Monday 21st of May 2018 03:36:15 AM

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০২মে,হবিগঞ্জ প্রতিনিধি: নবীগঞ্জ উপজেলার পল্লীতে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতের কবলে পড়ে আব্দুল জব্বার (৪০) নামে এক কৃষক মারা গেছেন।
বুধবার দুপুরে উপজেলার পানিউমদা ইউনিয়নের রুকনপুর গ্রামের মৃত আশ্বব আলীর ছেলে কৃষক আব্দুল জব্বার জমিতে ধান কাটতে যায়।
কিছুক্ষনের মধ্যেই টানা বর্ষণ ও ঝড়ো হাওয়া শুরু হলে হঠাৎ বজ্রপাতে সে ঘটনা স্থলেই মারা যায়। ঝড় শেষে গ্রামের লোকজন তাকে উদ্ধার করে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০২মে,জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধিঃ দৈনিক শ্যামল সিলেটের প্রধান আলোকচিত্রী, সিলেট জেলা প্রেসক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও বাংলাদেশ ফটোজার্নালিষ্ট এসোসিয়েশন সিলেট বিভাগীয় কমিটির সাবেক সভাপতি ইকবাল মনসুর এর মৃত্যুতে জৈন্তাপুর অনলাইন প্রেসক্লাবের শোক।

সিলেটের ফটো সাংবাদিক জগতের উজ্জ্বল লক্ষত্র সকলের প্রিয় ব্যক্তি ইকবাল মনসুর এর অকাল মৃত্যুতে জৈন্তাপুর অনলাইন প্রেসক্লাব পরিবার গভীর ভাবে শোকাহত।

এক শোক বার্তায় শোক প্রকাশ করেন জৈন্তাপুর অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি ময়নুল মুরসালিন রুহেল, সাধারণ সম্পাদক মোঃ রেজওয়ান করিম সাব্বির, অর্থ সম্পাদক রাশেল মাহফুজ, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক ইসমাই হোসেন, সম্মানিত সদস্য শোয়ইবুর রহমান। সদস্য শোয়েব উদ্দিন, গোলাম সারওয়ার বেলাল, আবুল হোসেন মোঃ হানিফ। মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০২মেঃকমলগঞ্জ প্রতিনিধিঃকমলগঞ্জের ইসলামপুরে দুর্বৃত্তদের আগুনে পুড়ে ছাই হয়ে গেছে গৃহপালিত গরু ছাগল,আসবাবপত্র,কাপড়চোপড়,স্বর্ণালংকার,মুল্যবান কাগজপত্র ও নগদ টাকাসহ বসতঘর। পবিত্র শবেবরাতের দিন মংগলবার (১মে) রাত দেড়টার দিকে ইসলামপুর ইউনিয়নের ছয়ঘরি গ্রামে ছয়ঘরি প্রাইমারী স্কুল সংলগ্ন কাঠমিস্ত্রী মিলন আহমেদের বসতঘর পুড়ে যায়।

বুধবার সকালে সরজমিন গিয়ে ও মিলন আহমেদ (২৬),তার ছোট ভাই হীরক আহমেদ (২৪) ও মা রোকেয়া বেগমের (৫০) সাথে কথা বলে জানা যায়,এ সময় দুই ভাই স্থানীয় নইনারপার বাজারের মসজিদে শবেবরাত উপলক্ষ্যে মিলাদ মাহফিল ও ইবাদত বন্দেগীতে ছিলেন এবং তাদের মা একা ঘরে নামাজ পড়ছিলেন। হঠাৎ ঘরে আগুন লাগলে তিনি চিৎকার দিলে প্রতিবেশী মহিলারা তাকে ঘর থেকে বের করে বাইরে নিয়ে আসেন। খবর পেয়ে মিলন ও হীরক বাড়ীতে ছুটে এসে দেখেন সব কিছু পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে।

