Wednesday 25th of April 2018 08:10:57 PM

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০২এপ্রিলঃ সাড়া দেশে একযুগে জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ ১-৭ এপ্রিল ২০১৮ পালিত হচ্ছে।আজ শ্রীমঙ্গল উপজেলার দেওয়ান শামসুল ইসলাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শ্রীমঙ্গল উপজেলার কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহের শুভ উদ্বোধন করেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ জয়নাল আবেদীন টিটু এতে আরো উপস্থিত ছিলেন,অত্র বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ডাঃ হরিপদ রায়,উপজেলা সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা জ্যোতিশ রঞ্জন দাশ,বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুবিনয় পাল, স্বাস্থ্য কর্মী মোঃ ছুরুক মিয়া ও আনোয়ার গাজী প্রমুখ।প্রেস বার্তা।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০২এপ্রিলঃ     সুনামগঞ্জে নানা অঘটনে হুমকির মূখে বেরী বাধঁ সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জের হালির হাওরের বোরো ফসল রক্ষায় ঝুঁকিপূর্ণ কালিবাড়ি ক্লোজার (ভাঙ্গা) ও ওই বাঁধের ক্ষতি সাধনের চেষ্টা চলছেই। ওই ক্লোজারের নিরাপত্তায় দুর্বৃত্তদের আইনের আওতায় আনার জোরালো দাবি উঠেছে। অভিযোগ উঠেছে,উপজেলা বেহেলী ইউনিয়নের বেরী বাধেঁর একমাত্র প্রধান বাধা হয়ে দাড়িয়েছে হরিপুর মৎস্যজীবি সমিতির সভাপতি একই গ্রামের নিকঞ্জু বিহারীর ছেলে প্রভাকর রায়ের বিরোদ্ধে।
জানা যায়,গত বছর হাওরে কালি বাড়ি ক্লোজারের ভাঙ্গা দিয়ে পানি এসে সমস্ত হাওরের ফসল তলিয়ে যায়। যার কারনে উপজেলা কাবিটা প্রকল্প বাস্তবায়ন ও মনিটরিং জেলা কমিটির সভায় এসব বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন হালির হাওরের দায়িত্ব প্রাপ্ত পাউবোর উপ-সহকারি প্রকৌশলী নিহার রঞ্জন দাস। বেরী বাধেঁর দু-পাশে ড্রেজারের মাটি গভীর গর্ত ভরাট করার জন্য উপজেলা তদারকি কমিটির সিদ্ধান্ত হয়।

সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শাখা কর্মকতা ও ড্রেজার কতৃপক্ষ বালি ভরাট করতে গেলে হরিপুর মৎস্য জীবি সমিতির সভাপতি প্রভাকর রায় শাখা কর্মকর্তাকে মোবাইলে ২টি নাম্বার থেকে গর্তে মাটি ভরাট করলে দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তার হাত-পা ভাঙ্গাসহ প্রানে মারার হুমকি দেয়। হুমকির পর তদারকি কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশে গত ১২.০৩.১৮ তারিখে সমিতির সভাপতিসহ অজ্ঞাতনামা কয়েক জনকে আসামি করে জামালগঞ্জ থানায় একটি সাধারন ডায়রি করেন পাউবোর উপজেলা শাখা কর্মকর্তা নিহার রঞ্জন দাস। পর দিন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তদারকি কমিটির অন্যান্য সদস্যসহ ওই গর্তে মাটি ভরাটের কাজ শুরু করেন।

এবং কালিবাড়ি ক্লোজারের পার্শবর্তী হরিপুর গ্রামের ভজন তালুকদাকে বাধঁটি রক্ষণাবেক্ষনের দায়িত্ব দেওয়া হলেও কাজের কাজ কিছুই হয় নি। এরপর গত ১৯মার্চ সোমবার গভীর রাতে কালীবাড়ির বাঁধের কাছের গর্ত ভরাটের কাজে ব্যবহৃত ড্রেজার মেশিনের প্লাস্টিকের পাইপ ক্ষতিগ্রস্ত করে দুর্বৃত্তরা। লোহার সাবল গরম করে প্লাস্টিকের পাইপের কয়েক জায়গা ছিদ্র করা হয়। সর্বশেষ গত শনিবার রাতে ওই ক্লোজারের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা লোকজনকে হুমকি দিয়ে ড্রেজারের পাইপ কেটে দেয় দুর্বৃত্তরা।
পাউবোর উপ-সহকারী প্রকৌশলী জানান,গত ১৯মার্চ রাতে বৌলাই নদীর ড্রেজিং প্রকল্পের প্রধান প্রকৌশলী খায়রুল মোমেন আহমদ ড্রেজারের পাইপ ছিদ্র করার বিষয়টি জামালগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবগত করেন। চিঠিতে ড্রেজার মেশিনের নিরাপত্তা জোরদার ও ঘটনার সাথে জড়িতদের শাস্তির জন্য অনুরোধ করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মনিরুল হাসান জানান,বাঁধ-ক্লোজার ও ড্রেজার মেশিনের নিরাপত্তা জোরদার ও ঘটনার সাথে জড়িতদের দ্রুত বিচার আইনে ও জন গুরুত্ব বিবেচনায় তদন্ত করে আইনের আওতায় আনার থানার অফিসার ইনচার্জকে চিটি দেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি ওই বাঁধের পাহাড়ার জন্য ইউপি সদস্য মনু মিয়াকে ১০জন পাহাড়াদারসহ বাধঁ ও ড্রেজারের নিরাপত্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০২এপ্রিল,জহিরুল ইসলাম.মৌলভীবাজার:মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের সন্ধানী আবাসিক এলাকায় লালমোহন সাধুর চড়কপূজা অনুষ্ঠিত। গম্ভীরপূজা বা শিবের গাজন এই চড়ক পূজারই রকমফের। চড়ক পূজা চৈত্রসংক্রান্তিতে অর্থাৎ চৈত্র মাসের শেষের দিকে অনুষ্ঠিত হয়। আগের দিন চড়ক গাছটিকে ধুয়ে-মুছে পরিষ্কার করা হয়। এতে জলভরা একটি পাত্রে শিবের প্রতীক শিবলিঙ্গ রাখা হয়, যা পূজারিদের কাছে ‘বুড়োশিব’ নামে পরিচিত।
আজ সোমবার দুপুর ১১ ঘটিকায় হরগৌরী ও শীতলি দেবীর পুজার মাধ্যমে শুরু হয় এই পূজার কার্যবিধি। সনাতন ধর্মের লোক ছাড়াও অন্যান্য ধর্মের কয়েক হাজার মানুষের পদচারনায় মুখর হয় পূজাস্থল। পূজাস্থলের আশেপাশের বিশাল অংশজুড়ে বসে মেলা। দুপুর ৩ ঘটিকার দিকে চড়ক গাছ ঘুরানো হয়। সন্ন্যাসীরা নিজের শরীর বড়শিতে বিঁধে চড়কগাছে ঝুলে শূণ্যে ঘুরতে থাকেন। পিঠে বাণ ফুড়িয়ে চড়ক গাছের সঙ্গে বাশঁ দিয়ে তৈরি করা বিশেষ এক ধরনের চড়কায় ঝুলন্ত দড়ির সঙ্গে পিঠের বড়শি বেঁধে দেওয়া হয়। চড়কগাছে ভক্ত বা সন্ন্যাসীকে লোহার হুক দিয়ে চাকার সঙ্গে বেঁধে দ্রুতবেগে ঘোরানো হয়। তার পিঠে, হাতে, পায়ে, জিহ্বায় এবং শরীরের অন্যান্য অঙ্গে বাণ শলাকা বিদ্ধ করা হয়। আগের দিন রবিবার রাত ১২ঘটিকায় অদিবাস ও কালি পুজা হয়।

এছাড়াও জ্বলন্ত অঙ্গারের ওপর হাঁটা, কাঁটা আর ছুঁড়ির ওপর লাফানো, বাণফোঁড়া, শিবের বিয়ে, অগ্নিনৃত্য এবং হাজারা পূজা করা হয়। লালমোহন সাধুর মেয়ে শান্তি দেবনাথ জানান, আমরা ৬৬ বছর যাবত এই পূজা করে আসছি। এই পূজায় মোট ২৫ জন ভক্ত থাকে এবং তাদের কে ৮ হাজার টাকা দিয়ে আনা হয়। পূজার কাজটি করার আগে প্রায় ৪/৫ দিন আগে থেকে মাছ-মাংস বাদ দিয়ে শুধু নিরামিষ খেতে হয় এবং মাঝে মাঝে উপোস থাকতে হয়। আয়োজক কমিটির সাথে আলাপ করে আরো জানা যায়, পূর্বপুরুষের ঐতিহ্য হিসেবেই তারা এই পূজা করে আসছেন। মূলত, হিন্দুধর্মীয় দেবতা শিবের সান্নিধ্য লাভ করতেই তারা এই পূজা করে থাকেন। পূর্বে লালমোহন দেবনাথ( লালমোহন সাধু) এই পূজা করলেও বর্তমানে লালমোহন দেবনাথের মেয়ে শান্তী দেবনাথ এই চড়ক পূজা করে আসছেন।
চড়ক পূজা কবে কিভাবে শুরু হয়েছিল তার সঠিক ইতিহাস জানা যায়নি। তবে জনশ্রুতি রয়েছে, ১৪৮৫ খ্রিস্টাব্দে সুন্দরানন্দ ঠাকুর নামের এক রাজা এই পূজা প্রচলন করেন। রাজ পরিবারের লোকজন এই পূজা আরম্ভ করলেও চড়কপূজা কখনও রাজ-রাজড়াদের পূজা ছিল না।
উল্লেখ্য, বর্তমানে এই চড়ক পূজা আমাদের দেশীয় সংস্কৃতির উৎসবে পরিণত হয়েছে। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে মেলা বসে যা “চড়ক সংক্রান্তির” মেলা নামে পরিচিতি।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০২এপ্রিল,চুনারুঘাট থেকে বিশেষ প্রতিনিধিঃ চুনারুঘাট সাটিয়াজুরী ইউনিয়নের ইছাকুটা বাজার সংলগ্ন ধানি ফসলি জমি থেকে জোরপূর্বক মাটি কেটে নিচ্ছে এলাকার প্রভাবশালী ভূমিদস্যুরা। ফসলি জমিতে ভেকো মেশিন বসিয়ে মাটি কেটে নেওয়ায় এসব জমির বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। যার ফলে মাটি কেটে নেয়া ওইসব জমিতে এবার ফসল করতে পারেনি জমির মালিক ।

ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকের অভিযোগ, ইছাকুটা গ্রামের মৃত আব্দু রহমানের পুত্র সাজিদুল হক আব্দুল মাজিদ আব্দুস সালাম রাজন মিয়াসহ একদল ভূমিদস্যু ভেকো মেশিন দিয়ে তাদের জমি থেকে মাটি উত্তোলন করে বিক্রী করছে স্থানীয় ইটভাটাগুলোতে। গত কয়েকদিন ধরে জমির মালিক মাটি উত্তোলন বন্ধ করতে বললে ভূমিদস্যুরা তাদের হুমকি প্রদান করেন করেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী অসহায় মহিলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানাযায়, সাটিয়াজুরী ইউনিয়নের ইছাকুঠা মৌজার ৭৪ জেএল নং ৪৫৭ নং খতিয়ানের ৩৬০ নং দাগের. ৪০ শতক ভূমি থেকে জোড় পুর্বক মাটি কেটে বিক্রি করে লুটে নিচ্ছে অর্থ।

এলাকার এক শ্রেনীর স্বার্থন্বেষী ব্যক্তিদের হাত করে লুটে নিচ্ছে অসহায় মহিলার সম্পত্তির মাটির টাকা। সূত্রে জানা যায় যে সম্পত্তি থেকে মাটি কাটা হচ্ছে, তাহা অসহায় মমহিলার খরিদক্রিত ভূমি যার দলিল নং ৫৯২৭/২০০২। স্থানীয় এক নেতার নাম ভাঙ্গিয়ে এ বিশাল ভূমিটি গ্রাস করেছ এক শ্রেনীর লোক।এতে প্রায় ১০ লক্ষ টাকার সম্পত্তি লুটেপুটে খাচ্ছে চক্রটি। আজ প্রায় কয়েক দিন থেকে ট্রাক্টর দিয়ে মাটি বিক্রি করছেন। খরিদকৃত সম্পত্তি রক্ষা করার জন্য সমাজের মুরুব্বীয়ানদের ধারে ঘুরেও কোন সুরাহা পাচ্ছেন না। এদিকে মাটি কেটে নেয়ায় আশে পাশের কৃশি জমির ব্যাপক ক্ষতিসাধন হচ্ছে। ওই এলাকা থেকে ভূমিদস্যুরা স্ক্যাভেটর (ভেকো) দিয়ে ট্রাকের মাধ্যমে স্থানীয় কয়েকটি ইটভাটায় মাটি বিক্রি করছে। ফলে এলাকা সাইটের জমি ও রাস্তা-ঘাট ভেঙ্গে যাওয়ার পরিণত হয়েছে। কিন্তু ভূমিদস্যুরা মাসখানেকদিন ধরে ফসলি, কৃষি ও জমির মাটি কেটে পুরো এলাকায় পুকুরে পরিণত হতে যাচ্ছে।

তাই জরুরী ভিত্তিতে বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য সংশিষ্ট প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। জমির মালিক নাছিমা বেগম বলেন, আমার বাড়ি ইছাকুটা গ্রামে। সেখানে ভেকো মেশিন দিয়ে জোরপূর্বক মাটি কেটে নেওয়ায় আমার ৪০ শতাংশ জমিতে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। ওই জমিতে আগামী ১০ বছর কোনো আবাদ হওয়ার সম্ভাবনা নেই। এ সময় তিনি অভিযোগ করে বলেন, মাটি কাটা বন্ধের কথা বলায় আমাকে প্রাণনাশের হুমকী দিয়েছে ভূমিদস্যুরা। উত্তোলনকৃত এসব মাটি বিক্রি করে প্রভাবশালী ভূমিদস্যুরা লাভবান হলেও আমার জমির ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তাই। মাটি কাটার কারনে এসব জমিতে কোনো আবাদ করতে পারিনি।

অভিযোগ করে বলেন, জোরপূর্বক মাটি কাটা বন্ধের জন্য স্থানীয় প্রশাসনকে জানানো হলেও এর কোনো প্রতিকার পাচ্ছি না। ফসলি জমি কেটে মাটি উত্তোলন বন্ধে প্রশাসন দ্রুত আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করবে এমন প্রত্যাশা ক্ষতিগ্রস্ত ভূমি মালিকের।

চুনারঘাট থানার ওসি আজমিরুজ্জামান এ ব্যাপারে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছু জানিনা। জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ কাইজার ফারাবী বলেন এ বিষয়ে আমি অবগত ছিলাম না ।

এ ব্যাপারে আজ ০২ মার্চ অভিযোগ পেয়েছি তদন্তক্রমে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০২এপ্রিল,হাবিবুর রহমান খানঃ    সারা দেশের ন্যায় মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলায় এইচএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।এতে ৩টি ভ্যানুতে এই পরিক্ষা অনুষ্টিত হয়। প্রথম দিনেই ১ হাজার ৪৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে অনুপস্থিত রয়েছে ১১ জন। তন্মধ্যে এক পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

সোমবার (২এপ্রিল) বাংলা ১ম পত্র পরীক্ষায় অসাধুপায়ে পরীক্ষার হল রুমে মোবাইল ফোন নিয়ে প্রবেশের দায়ে জুড়ী তৈয়বুনেসা খানম ডিগ্রী কলেজের ব্যবসা শাখার পরীক্ষার্থী কিপাস পালা (রোল নং ৫০৯৭৮৮) কে বহিষ্কার করা হয়েছে। এ ছাড়াও জুড়ী কলেজের এক শিক্ষককে পরীক্ষার হল গার্ড থেকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

জুড়ী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এস এম শহিদুল ইসলাম বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মোবাইল ফোন নিয়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ নিষেধ থাকার পরও ওই পরীক্ষার্থী মোবাইল ফোন নিয়ে আসায় থাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০২এপ্রিল,ডেস্ক নিউজঃ   সিলেট বিভাগসহ সারাদেশে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হচ্ছে আজ সোমবার (০২ এপ্রিল)। চলবে সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে দুপুর ১টা পর্যন্ত। এদিকে প্রশ্নফাঁস রোধে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীসহ ২৮টি ইউনিট কাজ করবে। আর প্রশ্নফাঁসের তথ্য দিতে জরুরি সেবার ‘৯৯৯’ নম্বরে কল করা যাবে।
সোমবার সকাল ৯টায় শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ রাজধানীর বেইলি রোডের সিদ্ধেশ্বরী গার্লস কলেজের পরীক্ষা কেন্দ্র পরির্দশন করবেন। অন্যদিকে, একই সময়ে পুরান ঢাকার বকশিবাজার আলিয়া মাদরাসা কেন্দ্র পরিদর্শন করবেন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আলাদা দুটি বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, এবার সারা দেশে ১০টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ১৩ লাখ ১১ হাজার ৪৫৭ পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করবে। যা গত বছরের তুলনায় ১ লাখ ২৭ হাজার ৭৭১ পরীক্ষার্থী বেড়েছে। বৃদ্ধি হার ১০ দশমিক ৭৯ শতাংশ। এবার ছেলেদের তুলনায় মেয়ের সংখ্যা কম। ছেলে ৬ লাখ ৯২ হাজার ৭৩০ এবং মেয়ে ৬ লাখ ১৮ হাজার ৭২৮ জন।
সোমবার আট সাধারণ বোর্ডের অধীনে বাংলা ১ম পত্র (আবশ্যিক), সহজ বাংলা ১ম পত্র, বাংলা ভাষা ও বাংলাদেশের সংস্কৃতি ১ম পত্র, মাদরাসা বোর্ডের অধীনে কোরআন মাজিদ ও কারিগরি বোর্ডের অধীনে বাংলা ১ম পত্র (আবশ্যিক) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ১৩ মে। ১৪ মে ব্যবহারিক পরীক্ষা শুরু হয়ে ২৩ মে শেষ হবে।
এবারও শুরুতে বহুনির্বাচনী (এমসিকিউ) এবং পরে রচনামূলক অংশের পরীক্ষা হবে। ৩০ নম্বরের বহুনির্বাচনী পরীক্ষার সময় ৩০ মিনিট এবং ৭০ নম্বরের সৃজনশীল পরীক্ষার সময় আড়াই ঘণ্টা। পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট আগে কেন্দ্রীয়ভাবে লটারির মাধ্যমে প্রশ্ন সেট নির্ধারণ করে সব বোর্ডে অভিন্ন প্রশ্নে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি কেন্দ্রে একাধিক প্রশ্নের সেট পৌঁছে দেয়া হবে।
প্রশ্নফাঁস রোধে গত ২৯ মার্চ থেকে পরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত সব ধরনের কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আর পরীক্ষা কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে পরীক্ষার্থী ছাড়া জনসাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। গত এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁসের বিস্তর অভিযোগের পর এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ জানিয়েছেন, এইচএসসি পরীক্ষায় আমরা আগের চেয়ে আরো অনেক বেশি কঠোর অবস্থান নিয়েছি। অনেক বেশি ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি, অনেক বেশি পদ্ধতি অ্যাপ্লাই করেছি। আশা করতে পারি প্রশ্নফাঁস হবে না। শিক্ষাসচিব সোহরাব হোসাইন জানিয়েছেন, প্রশ্নফাঁস রোধে বাংলাদেশ ব্যাংক, পুলিশসহ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীতে নিয়োজিত ২৮টি ইউনিট কাজ করবে।
তথ্যমতে, এবার এইচএসসি পরীক্ষায় সারা দেশে মোট কেন্দ্রের সংখ্যা কমে গেছে। এবার মোট ২ হাজার ৫৪১ কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। যা গত বছরের তুলনায় ৪৪টি কমেছে। এছাড়া বিদেশি ৭টি কেন্দ্রে এবার পরীক্ষার্থী ২৯৯। প্রতি বছরের মতো এবারও প্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদাপ্রাপ্ত পরীক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ৩০ মিনিট বরাদ্দ থাকবে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০২এপ্রিল,জহিরুল ইসলাম: “শিক্ষা খাতে সুশাসন ও মেধাভিত্তিক বাংলাদেশ, চাই পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের কার্যকর নিয়ন্ত্রন” এই বিষয়টিকে সামনে রেখে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে সচেতন নাগরিক কমিটি (সনাক),টিআইবি শ্রীমঙ্গল এর উদ্যোগে আজ রবিবার দুপুরে শ্রীমঙ্গল চৌমুহনা চত্বরে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় মানববন্ধনে শ্রীমঙ্গলের বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অভিভাবকসহ সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন। এসময় বক্তারা বলেন,পাবলিক পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁস হওয়া বড় ধরনের দুর্নীতি এবং এটি শিক্ষা খাতে সুশাসনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ।শিক্ষা ব্যবস্থার কিছু ক্ষেত্রে সুশাসনের ঘাটতি এবং প্রশ্ন ফাঁসের সাথে জড়িতদের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে না পারার পাশাপাশি শিক্ষক-শিক্ষার্থী-অভিভাবকসহ জনগণের সচেতনতার অভাবেও প্রশ্ন ফাঁস রোধ করা সম্ভব হচ্ছে না।

মানবনদ্ধনে প্রশ্ন ফাঁস রোধে সনাক-টিআইবি’র সুপারিশ মালা:
পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করা এবং মেধাভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন ধুলিস্মাৎ করার সামিল। প্রশ্ন ফাঁস রোধে সরকারের সহায়ক হিসেবে অবদান রাখার লক্ষ্যে সনাক-টিআইবি নিম্নলিখিত সুপারিশ করছে:-

(১) ‘পাবলিক পরীক্ষাসমূহ (অপরাধ) (সংশোধন) আইন, ১৯৯২’ এর ৪ ধারা পুনরায় সংশোধন করে শাস্তির মাত্রা পূর্বের ন্যায় সর্বোচ্চ ১০ বছরের কারাদণ্ডের বিধান প্রণয়ন এবং নির্দিষ্ট ধারা অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করা (২) কোচিং সেন্টার নিষিদ্ধকরণে সরকারের ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য বন্ধ নীতিমালা -২০১২’ এর অস্পষ্টতা দূর করা এবং কোচিং বাণিজ্য বন্ধে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সংশ্লিষ্টদের বিভিন্ন প্রণোদনাসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করা (৩) প্রশ্ন ফাঁস রোধ ও সৃজনশীল পদ্ধতির উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে গাইড বইয়ের আদলে প্রকাশিত সহায়ক গ্রন্থাবলী বন্ধে প্রচলিত আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করা (৪) তথ্য প্র যুক্তির অপব্যবহার রোধে তদারকি বাড়ানো ও প্রচলিত আইনের অধীনে শাস্তি নিশ্চিত করা (৫) ধাপ কমিয়ে প্রশ্ন প্রণয়ন, ছাপানো ও বিতরণের কাজটি পরীক্ষামূলকভাবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন করা এবং পরবর্তীতে সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা। প্র য়োজনে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণ করা (৬) প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে গঠিত যেকোনো তদন্ত প্রতিবেদন জনসম্মুখে প্রকাশ এবং সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা (৭) শিক্ষা ও পরীক্ষা পদ্ধতি এবং ব্যবস্থাপনাগত যেকোনো পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সকলকে পর্যাপ্ত সময় দেওয়া এবং যথাযথ প্রশিক্ষণ প্রদান করা (৮) প্রশ্ন ফাঁস রোধে বহুনির্বাচনী প্রশ্নব্যবস্থা ক্রমান্বয়ে তুলে দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করা (৯) পাবলিক পরীক্ষায় প্রতিটি বিষয়ে প্রশ্নপত্রের একাধিক সেট রাখা।
মানববন্ধনে বক্তরা বলেন, যেকোন মূল্যে প্রশ্নপত্র ফাসঁ রোধ করতে হবে। দুর্নীতি শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করতে চলেছে। শিক্ষা খাতে আমরা যদি দুর্নীতি ও প্রশ্নপত্র ফাসঁ না ঠেকাতে পারি তাহলে আমাদের দেশ হয়ে যাবে মেধা শূন্য। দেশের সব কোচিং সেন্টার অতিশীঘ্রই বন্ধ করতে হবে। মানববন্ধনে আরো বক্তব্য রাখেন স্বজন সদস্য জনাব শাহ আরিফ আলী নাসিম, নিতেশ সূত্রধর, সৈয়দ আমিরুজ্জামান, এস এ হামিদ, জাবেদ আহমদ প্রমুখ। মানববন্ধনটি পরিচালনা করেন সনাক টিআইবি’র এরিয়া ম্যানেজার পারভেজ কৈরী। মানববন্ধনটির সহযোগিতায় সনাক শ্রীমঙ্গলের ইয়েস গ্রুপের সদস্যরা।

মানববন্ধনে বক্তরা আরোও বলেন,যেকোন মূল্যে প্রশ্নপত্র ফাসঁ রোধ করতে হবে। দুর্নীতি শিক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করতে চলেছে।শিক্ষা খাতে আমরা যদি দুর্নীতি ও প্রশ্নপত্র ফাসঁ না ঠেকাতে পারি তাহলে আমাদের দেশ হয়ে যাবে মেধা শূন্য। দেশের সব কোচিং সেন্টার অতিশীঘ্রই বন্ধ করতে হবে। মানববন্ধনে আরো বক্তব্য রাখেন,সৈয়দ আমিরুজ্জামান, স্বজন সদস্য  শাহ আরিফ আলী নাসিম,নিতেশ সূত্রধর, এস এ হামিদ,জাবেদ আহমদ প্রমুখ।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০২এপ্রিল,কমলগঞ্জ প্রতিনিধিঃ   কমলগঞ্জ উপজেলায় অতিদরিদ্রের কর্মসংস্থানে সরকারের গৃহীত কর্মসৃজন প্রকল্পের সুফল পায়নি প্রকৃত দরিদ্র লোকজন। ইউপি চেয়ারম্যানের নির্দেশনায় প্রকল্প সংশ্লিষ্ঠ চেয়ারম্যান মেম্বাররা নিজেদের ঘনিষ্ট আত্মীয়-স্বজন, পান ও চাল ব্যবসায়ী, ইউডিসি উদ্যোক্তা, বিত্তশালী ও সরকারী চাকুরীজীবি পরিবারের সদস্যদের নাম শ্রমিক তালিকায় অর্ন্তভুক্ত করে প্রকল্পের অর্থ ভাগাভাগি করে নিয়েছেন। অধিকাংশ তালিকা ভুক্ত শ্রমিক জানেই না এ প্রকল্পের খবর। এছাড়াও প্রকল্প এলাকায় খুজে পাওয়া যায়নি কোন সাইনবোর্ড। গোপনেই লুটপাট করে নেওয়া হয়েছে ৪০ দিনের প্রকল্পের বরাদ্দের টাকা। গত তিনদিন ধরে উপজেলার আদমপুর ইউনিয়নে সরেজমিনে খোঁজ নিতে গিয়ে এ অনিয়ম ও লুটপাটের চিত্র ফুটে উঠেছে। ইউপি সদস্য বশির বক্স, জুমের আলী, রেজাউল করিম ও সুনীল কুমার সিংহ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ইউপি সদস্যরা নামে মাত্র প্রকল্প চেয়ারম্যান,প্রকৃতপক্ষে ইউপি চেয়ারম্যানের নির্দেশনায় এসব অনিয়মের ঘটনা ঘটছে।

জানা গেছে, উপজেলার গ্রামীন রাস্তাঘাট উন্নয়ন ও হতদরিদ্রদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় থেকে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ইজিপিপি কর্মসুচির ১ম পর্যায়ে আদমপুর ইউনিয়নের৪টি প্রকল্পে ২৬ লাখ ৫৬ হাজার টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। ৩৩২ জন শ্রমিকের কাজ করার জন্য ২০১৭ সালের ডিসেম্বর থেকে চলতি বছরের জানুয়ারী মাসের মধ্যে প্রকল্পের কাজ সঠিকভাবে সম্পন্নের নির্দেশনা থাকলেও দুর্বল তদারকির কারণে প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা ভূয়া ও স্বল্প শ্রমিক দিয়ে নামমাত্র কাজ করে প্রকল্পের সিংহভাগ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

প্রকল্প চেয়ারম্যান ইউপি সদস্য কে মনিন্দ্র সিংহ নিজ সম্প্রদায় মনিপুরী ৩৬জন পুরুষ ও ২৫জন মহিলা কে অতিদরিদ্র দেখিয়ে শ্রমিক তালিকা ভুক্ত করলেও বাস্তবে তাদের কেউ প্রকল্প এলাকায় কাজ করেনি। অথচ তালিকাভুক্ত সব মনিপুরী শ্রমিকরা স্বচ্ছল ও শিক্ষিত। ছনগাওঁ গ্রামের তালিকাভুক্ত মনিপুরী মহিলা শ্রমিক রাসে দেবী কোন কাজ করেনি তবে চেকে স্বাক্ষর দিয়ে ৫শত টাকা ও ভানুবিল গ্রামের বেলী রাণী মাত্র ২০০টাকা পেয়েছেন বলে জানান। একই প্রকল্পের শ্রমিক এলাকার বিত্তশালী নাসির মিয়া কাজ করার কথা অস্বীকার করে জানান, তার ৪ ছেলে প্রবাসে। তিনিও হতবাক। এ বিষয়ে অবগত নন। ডিজিটাল শ্রমিক হিসেবে পরিচিত আদমপুর ইউপির তথ্য সেবা কেন্দ্রর উদ্যোক্তা অশোক মীতৈর সাথে বারবার তার মুঠোফোনে(০১৭১৫৪৯০১০৫) কথা বলতে চাইলে ফোন না ধরায় যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।
নির্ধারিত শ্রমিক তালিকায় অর্ন্তভূক্ত সরকারী চাকুরীজীবি পরিবারের সদস্য, সৌখিন গৃহিনী,ব্যবসায়ীরা টাকার ভাগ পেয়েছেন বলে ঘোড়ামারা গ্রামের নিলিমা রানী সিনহা, অঞ্জলী দেবী, শ্রাবনী সিনহা ,উত্তর ভানুবিলের চিত্ত বিশ্বাস স্বীকার করেছেন। এছাড়াও শ্রমিক তালিকায় থাকা অঞ্জনা রানী সিনহা একজন পুলিশ কর্মর্কতার স্ত্রী। কুতুব আলী, সুজন মিয়া,আছকর আলী,বাদশা মিয়া কোন কাজ করেননি,টাকাও পাননি বলে জানিয়েছেন।

এদিকে তালিকাভূক্ত শ্রমিক স্যানিটারী ব্যবসায়ী মোঃ আমির হোসেন কোন কাজ না করে চেকে স্বাক্ষর দিয়ে সাড়ে সাত হাজার টাকা তুলে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প চেয়ারম্যানকে দিয়েছেন বলে স্বীকার করেছেন। এভাবেই ইউনিয়নের অন্যান্য প্রকল্পের মতো ভূয়া শ্রমিক দেখিয়ে অতিদরিদ্্েরর টাকা লুটপাট করছেন প্রকল্প চেয়ারম্যানরা । প্রকল্পের কাজে খাতা-কলমে শ্রমিকসংখ্যা ঠিক রেখে বাস্তবে কম সংখ্যক শ্রমিক দিয়ে প্রকল্পের কাজ করানো হয়েছে বলে অভিযোগ ইউপি সদস্য বশির বক্স, জুমের আলী, রেজাউল করিম ও সুনীল কুমার সিংহ। ৪টি প্রকল্পের চেয়ারম্যান ইউপি সদস্যগনরা, ভুয়া শ্রমিকদের চেকে তাদের স্বাক্ষর নিয়ে নিজেই পূবালী ব্যাংক আদমপুর বাজার শাখা থেকে প্রকল্পের অর্থ উত্তোলন করে ৫০০/১০০০ টাকা প্রদান করে বাকী টাকা নিজেদের পকেটস্থ করেছেন বলে শ্রমিকরা জানান।

প্রকল্প চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্য হাজী আলমগীর হাসান ও মোস্তফা কামাল জানান, তাদের কর্ম এলাকায় কোন অনিয়ম হয়নি। ইউপি সদস্য কে মনিন্দ্র সিংহ কোন সুদত্তর দিতে না পারলেও অপর প্রকল্প কমিটির সভাপতি ও মহিলা ইউপি সদস্য সন্ধ্যারানী সিনহা বলেন, প্রকল্প বিষয়ে তারা কিছুই জানেন না, তবে ইউপি চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলার পরার্মশ দেন।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার ও সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের ট্যাগ অফিসার শাব্বির আহমেদ বলেন, তিনি শ্রমিক যাছাইবাচাই কালে প্রশিক্ষনে থাকায় পরবর্তীতে শ্রমিক তালিকায় স্বাক্ষর দিয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্ম্দ মাহমুদুল হক (১৭১৬৩৬৭০৩৫) ও আদমপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দাল হোসেন (০১৭২৭৩১৫৪২১) এর সাথে যোগাযোগ কার সম্ভব হয়নি।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০১এপ্রিল,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ   চাঞ্চল্যকর মিনা হত্যা মামলার প্রধান আসামী সুপেন সবর প্রকাশ রঞ্জিতকে ১৮ দিনের মাথায় গ্রেফতার করেছে কমলগঞ্জ থানা পুলিশ। প্রেমের প্রস্তাবে রাজী না হওয়ায় মিনাকে হত্যা করা হয়েছে বলে স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দিয়েছে ঘাতক প্রেমিক।
গত ১২ ই মার্চ সোমবার মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের শীমান্তবর্তী নন্দরানী চা বাগানের চা শ্রমিক মালচি অলমিক এর মেয়ে মনি অলমিক (১৭) সকাল ১০ টায় বাড়ী থেকে বেড় হয়ে আর বাড়ী ফিরেনি।
পরে বিকাল চার টার দিকে চা বাগানের ৭নং সেকশনের মধ্যে মুখে ও গলায় ওড়না পেচাঁনো অবস্হায় মনির লাশ পাওয়া যায়।বিষয়টি কমলগঞ্জ থানাকে খবর দিলে এসআই আব্দুস শহিদের নেতৃত্বে
পুলিশের একটি দল সহ বাগান ব্যবস্হাপক ও আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মৃতের সুরুতহাল রিপোর্ট তৈরী করে ময়না তদন্তের জন্য লাশটি মৌলভীবাজার মর্গে প্রেরণ করা হয়।
পরবর্তীতে নিহত মনির পিতা মালচি অলমিক বাদী হয়ে গত ১৩ই মার্চ অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে কমলগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্তে ও অজ্ঞাতনামা আসামীদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান পরিচালনা করে থানা পুলিশ।
এদিকে হত্যার ১৮ দিনের মাথায় অর্থাৎ গত ৩০ই মার্চ শুক্রবার সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (শ্রীমঙ্গল সার্কেল) মোঃ আশরাফুজ্জামান এর সার্বিক সহযোগীতায় এসআই আব্দুস শহিদ, ও এসআই ফরিদ মিয়ার নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনার সাথে সরাসরি জড়িত সন্দেহে শ্রীমঙ্গল উপজেলার মগলাম বস্তির মৃত বন সবরের পুত্র সুপেন সবর প্রকাশ রঞ্জিত (৩৮) কে গ্রেফতার করে।
আটক সুপেন সবর প্রকাশ রঞ্জিত নন্দরানী চা বাগানে নিয়ে যাওয়া হয় জনসম্মুখে ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদে একপর্য়ায় সে সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (শ্রীমঙ্গল সার্কেল) এবং নন্দরানী চা বাগান ব্যবস্থাপক,স্থানীয় ইউপি সদস্য ও এলাকার লোকজনদের উপস্থিতিতে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে কিভাবে সে মিনা অলমিককে হত্যা করেছে তার পুরা বর্ণনা দেয়।
৩১ শে মার্চ শনিবার সকালে সুপেন সবর প্রকাশ রঞ্জিত সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে ফৌঃ কাঃ বিঃ ১৬৪ ধারায় কিভাবে সে মিনাকে হত্যা করেছে তার স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি দেয় ।পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০১এপ্রিল,ডেস্ক নিউজঃবেসরকারি টিভি চ্যানেলে প্রচারিত হয় ‘এবং পূর্ণিমা’ অনুষ্ঠান। এতে মিশা সওদাগরের সঙ্গে ধর্ষণ নিয়ে হাস্যরস করেন নায়িকা পূর্ণিমা। আর এ নিয়ে সমালোচনার ঝড় বইয়ে যাচ্ছে সর্বত্র। সমালোচনার মুখে পড়ে অবশেষে ক্ষমা চাইলেন তিনি।

পূর্ণিমা বলেন, ‘আমি আসলে কাউকে ছোট করা কিংবা কারো মনে আঘাত দেওয়ার উদ্দেশ্যে কথাগুলো বলিনি। কাউকে নিয়ে মজা করার উদ্দেশ্যেও বলিনি। এরপরও যদি কেউ আমার কথায় আঘাত পান কিংবা আমার ভুল বা অন্যায় হয়ে থাকলে ক্ষমাপ্রার্থী।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি নিজেও ধর্ষণের খবরগুলো দেখি তখন খুবই খারাপ লাগে। মাঝেমধ্যে চোখ দিয়ে পানি চলে আসে। কারণ আমি একজন নারী। আমারো সন্তান আছে।’

‘এবং পূর্ণিমা’র প্রযোজক সোহেল রানা বিদ্যুৎও স্বীকার করেছেন তাদের ভুল হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের উচিত ছিলো আরও সংযত হওয়া এবং ওই অংশটুকু কেটে প্রচার করা।’