Sunday 27th of May 2018 09:29:39 AM

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩ফেব্রুয়ারিঃ    অনলাইন মিডিয়ার কর্নধার ‘বাংলাদেশ অনলাইন নিউজ পোর্টাল এ্যাসোসিয়েশন (বনপা) এর উদ্যোগে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আয়োজিত আইসিটি আইনের ৩২ ধারা বাতিলের দাবীতে মানববন্ধনে বনপা’র সভাপতি সুভাষ সাহা বলেন,’আমরা গুপ্তচর নই,আমরা সাংবাদিক। মুক্তচিন্তার সাংবাদিকতার প্রতিবন্ধক ৫৭ ধারা সরকার বাতিল করে আবার অন্য মোড়কে ৩২ ধারা সংযুক্ত করায় দেশজুড়ে সমালোচনার মুখে সরকার। আমরাও বিশ্বাস করি ৩২ ধারার ফলে শুধুমাত্র দুর্নীতিবাজরাই উপকৃত হবেন।

অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার পথ রুদ্ধ করা হলে জনসাধারণ বা সরকারের কোন লাভ হবে না। একটি দুষ্ট চক্র পরিকল্পিতভাবে সরকারকে দুর্নীতিবাজদের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে চিহ্নিত করতে সচেষ্ট। দুর্নীতির সঠিক তথ্য প্রকাশ করলে সাংবাদিকরা ৩২ ধারায় গুপ্তচরের দোষে সাজা ভোগ করবেন এধরনের আইন সভ্য সমাজে মেনে নেয়া যায় না। সরকারের আস্থাভাজন কিছু দালাল সাংবাদিক নেতাও নাকি এ ব্যাপারে সরকারকে উৎসাহ দিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।

বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, ১১তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের হাওয়া যখন বইতে শুরু করেছে ঠিক এমুহূর্তে ৩২ ধারার মতো আরেকটি নিবর্তনমূলক আইন গণহারে চাপিয়ে দেয়া মোটেও শুভ লক্ষণ নয়। আমরা বিশ্বাস করতে চাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করবেন।’

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩ফেব্রুয়ারি,আত্রাই, (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ  নওগাঁর আত্রাইয়ে ইয়াবা ও হেরোইনসহ দুইজন কে গ্রেফতার করেছে আত্রাই থানা পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানাযায়, গতকাল শনিবার দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আত্রাই থানার এস আই মোস্তাফিজুর, এস আই সুতসম ও এ এস আই এনায়েত সঙ্গীয় ফোর্স সহ উপজেলার বিশা ইউনিয়নের বৈঠাখালি গ্রামে অভিযান চালিয়ে দুই ব্যক্তিকে আটক করেন।
আটককৃত ব্যক্তি পার্শ্ববর্তী সিংড়া উপজেলার চকজামিরা গ্রামের মো: মুনছের আলীর পূত্র মোঃ বাবু (৪২) এবং একই উপজেলার নিঙ্গন গ্রামের মো: নিজাম উদ্দিনের পূত্র মোঃ জহুরুল ইসলাম (৪০)।
আটকের সময় তাদের কাছ থেকে ৫ গ্রাম হিরোইন ও ২০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে আত্রাই থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: মোবারক হোসেন জানান, এ ব্যাপারে থানায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে একটি মামলা রেকর্ড করা হয়েছে এবং তাদের নওগাঁ জেল হাজতে প্রেরনের প্রস্তুতি চলছে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩ফেব্রুয়ারি,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের বিভিন্ন হাওরের বাঁধের কাজ পরিদর্শন করেছেন তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল। তিনি শনিবার (০৩,০২,১৮ইং) সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত উপজেলার টাকাটুকিয়া,জামলাবাজ,আলমখালি,কামার কান্দি,পাচঁনাইলা,মেশিন বাড়ির বাঁধসহ প্রায় ২০টির বেশি হাওরের বাঁধের কাজের পরিদর্শন করেন। প্রতিটি বাঁধ রক্ষায় কাজে পিআইসিগন সঠিক ভাবে কাজ করছেন বলে তিনি জানান। তিনি বলেন,গত বছরের পূনাবৃত্তি চাই না। পুকুর চুরি না ডাকাতি হয়েছে।

এবার এক পয়সার কাজ না করে বিল নিতে দেব না কাউকে। সে যতবড় শক্তিশালী হউক। কোন ছাড় দেওয়া হবে না এবার কাজ করতেই হবে। আমরা হাওরের মানুষ হাওরেই আমাদের প্রান। হাওরেই আমাদের বাচাঁর স্বপ্ন-আশা। হাওর ছাড়া এই এলাকার মানুষ বাচঁতে পারবে না। হাওরকে রক্ষা করতে হলে সঠিক ভাবে কাজ এবং সবাই হাওর রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ ভাবে বাঁেধর কাজের সাথে থেকে বাঁধ নির্মানে তধারকি করতে হবে। যারা হাওরের বাঁধ নির্মানের দায়িত্বে আছে তারা যদি বাঁধ নির্মানে কোন রখম গাফিলতি করে তাহলে এবার আর কোন ছাড় দেওয়া হবে না। কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এসময় ইমরান হোসেন (এসও),দক্ষিন বড়দল ইউপি চেয়ারম্যান আজহর আলী,মাটিয়ান হাওর রক্ষা কমিটির সাধরন সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম,সাবেক অধ্যাক্ষ সাইদুল কিবরিয়া,বাদল মিয়া,জাহাঙ্গীর আলমসহ সংশ্লিষ্ট বাঁেধর পিআইসি এবং স্থানীয় গনমান্য ব্যক্তিগন উপস্থিত ছিলেন।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩ফেব্রুয়ারি,হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে এক দিন আর এক রাত কঠোর গোপানীয়তার চলা র্যাবের অভিযান সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়েছে ১০টি অ্যান্টি ট্যাংক রকেট লঞ্চার উদ্ধারের মাধ্যমে। প্রেস ব্রিফিংয়ে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) এর ডিজি অংশ নেয়ার কথা থাকলেও তিনি আবহাওয়া খারাপ থাকার কারণে আসেননি।
শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারী) দুপুর সোয়া ২টায় র্যাবের মিডিয়া উইং প্রধান মুফতি মাহমুদ এই অভিযানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
তিনি জানান, শুক্রবার রাত থেকে শনিবার দুপুর পর্যন্ত অভিযানে ১০টি হাই এক্সক্লুসিভ ৪০ এমএম অ্যান্টি-ট্যাংক রকেট লঞ্চার উদ্ধার করা হয়েছে। এই লঞ্চারগুলো ১৫ কিলোমিটার দুরবর্তী স্থান পর্যন্ত কাজ করে। এছাড়া আর কোনো কিছু পাওয়া যায়নি।
সংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো বলেন, অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। তবে ওই এলাকাটিতে গোয়েন্দা নজরদারী থাকবে। দুস্কৃতিকারীরা যাতে এই এলাকাকে ব্যবহার করে কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে সে ব্যাপারে র্যাব সতর্ক রয়েছে বলেও জানান তিনি।
প্রেস ব্রিফিংকালে অন্যানের মাঝে উপস্থিত ছিলেন র্যাব-৯ সিলেট ক্যাম্পের কমান্ডিং অফিসার লেফট্যানেন্ট কর্ণেল আলী আয়দার আজাদ আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ মনিরুজ্জামান ও বিমান চন্দ্র কর্মকার।
এ সময় হবিগঞ্জের জেলা প্রশাসক মনীষ চাকমা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আসম সামছুর রহমান ভূইয়া, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার এসএম রাজু আহমেদসহ র্যাব এবং পুলিশের শতাধিক সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, এর আগে শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে অভিযানে নামেন র্যাব-৯ এর সদস্যরা। এর আগে ২০১৪ সালের ১৬ অক্টোবর ৪র্থ দফার ১ম পর্যায়ে উদ্যানের গহীনের অরণ্যে মাটি খুড়ে ৩টি মেশিন গান, ৪টি ব্যারেল, ৮টি ম্যাগজিন, ২৫০ গুলির ধারণক্ষমতা সম্পন্ন ৮টি বেল্ট ও উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন একটি রেডিও উদ্ধার করা হয়।
সর্বশেষ ১৭ অক্টোবর দুপুরে এসএমজি ও এলএমজি’র ৮ হাজার ৩৬০ রাউন্ড, ত্রি নট ত্রি রাইফেলের ১৫২ রাউন্ড, পিস্তলের ৫১৭ রাউন্ড, মেশিনগানের ৪২৫ রাউন্ডসহ মোট ৯ হাজার ৪৫৪ রাউন্ড বুলেট উদ্ধার করা হয়।
এছাড়া এসএমজি’র ২০টি, এলএমজি’র ৫টি, এসএলআর-এর ৬টি, ত্রি নট ত্রি’র ৪টি, এমএমজি ২টি, পিস্তলের ২৯টি ও জি থ্রি’র ১২টিসহ মোট ৮০টি ম্যাগজিন, ৫টি ওয়াকিটকি ও উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন একটি রেডিও সেট উদ্ধার করা হয়।
গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর তৃতীয় দফা অভিযানে বিপুল অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। সে সময় ত্রিপুরা পল্লীর একটি বাড়ির ছাগল রাখার ঘরের নিচে বাঙ্কার থেকে ১৪ বস্তা গোলাবারুদ উদ্ধার করেন র্যাব সদস্যরা। এর মধ্যে ছিল ১১২টি ট্যাংক বিধ্বংসী ৪০ মিলিমিটার রকেট ও ৪৮টি রকেটের চার্জার।
এর আগে, ৩ জুন থেকে ৪ জুন পর্যন্ত প্রথম দফা অভিযান চালিয়ে আটটি বাঙ্কারের সন্ধান পাওয়া যায় সাতছড়িতে। বাঙ্কারগুলো থেকে একটি মেশিনগান, একটি রকেট লঞ্চার, পাঁচটি মেশিনগানের ব্যারেল, ২২২টি কামানের গোলা ও ২৪৮টি রকেটের চার্জার এবং বিভিন্ন ধরনের ১২ হাজার ৯৮৭টি গুলি উদ্ধার করা হয়।
২৯ আগস্ট থেকে ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দ্বিতীয় দফায় অভিযানে নয়টি এসএমজি, একটি এসএমসি, একটি ৭.৬২ মিলিমিটার অটো রাইফেল, ছয়টি এসএলআর, দুটি এলএমজি, একটি স্নাইপার টেলিস্কোপ সাইট এবং দুই হাজার ৪০০ রাউন্ড গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়। এসব অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় এ পর্যন্ত তিনটি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় চুনারুঘাট থানা পুলিশ তদন্ত করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩ফেব্রুয়ারি,ডেস্ক নিউজঃ   খালেদা জিয়ার মামলার রায়ের দিন ঘনিয়ে আসছে। আগামী ‘৮ ফেব্রুয়ারি’ রায় কি হবে এবং রায়কে কেন্দ্র করে কোন ধরনের গোলযোগ ঘটবে কি না এ নিয়ে জণমনে উত্কণ্ঠা তৈরি হয়েছে। রায়কে ঘিরে নাশকতা ঘটতে পারে এমন আশঙ্কা করছে গোয়ন্দারা। এ নিয়ে পুলিশ সদর দফতর ও ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশে কয়েক দফা বৈঠক হয়েছে। যেকোন ধরনের নাশকতা প্রতিহত করতে পুলিশ আগাম প্রস্তুতি নিয়েছে। ইতিমধ্যে বিএনপির বিশেষ কয়েকজন নেতা-কর্মীর উপর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। দেশের অন্যান্য স্থান থেকে বিএনপির নেতা-কর্মীরা রাজধানীতে প্রবেশ করতে না পারে-সেজন্য পুলিশ কঠোর অবস্থানে নিয়েছে। ইতোমধ্যে অনেক নেতাকর্মী রাজধানীর আবাসিক হোটেল ও আত্মীয় স্বজনদের বাড়িতে উঠেছেন। পুলিশ আগামীকাল রবিবার থেকে এ ব্যাপারে কঠোর অবস্থানে যাবে বলে গোয়েন্দা সংস্থার একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া গতকাল ইত্তেফাককে বলেন, ২০১৩ ও ১৪ সালে এ ধরনের নাশকতা পুলিশ কঠোর হস্তে প্রতিরোধ ও দমন করেছে। ওই ধরনের হামলা ও নাশকতামূলক কর্মকান্ড করলে পুলিশ চুপ থাকবে না। জানমালের কোন ক্ষতি ঘটাতে দেওয়া হবে না। এ জন্য পুলিশকে কঠোর নির্দেশনা দেয়া আছে। জড়িতদের গ্রেফতার শুরু হয়েছে। এ প্রক্রিয়া চলবে। রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে প্রবেশ মুখে ১৩ টি চেকপোস্ট রয়েছে। এই চেকপোস্টে যানবাহন ও সন্দেহভাজনদের তল্লাশি করা হবে। তবে নিরীহ মানুষ যাতে হয়রানির শিকার না হয়- সে ব্যাপারে পুলিশকে সজাগ থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এরই মধ্যে রাজধানীর আবাসিক হোটেলগুলোতে রাজনৈতিক বহিরাগত নেতা-কর্মীরা ঠাঁই নিয়েছেন। অনেকেই নাম-পরিচয় গোপন রেখে হোটেলে অবস্থান করছেন। তাদেরকে এক সপ্তাহ আগে ঢাকায় আসার নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্দেশনা অনুযায়ি তারা ঢাকায় চলে আসেন। তবে এ ব্যাপারে এখন পর্যন্ত কোন তল্লাশি চালায়নি বলে কয়েকটি হোটেলের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন। তারা বলছেন, বোর্ডার আসছেন, আবার যাচ্ছেন। তবে আগের চেয়ে একটু বেশি আসছেন। তারা ৪/৫ দিনের বেশি সময় ধরে অবস্থান করছেন।

গতকাল তোপখানা রোডের কয়েকটি আবাসিক হোটেলে গিয়ে কথা হয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে। হোটেল কর্ণফুলির ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ সেলিম বলেন, হোটেলে আন্দোলনকারীরা উঠেছেন তাদের নাম পরিচয় দিয়ে। তবে এখন পর্যন্ত তাদেরকে রাখা যাবে কি না-এ ব্যাপারে পুলিশের কোন নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। পুলিশ নির্দেশনা দিলেই আমরা ব্যবস্থা নেব।  হোটেল সম্রাট এর ব্যবস্থাপক আব্দুল হাই বলেন, দুই একজন বোর্ডার আন্দোলনকারী হতে পারেন। তবে এ ব্যাপারে পুলিশের কোন নির্দেশনা মিলেনি।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০২ফেব্রুয়ারি,ডেস্ক নিউজঃ   আগামীকাল শনিবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর হোটেল লা মেরিডিয়ানে শুরু হবে বিএনপির বর্তমান নির্বাহী কমিটির প্রথম বৈঠক। উদ্বোধনী অধিবেশনে বক্তব্য দেবেন দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। জানা গেছে, আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি তার বিরুদ্ধে মামলার (জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা) রায়কে সামনে রেখে দলের করণীয় সম্পর্কে এই বক্তব্যে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা দেবেন তিনি। পাশাপাশি আবারও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের বিষয়টি তুলে ধরবেন তিনি।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির একাধিক সূত্রের ভাষ্য, দলের নির্বাহী বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে একটি বিশেষ সংকটময় পরিস্থিতিতে। এই পরিস্থিতিতে চেয়ারপারসনের রায়, আগামী নির্বাচন ও সাংগঠনিক রূপরেখা— তিনটি বিষয়ই প্রাধান্য পাবে। এর সঙ্গে আরও কিছু বিষয় যুক্ত হবে, যেগুলো এখনও আলোচনাতেই আসেনি।
বিএনপির রাজনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, দলীয় ইতিহাসে বিএনপি কয়েকবার বিপদে পড়েছে। এর মধ্যে সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের সরকারের মেয়াদে এবং ফখরুদ্দীন আহমদের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় দুই ভাগ হয়েছে বিএনপি। এর মধ্যে ফখরুদ্দীনের সময় সবচেয়ে বেশি সংকটের মুখে পড়ে দলটি। দলটির নেতাকর্মীদের ভাষ্য, ওয়ান-ইলেভেন নামে পরিচিত এই সময়ে শুরু হওয়া সংকটের রেশ এখনও আছে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগও কয়েক দফা ভাঙার চেষ্টা করেছে বিএনপিকে।

দলীয় সূত্রগুলো বলছে, ৮ ফেব্রুয়ারিকে সামনে রেখে নির্বাহী কমিটির সামনে দিকনির্দেশনা দেবেন খালেদা জিয়া। আর এর মধ্য দিয়ে দলীয়ভাবে নতুন ইতিহাস তৈরি করবেন তিনি। ওয়ান-ইলেভেনের সময় গ্রেফতার হওয়ার পর খন্দকার দেলোয়ার হোসেনকে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ঘোষণা দিলেও দলের করণীয় সম্পর্কে খালেদা জিয়া কিছুই বলে যেতে পারেননি। আর এবার তিনি প্রস্তুতি নিয়েই নেতাকর্মীদের দিকনির্দেশনা দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। সেক্ষেত্রে তার বক্তব্য রাজনৈতিকভাবে আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। দলীয় নেতাকর্মীরা মনে করছেন, খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে দল কীভাবে পরিচালিত হবে— সেই নির্দেশনা তার কাছ থেকেই পাওয়াটা বিএনপির রাজনীতির জন্য মাইলফলক।

কী বলবেন খালেদা জিয়া
নির্বাহী কমিটিতে খালেদা জিয়ার বক্তব্য মূলত দুইটি পর্যায়ে বিভক্ত থাকবে। প্রথম পর্বের বক্তব্যে তিনি রাজনৈতিক ও আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে সরকারের প্রতি আবারও নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু নির্বাচনি সরকারের দাবি পেশ করবেন। উদ্বোধনী অধিবেশনে তার বক্তব্য গণমাধ্যমেও প্রচার হবে।

সূত্র জানায়, খালেদা জিয়া নিজ থেকে ‘পরিস্থিতি’ তৈরি করে— এমন বক্তব্য দেবেন না। একতরফা নির্বাচন করার চেষ্টা থেকে দূরে থাকতে সরকারকে সতর্ক করে আহ্বান জানাবেন তিনি। এই আহ্বান তিনি বিগত দিনে তার একাধিক আলোচনায় রেখেছেন। শনিবারের নির্বাহী কমিটির উদ্বোধনী অধিবেশনেও এ বিষয়টিই মুখ্য হয়ে উঠবে।
দলীয় সূত্রগুলোর ধারণা, খালেদা জিয়া নির্বাহী কমিটির বৈঠকের শেষ অধিবেশনে নেতাকর্মীদেরকে যেকোনও পরিস্থিতিতে ঐক্যবদ্ধ থাকার পরামর্শ দেবেন। বিএনপি ও দল হিসেবে জাতীয়তাবাদী ধারা এই দলটির টিকে থাকার বিষয়টি উল্লেখ করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার পরামর্শ দেবেন চেয়ারপারসন। স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য জানান, সর্বশেষ অনুষ্ঠিত স্থায়ী কমিটির বৈঠকেই সিদ্ধান্ত হয়, খালেদা জিয়ার মামলার রায় যাই হোক না কেন, প্রতিক্রিয়া হবে নিয়মবদ্ধ। কোনও ধরনের সহিংসতায় না যাওয়ার ব্যাপারে ঐক্যমত্য প্রকাশ করা হয় ওই বৈঠকে।

শুক্রবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা বলেছেন, ‘বিএনপি ছাড়া অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন সম্ভব নয়।’ তার এই বক্তব্যও বিএনপিতে খানিকটা আশার সঞ্চার করেছে। অনেকেই ধারণা করছেন, ৮ ফেব্রুয়ারি ইতিবাচক কিছুও দেখা যেতে পারে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সূত্রটি বলছে, খালেদা জিয়ার বক্তব্যেও ইতিবাচক অবস্থান উঠে আসবে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘আমাদের নির্বাহী কমিটি হওয়ার পর এটাই প্রথম বৈঠক। এই বৈঠকে দেশের রাজনৈতিক অবস্থা, সামগ্রিক অবস্থা উঠে আসবে। আমাদের সাংগঠনিক অবস্থা, আগামী নির্বাচনও আলোচনায় আসবে। চেয়ারপারসন নির্বাচন নিয়েও কথা বলবেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই সরকার যে বিএনপির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে, নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যে মামলা দিচ্ছে, হয়রানি করছে— এসব বিষয়ও নির্বাহী কমিটির আলোচনায় উঠে আসবে।’

স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার বলছেন, ‘বিএনপির ভবিষ্যৎ কী হওয়া উচিৎ, এটাই সম্ভবত চেয়ারপারসনের বক্তব্যে উঠে আসবে।’

বিএনপির স্থায়ী কমিটির প্রবীণ একজন সদস্য দাবি করেন, ‘পরিস্থিতি ঘোলাটে হোক, তা তিনি (খালেদা জিয়া) চান না। ফলে তার বক্তব্যে ঐক্য ও শান্তির কথাই স্থান পাবে।’

তারেক রহমান থাকবেন অনলাইনে
বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ের সূত্র বলছে, নির্বাহী কমিটির বৈঠকে ইন্টারনেটে যুক্ত থাকতে পারেন লন্ডনে অবস্থান করা বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আগামী বৃহস্পতিবারের (৮ ফেব্রুয়ারি) রায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গেলে বা খালেদা জিয়াকে গ্রেফতার করা হলে তারেক রহমানই ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পাবেন।

বিএনপির গঠনতন্ত্রের ৮ ধারার সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান উপধারাতেও বলা আছে, ‘চেয়ারম্যানের সাময়িক অনুপস্থিতিতে তিনি দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করবেন।’

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী জানিয়েছেন, এরই মধ্যে নির্বাহী কমিটির সদস্যরা নয়া পল্টন থেকে রেজিস্ট্রেশন করছেন।

বিএনপি দফতর জানায়, নির্বাহী কমিটির বৈঠকে দলের ৭০০ নেতা উপস্থিত থাকবেন। এর মধ্যে নির্বাহী কমিটির সদস্য ৫০২ জন। এর বাইরে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও জেলার সভাপতিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
অনলাইনে লাইভ হবে খালেদা জিয়ার ভাষণ

বিএনপির মিডিয়া উইংয়ের কর্মকর্তা শায়রুল কবির খান জানান, বিএনপির চেয়ারপারসনের বক্তব্য ফেসবুকের তিনটি পেজ থেকে সরাসরি প্রচার করা হবে। পেজ তিনটি হচ্ছে— Facebook.com/bnp.communication, Facebook.com/bnpbd.org ও Facebook.com/bnplivenettv।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০২ফেব্রুয়ারি,ডেস্ক নিউজঃ   আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছে, চলতি মাসের শুরুর দিকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের উপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে শিলাবৃষ্টিসহ বজ্রঝড়ের দেখা মিলতে পারে বলেও পূর্বাভাস দিয়েছে সংস্থাটি।

দীর্ঘমেয়াদী পূর্বাভাস দিতে আবহাওয়া অধিদফতরের গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটি এ পূর্বাভাস দিয়েছে।
বৃহস্পতিবার আবহাওয়া অধিদফতরে কমিটির বৈঠক হয়। অধিদফতরের পরিচালক ও বিশেষজ্ঞ কমিটির চেয়ারম্যান সামছুদ্দিন আহমেদের এতে সভাপতিত্ব করেন।

ফেব্রুয়ারিতে স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা কম বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে জানিয়ে সামছুদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এই মাসে গড় তাপমাত্রাও স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা বেশি থাকতে পারে।’

কমিটির চেয়ারম্যান জানান, ফেব্রুয়ারি মাসের প্রথমার্ধে দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলের উপর দিয়ে একটি মৃদু (৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস) শৈত্য প্রবাহ বয়ে যেতে পারে। মাসের দ্বিতীয়ার্ধে দেশের উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে এক থেকে দুই দিন শিলাবৃষ্টিসহ বজ্রঝড় হতে পারে।

ফেব্রুয়ারির পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, মাসের প্রথমার্ধে দেশের নদ-নদীর অববাহিকা ও অন্যত্র সকালের দিকে হালকা বা মাঝারি ধরনের কুয়াশা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এ মাসে দেশের প্রধান নদ-নদীগুলোতে পানি প্রবাহ স্বাভাবিক থাকবে।

বিশেষজ্ঞ কমিটির বৈঠকের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, সদ্য শেষ হওয়া জানুয়ারিতে সারাদেশে স্বাভাবিকের চেয়ে ৬৫ দশমিক ৪ শতাংশ বৃষ্টিপাত কম হয়েছে।

জানুয়ারিতে গড় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে ৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম ছিল বলেও প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

উত্তরাঞ্চলে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা

আজ শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টা থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সারা দেশে অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানতঃ শুষ্ক থাকতে পারে। শেষ রাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের নদী অববাহিকার কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং দেশের অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে।

পূ্র্বাভাসে আরো বলা হয়েছে, সারা দেশে রাত এবং দিনের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার আবহাওয়ার অবস্থার বিষয়ে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের উত্তরাংশে বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।

আবহাওয়া অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল পঞ্চগড়ের তেতুলিয়ায় ৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল পটুয়াখালীর খেপুপাড়ায় ২৮ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০২ফেব্রুয়ারি,ডেস্ক রিপোর্টঃ    আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি আবদুল ওয়াহ্‌হাব মিঞা পদত্যাগ করেছেন। শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) তিনি পদত্যাগ পত্রটি বঙ্গভবনে পাঠিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট দুটি সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। বঙ্গভবনের কর্মকর্তারা তার পাঠানো পদত্যাগপত্রটি গ্রহণ করেছেন।

আজ শুক্রবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পান সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। আগামীকাল শনিবার তিনি ২২তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নেবেন।

সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার ছুটিতে যাওয়া এবং পরবর্তী সময়ে পদত্যাগের পর ওয়াহ্‌হাব মিঞা প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

চলতি বছরের ১০ নভেম্বর আবদুল ওয়াহ্‌হাব মিঞার অবসরে যাওয়ার কথা ছিল।