Sunday 21st of October 2018 01:51:48 PM

“প্রধানমন্ত্রীর বরাবরেও অভিযোগ প্রেরণ”

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১২ফেব্রুয়ারি, শ্রীমঙ্গল থেকে নিজস্ব প্রতিনিধিঃ  মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে বিদ্যুৎ লাইন ও সংযোগ প্রদানের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। যেখানে দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ প্রদানের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে শহর থেকে গ্রামে,গ্রাম থেকে হাওরে-পাহাড়ে সর্বস্থানে বিদ্যুৎ এর ঝলকানি ফুটে উঠছে।এমন সময় জেলার বালিশিরা পাহাড়ি অঞ্চল থেকে অর্ধ কোটি টাকার অভিযোগ উঠেছে কতিপয় লোকের বিরুদ্ধে।প্রায় তিন শতাধিক লোক নানা পরিমাণে এ টাকা দিয়েছে বলে জানা গেছে।

বিদ্যুৎ প্রদানের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার এমন একটি অভিযোগ নাকি দেশের প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে প্রেরণ করা হয়েছে বলে সুত্রে জানা  গেছে।

চেয়ারম্যান এর নামে আসা চিঠি।

শ্রীমঙ্গল মহাজেরাবাদের সাবেক সেনা সদস্য মরহুম হাজি তারু মিয়ার ছেলে অভিযোগ কারী সামছু মিয়া জানান, “আমরা পাহারের জনগোষ্ঠী বিদ্যুৎ আমাদের একটি স্বপ্ন,মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কারনে এ স্বপ্ন পূরণ হবে দলমত নির্বিশেষে তাই আমাদের এলাকার কয়েকশ লোক মিটার প্রতি ১০০০ থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত  স্থানিয় কয়েকজনকে দেওয়া হয়েছে ।কিছু লোকের টাকা বাকী থাকার কারনে বাড়ির সামনে প্রায় ৯ মাস ধরে খুঁটি ফেলে রেখেছে কর্তৃপক্ষ এবং যারা সব টাকা দিয়েছে তাদের ও একই অবস্থা।”

অভিযোগে কারো নাম প্রকাশ না করার কারণ কি জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন “আমি নাম বলে কি করবো যারা টাকা দিয়েছে তারাই বলবে যদি সরকার তদন্ত করে তক্ষণই বুঝা যাবে।কাকে কাকে অভিযোগ করেছেন তিনি জানান,ডাকযোগে  মাননীয় প্রধানমন্ত্রীসহ পল্লিবিদুতের হেড অফিস,স্থানিয় অফিস,র‍্যাব ৯ ক্যাম্প ও দুর্নিতি দমন কমিশনে অভিযোগ পাঠিয়েছি।  তিনি আরও জানান আমরা তো জানতাম না যে লাইন নিতে টাকা লাগে না,গত শুক্রবারে আমাদের ইমাম সাহেবের কাছে আসা পল্লী বিদ্যুতের চেয়াম্যানের চিঠি থেকে এলাকাবাসি জানতে পারে যে প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে বিদ্যুৎ দেওয়া হচ্ছে এখানে অতিরিক্ত টাকা দেওয়ার দরকার নেই”

এ ব্যাপারে পল্লিবিদ্যুতের স্থানীয় অফিসে ফোন  করলে অপর পক্ষ থেকে একজন জানান এ ব্যাপারে কথা বলতে চাইলে অফিসে এসে কথা বলতে হবে ।

উল্লেখ্য, শ্রীমঙ্গল উপজেলার অন্যান্য এলাকাতেও এ রকম বিদ্যুত প্রদানের নামে প্রচুর টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।তাছাড়া উপরোক্ত অভিযোগের সাথে শতাধিক লোকের টাকার অংক,নাম ঠিকানাসহ দস্তখত রয়েছে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১২ফেব্রুয়ারি,বেনাপোল থেকে এম ওসমান:   বসন্ত বরণ, বিশ্ব ভালবাসা দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষকে সামনে রেখে মহাব্যস্ত সময় পার করছেন দেশের ফুল উৎপাদনের প্রধান জনপদ যশোরের গদখালীর ফুল চাষিরা। ক্ষেত থেকে সময় মতো পর্যাপ্ত ফুল পেতে গাছ পরিচর্যায় ব্যস্ত তারা। আবহাওয়া ফুল চাষের অনুকূলে হওয়ায় এ তিন দিবসে দেশের চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হবে তারা।
বেনাপোল-যশোর মহাসড়কের মধ্যখানের জনপদ ঝিকরগাছার গদখালী। এখান থেকেই সারা দেশজুড়ে ফুলের সরবরাহ হয়। আসছে ১৩ ফেব্রুয়ারী পহেলা ফাল্গুন-বসন্তবরণ। পরদিন বিশ্ব ভালবাসা দিবস। এ দুটি দিবসে প্রিয়জনের মন রাঙাতে চান তরুণ-তরুণীসহ সব বয়সীরা। প্রিয়জনের প্রতি ভালবাসা প্রকাশের জন্য ফুলই শ্রেষ্ঠ। মানুষের মনের খোরাক মেটাতে গদখালীর ফুল চাষিরা এখন দিনরাত পরিশ্রম করছেন। এবার ফুল দেরিতে ফোটায় গোলাপের কুঁড়িতে পরিয়ে রাখছেন ‘ক্যাপ’। ফলে বসন্ত উৎসব, ভালোবাসা দিবস আর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ফুল বাজারে দেওয়া নিশ্চিত হবে। বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে গোলাপ, গাঁদা, রজনীগন্ধা, জারবেরা, গ্যালেরিয়া ও গ্লাডিওলাসসহ নানা রঙের ফুল। চোখ ধাঁধানো এই সৌন্দর্য কেবল মানুষের হৃদয়ে অনাবিল প্রশান্তিই আনে না, ফুল চাষ সমৃদ্ধিও এনেছে অনেকের জীবনে। ফুলেল স্নিগ্ধতায় এখন ব্যস্ত সময় কাটছে তাদের। অবশ্য ইতিমধ্যে বসন্ত উৎসব আর ভালবাসা দিবস উপলক্ষে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন বড় বড় শহরগুলোতে ফুলের চালান যাওয়া শুরু হয়ে গেছে।
গদখালী বাজারে এখন জারবেরার স্টিক বিক্রি হচ্ছে ১৩ থেকে ১৪ টাকায়, রজনীগন্ধা ১-৩ টাকায়, গোলাপ রং ভেদে ৬-১৫ টাকায়, গ্ল্যাডিওলাস ৪-১০ টাকায়, এক হাজার গাঁদা পাওয়া যাচ্ছে ৫৫০-৬০০ টাকায়।
গদখালি ফুলচাষী কল্যাণ সমিতির সহ-সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম জানান, গত বছর এই সময়ে প্রায় ২৫ কোটি টাকার ফুল বিক্রি হয়েছিল। এবার তা প্রায় ৪০ থেকে ৪৫ কোটিতে পৌঁছাতে পারে।
তিনি আরও জানান, ভ্যালেন্টাইনস ডে’তে রঙিন গ্ল্যাডিওলাস, জারবেরা, রজনীগন্ধা ও গোলাপ বেশি বিক্রি হয়। আর গাঁদা বেশি বিক্রি হয় একুশে ফেব্রুয়ারী ও বসন্ত উৎসবে। ফলে সূর্য ওঠার আগেই প্রতিদিন চাষী, পাইকার ও মজুরের হাঁকডাকে মুখরিত হয়ে উঠে গদখালীর এই ফুলের বাজার। ব্যস্ত গদখালীর ফুলচাষীরা পাইকারদের কেনা ফুল সকাল থেকেই বিভিন্ন রুটের বাসের ছাদে স্তুপ করে সাজানো হচ্ছে, পাঠানো হচ্ছে দেশের বিভিন্ন জেলা শহরে। ঢাকা-চট্রগ্রামের মতো বড় বড় শহরে ট্রাক-পিকআপ ভ্যান ভরে ফুল যাচ্ছে বলে জানান তিনি।
পানিসারা গ্রামের ফুলচাষী লেলিন বলেন, ‘সারাদেশে বিভিন্ন দিবস উপলক্ষে যে ফুল বেচা-কেনা হয় তার অন্তত ৭০ শতাংশই যশোরে উৎপাদিত। তবে এবারের ভালোবাসা দিবসে ফুলের যেমন উৎপাদন বেশি, তেমনি চাহিদা অন্য যেকোনো বারের তুলনায় বেশি। তাই ব্যবসায়ীদের চাহিদা অনুযায়ী আমরা ফুলের অর্ডার নিচ্ছি।’
স্থানীয় ক্ষুদ্র পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানান, সামনে ভ্যালেন্টাইন ডে’তে ফুল বিক্রি বেশি হবে। বাজারে জারবেরা, গোলাপ, রজনীগন্ধা ফুলের চাহিদা বেশি। কৃষকরাও দাম ভালো পাবেন।
ফুলচাষী আজগর আলী জানান, এবার তিনি দশ বিঘা জমিতে গোলাপ, জবা, রজনীগন্ধা, গ্লাডিওলাসের পাশাপাশি জারবেরার চাষ করেছেন। আবহাওয়া ভালো থাকায় বাগানে আগের চেয়ে বেশি ফুল এসেছে। ফলে পাঁচ-ছয় লাখ টাকা ঘরে তুলতে পারবেন বলে আশা করছেন তিনি। ‘বিভিন্ন রংয়ের গোলাপ এবার কৃষকের ঘরে বিশেষ উপহার হয়ে এসেছে। আমরা দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অর্ডার পাচ্ছি। তাদের চাহিদা মতো ফুল সরবরাহ করার জন্য প্রস্তুত আছি, এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা,।
বাংলাদেশ ফ্লাওয়ার সোসাইটির সভাপতি আব্দুর রহিম জানান, এবার ফুল বিক্রি ৪০ থেকে ৪৫ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করছেন। তিনি বলেন, ‘এবার ফুলের উৎপাদন, চাহিদা ও দাম সবই বেশ ভালো। এ অ লের ফুলচাষী ও ব্যবসায়ীরা সবাই খুশি। দেশে ফেব্রুয়ারীতে যে পরিমাণ ফুল বেচাকেনা হয়। তার ৭৫ শতাংশ উৎপাদিত হয় যশোরে। এবার চাহিদা বেশি, চাষিরাও আগাম প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন।’এ অ লে প্রায় ৩ হাজার হেক্টর জমিতে ফুলচাষী বাণিজ্যিক ভাবে ফুলের চাষ করেছেন। বর্তমানে এটি ‘ফুলের রাজধানী’ হিসেবে পরিচিত। এবার আবহাওয়া ভাল থাকায় ফুলের উৎপাদন বেশি হয়েছে। বিদায়ী ২০১৭ সালে শুধু গদখালি থেকে ৩০ থেকে ৩৫ কোটি টাকার ফুল বেচাকেনা হয়। এ বছর তা অতিক্রম করবে বলে আশা করা হচ্ছে। ফুল চাষকে লাভজনক করে তুলতে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে নানা সহায়তা দেয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।
যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দীপঙ্কর দাস জানান, এ অ লে ৩ হাজার হেক্টর জমিতে ৫শ’ ফুলচাষী বাণিজ্যিক ভাবে ফুলের চাষ করেছেন। বিদায়ী ২০১৭ সালে শুধু গদখালি থেকে ৩০ থেকে ৩৫ কোটি টাকার ফুল বেচাকেনা হয়। এবছর তা অতিক্রম করবে বলে আশা করা হচ্ছে। ফুল চাষকে লাভজনক করে তুলতে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে নানা সহায়তা দেয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১২ফেব্রুয়ারি,কমলগঞ্জ প্রতিনিধিঃ- কমলগঞ্জে বিএনপি সমর্থিত ইউপি চেয়ারম্যানের নির্দেশে স্থানীয় যুবলীগ নেতা আদমপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গাছ কেটে নিয়েছেন।এ বিষয়ে অভিযোগের প্রেক্ষিতে মৌলভীবাজার -২ আসনের সংসদ সদস্যের নির্দেশে সোমবার(১২ফেব্রুয়ারী) দুুপুর একটায় উপজেলা শিক্ষা অফিসের এক তদন্তে গাছ কেটে নেওয়ার সত্যতা প্রমাণিত হয়।

এ দিন তদন্তে উপস্থিত আদমপুর ইউপি চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা আবদাল হোসেন তদন্তকারী কর্মকর্তা.জনপ্রতিনিধি ও সাংবাদিকদের সম্মূখে অত্র বিদ্যালয়ের এসএমসি কমিটির সদস্য ও ইউপি যুবলীগ সম্পাদক মইনুল ইসলামকে স্কুলের গাছ কেটে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার কথা স্বীকার করেন।

এ ব্যাপারে গত বছরের ডিসেম্বরে স্থানীয় ইউপি সদস্য বশির বক্স ও অভিভাবক জসিম উদ্দিন মৌলভীবাজার -২ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল মতিন বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ করলে তিনি তাৎক্ষণিক কমলগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিসার কে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্তক্রমে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন।

সরেজমিন খোঁজ নিয়ে ও ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সভাপতি মোস্তফা মিয়া,স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা হাজির বক্স ,মুহিবুর রহমান, আহমদ আলী ,জুয়েল আহমেদ সহ শিক্ষার্থীর অভিভাবক ও এলাকাবাসীর সাথে আলাপকালে জানা যায়,ইউপি যুবলীগ সভাপতি ও এসএমসি কমিটির আনোয়ার হোসেনের যোগসাজশে তার আত্মীয় এসএমসি কমিটির সদস্য ও ইউপি যুবলীগ সম্পাদক মইনুল ইসলাম, আজাদ মিয়া ও ইদ্রিস মিয়াকে দিয়ে স্কুল ছুটির পর প্রকাশ্যে স্কুলের গাছ কেটে নেন। কেটে নেওয়া গাছের গুড়াগুলো মাটির নিচে চাপা দেয়া হয়, যাতে কেউ যেন না দেখে,পরে স্থানীয়রা কোদাল দিয়ে মাটি কুড়ে মাটির নীচে চাপা দেয়া গাছগুলোর গোড়া দেখিয়ে বলেন গত একমাস পূর্বে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষিকার সহযোগীতায় আইনকে বৃদ্ধাংগুলী দেখিয়ে সম্পূর্ণ বিধি বহির্ভূত ভাবে দিনে দুপুরে কমিটির সভাপতি সহ অন্যান্যরা মিলে গাছ কেটে বিক্রি করে দিয়েছে।

এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষিকা আনোয়ারা বেগম মুন্নীর সাথে কথা হলে তিনি জানান,কমিটির সম্মতিতে একটি রেজিলোশন করে গাছের ডালপালা কাটার সিদ্ধান্ত হয়।কিন্তু বিদ্যালয় ছুটির পর বাড়ীতে চলে গেলে কমিটির লোকজন গাছগুলো কেটে ফেলেন। আমি থাকলে তা কাটতে দিতামনা।পরে আদমপুর ইউপি চেয়ারম্যান আবদাল হোসেন কে জানালে তিনি বলেছেন গাছ উনার হেফাজতে রয়েছে। এ বিষয়ে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আনোয়ার হোসেন গাছ কাটার সাথে তার জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করে ইউপি চেয়ারম্যানের নির্দেশে কাটা হযেছে বলে জানান।তবে নিউজ না করার অনুরোধ করেন।

তদন্তকারী কর্মকর্তা সহঃ উপজেলা শিক্ষা অফিসার বিদ্যালয়ের গাছ কেটে নেওয়ার সত্যতা স্বীকার করে বলেন , ইউপি চেয়ারম্যান মৌখিকভাবে বলেছেন তিনিই গাছ কাটার নির্দেশ দিযেছেন। কমলগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক ও পৌর মেয়র জুয়েল আহমেদকে সরকারী স্কুলের গাছ কাটার সাথে দলীয় নেতাকর্মীর সম্পৃক্ততার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি।যুবলীগের কোন নেতাকর্মী এতদসংক্রান্ত বিষয়ে সম্পৃক্ত থাকলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।
এ ব্যপারে বন কর্মকর্তা আবু তাহের বলেন যে কোন প্রতিষ্টানের গাছ কর্তন করতে হলে অবশ্যই বন বিভাগের অনুমতি নিতে হবে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১২ফেব্রুয়ারি,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃখালেদা জিয়ার সাজার প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে আজ সকাল ১২টায় সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপি সাধারন সম্পাদক নুরুল ইসলাম নুরুলের নেতৃত্বে শহরের পুরাতন বাস ষ্ঠ্যান্ডে মানববন্ধ পালিত হয়েছে। জিয়া অরফানেজ ট্রাষ্ট দূনীর্তি মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসন,সাবেক প্রধান মন্ত্রী খালেদা জিয়াকে ৫বছর ও তারেক রহমানসহ অপর পাঁচ জন আসামীর ১০বছরের কারাদ-ের রায় নিয়ে কেন্দ্রী কর্মসূচির অংশ হিসাবে সুনামগঞ্জে নেতাকর্মীরা বলেন,প্রহসনের এ রায় বাতিল না হলে গণরায়ের মাধ্যমে জুলুমবাজ এ সরকারের পতন ঘটাতে গণ আন্দোলন শুরু করা হবে।

পুলিশ দিয়ে আমাদের শান্তিপূর্ন বিক্ষোব মিছিল,সমাবেশে এই অবৈধ সরকার বাঁধা সৃষ্টি করছে। দেশমাতা গণতন্ত্রের নেত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উপর রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্রে প্রহসনের বিচার বন্ধ করে দেশনেত্রীকে স্বসম্মানে বেকসুর খালাস দিতে হবে। না হলে বিএনপির সাথে এদেশের জনগন ঐক্যবদ্ধ হয়ে কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলবে। তখন এই অবৈধ সরকার কোন পথ খোজেঁ পাবে না। পাবে না তার সাথে জরিত সকল স্বরযন্ত্রকারীরা।

দেশমাতা গণতন্ত্রের নেত্রী সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উপর রাষ্ট্রীয় ষড়যন্ত্রে প্রহসনের বিচার বন্ধ করে দেশনেত্রীকে স্বসম্মানে বেকসুর খালাসের দাবীতে করেন নেতাকর্মীরা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন,সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক নুরুল ইসলাম নুরুল,সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি আকবর আলী, সেলিম আহমদ,ফারুক আহমদ,রেজাউল হক,আনিসুল হক,বিএনপি নেতা জুনাব আলী প্রমুখসহ যুবদল,ছাত্রদলসহ ও অঙ্গসংঘটনের নেতৃবৃন্ধ।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১২ফেব্রুয়ারি,ডেস্ক নিউজঃ      বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন শেষে ফেরার পথে দলের ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদুকে আটক করেছে পুলিশ।

ঢাকার সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে সোমবার দুপুর ১২টার দিকে তাকে আটক করা হয়।

ছাত্রদলের সহ সভাপতি নাজমুল হোসেন জানান, এর আগে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিএনপির পূর্ব ঘোষিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নেন বিএনপির এই নেতা। সেখান থেকে ফেরার পথে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির পাশে সেগুনবাগিচা এলাকা থেকে তাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাকে আটক করে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১২ফেব্রুয়ারি,ডেস্ক নিউজঃ      জাতিসংঘের কৃষি উন্নয়ন তহবিলের (আইএফএডি) গভর্নিং কাউন্সিলের সভায় অংশগ্রহণ ও ভ্যাটিকান সফরে ইতালির রোমে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

