Wednesday 25th of April 2018 08:14:49 PM

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১০এপ্রিল,ডেস্ক নিউজঃ  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালযের উপাচার্য আখতারুজ্জামান বলেছেন, ‌‘দুর্বৃত্তরা চেয়েছিল একটি লাশের রাজনীতি করতে, রক্তের রাজনীতি করতে। এটি একবারেই রাজনৈতিক উদ্দেশে করা হয়েছে হত্যাযজ্ঞ চালিয়ে রক্তপাত ঘটিয়ে একটি বিভীষিকাময় পরিবেশ সৃষ্টি করে বিশ্ববিদ্যালয়কে অচল করা, সরকারকে অচল করা, অস্থিতিশীল একটা পরিবেশ সৃষ্টি করা। এটাই আমার কাছে সকল আলামতে মনে হয়। এর সঙ্গে কোটার কোনো সম্পর্ক নেই।’

আজ মঙ্গলবার (১০ এপ্রিল) সকালে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ঢাবি উপাচার্যের বাসভবন পরিদর্শনে যাওয়ার পর সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

উপাচার্য আখতারুজ্জামান বলেন, “সিন্ডিকেট যথার্থই বলেছে, রাত ২টার দিকে যদি পুলিশ-র‌্যাব অ্যাকশনে যেত তবে অনেক প্রাণহানি ঘটতো, যেটি কোনোভাবেই কাম্য নয়- দুর্বৃত্তদের এটাই ছিল প্রত্যাশা।”

উপাচার্য আরও বলেন, “যারা আমার বাড়িতে প্রবেশ করল তাদের মধ্যে থেকে কয়েকজনকে আমি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই, তারা কিন্তু আমার প্রাণ রক্ষা করেছে। তবে মুখোশ পরা কয়েকজন আমাকে লাঠি হাতে আক্রমণের, আঘাত দেয়ার চেষ্টা করেছে।”

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১০এপ্রিল,শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধিঃ    মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ শ্রীমঙ্গল সেক্টর সদর দপ্তর এর ৫ম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। আর এ উপলক্ষে মিলাদ মাহফিল ও বিশেষ দোয়া, রেজিমেন্টাল পতাকা উত্তোলন, কেককাটা, প্রীতিভোজ এবং সান্ধ্যকালীন মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের অয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল সেক্টর কমান্ডার কর্নেল মো. জাহিদ হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সরাইল রিজিয়ন ডেপুটি রিজিয়ন কামান্ডার কর্ণেল দেওয়ান মো. লিয়াকত আলী, মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক তোফায়েল ইসলাম, শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোবাশশেরুল ইসলাম, শ্রীমঙ্গল থানার ভারপ্রাপ্ত কমকর্তা (ওসি) কে এম নজরুল ইসলাম প্রমুখ।
সেক্টর কমান্ডার কমান্ডার কর্নেল মো. জাহিদ হোসেন বলেন, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ পূর্ণঃগঠন রুপরেখা-২০০৯ এর আওতায় থাকা এ সেক্টর সদর দপ্তরটি ২০১৩ সালের ১০ এপ্রিল তৎকালীণ মহাপরিচালক ভিত্তিপ্রস্তুর স্থাপন করেন। সেক্টরটি প্রতিষ্ঠালাভের পর হবিগঞ্জ এবং বিয়ানীবাজারে দু’টি ব্যাটালিয়ন স্থাপিত হয়। এ সেক্টরটি প্রতিষ্ঠা লাভের পর থেকে অধীনস্থ ব্যাটালিয়নসমূহের মাধ্যমে দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত এলাকায় অত্যন্ত দক্ষতা এবং সফলতার সাথে চোরাচালান প্রতিরোধ কার্যক্রম পরিচালনাসহ সীমান্ত সুরক্ষায় অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১০এপ্রিল,আলী হোসেন রাজন,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: মৌলভীবাজার সদর উপজেলার আখাইলকুড়া ইউনিয়নের পাগুরিয়া গ্রামের ব্যবসায়ী রিপন মিয়া হত্যার ৯ দিন পর রহস্য উদঘাটন করেছে মৌলভীবাজার মডেল থানা পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত ৩ জনকে পুলিশ আটক করেছে।

আটককৃতরা হলেন, শেখ আবেদ আহমদ (৩৩) পিতা শেখ মো: মদন,মাতা সমিতা বেগম, সাং-মিরপুর।জায়েদ আহমদ আলাল (৩০) পিতা আব্দুর রহিম,মাতা কবিরূন্নেচ্ছা,সাং-জগৎপুর,ও মিনহাজ মিয়া (৩২ )পিতা মৃত মধু মিয়া, মাতা মৃত আলেয়া বেগম,সাং পাগুরিয়া।

তাদের বাড়ি একই ইউনিয়নের বাসিন্দা বলে পুলিশ জানায়। তাদের দুজনকে আখাইলকুড়া এলাকা ও এক জনকে মৌলভীবাজার শহর থেকে আটক করে পুলিশ।

আজ ১০এপ্রিল মঙ্গলবার দুপুর ১টায় মৌলভীবাজার মডেল থানায় এক প্রেস বিফিং করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) রাশেদুল ইসলাম পিপিএম জানান, আবেদ ও রিপন মিয়া তারা দুজনই এলাকায় দাদন ব্যবসা করত এলাকার অনেকেই রিপনের কাছ থেকে দাদন হিসেবে টাকা নিত কিন্তু আবেদর কাছ থেকে দাদনের টাকা কম নিত মানুষ। এর জের ধরে আবেদ রিপনকে খুন করার প্রস্তুতি নেয়। পরে টাকার বিনিময়ে রিপন মিয়াকে সে খুন করায়।

এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ সোহেল আহম্মদ,পুলিশ পরিদর্শক ( তদন্ত) মোহাম্মাদ নজরুল ইসলাম, পুলিশ পরিদর্শক (অপাঃ)মো: হারুন-অর-রশিদ।
গত সোমবার ৯ এপ্রিল বিকেলে আদালতে ১৬৪ ধারা মোতাবেক স্বীকারোক্তীমূলক জবানবন্দীতে মিনহাজ এই হত্যার সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে।

উল্লেখ্য, গত ১ এপ্রিল রোরবার শেষ রাতে মুদি দোকানি ও দাদন ব্যবসায়ী রিপন মিয়া প্রতিদিনের মতো রাতের খাবার শেষে দোকানের দরজা লাগিয়ে ভেতরে ঘুমান। সকালে এলাকাবাসী দোকানের দরজা ভাঙ্গা দেখে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে রিপনের লাশ উদ্ধার করে।

তার মাথায় ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাত রয়েছে। রিপন মিয়ার একই এলাকায় বাড়ি হলেও নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চোরের হাত থেকে রক্ষা করতে ৮ থেকে ১০ বছর যাবৎ ব্যবসা পরিচালনা শেষে দোকানের ভেতর তিনি রাত্রিযাপন করতেন।

নিহত রিপন একই এলাকার কাছন মিয়ার বড় পুত্র।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১০এপ্রিল,ফ্রান্স প্রতিনিধিঃ প্রধানমন্ত্রীর সাথে প্রতারণা করে কমিটি গঠন করেছে  ফ্রান্স আওয়ামীলীগ এর দায়িত্বপ্রাপ্ত  নেতারা । দলীয় সভানেত্রীর সিদ্ধান্তকে তোয়াক্কা না করে বিএনপি জামাতের কর্মীদের নিয়ে কমিটি গঠন করে কোন প্রকার আনুষ্টানিকতা ছাড়াই ফেইসবুকে কমিটি প্রচার করে আওয়ামীলীগ এর সুনাম এবং ঐতিহ্য ধ্বংস করেছে দায়িত্বপ্রাপ্ত সভাপতি বেনজির আহমদ সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক মহসিন উদ্দিন খান লিটন।
ফ্রান্স আওয়ামীলীগ এর সিনিয়র নেতারা বলেন প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক দায়িত্বপ্রাপ্ত সিনিয়র নেতৃবৃন্দ এর সাথে কোন ধরণের যোগাযোগ ছাড়াই অর্থের বিনিময়ে রাতারাতি কমিটি গঠন করে সভাপতি সম্পাদক ।
গত  রবিবার প্যারিসের ক্যাথসীমায় স্মৃতি মহল রেস্টুরেন্টে ফ্রান্স আওয়ামী লীগ এর সিনিয়র নেতৃবৃন্দের আয়োজনে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে এমন অভিযোগ করেন দলের সিনিয়র নেতারা।  মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব  করেন ফ্রান্স আওয়ামী লীগ এর সহসভাপতি সুনাম উদ্দিন খালিক । জসিম উদ্দিন ফারুক এর পরিচালনায় এসময় বক্তব্য রাখেন সহসভাপতি ওয়াহিদ বার তাহের , সালেহ আহমদ চৌধুরী , আশরাফুল ইসলাম , শাহনেয়াজ রশিদ রানা , জহিরুল হক , নুরুল আবেদীন সাবেক যুগ্মসাধারণ সম্পাদক আতিকুল ইসলাম , হাসান সিরাজ ,আকিল ইব্রাহিম ,আহমদ বেলাল ,সেলিম আহমদ মহাসান আহমদ ,জাহাঙ্গীর ,আজিজুর রহমান ,কাইয়ুম , সহ ফ্রান্স আওয়ামীলীগ এর নেতারা ।
এসময় বক্তারা বলেন নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী ফ্রান্সে  একটি ঐক্যবদ্ধ আওয়ামীলীগ কমিটি উপহার দিতে নির্দেশ দিলেও বিএনপি জামাতের স্বপ্ন বাস্তবায়নে সভাপতি সম্পাদক প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশকে অমান্য করেছে ।আওয়ামীলীগ এর সাধারণ ও ত্যাগী কর্মীরা সভাপতি ও সম্পাদকের দুর্নীতি যেকোনমূল্যে প্রতিহত করার ঘোষণা দেন সভা থেকে।

নবীগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগীর চৌধুরী

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১০এপ্রিল,নবীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ নবীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এডভোকেট আলমগীর চৌধুরী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে দ্রুত উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ স্বল্প উন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের স্বীকৃতি পেয়েছে। অচিরেই বাংলাদেশ একটি মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তরিত হবে। দেশ উন্নত দেশের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।

সোমবার সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ হল রুমে নবীগঞ্জের সকল সরকারী কর্মকর্তা ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সাথে সীমান্তিক নামক একটি এনজিও‘র এ্যাডভোকেসী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন। উক্ত সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌহিদ বিন-হাসান এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এড. আলমগীর চৌধুরী।

এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমা বেগম। এতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমবায় বিষয়ক সম্পাদক হাফিজুল ইসলাম, ইউআরডিও অফিসার এনামুল হক, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মীর তারিন বাশার লিমা, উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোঃ আশরাফ উদ্দিন, সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সায়মা সুলতানা, উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা খাদিজা ইসলাম, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী অধিদপ্তর এর তাজুল ইসলাম, শিক্ষক এটিএম বশির আহমেদ, শিক্ষক রিয়াজুল করিম চৌধুরী, অধ্যক্ষ কা ন বনিক, দৈনিক হবিগঞ্জ সময় পত্রিকার বার্তা সম্পাদক মতিউর রহমান মুন্না, সলিল বরণ দাশ, ছনি চৌধুরী প্রমুখ।