Sunday 24th of June 2018 05:34:37 AM

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৮ফেব্রুয়ারি,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ  সমগ্র বাংলাদেশের ন্যায় সুনামগঞ্জের জনগনের মৌলিক ৫টি অধিকার নিয়ে যে রাজনীতি চর্চা হবার কথা ছিল তার পরিবর্তে স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত উন্নয়ন হয়েছে।

সাথে সাথে জন্ম হয়েছে সন্ত্রাস,খুন,রাহাজানী,দূর্নীতি,চোরাচালানী,ধর্ষন,ইফটিজিংসহ বিভিন্ন অপর্কম। এসব ঘটনায় আইন শৃংখলা রক্ষায়কারী বাহিনী পুলিশ,র‌্যাব গুরুত্ব সহকারে প্রয়োজনীয় প্রদক্ষেপ নেওয়ায় কমলেও জেলার প্রত্যন্ত ও শহর কেন্দ্রিক এলাকা গুলোতে ঘটছে একের পর এক এই খুনের ঘটনা। ঘটছে নানান ইস্যুকে কেন্দ্র করে।

জানা যায়,জেলায় এসব খুনের ঘটনায় কোন রাজনৈতিক ইস্যু না থাকলেও বেশির ভাগ ঘটছে জেলার হাওরা লের বিশাল জলমহল দখল,এলাকায় আধিপাত্য বিস্তার কে কেন্দ্র করে। এর মূলেও পরোক্ষ ভাবে রয়েছে দলীয় কোন্দল ও দলীয় সমর্থন। ফলে দিন দিন আতœংকি হয়ে উঠছে সমৃদ্ধি ও শান্তির শহর সুনামগঞ্জ জেলায় বসবাসকারী জনসাধারন। জেলার থানা গুলোতে পুলিশ প্রতিদিন বিশেষ অভিযান পরিচালিত করছে। অধিকাংশ ঘটনার সাথে জরিত অপরাধীদের ধরতে ও আইনের আওতায় আনতে সক্ষম হয়েছে।

যারা এখনো ধরাচোঁয়ার বাহিরে আছে তাদের আইনের আওতায় আনার সবোর্”চ চেষ্টা করছে। তার পরও জেলার ১১টি উপজেলায় দেড় বছরের ব্যবধানে সংঘর্ষের ঘটনা ঘঠেছে ২শতাধিক এতে নিহত হয়েছে ৭৪জন আর আহত হয়েছে ৩শতাধিক। গত বছরের ২০১৬ইং জানুয়ারী থেকে ২৫ফ্রেরুয়ারী ২০১৮ইং পর্যন্ত পৃথক পৃথক সংঘর্ষে ১১টি উপজেলা গুলো হল,জেলার তাহিরপুর উপজেলায় ৬জন,সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানাধীন ৫জন,দক্ষিন সুনামগঞ্জ উপজেলায় ৮জন,বিশ্বম্ভরপুর উপজেলায় ৫জন, ধর্মপাশা উপজেলায় ৩জন,শাল্লা উপজেলায় ৩জন,জগন্নাথপুর উপজেলায় ৩জন,দোয়ারা বাজার উপজেলায় ১২জন,ছাতক কে সব চেয়ে বেশি খুনের ঘটনা ঘটেছে ১৯জন এবং মধ্যনগড় থানায় ৩জন,সর্বশেষ ২৫ফ্রেরুয়ারী সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থা এক মহিলা সহ দিরাই উপজেলার ৭জন নিহত হয়েছে।

সুনামগঞ্জের সচেতন মহল মনে করেন,বেশির ভাগ জলমহল দখল ও এলাকায় আধিপাত্য বিস্তার কে কেন্দ্র করে সংর্ঘষের ঘটনা ঘটেছে এজেলায়। যে হাড়ে আমাদের জেলায় খুনের পরিমান বাড়ছে। আমাদের পরস্পরের প্রতি পরম্পরের মায়া-মমতা,সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয়,ধর্মীয় কার্য্যাবলী থেকেও আমরা অনেক দূরে চলে যাওয়া,শুধু নিজেদের ক্ষমতা ও ধাম্ভীকতা দেখার বার জন্য কোন সামন্য ঘটনাকে সাথে সাথে সমঝোতার মাধ্যমে শেষ না করার ফলে খুনের ঘটনা ঘটছে। যারা নিহত হয়েছে তাদের পরিবার যানে তারা কি পরিমান ক্ষতির শিকার হয়েছে। এই খুনাখুনির পথ থেকে বের হয়ে আমাদের সবাইকেই ঐক্যবদ্ধ হয়েই আগামী প্রজন্মের জন্য এর সঠিক সমাধান করতে হবে।

তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল বলেন,আইনশৃংখলা বাহিনী ও সমাজের গুরুত্বপূর্ন ব্যাক্তিগন নিজ নিজ এলাকায় সংর্ঘষের ঘটনা ঘটার পূবেই জানার চেষ্টা ও প্রতিরোধে এগিয়ে আসতে হবে। এবং রাজনৈতিক নেতা,ব্যবসায়ী ও নানান শ্রেনী পেশার মানুষসহ সবাই ঐক্য বদ্ধ হলে সুনামগঞ্জে শান্তি আর সম্পৃতির বন্ধনের মধ্য দিয়ে একটি উন্নত জেলা হিসাবে নিজের অবস্থান সৃষ্টি করতে পারবে আর খুনাখুনির ঘটনা বন্ধ হবে।

তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নন্দন কান্তি ধর জানান,আমার এলাকায় জনসাধারনের নিরাপত্তার জন্য যে কোন অপ্রতিকর ঘটনা প্রতিরোধ করতে ও শুশৃংখল পরিবেশ বজায় রাখার জন্য আমি সহ প্রতিটি পুলিশ সদস্য নিয়ে নিরলশ ভাবে নিষ্টার সাথে কাজ করছি।

এছাড়াও সবার সাথে যোগাযোগ করেই যে কোন ধরনের দূঘটনা ঘটার আগেই জানার চেষ্টা করছি এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ের সাথে জরিতদের নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে নিষ্পত্তির চেষ্টা করেছি এবং করছি। সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার বরকত উল্লাহ খান জানান,

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৮ফেব্রুয়ারি,বেনাপোল প্রতিনিধি : যশোরের শার্শায় পিস্তল গুলিসহ সোহানুর রহমান সোহান (২৬) নামে একাধিক মামলার আসামীকে আটক করেছে পুলিশ। আটক সোহান দক্ষিণ বুরুজবাগান গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে।

শার্শা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম মশিয়ার রহমান জানান, বুধবার ভোরে নাভারন-সাতক্ষীরা সড়কের উপজেলার জামতলা নামক কয়েকজন সন্ত্রাসী অবস্থান  করছিল এমন গোপন সংবাদে সেখানে পুলিশ অভিযান চালায়।  পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যাওয়ার প্রাক্কালে সন্ত্রাসী সোহানকে আটক করা হয়।

পরে তার শরীর তল্লাশী করে একটি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। তার নামে একাধিক মামলা রয়েছে।  অস্ত্র আইনে মামলা দিয়ে আদালতে পাঠান হয়েছে।  মামলা নং ৩৫।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৮ফেব্রুয়ারিঃ রেজওয়ান করিম সাব্বির, জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধিঃ     সিলেটের জৈন্তাপুরে আমবাড়ী গ্রামে ওয়াজ মাহফিলে বেদায়াতিদের হামলায় নির্মম ভাবে নিহত হওয়া হরিপুর বাজার মাদ্রাসার দাওরা হাদিস বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র হাফিজ মুজ্জাম্মিল হোসেন হত্যার প্রতিবাদে এবং ৭২ঘন্টার মধ্যে কতিপয় বেদায়াতীদের গ্রেফতারের দাবীতে জৈন্তাপুর বাজারে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্টিত হয়েছে।
গতকাল ২৮ফেব্রুয়ারী বুধবার দুপুর ২টায় জৈন্তাপুর তৌহিদী জনতার ব্যানারে জৈন্তাপুর ঐতিহাসিক বটতলায় অনুষ্টিত প্রতিবাদ সমাবেশে হরিপুর বাজার মাদ্রাসার শাইখুল হাদিস মাওলানা ইউসুফ এর সভাপতিত্বে এবং লামনীগ্রাম মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা আব্দুল জব্বার এর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ আব্দুল্লাহ, জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন, ভাইস চেয়ারম্যান বশির উদ্দিন, জমিয়তে উলামা বাংলাদেশের সেক্রেটারী মাওলানা আলীম উদ্দিন, মাওলানা আতাউর রহমান কোম্পানীগঞ্জী, এডভোকেট নূরুল হক, এডভোকেট মোহাম্মদ আলী, হরিপুর বাজার মাদ্রাসার মুহতামিম হিল্লালা আহমদ, মুহাদ্দিস জয়নাল আবেদীন, শেখ আহমদ আলী কাজির বাজারী, আব্দুল খালিক চাক্তা, হেমু মাদ্রাসার মুহতামিম জিল্লুর রহমান, খরিলহাট মাদ্রাসার মুহাদ্দিস মুফতি জালাল উদ্দিন, ইসমাইল আলী আশিক, মাওলানা হারুনুর রশিদ কানাইঘাটি, দরবস্ত ইউপি চেয়ারম্যান বাহারুল আলম বাহার, চারিকাটা ইউপি চেয়ারম্যান শাহ আলম চৌধুরী তোফায়েল, ফতেহপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ, সাবেক চেয়ারম্যান রহমতউল্লাহ, মাওলানা কবির আহমদ, দেলোয়ার হোসেন জামিল, জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট, কানাইঘাট, কোম্পানীগঞ্জ, সিলেট সদর সহ বিভিন্ন এলাকার হক্কানী উলামায় কেরামগন প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন।

প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা দাবী করে বলেন- “২৬ফেব্রুয়ারী জৈন্তাপুর উপজেলার আমবাড়ী গ্রামের মসজিদে ওয়াজ মাহফিলের প্রধান বক্তা কোরআন হাদিসের ভূল ব্যাখ্যা দিলে মাহফিলে আমন্ত্রীত অপর অতিথি হরিপুর মাদ্রাসার সিনিয়র মুহাদ্দিস মাওলানা আব্দুল ছালাম বক্তব্যের ব্যাখ্যা জানতে চান। তাৎক্ষনিক ভাবে বেদায়াতিরা (?) তাদের পূর্ব পরিকল্পনানুযায়ী ঐক্যবদ্ধ ভাবে হামলা চালায়। তারা বলেন-এ ঘটনায় বেদায়াতীদের হাতে নির্মম ভাবে শাহাদৎ বরন করেন হরিপুর বাজার মাদ্রাসার দাওরা হাদিস বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র হাফিজ মাওলানা মুজ্জাম্মিল হোসেন এবং আহত হন প্রায় ৫০জন ছাত্র-শিক্ষক। তার পরও বেদায়াতীরা ক্রান্ত হয়নি তারা নিহত আহতদের ঘটনাস্থলে আটকে রাখে। তাদের ঘৃনিত ও বর্বরোচিত হামলার পর ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে তাদের মদদদাতাদের নির্দেশে তারা নিজেরাই তাদের বাড়ী ঘরে অগ্নি সংযোগ করে বলে দাবী করেন বক্তারা।

এছাড়া কৌওমী মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষক এবং ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের উপর দোষ চাপিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে বলে ও দাবী করেন তারা।

প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা  আরও দাবী করে বলেন-ঘটনার সংবাদ পেয়ে আহত নিহতদের উদ্ধার করতে গেলে দেখা যায় আমবাড়ী এলাকায় ঘরে ঘরে আগুন জ্বালিয়ে দিয়েছে। আমরাও ধ্বংসাত্বক মূলক এঘটনার তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। উপজেলা প্রশাসন, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থাসহ সাংবাদিক ভাইদের দৃষ্টি আর্কষণ করে জানাচ্ছি আপনারা নিরপেক্ষ ভাবে তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনার রহস্য উদ্বঘাটন করুন। বর্তমানে পত্র-পত্রিকার মাধ্যমে সে সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে তা ভূল ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে আমরা আশাবাদি আপনারা আপনাদের নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনার রহস্যে উদঘাটন করবেন। সেই সাথে ৭২ঘন্টার মধ্যে বেদায়াতীদের মদদদাতা জৈন্তাপুর উপজেলা মিরন মেম্বার, আব্দুল হান্নান আর্মি, এখলাছুর রহমান এবং কন্টু মিয়াকে গ্রেফতাদের দাবী জানান।

বক্তারা আরও দাবী করে বলেন-বৃহত্তর জৈন্তিয়া প্রতিটি পাড়া মহল্লার মসজিদ সমুহে হক্কানি আলেমে দ্বীন ও মাওলানাদের নিয়োগ দিতে হবে এবং বহিরাগত বেদায়াতী আটরশি ও দেওয়ানবাগীদের বিতাড়িত করতে হবে। এছাড়া আগামীতে দেশবাসীদের নিয়ে আলেম উলামায়েরা যে সকল কর্মসূচি ঘোষনা করবেন তা পালন করা হবে।

“হামলাকারীদের আইনের আওতায় না আনলে কঠোর আন্দোলনের ঘোষনা সাংবাদিকদের”

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৮ফেব্রুয়ারি,স্টাফ রিপোর্টার,জহিরুল ইসলামঃ গাজী টেলিভিশনের মৌলভীবাজার প্রতিনিধি ও দৈনিক যায়যায় দিন এর শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি হৃদয় দেবনাথের উপর মাদক ব্যবসায়ীদের হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ও হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবীতে প্রতিবাদ সভা করেছে শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রেসক্লাব।

এতে একাত্ততা জানিয়ে অংশ নেন বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। মঙ্গলবার রাতে শ্রীমঙ্গল হবিগঞ্জ রোডস্থ উপজেলা প্রেসক্লাব কার্যালয়ে প্রেসক্লাব সহ সভাপতি চৌধুরী ভাস্কর হোম এর সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন সাপ্তাহিক জয় বার্তার প্রধান সম্পাদক বঙ্গকবি লুৎফুর রহমান, সাপ্তাহিক হলি সিলেট পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক এসএম জহুরুল ইসলাম, মাইটিভির জেলা প্রতিনিধি সঞ্জয় কুমার দে, পাহাড় রক্ষা ও উন্নয়ন সোসাইটির চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন আহমেদ, দৈনিক সংবাদ প্রতিনিধি অসীম পাল শ্যামল, বাংলা টিভির প্রতিনিধি বিক্রমজিৎ বর্ধন, সাংবাদিক নান্টু রায়, বিজয়ী থিয়েটারের প্রচার সম্পাদক ফারুক আহমেদ বাপ্পি, মানবাধিকার কর্মী এসকে দাশ সুমন, দৈনিক প্রথম আলোর শ্রীমঙ্গল সংবাদদাতা শিমুল তরফদার, দৈনিক আমার বার্তার জেলা প্রতিনিধি মো. জহিরুল ইসলাম প্রমুখ। সভাটি স ালনা করেন উপজেলা প্রেসক্লাবে সহসম্পাদক সাজন আহমেদ।
প্রতিবাদ সভায় বক্তারা হৃদয় দেবনাথ উপর হামলার নিন্দা জানিয়ে অতিবিলম্বে হামলাকারী মাদক ব্যবসায়ীদের গ্রেফতার করে তাদের দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির দাবী জানান এবং প্রশাসন যদি রাতের ভিতর হামলাকারীকে ধরতে না পারে তাহলে সাংবাদিকরা কঠোর আন্দোলনে যাওয়ার ঘোষনা দেন।
উল্লেখ্য আজ মঙ্গলবার বিকাল ৩টার দিকে শ্রীমঙ্গলের সীমান্তবর্তী এলাকার জানাউরা গ্রামে মাদক নিয়ে প্রতিবেদন তৈরীর জন্য গেলে মাদক ব্যবসায়ী রাজন মিয়ার নেতৃত্বে একদল মাদক সন্ত্রাসীদের অতর্কিত হামলায় গুরুতর আহত হন গাজী টেলিভিশনের মৌলভীবাজার প্রতিনিধি হৃদয় দেবনাথ। এসময় তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও ক্যামেরা ছিনিয়ে নেয় হামলাকারীরা। হামলার খবর পাওয়া মাত্রই শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি চৌধুরী ভাস্কর হোম ও সমাজ কল্যান স¤পাদক বিক্রমজিৎ বর্ধন ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসেন। হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে তাকে শ্রীমঙ্গল নিউজ কর্নারে নিয়ে আসলে সেখানে তিনি বিশ্রাম নেন। খবর পেয়ে নিউজ কর্নারের সাংবাদিকরা তাকে দেখতে ছুঠে আসেন নিউজ কর্নারে। পরে শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি চৌধুরী ভাষ্কর হোম তাকে বাসার উদ্দেশে নিয়ে যান।

এদিকে সাপ্তাহিক হলি সিলেট পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক এসএম জহুরুল ইসলাম বলেন, সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাব সিলেটে মাবনবন্ধন করার জন্য ঘোষণা দেন ।
এদিকে সাংবাদিকের উপর হামলার তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করে অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবী জানিয়েছে মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ উমেদ আলী, শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি চৌধুরী ভাস্কর হোম ও সাধারন সম্পাদক বিকুল চক্রবর্তী। এই রিপোর্টটি লেখা পর্যন্ত শ্রীমঙ্গল থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৮ফেব্রুয়ারিঃ    মৌলভীবাজার জেলার  শ্রীমঙ্গল উপজেলা শহরের স্থানীয় পরিবেশক ব্যবসায়ীদের সমন্বয়ে “শ্রীমঙ্গল পরিবেশক সমিতি” নামে একটি সংগঠনের কার্যকরী কমিটি গঠন করা হয়েছে।

পরিবেশক সমিতিতে কমিটির সদস্যদের নাম যথাক্রমে-মো: খয়ের খান সভাপতি প্রিয়া এন্টারপ্রাইজ,কামরুল হাসান জুয়েল সহ-সভাপতি ব্রাদার্স টেলিকম,দীলিপ বাবু সহ-সভাপতি প্রিয়া এন্টারপ্রাইজ,আব্দুল হামিদ চৌধুরী সহ-সভাপতি নিউ চৌধুরী ট্রেডার্স,মো: ওলিউর রহমান তুহিন সাধারণ সম্পাদক ছাদেক স্টোর,মো: আলমগীর হোসেন যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক নোয়াখালী স্টোর,মইনুল হোসেন জুনেদ যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হাজী শামসুল হোসেন এন্ড সন্স,ফাহাদ আব্দুল কাদির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রীম এন্ড মীম এন্টারপ্রাইজ,রোকনুজ্জামান সাংগঠনিক সম্পাদক লাবিবা এন্টারপ্রাইজ,মো: নাজমুল হোসেন বাপ্পী সহ: সাংগঠনিক সম্পাদক নিউ লিড এন্টারপ্রাইজ।

উক্ত নবগঠিত সংগঠনের  উপদেষ্টা হিসেবে রয়েছে-মেয়র মহসিন মিয়া মধু ,শ্রীমঙ্গল ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক যথাক্রমে এ এস এম ইয়াহিয়া  ও হাজী মো: কামাল হোসেন।প্রেস বার্তা

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৭ফেব্রুয়ারি,চুনারুঘাট প্রতিনিধিঃ প্রকাশ্যে ঘুষ বাণিজ্য চলছে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট এসিল্যান্ড অফিসে। ঘুষ বাণিজ্যের সাথে সরাসরি জড়িয়ে পড়েছেন এসিল্যান্ড তাহমিনা আক্তার। উপজেলার বিভিন্ন তফসিল অফিস থেকে মাসে লাখ লাখ টাকা ঘুষ আদায় হচ্ছে। ভুক্তভোগীরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাননি। এক ভুক্তভোগী ৬ ভাইয়ের ক্রয় করা দেড় একর জমি নামজারি ও খারিজ করার জন্য ৪ মাস আগে তিনি চুনারুঘাট ভূমি অফিসে আবেদন করেন।

আবেদন করার ২০/২৫ দিন পর তিনি এসিল্যান্ডকে জানান। তারপর কাননগো বশির আহমেদের দেখিয়ে দেওয়া তৃতীয় ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি দুদিনের ভেতর কাজটি করে দেওয়ার বিনিময়ে ৫০ হাজার টাকা দাবি করেন। ওই ভুক্তভোগী বিষয়টি এসিল্যান্ড তাহমিনা আক্তারকে জানালে ৪৫ কর্মদিবস পর্যন্ত অপেক্ষা করার পরামর্শ দেন। টাকা দিলে যেখানে দুই দিনেই কাজ হয়ে যায় সেখানে ৪৫ দিন অপেক্ষা করার কী মানে দাঁড়ায় তা বুঝতে কষ্ট হয় ওই ভুক্তভোগীর।

উপজেলার জালিয়ার বস্তি গ্রামের ভুক্তভোগী রাহাত মিল্টন জানান, ৫০ শতক জমি খারিজ করার জন্য তাকে ৩০ হাজার টাকা খরচ করতে হয়েছে। ঘুষ দিলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়াই একশ্রেণীর কর্মকর্তা-কর্মচারী ভূমি ক্রয়-বিক্রয়সহ সকল রেজিস্ট্রেশনের ব্যবস্থা করে দিচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

জমি বিক্রয় বা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে নাল জমির ফি একরকম ভিটা, জলাভূমির হস্তান্তরের ভিন্ন ফি নির্ধারিত রয়েছে। কিন্তু কোন কোন অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী সে অনুযায়ী ভূমি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে প্রকার নির্ণয়পূর্বক ফি আদায় না করায় সরকার একদিকে রাজস্ব হারাচ্ছে, অন্যদিকে এসব দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা লাভবান হচ্ছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চুনারুঘাটের সহকারী কমিশনার (ভূমি) তাহমিনা আক্তার এ প্রতিনিধিকে বলেন, আমি এসবের কিছুই জানি না। সব অভিযোগ মিথ্যে। আমার অফিসে কোন অনিয়ম হয় না।

 

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৭ফেব্রুয়ারি,চান মিয়া, ছাতক (সুনামগঞ্জ):    ছাতকে টিলার মাঠি দিয়ে অবৈধভাবে খরস্্েরাতা নদী ভরাট ও নদীর উপর সরকারের কোটি কোটি টাকার নির্মিত রাবার ড্যাম প্রকল্প বন্ধের সময় সোমবার ২৬ফেব্রুয়ারি রাতে ট্রাক্টরের চাকায় পিষ্ট হয়ে এক ব্যক্তির মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটেছে। মঙ্গলবার ২৭ফেব্রুয়ারি পরে রহস্যজনক কারণে পোর্ট মর্ডেম ছাড়াই তার লাশ দাফন করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ছাতকের ইসলামপুর ইউপির ছনবাড়ি-নোয়াকোট এলাকায় সোনাই নদীর উপর নির্মিত রাবার ড্যাম শারফিন টিলার অবৈধ মাঠি দিয়ে ভরাটের সময় ট্রাক্টরের চাকায় পিষ্ট হয়ে হেলপার মোহাম্মদ আলী (১৮) মারা যায়।

সে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামের আব্দুল হোসেনের পুত্র। এসময় বহুল আলোচিত শারফিন টিলার পাথর উত্তোলনের জন্যে গর্তের মাঠি সরিয়ে ট্রাক্টর দিয়ে অবৈধভাবে সোনাই নদী ওরাবার ড্যাম প্রকল্প ভরাট করা হচ্ছিল। ঘাতক ট্রাক্টর মালিক হচ্ছেন, কোম্পানীগঞ্জের জালিয়ারপার-শারফিন টিলা গ্রামের শুকুর আলীর পুত্র মাসুক মিয়া ও ড্রাইভার ছিলেন, ছাতকের ইসলামপুর ইউপির বাহাদুরপুর গ্রামের এলাইছ মিয়ার পুত্র সুহেল মিয়া। এব্যাপারে ছাতক-ইসলামপুর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হেকিম জানান, রাবার ড্যাম এলাকায় সোনাই নদী ভরাটের সময় মোহাম্মদ আলী নামের একশ্রমিকের মৃত্যুর খবর পেয়ে সেখানে গ্রাম পুলিশ পাঠান।

কিন্তু কোম্পানীগঞ্জের-ইসলামপুর ইউয়িনের লোকজন তাকে তাড়িয়ে দেন। এব্যাপারে ছাতক থানার অফিসার্স ইনচার্জ আতিকুর রহমান জানান, মৃত্যুর খবর পেয়ে তিনি রাতেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠান। কিন্তু পুলিশ সেখানে গিয়ে কোন লাশ পায়নি। তবে মৃত ব্যক্তির বাড়ি কোম্পানীগঞ্জ থাকায় তার পরিবারের লোকজন লাশ সরিয়ে নিতে পারে।

“ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়ীসহ শতাধিক ঘরবাড়ী পুড়ে ছাই,পুলিশ মোতায়েন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের ঘটনাস্থল পরিদর্শন৷৩সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন”

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৭ফেব্রুয়ারি,রেজওয়ান করিম সাব্বির, জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধিঃ   জৈন্তাপুর উপজেলার আমবাড়ী এলাকায় ওয়াজ মহফিলকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে ৩জন নিহত, প্রায় শতাধিক লোক আহত হয়েছে। ২৬ ফেব্রয়ারী সোমবার দিবাগত রাত ১০টায় এই সংর্ঘষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের পর একটি পক্ষের কয়েক হাজার লোক দেশিয় অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে আমবাড়ী গ্রামের শতাধিক ঘর বাড়ীসহ কেন্দ্রি গ্রামে অবস্থিত জৈন্তাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এখলাছুর রহমানের বাড়ী পুড়িয়ে দেয়।

ঘটনায় নিহতরা হলেন- হরিপুর মাদ্রাসার দাওরা হাদিস বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র গোয়াইনঘাট উপজেলার ডৌবাড়ী মুজ্জাম্মিল হোসেন (২৮), আমবাড়ী গ্রামের সাইদুর রহমানের শিশু কন্যা সাদিয়া আক্তার (৩মাস)। অপরদিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হরিপুর মাদ্রাসার ছাত্র সিলেট এম.এ.জি ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গোয়াইনঘাট উপজেলার সিটিংবাড়ী গ্রামের আব্দুল কাদির (২২) মৃত্যু হয়।

২৭ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার সিলেটের জেলা প্রশাসক রাহাত আনোয়ার, পুলিশ সুপার মনিরুজ্জামান, এডিসি জেনারেল শহিদুল ইসলাম, জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন, জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌরীন করিম, সহকারি কমিশনার(ভূমি) মুনতাসির হাসান পলাশ, জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ খাঁন মোঃ মঈনুল জাকির, অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) আনোয়ার জাহিদ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ঘর পুড়ানো এবং মারামারির ঘটনায় এডিসি জেনারেল (সার্বিক) কে প্রধান করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন।
সরেজমিন পরিদর্শনে এলাকার জনপ্রতিনিধি ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার ও প্রতক্ষ্যদর্শীর সাথে আলাপকালে জানা যায়- স্থানীয় আমবাড়ী জামে মসজিদে গত ২৬ ফেব্রুয়ারী সোমবার ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। ওয়াজ চলাকালে রাত ১০টায় প্রধান অতিথির বক্তব্য কালে হরিপুর মাদ্রাসার মুহাদ্দিস আব্দুস ছালাম এর সাথে আয়োজকদের কথা কাটাকাটি হয়।

এক পর্যায়ে পূর্ব থেকে অবস্থানে থাকা হরিপুর মাদ্রাসার ৫২ জন ছাত্র ও শিক্ষক ওয়াজ বন্দের চেষ্টা চালালে উভয় পক্ষ সংঘর্ষ জড়িয়ে পড়ে। এসময় ঘটনাস্থলে নিহত হন মুজ্জাম্মিল হোসেন অপরদিকে ঘটনার সংবাদ পেয়ে হরিপুর এলাকায় বিভিন্ন মসজিদে মাইকযোগে ওয়াজে হরিপুর মাদ্রাসার শিক্ষকসহ ছাত্র নিহত হওয়ার সংবাদ প্রচার করে সবাইকে সহযোগীতার করার আহবান জানানো হয়।

তৎক্ষনিক ভাবে গোটা উপজেলা জুড়ে সংবাদটি ছড়িয়ে পড়ে। সংবাদ পেয়ে উপজেলার বিভিন্ন কৌওমী মাদ্রাসাপন্থি মুসল্লিরা গাড়ী যোগে দেশিয় অস্ত্র সস্ত্রে সজিত হয়ে আমবাড়ী এলাকার নিরিহ জনসাধারনের বসতবাড়ীতে হামলা করে অগ্নি সংযোগ করে। এতে আমবাড়ী গ্রামের প্রায় শতাধিক ঘরবাড়ী নিমিষেই আগুনের লেলিহান শিখায় পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

এসময় জীবন বাঁচাতে দৌড়ঝাপ করতে গিয়ে আমবাড়ী গ্রামের সাইদুর রহমানের ৩মাসের শিশু কন্যা সাদিয়া আক্তারের মৃত্যু হয়। এছাড়া আহত হন ছবিলা খাতুন (৬৫), কুলছুমা বেগম (২৬), ফিরোজা রেগম (৩৫), নাছিমা বেগম (৩৫), হুসনা বেগম (৪০), মোহাম্মদ আলী (৮০), মিনারা বেগম (৬০), শফিকুর রহমান (৪০), সাথী বেগম (১৮), মোঃ আব্দুর রহিম (২৮), সানা উল্লাহ (৫৮), জেসনা বেগম (৪০), জাবেদা বেগম (১৫), আনোয়ারা বেগম (৪০), নাছিমা বেগম (৪০), হাসিনা বেগম (৪০), রজির আহমদ (৪০), রেকিয়া বেগম (৫০)।

হামলাকারীরা বাড়ী ফেরার পথে রাত ৩টায় দিকে জৈন্তাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান কেন্দ্রি গ্রামের বাসিন্ধা এখলাছুর রহমানের বাড়ীতে অগ্নি সংযোগ করে ব্যাপক ক্ষতি সাধিত করে।
ওয়াজ মাহফিলে সংঘর্ষের সময় হরিপুর মাদ্রাসার ছাত্র-শিক্ষক আহত হন। তারা হলেন- হেমু পাখিটিখি গ্রামের অব্র“ মিয়ার ছেলে আবুল কালাম (২৩), কানাইঘাট উপজেলার বড়বন্দ গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে এনাম (১৮), জৈন্তাপুর উপজেলার উপরশ্যামপুর গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে মাছুম (২০), দরবস্ত গর্দনা গ্রামের মতসিন আলীর ছেলে রুহুল আমিন (২০), কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার কামাল বস্তি গ্রামের বদরুল আলমের ছেলে হোসেইন আহমদ  (১৮), গোয়াইনঘাট উপজেলার তোয়াক্কুল গ্রামের মৃত শফিকুর রহমানের ছেলে আলীম উদ্দিন (২৪), সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার রাধানগর গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে আশরাফ আলী (১৮), জৈন্তাপুর উপজেলার সেনগ্রামের মুহিবুর রহমানের ছেলে দেলোয়ার (২২), গোয়াইনঘাট উপজেলার লহর গ্রামের আখলু মিয়ার ছেলে শিহাব উদ্দিন (২৩), কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার কামালবস্তি গ্রামের ডাক্তার শফিকুর রহমানের ছেলে নুরুজ্জামান (২২), জৈন্তাপুর উপজেলার উপরশ্যামপুর গ্রামের আইয়ুব আলীর ছেলে ফরিদ আহমদ (২৫), সিলেট সদর জালালাবাদ পাটিনুরা গ্রামের রশিদ আলীর ছেলে মাসুক আহমদ (২২), কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মৃত সিকন্দর আলীর ছেলে আব্দুল বাছিত (২৫), জৈন্তাপুর উপজেলার হরিপুর উৎলার পার গ্রামের আব্দুর রবের ছেলে মাসুক আহমদ (৪০), জৈন্তাপুর উপজেলার হেমু হাউদপাড়া গ্রামের ইমাম উদ্দিনের ছেলে বিলাল আহমদ (৩৪), কানাইঘাট উপজেলার কাজির পাতন গ্রামের মাহমুদ আলীর ছেলে আরিফ আহমদ(২১), জৈন্তাপুর উপজেলার খারুবিল গ্রামের মোঃ আব্দুল্লার ছেলে রেজওয়ান করিম (২০), জৈন্তাপুর উপজেলার দরবস্ত ভিতর গ্রামের আজির উদ্দিনের ছেলে দেলোয়ার হোসেন(২২), আইয়ুব আলীর ছেলে ফখরুল ইসলাম(২৩), দরবস্ত ডেমা গ্রামের মুনতাসির (২২), নুরুজ্জামানের ছেলে মোহাম্মদ আলী(২৫), জৈন্তাপুর উপজেলার খারুবিল গ্রামের ইস্রাক আলীর ছেলে মাওলানা আব্দুস সালাম (৫৫), গোয়াইনঘাট উপজেলার পাঁচপাড়া গ্রামের নুর উদ্দিনের ছেলে নিজাম উদ্দিন (২২), জৈন্তাপুর গ্রামের মাওলানা আজির উদ্দির (৪০), জৈন্তাপুর উপজেলার দরবস্ত গর্দনা গ্রামের শামসুল হকের ছেলে আব্দুস সালাম (২০)।
জৈন্তাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এখলাছুর রহমান বলেন- “বিগত বৎসর হতে এধরনের ওয়াজ মাহফিল নিয়ে স্থানীয় কৌওমী মাদ্রাসার বিভিন্ন মতালম্বীদের মধ্যে মতপার্থক্য চলে আসছে। বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে একাধীকবার বৈঠক হলেও নিষ্পত্তি করা সম্ভব না হওয়াতে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নিকট বিষয়টি হস্তান্তর করা হয়। গতকাল একটি অংশ ওয়াজের আয়োজন করলে অপর অংশের লোকজন ওয়াজ মাহফিলে আক্রমণ করে এ সংঘর্ষের সুত্রপাত ঘটে। কি কারনে তারা আমার বাড়ীতে হামলা ও অগ্নি সংযোগ করা হয়েছে তা আমার বোধগম্য নহে।”
এবিষয়ে জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌরীন করিম জানান- ঘটনার পর বিষয়টি তাৎক্ষনিক ভাবে উদ্বর্তন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করি। জেলা প্রশাসকের নির্দেশে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আহতদের চিকিৎসার খোঁজ খবর নেওয়া হয়।

ঘটনাস্থল আমবাড়ী গ্রামে তাৎক্ষনিক ভাবে মেডিকেল টিম প্রেরণ করা হয়, হতহতদের নগদ অর্থ সাহায্য এবং তাদের মধ্যে কম্বল ও খাদ্য সামগ্রী বিতরন করা হয়।
এবিষয়ে জেলা প্রশাসক রাহত আনোয়ার সাংবাদিকদের জানান- এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা স্বার্থে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এলাকার পরিবেশ যাহাতে আর কোন বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি না হয় সে জন্য স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, জনপ্রতিনিধি সাথে আলাপ করে বিষয়টি মূল কারন উদঘাটনের জন্য ৩সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি ঘটন করা হয়েছে।

এঘটনায় আমবাড়ী এলাকার বেশ কিছু ঘরবাড়ী পুড়ে ছাই হয়ে যায় এবং জান মালের ব্যপক ক্ষতি সাধিত হওয়ার কারনে প্রাথমিক ভাবে একটি তালিকা প্রস্তুত করে প্রতিটি পরিবারের মধ্যে আর্থিক সহায়তা, কম্বল ও খাদ্য সামগ্রী বিতরন করা হয়েছে। ঘটনার সংবাদ পেয়ে আমরা সবাই ছুটে এসে ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে দাঁড়িয়েছি এছাড়া সরকারের পক্ষ হতে সকল ধরনের সাহায্য সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি। ঘটনার সাথে যে কেউ জড়িত থাকুক না কেন থাকে আইনের আওতায় আনা হবে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৭ফেব্রুয়ারি,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ     মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে এক সাংবাদিক আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।
জানা যায়,শ্রীমঙ্গল উপজেলার আশিদ্রোন ইউনিয়নের জানাউড়া এলাকার দুলাল মিয়ার ছেলে রাজন মিয়া (৩২) গংদের কয়েকজন মিলে আজ মঙ্গলবার বিকালে, গাজী টিভি ও দৈনিক যায় যায় দিন পত্রিকার মৌলভীবাজার জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক হৃদয় দেবনাথের উপর হামলা চালিয়ে সংবাদের কাজে ব্যবহৃত ক্যামেরা ও মোবাইল ফোনসহ গুরুত্বপূর্ণ ডকোমেন্ট ছিনিয়ে  নিয়ে যায়।
পরে এলাকাবাসী ও পুলিশের সহায়তায় তাকে উদ্ধার করে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ প্রেরন করেন।

প্রাপ্ত সুত্রে জানা যায় হামলাকারীদের উপর মাদক ব্যাবসার অভিযোগ রয়েছে।

অপরদিকে এই হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে মূল অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জন্য স্থানীয় প্রসাশনকে উল্লেখযোগ্য  ভুমিকা রাখার আহবান জানিয়েছেন।এক বার্তায় অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি ও আমার সিলেট সম্পাদক আনিছুল ইসলাম আশরাফীসহ সাংবাদিক নেতৃবৃন্দ বলেন “একজন সাংবাদিকের উপর জেনে শুনে হামলা করা মানে নিজের অপরাধকে লোকানোর পাঁয়তারা।”এ হামলা থেকে বুঝা যায় হামলাকারীরা অপরাধের সাথে জড়িত তাই এদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি প্রয়োজন।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৭ফেব্রুয়ারি,ডেস্ক নিউজঃ     আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক,সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের মা ফজিলাতুন্নেসার (৯২) দাফন সম্পন্ন হয়েছে। আজ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টায় নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বসুরহাট সরকারি মুজিব কলেজ মাঠে তার জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

স্থানীয় মাওলানা আবুল হাশেম জানাযায় ইমামতি করেন। জানাযার নামাজে মরহুমার বড় ছেলে ওবায়দুল কাদের, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম, বন ও পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব, ব্যারিস্টার মহিবুল হাছান চৌধুরী নওফেল, ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়াসহ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, সংসদ সদস্যসহ সর্বস্তরের বিপুল সংখ্যক লোকজন অংশগ্রহণ করেন। এরপর পশ্চিম রাজাপুর গ্রামে নিজ বাড়িতে পারিবারিক কবরস্থানে স্বামীর পাশে তাকে দাফন করা হয়।

উল্লেখ্য,গতকাল সোমবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাত ১০টা ৩৫ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওবায়দুল কাদেরের মা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মারা যান। তার মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি আলহাজ্জ মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। শোক বার্তায় রাষ্ট্রপতি আলহাজ্জ মো. আবদুল হামিদ বেগম ফজিলাতুন্নেসার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোক সন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।

এর আগে ওবায়দুল কাদেরের মা বেগম ফজিলাতুন্নেসার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করে বিবৃতি দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বেগম ফজিলাতুন্নেসার মৃত্যুতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ গভীর শোকাহত। তিনি ছিলেন রত্নগর্ভা মহীয়সী নারী। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা টেলিফোনে ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে কথা বলেন এবং মরহুমার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানান।

এদিকে, আগামী বৃহস্পতিবার বাদ জোহর বসুরহাট সরকারি মুজিব কলেজ মাঠে তাঁর কুলখানী অনুষ্ঠিত হবে। এতে সবাইকে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৭ফেব্রুয়ারি,নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর আত্রাই উপজেলার বিষা ইউনিয়নের সমসপাড়া বাজারে আগুনে পুড়ে গেছে ৩টি দোকান। সোমবার রাত ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় ৩ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এ ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি।
এলাকাবাসী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাত ১২টার দিকে হঠাৎ করেই এলাকাবাসী সমসপাড়া বাজারে আগুনের শিখা দেখতে পেয়ে আত্রাই ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে খবর দেয় স্থানীয়রা। পরে ফায়ার সার্ভিসের ১টি ইউনিটের প্রায় এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এর আগেই মো: গোলাম হোসেনের আয়ুর্বেদিক ঔষধালয় ও বস্তার দোকান এবং বিপ্লব হোসেনের বিপ্লব ভ্যারাইটিজ স্টোর এর দোকানের ভিতরে থাকা সব মালামাল পুড়ে যায়। এতে প্রায় ৩ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের।
এব্যাপারে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী মো: গোলাম হোসেন ও মো: বিপ্লব হোসেন জানান, ‘ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসা শুরু করেছিলাম। আগুনে প্রায় ৩ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে যা কাটিয়ে ওঠা অসম্ভব হবে।
আত্রাই উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের ভারপ্রাপ্ত স্টেশন মাষ্টার নিতায় চন্দ্র বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শর্টসার্কিটের মাধ্যমে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৭ফেব্রুয়ারিঃ   নড়াইল নড়াইলের লোহাগড়ায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ কর্মসুচি উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার লোহাগড়া উপজেলা পরিষদ চত্তরে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে বিতরনের উদ্বোধন করেনকৃষিসম্প্রসারন অধিদপ্তরের  জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার মোঃ নজরুল ইসলাম।

লোহাগড়া  উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সমরেন বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম এম আরাফাত হোসেন, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা রনজিৎ কুমার, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান সালেহা বেগম, প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ মোস্তাইন বিল্লাহ, লোহাগড়া সাংবাদিক ইউনিটির সভাপতি মোঃ ওবায়দুর রহমান, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা প্রবীর কুমার দাস কৃষকগনসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

মোট ৫ ত ২০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে ১৪ শত কেজি মুগ ও তিল বীজ, ৮ হাজার ২শত কেজি ডিএপি সার এবং ৫ হাজার ২ শত কেজি এমওপি রাসায়নিক সার বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়।

(২শত ২০ জন মুগ চাষীকে প্রতি বিঘায় ৫ কেজি বীজ, ডিএপি ১০ কেজি এবং এমওপি ১ কেজি এবং ৩ শত জন তিল চাষীকে বিঘা প্রতি ১ কেজি বীজ এবং ডিএপি সার ২০ কেজি ও এমওপি সার ১০ কেজি কওে দেয়া হয়।)

এবারও বোরো ফসল ডুবার আশংকা কৃষকদের

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৭ফেব্রুয়ারি,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:     সরকারী নিয়ম অনুযায়ী ২৮শে ফ্রেরুয়ারীর মধ্যে বাঁধ নির্মানের কাজ শেষ করার কথা থাকলেও সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার ৮টি বাঁধের কাজ এখনো শুরু হয় নি। এবারও বোরো ফসল ডুবার আশংকা করছে হাওর পাড়ের কৃষকগন। অন্যান্য বছর এই সময়ে সকল হাওরের সকল বাঁধের কাজ শেষ হয়ে যায়। বাঁধ নির্মান সময় মত না হলে বাঁধ মজবুত হবে না বরং দুর্ভল হবে। আর সামান্য পানির চাপে ও বৃষ্টিতে বাঁধ ভেঙ্গে যাবার আশংকা থাকবে। ফলে ঐ সব বাঁধের পাশের কৃষকগনের মাঝে চরম ক্ষোবের স ার হচ্ছে।

জানা যায়,এ উপজেলার অনেক বাঁধের কাজ নাম মাত্র করা হয়েছে। কিছু কিছু বাঁেধর ৪ভাগের এক ভাগ করেই ফেলে রেখেছে। ভাল ভাবে মাটি বাঁেধ বসানোর জন্য কাজ করা হয় নি। ফসল রক্ষায় অনুমোদিত প্রকল্প গুলোতেও বিলম্বে কাজ শুরু করেছিলো প্রকল্প বাস্তবায়ন (পিআইসি) কমিটি। কাজ না হওয়া ৮টি বাঁধ গুলোতে পানি অনেক পূর্বেই কমে গিয়েছিল। কেনই বা সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ এই বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে ঐ সব পিআইসিদের বিরোদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয় নি। এ কারণে নির্ধারিত ২৮ফ্রেরুয়ারীর মধ্যে কাজ শেষ করা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

আরো জানা যায়,এই উপজেলায় ছোট বড় ৯৭টি বাঁেধর জন্য বরাদ্ধ দেওয়া হয়েছে প্রায় ২৩কোটি টাকা। যে বাঁধ গুলো এখনো শুরু হয় নি সেগুলো হল,পিআইসি নং ২৮এর সভাপতি রতনশী গ্রামের আব্দুল জলিল,পিআইসি নং ৮৯এর সভাপতি ভাটি তাহিরপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলাম,পিআইসি নং ৯০এর সভাপতি কচুয়া গ্রামের শফিকুল ইসলাম,পিআইসি নং ৯১এর সভাপতি শিক্ররামপুর গ্রামের মহিবুর,পিআইসি নং ৭৬এর সভাপতি চিলাইন তাহিরপুর গ্রামের সাইফুল ইসলাম,পিআইসি নং ৭৭এর সভাপতি তরঙ্গ গ্রামের দেলোয়ার হোসেন,পিআইসি নং ৭৮এর সভাপতি সামছুল আলম,পিআইসি নং ৭৯এর সভাপতি শিক্ররাপুর গ্রামের সাফাতুল ইসলাম।

স্থানীয় কৃষকরা জানিয়েছেন,উপজেলা থেকে স্থানীয় অনেক ইউপি চেয়ারম্যানদের অলিখিত সম্পূর্ণ দায়িত্ব আতœীয় স্বজনদের দেওয়ায় তারা নানা অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতিতে জড়িয়ে পড়েছেন। অনেক পিআইসিরা বাঁেধর কাছ থেকেই মাটি কেটে বাঁধ নির্মান করে। পিআইসিরা একটাই কথা বলে নিজেদের রক্ষার চেষ্টা করছে। সেটা হল পানি কমছে দেরীতে। এই বাঁধ গুলোতে পানি আরো একমাস পূর্বেই পানি কমলেও কেন বাঁধ নির্মানের কাজ শুরু করে নি পিআইসি। হাওর রক্ষা বাঁধ গুলোর পাশের হাওর পাড়ের একাধিক বাসীন্দারা জানান,বাঁধে কাজ না করে টাকা মারার ধান্দা করছে।

এছাড়াও বাঁধের কাজ অনেকেই না করে টাকা উত্তোলন করার পায়তারা করছে। আর যারা বাঁধ নির্মানের দায়িত্ব পাওয়ার পর যতেষ্ট সময় এবং সুযোগ পাওয়ার পরও কাজ করতে পারে নি তাদের বিরোদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানাই। তাহিরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুস ছালাম জানান,এ উপজেলা মাটিয়ার হাওরের কয়েকটি বাঁধের কাজ এখনো শুরু হয় নি সরকার নির্ধারীত সময়ও শেষ। এখনো বাঁধ শুরু না হওয়ায় কৃষকরা দুশচিন্তায় আছে। ফলে আবারও বোরো ফসল ডুবার আশংকা রয়েছে। আমি এই বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষকে জানিয়েছি।

তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল বলেন,উপজেলায় ৮টি বাঁধের কাজ এখনো শুরু হয় নি। ফলে কৃষকরা আতœংকে আছে। আমি সবাইকে বলেছি দ্রুত কাজ শেষ করতে। তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পূনেন্দ্র দেব জানান,হাওরের প্রতিটি বাঁধের কাজ নিজে সব সময় দেখা শুনা ও খবরাখবর রাখছি। যাতে করে বাঁধের কাজে কোন রখম গাফিলতি না কওে কেউ। টেকনিক্যাল কিছু সমস্যার কারনে কয়েকটি বাঁধের কাজ শুরু হয় নি।

এই বিষয়টি আমি মিটিংয়েও বলেছি। বোয়ালমারা অংশের ৫টি পিআইসি (কমপ্রাটমেন্টাল বাঁধ) মেশিনের মাধ্যমে কাজ করার জন্য মেশিন এসেছে আজ-কাল শুরু হবে। বাঁধ গুলোতে আমি নিজে পরির্দশনে যাচ্ছি। সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আবু বকর সিদ্দিক ভূঁইয়া বলেন,আমি বিভিন্ন মাধ্যমে খবর নিয়ে জানতে পেরেছি জেলার ৩০টির মতো প্রকল্পে কাজ শুরু করা হয় নি।

নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ করা জন্য সবাইকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাঁধের নিকট থেকে মাটি কাটা সম্পুর্ণ সরকারের নীতিমালার পরিপন্থি। উপজেলা নির্বাহী কর্মকতাৃদের জানিয়ে দেব ব্যবস্থা নেয়ার জন্য।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৬ফেব্রুয়ারিঃ মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশ থেকে কক্সবাজারের উখিয়া ও বালুখালীতে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের সার্বিক পরিস্থিতি দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েছেন শান্তিতে নোবেল জয়ী তিন নারী,ইরানের শিরিন এবাদি, ইয়েমেনের তাওয়াক্কুল কারমান ও দক্ষিণ আয়ারল্যান্ডের মৈরিড মাগুইরে।

নোবেলজয়ী এই তিন নারী মনে করেন, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে পরিকল্পিতভাবে স্মরণকালের ভয়াবহ গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে। এজন্য অং সান সুচিকে দায়ী করে বিষয়টি আন্তর্জাতিক আদালতে বিচারের দাবি জানিয়েছেন তারা।

সোমবার বাংলাদেশে সফরত তিন নোবেল জয়ী কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করে সাংবাদিকদের একথা বলেন।

গত রোববার নোবেলজয়ী এই তিন নারী কক্সবাজারে আসেন। প্রথম দিন দুগ্রুপে বিভক্ত হয়ে উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলেন।

কক্সবাজার শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার কার্যালয়ে মোহাম্মদ আবুল কালাম ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় বৈঠক করেন।

বৈঠক শেষে প্রতিনিধি দলটি যান উখিয়ার বালুখালী, থাইংখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে। তারা সোমবার দিনব্যাপী ক্যাম্পের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করবেন। রোহিঙ্গাদের সম্পর্কে সার্বিক পরিস্থিতি জেনে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময়ও আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তারা।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে মিয়ানমারের রাখাইনে গণহত্যার বিচারের দাবি করেন তারা। বাংলাদেশের মানবিকতার প্রশংসা করে সরকার ও জনগণের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। মঙ্গলবার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করার কথা রয়েছে তাদের।

ইতোপূর্বে রোহিঙ্গা নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক জনমতকে আরো সংহত ঢাকার নারীপক্ষ নামক নারী সংস্থার সহযোগিতায় শান্তিতে নোবেল জয়ী তিন নারীর বাংলাদেশ সফরের আয়োজন করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করছেন। আগামীকাল উখিয়ার বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করার কথা রয়েছে।

মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর নির্যাতনে গত বছরের ২৫ আগস্ট থেকে প্রাণভয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে নোবেল বিজয়ী তিন নারী বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে তুলে ধরবেন।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৬ফেব্রুয়ারি,নড়াইল প্রতিনিধিঃ “গাহি সাম্যেরে গান মানুষের চেয়ে বড় কিছু নাই, নহে কিছু মহীয়ান” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে নড়াইলে সাংস্কৃতিক সংগঠন ড্রামা সার্কেলের ৬ষ্ঠ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে। সোমবার শহরের সুলতান ম চত্বরে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ সহধর্মিনী বেগম ফজিলাতুন্নেছা।

পরে এ উপলক্ষে একটি র‌্যালি বের হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিন করে শহীদদ্রে প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পন করে একইস্থানে এসে শেষ হয়।

এসময় সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট,নড়াইলের সাধারন সম্পাদক ও পৌর কাউন্সিলার শরফুল আলম লিটু, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের প্রতিনিধি শামীমুল ইসলাম টুলু,সংগঠনের সভাপতি শিলা চক্রবর্ত্তী, সাধারন সম্পাদক শুভ সরকার, সাংবাদিক মুন্সী আসাদুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।