স্থানীয় সময় রোববার সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় রাত ১১টা ৫০ মিনিট) রোমের লিওনার্দো দা ভিঞ্চি-ফিউমিচিনো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি। এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে সকাল ১০টা ৫ মিনিটে ঢাকা থেকে রোমের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

ইতালিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আবদুস সোবহান সিকদার এবং আইএফআইডির সহ-সভাপতি ক্লডিয়া রিচার্ড বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানান। পরে প্রধানমন্ত্রী ইতালির পারকো দেই প্রিনচিপি গ্র্যান্ড হোটেলে যান।

আইএফএডির প্রেসিডেন্ট গিলবার্ট এফ হংবো ও পোপ ফ্রান্সিসের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রীর চার দিনের এই সরকারি সফর বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আইএফএডির সভায় প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণ সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে গঠনমূলক আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে অনুপ্রাণিত করবে বলে আমরা বিশ্বাস করি। এর ফলে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল হবে।’

প্রধানমন্ত্রী ১২ ফেব্রুয়ারি ভ্যাটিক্যান সফর করবেন। সেখানে তিনি পোপ ফ্রান্সিস ও সেক্রেটারি স্টেট অব ভ্যাটিক্যান সিটি কার্ডিনাল পিয়েত্রো পারোলিনের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে পোপ ফ্রান্সিস গত ৩১ নভেম্বর থেকে ২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সফর করেন।

মাহমুদ আলী বলেন, ‘মহামহিম পোপের বাংলাদেশ সফরের পরপরই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভ্যাটিকান সফর দুদেশের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ককে আরও দৃঢ় করবে।… খ্রিস্টান দেশসমূহে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বলতর হবে এবং সেসব দেশে বসবাসরত বাংলাদেশিদের জন্য আরও অনুকূল পরিবেশ তৈরি হবে।’

শেখ হাসিনা ১৩ ফেব্রুয়ারি সকালে রোমে আইএফএডির সদর দপ্তরে গভর্নিং কাউন্সিলের ৪১তম অধিবেশনে যোগ দেবেন। উদ্বোধনী অধিবেশনে তিনি মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন।

এবারের গভর্নিং কাউন্সিলের প্রতিপাদ্য ঠিক হয়েছে টেকসই গ্রামীণ অর্থনীতি গড়তে বিনিয়োগ।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, মূল প্রবন্ধে প্রধানমন্ত্রী কৃষি ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অর্জন ও সাফল্য, গ্রামীণ যুব শক্তির উন্নয়নে সরকারের গৃহীত নানা পদক্ষেপ, দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবন-মান উন্নয়নে বিনিয়োগের গুরুত্ব এবং পল্লীর জনগণের ক্ষমতায়নে স্থানীয় সরকারের ভূমিকা নিয়ে কথা বলবেন।
জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত আর্থিক সংস্থা হিসেবে ১৯৭৭ সালে আইএফএডি প্রতিষ্ঠিত হয়। মূলত কৃষিক্ষেত্রে উন্নয়নের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোতে গ্রামীণ ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবনমানের উন্নয়নে কাজ করে প্রতিষ্ঠানটি।

মাহমুদ আলী বলেন, আইএফএডি বাংলাদেশের পল্লীর মানুষের ক্ষমতায়ন, দারিদ্র্য বিমোচন এবং খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গত প্রায় ৩০ বছর ধরে সরকারের সঙ্গে কাজ করে আসছে।

তিনি বলেন, ‘প্রতিষ্ঠার পর আইএফএডির প্রথম প্রকল্পটি ছিল বাংলাদেশে, যা ১৯৭৮ সালে নেওয়া হয়। বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রকল্প ও কর্মসূচিতে তারা এ পর্যন্ত প্রায় ৭৮২ মিলিয়ন ডলারের অনুদান ও সহজ শর্তে ঋণ দিয়েছে। এর ফলে দেশের চার কোটির বেশি মানুষ উপকৃত হয়েছে।’

আইএফএডির গভর্নিং কাউন্সিলের সভায় প্রধানমন্ত্রীর অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে সংস্থাটির সঙ্গে বাংলাদেশের অংশীদারিত্বমূলক সম্পর্ক আরও মজবুত হবে বলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আশা করছেন।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রোমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের এক সংবর্ধনা সভায় যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। সফর শেষে ১৬ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়াও অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এই সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রয়েছেনআমাদের সময়।।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১১ফেব্রুয়ারিঃ অবিশ্বাস্য পরিবর্তনের সূচনা হয়েছে সৌদি আরবে। মেয়েরা গাড়ি চালাতে পারছে। এমনকি তারা এখন মাঠে গিয়ে ফুটবল খেলা দেখার সুযোগ পর্যন্ত পাচ্ছে। এবার পোশাক-আশাকের সুকঠিন বিধিনিষেধও উঠে যাবার পালা। যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকেই এ পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

সৌদি আরবের সর্বোচ্চ আলেমদের (মুফতিদের) নিয়ে গঠিত পরিষদের প্রভাবশালী জ্যেষ্ঠ সদস্য শেখ আবদুল্লাহ আল মুতলাক বলেছেন, এখন থেকে জনসমক্ষে সৌদি নারীদের সর্বাঙ্গ ঢাকা কালো পোশাক (‘আবায়া’) পরার কোনো দরকার নেই। পোশাকটা শালীন হলেই চলবে।

শেখ মুতলাকের বক্তব্যের উদ্ধৃতি দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলো এ খবর জানিয়েছে।

শেখ মুতলাক আরো বলেন, মুসলিম দেশগুলোর ৯০ ভাগ ধর্মপ্রাণ নারী জনসমক্ষে সর্বাঙ্গ ঢাকা পোশাক পরেন না। তাই সৌদি নারীদেরও জনসমক্ষে সর্বাঙ্গ ঢাকা পোশাক পরার কোনো দরকার নেই।

বিলেতের দ্য গার্ডিয়ান পত্রিকা শেখ মুতলাকের এই বক্তব্যকে ”দেশটিতে চলমান সুদুরপ্রসারি উদারিকরণ প্রক্রিয়ার সর্বশেষ লক্ষণ’’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।

শেখ মুতলাক গত শুক্রবার প্রচারিত একটি টিভি অনুষ্ঠানে বলেন, আমাদের উচিত হবে না মানুষকে (নারীদের) ‘আবায়া’ পড়তে বাধ্য করা।

অবশ্য এটা শেখ মুতলাকের ব্যক্তিগত অভিমত, সৌদি সরকারের নয়। এ সত্ত্বেও নারীদের সর্বাঙ্গ ঢাকা পোশাক পরার বাধ্যবাধকতা তুলে নেবার পক্ষে এই বক্তব্যটি যেহেতু রাষ্ট্রীয় আলেম পরিষদের সবচেয়ে প্রভাবশালী সদস্যের, সেহেতু একে সৌদি সরকারের প্রচ্ছন্ন ইচ্ছার প্রতিফলন হিসেবেই দেখা হচ্ছে। যদিও সরকার এখনো এ ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি।

উল্লেখ্য, পৃথিবীর সবচেয়ে কঠোর বিধিনিষেধের দেশ সৌদি আরবে নারীরা জনসমক্ষে সর্বাঙ্গ ঢাকা পোশাক বা ‘আবায়া’ পরিধান করতে আইনত বাধ্য।

মুতলাকের এই বক্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পক্ষে-বিপক্ষে সমর্থন ও বিরোধিতার হিড়িক পড়ে গেছে। অনেক উদারপন্থি আলেম তার এই বক্তব্যকে খোলামনে স্বাগত জানিয়েছেন, যা আগের বাদশাহদের আমলে ছিল অকল্পনীয়।

এক সৌদি নাগরিক টুইটারে মন্তব্য করেছেন: নারীর সতীত্ব বা নৈতিকতাকে এক টুকরো কাপড় দিয়ে মাপা যেতে পারে না!

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc