Monday 23rd of July 2018 12:07:40 PM

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৬এপ্রিলঃ    একের পর এক জোড়া খুনের ঘটনায় আতঙ্ক বাড়ছে সিলেটে। দেখা দিয়েছে ক্ষোভও। ১৫ দিনের ব্যবধানে সিলেটে চারটি আলোচিত জোড়া খুনের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে দুটি জোড়া খুনের ঘটনা হচ্ছে মা ও ছেলে। অপর দুটি হয়েছে সংঘর্ষে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের মধ্য দিয়ে । এর পাশাপাশি সিলেটে সাম্প্রতিককালে আরো কয়েকটি খুনের ঘটনা ঘটেছে।

যে ঘটনাগুলো নাড়া দিয়েছে সিলেটবাসীকেও। হঠাৎ করে সিলেটে খুন বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে নানা শঙ্কা বিরাজ করছে। পুলিশের পক্ষ থেকে এরই মধ্যে প্রায় সবক’টি ঘটনারই রহস্য উদঘাটন করা হয়েছে। দুটি ঘটনার আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আর আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের মাধ্যমে খুনের ঘটনার প্রকৃত আসামিরা এখনো ধরা পড়েনি। সমাজে নানা অস্থিরতার কারণে সিলেটে জোড়া খুন সহ নানা ঘটনায় খুন বেড়েছে বলে জানিয়েছেন নগরবাসীকে। এর থেকে উত্তরণের জন্য তারা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার উপর জোর দিয়েছেন। সর্বশেষ গত রোববার সিলেটের কোতোয়ালি থানা পুলিশ নগরীর মিরাবাজারের খারপাড়ার মিতালী আবাসিক এলাকার ১৫-জে বাসার নিচ তলার ফ্ল্যাট থেকে মা রোকেয়া বেগম ও ছেলে রবিউল ইসলাম রূপমের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় গোটা নগরজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়।

আলোচিত এ ঘটনা থেকে ভাগ্যক্রমে বেঁচে যায় নিহত রোকেয়া বেগমের ৫ বছরের মেয়ে রাইসা। পুলিশি তদন্তে এ ঘটনার রহস্য উদঘাটন হয়েছে। রোকেয়া বেগমের বেপরোয়া আচরণ আর অনৈতিক কর্মকাণ্ডের জন্যই তিনি খুন হয়েছেন। পুলিশ ইতিমধ্যে রোকেয়া বেগমের প্রেমিক শহরতলির মুক্তিরচক গ্রামের নাজমুল হাসানকে গ্রেপ্তার করেছে। বুধবার পুলিশ সিলেটের কোতোয়ালি থানা পুলিশ নাজমুলকে আদালতে হাজির করে ৭ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে।

আলোচিত এ খুনের ঘটনার একমাত্র সাক্ষী রাইসার জবানবন্দি ও প্রযুক্তিগত অনুসন্ধান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয় নাজমুলকে। এখনো গ্রেপ্তার হয়নি তানিয়া নামের মেয়েটি। সে রোকেয়া বেগমের অনৈতিক কাজের সহযোগী ছিল বলে জানা গেছে। রাইসা এখনো সিলেটের কোতোয়ালি থানার ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে রয়েছে।

পুলিশ এরই মধ্যে ধারণা পেয়েছে- নাজমুলের বিয়েতে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন প্রেমিকা রোকেয়া বেগম। আর এ বাধার কারণেই রোকেয়াকে খুন করা হতে পারে। তবে- রোকেয়ার বেডরুমে যাতায়াত ছিল আরো কয়েকজন পুরুষের। তারা হাই প্রোপাইল লোক। জোড়া খুনের ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো সংশ্লিষ্টতা রয়েছে কী না- পুলিশ সে ব্যাপারেও তদন্ত করছে।

সিলেটের কোতোয়ালি থানার সিনিয়র সহকারী কমিশনার সাদেক কাওছার জানিয়েছেন- তদন্তে কোনো ফাকঁফোকর রাখা হচ্ছে না। যাতে নির্দোষরা কোনো হয়রানির শিকার না হয় সেদিকে দৃষ্টি দেয়া হচ্ছে। তবে, প্রযুক্তিগত তদন্তের মাধ্যমে যে তথ্য হাতে এসেছে সেগুলো তো পরিষ্কার। জোড়া খুনের সব দিকের বিশ্লেষণ ও খোঁজখবর এক করে পুলিশ সূত্র মেলাচ্ছে। নিহত রোকেয়া বেগমের বেডরুমের লোক ছিল নাজমুল- এটি ইতিমধ্যে পরিষ্কার হওয়া গেছে। এদিকে- গত ২৪শে মার্চ ওসমানীনগরের গোয়ালাবাজার ইউনিয়নের একরাই গ্রামের পূর্বের হাওর থেকে নারী ও শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ ওই হাওরে গিয়ে একটি গলিত লাশ উদ্ধার করে।

এ সময় পাশেই ৭-৮ বছরের একটি শিশুর মাথা, পা ও হাতের খণ্ড খণ্ড অংশ পাওয়া যায়। আলোচিত এ ঘটনার রহস্যও ইতিমধ্যে পুলিশ উদঘাটন করেছে। গ্রেপ্তার করেছে তিনজনকে। এর মধ্যে দুইজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। ১৭ই মার্চ রাতে গোয়ালাবাজার থেকে হবিগঞ্জের মাধবপুরের মালাকারপাড়ার মৃত অমিত মালাকারের স্ত্রী দীপু মালাকার (৪০) ও তার ছেলে বিকাশ মালাকারকে (৮) অপহরণ করে একই থানার পশ্চিম পৈলনপুরের জবেদ আলীর ছেলে জকরুল মিয়া (২২), বদিয়ারচরের মৃত আবদুল মান্নানের ছেলে নজরুল ইসলাম (২৭) ও মৃত আবুল কালামের ছেলে জয়নাল মিয়া (২৯)। পরে অটোরিকশা দিয়ে তাদের নিয়ে যাওয়া হয় একারাই হাওরে। রাতভর হাওরে দীপু মালাকারকে ধর্ষণ করে।

এ সময় ছেলে অমিত মালাকার দেখে ফেললে তাকে গলাটিপে হত্যা করে। ধর্ষণ শেষে দীপু মালাকারকেও হত্যা করে কচুরিপানা দিয়ে চাপা দিয়ে ধর্ষকরা পালিয়ে যায়। প্রযুক্তিগত অনুসন্ধান চালিয়ে সোমবার রাত ৩টার দিকে ওসমানীনগরের বদিয়ারচর থেকে অপহরণ, ধর্ষণ ও জোড়া খুনে জড়িত ৩ জনকে আটক করে পুলিশ। প্রথমে তারা বিষয়টি অস্বীকার করলেও পুলিশের কৌশলী জিজ্ঞাসাবাদে তারা অপহরণ, ধর্ষণ ও জোড়া খুনে নিজেদের সংশ্লিষ্টতার কথা স্বীকার করে। ২৪শে মার্চ সিলেটের গোয়াইনাঘাটে সালুটিকরে ঘটে আরেকটি জোড়া খুনের ঘটনা। প্রকাশ্য দিবালোকে অস্ত্র দিয়ে গুলি করে খুন করা হয় দুই জনকে। এ ঘটনার পর এখনো স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসেনি সালুটিকরে। মসজিদের জমি নিয়ে সালিশ চলাকালে হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে পড়ে দুইপক্ষ।

একপর্যায়ে হয় বন্দুকের ব্যবহার। গুলিবিদ্ধ হয়ে দুই জন নিহত। ঘটনার একপর্যায়ে গুলিতে মিত্রিমহল গ্রামের আবদুল জলিলের ছেলে মনাই মিয়া ও আজিজুল ইসলামের ছেলে রুমেল আহমদ সেদিন নিহত হন। ঘটনার পর থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বহর গ্রামের পুরুষরা। অন্যদিকে কান্না চলছে নিহতদের পরিবারে। সমপ্রতি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ডাবল মার্ডারের নজির এটি। অবশ্য পুলিশ জড়িতদের হন্যে হয়ে খুঁজছে। সিলেট শহরতলির বরইকান্দি এলাকায় ১৬ই মার্চ ঘটেছিল আরেকটি জোড়া খুনের ঘটনা।

বরইকান্দির আলফু চেয়ারম্যান ও স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি গৌছ মিয়ার পক্ষের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষকালে আলফু মিয়ার পক্ষের লোকজনের গুলিতে মারা যান গৌছ মিয়ার পক্ষে শফিক মিয়ার ছেলে বাবুল মিয়া ও জমসেদ মিয়ার ছেলে মাসুক মিয়া। তবে আলফু মিয়ার স্ত্রী সুলতানা ইতিমধ্যে সংবাদ সম্মেলন করে জানিয়েছেন নিজেদের গুলিতে মারা গেছে মাসুক ও বাবুল।

ওদিকে- খুনিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মানববন্ধন করেছে গৌছ মিয়ার পক্ষের লোকজন। এখনো গ্রেপ্তার হয়নি আলফু চেয়ারম্যান ও তার পক্ষের লোকজন।মানবজমিন

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৬এপ্রিলঃ   রংপুর স্পেশাল জজ আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও জেলা আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদক (পিপি) রথীশ চন্দ্র ভৌমিক বাবুসোনাকে হত্যার ঘটনায় তার স্ত্রী স্নিগ্ধা সরকার ভৌমিক ও তাঁর দুই ছাত্র আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার রাতে রংপুরের অতিরিক্ত মুখ্য বিচারিক হাকিম আরিফা ইয়াসমিন মুক্তার আদালতে তারা ১৬৪ ধারায় এই জবানবন্দি দেন। একই আদালত হত্যা মামলার আরেক আসামি কামরুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন।

রথীশ হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রংপুরের কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শাহ আলম সংবাদ মাধ্যমকে জানান, রথীশ হত্যা মামলায় গ্রেফতার চারজনকে আজ রাতে আদালতে হাজির করা হয়। এর মধ্যে নিহত রথীশের স্ত্রী স্নিগ্ধা সরকার ভৌমিক ও তাঁর দুই ছাত্র আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হন।

অন্যদিকে অপর আসামি স্নিগ্ধা সরকারের সহকর্মী তাজহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক কামরুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।

উল্লেখ্য, পাঁচ দিন নিখোঁজ থাকার পর গত ৩ এপ্রিল রাতে রথীশ চন্দ্র ভৌমিক ওরফে বাবুসোনার লাশ উদ্ধার করে র‍্যাব-১৩ সদস্যরা।

উল্ল্যেখ করার মত,শিক্ষক কামরুল ও শিক্ষিকা স্নিগদা দু’ জনই দীর্ঘকাল ধরে চাকরি করতেন তাজহাট উচ্চ বিদ্যালয়ে। সে স্কুলে গিয়ে দেখা যায় এক অন্যরকম পরিবেশ। স্কুলের শিক্ষিকা ফেরদৌসী আরা পলি বলেন, যেভাবে এ দু’শিক্ষক মেলামেশা করতো তাতে আমরা সহকর্মী হিসেবে তেমন কিছু মনে করতাম না। গণমাধ্যমে প্রকাশ পাওয়ার পর আমরা বিষয়টি জানতে পেরেছি। ওদিকে অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে দু’সন্তানের জননী স্নিগ্ধা ভৌমিক ও এক সন্তানের জনক কামরুল ইসলামের পরকীয়া প্রেমের গল্প। প্রায়ই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটির পর সব শিক্ষকদের পরে বের হতো স্নিগ্ধা ও কামরুল। প্রায়ই তারা মোটরসাইকেলে করে দূরে নিভৃত স্থানে গিয়ে সময় পার করতো। অ্যাড. রথীশ ভৌমিকের দুই সন্তানের মধ্যে এল.এল.বি অনার্স পড়ুয়া পুত্র ঢাকায় থাকতেন। নবম শ্রেণি পড়ুয়া কন্যা থাকতো বাসায়। কন্যা স্কুলে চলে যাওয়ার পর কামরুল পেছনের দরজা দিয়ে স্নিগ্ধার বাসায় গিয়ে গোপনে অবৈধ মেলামেশা করতো। বিষয়টি রথীশ ভৌমিক আঁচ করতে পারলে তাদের সংসারে অশান্তি নেমে আসে।

অপরদিকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, ১৮৯৪ সালে গড়ে ওঠা তাজহাট উচ্চ বিদ্যালয়ে ১৯৯৪ সালে অ্যাড. রথিশ চন্দ্র ভৌমিকের স্ত্রী স্নিগ্ধা ভৌমিক ধর্মীয় শিক্ষক এবং কামিল পাস করা কামরুল ইসলাম একই সঙ্গে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে স্কুলে শিক্ষকতা শুরু করেন। স্নিগ্ধা ভৌমিক শান্ত স্বভাবের হলেও কামরুল ইসলাম চতুর ও চঞ্চল প্রকৃতির। হাসি, ঠাট্টা করতো সবার সঙ্গে। দীর্ঘদিন চলার পথে শিক্ষক স্নিগ্ধা ও কামরুলের মধ্যে একটি সম্পর্ক গড়ে উঠে। এ সম্পর্কের কারণে স্নিগ্ধার দাপ্তরিক যাবতীয় কাজকর্ম কামরুল করে দিতো। বিনিময়ে স্নিগ্ধা বাড়ি থেকে টিফিন বক্সে করে কামরুলের জন্য খিচুড়ি, ছানা, পায়েসসহ ফলমূল নিয়ে এসে তাকে খাওয়াতো। তার সহকর্মীরা প্রশ্ন করলেও স্নিগ্ধা বলতো আমার কাজ করে দেয় বিধায় তাকে নাস্তা খাওয়াই। এসব বিষয় জানতে পারেন স্নিগ্ধার স্বামী রথীশ চন্দ্র ভৌমিক। তিনি শিক্ষক কামরুলকে সাবধান করে দেন। এ থেকে তাদের মেলামেশা বন্ধ হয়ে যায়। সেই থেকে মোবাইল ফোনে কামরুল আর স্নিগ্ধা পরিকল্পনা করে কীভাবে আগের সম্পর্ক ফিরিয়ে আনা যায়। তারা দিনে কখনো ৩০-৩৫ বারও কথা বলেছেন। এসব বিষয় নিয়ে রথীশের পরিবারে নেমে আসে চরম অশান্তি। দেখা দেয় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্য ও বিরোধ। স্নিগ্ধা প্রায়ই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্বামীকে গালমন্দও করতো।

সম্প্রতি তাজহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক কামরুলের বেপরোয়া চলাফেরা ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে রথীশ প্রধান শিক্ষিকাকে শোকজ করার তাগিদ দেন। এরই প্রেক্ষিতে প্রধান শিক্ষিকা ৪ঠা মার্চ তাকে শোকজ করে ৭ কার্যদিবসের মধ্যে উত্তর দিতে বলেন। শোকজ নোটিশ পাওয়ার পর কামরুল তার চিঠির জবাব দিলেও সন্তোষজনক না হওয়ায় ম্যানেজিং কমিটির নির্দেশে ৩ সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটির আহ্বায়ক করা হয় অভিভাবক সদস্য বিপুল সরকারকে। অপর দুই সদস্য হলেন- শিক্ষক প্রতিনিধি মতিউর রহমান ও সহকারী প্রধান শিক্ষক বেলাল হোসেন। ২৮শে মার্চ ওই তদন্ত কমিটি কামরুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এরই মধ্যে ঘটে যায় ২৯শে মার্চ রাতে রথীশের হত্যার ঘটনা। শিক্ষক শাহরুল হুদাসহ অন্যরা বলেন, ৩০শে মার্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি অ্যাড. রথীশ চন্দ্র ভৌমিক নিখোঁজ সংবাদ শুনে আমরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ৩১শে মার্চ সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করি। ওই কর্মসূচিতে কামরুলও উপস্থিত ছিল এবং সে স্বাভাবিকভাবে কর্মসূচি পালন করে। তার চোখ- মুখ দেখে বোঝার উপায় ছিল না যে, সে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।