Wednesday 15th of August 2018 12:44:34 PM

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১০ফেব্রুয়ারি,আলী হোসেন রাজন,মৌলভীবাজার:সমন্বিত উদ্যোগে স্বেচ্ছাশ্রমে মৌলভীবাজার শহরের পানি নিঃস্কাশনের প্রধান পথ কোদালী ছড়া খাল খনন ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু হয়েছে। সরকারী বেসরকারী প্রতিষ্টানের পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন এই কাজে অংশ গ্রহন করেছে।

কোদালী ছড়া খাল খনন শুরু ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উপলক্ষে আজ সকালে জনসচেতনা সৃষ্টির লক্ষে জেলা প্রশাসন কার্যালয় থেকে একটি র‌্যালী বের হয়। এতে জেলা প্রশাসন,জেলা পরিষদ,পৌরসভা,শিক্ষা প্রতিষ্টানসহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন অংশ গ্রহন করে। পরে স্বেচ্ছাশ্রমে ৭টি গ্রপে বিভিন্ন হয়ে প্রায় অর্ধশতাধিক প্রতিষ্টান ও সংগঠন শহরের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত প্রায় ৪ কিলোমিটার কোদালীছড়া খাল খনন ও পরিচ্ছন্নতা কাজ শুরু করে। এই কার্যক্রমের ফলে জনসচেতনতা সৃষ্ঠি ,শহরের জলাবদ্ধতা দূর , ময়লা-অবর্জনা ও দখল মুক্ত হবে কোদালী ছড়া। পাশাপাশি ঐতিহ্য ফিরে পাশে মৌলভীবাজার শহর।

এছাড়া মোস্তফাপুর, গিয়াসনগর ও নাজিরাবাদ ইউনিয়নে সিলেট বিভাগ ক্ষুদ্র সেচ উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থায়নে কোদালী ছড়া খালের আরো ৪ কিলোমিটার খনন ও দুই পাড়ের বাঁধ নির্মান কাজ চলছে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১০ফেব্রুয়ারিঃ নবীগঞ্জ ‘কেপিএল ক্রিকেট টুর্নামেন্টে’ ব্লু স্পোর্টিং ক্লাবের বিজয়নবীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ নবীগঞ্জ উপজেলার গজনাইপুর ইউনিয়নের কায়স্থগ্রাম প্রিমিয়ামলীগ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনালে ব্লু স্পোর্টিং ক্লাব বিজয়ী লাভ করেছে। গতকাল শুক্রবার বিকেল তিনটায় কুয়ারপাড় নামকস্থানে অনুষ্ঠিত খেলায় প্রথমে টসে ব্যাটিং জিতে নেয় গ্রিন স্পোর্টিং ক্লাব।

এতে তারা বারো ওভার ব্যাটিং শেষে রান তোলে ১১৯ এবং প্রতিপক্ষ ব্লু স্পোর্টিং ক্লাবকে ১২০ রানের টার্গেট ছুড়ে দেয়। এসময় দশ মিনিট বিরতি শেষে পরবর্তীতে ব্যাটিংয়ে নামে ব্লু স্পোর্টিং ক্লাব। ইতিমধ্যে মাঠে এসে তারাও নির্ধারিত রান তোলায় মরিয়া হয়ে ওঠে।

এতে এগারো ওভার পাঁচ বল শেষে এক বলে দুই রানের এক পর্যায় ওয়াইট-বাই দুই রানে বিজয়ী হয় ব্লু স্পোর্টিং ক্লাব। পরে অতিথিবৃন্দ বিজয়ী দলের হাতে প্রথম পুরষ্কার হিসেবে একটি বড় ট্রফি এবং রানার্সআপ দলের হাতে একটি ব্যাট তুলে দেন। এসময় এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠিত খেলায় আম্পায়ার এর দায়িত্ব পালন করেন নজরুল ইসলাম ও কালাম আহমেদ।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১০ফেব্রুয়ারি,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:    সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার লাউড়গড় সীমান্ত দিয়ে অবৈধ ভাবে ভারতে অনুপ্রবেশ করে প্রতিদিন লক্ষলক্ষ টাকার রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে বিভিন্ন প্রকার মালামাল পাচাঁর করা হচ্ছে। এলাকার স্থানীয় প্রভাবশালীরা ১১জনের একটি সিন্ডিকেড তৈরি করে চোরাচালান নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি চাঁদাবাজি ও মদ পাচাঁর মামলার জেলখাটা আসামীদের বিজিবির লাইনম্যান ও সোর্সের দায়িত্ব দিয়ে নামে-বেনামে প্রকাশ্যে চাঁদা উত্তোলন করছে। এর ফলে প্রায়ই ঘটছে নানান প্রকার অপ্রীতিকর দূঘটনা। কিন্তু এসব অনিয়ম দেখার কেউ নেই।
এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীরা জানায়,লাউড়গড় বিজিবি ক্যাম্পের ১২০৪এর ৩এস পিলার সংলগ্ন যাদুকাটা নদী দিয়ে প্রায় ৭শত গজ ভারতের ভিতরে প্রতিদিন প্রায় ২হাজার শ্রমিক ও চোরাচালানীদেরকে ভারতে পাঠানো হয়। তারা ভারত থেকে প্রতিদিন নৌকা ও লড়ি দিয়ে ৩হাজার মে.টন পাথর ও কয়লাসহ মদ,গাজা,হেরোইন,গরু,ঘোড়া,কাঠ,নাসিরউদ্দিন বিড়ি ও অস্ত্র পাচাঁর করছে।

এর বিনিময়ে লাউড়গড় বিজিবি ক্যাম্পের নামে চাঁদাবাজি মামলার আসামী লাউড়গড় গ্রামের মৃত আব্দুল গফুরের ছেলে আনসারুল ও সামসুল হকের ছেলে সেলিম মিয়া ১লড়ি (৬টন) পাথর থেকে ২শত টাকা,১বস্তা(৫০কেজি)কয়লা থেকে ১শত টাকা,১ নৌকা পাথর ৫শত টাকা,১টি গরু থেকে ২হাজার টাকা,১টি ঘোড়া থেকে ৩হাজার টাকা,নদীর পাড় কেটে ১নৌকা বালু থেকে ১৫শত টাকা,১টি সেইভ মেশিন থেকে ২হাজার টাকা ও বিভিন্ন প্রকার মাদকদ্রব্য থেকে মাসিক ও সাপ্তাহিক ২০থেকে ৫০হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা নিচ্ছে। অন্যদিকে ১২০৩নং পিলারের পূর্বদিকে প্রায় ৩শত গত ভারতের ভিতরে প্রায় ১হাজার শ্রমিক পাঠিয়ে ৩০০টি অবৈধ মৃত কুপ (কোয়ারী) তৈরি করে পাথর উত্তোলন করা হচ্ছে।

গত বছর এই সময় মৃত্যু কুপ থেকে পাথর উত্তোলন করতে গিয়ে ২জনের মৃত্যু হয়েছে। আর পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে বেলা নামক এনজিও চোরাচালান ও চাঁদাবাজ সিন্ডিকেডের বিরোদ্ধে মামলা করেছে। তারপরও বন্ধ হয়নি এই অবৈধ কার্যক্রম। গত ২৮.০৮.১৭ইং সোমবার রাত ১০টায় ১২০৩নং পিলার সংলগ্ন বারেকটিলা এলাকা দিয়ে গরু ও মদ পাচাঁর করার সময় চোরাচালানীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় রাজেস (২৫) নামের এক চোরাচালানীর মৃত্যু হয়। এঘটনায় চোরাচালানী ফিরোজ মিয়া (২৭)কে বিএসএফ ধরে নিয়ে যায়। গত ১৮.০১.১৮ইং বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় ২টি পিস্তলসহ চোরাচালানী সুজন মিয়াকে গ্রেফতার করে র‌্যাব।

এছাড়াও পাথর,কয়লা,মদ,গরু, কাঠ ও ঘোড়া পাচাঁর করতে গিয়ে যাদুকাটা নদীতে ডুবে এই পর্যন্ত ১৫জন শ্রমিক ও চোরাচালানীর মৃত্যু হয়েছে। এব্যাপারে জানতে লাউড়গড় বিজিবি ক্যাম্প কমান্ডার কেরামতের সরকারী মোবাইল নাম্বার(০১৭৬৯-৬১৩১৩০) ও এফএস মাহফুজের মোবাইল নাম্বারে (০১৭২০-২৭৭৩২৫) বারবার কল করার পরও তারা কেউ ফোন রিসিভ করেননি। সুনামগঞ্জ ২৮ব্যাটালিয়নের বিজিবি অধিনায়ক নাসির উদ্দিন বলেন,এব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্বঘোষিত সভাপতি মহসিন মিলনের বিরুদ্ধে সদস্যদের প্রতিবাদ

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১০ফেব্রুয়ারি,বেনাপোল প্রতিনিধি : কোন সিদ্ধান্ত ছাড়াই বেনাপোল প্রেসক্লাবের নতুন কার্যকরি কমিটি-২০১৮ এর ঘোষনা দিয়েছেন প্রেসক্লাবের স্বঘোষিত সভাপতি মহসিন মিলন। গত ২৭ জানুয়ারী প্রেসক্লাবের নির্বাচনী সাধারন সভায় ঘোষনা দেয়া হয় ১০ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং নির্বাচন কমিশনারও গঠন করা হয়।

পরবর্তীতে ওই তারিখে নির্বাচন না করার জন্য মহসিন মিলন তার নিজস্ব কয়েকজন সদস্যদেরকে সাদা কাগজে স্বাক্ষর করিয়ে নেন এবং নির্বাচন বন্ধ করার নীল নকশা আকেন। এদিকে পরিস্থিতি শান্ত ও সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে যশোর-১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শেখ আফিল উদ্দিন বিষয়টি জানতে পেরে প্রেসক্লাবের সদস্যদের সাথে মত বিনিময় করেন।

মতবিনিময় কালে তিনি বলেন, সকল সদস্যদের উপস্থিতিতে একটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেটা নির্বাচন বা সমঝোতার মাধ্যমেও হতে পারে। তবে তার স্বচ্চতা থাকতে হবে। ১০ ফেব্রুয়ারী শনিবার প্রেসক্লাবের সদস্যদের নিয়ে নির্বাচন হওয়ার কথা কিন্তু শুক্রবার রাতে মহসিন মিলন নিজেকে সভাপতি করে তার পরিবারের সদস্যসহ মনগড়া কিছু সদস্যদের নিয়ে ১৩ সদস্যের একটি কমিটি করে বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়েছেন। যা সাধারন সদস্যের মধ্যে বিরুপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। ঘোষিত কমিটিতে সহ সভাপতি জামাল হোসেন ও সাধারন সম্পাদক ঘোষনা দেয়া হয়েছে মোঃ রাশেদুর রহমান রাশুকে। যা তারা  নিজেরাও জানেন না।

তাছাড়া প্রেসক্লাবের ২১ সদস্যের মধ্যে সিনিয়র সদস্যদের বাদ দিয়ে লেখাপড়া না জানা কিছু নাম কাওয়াস্তে সাংবাদিক নামধারী সদস্যদের নিয়ে তার পকেট কমিটি ঘোষনা দিয়েছেন। মহসিন মিলন তার সভাপতি পদ টিকিয়ে রাখতে দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে এরুপ কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছেন। গত সাধারন সভায় প্রেসক্লাবের আয় ব্যয়ের সঠিক হিসাব ও প্রকৃত আয়ের উৎসগুলি উপস্থাপন করেননি। ব্যাংকে থাকা প্রেসক্লাবের ২ লাখ টাকারও হিসাব দেননি। প্রেসক্লাবের ভাড়া করা ঘরটি ও সুকৌশলে ব্যক্তি নামে ডিড করে নিয়েছেন তিনি। যা গঠনতন্ত্র পরিপন্থি। প্রেসক্লাবের রেজিষ্টারসহ সকল কাগজপত্র প্রেসক্লাবে থাকার কথা থাকলেও রয়েছে তার নিজের অফিসে। সে সব রেজিষ্টারে ইচ্ছা মাফিক বছরে দু’একবার মিটিং ডেকে স্বাক্ষর করিয়ে নেন। সদস্যরা এসব কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করলে তিনি গোস্সা হন।

নির্বাচন বা সিদ্ধান্ত ছাড়াই মনগড়া কমিটি ঘোষনা করায় ঘোষিত নতুন কমিটির সহ সভাপতি জামাল হোসেন ও  সাধারন সম্পাদক  মোঃ রাশেদুর রহমান রাশু এ অবৈধ কমিটি ঘোষনার নিন্দা ও তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন।

প্রতিবাদ জানিয়ে তারা বলেন, গঠনতন্ত্র অনুয়ায়ী সকলের উপস্থিতিতে আগামী সাত দিনের মধ্যে নতুন বৈধ কমিটি গঠন না করলে স্বঘোষিত সভাপতি মহসিন মিলনের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১০ফেব্রুয়ারিঃ শমসেরনগর সাইক্লিং কমিউনিটির আয়োজনে শমসেরনগর ডাবলছড়া খাসিয়া পুঞ্জি এলাকায় বৃহত্তর সিলেট বিভাগের সাইক্লিষ্টদের নিয়ে রাত্রীকালীন ক্যাম্পিং এর আয়োজন করা হয়।এতে সিলেট,মৌলভীবাজার,সুনামগঞ্জ,হবিগঞ্জ,বড়লেখা,শ্রীমঙ্গল ও বিয়ানীবাজার এর প্রায় দেড় শতাধিক সাইক্লিষ্ট অংশ গ্রহন করেন।
সারারাত ব্যাপী,খাওয়া দাওয়ার পাশাপাশি গল্প গুজব,গান ও আড্ডার সাথে চলে ক্যাম্প ফায়ার।সকালে নাস্তা পর্ব শেষে বাইসাইকেল যোগে আবারো সবাই ফিরেন নিজ নিজ গন্তব্যে।
এই ব্যতিক্রমী ক্যাম্পিং এ যোগ দিয়ে বৃহত্তর সিলেটের সাইক্লিষ্টদের অভিভাবক আরিফ আক্তারুজ্জামান জানান,নিজেদের মাঝে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে ও সম্পর্ক বৃদ্ধি করতে এই ধরনের আয়োজন খুবই প্রয়োজন।সিলেট বিভাগে প্রথম এতো সুন্দর সুশৃঙ্খল আয়োজনের জন্য তিনি শমসেরনগর সাইক্লিং কমিউনিটি কে আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
আয়োজক শমসেরনগর সাইক্লিং কমিউনিটির পক্ষ থেকে মিজান রহমান,নবিল শমসেরী ও ফুয়াদ রিটন জানান,প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর শমসেরনগরে তারা পরিবেশ বান্ধব বাহন বাইসাইকেল নিয়ে কাজ করার পাশাপাশি,বৃহত্তর সিলেটের সাইক্লিষ্টদের নিয়ে এইরকম আয়োজন করতে পেরে তারা আনন্দিত ও গর্বিত বোধ করছেন।সেই সাথে তারা আরো বলেন,আগামীতে এই ধারা অব্যাহত রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১০ফেব্রুয়ারি,চান মিয়া,ছাতক,সুনামগঞ্জ:   ছাতকে দোলারবাজার ইউনিয়নের মঈনপুর কুড়াচাতল বিলের জবর-দখল নিয়ে গুলিবিনিময়ের ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যান সায়েস্তা মিয়াকে প্রধান আসামি করে সুনামগঞ্জ আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার কুড়াচাতল বিলের বিবদমান দু’টি সংগঠনের মধ্যে পর পর দু’দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এতে রাউলী গ্রামের মৃত ফিরোজ মিয়ার পুত্র ছাদিক মিয়া বাদি হয়ে ইউপি চেয়ারম্যান সায়েস্তা মিয়াসহ ১১জনের নামে মামলা (নং-২৭/২০১৮) দায়ের করেন। মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, জলমহাল ব্যবস্থাপনার সরকারি নীতিমালা অনুসরণ করে ইজারা-বন্দোবস্তের মাধ্যমে জনবল নিয়োগ করে কুড়াচাতল বিল ভোগ-দখল করে আসছেন ছাদিক মিয়া ও তার সংগঠন। সম্প্রতি জোরপূর্বক বিল দখল নিতে ছাদিক মিয়া ও সংগঠনের সদস্যদের বিভিন্নভাবে হয়রানি ও নির্যাতন করে আসছেন প্রতিপক্ষ সায়েস্তা মিয়া ও তার লোকজন।

বিল থেকে উচ্ছেদ করতে মামলা-মোকদ্দমা দিয়েও হয়রানি করা হচ্ছে। ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে মাছ আহরন করা অবস্থায় সায়েস্থা মিয়ার নেতেৃত্বে আবু হানিফ, ছালেহ মিয়া, হেলাল মিয়া, আলাল মিয়া, মধু মিয়াসহ ১০-১৫ জন লোক দেশী ও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায় মৎস্য আহরণকারিদের উপর।

এতে গুলিবিদ্ধসহ অন্তত ২০ব্যক্তি আহত হয়। আহতদের মধ্যে দোলারবাজার ইউনিয়নের কুর্শি গ্রামের বাসিন্দা গুলিবিদ্ধ আব্দুল কদ্দুছ (৬৫), ইসরাইল আলী (৩২) ও মহরম আলী (২৫)সহ আহত বিরাম আলী (৮০), কবির মিয়া (২৮) ও নিজাম উদ্দিন (১৮)কে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আব্দুর নুর, দুদু মিয়া, সিজিল মিয়া, মুজিব, ইয়াকুব আলীসহ আহতদের কৈতক হাসপাতালসহ স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।