এ প্রতিবেদকের সাথে আলাপকালে তারা দুই ভাই জানান,বাড়ীতে পুরুষ না থাকার সুযোগে সম্ভবত কেউ পেট্রোল বা কেরোসিন দিয়ে আগুন লাগিয়ে দিযেছে। ফলে মুর্হুতেই একটি গাভী, তিনটি ছাগল, বিক্্িরর জন্য তৈরি করা সোফাসেট, খাটসহ অন্যান্য আসবাবাপত্র, স্বর্ণালংকার, পরিধেয় পোষাক, মূল্যবান কাগজপত্রসহ পাচঁ লক্ষাধিক টাকার মালামাল ভস্মিভূত হয় ।

তবে কে বা কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে জানেন না। ইসলামপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হান্নান, ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন,এটি একটি অমানবিক ঘটনা। তিনি ভুক্তভোগী পরিবারকে সার্বিক সহযোগীতা করার আশ্বাস দিয়েছেন। কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোকতাদির হোসেন পিপিএম জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। অভিযোগ পেলে তদন্তক্রমে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০২মে,বেনাপোল প্রতিনিধি: শার্শার পল্লীতে ইউপি চেয়ারম্যানের নির্দেশে ও পুলিশের উপস্থিতিতে বসতবাড়ী ভাংচুর করার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহষ্পতিবার বিকালে শার্শা উপজেলার ডিহি ইউনিয়নের টেংরালী গ্রামে। স্থানীয় চেয়ারম্যান হোসেন আলীর পোষ্য সন্ত্রাসীরা প্রতি হিংসামুলক ওয়াদুদ মিয়ার ৩রুম বিশিষ্ট সেমিপাকা বিল্ডিং ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়।
ঘটনার বিবরনে জানা যায়, ডিহি ইউনিয়নের টেংরালী গ্রামের মৃত সুরত আলীর ছেলে ওয়াদুদ মিয়া দীর্ঘদিন যাবত ২নং টেংরালী মৌজার সাবেক দাগ ৭৭৬ নং দাগে ১৫ শতক বাস্ত জমি ভোগদখল করে আসছিল। যাহার বর্তমান হাল জরিপ দাগ ১৭০৯ হয়েছে। উক্ত জমির ১৯২৬ সালের সিএস রেকর্ডীয় মালিক মকিম কলু গং ভোগ দখল থাকার পর সোপার্জিত শর্তে ১৯৬২ সালে আশুতোষ রায় সরকার বাহাদুরের ০৪নং খতিয়ানে নিজ নামে রেকর্ড করাইয়া স্বত্ত্ববান ও ভোগ দখল থাকাবস্থায় তাহার নিকট হইতে ০১/০১/১৯৭০ সালে চৌগাছা সাব-রেজিস্ট্রী অফিসের ১৮নং কবলা দলিল মুলে আমাদের পিতা সুরত আলী খরিদ করিয়া ভোগ দখল করিতে থাকে। আমাদের পিতার মৃত্যুর পর আমরা ওয়ারেশ সুত্রে প্রাপ্ত হইয়া অত্র জমি এযাবৎ কাল ভোগদখল করিয়া আসিতেছি। বর্তমান সরকার বাহাদুরের নির্দেশে অর্পিত সম্পত্তির হাল রেকর্ড দেওয়ার নিষেধ থাকায় হাল জরিপে আমাদের নিজ নিজ নামে ওয়ারেশ সুত্রে রেকর্ড করতে ব্যর্থ হওয়ায় সরকারের পক্ষে ১/১ খতিয়ানে রেকর্ড হয়। যদিও ১৯৬২ সালের রেকর্ড মালিকানা স্বত্ত্বে থাকা স্বত্ত্বেও হিন্দু নাম থাকার কারনে সরকারের পক্ষে ১/১ খতিয়ানে রেকর্ড হয়। পরবর্তীতে হাল জরিপ কর্তন পূর্বক আমাদের নিজ নিজ নামে ওয়ারেশ সুত্রে রেকর্ড পাওয়ার জন্য উক্ত সম্পত্তির সমস্ত কাগজপত্র দাখিল করে শার্শা সহকারী জজ আদালতে একটি দেওয়ানী মামলা রুজু করি যাহার কেস নং-০৪/১৮। যাহা অদ্যবধি মামলাটি মহামান্য আদালতে বিচারাধীন আছে।
বর্তমানে উক্ত সম্পত্তিতে আমাদের বসবাসের জন্য বসতবাড়ী নির্মান ও ফলজ-বনজ বৃক্ষ রোপন করিয়া বসবাস করিতেছি। হঠাৎ করিয়া স্থানীয় চেয়ারম্যান হোসেন আলীর নির্দেশে কিছু পর সম্পদ লোভী ভূমি দস্যু ও এলাকার চিহ্নিত লাঠিয়াল বাহিনী আ: খালেক, আ: রাজ্জাক, আ: ছামাদ, বাবলু, আজু, ইসমাইল, জাকির, ইমরান, ইজাজুল, পিয়াল, মজিদসহ আরো অনেকে স্থানীয় গোড়পাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই শেখ লুৎফর রহমানের উপস্থিতিতে বৃহষ্পতিবার বিকালে ৩রুম বিশিষ্ট সেমিপাকা বিল্ডিং ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়। দরজা-জানালা গুলি ভ্যানযোগে নিয়ে যায়। এঘটনাটি গ্রামবাসির সামনে ঘটলেও পুলিশের উপস্থিতি থাকার কারণে প্রতিবাদ করার সাহস পায়নি। গ্রামবাসির অনেকে ঘটনাটি মোবাইলে ধারন করতে গেলে ঘটনাস্থলে উপস্থিত এসআই শেখ লুৎফর রহমান তাদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং আটক করার হুমকি দেয়। ক্ষতিগ্রস্থ ওয়াদুদ মিয়া বিষয়টি তদন্ত পূর্বক প্রয়োজণীয় ব্যবস্থা গহেনের জন্য প্রশাসনের উর্দ্ধতন মহলের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ ব্যাপারে ডিহি ইউনিযন পরিষদের চেয়ারম্যান হোসেন আলী বলেন, সরকারী সম্পত্তিতে বাড়ি নির্মাণ করায় প্রতিবেশিরা যাতায়াতের রাস্তা নেওয়ার জন্য এ ঘটনা ঘটিয়েছে। তার নির্দেশে হয়েছে এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন এব্যাপারে আমি কিছু জানিনা। শার্শা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মহোদয়ের নির্দেশক্রমে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন ও তার প্রতিনিধিরা উপস্থিত থেকে সরকারী সম্পত্তি থেকে অবৈধ বসতি স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে।
গোড়পাড়া পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই শেখ লুৎফর রহমান বলেন, আমাকে শার্শা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মহোদয় ফোন দিয়ে বলেন টেংরালী গ্রামে একটি উচ্ছেদ অভিযান আছে, সাথে থাকার নির্দেশ দেন। আমি আমার উর্দ্ধতন কর্মকর্তাকে জানিয়ে যথাসময়ে ঘটনা স্থলে উপস্থিত হই। পরে সেখানে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মহোদয়ের ৩জন প্রতিনিধি সার্ভেয়ার শহিদুল ইসলাম, পিয়ন অসীম কুমার, তপন কুমার এবং স্থানীয় গ্রাম পুলিশের উপস্থিতিতে অবৈধ বসতবাড়ি উচ্ছেদ করে।
এ ব্যাপারে শার্শা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল ওয়াদুদ এর নিকট বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাড়িঘর ভাংচুর করার বিষয়ে আমি কিছু জানিনা। এলাকায় যাহাতে আইন শৃংখলার অবনতি না হয় সেজন্য গোড়পাড়া পুলিশ ফাঁড়িকে নির্দেশ দেই।