন। তিনি গোয়াইনঘা যোগদানের ৭/৮মাসের মধ্যে অবৈধ বোমা মেশিন, ফেলুডার মেশিন বাঁশকল বেইলী ব্রীজ’র রাজস্ব ফাঁকির উত্তোলনকৃত টাকা গ্রহন করে কুটি কুটি টাকার মালিক হয়েছেন।

সচেতন মহলের ধারনা ইউএনও বিশ্বজিত কুমার পাল ও সহকারী কমিশনরা(ভুমি) সুমন চন্দ্র দাস’র যাবতীয় সম্পদ, ব্যাংক একাউন্ট স্থাবর-অস্থবর সম্পদের হিসাব অনুসন্ধান করলে সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অবৈধ অর্থ উপাজনের রহস্য বেরিয়ে আসবে। ইউএনও’র নিরভ ভুমিকায় অর্থলোভীরা এখন হাত দিয়েছে কান্দুবস্তী এলাকায়, জাফলং চা-বাগান সংলগ্ন নদীরপাড় ও পাশ্ববর্তী কৃষি জমি ও খাসিয়াদের পান সুপারীর বাগানে দিকে। পিয়াইন নদীতে বোমা মেশিন দিয়ে পাথর উত্তোলনের উপর নিষেদাজ্ঞা জারি করে আদালত। কিন্তু থেমে নেই অতি-উৎসাহী পাথর উত্তোলনকারীরা।

এবিষয়ে জাফলং চা-বাগানের ম্যানোজার ইকরামুল কবির বলেন- জেলা প্রশাসক থেকে শুরু করে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে এমনকি সর্বশেষ ভুমি মন্ত্রনালয়ের ভুমিমন্ত্রী বরাবর অর্থলোভী পাথর খেকুদের নামে অভিযোগদেয়া হয়েছে। কিন্তু কোন ভাবেই অবৈধ ভাবে পাথর উত্তোলন বন্ধ করা যাচ্ছে না। ক্ষুদ্ধ এলাকাবাসী সরকারের রাজস্ব ফাঁকি পাথর উত্তোলন ও নদী রক্ষায় স্থানীয় প্রশাসনের ভুমিকা প্রশ্নবিদ্ধ।  তারা উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী কমিশনার(ভূমি) সহযোগিতায় নদীরপাড় কেটে পাথর উত্তোলন   করে   আসছে।

চলিত বছরের ১০ফেব্রুয়ারী শনিবার সকালে জাফলংয়ের লন্ডনীবাজার এলাকায় অবৈধ ভাবে পাথর উত্তোলন করতে গিয়ে বাবুলখাঁ(২৬) নামের ১পাথর শ্রমিক নিহত হয়। পরবর্তীতে পাথর কোয়ারীতে অভিযান পরিচালনা করে ওই দিন বিকাল পর্যন্ত কয়েকটি বোমা মেশিনবন্ধ থাকে। অভিযান পরিচালনায় ইউএনওকে সহায়তা করেছে চাঁদাবাজ চক্র। কারণে ঐ দিন পাথর উত্তোলনকারী সিন্ডিকেট ইউএনও,র সাথে গোপন বৈঠক করে। এসময় নাম মাত্র কয়েকটি বোমা মেশিন বন্ধ করে দেওয়াটা লোক দেখানো  আইওয়াশ মাত্র।

এব্যাপারে বিশ্বজিৎ কুমার পালের সাথে আলাপকালে তিনি জানান, বোমা মেশিন বন্ধের ব্যাপারে অভিযান অব্যাহত আছে। প্রতিদিন বোমা মেশিন দিয়ে অপরিকল্পিত ভাবে পাথর উত্তোলন করে পরিবেশ ধ্বংশ করছে। উপজেলা প্রশাসনের নাম ভাঙ্গিয়ে অবৈধ বাশঁকল বসিয়ে কোটি কোটি টাকা চাঁদা আদায় হচ্ছে এটা আপনী কিভাবে দেখছেন? এমন প্রশ্ন করলে তিনি তিনি বলেন, স্থানীয় ড্রাইভার সমিতির লোকজন অবৈধ বাঁশকল থেকে চাঁদা আদায় করতে পারে এটা আমি জানিনা এবং আমার কাছে কেউ কখনো অভিযোগ করেননি। ড্রাইভার সমিতি তাদের নিজস্ব ফান্ডের জন্য চাঁদা উত্তোলন করতে পারে। বেইলি ব্রীজের খেওয়া ঘাটের নামে মানুষের কাছে থেকে টাকা উত্তোলন কে বা কারা করছে আমার যানা নেই। জেলা পরিষদ হতে কোন ইজারা দেওয়া হয়নি।

“সিলেট এমসি ইউনিভার্সিটি কলেজ এক্স-স্টুডেন্টস্ অ্যাসোসিয়েশন, ফ্রান্স” এর ফেমিলি ডে”

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৮মে,আবু তাহেরঃ ফ্রান্সে বসবাসরত সিলেট এমসি ইউনিভার্সিটি কলেজ এক্স-স্টুডেন্টস্ অ্যাসোসিয়েশন, ফ্রান্স” এর উদ্যোগে প্যারিসে গতকাল রবিবার এক আনন্দঘন পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো “ফেমিলি ডে । এতে ফ্রান্সে বসবাসরত এমসি কলেজের বিপুল সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী ও তাদের পরিবারের উপস্থিতিতে শিশু কিশোরদের ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিটিআই কার্গো চেয়ারম্যান কবির হোসেইন পাটোয়ারী।

দিনভর আয়োজনের মধ্যে মা ও শিশু কিশোরদের খেলাধুলা ও পুরস্কার বিতরনী, মধ্যাহ্ন ভোজ, কলেজ মনোগ্রাম সংবলিত টি-শার্ট পরিধান ফটো সেশন ও

আলোচনা সভায় সংগঠনের সভাপতি আলী আশরাফ মাসুমের সভাপতিত্বে অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারী মোহাম্মদ আব্দুল হামিদের পরিচালনায় আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রধান অতিথি বিটিআই কার্গো চেয়ারম্যান কবির হোসেইন পাটোয়ারী ও এমসি কলেজের ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দের পক্ষে বক্তব্য রাখেন খালেদ আহমদ, আবু তাহির, মাহবুব আহমদ, ফয়সল আহমদ, ইস্তিয়াক আহমদ চৌধুরি , সাইদুর রহমান সাইদ, ইকবাল হোসাইন, রাজু এইচ আহমদ, শাহ সুহেল আহমদ, আশরাফ হোসেন মাসুদ, ইসমত আহমদ, নিজাম উদ্দিন, আব্দুল মুমিত সুমন।

অনুষ্ঠান থেকে আগামী ৮ জুলাই অনুষ্ঠেয় কলেজের ১২৫ বছরপূর্তি উৎসব ও পূনর্মিলনী’২০১৮ এর ওপর গুরুত্বারোপ করে আগামি ১৭ই জুন’২০১৮ রোজ রবিবার অ্যাসোসিয়েশনের ঈদ পূনর্মিলনীর ঘোষণা দেন ।

সবশেষে বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের মাঝে পুরস্কার বিতরন করেন অনুষ্ঠানে আগত অতিথিবৃন্দ ।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc