Thursday 18th of October 2018 12:55:51 PM

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৮এপ্রিল,ডেস্ক নিউজঃ   ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কুতুব উদ্দিন আহমেদকে দুর্নীতির একটি মামলায় কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

আজ রোববার ঢাকা মহানগর হাকিম একেএম মইনুদ্দিন সিদ্দিকী উভয়পক্ষের শুনানি শেষে জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর এই আদেশ দেন।

এর আগে কুতুব উদ্দিন আহমেদকে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক মির্জা জাহিদুল আলম।

অপরদিকে কুতুব উদ্দিন আহমেদের পক্ষে আইনজীবী শাহনাজ আক্তারসহ কয়েকজন আইনজীবী জামিন চেয়ে শুনানি করেন। দুদকের পক্ষে আবুল হাসান জামিনের বিরোধিতা করেন। রোববার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচা থেকে দুদক তাকে গ্রেপ্তার করে।

সরকারি কর্মকর্তা হওয়া সত্ত্বেও ভুয়া আমমোক্তারনামার মাধ্যমে গুলশানে ১০ কাঠার একটি প্লট তার শ্বশুরসহ কয়েকজনের নামে বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে রোবারই তার বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়।

দুদকের উপ-পরিচালক মির্জা জাহিদুল আলম বাদী হয়ে গুলাশন মডেল থানায় ওই মামলাটি দায়ের করেন।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৮এপ্রিল,ডেস্ক নিউজঃ সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতির সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিপেটা ও কাঁদুনে গ্যাস নিক্ষেপ করেছে পুলিশ। রোববার সন্ধ্যা সাতটার দিকে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে একশনে যাওয়া শুরু করে।
রোববার দুপুরের পর থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে দল বেধে আসতেক শুরু করে শিক্ষার্থীরা। বেলা আড়াইটায় দিকে তারা শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেয়। এসময় ওই চৌরাস্তায় গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিক্ষোভকারী দাবি ছিল, সংসদে ঘোষণা না আসা পর্যন্ত অবস্থান চালিয়ে যাবেন তারা। এই বিক্ষোভ শুরুর কয়েক ঘণ্টা পর বিকালে দশম সংসদের ২০তম অধিবেশন শুরু হয়।
অবরোধের কারণে মৎস্য ভবন, টিএসসি ও সায়েন্সল্যাব এলাকা থেকে শাহবাগমুখী যানবাহন ঘুরিয়ে দিচ্ছিল পুলিশ। ওইসব মোড় ঘিরে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
ডিএমপির রমনা জোনের উপ-কমিশনার মারুফ হোসেন সরদার বিকালে সাংবাদিকদের বলেন, তারা আন্দোলন করছে, করুক। জনদুর্ভোগ যাতে না হয়, সেজন্য অনুরোধ করছি।
এরপর সন্ধ্যা ৭টায় পুলিশ কাঁদুনে গ্যাস ছোড়া শুরু করে। অবরোধকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে শুরু করে লাঠিপেটা। পুলিশের হামলার মুখে কয়েক মিনিটের মধ্যে শাহবাগ মোড় থেকে ছাত্রভঙ্গ হয়ে যায় আন্দোলনকারীরা।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৮এপ্রিল,গীতি গমন চন্দ্র রায়,পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার ১০ নং জাবরহাট ইউনিয়ন পরিষদের ১,২,৩ নং ওয়ার্ডের সদস্য রাজবালার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের তদন্ত ০৮/০৪/২০১৮ ইং সোমবার বিকাল ৩ ঘটিকার সময় নির্দিষ্ট স্থানে উপস্থিত হয়ে তদন্ত গ্রহণ করবেন।

পীরগঞ্জ উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো: তারিকুল ইসলাম। সে বিষয়ে সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুলিপি প্রেরণ করেন। ১। মাননীয় জাতীয় সংসদ সদস্য, পীরগঞ্জ, ঠাুকরগাঁও। ২। জেলা প্রশাসক, ঠাকুরগাঁও। ৩। চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ, পীরগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও। ৪। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা, ঠাকুরগাঁও। ৫। উপসহকারী প্রকৌশলী  (জনস্বাস্থ্যÑ ও তদারকি কর্মকর্তা, ১০ নং জাবরহাট ইউনিয়ন পরিষদ, পীরগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও। ৬। জনাবা রাজবালা রাণী রায়, সংরক্ষিত ইউপি সদস্য (১,২,৩) নং জাবরহাট ইউনিয়ন পরিষদ, পীরগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও। ৭। জনাবা মালতী রাণী রায়, স্বামী-অনিল চন্দ্র রায়. মাটিয়ানী (ডাঙ্গীপাড়া) পীরগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৮এপ্রিলঃনাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই,নওগাঁ: “এসো হে বৈশাখ এসো এসো” আসছে ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ বাঙ্গালীর প্রাণের উৎসব । আর মাত্র কয়েকদিনের অপেক্ষা। এর পরই পহেলা বৈশাখ। ইতোমধ্যেই বৈশাখ বাঙালির ঘরের কড়া নাড়ছে। জীর্ণতা আর পুরানো সব গ্লানি মুছে বৈশাখ বাঙালির জীবনে নিয়ে আসছে নতুন দিনের নতুন বছরের এক অনন্য আনন্দ উৎসব। আর এই বৈশাখকে বরণ করার জন্য চলছে নানান প্রস্তুতি। আর এই বৈশাখকে সামনে রেখে নানান রঙের ও প্রকারের বাহারী কাগজ, কাপড় ও শোলা দিয়ে কৃত্রিম ফুল তৈরি করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলার জামগ্রামের এই কুঠির শিল্পের ছোট-বড় কারিগররা। এই গ্রামে গোলাপ, স্টার, সূর্যমুখি, কিরনমালা, মানিক চাঁদ, জবা, বিস্কুট, গাঁদা সহ বিভিন্ন নামের ফুল তৈরি করা হয়।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, নওগাঁ জেলার আত্রাই উপজেলার ভোঁপাড়া ইউনিয়েনের একেবারেই অবহেলিত একটি গ্রাম জামগ্রাম। নেই কোন ভালো যোগাযোগ ব্যবস্থা। বাংলাদেশের মধ্যে এটিই একমাত্র গ্রাম যেখানে কাগজ, কাপড় ও শোলার রঙ্গিন বাহারী বিভিন্ন রকমের কৃত্রিম ফুল তৈরি করা হয়। এখানকার তৈরি ফুলই দেশের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন উৎসব, ঈদ ও মেলাতে পুরুষরা নিয়ে গিয়ে ফেরি করে বিক্রয় করে। লাভও দ্বিগুন।

কিন্তু যোগ্য পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে এখনো এই হস্ত শিল্পটি আধুনকিতার দ্বোড় গোড়ায় পৌছেনি। গ্রামে ঢুকতেই চোখে পড়বে গাছের ছাঁয়া ভেজা বিভিন্ন স্থানে কয়েকজন মিলে বসে বসে তৈরি করছে এই ফুলগুলো। বাংলাদেশের মধ্যে নানান রঙ্গের মন কাড়ানো এই সব বাহারী রঙ্গিন ফুল তৈরিতে এই জামগ্রামই একমাত্র গ্রাম। শুধুমাত্র এই গ্রামেই তৈরি করা হয় এই সব ফুল। তৈরির পর পরিবারের পুরুষরা দেশের বিভিন্ন স্থানে ফেরি করে বিক্রয় করে। তবে দুই ঈদে, বিভিন্ন পূজা, মেলা ও পহেলা বৈশাখে এই সব ফুলের চাহিদা অনেক বেশি।

প্রায় ৫০-৬০ বছর পূর্বে গ্রামে এই ফুল তৈরি করা শুরু হয় কিছু হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের হাত ধরে। এখন তা পুরো গ্রামের মানুষের বেঁচে থাকা ও আয়ের একমাত্র উৎসে পরিণত হয়েছে। এই ফুলে লাভ অনেক বেশি। একটি ফুল প্রায় দ্বিগুন মূল্যে বিক্রয় হয়। বর্তমানে এই গ্রামের প্রায় ৭শ পরিবার এই বাহারী ফুল তৈরি করার কাজে নিয়োজিত। সংসার দেখভাল করার পাশাপাশি এই গ্রামের মহিলা, পুরুষ ও ছোট-বড় সবাই এই ফুল তৈরি করার কাজ করে।

জামগ্রাম গ্রামের মো: রফিকুল ইসলাম জানান, এক সময় এই গ্রাম খুবই অবহেলিত ছিল। রাস্তা-ঘাট কোনটিই ছিলো না। কিন্তু বর্তমানে একটু হলেও উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে। এই গ্রামে এখনো পর্যন্ত বিদ্যুৎ আসে নাই। তাই এই সব কারিগররা শত ইচ্ছে থাকলেও রাতে এই ফুল তৈরির কাজ করতে পারে না। তাই আমাদের এই শিল্পটিকে আরো গতিশীল করার জন্য আমাদের প্রয়োজন আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা ও বিদ্যুৎ।

মোছা: নিশাত আনজুমান জানান, আমরা আমাদের সংসারের সব কাজ সম্পন্ন করে পরিবারের পুরুষদের এই ফুল তৈরিতে সাহায্য করি। এই ফুলগুলোতে লাভ অনেক বেশি। আগে পুরুষরা বাহিরে গেলে দুবৃর্ত্তরা মাঝে মাঝে সবকিছু ছিনতাই করে নিতো কিন্তু এখন আর তা হয় না। এখন শুধু আমাদের এই গ্রামটিকে আধুনিক মান সম্মত গ্রামে পরিণত করা প্রয়োজন।

মো: জনি সোনার জানান, ফুল তৈরিতে পরিবারের গৃহিণীদের অবদান সবচেয়ে বেশি। এই গ্রামের অধিকাংশ মানুষ বিভিন্ন বে-সরকারি এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে এই ব্যবসা করে আসছে। তাই মাস শেষে লাভের বেশি ভাগই দিতে হয় এই সব এনজিওতে। তাই সরকার যদি এই শিল্পর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের জন্য বিনা সুদে ঋণ দিতো তাহলে এই হস্ত কুঠির শিল্পটি আগামীতে আরো বেশি সম্প্রসারিত হতো। তাই এই গ্রামবাসীর সরাসরি সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা অত্যন্ত প্রয়োজন।

এ বিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য মো: ইসরাফিল আলম জানান, এটি একটি ঐতিহ্যপূর্ন শিল্প। যার কদর সারা দেশে। সৌখিন মানুষ ও শিশুদের কাছে এই বাহারী কৃত্রিম ফুলগুলোর চাহিদা অনেক বেশি। এই শিল্পটিকে আরো সম্প্রসারিত করার জন্য সরকারের কাজ করা উচিত। এই গ্রামের মানুষদের আর্থিক ভাবে সহায়তা করতে পারলে তারা এই শিল্পটিকে আরো অনেক দূর নিয়ে যেতে পারে।

এতে সরকার এই শিল্প থেকে অনেক অর্থ রাজস্ব হিসাবে আয় করতে পারবে। এই সব কারিগরদের জন্য যদি হস্ত শিল্পটির উপড় উন্নত মানের প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা করা হতো তাহলে এই শিল্পটি আরো আধুনিক মান সম্মত হতো। আমি চেষ্টা করবো এই গ্রামের মানুষদের কে আরো বেশি বেশি সহযোগিতা করার জন্য।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৮এপ্রিলঃ সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ  সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় জমিতে গরুর ধান খাওয়া কে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংর্ঘষে মোহাম্মদ নুরুল হক (৫০)নামে একজন নিহত হয়েছে। এঘটনায় পুলিশ ৩জন কে আটক করেছে। আটককৃতরা হলেন,জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের কুজাবপুর গ্রামের সুভাষ করের স্ত্রী শিবলী রানী কর (৩৫),পাখি করের স্ত্রী সীমা কর (৩২) ও বুদা করের ছেলে করুনা কর (২৭)।

স্থানীয় সুত্রে জানাযায়,রবিবার দুপুরে জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের কুজাবপুর নতুন পাড়া গ্রামের নুরুল হকের গ্রাম সংলগ্ন হাওরের জমিতে আধা পাকা ধান একেই গ্রামের বৈষ্ণব করের গরু খেয়ে ফেলে। এনিয়ে বৈষ্ণব ও নুরুল হকের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়।

এক প্রর্যায়ে দু-পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে দু-পক্ষের ১৫জন আহত হয়। এসময় নুরুল হক কে বৈষ্ণব করের লোক জনের হাতে এলোপাথারী মারধর ও সুলফির আঘাতে ঘটনাস্থলেই নিহত হয়। খবর পেয়ে জগন্নাথপুর থানা পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। লাশ উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ মর্গে প্রেরন করেছে। এঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।

ঘটনাস্থল পরির্দশনকারী ওসি আশরাফুল ইসলাম(তদন্ত)জানান,গরু ধান খাওয়াকে কেন্দ্র করেই সংর্ঘষ হয়। মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। এঘটনার সাথে জরিত ৩জন কে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকী গ্রেফতারের চেষ্টা চললে। এলাকার পরিবেশ শান্ত রয়েছে।

“ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সুশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া জরুরি সংসদ সদস্য সৈয়দা সায়রা মহসিন”

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৮এপ্রিল,আলী হোসেন রাজন,মৌলভীবাজারঃ শিক্ষার্থীদের সত্যিকারের সুশিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে। যেকোনো বিষয়ে সর্বোচ্চ জ্ঞান কিংবা বিশেষ দক্ষতা থাকতে হবে। তাহলেই দেশ এগিয়ে যাবে। একটি দেশ, একটি জাতিকে এগিয়ে নিতে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হলে আগে মায়েদের (নারী) সুশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়া জরুরি। বিষয়টি উপলব্ধি করে সরকার দেশে নারী শিক্ষার প্রতি সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে প্রয়োজনীয় সব সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সুশিক্ষায় নারীর অগ্রযাত্রা সমাজ ও জাতিকে আলোকিত করবে এবং দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে যথেষ্ট সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

মৌলভীবাজার সদর উপজেলার কনকপুর ইউনিয়ননের ভাদগাঁও গ্রামে ভাদগাঁও তাহেরুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ এর আয়োজনে বিদ্যালয়ের ২৫ বছর পূর্তি পুনর্মিলনী অনুষ্টানে প্রধান অতিথি মৌলভীবাজার – রাজনগর ৩ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দা সায়রা মহসিন শিক্ষার্থীদের উদ্যেশে এসব কথা গুলো বলেন।
৭ এপ্রিল শনিবার সকালে পায়রা উড়িয়ে অনুষ্টানের শুভ সূচনা করেন কনকপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ । পরে বনাঢ্য শুভা যাত্রা বের হয়। বিকেল ৫টায় এক আলোচনা সভা অনুষ্টিত হয় । স্কুল ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এডভোকেট বদরুল হোসেন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মো: তোফায়েল ইসলাম, পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ শাহ্ জালাল , মৌলভীবাজার সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজান,সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষ অফিসার আব্দুস সামাদ মিয়া,জেলা ক্রীড়া সংস্থার আক্তার হোসেন প্রমুখ।
আলোচনা শেষে সাংকৃতিক অনুষ্টান অনুষ্টিত হয় এতে সংগীত পরিবেশন করেন স্টার ভয়েজ ব্যান্ড ,শিল্পী আসিক , সুপ্রিয়া, ক্লোজাপ তারকা শেফালী সারগাম,এসডি শোয়েব।

এম আহমদ টিএন্ড ল্যান্ড কোম্পানীর হুমকী অব্যহত

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৮এপ্রিল,রেজওয়ান করিম সাব্বির, জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধিঃ অজানা আশংঙ্কায় বাউরী টিলাবাসী, ভূমি বন্দোবস্তের জন্য জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত আবেদন, এম.আহমদ টিএন্ড ল্যান্ড কোম্পানীর হুমকী।
এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায় স্বাধীনতার পূর্ববর্তী সময় হতে জৈন্তাপুর উপজেলার ৩নং চারিকাটা ইউনিয়নের কামরাঙ্গীখেল দক্ষিন, নয়াখেল উত্তর, নয়াখেল পূর্ব, ভিত্তিখেল উত্তর এর ভুমি হীন বাসিন্ধরা জৈন্তাপুর উপজেলার দক্ষিণ কামরাঙ্গীখেল মৌজার ৫৫নং জেএলস্থিত বর্তমান জরীপি ছাপা ১/১নং খতিয়ানের পাক জরিপি হালের ২৭১নং দাগের বর্তমান জরিপি ছাপা ৫৪৫নং দাগ এবং ২৭৯নং দাগের বর্তমান জরিপি ছাপা ৫৪৯নং দাগ মোট ২৩.১৯ একর ভুমি ভোগ দখল করে বিভিন্ন প্রজাতের কৃষি ফসলাদি ফলাইয়া পরিবার পরিজন নিয়া বসবাস করে আসছেন। বিগত কয়েক যুগ হতে তাদের দখলিয় ভূমি বন্দোবস্ত পাওয়ার জন্য সরকারের কাছে একাধিকবার আবেদন করে আসছেন।

এদিকে এম.আহমদ টি এন্ড ল্যান্ড কোম্পানী এই ভূমি বন্দোবস্থ না নিয়েই জোর পূর্বক দখলে নেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছে। তারই প্রেক্ষিতে প্রশাসনের উদ্বর্তন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ভূমির ভূল ব্যাখ্যা উপস্থাপন করে বিগত ২০১৬ সনের ২৪শে ডিসেম্বর উচ্ছেদের নামে আমাদের ফসলী ভূমি এবং সৃজিত ফল বাগান বাড়ীঘর, বৃক্ষরাজী ধ্বংস করে। ফলে বাউরীটিলার বাসিন্ধাদের প্রায় কোটি টাকার ক্ষতি সাধিত হয়। বাউরী টিলাবাসীর দাবী যেহেতু সরকারের নিকট হতে বাগান কর্তৃপক্ষ কোন অবস্থায় বর্তমান জরিপি ৫৪৫ এবং ৫৪৯ নং দাগের কোন বন্দোবস্থ নাই কিংবা কোন কাগজপত্র কিংবা তাদের দখল দেখাতে পারেনি। দখল দেখানোর নামে প্রশাসনকে ভূল ব্যাখ্যা উপস্থাপন করে আমাদের ক্ষতি সাধান করে। বর্তমানে আমরা ভূমি দখলে আছি এবং এই ভুমির প্রায় ১৫ একর ভূমিতে বোরো ধান চাষ করি।

এছাড়া অন্যান্য ভূমিতে বিভিন্ন প্রজাতির ফসল ফলাচ্ছি এবং টিলা রকম ভূমি কলা, সুপারী, কাঠাল, আম, জাম আনারস সহ বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষ রোপন করে পূরনায় বাগান সৃজন করে আসছি। কিন্তু চাবাগান কর্তৃপক্ষ ফের আমাদের নানা ভাবে মামলা হামলা এবং সৃজিত বাগান ধ্বংসের হুমকী ধমকী দিয়ে আসছে। আমাদের দখলিয় ২৩.১৯ একর ভূমি বন্দোবস্থ পাওয়ার ক্ষতিগ্রস্থ ৩৪টি পরিবার গত ২ এপ্রিল ১৮ তারিখে পূনরায় সরকারি খাঁস কৃষি এবং অকৃষি ভূমি ভূমিহীন নীতিমালা অনুযায়ী বন্দোবস্ত পাওয়ার জন্য জেলা প্রশাসক বরাবরে লিখিত আবেদন করি।
সরেজমিন ঘুরে দেখাযায় বাউরীটিলা পূর্বের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে ৩৪টি পরিবার নানাবিধ ফসল, বোরো ধান সহ বিভিন্ন প্রজাতির ফসল আবাদ করে আসছে। তারা জানায় বাগান কর্তৃপক্ষ তাদেরকে অন্যায় ভাবে উচ্ছেদের নামে আবারও তাদের ফসল হানির জন্য নানা ভাবে হুমকী ধমকী দিয়ে আসছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তাদের জোর দাবী তাদের দখলিয় ভূমি টুকতে বাগান কর্তৃপক্ষ কোন দিনই দখলে ছিল না। যেহেতু আমরা পূর্বপূরুষ হতে এই জমি ভোগ দখল করে আসছি তাই ভূমিহীন নীতিমালা অনুযায়ী আমাদেরকে ভূমিটুক বন্দোবস্ত দিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মর্জি হবে।
এবিষয়ে জানতে ৩নং চারিকাটা ইউপি চেয়ারম্যান শাহ আপলম চৌধুরী তোফায়েল বলেন- আমার জানা মতে বাগান কর্তৃপক্ষ কিংবা যাহারা দাখলদার তাদের কাহারো নামে এই বন্দোবস্ত নহে। বাগান কর্তৃপক্ষ কখনও এই ভূমিতে দখলে ছিল না। স্বাধীনতার পরবর্তী সময় হতে এলাকাবাসীরা এই ভূমি কৃষি ফসল ফলিয়ে ভোগদখলকার হিসাবে আছে। ২০১৬ সনে বাগান কর্তৃপক্ষ প্রশাসনের মাধ্যমে দখলের চেষ্টা চালিয়ে এলাকারজন সাধারনের ক্ষতি সাধন করে। ভুমিহীন দখলদারদের কথা চিন্ত করে এবং তাদের আবেদন বিবেচনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ জানান।
এবিষয়ে জানতে উপজেলা নিবাহী অফিসার মৌরিন করিম বলেন- উদ্বর্তন কর্তৃপক্ষ হতে কোন আদেশ আসেনি। যদি আদেশ পাই সরেজমিনে পরিদর্শন পূর্বক তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করব। এছাড়া বাস্তবে যদি ভূমিহীনরা দখলে থাকে এবং সরকার কাউকে বন্দোবস্ত না দেয় তাহলে সার্বিক দিক বিবেচনার জন্য কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করব।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৮এপ্রিল,বেনাপোল প্রতিনিধি: যশোরের ঝিকরগাছায় পৃথক অভিযানে অস্ত্র গুলি মাদকসহ ২ ব্যবসায়ীকে আটক করেছে নাভারণ হাইওয়ে পুলিশ।
নাভারণ হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ সার্জেন্ট পলিটন মিয়া বলেন, রবিবার দুপুর ৩টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাভারণ কলোনী বাজারে অভিযান চালিয়ে রবিউল ইসলাম রবি (২৭) নামে এক অস্ত্র ও মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়। সে ঝিকরগাছা উপজেলার মনোহরপুর গ্রামের আজাহার ইসলামের ছেলে। প্রথমে তাকে মাদক ব্যবসায়ী হিসাবে আটক করে পকেটে একটি প্যাকেট থেকে ১৬০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

এসময় আরো তল্লাশীকালে তার শরীরের কোমরে হাত দিয়ে দেখি শক্ত কিছু। পরে কোমর থেকে ১টি ওয়ান শুটারগান ও ২রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

এদিকে নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসাবে বাসে তল্লাশীকালে দুপুর দেড়টার সময় ময়না বেগম (৩০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে ব্যাগে রক্ষিত অবস্থায় ২২ বোতল ফেন্সিডিলসহ আটক করা হয়। আটক ময়না বেনাপোল কাগজপুকুর এলাকার সোহাগ রহমানের স্ত্রী।
এব্যাপারে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৮এপ্রিল,মায়া,বিশেষ প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে নিন্দিত ঘটনা কিশোরী বিউটি আক্তারকে তার বাবা সায়েদ আলী হত্যা করেছেন। এ বিষয়ে তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি বাবুল মিয়া ধর্ষণে জড়িত থাকলেও সরাসরি সম্পৃক্ততা নেই হত্যাকাণ্ডে। শনিবার সন্ধ্যায় হবিগঞ্জ পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জেলা পুলিশ সুপার বিধান ত্রিপুরা।
বিধান ত্রিপুরা  সাংবাদিকদের জানান, ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের দ্বন্দ্বে বিউটিকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে বাবুল মিয়া। পরে অন্য মেয়েদের সম্মান রক্ষা করতে বিউটিকে হত্যা করে তার বাবা। গত ইউপি নির্বাচনে মহিলা মেম্বার পদে বাবুল মিয়ার মা কলম চান বিবির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন ময়না মিয়ার স্ত্রী আছমা আক্তার। নির্বাচনে আছমা পরাজিত হওয়ার পর থেকে বাবুল ও তার মায়ের বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে মরিয়া ওঠেন ময়না মিয়া।
তারই অংশ হিসেবে গত ২১ জানুয়ারি প্রেমের ফাঁদে ফেলে বিউটিকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় বাবুল। অলিপুর এলাকায় একটি ঘর ভাড়া করে ১৭ দিন সেখানে বিউটিকে আটকে রাখা হয়। পরে গত ৯ ফেব্রুয়ারি বিউটিকে উদ্ধার করে বাবুলের সঙ্গে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয় সালিশে।
কিন্তু বিউটিকে বিয়ে করতে রাজি হয়নি বাবুল। তাই গত ১৪ ফেব্রুয়ারি বিউটির বাবা আদালতে একটি ধর্ষণ মামলা করলে থানায় সেটি রেকর্ড হয় ৪ মার্চ।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, মামলা হওয়ার পর বিউটি আদালতে জবানবন্দি দিয়ে বলে, সে স্বেচ্ছায় বাবুলের সঙ্গে গিয়েছিল এবং বাবুল বিয়ে করলে মামলা তুলে নেওয়া হবে। তবে বাবুল কোনোভাবেই বিউটিকে বিয়ে করতে রাজি হয়নি।
ওই সুযোগকেই চূড়ান্তভাবে কাজে লাগাতে চেষ্টা করেন ময়না মিয়া। তিনি বিউটির বাবা সায়েদ আলীকে বুঝাতে থাকেন, ‘বিউটিকে বাবুল নষ্ট করে ফেলেছে। তাকে অন্য কোথাও বিয়ে দেওয়া যাবে না। তার জন্য অন্য দুই মেয়েকেও বিয়ে দেওয়া যাবে না। তা ছাড়া বিউটিকে ভূতে ধরেছে। তাই তাকে মেরে ফেলাই ভালো। আর বিউটিকে এখন মেরে ফেললে বাবুল ও তার মায়ের ওপরই দোষ যাবে।’ এমন কথায় বিউটিকে হত্যা করতে প্রলুব্ধ হয়ে ওঠেন তার বাবা। পরে তিনি রাজি হওয়ায় সুযোগকে কাজে লাগায় ময়না মিয়া।
সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বিউটিকে হত্যার জন্য তার বাবা ও ময়না মিয়া ১০ হাজার টাকায় একজনকে ভাড়া করেন। এই টাকার ব্যয় বহন করেন ময়না মিয়া। গত ৬ মার্চ রাতে তারা ব্রাহ্মণডোরা গ্রামের বটগাছ তলায় গিয়ে প্রথমে অবস্থান নেন। সেখানে বিউটিকে তার বাবা নিয়ে যায়। পরে রাত সাড়ে ১২টার দিকে তারা বিউটিকে নিয়ে গুণিপুর গ্রামের পাশে হরিণাকোণা খালের পাড়ে যায়। সেখানে ভাড়াটে খুনি বিউটিকে ধরে রাখে এবং নিজের ছুরি দিয়ে খুন করেন ময়না মিয়া। মৃত্যু নিশ্চিত করার পর সেখান থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে হাওরে এনে ফেলে দেওয়া হয় বিউটিকে।
পুলিশ সুপার বিধান ত্রিপুরা বলেন, ঘটনার পর থেকে বিউটির বাবার আচরণ সন্দেহজনক ছিল। ময়না মিয়াও জিজ্ঞাসাবাদে বারবারই আনমনা হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে গত ৫ এপ্রিল বিউটির নানি ফাতেমা বেগমকে এনে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি জানান, বিউটির বাবাই তাকে ওই রাতে নিয়ে গিয়েছিল। এ সময় তিনি সঙ্গে ময়না মিয়াকেও দেখেন।
পুলিশ সুপার জানান, ৫ এপ্রিল ময়না মিয়াকে এনে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করলে তিনি এক পর্যায়ে সব স্বীকার করে নেন। গতকাল নিয়ে আসা হয় বিউটির বাবা সায়েদ আলীকে। তিনিও জিজ্ঞাসাবাদে সব অকপটে স্বীকার করে নেন। গতকাল ময়না মিয়া এবং আজ বিউটির বাবা সায়েদ আলী হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুল ইসলামের আদালতে জবানবন্দি দেন। নিহত বিউটির নানি ফাতেমা বেগম সাক্ষী হিসেবে আদালতে জবানবন্দি দেন।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৮এপ্রিল,আলী হোসেন রাজন,মৌলভীবাজারঃ   মৌলভীবাজার জেলার সদর উপজেলার ৭নং চাঁদনীঘাট ইউনিয়নের মাইজপাড়া গ্রামে বর্ষিজোড়া মাইজপাড়া একতা যুব সংঘ এর উদ্যোগে কাবাডি টুর্নামেন্ট এর ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্টিত হয়।

৫এপ্রিল শুক্রবার বিকেল ৪টায় মাইজপাড়া জামে মসজিদ সংগ্লন মাটে কাবাডি টুর্নামেন্ট পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য মো: ওয়াহিদ মিয়ার সভাপতিত্বে এবং সাধারন সম্পাদক মো: রাজু আহমদের পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ শাহ জালাল ,বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক ও জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মিছবাউর রহমান,মো: জিল্লুর রহমান, সাবেক ৭নং চাঁদনীঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন বাদশা। দেশী বিদেশী কাবাডি খেলয়াদের নিয়ে ফাইনাল খেলায় অংশগ্রহন করেন গনি টাইগার কাবাডি দল সরকার বাজার বনাম জে পি জিম ফাইটার কাবাডি দল মাইজপাড়া।

৬০ মিনিটের খেলায় গনি টাইগার কাবাডি দল সরকার বাজার ১০ পয়েন্ট ও জে পি জিম ফাইটার কাবাডি দল মাইজপাড়া ১২ পয়েন্ট। ২পয়েন্ট বেশি নিয়ে জে পি জিম ফাইটার কাবাডি দল বিজয়ী হয়। জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ শাহ জালাল বিজয়ীদের প্রথম পুরস্কার একটি মটরসাইকেল ও রার্নাসআপদের ২য় পুরস্কার একটি এলিডি টিভি তুলে দেন।

গত ১মার্চ ২০১৮তে ৪০টি দল নিয়ে বর্ষিজোড়া মাইজপাড়া একতা যুব সংঘ এর উদ্যোগে কাবাডি টুর্নামেন্ট অনুষ্টিত হয়।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৮এপ্রিল,সাজন আহমেদ রানাঃ মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো নাট্যকার দেলোয়ার মামুনের রচনা ও নির্দেশনায় নাটক আশরাফুল মাখলুকাত,নাট্যকার মান্নান হীরার মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক বিখ্যাত নাটক “লাল জমিন” এর ১৫০তম শো।
শুক্রবার রাতে শ্রীমঙ্গল মহসীন অডিটরিয়ামে শ্রীমঙ্গল বিজয়ী থিয়েটারের ২০১৮- ১৯ সনের কার্যকরি কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠানে আয়োজিত নাট্য উৎসবে আশরাফুল মাখলুকাত নাটকটির বিষয় বস্তু ছিল মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব,আর এই নাটকের গল্পে দেখা যায় এক বখাটে নেশাগ্রস্ত গ্রামের যুবক নেশা করার টাকার জন্য তার মায়ের মাথা ফাটিয়ে টাকা নিয়ে যায়। কেরামতের চায়ের দোকানে করিম চাচা,বাউল,রবি সহ সকলের মাঝে আলাপ শুরু হয় তারা এই অন্যায়সহ মানুষের সৃষ্টি সকল অপর্কম,অমঙ্গল,অন্যায়-অত্যাচার,অবিচায়ের কথা বলে।

কিন্তু প্রকারন্তরে সেই বখাটে যুবকের অন্যায় কর্মকান্ডগুলোই তাদের সামনে সংঘটিত হলে এক কেরামত চাচা ছাড়া কেউ অন্যায়ের প্রতিবাদ করেনি। পরবর্তীতে এই বখাটে ছেলের অপর্কম,অমঙ্গল,অন্যায় অত্যাচার,অবিচায়ের বিরুদ্ধে এক উদ্যমী তরুনের হস্তক্ষেপ সকলের চোখ খুলে দেয়। আশরাফুল মাখলুকাত অর্থাৎ, সৃষ্টির সেরা জীব হিসেবে মানুষের অসাধ্য যে কিছুই নয় এই বিষয়টিই এই নাটকে প্রতিপাদ্য হিসেবে ফুটে ওঠেছে।
লাল জমিন নাটকের একক অভিনেত্রী মোমেনা চৌধুরী শ্রীমঙ্গলের বীরাঙ্গনা মনোয়ারা বেগমকে নিয়ে কেক কেটে লাল জমিন এর দেড়শত তম এ শো এর উদ্বোধন করেন। মান্নান হীরার লেখা ও সুদীপ চক্রবর্তীর নির্দেশনায় রচিত ১ ঘন্টা ১০ মিনিট ব্যাপ্তির এই নাটকে চৌদ্দ ছুঁই ছুঁই এক কিশোরীর জীবনযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধে ঘটে যাওয়া ভয়ানক সব ঘটনার প্রতিফলন ফুটে উঠে। মূলত কিশোরীর জমিন, নয় মাসে কিভাবে লাল জমিন হয়ে উঠে এটিই এই নাটকের প্রতিপাদ্য।

নাটকের একটি দৃশ্য

এই প্রদর্শনী আয়োজন প্রসঙ্গে বিজয়ী থিয়েটারের সভাপতি ও এই অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন মামুন জানান, “মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সকলকে উজ্জীবিত করতেই আমাদের এই আয়োজন। মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক এরকম একটি নাটকের আয়োজন করতে পেরে আমরা বিজয়ী থিয়েটার পরিবার গর্ববোধ করছি।”

আয়োজিত অনুষ্ঠানের সদস্য সচিব সাজন আহমেদ রানা জানান, “আমরা বদলে দিতে চাই এই অন্ধকার আকাশ। নতুন স্বপ্নের ঘুড়ি উড়াতে চাই আমাদের সাংস্কৃতিক চর্চায়। আমরা অত্যন্ত আনন্দিত যে, বিজয়ী থিয়েটায়ের এই আয়োজনে সাড়া দিয়েছেন শ্রীমঙ্গল তথা মৌলভীবাজার জেলাবাসী। দেশের সুস্থ্য সাংস্কৃতিক চর্চার বিকাশের জন্য এই ধরনের আয়োজন আরো বেশি করে হওয়া উচিত।”
নাগরদোলা থিয়েটারের সহ-সভাপতি কবি জহিরুল মিঠু বলেন, “আমি ধন্যবাদ জানাই বিজয়ী থিয়েটারের কলাকুশলীদের এরকম একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করায়। এই ধরনের মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক নাটক আমাদের তরুন প্রজন্মকে উজ্জীবিত করবে। আমি চাই এই ধরনের নাটক আরো বেশি বেশি ম স্থ হোক।”
নিজের অভিব্যক্তি প্রকাশ করতে গিয়ে লাল জমিন নাটকটির অভিনেত্রী মোমেনা চৌধুরী জানান, “যেদিন থেকে চিন্তা করেছি লাল জমিন করবো, সেদিন থেকে আমার সমস্ত চিন্তা-চেতনা জুড়ে এই নাটকটির বিস্তৃতি। একে আমি ধারণ করি প্রতিমুহূর্তে। এটি আমার জীবনের একটি অংশ হয়ে গেছে। আমি ধন্যবাদ জানাই বিজয়ী থিয়েটারকে এই ধরনের একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করার জন্য।”
এ সময় বিজয়ী থিয়েটারের সদস্যবৃন্দ ছাড়াও মহসীন অডিটোরিয়ামের পুরো হলরুম কানায় কানায় পূর্ণ ছিলো সকলস্তরের সাহিত্য ও সংস্কৃতিপ্রেমীদের পদচারণায়। কবি,সাহিত্যিক, ডাক্তার, নাট্যব্যক্তিত্বসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের উপস্থিতি ছিলো চোখে পড়ার মতো।
নাটক শেষে বিজয়ী থিয়েটারের পক্ষ থেকে নাটকটির একশত প াশতম শো করতে পারায় এর সফল ও একক অভিনেত্রী মোমেনা চৌধুরীকে বিজয়ী থিয়েটারের পক্ষ থেকে দেয়া হয় বিশেষ সম্মাননা।
এর আগে একই মে শ্রীমঙ্গল বিজয়ী থিয়েটারের পরিবেশনায় অনুষ্ঠিত হয় শ্রুতিময় বাশির সুর ও অভিষেক নৃত্য।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৮এপ্রিলঃ আদিবাসী ছাত্র পরিষদ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির উদ্যোগে ৭ এপ্রিল ২০১৮ সকাল ১১.৩০টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় হাবিবুর রহমান হল মাঠ সংলগ্ন চত্তরে চড়ুইভাতি, নবীনবরণ, বিদায় ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। চড়ুইভাতি শেষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া আদিবাসী শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ, বিদায়ী শিক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা এবং আদিবাসী ছাত্র পরিষদ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির নবনির্বাচিত সভাপতি রতিশ টপ্য, সাধারণ সম্পাদক উজ্জল মাহাতো এবং সাংগঠনিক সম্পাদক অগাষ্টিন কিস্কুকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়। অতঃপর সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনা সভায় আদিবাসী ছাত্র পরিষদ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির সভাপতি রতিশ টপ্যর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন আদিবাসী যুব পরিষদ রাজশাহী জেলা কমিটির যুগ্ম-আহবায়ক উপেন রবিদাস, বারসিক রাজশাহীর শাখার প্রগ্রাম কর্মকর্তা মো: জাহিদ আলি, আদিবাসী ছাত্র পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি নকুল পাহান, সাধরণ সম্পাদক তরুন মুন্ডা, সাংগঠনিক সম্পাদক রুবেল টুডু,বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির সভাপতি রাজিব মাহাতো, সিরাজগঞ্জ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক চৈতন্য সিং, রাবি সদস্য সোনিয়া মাহাতো, কাজল পাড়ে প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে যেসব আদিবাসী শিক্ষার্থী অনার্স প্রথম বর্ষে ভর্তি হয়েছে তারা সুন্দরভাবে তাদের পড়াশুনা সম্পন্ন করুক এবং বিদায়ী শিক্ষার্থীদের উজ্জল ও সুন্দর ভবিষ্যৎ কামনা করে। উত্তরবঙ্গের এই বৃহৎ বিদ্যাপিঠে আদিবাসী শিক্ষার্থীরা উপযুক্ত শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে অত্র এলাকার অধিকার বি ত আদিবাসীদের নাম উজ্জল করবে। সমতলের আদিবাসী শিক্ষার্থীদের অধিকার নিয়ে আদিবাসী ছাত্র পরিষদ দীর্ঘ দিন যাবত আন্দোলন, সংগ্রাম অব্যহত রেখেছে।

আদিবাসী ছাত্র পরিষদ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন কমিটি সেই আন্দোলনে আরো গতিশীল করবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন এবং সকল পড়–য়া আদিবাসী শিক্ষার্থীরা আদিবাসী শিক্ষার্থী এবং সকল আদিবাসীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে স্বতস্ফুর্তভাবে অংশগ্রহনের আহবান জানানো হয়।প্রেস বিজ্ঞপ্তি

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc