Thursday 21st of June 2018 06:59:06 AM

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩১মে,রেজওয়ান করিম সাব্বির,জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধি: ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উদ্বোধনের মাধ্যমে ৫৭তম দেশ হিসোবে বাংলাদেশ উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে ১ধাপ অতিক্রম করেছে। আওয়ামীলীগ সরকার উন্নয়ন বিশ্বাসী তাই একেরপর এক উন্নয়ন বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। আপনারা তথ্য প্রযুক্তির যুগে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর সুবিধা ভোগ করতে পারবেন। আমরা অচিরেই মহাকাশে বঙ্গবন্ধু-২ স্যাটেলাইট উক্ষেপনের প্রস্তুতি গ্রহন করেছি। এছাড়া সরকার শিক্ষা ক্ষেত্র সহ ক্ষুদ্র জাতিস্বত্ব ও নৃ-গোষ্টির জীবন মান উন্নয়নে নিরলস ভাববে কাজ করে যাচ্ছে। এসরকার ক্ষমতায় আসার পর হতে দেশকে উন্নয়নের দিকে অগ্রসর করে যাচ্ছে।

ইতোমধ্যে সরকার দেশকে নিম্ন আয়ের দেশ হতে মধ্যে আয়ের দেশে স্বীকৃতি লাভ করছে। এধারা অব্যাহত রাখতে আগামী নির্বাচনে নৌকা মার্কার প্রতিকে ভোট দিয়ে শেখ হাসিনার সরকারকে পুনরায় নির্বাচিত করার আহবান জানান। গতকাল ৩১মে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টায় জৈন্তাপুর উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের যৌথ আয়োজনে অনুষ্টিত উপজেলা পরিষদ মিলানায়তনে প্রায় ১কোটি টাকার সহায়তা অনুদান প্রদান কালে প্রধান অতিথির বক্তব্য ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রনালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সিলেট-৪ আসনের সংসদ সদস্য ইমরান আহমদ এসব কথা বলেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌরীর করিমের সভাপতিত্বে ও সমাজ সেবা অফিসার এ.কে. আজাদ ভূইয়ার পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ জয়নাল আবেদীন, জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি কামাল আহমদ, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান বশির উদ্দিন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শ্রী জয়মতি রানী, উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভূমি) মুনতাসির হাসান পলাশ, অফিসার ইনচার্জ খান মোঃ মাঈনুল জাকির, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার সিরাজুল হক, ইউপি চেয়ারম্যান মঞ্জুর এলাহী সম্রাট, এখলাছুর রহমান, বাহারুল আলম বাহার, মোঃ আমিনুর রশিদ, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক আনোয়ার হোসেন, নৃ-তাত্ত্বিক জন গোষ্টির হেড ম্যান বিরু খাসিয়া।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- নিজপাট ইউনিয়র আওয়ামীলীগের সভাপতি আতাউর রহমান বাবুল, সাবেক উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ডেপুটি কমান্ডার হাজী আনোয়ার হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হান্নান, শ্রমিকলীগের সভাপতি ফারুক আহমদ, যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক কুতুব উদ্দিন, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের প্রদানগন, প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ, উপজেলা আওয়ামী ও তার সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ।

চা-বাগান শ্রমিকদের জীবন মান উন্নয়নের জন্য ৪২২ জনকে অনুদানের চেক, ক্ষুদ্র জাতিস্বত্বা ও নৃ-গোষ্ঠির ৩০জনের মধ্যে অনুদান প্রদান, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচীর আওতায় বয়স্ক ভাতা, বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্ত ভাতা, অসচ্ছল প্রতিবন্ধি ভাতা, প্রতিবন্ধী ছাত্র উপবৃত্তি, দলিত হরিজন ও বেদে পরিবারের জীবন মান উন্নয়ন এবং তাদের ছাত্রদের উপবৃত্তি মোট ৫৩৬জনকে অনুদান প্রদান করা হয়।

এছাড়া উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার মাধ্যমে পবিত্র রমজান ও ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বিশেষ বিজিএফ’র চাল ১০কেজি করে ১১হাজার ৪শত ৯৮জন উপকার ভোগীদের মধ্যে চাল বিতরন করা হয় এছাড়া বিজিএফ কর্মসূচীর আওতায় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার মাধ্যমে ৩০কেজি চাল ও নগদ ৫শত টাকা তুলেদেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি বৃন্দরা। সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে “অমিয় ভাষণ-স্বাধীনতা” নামক বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতির মোড়ক উন্মোচন করেন।

অপরদিকে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা পরিষদের পক্ষ হতে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১, সফল উক্ষেপনে বিশেষ অবদান রাখায় সংসদ সদস্য ইমরান আহমদ কে ক্রেষ্ট ও ফুল দিয়ে বরণ করেন নেন প্রশাসনের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিরা।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩১মে,হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ  জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের লোকজন জোরপূর্বক লাঠিসোঁটা দিয়ে ১৮ শতাংশ জমির রোপণকৃত ধানের চারা বিনষ্ট করে ফেলেছে। ৩০ মে বুধবার বেলা ১১ টায় উপজেলার রাণীগাও ইউনিয়নের পাঁচেরগাও গ্রামে এঘটনাটি ঘটেছে। প্রতিপক্ষের লোকজনের হামলায় মা ও মেয়ে আহত হয়েছেন।

ওই গ্রামের আঃ নুরের পুত্র লাল মিয়ার সাথে একই গ্রামের আঃ মজিদের পুত্র রিপন মিয়া ও আঃ শহীদের পুত্র শিপন মিয়ার দির্ঘদিন যাবত জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। বিরোধপূর্ণ জমিতে রিপন মিয়া ও শিপন মিয়া সহ একদল লোকজন নিয়ে জোরপূর্বক লাঠিসোঁটা দিয়ে জমির রোপণকৃত ধানের চারা বিনষ্ট করে ফেলেছেন। চুনারুঘাট থানা পুলিশ কে খবর দেওয়া হলে থানা এসআই কাশী শর্মা ঘটনার স্হলে পৌঁছে পরিস্থিতি শান্ত করেছেন।কেন থানা পুলিশ কে খবর দেওয়া হয়েছে।

এনিয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে রিপন মিয়া ও শিপন মিয়াসহ একদল লোকজন লাল মিয়ার বাড়িতে গিয়ে হামলা চালায়। এসময় লাল মিয়ার স্ত্রী মায়া খাতুন (৫০) ও তার কন্যা নাছিমা আক্তার (২৫) আহত হন। আহতদের কে চুনারুঘাট সরকারী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে ক্ষতিগ্রস্ত লাল মিয়া জানান, রিপন মিয়া ও শিপন মিয়ার বিরুদ্ধে চুনারুঘাট থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩১মে,আলী হোসেন রাজন মৌলভীবাজারঃ কুলাউড়া উপজেলার হাজিপুর ইউনিয়নের পাবই গ্রামে ডাকাতির প্রস্তুতি কালে পুলিশ ডাকাত বন্দুক যুদ্ধে এক ডাকাত সর্দার নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশের এক এস আই আহত হয়েছেন।

পুলিশ জানায়, একদল ডাকাত পাবই গ্রামে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে এমন খবরের ভিত্তিতে পুলিশ রাত সোয়া ২টার দিকে সেখানে উপস্থিত হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে একটি বাঁশঝাড়ের আড়াল থেকে পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছুড়ে ডাকাত দল।

এ সময় পুলিশও পাল্টা গুলি ছুড়লে ইসলাম আলী নামক এক ডাকাত সর্দার নিহত ও পুলিশের এস আই ইয়াছিন আহত হন।
কুলাউড়া থানার ওসি শামিম মুছা জানান নিহত ডাকাত সর্দারের বাড়ি পাশর্^বর্তী কমলগঞ্জ উপজেলায় কুমরাকাপন এলাকায়।

ঘটনাস্থল থেকে একটি এলজিগান, ৬টি রাম দা ও ৮ টি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। ডাকাত ইসলাম আলীর বিরুদ্ধে জেলার বিভিন্ন থানায় ডাকাতির ১৪টি মামলা রয়েছে।লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩১মেঃ চারকোণা বিশিষ্ট একটি মহিমাম্মিত স্থাপনা। কাছ থেকে দেখলে কখনও মনে হয় খুব ছোট। কখনও আবার মনে হয় অনেক বড়। এর চারপাশে রয়েছে মসজিদুল হারাম। দশ লক্ষেরও বেশি মুসুল্লি যেখানে একসাথে নামায আদায় করতে পারেন। মসজিদুল হারাম অতিক্রম করে কা’বার দিকে অগ্রসর হতেই চোখে পড়ে কা’বা! মনে হয় পুরো চত্বর জুড়ে এ ঘরের অবস্থান। প্রশান্ত, প্রশস্ত, শান্তিময় কা’বা। এজন্য কা’বা দৃষ্টিগোচর হতেই পড়তে হয় “আল্লাহুম্মা আন্তাস সালাম, ওয়া মিনকাস সালাম, ওয়া ইলাইকা ইয়ারজিউস সালাম।” (হে আল্লাহ্‌, আপনিই শান্তিময়, আপনিই শান্তির উৎস আর আপনার দিকেই শান্তি ফিরে আসে।)
অথচ আমরা জানি, এর চারপাশে যথেষ্ট জায়গা খালি রয়েছে তাওয়াফের জন্য। এরপর রয়েছে মকামে ইব্রাহীম। এরপর রয়েছে চারপাশ থেকে নামাযের স্থান। এরপর রয়েছে জমজম কুপের মুখ। বর্তমান এর চারপাশে তাওয়াফের জন্য তৈরি করা হয়েছে গোলাকৃতির চত্বর। যা মূল তাওয়াফের স্থানের পর। এক তলা, দু’তলা এবং তিনতলা পর্যন্ত উঁচু। প্রতি তলাতেই যে যার মতো তাওয়াফ করছেন। জামাআতে নামাযের সময় বাদে এক মুহূর্তের জন্যেও থামে না এই তাওয়াফ। আল্লাহু আকবার!
আল্লাহ্‌র ঘর কা’বার কী শান! কী তাঁর মহিমা! কী তাঁর রূপ ও সৌন্দর্য! কী তাঁর ব্যক্তিত্ব! কালো জামার উপরে সোনার অক্ষরে রেখা ও লেখা। যে কালেমা নিয়ে নব্য খারেজীরা কূট মন্তব্য করছে, যে কালেমা থেকে রেসালতের অংশ “মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ” (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বাদ দিতে বদ্ধপরিকর, সে কালেমা খচিত রয়েছে এর অনিন্দ্যসুন্দর গিলাফে। যাকে কিসওয়াহ বলা হয়। একবার নয়, দু’বার নয়। অসংখ্যবার। চারপাশের পুরো কিসওয়া ব্যাপী। যাতে মদিনা-মুনিব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের প্রতি হিংসা ও বিদ্বেষ পোষণকারীদের চোখ ফাঁকি দিতে না পারে।
সারা বছর কালো পোশাকে আবৃত থাকলেও, হজ্বের সময়ে হাজীগণের সম্মানে তাঁকে সাদা পোশাকে জড়ানো হয়। সে শুভ্রতারও সে কি রূপ। যে পোশাকই পরানো হোক না কেন, কা’বা তাঁর চির গাম্ভীর্যতা নিয়েই থাকে। শান্ত ও গাম্ভীর্য কা’বার বিশেষ বৈশিষ্ট্য। শুধু তাই নয়। এই গাম্ভীর্য এবং শান্ত ভাব বজায় রাখার জন্য রাব্বুল ‘আলামীন পবিত্র কুরআনে এই ঘর এবং এর আশেপাশের স্থানকে পবিত্র এবং শান্তিময় বলে আখ্যায়িত করেছেন। মানা আর না মানা শাসকদের ব্যাপার। কখনো নিজেদের প্রয়োজনে তারা কুরআনের এই নিষেধাজ্ঞা লঙ্গণ করেন। যেমন করেছিলেন ১৯৭৯ সালে কিছু বিদ্রোহীকে কব্জা করার জন্য।
যেমনটি আগেই বলেছি, কা’বার চারপাশে মসজিদুল হারাম। প্রায় দশ লক্ষ মানুষ একসাথে নামায আদায় করার মসজিদ। এই মসজিদ ভেদ করে যেদিক থেকেই কা’বার চত্বরে প্রবেশ করুন না কেন, সেই একই ভাবগম্ভীর পরিবেশ লক্ষ্য করবেন। আরো লক্ষ্য করবেন এর অপার সৌন্দর্য। আমরা বাংলাদেশের মানুষ খুবই ভাগ্যবান বলতে হবে, কেননা, কা’বার মূল আকর্ষণ এর দরোজা এবং হাজরে আসওয়াদ বা কালো পাথর। এই পয়েন্টকে কেন্দ্র করেই নামাযে দাঁড়ানোর জন্য লাইন আঁকা হয়েছে। কেন্দ্রবিন্দু হলো কালো পাথর ও দরোজা। এ দুটোই বাংলাদেশের দিকে মুখ করা। মানে আমরা যখন বাংলাদেশ থেকে নামাযে দাঁড়াই, কা’বার কালো পাথর এবং দরোজার দিকে মুখ করেই দাঁড়াই। তাওয়াফও শুরু করতে হয় এই কোণা থেকে। এরপর রয়েছে কা’বার হাতীম। যা এক সময় কা’বার অংশ ছিল।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বয়স যখন ৩৫, বন্যায় তখন কা’বার বেশ ক্ষতি হয়েছিল। কুরাইশরা কা’বা মেরামত করলেন। কিন্তু অর্থাভাবে হাতীমের অংশ বাদ দিলেন। যাকে হাজরে ইসমাইলও বলা হয়। উত্তর পাশের সেমি সার্কুলার বা অর্ধ চন্দ্রাকৃতির পাথর ঘেরা যে স্থান রয়েছে, সেটিই হাতীমে কা’বা। অনেকের মতে, কা’বা ঘেঁষে এখানেই হযরত ইব্রাহীম আলাইহিস সালাম স্ত্রী হাজেরা এবং পুত্র ইসমাইল আলাইহিমাস সালামের থাকার জন্য ঘর তৈরি করেছিলেন। কেউ কেউ মনে করেন এখানেই মা হাজেরা এবং নবী ইসমাইল আলাইহিমাস সালাম চিরশায়িত আছেন।
এ স্থান কা’বার অংশ হওয়ায় তাওয়াফ কারীগণ হাতীম সহ তাওয়াফ করেন। মি’রাজের রাতে এখানেই নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শায়িত ছিলেন বলে প্রমাণ পাওয়া যায়। উল্লেখ্য, জানাজা নামাযের জন্য লাশগুলোও এখানেই রাখা হয়। সময় সুযোগ হলে এখানে দু’রাকআত নামায পড়ে নেবেন।
কা’বার চারপাশ সমান নয়। একদিকে একটু লম্বা। কা’বার দরোজা, হাতীম শুরু হবার কোণা, হাতীম আর পরবর্তী কোণা যাকে রোকনে ইয়ামেনী বলা হয়, অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ স্থান। এসব স্থানে দোয়া করলে দোয়া ফেরত দেয়া হয় না। কা’বার দরোজা থেকে সামান্য পূর্ব দিকে এলেই মাকামে ইব্রাহীম। যেখানে রক্ষিত আছে হযরত ইব্রাহীম আলাইহিস সালামের পায়ের ছাপ। যে পাথরে ভর করে তিনি পবিত্র কা’বায় গাঁথুনি দিতেন। আল্লাহ্‌ পাক তাঁর এই শ্রমকে পৃথিবীবাসীর কাছে কিয়ামত পর্যন্ত স্মরণীয় করে রাখার জন্য পবিত্র কুরআনে এই স্থানের জিয়ারত এবং এখানে নামাযের কথা জোর দিয়ে উল্লেখ করেন।
আল্লাহ্‌ পাক আমাদেরকে এসব পুণ্যস্থান বারবার জিয়ারত করার তৌফিক দান করুন। এর উছীলায় আমাদের ঈমান, আক্বীদা ও আমলকে মজবুত করুন। আর আমাদের সবাইকে ক্ষমা করে দিন। আমীন ইয়া রাব্বাল আলামীন। লেখকঃইসলামী গবেষক।

“রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সম্মানে ইফতার মাহফিলে সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদ বলেন-দুর্নীতি আর সন্ত্রাসের জোয়ারে ভাসছে দেশ”

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০মেঃ ৩০ মে ২০১৮ বুধবার বিকালে রাজধানী ঢাকায় কাকরাইলস্থ হোটেল রাজমনী ঈসাখাঁয় বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের উদ্যোগে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সম্মানে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জাতীয় পার্টি ও সম্মিলিত জাতীয় জোটের চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেন, আমরা আজ ভালো নেই, দুর্নীতি আর সন্ত্রাসের জোয়ারে ভাসছে দেশ। এখন মাদক নিয়ন্ত্রণের নামে যেভাবে বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড  চলছে তা কোনভাবেই মেনে নেয়া যায় না।

মাদক ব্যবসায়ীদের আইনের আওতায় এনে বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়ে এরশাদ বলেন, সংসদের মাদকের গডফাদার রয়েছে, এদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে। তিনি দেশের ইসলামী দলগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে জাতীয় পার্টির নেতৃত্বধীন সম্মিলিত জাতীয় জোটে অংশগ্রহণের আহবান জানিয়ে বলেন, আগামী নির্বাচনে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচন করে সরকার গঠন করব। সাবেক প্রেসিডেন্ট এরশাদ সমকালীন বিশ্বে মুসলিম নির্যাতনের প্রসঙ্গ তুলে এনে বলেন, মুসলমানদের অনৈক্যেও কারণে আজ মুসলমানদের এ দশা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইহুদীদের স্বার্থ সংরক্ষণে ইসরাইলের সাথে যোগ সাজশে ফিলিস্তিনিদের উপর নির্যাতন চালাচ্ছে। এ অবস্থার পরিবর্তন করতে হলে মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।

বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের চেয়ারম্যান মাওলানা এম এ মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিলে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের মহাসচিব মাওলানা এম এ মতিন। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়ম সদস্য জিয়াউদ্দিন আহমদ বাবলু এমপি। ইসলামী ফ্রন্টের প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা আবু সুফিয়ান আলকাদেরী।

বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সি.যুগ্মসচিব স.উ.ম. আবদুস সামাদের স ালনায় অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিলে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য আবুল হোসাইন বাবলা এমপি, সুনিল শুভ রায়, বাংলাদেশ বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের প্রেসিডিয়াম সদস্য পীরে ত্বরীকত মাওলানা হারুনুর রশীদ. পীরে ত্বরীকত মাওলানা ফকির সৈয়দ মুসলিম উদ্দিন আহমদ,যুগ্ম মহাসচিব অধ্যাপক আবদুল মোমেন, অধ্যক্ষ আবু জাফর মো. মঈনুদ্দিন, অধ্যক্ষ মাওলানা আবু জাফর মো. হেলাল উদ্দিন, যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ মুজাফফর আহমদ।

আরও উপস্থিত ছিলেন,জসিম উদ্দিন সিদ্দিকী আশরাফী, এড ইসলাম উদ্দিন দুলাল, অর্থ সচিব আবদুল মতিন, ইঁিঞ্জনিয়ার মোহাম্মদ এডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আবু তালেব বেলাল, ইঞ্জিনিয়ার আমান উল্লাহ, মাওলানা রেজাউল করিম তালুকদার, ইঁিঞ্জনিয়ার নুর হোসাইন, আবদুর রহিম, এড. মোখতার, আবদুল হাকিম, যুবনেতা ফিরোজ আলম, সৈয়দ আবু আজম ও ছাত্রনেতা এইচ এম শহিদুল্লাহ, সৈয়দ মুহাম্মদ খোবাইব প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে ইসলামী ফ্রন্ট চেয়ারম্যান এম এ মান্নান বলেন, “দেশের মানুষ পরিবর্তন চাই, পরিবর্তনের সম্মিলিত জাতীয় জোট। সাবেক সফল রাষ্ট্রনায়ক এরশাদের নেতৃত্বে জাতীয় জোট দেশের সাধারণ মানুষের অধিকার আদায় করবে।”

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০মে,ডেস্ক নিউজঃ আগামী পাঁচ বছর জাতীয় সরকার গঠনের দাবি জানিয়েছেন বিকল্পধারা বাংলাদেশের সভাপতি ও সাবেক রাষ্ট্রপতি ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরীর। তার সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বি. চৌধুরীকে ‘বদু কাকা’ সম্বোধন করে বলেন, ‘জিয়াউর রহমান ক্ষমতা দখলের পর বদু কাকাকে সাথে নিয়ে ভোটের নামে প্রহসন করেছিলেন।’

প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে বুধবার বিকেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিক হাবিবুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তিনি (বি. চৌধুরী) কি জিয়ার আমলে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ও ৭৯ সালের নির্বাচনের কথা ভুলে গেছেন? অবশ্য তাকেও বেশি দিন রাখেননি খালেদা জিয়া। বিদায় নিতে হয়েছে তাকে। এখন সব ভুলে গিয়ে তিনি খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করছেন। আসলে একটা কথা আছে না, ‘ওরে মেরেছে কলসির কানা, তাই বলে কি প্রেম দিব না।’

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানে বিকল্পধারা বাংলাদেশ আয়োজিত ইফতার মাহফিলে বি. চৌধুরী বলেন, ‘আগামী পাঁচ বছরের জন্য একটি জাতীয় সরকার গঠন করতে হবে। ওই সরকার জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।’

শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘ভালো কথা, খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করছেন বি. চৌধুরী। কিন্তু তিনি কার কাছে মুক্তি চান? আমার কাছে মুক্তি চেয়ে কি লাভ? আমি কি তাকে কারাগারে পাঠিয়েছি? এতিমের টাকা মেরে খাওয়ায় মামলা হয়েছে। আমি তো মামলা দেইনি। মামলা দিয়েছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার। আদালত তাকে সাজা দিয়েছেন, সেখানে যান। আমার কাছে মুক্তি চেয়ে লাভ নেই।’

১৯৮১ সালের নির্বাচনের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তখন আমি দেশেই ছিলাম। সেই নির্বাচনটা কেমন হয়েছিল? মাগুরার উপ-নির্বাচন কেমন হয়েছিল? ১৫ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কেমন হয়েছিল? বদু কাকা তখন কোথায় ছিলেন? রেললাইনের তল দিয়ে দৌঁড়াতে (রাষ্ট্রপতি পদ থেকে ইমিপিচমেন্টের পর এক অনুষ্ঠানে) হয়েছিল। তারা (বিএনপি) তাকে ছাড়েনি।’

তিনি আরও বলেন দেশে চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে কে গডফাদার, কে ডান-তা বিচার করা হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সম্প্রতি ভারত সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আজ বুধবার গণভবনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা কাকে কাকে গডফাদার বলছেন, আমি জানি না। কিন্তু আমি এটুকু বলতে পারি, কে গডফাদার, কে ডন, কে-কী, সেটা কিন্তু আমরা বিচার করছি না। যারাই এর সঙ্গে জড়িত, যাদের বিরুদ্ধে এতটুকু খবর পাওয়া যাচ্ছে, এটা কিন্তু দীর্ঘ দিন গোয়েন্দা সংস্থা কিন্তু কাজ করেছে যে কারা এর সঙ্গে জড়িত।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা কিন্তু অপারেশনে হঠাৎ করে যায়নি। হয়তো আপনাদের মনে হতে পারে যে হঠাৎ করে শুরু হয়েছে। ঘটনা কিন্তু তা নয়। দীর্ঘ দিন থেকে নজরদারীতে রাখা হয়েছে, কারা আনে, কোন কোন স্পট থেকে ঢুকছে, কোথা থেকে তৈরি হচ্ছে, কী হচ্ছে।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘কয়েক হাজার মাদক পাচারকারী, মাদকসেবনকারী ও মাদক সরবরাহকারী কিন্তু গ্রেপ্তার হয়েছে। ১০ হাজারের উপরে কিন্তু গেপ্তার হয়েছে। কিন্তু অবাক হয়, আপনারা কিন্তু কোনো পত্রিকায় কতো গ্রেপ্তার হলো-সেটা কখনো উল্লেখ করেননি’।

মাদকবিরোধী অভিযানে বন্দুকযুদ্ধ নিয়ে সরকার প্রধান বলেন, ‘বন্দুকের ব্যবহার যেটা বলছেন, মাদক যারা পাচার করে বা ব্যবহার করে, স্বাভাবিকভাবে যেকোনো ঘটনা যদি ঘটে, সেখানে যদি ওই ধরনের ঘটনা ঘটে থাকে, সেটা আপনারা বলবেন, আইনগত দিক থেকে এটা ঠিক না। কিন্তু যখন পুলিশ একটা অভিযানে যায় বা র্যা ব যখন অভিযানে যায়, যখন তাদের কোনো একটা আনাকাঙ্ক্ষিত অবস্থার সম্মুখিন হতে হয়, আর সেই ঘটনায় যদি কোনো কিছু ঘটে থাকে, যদি কেউ অন্যায়ভাবে কোনো কিছু করে থাকে-তাদের বিচার হবে।’

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০মে,আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর আত্রাইয়ে মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে মুরাদ চৌধুরী (৩৪) এক মাদক বিক্রেতাকে আটক করেছে থানা পুলশি। এসময় মুরাদ চৌধুরীর কাছ থেকে ৯পিচ ইয়াবা উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার দুপুরে উপজলোর মহাদিঘী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত মুরাদ চৌধুরী উপজলোর মহাদিঘী গ্রামের ফিরোজ চৌধুরীর ছেলে।

এ ব্যাপারে আত্রাই থানার অফিসার ইনচার্জ মোবারক হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে তাদের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এবং তাদেরকে বুধবার নওগাঁ জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০মে,নড়াইল প্রতিনিধিঃ স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে বির্তকিত বক্তব্য দেয়ার অভিযোগে নড়াইলের আদালতে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নামে দায়েরকৃত মানহানি মামলায় জামিন শুনানির দিন আগামি ৫ জুন নির্ধারণ করেছেন আদালত।

বুধবার (৩০ মে) বেলা সাড়ে ১১টার বেগম খালেদা জিয়ার পক্ষে অ্যাডঃ মাসুদ আহমেদ তালুকদার জামিনের আবেদন করলে জেলা ও দায়রা জজ শেখ আব্দুল আহাদ এ আদেশ দেন।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৫ সালের ২৪ ডিসেম্বর নড়াইল জেলার নড়াগাতি থানার চাপাইল গ্রামের রায়হান ফারুকী ইমাম বাদী হয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নামে নড়াইল সদর আদালতে মানহানি মামলা দায়ের করেন।

২০১৬ সালের ২৩ আগস্ট খালেদা জিয়াকে স্বশরীরে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন আদালত। নির্ধারিত সময়ে খালেদা জিয়া আদালতে হাজিরা না হওয়ায় বিএনপি চেয়ারপারসনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। এর আগে ওই বছরের ২৫ জুলাই বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে সমন জারি করেন একই আদালত।

মামলার বিবরণে আরো জানা যায়, ২০১৫ সালের ২১ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ঢাকায় মুক্তিযোদ্ধাদের সমাবেশে বেগম খালেদা জিয়া তার বক্তব্যে স্বাধীনতা যুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদের সংখ্যা নিয়ে বির্তক আছে বলে মন্তব্য করেন। এছাড়া একই সমাবেশে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নাম উল্লেখ না করে তাকে (বঙ্গবন্ধু) ইঙ্গিত করে খালেদা জিয়া বলেন, তিনি স্বাধীনতা চাননি। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন, স্বাধীন বাংলাদেশ চাননি। তার এই বক্তব্য বিভিন্ন সংবাদপত্র ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ায় প্রচার হয়।

মামলার বাদী নড়াইলের চাপাইল গ্রামের রায়হান ফারুকী ইমাম নড়াইল জেলা আইনজীবী সমিতি ভবনে বসে এ খবরটি পড়ে মারাত্মক ভাবে ক্ষুদ্ধ হন। পরে রায়হান ফারুকী বাদী হয়ে ২০১৫ সালের ২৪ ডিসেম্বর দুপুরে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নড়াইল সদর আমলী আদালতে মামলা দায়ের করেন।
এদিকে, মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা নিয়ে বিতর্কিত বক্তব্যের অভিযোগে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার নামে নড়াইলের আদালতে ২০১৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর দুপুরে আরো একটি মানহানি মামলা দায়ের করা হয়।

এছাড়া মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বুদ্ধিজীবী সম্পর্কে বিতর্কিত বক্তব্যের অভিযোগে একইদিন (২৯ ডিসেম্বর) বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের নামেও মানহানি মামলা দায়ের হয়। মামলা দু’টি দায়ের করেন শহীদ শেখ জামাল জাতীয় স্মৃতি পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক কালিয়ার শেখ আশিক বিল্লাহ।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০মে,ডেস্ক নিউজঃ    দেশে এক্সট্রা জুডিশিয়াল কিলিং (বিচারবহির্ভূত হত্যা) হচ্ছে না বলে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘মাদকবিরোধী অভিযানে গিয়ে আত্মরক্ষার্থে পুলিশ গুলি করতে বাধ্য হচ্ছে।’

বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা স্টিফেন্স ব্লুম বার্নিকাটের সঙ্গে বৈঠক শেষে এসব কথা বলেন তিনি।

বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত প্রায় দুই ঘণ্টা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও মার্কিন রাষ্ট্রদূত বৈঠক করেন।

এর পর মন্ত্রীর দফতর থেকে বেরিয়ে অপেক্ষমাণ সাংবাদিকদের কাছে চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহতের ঘটনায় উদ্বেগ জানান মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

তিনি বলেন, ‘সরকারের চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে যারা মারা যাচ্ছে, তাদের প্রত্যেকের আইনের সুযোগ পাওয়ার অধিকার আছে। বিনাবিচারে একজন মানুষ মারার অর্থ হচ্ছে ওই পরিবারটি নিঃস্ব হয়ে যাওয়া।’

মার্কিন রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ‘মাদকদ্রব্যের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স আমরাও চাই। তবে অভিযুক্ত প্রত্যেককে আইনের আওতায় আনা উচিত বলে আমরা মনে করি।’

মাদকের জন্য অভিযুক্ত মূল অপরাধী এবং এর উৎস বন্ধ করার গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, ‘মাদকের উৎস বন্ধ না করে এ অভিযান পরিচালনা করলে তা সফল হবে কিনা তা নিয়ে আমরা সন্দিহান।’

রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের সরকারও (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সরকার) বাংলাদেশ সরকারের মতো জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করে। আমাদের দেশের রাজনীতিবিদরাও এ কথাগুলো বলে আসছেন। মাদকমুক্ত সমাজ গড়া সবার অঙ্গীকার। কিন্তু সেটা হতে হবে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে।’

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০মে,ডেস্ক নিউজঃ    নব্বইয়ের দশকের আলোচিত শীর্ষ সন্ত্রাসী যাবজ্জীবন সাজার আসামি তোফায়েল আহমেদ জোসেফ রাষ্ট্রপতির ক্ষমায় মুক্তি পেয়েছেন। কেরানীগঞ্জের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার মো. জাহাঙ্গীর কবির সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘রোববার আদেশ পাওয়ার পর ওইদিনই আমরা উনাকে ছেড়ে দিয়েছি।’

আজ সচিবালয়ের নিজ দফতরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালও এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী জোসেফের করা সাজার মার্সি পিটিশন অনুমোদন দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ। তিনি অসুস্থ ছিলেন, তার চিকিৎসার জন্য সাজা মওকুফ করা হয়েছে।’

শীর্ষ সন্ত্রাসী জোসেফ দেশ ছাড়া হয়েছেন এ বিষয়ে আপনি জানেন কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘দেখুন, জোসেফের যে প্রসঙ্গটা, তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছিল, তিনি অলরেডি ২০ বছর কারাভোগ করেছেন। তিনি ২০ বছর কারাভোগের পর ডিউ প্রোসেসে আবেদন করেছেন। সেই আবেদনটি মহামান্য রাষ্ট্রপতি পর্যন্ত যায়।’

জোসেফ ইন্ডিয়াতে চলে গেছেন কিনা সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘ইন্ডিয়াতে চলে গেছেন আপনি দেখেছেন নাকি?’ তিনি ভয়ানক অসুস্থ, বাকি এক বছর তিন মাস সাজা মাফের জন্য মার্সি পিটিশন করেছিলেন। সেই মার্সি পিটিশন খুব সম্ভব মহামান্য রাষ্ট্রপতি অনুমোদন করেছেন।’

তিনি বলেন, ‘জোসেফের কিছু অর্থদণ্ড ছিল সেগুলো আদায় সাপেক্ষে তাকে বিদেশে গিয়ে চিকিৎসা করার পারমিশন দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি। আমি এটুকুই জানি। এর চেয়ে বেশি জানি না।’

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০মে,কমলগঞ্জ প্রতিনিধিঃ  মঙ্গলবার (২৯ মে) রাত পৌণে ১১টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কমলগঞ্জ পুলিশ ১৪ পিস ইয়াবাসহ হোসেন আলী (৩৯) নামক এক ইয়াবা ব্যবসায়ীকে আটক করে।

কমলগঞ্জ থানার এসআই চম্পক ধাম, এএসআই উত্তম কৈরী ও এএসআই আব্দুল হামিদের নেতৃত্বে পুলিশের অভিযানে রানীর বাজার এলাকায় ইয়াবা নিয়ে ক্রেতার অপেক্ষায় থাকা অবস্থায় ইয়াবা ব্যবসায়ী হোসেন আলীকে আটক করা হয়।

সে আলীনগর ইউনিয়নের ফুলতলী গ্রামের মৃত আব্দুস সামাদের ছেলে। ইয়াবাসহ ব্যবসায়ী হোসেন আলীকে আটকের সত্যতা নিশ্চিত করে এসআই চম্পক ধাম বলেন সে দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত।

কমলগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক(তদন্ত) মো: নজরুর ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা হলে সে মামলায় আটককৃত ব্যক্তিকে গ্রেফতার দেখিয়ে বুধবার মৌলভীবাজার আদালতে প্রেরণ করা হয়।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০মে,কমলগঞ্জ প্রতিনিধি:    কমলগঞ্জ উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী শব্দকর সম্প্রদায়ভূক্ত এক মেধাবী শিক্ষার্থী রন শব্দকরকে উচ্চ শিক্ষার্থে শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করেছে আব্দুন নূর- নুরজাহান কল্যান ট্রাস্ট,ইউকে।বুধবার দুপুর ১টায় উপজেলা মহিলা অধিদপ্তরের কার্য্যালয়ে ট্রাস্ট প্রদত্ত শিক্ষাবৃত্তি বাবদ নগদ ৩ হাজার টাকা ও কলেজ ড্রেস রন শব্দকরের হাতে তুলে দেন কমলগঞ্জ পৌর মেয়র ও উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক জুয়েল আহমেদ।

এ সময় উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মধুছন্দা দাস,সাংবাদিক শাব্বির এলাহী,পতনউষার ইউপি সদস্য ও ট্রাস্টি মইনুল ইসলাম, মিজানুর রহমান মিস্টার প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, রন শব্দকর এবারের এস,এস,সি,পরীক্ষায় আদমপুর এম,এ,ওহাব উচ্চবিদ্যালয় থেকে ঈর্ষণীয় রেজাল্ট করেও শুধুমাত্র অর্থের অভাবে কলেজে ভর্তি হতে পারবে কিনা তা নিয়ে সংশয়দেথা দিয়েছিলো।

বিভিন্ন মাধ্যমে এই খবর জানতে পেরে আব্দুন নূর নুরজাহান কল্যান ট্রাস্টদরিদ্র মেধাবী শিক্ষার্থী রন শব্দকরের উচ্চ শিক্ষার্থে শিক্ষা বৃত্তি হিসাবে এ টাকা প্রদান করেন।

 

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০মে,নড়াইল প্রতিনিধি: নড়াইল সদরের মালিবাগে পুলিশের সাথে কথিত বন্দুকযুদ্ধে সজীব শেখ (৩২) নামে এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। বুধবার (৩০ মে) রাত ২টার দিকে নড়াইল শহর সংলগ্ন মালিবাগ মোড়ের বালুর স্তুপে এ ঘটনা ঘটে। নিহত সজিব সদর উপজেলার আউড়িয়া ইউনিয়নের দত্তপাড়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য আলতাফ শেখের ছেলে।
নড়াইল সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আনোয়ার হোসেন জানান, নড়াইল শহর সংলগ্ন মালিবাগ মোড়ের বালুর স্তুপের পাশে মাদক ব্যবসায়ীরা অবস্থান করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে রাত ২ টার দিকে অভিযান চালানো হয়। অভিযানকালে মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে পুলিশের গুলি বিনিময় হয়। এক পর্যায়ে গুলিবিদ্ধ একজনকে নড়াইল সদর হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে তার পরিচয় জানা যায়নি ।
এ ঘটনায় পুলিশের দুজন এসআই সহ পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে। আহতদেরকে নড়াইল সদর হাপসাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
ঘটনাস্থল থেকে একটি রিভলবার, দুই রাউন্ড গুলি, ২১৩ পিচ ইয়াবা, ৩টি রামদা উদ্ধার করা হয়।
এদিকে, বন্দুকযুদ্ধের খবর পেয়ে ভোর রাতে নড়াইল সদর হাসপাতালে এসে ছেলের মৃতদেহ সনাক্ত করেন সদর উপজেলার দত্তপাড়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য মোঃ আলতাফ শেখ। এসময় তিনিসহ স্বজনরা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।
নিহতের পিতা অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য আলতাফ হোসেন দাবি করেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তার ছেলেকে দত্তপাড়া যাত্রী ছাউনি থেকে ডিবি পুলিশ ধরে নিয়ে যায়। এর পর থেকে তিনি ডিবি পুলিশ ও সদর থানায় যোগাযোগ করলেও আটকের বিষয়টি অস্বীকার করে পুলিশ। তার ছেলের নামে দুটি মাদকের মামলা রয়েছে বলে তিনি জানান।
লাশের ময়নাতদন্তের জন্য নড়াইল সদর হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। সারাদেশব্যাপী চলমান মাদক বিরোধী অভিযানে নড়াইল জেলায় এই প্রথম বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটলো।

“বাংলাদেশ ওয়ানডে ক্রিকেট দলের অধিনায়ক মাশরাফি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহন করতে পারেন বলে পরিকল্পনা মন্ত্রীর এ ঘোষণার পর বিষয়টি নড়াইলে সাধারণের মুখে মুখে”

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০মে,নড়াইল প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ ওয়ানডে ক্রিকেট দলের অধিনায়ক ও নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মাশরাফি বিন মুর্তজা নড়াইল থেকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহন করতে পারেন বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা মন্ত্রী  আ.ফ.ম মোস্তফা কামাল । মঙ্গলবার (২৯মে) ঢাকায় একনেক পরবর্তী এক সভায় পরিকল্পনা মন্ত্রী  আ.ফ.ম মোস্তফা কামাল এ কথা বলেছেন।

তিনি বলেছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাশরাফি  ও সাবিক অংশগ্রহন করতে পারেন। সে একজন ভালো ছেলে। তার জন্য ভোটও প্রার্থনা করেছেন । তবে কোন আসন থেকে তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহন করতে পারেন তা তিনি বলেন নি।

এ খবর কয়েকটি টেলিভিশন মিডিয়ায় প্রকাশিত হবার পর নড়াইলের বিভিন্ন প্রান্তে দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়ে। দুপুরের পর থেকে এ বিষয়টি ছিল মানুষের মুখে মুখে। এ ব্যাপারে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।

নড়াইল পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও নড়াইল সম্মিলতি সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি মলয় কুন্ডু বলেন, মাশরাফি একজন সৃজনশীল ও ভালো মানুষ। সে বিভিন্ন সময় সাধারন মানুষের উপকার করে থাকে, যা অনেকেই জানে না। সে যদি মনোনয়ন পায় তাহলে আশা করি জেলার সার্বিক উন্নয়ন তরান্বিত হবে।

নড়াইল পৌর মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর বিশ্বাস বলেন, মাশরাফি নড়াইলের গর্বিত সন্তান। আওয়ামী লীগ যদি তাকে মনোনয়ন দেয় তাহলে জান প্রাণ দিয়ে কাজ করবো এবং জয় ছিনিয়ে আনবো।

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক নিজাম উদ্দিন খান নিলু বলেন, নড়াইলের দু’টি আসনের যে কোনো একটি থেকে আমি মনোনয়ন পাব বলে আশাবাদি। মাশরাফির মনোনয়নের ব্যাপারে বলেন, এটা দলীয় সিদ্ধান্ত।

এ ব্যপারে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডঃ সুবাস চন্দ্র বোস দেশের বাইরে থাকায় তার কোন প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি।

নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশনের প্রধান উপদেষ্টা মাশরাফির বাবা গোলাম মুর্তজা স্বপন বিষয়টিকে ইতিবাচক বলে বলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যদি তাকে মনোনয়ন দেন তাহলে মাশরাফির না বলার সুযোগ নেই।

নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশনের জেনারেল সেক্রেটারী তরিকুল ইসলাম অনিক বলেন, যদি মাশরাফি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন পান তাহলে ফাউন্ডেশন এটাকে সানন্দে গ্রহন করবে এবং পাশে থাকবে। কারণ তিনি এমপি হলে এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশনের উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড আরও গতিশীল ও সহায়ক হবে।

এ ব্যাপারে মাশরাফি বিন মুর্তজার সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি।

উল্লেখ্য, মাশরাফি অনেক পূর্ব থেকে বিভিন্ন ভালো কাজের সাথে যুক্ত। ছোট বেলা থেকে খেলাধুলার পাশাপাশি গরিব মানুষকে বিভিন্ন সময় দান-খয়রাত করে থাকেন। নিরহংকার এ মানুষ কখনও এসব বিষয় কাওকে  জানাতে ও বুঝতে দেন না। সব কিছু নিজের মতো করেই করেন।

গত ২০১৭ সালের ৪ সেপ্টেম্বর থেকে মাশরাফির নেতৃত্বে নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশন নামে সম্পূর্ণ সেচ্ছসেবী সংগঠন যাত্রা শুরু করে।

ইতিমধ্যে এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশন সাধারন ও দুস্থ মানুষকে আর্থিক সাহায্য, স্বাস্থ সেবা, শিক্ষা, আইসিটি, খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কার্যক্রম, পরিবেশ, পর্যটনসহ বিভিন্ন বিষয়ের সার্বিব উন্নয়নের লক্ষ নিয়ে কাজ শুরু করেছে এবং ব্যাপক প্রশংসাও কুড়াচ্ছে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০মেঃ  আহলে সুন্নাত ওয়াল জমাআত সমন্বয় কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব এডভোকেট মোছাহেব উদ্দিন বখতেয়ার বলেন, রাজনীতি হতে হবে মানবকল্যাণে। যে রাজনীতির ফলে মানুষ হত্যা করতে হয়, মানুষের ধন-সম্পদের ক্ষতি হয়, তা কখনও আদর্শিক রাজনীতি হতে পারে না। বর্তমানে মানুষের মাঝে ধর্মীয় অনুশাসন ও নৈতিক শিক্ষা না থাকায় পারস্পরিক হিংসা-বিদ্বেষ, খুন-ধর্ষণ, চাঁদাবাজি, রাহাজানি বৃদ্ধি পেয়েছে।

এ অবস্থা থেকে উত্তোরণের জন্য পবিত্র মাহে রমজানে আত্মসংযমের আদর্শিক ও নৈতিক শিক্ষা বাস্তব জীবনে কাজে লাগাতে হবে। সভাপতির বক্তব্যে মাওলানা নুরুল ইসলাম জিহাদী জবরদখলের রাজনীতির বিপরীতে অহিংস রাজনৈতিক প্লাটফর্ম বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের পতাকা তলে সাধারণ জনতাকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট, যুবসেনা, ছাত্রসেনা বৃহত্তর হাটহাজারী উপজেলার উদ্যোগে ২৮ মে সোমবার বিকেলে হাটহাজারী পৌরসভাস্থ জামেয়া অদুদিয়া সুন্নিয়া ফাযিল মাদরাসার হল রুমে প্রশিক্ষণ কর্মশালা ও ইফতার মাহফিলে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপর্যুক্ত মন্তব্য করেন। উদ্বোধনী বক্তব্যে ইসলামী ফ্রন্ট চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর সভাপতি নঈম উল ইসলাম বলেন, মাদক আমাদের সামাজিক কাঠামোকে বিনষ্ট করে দিচ্ছে। আমাদের যুবসমাজকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। মাদকসেবীরা অর্থ যোগাতে খুন, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজির মত অপরাধেও জড়িয়ে যাচ্ছে।

ভবিষ্যত প্রজন্ম ও দেশ-জাতিকে রক্ষা করতে হলে সর্বপ্রথম এ সর্বগ্রাসী মাদক নির্মূল করতে হবে। তিনি সরকারের মাদক বিরোধী অভিযানকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দল ও ব্যক্তি নিরপেক্ষভাবে মাদকের পৃষ্ঠপোষকদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করুন। সরকারি পাঁচটি সংস্থার তদন্তে যেসব গডফাদার বা পৃষ্ঠপোষকদের নাম এসেছে তাদের আইনের আওতায় আনা না গেলে মাদকের মুলোৎপাটন সম্ভব নয়। মাদকের তালিকায় থাকা বর্তমান ও সাবেক ২৫ সংসদ সদস্যসহ সাড়ে চারশ জনপ্রতিনিধি এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে।

এমনকি মাদক সিন্ডিকেটে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার অনেক সদস্য জড়িত থাকার বিষয়েও অভিযোগ রয়েছে, তাদেরকেও আইনের আওতায় আনতে হবে। হাটহাজারী উপজেলা ইসলামী ফ্রন্টের সভাপতি জননেতা অধ্যাপক সৈয়দ মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দীনের সভাপতিত্বে সহ-সাধারণ সম্পাদক জননেতা মুহাম্মদ সেকান্দর মিয়ার স ালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জমা’আত  সমন্বয় কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব এডভোকেট মোছাহেব উদ্দীন বখতিয়ার।

উদ্বোধক ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট চট্টগ্রাম মহানগর উত্তর সভাপতি জননেতা আলহাজ্ব নঈম উল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন আহলে সুন্নাত সমন্বয় কমিটি চট্টগ্রাম উত্তরের সমন্বয়ক অধ্যক্ষ আলামা সৈয়দ মুহাম্মদ খোরশিদ আলম, উপজেলা জাতীয় পার্টির হাটহাজারী উপজেলার লায়ন মুহাম্মদ মহি উদ্দীন।

এতে আরো বক্তব্য রাখেন আহলে সুন্নাত সমন্বয় কমিটি হাটহাজারী উপজেলার সভাপতি মীর হাসানুল করিম মুনিরী, যুবসেনা কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মুহাম্মদ আবু আজম, যুবসেনা চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সভাপতি মাষ্টার মোঃ ইসমাইল,  মুহাম্মদ তৌহিদুল আলম কোম্পানী, মোঃ তৌহিদুল আনোয়ার। প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লায়লা কবির ডিগ্রী কলেজের অধ্যাপক আবদুর রহিম, হাটহাজারী উপজেলা ইসলামী ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক এম. এম. ফখর উদ্দীন।

এতে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী ফ্রন্ট নেতা আবুল হাশেম সওদাগর, মুহাম্মদ শাকুর মিয়া, নুরুল ইসলাম,  আনোয়ার হোসেন, আলহাজ্ব মুহাম্মদ কামাল পাশা, ডাঃ জহুরুল হক, নুরুল আমিন হোসাইনী, মাওঃ ইসহাক আনছারী, আলহাজ্ব হারুন সওদাগর, মাওলানা নাজিমূল হক, আঞ্জুমানে খোদ্দামূল মুসলেমীন আরব আমিরাতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য জনাব মোঃ আবদুল হালিম, পৌরসভা যুবসেনার নেতা মাওঃ ছগির আহমদ, সৈয়দ নেজাম উদ্দীন, ফরিদুল আলম, নাছির উদ্দীন রুবেল, যুবসেনা মুহাম্মদ অহিদুল আলম, মামুনুর রশিদ জাবের, উত্তর জেলা ছাত্রসেনা নেতা শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রনেতা মামুনুর রশিদ, মঞ্জুর রানা, নাজিমূল হক বাবলু, বখতিয়ার উদ্দীন, আবদুল মজিদ, আবদুল মোতালেব রাজু, আবদুলাহ আল ফারুক, মোঃ সাহেদুল আলম, মহি উদ্দীন, মোঃ শফিউল আকবর, মুহাম্মদ ইসমাইল, ফুটন্ত ফুলের সভাপতি মোঃ শফিউল আলম প্রমুখ।