Monday 26th of February 2018 01:56:49 AM

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৩ফেব্রুয়ারি,হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলায় দীর্ঘদিনের বিরোধের জের ধরে দুইদল গ্রামবাসীর সংঘর্ষের ঘটনায় কুদ্দুছ মোল্লা (৬৫) নামে এক ব্যক্তি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তিনি উপজেলার মুড়িয়াউক গ্রামের মৃত নওয়াব আলী মোল্লার ছেলে।
মঙ্গলবার ভোররাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় নূরে আলম (৫৫) নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ। তিনি মুড়িয়াউক গ্রামের মৃত শারদ আলীর ছেলে।লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বজলুর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, উপজেলার মুড়িয়াউক ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নুরুজ্জামান মোল্লা ও মুড়িয়াউক গ্রামের মাসুক মিয়ার লোকদের মাঝে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এই বিরোধকে কেন্দ্র করে ঘটেছে একাধিক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে ঘটনা। এরই ধারাবাহিকতায় গত ৯ ফেব্রুয়ারি সকালেও তারা সংঘর্ষে লিপ্ত হলে বেশ কয়েকজন আহত হয়। এর মাঝে গুরুতর অবস্থায় কুদ্দুছ মোল্লাকে ঢাকায় প্রেরণ করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক।

পরবর্তীতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে সাবেক ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য নুরুজ্জামান মোল্লাসহ ৯ দাঙ্গাবাজকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করেছেন।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৩ফেব্রুয়ারি,নড়াইল প্রতিনিধিঃ    ‘‘শান্তি, শৃংখলা, উন্নয়ন, নিরাপত্তায় সর্বত্র আমরা’’ এ শ্লোগানকে সামনে রেখে নড়াইল জেলা আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর জেলা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারী) বেলা ১১টায় জেলা কার্যালয়ের প্রশিক্ষণ হলরুমে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী খুলনা রেঞ্জের পচিালক মোঃ আকবর আলী পিএএম।
জেলা প্রশাসক মোঃ এমদাদুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তৃতা করেন বিশেষ অতিথি জেলা কমান্ডেন্ট মোঃ জালাল উদ্দিন আহম্মেদ (অবঃ), আনসার ও ভিডিপি ব্যাংকের ব্যবস্থাপক মোঃ আতিয়ার রহমান, নবনিযুক্ত সহকারী পরিচালক সোহাগ পারভেজ, সদর উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মমতাজ বেগম, অবসরপ্রাপ্ত উপজেলা প্রশিক্ষক মোঃ আবুল কালাম আজাদ, অবসরপ্রাপ্ত উপজেলা প্রশিক্ষক এম মোত্তালিব চৌধুরী প্রমুখ। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন দিঘলিয়া ইউনিয়ন দলনেতা মোঃ হাফিজুর রহমান, পুরুলিয়া ইউনিয়ন দলনেত্রী জামানা পারভীন প্রমুখ। স্বাগত বক্তব্য দেন সার্কেল এ্যাডজুন্টে আব্দুল্লাহ আল মামুন।
সমাবেশ শেষে কর্মকান্ডে বিশেষ স্বীকৃতি স্বরূপ আনসার সদস্যদের মাঝে সেলাই মেশিন, বাই সাইকেল, টেলিভিশন সহ বিভিন্ন উপহার প্রদান করা হয়।
সমাবেশে জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন দল নেতা ও দলনেত্রী সহ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৩ফেব্রুয়ারি,নড়াইল প্রতিনিধিঃ “ বঙ্গবন্ধুর অবদান, কৃষিবিদ ক্লাস ওয়ান” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে নড়াইলে কৃষিবিদ দিবস পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ নড়াইল জেলা শাখার আয়োজনে এ উপলক্ষে র‌্যালি, বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুস্পমাল্য অর্পন ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের কার্যালয় চত্বর থেকে র‌্যালি শুরু হয়ে শহরের পুরাতন বাসটার্মিনালে বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে পুস্পমাল্য অর্পন শেষে একইস্থানে এসে শেষ হয়।

পরে জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনাসভায় বক্তব্য রাখেন জেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ চিন্ময় রায়, সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি) মোঃ আজিম উদ্দিন, হেলালুর রহমান, নজরুল ইসলাম, হোসনে আরা হ্যাপী, সুবির রায় প্রমূখ। এসময় সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৩ফেব্রুয়ারি,তাহিরপুর(সুনামগঞ্জ)প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বালিয়াঘাট,টেকেরঘাট,চাঁনপুর,লাউড়গড়,বীরেন্দ্রনগর ও চাঁরাগাঁও সীমান্ত দিয়ে প্রতিদিন রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে ভারত থেকে কয়লা ও পাথরের সাথে মদ,হেরুইন,ইয়াবা ও অস্ত্র পাচাঁর করা হচ্ছে। আজ ১৩.০২.১৮ইং মঙ্গলবার ভোর ৫টায় একদিকে ৫০মে.টন কয়লা পাচাঁর করেছে চোরাচালানীরা কিন্তু অন্যদিক দিয়ে ৫৮বোতল মদ জব্দ করলেও চোরাচালানীদেরকে আটক করেনি বিজিবি। পাচাঁরকৃত কয়লার মূল্য ৫লক্ষ টাকা ও মদের মূল্য ৭৯হাজার ৫শত টাকা।

এ ব্যাপারে বড়ছড়া ও চাঁরাগাঁও শুল্কষ্টেশনের ব্যবসায়ীরা জানায়,উপজেলার বালিয়াঘাট ক্যাম্পের হাবিলদার ফখরুদ্দিন ও নায়েক ওলি তাদের সোর্স চাঁদাবাজি মামলা নং-জিআর-১৬৩/০৭ইং এর জেলখাটা আসামী জিয়াউর রহমান জিয়া,চাঁদাবাজি ও মদ পাচাঁরসহ ৮টি মামলার জেলখাটা আসামী কালাম মিয়া,আব্দুল হাকিম ভান্ডারী ও ইদ্রিস আলীকে দিয়ে ১বস্তা কয়লা থেকে বালিয়াঘাট ক্যাম্পের ম্যাচ খরছ (খাওয়া-দাওয়া) বাবদ ৫০টাকা,হাবিলদার ফখরুদ্দিনের নামে ২০টাকা,নায়েক ওলির নামে ১০টাকা,টেকেরঘাট পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই ইমামের নামে ২০টাকা,ডিবি পুলিশের নামে ২০টাকা, টেকেরঘাট বিজিবি ক্যাম্পের হাবিলদার সিদ্দিকের নামে ২০টাকা,সাংবাদিকদের নাম ভাংগিয়ে কয়লা পাচাঁর মামলা নং-৯,জিআর-১৫৮/০৭এর আসামী আব্দুর রাজ্জাক ৩০টাকা,সুনামগঞ্জ ২৮ব্যাটালিয়নের বিজিবি অধিনায়কের নামে ৫০টাকাসহ মোট ২৫০টাকা করে সর্বমোট ১লক্ষ ৮৭হাজার ৫শ টাকা উৎকোচ নিয়ে লাকমা গ্রামের চিহ্নিত চোরাচালানী রতন মহলদার,মানিক মহলদার,মোক্তার মহলদার, কামরুল মিয়া,শরিফ মিয়া ও তিতু মিয়া গংকে দিয়ে লাকমাছড়ার রেন্টিগাছ এলাকার ১১৯৭ ও ১১৯৮নং পিলার সংলগ্ন ৬টি চোরাইঘাট দিয়ে ৪০০বস্তা,লাকমাছড়ার পশ্চিমপাড়ের শ্রমিক সর্দার মজিবুরের বাড়ির পিছন দিয়ে ১২০বস্তা ও টেকেরঘাট উক্ত বিদ্যালয়ের পিছন দিয়ে ২৩০বস্তাসহ মোট ৭৫০বস্তার ভিতরে বিপুল পরিমান মদ,হেরুইন ও ইয়াবাসহ ৫০মে.টন কয়লা পাচাঁর করে ঠেলাগাড়ি ও ট্রলি দিয়ে বালিয়াঘাট বিজিবি ক্যাম্পের সামনে অবস্থিত দুধেরআউটা গ্রামের কবরস্থানের পাশে ও পুটিয়া গ্রামে নিয়ে সোর্স জিয়াউর রহমান,ইদ্রিস আলী,আব্দুল হাকিম ভান্ডারী ও কালাম মিয়া ওপনে বিক্রি করে।

এর আগে ভারত থেকে পাচাঁরের সময় সোর্স কালাম মিয়ার বাড়ি থেকে ১বস্তা মদ জব্দ করা হলেও এখনও পর্যন্ত আইনগত ব্যবস্থা নেয়নি বিজিবি ও পুলিশ। অন্যদিকে চাঁরাগাঁও বিজিবি ক্যাম্পের ১১৯৫/৪এস পিলার সংলগ্ন বাঁশতলা এলাকা দিয়ে বিজিবির সোর্স পরিচয়ধারী শফিকুল ইসলাম ভৈরব,ফালান মিয়া ও হাসিম মিয়া কয়লার বস্তার সাথে মদ পাচাঁরের সময় অভিযান চালিয়ে ৫২বোতল অফিসার চয়েজ ও  ৬বোতল বিয়ার জব্দ করলেও চোরাচালানীদের আটক করেনি বিজিবি। যার ফলে সোর্স শফিকুল ইসলাম ভৈরব গং ১বস্তা কয়লা থেকে ২শত টাকা করে চাঁদা নিয়ে প্রতিদিন ৫০থেকে ২শত বস্তা কয়লার ভিতরে মদ পাঁচার করছে।

এ ব্যাপারে চাঁরাগাঁও ও বড়ছড়া শুল্কষ্টেশনের ব্যবসায়ী রুবেল মিয়া,শাহালম,মনির হোসেন,আব্দুল জব্বার,ফুরকান মিয়া,অজিত রায়সহ অনেকেই বলেন,চোরাচালানীরা বিজিবির সোর্স পরিচয় দিয়ে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে কয়লা,পাথর,মদ,হেরুইন ও ইয়াবাসহ অস্ত্র পাচাঁর করে টেকেরঘাটের অসিউর রহমানের ডিপু ও চাঁরাগাঁওয়ের ৩টি ডিপুসহ সোর্স জিয়াউর রহমানের বাড়িতে ও দুধেরআউটা কবস্থানের পাশে নিয়ে ওপেন বিক্রি করছে। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছে না প্রশাসন। এব্যাপারে বালিয়াঘাট বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার হাবিলদার ফখরুদ্দিন বলেন,চোরাচালানের বিষয়টি আমার জানা নাই,এব্যাপারে খোঁজ নিয়ে দেখব। সুনামগঞ্জ ২৮ব্যাটালিয়নের বিজিবি অধিনায়ক নাসিরউদ্দিন বলেন,সীমান্ত চোরাচালান বন্ধের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৩ফেব্রুয়ারি,জহিরুল ইসলাম মৌলভীবাজার: মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় কর্মসূচি পালনে বাধা দেওয়ায় পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এসময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ইপ পাটকেল নিপেক্ষ করলে পুলিশের উপ পরিদর্শকসহ ৫ পুলিশ আহত হয়।

আজ মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারী) সাড়ে ১২ টায় কুলাউড়া পৌরসভার সামনে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিএনপির অবস্থান ধর্মঘট পালনের সময় এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন-কুলাউড়া থানার উপ পরিদর্শক (এসআই) জহিরুল ইসলাম, পুলিশ সদস্য সনক কান্তি দাস, সাইফুল ইসলাম, সুব্রত তালুকদার, ইমাম উদ্দিন প্রমুখ।
জানা যায়, বিএনপি নেতাকর্মীরা অবস্থান ধর্মঘট পালনের চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে বাকবিত-ায় জড়িয়ে পড়ে বিএনপি’র নেতাকর্মীরা। এসময় তাদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হলে পুলিশকে উদ্দেশ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে বিএনপি নেতাকর্মীরা। এতে আহত হন ৫ পুলিশ সদস্য। এস আই সনক কান্তি দাস’কে গুরুতর আহত অবস্থায় কুলাউড়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শামীম মূসা জানান, বিএনপির নেতাকর্মীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করলে এ সময় ৫ পুলিশ সদস্য আহত হয়। এ ঘটনায় কুলাউড়া থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

রেজওয়ান করিম সাব্বির, জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধিঃ    জৈন্তাপুরে সরকারি ছড়ার গতিপথ পরিবর্তন করে ভূমি দখল ও জন দূর্ভোগ সৃষ্টি করছে ভূমি খেকু চক্র। ছড়ার নি¤œা লের প্রায় ৬শত পরিবারের লোকজন গোসল সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যবহার্য্য পানি পাচ্ছে না ও ছড়ার উপরি অংশের লোকজনের ফসল ও মৎস্য খামারের ব্যপক ক্ষতি সাধিত হচ্ছে। প্রশাসনের কাছে আবেদন করে প্রতিকার হচ্ছে না বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।
অভিযোগ সূত্রে সরেজমিনে জৈন্তাপুর উপজেলার গোয়াবাড়ী এলাকাঘুরে দেখাযায়- মেঘালয় হতে বাংলাদেশে প্রবেশ করে ছাছি ছড়া। এছড়ার পানি ব্যবহার করছে গোয়াবাড়ী এলাকার প্রায় ৯শত পরিবার। ছড়াকে কেন্দ্র করে প্রায় ৫শত একর পতিত ভুমিকে কৃষির আওতায় নিয়ে এসেছে ছড়ার পার্শ্ববর্তী এলাকায় বাসিন্ধরা। ভুমি খেকু চক্রের সদস্য তাদের স্বার্থের জন্য সরকারি ছড়ার ভূমি দখল এবং পরিকল্পিত ভাবে কৃষির ফসল ধ্বংসের জন্য বাঁধ দিয়ে জমি দখলে নিয়েছে। ফলে কৃষকের ফসল ফিসারী ধ্বংসের পথে এবং ছড়ার নিম্লা লের বাসিন্ধরা পানি শূণ্যতায় ভোগতেছে।
অভিযোগ সূত্রে যানাযায় গোয়াবাড়ী গ্রামের মৃত কটন আলীর ছেলে গৌছ উদ্দিন(৬৫), তার ছেলে মাহিম আহমদ(৩২) ও রহিম আহমদ(২৭) গোয়াবাড়ী গ্রামের মধ্য দিয়ে ভারতের মেঘারয় হতে বহমান ছাছি ছড়ার ইউটানেল অংশে দুটি বাঁধ দিয়ে ছড়ার গতি পরিবর্তন করে সরকারি জমি দখল করছে। অপরিকল্পিত এই বাঁধের ফলে বাঁধের উপরিংশের প্রায় ৫শত একর ভুমিতে কৃষকের ফসল সহ মৎস্য খামারের তলিয়ে যাচ্ছে এবং ছড়ার নি¤œা লের প্রায় ৬শত পরিবারের লোকজন পানির অভাবে নিত্যপ্রয়োজনীয় ব্যবহার্য্য পানি পাচ্ছে না। এলাকাবাসী গত ৪জানুয়ারী জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট লিখিত আবেদন করে কোন প্রতিকার পাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন। এলাকার লোকজন আরও জানান গৌছ মিয়ার পরিবারের কাছে এলাকাবাসী অসহায়। তিনি প্রভাবশালী হওয়ায় তার বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতে পারেন না। জনসাধারন পতিত ভূমিকে কৃষির আওতায় নিয়ে আসায় কারনে কৃষকরা লাভবান হবে দেখে তিনি পূর্ব পরিকল্পনা করে গোয়াবাড়ী গ্রামের মধ্যে দিয়ে বহমান ছাছি ছাড়ায় ইউ টানেল অংশে দুটি বাঁধ দিয়ে ছড়ার ভুমি দখল করেছে। ছড়ার গতি পরিবর্তন করে পাহাড় অংশে একটি ছোট ড্রেইন নির্মাণ করেন যার মধ্যে দিয়ে পানি প্রবাহিত হতে হলে কৃষকের ফসলি জমি মৎস্য খামার তলিয়ে যাবে এবং কৃষক পরিবার গুলোর মারাত্বক ক্ষতি সাধিত হবে। এলাকাবাসীর দাবী দ্রুত বাঁধ অপসারন করার নতুবা ফসল রক্ষার কারনে যে কোন মুহুত্বে কৃষাকরা রক্ষ ক্ষতি সংঘর্ষের লিপ্ত হওয়ার আশংঙ্কা বিদ্যমান রয়েছে।
এবিষয়ে অভিযুক্ত গৌছ মিয়ার সাথে একাধিক বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেনি।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌরিন করিম বলেন- এলাকাবাসীর অভিযোগ পাওয়ার পর পর সহকারী কমিশনার (ভূমি) জৈন্তাপুরকে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এবিষয়ে সহকারি কমিশনার(ভূমি) মোন্তাসির হাসান পলাশ জানান- বিষয়টি ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত করা হয়েছে। বাঁধের কারনে জনসাধারন ক্ষতির সম্মুখিন সহ পরিবেশের বিপর্যয় হবে এমন কর্মকান্ড আশংঙ্কা রয়েছে। তাই দ্রুত মোবাইল কোটের মাধ্যমে বাঁধ দুটি ধ্বংস করে দিয়ে ছাছি ছড়াকে অবমুক্ত করা হবে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৩ফেব্রুয়ারি,নড়াইল প্রতিনিধিঃনড়াইলের কালিয়ায় গাজা ও স্প্রীট রাখার অপরাধে ২ জনকে জরিমানা করেছে ভ্যাম্যমান আদালত। সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারী) দুপুর দেড়টার দিকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রক অধিদপ্তর,নড়াইলের পরিদর্শক বিদ্যুৎ বিহারী নাথ ও তার ষ্টাফসহ কালিয়া পৌরসভাধীন অভিযান চালিয়ে চাঁদপুর গ্রামের আলিম চৌধুরীর (রানা) স্ত্রী রুনা বেগম (৩০) এর বাড়ী থেকে একশ’গ্রাম গাঁজা উদ্ধারসহ তাকে আটক করে এবং কালিয়া বাজারের ব্যবসায়ী তবিবর রহমানকে (৬৫) অবৈধভাবে স্প্রীট রাখার অপরাধে আটক করে।

পরে কালিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট এবিএম খালিদ হাসান সিদ্দিকী স্ব-স্ব ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনের ১৯৯০ এর ২৬ ধারায় রুনা বেগমকে পাঁচ হাজার টাকা এবং তবিবর রহমানকে পাচঁশত টাকা জরিমানার আদেশ দেন।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৩ফেব্রুয়ারি,আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর আত্রাই থানা পুলিশ ৩২০ পিস ইয়াবাসহ ২জনকে আটক করেছে। আটককৃতরা হলো- রাজশাহী পুঠিয়া উপজেলার গোবিন্দনগর গ্রামের আব্দুস সাত্তরের পুত্র রণি (২৫) ও ফজলুল হকের পুত্র ফিরোজ মিয়া (২০)।

জানা যায়, তারা বেশ কিছুদিন থেকে তাহেরপুর বাগমারা হয়ে আত্রাই এলাকায় মাদকের ব্যবসা করে আসছিল। গতকাল সোমবার তারা ইয়াবা বিক্রি করতে এলাকায় এসেছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আত্রাই থানার ওসি মোবারক হোসেনের নেতৃত্বে এসআই মোস্তাফিজুর রহমান ও এএসআই এনায়েত হোসেন ফোর্সসহ অভিযান চালিয়ে সন্ধ্যা ৬ টার দিকে উপজেলার সিংসাড়া এলাকা থেকে ৩২০ পিস ইয়াবাসহ তাদেরকে আটক করেন।

আকটকৃতদের বিরুদ্ধে আত্রাই থানায় মাদক আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৩ফেব্রুয়ারি,জহিরুল ইসলাম.মৌলভীবাজার: পহেলা ফালগুন বা বসন্ত এলেই বাঙালির মনে পড়ে যায় রবীন্দ্রনাথের সেই পরিচিত গান ‘আহা আজি এ বসন্তে, এত ফুল ফোটে, এত বাঁশি বাজে, এত পাখি গায়….।’এ সময়েই শীতের জীর্ণতা সরিয়ে ফুলে ফুলে সেজে ওঠে প্রকৃতি। গাছে গাছে নতুন পাতা, স্নিগ্ধ সবুজ কচি পাতার ধীরগতিতে বাতাসের সঙ্গে বয়ে চলা জানান দেয় নতুন কিছুর।
আজ ভুবনের দুয়ার খোলা,রঙ লাগলে বনে বনে,ঢেউ জাগলে সমীরণে,দোল দিয়েছে বনের দোল-আজ পহেলা ফাগ্লুন। আগুন রাঙা বসন্ত আজ। প্রকৃতি আজ খুলে দেবে দখিন দুয়ার।সে দুয়ারে বইবে ফাগুনের হাওয়া।বসন্তের আগমনে কোকিল গাইবে গান ভ্রমরও করবে খেলা।
গাছে গাছে ছড়িয়ে পড়বে পলাশ আর শিমুলের মেলা। প্রকৃতি সাজবে নতুনরূপে।শীতের খোলসে ঢুকে থাকা কৃষ্ণচূড়া,রাধাচূড়া, নাগলিঙ্গম এখন অলৌকিক স্পর্শে জেগে উঠেছে। মৃদু-মন্দ বাতাসে ভেসে আসা ফুলের গন্ধে বসন্ত জানিয়ে দিচ্ছে,সত্যিই সে ঋতু রাজ বসন্ত।‘ফুল ফুটুক আর নাই ফুটুক, আজ বসন্ত’ কবি সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের অমীয় বাণীটি ঋতুরাজকে আলিঙ্গনের আহ্বান জানায়। ফুল ফোটার পুলকিত এই দিনে বন-বনান্তে কাননে-কাননে পারিজাতের রঙের কোলাহলে ভরে উঠবে চারদিক।কচিপাতায় আলোর নাচনের মতোই বাঙালির মনেও লাগবে দোলা। হৃদয় হবে উচাটন।পাতার আড়ালে-আবডালে লুকিয়ে থাকা বসন্তের দূত কোকিলের মধুর কুহু কুহু ডাক, আকুল ব্যাকুল করে তুলবে অনেক বিরহী অন্তর।সকল কুসংস্কারকে পেছনে ফেলে,বিভেদ ভুলে, নতুন কিছুর প্রত্যয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার বার্তা নিয়ে এসেছে বসন্ত।লাল-হলুদের বাসন্তী রঙে প্রকৃতির সঙ্গে নিজেদের সাজিয়ে আজ বসন্তের উচ্ছলতা ও উন্মাদনায় ভাসবে প্রতিটি বাঙালি।
বসন্ত মানেই নতুন সাজে প্রকৃতি মুখরিত হওয়ার দিন।ফুল ফোটার পুলকিত সময়।শীতের জরাগ্রস্ততা কাটিয়ে নতুন পাতায় ঋদ্ধ হয়ে উঠবে রুক্ষ প্রকৃতি।বসন্তকে সামনে রেখে গ্রাম বাংলায় মেলা,সার্কাস সহ নানা বাঙালি আয়োজনের সমারোহ থাকবে। ভালোবাসার মানুষের মন রাঙাবে বাসন্তি রঙ্গেই। ফাগুনের ঝিরঝিরে বাতাসে কোকিলের মিষ্টি কলতানে উন্মাতাল হবে প্রকৃতি।ফুলের বসন্ত যৌবনের উদ্দামতা বয়ে আনে। আনন্দ আর উচ্ছ্বাসমুখরতায় মন-প্রাণ ভরিয়ে তোলে।শীতের সঙ্গে তুলনা করে চলে বসন্ত কালের পিঠা উৎসবও।
ফালগুনের হাত ধরেই ঋতুরাজ বসন্তের আগমন। ঋতুরাজকে স্বাগত জানাতে প্রকৃতির আজ এতো বর্ণিল সাজ।বসন্তের এই আগমনে প্রকৃতির সাথে তরুণ- তরুণী হৃদয়েও লাগবে বসন্তের দোলা। সকল কুসংস্কারকে পেছনে ফেলে, বিভেদ ভুলে,নতুন কিছুর প্রত্যয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার বার্তা নিয়ে বসন্তের উপস্থিতি।
প্রকৃতির মতোই শিল্প-সাহিত্য এমনকি রাজনীতিতেও বসন্ত বাঙালি জীবনে তৎপর্যময়।এ বসন্তেই ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতির স্বাধীনতার বীজ রোপিত হয়েছিল একাত্তরে।বসন্তেই বাঙ্গালির মুক্তিযোদ্ধের শুরু।বসন্তের আগমন বার্তা নিয়ে আসে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ ও ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা’।

কচি পাতায় আলোর নাচনের মতোই বাঙালির মনেও লাগে বসন্তের দোলা।উৎসবে মেতে ওঠে নগরবাসী। ফুলের মঞ্জরিতে মালা গাঁথার দিন বসন্ত শুধু প্রকৃতিকেই রঙিন করেনি, আবহমানকাল ধরে বাঙালি তরুণ-তরুণীর প্রাণও রঙিন করেছে।তাই আজ পহেলা ফাল্গুনের সুরেলা এ দিনে তরুণীরা খোঁপায় গাঁদা-পলাশ ফুলের মালা গুঁজে বাসন্তী রং শাড়ি পরবে আর ছেলেরা পাঞ্জাবি-পায়জামা কিংবা ফতুয়ায় খুঁজে নেবে শাশ্বত বাঙালিপনা। এই দিনে প্রিয়জনের সাথে আড্ডা আর ভালবাসার অনুভূতি গুলো একটু অন্য রকম।
বাংলা পঞ্জিকা বর্ষের শেষ ঋতু বসন্তের প্রথম দিনকে বাঙালি পালন করে ‘পহেলা ফাল্গুন-বসন্ত উৎসব’ হিসেবে।বাঙালির নিজস্ব সার্বজনীন প্রাণের উৎসবের মাঝে এ উৎসব এখন গোটা বাঙালির কাছে ব্যাপক সমাদৃত হয়েছে।এই উৎসব এখন প্রাণের উৎসবে পরিণত হয়েছে।মোগল সম্রাট আকবর ১৫৮৫ খ্রিস্টাব্দে প্রথম বাংলা নববর্ষ গণনা শুরু করেন।নতুন বছরকে কেন্দ্র করে ১৪টি উৎসবের প্রবর্তন করেন তিনি।এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে বসন্ত উৎসব। ১৪০১ বঙ্গাব্দ থেকে ‘বসন্ত উৎসব’ উদযাপন শুরু হয়। সেই থেকে জাতীয় বসন্ত উৎসব উদযাপন পরিষদ বসন্ত উৎসব আয়োজন করে আসছে। আজ ১লা ফাগুনকে উপলক্ষ্য করে রাজধানীসহ সারা দেশে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়ে থাকে। দিনভর চলবে তরুণ-তরুণীদের বসন্তের উচ্ছ্বাস আর আনন্দ।মোবাইল ফোন, ফেসবুক, টুইটারসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলবে একে অপরের বসন্তের শুভেচ্ছা বিনিময়।
সাংস্কৃতিকর্মী শীলা কর্মকার বলেন,কাজের জন্য আমরা বছরের প্রতিটি দিন থাকি কর্ম ব্যস্ততা নিয়ে,পহেলা বসন্ত,পহেলা বৈশাখ আসলে আমাদের মনে করে দেয় আমাদের গ্রাম বাংলার উৎসব গুলো কথা।এইসব উৎসব আমাদের ঐতিহ্য কৃষ্ঠি বহন করে।

বসন্তের প্রথম দিনেই অসংখ্য রমণী বাসন্তী রঙে নিজেকে রাঙিয়ে তোলে। সুশোভিত করে তোলে রাজধানীর রাজপথ, পার্ক, বইমেলা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি চত্বরসহ পুরো নগরী।পুরো দেশেই চলে উৎসবের আমেজ।এ পূর্ণতার বসন্তের দোলা ছড়িয়ে পড়ে দেশের সর্বত্র এবং সারা পৃথিবীর সব বাঙালির ঘরে ঘরে।তবে বাস্তবতার পাথরচাপা হৃদয়ে সবুজ বিবর্ণ হওয়া চোখে প্রকৃতি দেখার সুযোগ পান না নগরবাসী।কোকিলের ডাক, রঙিন কৃষ্ণ চূড়া আর আমের মুকুলের কথা বইয়ের পাতায় পড়ে থাকলেও একালের তরুণ-তরুণীরা কিন্তু বসে থাকতে রাজি নন।গায়ে হলুদ আর বাসন্তী রঙের শাড়ি জড়িয়ে তরুণী ও পাঞ্জাবি পরা তরুণরাও এদিন নিজেদের রঙিন সাজে সাজাতে কম যান না।বসন্ত তারুণ্যেরই ঋতু,তাই সোনার বাংলার প্রতিটি ঘর আজ বসন্তের দিনের তারুণ্যমাখা রুপে সেজেছে।