Wednesday 25th of April 2018 08:00:43 PM

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৯জানুয়ারী,নড়াইল প্রতিনিধি:শিক্ষাব্যাবস্থা জাতীয়করণ দাবি বাষÍবায়নের লক্ষ্যে নড়াইলে বে-সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারিদের বিক্ষোভ মিছিল ,সমাবেশ ও প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে। মঙ্গলবার বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি, নড়াইলের আয়োজনে একটি বিক্ষোভ মিছিল নড়াইল সরকরি ভিক্টোরিয়া কলেজ চত্বর থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে গিয়ে শেষ হয়। মিছিল শেষে ঐ স্থানে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। পরে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যামে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।

এ সময় বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি, নড়াইলের সভাপতি মোঃ আব্দুর রশীদ, সাধারন সম্পাদক মোঃ হায়দার আলী,সহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা, কর্মচারিগন উপস্থিত ছিলেন। সমাবেশে বক্তরা,অবিলম্বে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বে-সরকারি সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারিদের জাতীয় করণ করে “ জাতীয় বেতন স্কেল” প্রদান করার আহবান জানান।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৯জানুয়ারী,চুনারুঘাট প্রতিনিধি:  চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের রাজার বাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে সরকারের সাফল্য অর্জন ও উন্নয়ন ভাবনা বিষয়ে জনগনকে অবহিতকরণ ও উদ্বুদ্ধকরণ এবং উন্নয়ন কার্যক্রমে সম্পৃক্তকরণের লক্ষ্যে বিশেষ প্রচার কার্যক্রমের আওতায় হবিগঞ্জ জেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে আলোচনা সভা করা হয়। গতকাল (৯-জানুয়ারী) মঙ্গলবার সকাল ১১ ঘটিকায় উপজেলা ভূমি সহকারী কর্মকর্তা তাহমিনা আক্তারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, হবিগঞ্জ জেলা স্থানীয় সরকার উপসচিব, উপ-পরিচালক মোঃ সফিউল আলম।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, জেলা শিক্ষা অফিসার অনীল কৃষ্ণ মজুমদার, হবিগঞ্জ জজকোর্টের সাবেক পিপি এডভোকেট এম আকবর হোসেন জিতু, আহম্মদাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবেদ হাসনাত চৌধুরী সনজু, রাজার বাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের (ভারপ্রাপ্ত) প্রধান শিক্ষক মোঃ বদিউজ্জামান, বিটিভি’র জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক আলমগীর খাঁন প্রমূখ। এছাড়াও বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষীকাবৃন্দ, ছাত্র-ছাত্রীসহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৯জানুয়ারী,কমলগঞ্জ প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর চা বাগানের খেলার মাঠ ও শ্মশানের রাস্তা দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ৩০ বছর যাবত শমশেরনগর চা বাগানের গলফমাঠের পাশে খেলার মাঠে প্রায় ২শ’ ছাত্রসহ স্থানীয়রা নিয়মিত খেলাধুলা করে আসছে। বাগানের বাসিন্দা বাবুল রেলি নামে এক ব্যক্তি জোরপূর্বক শ্মশানঘাটের রাস্তাসহ খেলার মাঠের একাংশ বেড়া দিয়ে অবৈধ দখল করায় স্থানীয় চা বাগানের যুবক ও শ্রমিকরা বাগানের প ায়েতের মাধ্যমে শমশেরনগর চা বাগান ব্যবস্থাপক বরাবর গত সোমবার একটি লিখিত অভিযোগে চা বাগানের প ায়েত, ইউপি সদস্য ও চা বাগান ব্যবস্থাপকের সরাসরি হস্তক্ষেপে অবৈধ দখলমুক্ত করে স্থায়ী পদক্ষেপ গ্রহনের দাবি জানান।
শমশেরনগর চা বাগানের চা শ্রমিকরা জানান, বাবুল রেলি অবৈধভাবে খেলার মাঠ দখল করে মাঠের মাটি কেটে নিয়ে বিক্রিও করছেন। এ নিয়ে স্থানীয় লোকজনসহ আমাদের প ায়েত কমিটিকে মৌখিকভাবে অভিযোগ করলেও এখন পর্যন্ত দখলমুক্ত করার কোন পদক্ষেপ গ্রহন না করায় সাধারণ চা শ্রমিকের মাঝে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
শমশেরনগর ইউপি সদস্য ইয়াকুব আলী ও চা বাগান প ায়েত সম্পাদক গোপাল কানু বলেন, দখলদারকে বলা হয়েছে তার বেড়া তুলে নেওয়ার জন্য। এ মাঠ বাগানের ব্যবস্থাপকের নিয়ন্ত্রনে রয়েছে। ব্যবস্থাপক আমাদের সহায়তা চাইলে বিষয়টি দেখা যাবে।
এ ব্যাপারে দখলদার বাবুল রেলি বেড়া দেওয়ার কথা স্বীকার করে বলেন, খেলার মাঠ থেকে বিভিন্ন লোকজন ঘর লেপার মাটি কুড়ে নেওয়ায় খেলার মাঠ রক্ষা করার জন্য বেড়া দিয়ে আটকে রাখা হয়েছে। অভিযোগের মূল বিষয়টি সঠিক নয় বলে জানান তিনি।
শমশেরনগর চা বাগানের ডেপুটি ম্যানেজার কে, জি, আজম লিখিত অভিযোগ প্রাপ্তির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বিষয়টি তদন্ত করে দেখার জন্য চা বাগান প ায়েত নেতৃবৃন্দকে বলা হয়েছে।

সভাপতি বিশ্বজ্যোতি চৌধুরী , সাধারণ সম্পাদক এম ইদ্রিস আলী

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৯জানুয়ারীঃশ্রীমঙ্গল থেকে,সৈয়দ আমিরুজ্জামানঃ নানা শ্রেণী পেশার মানুষদের উপস্থিতিতে উৎসবমূখর পরিবেশে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের ত্রিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সভাপতি পদে প্রথম আলোর সাবেক প্রতিনিধি বিশ্বজ্যোতি চৌধুরী  ১৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থী ছিলেন দৈনিক খোলা চিঠির সম্পাদক সরফরাজ আলী বাবুল ৭ ভোট পেয়ে পরাজিত হন।
সোমবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ২টা পর্যন্ত প্রেসক্লাব মিলনায়তনে মোট ২২ জন গণমাধ্যমকর্মী তাদের ভোটাধিকার করবেন। উৎসবমুখর এই নির্বাচনে ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। সকাল থেকেই সংবাদকর্মীদের সবার মধ্যে আনন্দঘন পরিবেশ বিরাজ করছিলো। বেলা ২টায় ভোট গ্রহণ শেষে কিছুসময় বিরতির পর শুরু হয় ভোট গণনা।
সহ-সভাপতি পদে একাত্তর টেলিভিশনের আহমেদ ফারুক মিল্লাদ ১৬ ভোট ও সাপ্তাহিক শ্রীমঙ্গল পরিক্রমার প্রধান সম্পাদক ইসমাইল মাহমুদ ১৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। পরে সমঝোতার মাধ্যমে ইসমাইল মাহমুদ সিনিয়র সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন। আরেক সহ-সভাপতি প্রার্থী দৈনিক জনতার সাবেক স্টাফ রিপোর্টার সৈয়দ মোঃ আলী পেয়েছেন ৬ ভোট।
যুগ্ম সাধারন সম্পাদক পদে দৈনিক যুগভেরী ও ভোরের ডাকের ইমাম হোসেন সোহেল ১৭ ভোট, সাপ্তাহিক শ্রীমঙ্গলের চিঠি’র সম্পাদক ইয়াসিন আরাফাত রবিন ১৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। অপরদিকে বাংলাদেশ প্রতিদিনের দীপংকর ভট্টাচার্য লিটন ৮ ভোট পেয়েছেন।
কোষাধ্যক্ষ পদে দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশের ও জালালাবাদের সৈয়দ ছায়েদ আহমদ ১৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। দৈনিক সংগ্রামের এমএ রব ৯ ভোট পেয়েছেন।
দপ্তর সম্পাদক পদে দৈনিক নয়াদিগন্তের এমএ রকিব ও দৈনিক দিনের শেষে’র এম মুসলিম চৌধুরী পেয়েছেন ১১ ভোট। পরে লটারীর মাধ্যমে এমএ রকিবকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়।
অন্যদিকে বিনা প্রতিদ্বন্ধীতায় দৈনিক মানবজমিনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে এম ইদ্রিস আলী পূন:রায় নির্বাচিত হন।  সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে দৈনিক সিলেটের ডাক ও দি এশিয়ান এজ এর আ ফ ম আব্দুল হাই ডন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক পদে বাংলাদেশ বেতারের মামুন আহমেদ, সদস্য পদে মোহনা টিভির আতাউর রহমান কাজল, সাপ্তাহিক দেশ পক্ষের কাওছার ইকবাল, বাংলানিউজ টেয়েন্ট্রিফোর ডটকম এর ডিভিশনাল করেসপনডেন্ট বিশ্বজিত ভট্টাচার্য বাপন, মৌলভীবাজার সমাচারের মাহফুজুর রহমান সুমন, সাপ্তাহিক চায়ের দেশ ও বাংলাদেশ জার্নালের সনেট দেব চৌধুরী নির্বাচিত হন।
এ নির্বাচনে রির্টানিং অফিসার হিসেবে নির্বাচন পরিচালনা করেন উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো: সাইফুল ইসলাম তালুকদার। নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলার দায়িত্বে  শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ কে এম নজরুল, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সোহেল রানার নেতৃত্বে একদল পুলিশ সদস্য। নির্বাচন চলাকালীন সময়ে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির মৌলভীবাজার জেলা সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য বিশিষ্ট কলামিস্ট সৈয়দ আমিরুজ্জামান, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান হেলেনা চৌধুরী,প্রেম সাগর হাজরা,উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মোবাশশেরুল ইসলাম,সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ভানুলাল রায়,কালাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মজুল, শ্রীমঙ্গল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো.কামাল হোসেনসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গরা। প্রেস বার্তা

“মনরে কৃষি কাজ জানো না-

মনরে কৃষি কাজ জানো না

এমন সুন্দর মানব জমিন

রইলো পতিত

আবাদ করলে ফলতো সোনা

মনরে কৃষি কাজ জানো না।”

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৯জানুয়ারী,মুন্সী গিয়াস উদ্দিনঃ   কবির এই আক্ষেপ যদিও আত্ম উপলব্ধির, আত্ম উন্নয়নের, আধ্যাত্মিকতার জন্য-কিন্ত বাস্তবেও বাংলাদেশের মাটি পতিত পড়ে রয়েছে। সোনার খনি বিধাতা দিয়েছেন, কিন্ত আমরা বড় অবহেলায় তা পতিত ফেলে রেখেছি। আপনি বলবেন- বিশ্বের আবাদযোগ্য জমির ব্যবহারের দিক থেকে বাংলাদেশ একেবারে শীর্ষে আছে-তাহলে কীভাবে এ দেশের জমি পতিত পড়ে রইল? প্রায় ৩ কোটি একর জমিতে বছরে দু’একবার ধান চাষ করে প্রায় ৩.৫ কোটি টন ধান উৎপাদন করছি আমরা। বিশ্বে সবজী উৎপাদনে চতুর্থ, মাছ উৎপাদনে ৪র্থ, ইলিশ মাছ আহরণে শীর্ষে-তাহলে আর কী করলে আপনি বলবেন-আমাদের জমি কাজে লেগেছে? ১৭ কোটি জনতার দেশ হিসেবে আয়তনে ছোট হলেও আমাদের দেশের প্রায় পুরোটাই সমতল, কমবেশী চাষযোগ্য এবং মাটি অত্যন্ত উর্বর, আবহাওয়া বিশ্বের শীর্ষ চাহিদা সম্পন্ন কৃষি পণ্যের উৎপাদনের উপযোগী। অনেক সুপার ফুড উন্নত বিশ্বে হবেই না বৈরী আবহাওয়ার কারণে। এক একর জমিতে যে ধান আমরা পাই-তার তিন চতুর্থাংশ উৎপাদন ব্যয় হিসেবে খরচ হয়ে যায়। সাকুল্যে একরে ৩০-৪০ হাজার টাকার বেশী ধান চাষ থেকে আয় করা সম্ভব নয়।

পক্ষান্তরে, ওই ১ একরে বছরে আপনি ধানের চেয়ে ৫০ গুণ বেশী মূল্যের ফসল উৎপাদন করতে পারবেন যার বাজারজাত করণের কোন ঝামেলা নেই, দেশে বিদেশে যার প্রচুর চাহিদা। ধান, পাট, আলু কিংবা অন্যান্য প্রচলিত কৃষি পণ্যের নানাবিধ সমস্যা আছে-বেশী ফলন হলে মূল্য পাওয়া যায় না, যেমন আলু উত্তর বঙ্গে ১.৫ টাকা কেজি দরে বিকিয়েছে এবার, কপি, টমেটো, মূলা, সিম ইত্যাদি সবজীর মৌসুমের শুরুতে কিছু মূল্য পাওয়া যায়, কিন্ত বাজারে পর্যাপ্ত যোগান শুরু হলে দাম একদমই পড়ে যায়। ৬ বছর আগে একবার ঝিনাইদহে বিস্তীর্ণ ক্ষেতের মধ্যে ফুল কপি , বাঁধাকপি অবহেলায় পড়ে থাকতে দেখেছি। দাম এতোটাই পড়ে গিয়েছিল যে, শ্রমিক নিয়োগ করে সেগুলো ক্ষেত থেকে তোলার মূল্যও পাওয়া যাচ্ছিল না। কৃষক সেই কপি গরুকে খাইয়েছে।

তাছাড়া এ সমস্ত ফসল চাষে কৃষককে সারা বছর তার পুরো পরিবার নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হয়, তদুপরি বৈরী প্রকৃতি বাজার কিংবা নিম্নমানের সার, বীজ বা কীটনাশক ব্যবহারের কারণে ফসল পুরোপুরি মার যাবার ঘটনা অঞ্চলভেদে প্রায় ফি বছরই ঘটে। ২০১৬ সালে ভিয়েতনাম কৃষিজাত পন্য রপ্তানী করেছে ৩২ বিলিয়ন ডলারের। আর বাংলাদেশ ২০১৬ সালে মোট রপ্তানী থেকে আয় করেছে ৩৪ বিলিয়ন ডলার। যে সমস্ত কৃষিজাত পন্য ভিয়েতনাম রপ্তানী করেছে তার মধ্যে আছে কাঠ, সি ফুড, আর সব কৃষিজাত ফসল।

এই সব ফসলের মধ্যে আছে কফি, কাজু বাদাম, গোলমরিচ, ফল ও সব্জী, চাউল, রাবার ইত্যাদি। এসবের থেকে আয় করেছে ১৬-১৮ বিলিয়ন ডলার। ভিয়েতনাম যে সমস্ত কৃষিজাত পন্য রপ্তানী করেছে, তার সবই বাংলাদেশে খুব সহজে উৎপন্ন করা যাবে। আর এসব পন্যের চাহিদা আমাদের দেশে ও বিদেশে প্রচুর, বলা যেতে পারে সীমাহীন। (আগামী পর্বে -ধানের চেয়ে ৫০ গুণ বেশী মূল্যের ফসল যা বাংলাদেশে চাষ করা সম্ভব)