Tuesday 18th of September 2018 07:28:53 PM

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩এপ্রিল,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় নাজু মিয়া নামে এক যুবকের বাড়িতে প্রেমীকার মাহিমা আক্তার (১৮) বিয়ের দাবীতে অনশন করেছে। প্রেমিক নাজু মিয়া (২০) উপজেলার দক্ষিন বড়দল ইউনিয়নের নালের বন্ধ গ্রামে আলীনুর মিয়ার ছেলে। প্রেমিকা মাহিমা আক্তার একেই ইউনিয়নের নালের বন্ধ গ্রামের পাশেই খইলসা জুরী গ্রামের মৃত আব্দুস ছাত্তার মেয়ে। এ নিয়ে এলাকায় তুলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে গত রবিবার রাতে নালের বন্ধ গ্রামে প্রেমিক নাজু মিয়ার বাড়িতে। ঘটনার পর সোমবার বিকালে তাহিরপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরির্দশন করেছে ও ঐ কিশোরীকে উদ্ধার করে তার মায়ের কাছে রেখেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানাযায়,গত রবিবার রাতে উপজেলার দক্ষিন বড়দল ইউনিয়নের নালের বন্ধ গ্রামে নাজু মিয়া নিজ বাড়িতে ঐ কিশোরীর দীর্ঘ দিনের প্রেমের সর্ম্পক থাকায় তাদের মধ্যে প্রায়ই মেলামেশা হয়।

এখন বিয়ের জন্য চাপ দিলে প্রেমিক নাজু মিয়া টালবাহানা করলে ঐ কিশোরী নাজু মিয়ার বাবা ও মাকে বিষয়টি অবগত করলে তারা থাকে তাড়িয়ে দিয়ে। এরপর মাহিমা বিয়ের নাজু মিয়ার বাড়িতে দাবীতে অনশন শুরু করে। সোমবার সকালে এই বিষয়টি জানাজানি হলে ও স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দিলে ঘটনাস্থলে এসে ঐ কিশোরী উদ্ধার করে। নাজু মিয়ার পিতা আলীনুর মিয়া বলেন,ঐ কিশোরী আমার বাড়ির ভিতরে ডুকে পড়ে। সাথে সাইে স্থানীয় মেম্বার ও গন্যমান্য ব্যাক্তিদের মাধ্যমে তাকে ফিড়িয়ে দেই।

তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)নন্দন কান্তি ধর এঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান,ঐ ঘটনায় মেয়ের পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩এপ্রিলঃ পঞ্চম শ্রেণির তিন ছাত্রীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানার চরপাথর ঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন নিপীড়নের শিকার ছাত্রীদের অভিভাবকরা। অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষকের নাম আবুল হাশেম (৫০)।

স্থানীয়রা জানায়, বেশ কিছুদিন ধরে চরপাথর ঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পঞ্চম শ্রেণির তিন ছাত্রীকে যৌন নিপীড়ন চালিয়ে আসছিলেন। ছাত্রীরা এই বিষয়গুলো অভিভাবকদের জানালেও লোকলজ্জার ভয়ে অভিভাবকরা বিষয়টি গোপন রাখেন।

ঘটনাটি থানা পুলিশের কানে গেলে পুলিশ স্বপ্রণোদিত হয়ে ছাত্রীদের অভিভাবকদের থানায় ডেকে এনে ঘটনা জানতে চায়। পরে ছাত্রীদের কাছ থেকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে এ ব্যাপারে মামলা লিপিবদ্ধ করে পুলিশ।

কর্ণফুলী থানার ওসি জানান, বেশ কিছুদিন ধরে তিন ছাত্রী তাদের প্রধান শিক্ষক কর্তৃক যৌন নিপীড়ন সহ্য করে আসছিল। পরে থানায় ডেকে এনে ছাত্রীদের অভয় দিলে ছাত্রীরা প্রধান শিক্ষক কর্তৃক যৌন নিপীড়নের বর্ণনা দেয়। এর পরই থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক আবুল হাশেম বর্তমানে ঢাকায় অবস্থান করায় তাকে এখনো গ্রেপ্তার করা যায়নি। তবে তাকে গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে বলেও জানান দগ।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩এপ্রিল,ডেস্ক নিউজঃ    পহেলা বৈশাখে সব ধরনের অনুষ্ঠান বিকেল ৫টার আগেই শেষ করতে হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল। এছাড়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইন্সটিটিউট থেকে বের হওয়া শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীরা কোনো প্রকার মুখোশ ব্যবহার করতে পারবেন না বলে জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, কেউ ব্যবহার করতে চাইলেও তা হাতে করে বহন করতে হবে। ভুভুজেলা বাঁশিও ব্যবহার করা যাবে না।

মঙ্গলবার বিকেলে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে পহেলা বৈশাখ ও নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভা শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী।

তিনি বলেন, ঢাকার রমনা বটমূল ও রমনা পার্কে পহেলা বৈশাখের মূল অনুষ্ঠান হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও একটি শোভাযাত্রা বের হয়ে আশপাশের বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করবে।

এছাড়া সারা দেশের মহানগর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বৈশাখী মেলা, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতি অনুষ্ঠান এবং প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

তিনি বলেন, এসব অনুষ্ঠানে সর্বাত্মক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তবে বিকেল ৫টার আগেই শেষ করতে হবে বৈশাখের সব ধরনের অনুষ্ঠান।

মন্ত্রী আরো বলেন, ইভটিজিং বন্ধে ওই দিন অনুষ্ঠানস্থলসহ আশপাশের এলাকায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হবে।

বৈশাখের অনুষ্ঠান উপলক্ষে কূটনৈতিক এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে বলেও জানিয়েছেন মন্ত্রী।

এছাড়া পহেলা বৈশাখের দিন দেশের সকল কারাগারে উন্নতমানের ঐতিহ্যবাহী দেশীয় খাবার পরিবেশন করা হবে এবং আয়োজন করা হবে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন, পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, র‌্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) বেনজীর আহমেদ, ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়াসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

গীতিগমন চন্দ্র রায়,পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ে পীরগঞ্জ উপজেলার ১০নং জাবরহাট ইউনিয়নের ১,২,৩ নং ওয়ার্ডের মহীলা সদস্য রাজবালা রাণী রায় এর বিরুদ্ধে ঘুষ ও দূনীর্তির অভিযোগ পাওয়া গেছে। জানা যায়, ওই ইউনিয়নের বাসিন্দা মাটিয়ানি গ্রামের মালতি রানী রায় এর মাতার নিকট পাকা গৃহ নির্মাণ করিয়া দিবে মর্মে রাজবালা ইউপি সদস্য তার কাছে ১৫,০০০/- টাকা নেন। দেড় বছর অতিবাহিত হলে মালতি রানী ঘর ও টাকা ফেরত না পেয়ে গত ২০/০৩/২০১৮ ইং তারিখে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর ঘর নির্মান করে দেওয়ার নামে টাকা আত্মসাৎ করার নামে অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে জানা যায়, মালতি রাণী রায় একজন অসহায় গরীব শ্রেণীর এক গৃহ কর্মী। দেড় বছর পূর্বে তার মাতাকে রাজবালা পাকা ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার নাম করে, পিআইও কে ঘুষ দেয়ার নাম করে ১৫,০০০/- নিয়ে টালবাহানা করেন। এদিকে গৃহনির্মাণ করে দেয়ার কথা থাকলেও তার নামে তালিকা প্রদান করেন নাই।

মালতি রাণী বলেন আমি রাজবালা ইউপি সদস্যকে বলেছি অনেকবার টাকা ফেরত চেয়েছি কিন্তু সে টাকা দিতে পারবেনা বলে মালতিকে বিভিন্ন ভাষায় গালিগালাজ করেন। অসহায় গরীব মহিলা মালতি রানী ওই ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে টাকা ফেরত সহ সুষ্ঠু ও ন্যায় বিচার সহ দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি জন্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে অভিযোগ করেন। এদিকে ইউপি সদস্য রাজবালার কাছে এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি সাংবাদিককে বলেন, দেড় বছর পুর্বে আমি তার কাছে ধার সরুপ টাকা নিয়েছি । কয়েকদিন পরেই দিয়ে দিব, কিন্তু আমার নামে ইউএনও সাহেবের নিকট অভিযোগ করা তার মোটেই উচিত হয়নি।

এ বিষয়ে এলাকারবাসীকে জিজ্ঞাসাবাদ করিলে সাংবাদিককে জানান আমরাও শুনেছি টাকা নিয়েছে ঘর নির্মাণ করে দেওয়ার জন্য। অপর দিকে সুশীল সমাজ জানায়, এ বিষয়ে কর্র্তৃপক্ষের নিকট ইউপি সদস্যের পথ বহিস্কার পূর্বক ও আইনগত ব্যবস্থার কৃপাকৃষ্টি কামনা করেন।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩এপ্রিল,চুনারুঘাট প্রতিনিধিঃচুনারুঘাট উপজেলার রানীগাঁও ইউনিয়নের করাঙ্গী নদীর বড়জুষ অংশ থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনকারীদের বিরুদ্ধে উত্তর বড়জুষ গ্রামের মৃত আব্দুল খালেকের পুত্র আব্দুল মতিন বাদী হয়ে মঙ্গলবার দুপুরে চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগে জানা যায় যে, করাঙ্গী নদীর বড়জুষ বাজারের অংশ, বসতবাড়ি ও পারকুল টি এস্টেটের ৬৩ নং খতিয়ানের ১০৪০, ১০৪১ ও ১০৪২ নং দাগের ভূমি থেকে রানীগাঁও ইউনিয়নের দক্ষিণ মিরাশী গ্রামের শরীয়ত উল্লার পুত্র আঃ কাদির (৪০), সবুজ মিয়া (২৫), শিশু মিয়ার পুত্র জমরুত মিয়া (২২), পশ্চিম মিরাশী গ্রামের মৃত ছাবু মিয়ার পুত্র ইব্রাহিম মিয়া (৪২)সহ একদল বালুখেকো চক্র ২টি ড্রেজার মেশিন বসিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলণ করে আসছে।

এ বিষয়ে আব্দুল মতিন প্রতিবাদ করলে বালুখেকোরা তাকে প্রাণনাশের হুমকি-ধামকি প্রদান করে। বালুখেকোরা ভোর রাতের আধারে বালু উত্তোলণ করিয়া বিভিন্ন স্থানে ট্রাক্টর, ট্রাকযোগে বালু পাচার করে আসছে। যার কারণে এলাকার অনেকের বসতবাড়ি, চারা জমি, গাছ-গাছালি বাগান সহ আশপাশের জমি-জমা, রাস্তাঘাট ক্ষতিসাধিত হচ্ছে। বালুখেকোরা বেপরোয়া হয়ে বিভিন্ন স্থানে বালু বিক্রি করে লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করছে। সরকার হারাচ্ছে লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব। অন্যদিকে উপজেলার রানীগাঁও ইউনিয়নের উত্তর বড়জুষ গ্রামের মৃত আব্দুল খালেকের পুত্র আব্দুল কাদির (৩০) বাদী হয়ে অবৈধ বালু উত্তোলণ বন্ধ করার জন্য এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে গত ২ এপ্রিল চুনারুঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবরে উক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

বালুখেকো চক্ররা দীর্ঘদিন যাবত ধরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলণ করায় চুনারুঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ কে.এম আজমিরুজ্জামানের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে উক্ত অভিযোগটি চুনারুঘাট থানার এস.আই কবির হোসেন ভূঁইয়া বিকেলে করাঙ্গী নদীর ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিদর্শন করে অবৈধ বালু উত্তোলণ বন্ধ করে দিয়ে আসেন। স্থানীয় সচেনতন মহলরা অবৈধভাবে বালু উত্তোলণ বন্ধ করার জন্য প্রশাসনের প্রতি সুদৃষ্টি কামনা করছেন।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩এপ্রিল,কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি:কমলগঞ্জ উপজেলার মুন্সীবাজার জেনুইন কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার থেকে বাড়ি ফেরার পথে সিএনজি-অটোরিক্সায় মৌলভীবাজার সরকারি মহিলা কলেজের অনার্স ১ম বর্ষের মেধাবী কলেজ ছাত্রীকে শ্লীলতাহানীর চেষ্টার প্রতিবাদে মুন্সীবাজার জেনুইন কম্পিউটার সাইন্স এন্ড টেকনোলজির শিক্ষার্থীদের আয়োজনে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১১ টায় মুন্সীবাজার কালীপ্রসাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এক মানববন্ধন কর্মসুচী পালিত হয়। এ সময় বক্তারা অবিলম্বে মামলার প্রধান আসামীকে গ্রেফতারের জোর দাবি জানান।

প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজিং ডিরেক্টর দিবাংশু দেবনাথের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কালীপ্রসাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সত্যেন্দ্র কুমার পাল, এসএমসি সদস্য হামিদুল হক চৌধুরী বাবর, মুন্সীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান, ব্যবসায়ী ইব্রাহীম আহমদ সুমন, যুবলীগ নেতা বদরুল ইসলাম, ছাত্রলীগ নেতা রাহাত চৌধুরী, জনি চৌধুরী, কমলগঞ্জ সমাজকল্যাণ পরিষদের লুৎফুর রহমান জাকারিয়া, শামসুল ইসলাম, আনিসুল ইসলাম চৌধুরী শাকের, মাহফুজ আহমদ প্রমুখ।

সভায় বক্তারা অবিলম্বে মামলার মূল আসামী সিএনজি চালক আব্দুল মতলিবকে গ্রেফতার করে দুষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবী জানান।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩এপ্রিল,কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি: কমলগঞ্জ উপজেলার গোপাল নগর রেলক্রসিং এলাকা থেকে অনার্স শেষ বর্ষের পরীক্ষার্থী তাসরিকা হক তান্নি এর খন্ডবিখন্ড মরদেহ উদ্ধার ঘটনায় মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের দাবি জানিয়েছেন তান্নির শ্বশুড়। পাঁচ মাসের অন্তসত্ত্বা গৃহবধু ও শিক্ষার্থী তান্নির মৃত্যু ঘটনায় বড় ভাই বাদি হয়ে উদ্দেশ্যমূলকভাবে মৌলভীবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে হয়রানি মূলক পিটিশন মামলায় পরিবারের ৬ সদস্যের বিরুদ্ধে আসামী করায় মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটন না করার পায়তারা করা হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।

মঙ্গলবার বিকাল ৩ টায় এ প্রতিবেদকের সাথে আলাপকালে তাসরিকা হক তান্নি (২৪) এর শ্বশুড় মজবুল আলী বলেন, পুত্রবধুর অনাকাঙ্খিত মৃত্যু ঘটনায় আমরা গোটা পরিবার সদস্যবৃন্দ মানসিকভাবে চরম বিপর্যস্ত ও শোকাহত। গত ২৮ মার্চ তান্নি অনার্স চতুর্থ বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষা দিতে গিয়ে ঐদিন সন্ধ্যায় আর বাড়ি ফিরে আসেনি। দেরী দেখে আমরা খোঁজাখুঁজি শুরুর এক পর্যায়ে সন্ধ্যা ৭ টায় তান্নি তার নাম্বার থেকে স্বামী রাসেলের মোবাইলে ফোন দিয়ে জানায় শমশেরনগর রেললাইন ধরে হাঁটছে।

রাসেল বিষয়টি তান্নির বড় ভাই তামিমকে ফোনে জানায়। এরপর সবাই মিলে খোঁজাখুঁজির পর রাত সাড়ে ৮টায় তামিম রেলপথে তান্নির খন্ডবিখন্ড লাশ দেখতে পায়। পাঁচ মাসের অন্ত:স্বত্তা তান্নির এ ঘটনায় দুটি প্রাণের অকাল মৃত্যুর ঘটনা শুনার পর আমাদের গোটা পরিবার মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়ি। তান্নির সাথে আমার পরিবার সদস্যদের সু-সম্পর্ক ছিল। পারিবারিক কোন ঝামেলার কারনে তান্নির আত্মহত্যা করার প্রশ্নই উঠে না।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে নিহত তান্নির ভাই আজিজুল হক তামিম বলেন, আমার বোনের স্বামী আলী ইবতেজা রাসেল, যৌতুকের জন্য শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে আসছিল এর জের ধরে বোনের স্বামী ও তার সহযোগিদের মাধ্যমে পরিকল্পিতভাবে পরীক্ষা শেষে বাড়ি ফেরার পথে নির্যাতনের পর প্রাণে হত্যা করে রেললাইনের উপর ফেলে দেয়।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc