Friday 27th of April 2018 10:16:38 AM

হাওর বাচাঁও সুনামগঞ্জ বাচাঁও আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৬জানুয়ারী,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ    সুনামগঞ্জের হাওরা লের বাঁধ নির্মানের দাবীতে মানববন্ধ পালন করেছে হাওর বাচাঁও সুনামগঞ্জ বাচাঁও আন্দোলনের নেতৃবৃন্ধ। জেলার ছোট বড় হাওর গুলোতে উৎপাদিত বোরো ধান হাওরবাসীর এক মাত্র সম্পদ। এই সম্পদ বার বার অনিয়ম আর পুকুর চুরির কারনে অকাল বন্যায় বাঁধ ভেঙ্গে যায়।

গত কয়েক বছরের মত এবারও যাতে তার পুনারুবৃত্তি না ঘটে তার জন্য তিনটি দাবী-

১/ হাওরের প্রতিটি বাঁধ দ্রুত নির্মান,

২/ বাঁধ নির্মানে সেনাবাহিনী অর্ন্তভুক্তি,

৩/দূর্নীতিতে অভিযুক্তদের প্রকল্প বাস্থবায়ন কমিটিতে স্থান না দেওয়ার দাবীতে সুনামগঞ্জে মানববন্ধন পালিত হয়েছে।

শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় ট্রাফিক পয়েন্টে আয়োজিত মানববন্ধে বক্তব্য রাখেন,হাওর বাচাঁও সুনামগঞ্জ বাচাঁও আন্দোলনের সভাপতি বজলুল মজিদ খসরু,উপদেষ্টা মুক্তিযোদ্ধা মতিউর রহমান,সিনিয়র সহ সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আবু সুফিয়ান,সাধারন সম্পাদক বিজন সেন রায়,সুজনের জেলা সভাপতি হোসেন তৌফিক চৌধুরী,সংগঠনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক চিত্তরঞ্জন তালুকদার,কৃষি বিষয়ক সম্পাদক নির্মল ভট্রাচার্য,কার্য্যকরী পরিষদের সদস্য অধ্যাক্ষ রবিউল ইসলাম,ইয়াকুব বখত হবলুল,ডাঃ মোর্শেদ আলম,যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মাহবুবুর রহমান পীর,সাংগঠানিক সম্পাদক এমরানুল হক চৌধুরী,কুদরত পাশা,দফতর সম্পাদক মাসুম হেলাল,বাধঁ বিষয়ক সম্পাদক ওবায়দুল হক মিলন প্রমুখ।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৬জানুয়ারী,হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ পৌষের শুরুতেই ছিল হালকা হালকা গরম। গত দু’তিনদিন আগে হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলা সহ সারাদেশে মাঝারি থেকে বারিবর্ষণ হয়। এ বৃষ্টির পর পরেই শুরু হয়েছে ঘন ঘন শৈত্যপ্রবাহ। হঠাৎ এই শীতে দেখা দিয়ে শীতবাহিত বিভিন্ন রোগ ব্যাধি। গত দু’তিনদিনের হাঁড় কাঁপানো শীতের তীব্রতায় খেটে খাওয়া মানুষেরা চরম দূর্ভোগে পড়েছেন। এ উপজেলা পাহাড়ি ঘেষা এলাকা। এই এলাকায় তুলনায় শীতের প্রকোপ এখানে একটু বেশিই দেখা যায়। শীতের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় আর কুয়াশার কারণে বেলার প্রায় অর্ধেকটি সময় দেখা মিলছেনা সূর্যের।

গত দু’তিনদিন ধরে সন্ধ্যা থেকেই শুরু হয় ঘন কুয়াশা। আর হিমেল বাতাসে নাকাল হয়ে পড়েছে জনজীবন। প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া ঘর থেকে তেমন বের হচ্ছেনা সাধারণ মানুষ। উপজেলা সহ হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন স্থানে গিয়ে দেখা যায়, দিনের বেলাতেও মহাসড়কে যানবাহনগুলো হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাফেরা করছে। রাতভর টুপটাপ শব্দে বৃষ্টির মত ঝরছে কুয়াশা। রাত ৮-৯ টার মধ্যেই ফাঁকা হয়ে যাচ্ছে রাস্তাঘাট গুলো। শায়েস্তাগঞ্জ নতুন ব্রীজ পয়েন্টের সিএনজি চালক ইদ্রিস আলী, নূরুল ইসলাম, মনাফ মিয়া, মোশাইদ মিয়া, লালু মিয়া জানান, ঘন কুয়াশায়  রাস্তায় কিছু দেখা যায়না। এতো কুয়ারশার কারনে গাড়ি চালাতে অনেক কষ্ট হয় আমাদের। সেই সাথে এতো ঠান্ডার কারনে যাত্রিও পাওয়া যায়না। এভাবে যদি শীত থাকে তাহলে যে কোন সময় দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে বলে মনে করেন তিনি। চুনারুঘাট পৌরশহরের মুদি ব্যবসায়ী
সুভাষ পাল, অধীর পাল জানান, অনেক কুয়াশার কারনে হাটবাজারে মানুষের আনাগোনা কম ফলে আমাদের ডেইলী ইনকাম কমে যাচ্ছে। এই প্রচন্ড শীতে ও ঘন কুয়াশার কারনে কাজ করতে অসুবিধা হওয়ায় অনেকটা বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষেরা। বিপাকে পড়েছেন স্কুল কলেজে পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা। পৌরশহরের চাস্টল ব্যবসায়ী আঃ রশীদ, মোঃ ফারুক, রামান্দ কর জানান, শীতের গরম চায়ের চাহিদা একটুক বেশী। সেই সাথে শীতে জড়ো-সড়ো হয়ে গেছে গবাদী পশুও। কেউ কেউ আবার খড়-কুটোতে আগুন জ্বালিয়ে করছেন শীত নিবারণের চেষ্টা। পৌরশহরের ভিক্ষুকেরা জানিয়েছেন, ঠান্ডা নিবারণের জন্য বেশ কয়েকজন মিলে আগুনের সাহায্য নিয়ে কিছু সময়ের জন্য তাদের শরীরকে সান্তনা দিচ্ছে। কিন্তু শীত কি আর সেই সান্তানা মানে। হয়তো থাকবোনা আর বেঁচে, মারা যাবো। কারন এই শীতে থাকা অনেক কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। নেই শীতের ভালো কাপর।

যদি সরকার আমাদের সাহায্য করে তাহলে হয়তো এই প্রখর শীতে একটু শান্তি পাবো। এমনি মন্তব্য করেছেন পৌরশহরের ভিক্ষা করে ফুটপাতের মোড়ে যাহারা দিনরাত যাপন করছেন তারা। চুনারুঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) কাইজার মোহাম্মদ ফারাবি জানিয়েছেন, এ উপজেলাতে শীত বেশিই থাকে। কারণ পাহাড়ি ঘেষা এলাকা। তাই আগের থেকেই এ উপজেলাতে শীত বস্ত্র মজুত রয়েছে। এবং অসহায়, দরিদ্র মানুষ ও বৃদ্ধ মানুষদের শীত বস্ত্র বিতরণ করা হচ্ছে।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৬জানুয়ারী,বেনাপোল প্রতিনিধিঃ    বন্দরনগরী বেনাপোল আ’লীগ কার্যলয়ের পিছন থেকে ১৪টি তাজা হাত বোমা, ৪টি রামদা ও ৪টি লোহার রডসহ আ’লীগের তিন কর্মীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ(বিজিবি) সদস্যরা।

শনিবার (০৬জানুয়ারি) দুপুর ২ টায় বেনাপোলের ছোটআঁচড়া মোড়ের বিপরীতে আ’লীগের দলীয় কার্যলয়ের পিছনে বালিগাদা থেকে এসব বিষ্ফ্রোরক দ্রব ও ধারালো অস্ত্র উদ্ধার হয়।

আটকরা হলেন, বেনাপোল পৌরসভার ভবারবেড় গ্রামের শাহাজানের ছেলে মধু(২৬), গোলম খবীরের ছেলে ইরশাদ(২৬) ও আব্বাস আলীর ছেলে রনি(২৫)।

বেনাপোল সদর বিজিবি ক্যাম্পের সুবেদার শহিদুল ইসলাম শহিদ সাংবাদকিদের জানান, তাদের কাছে গোপন খবর আসে নাশকতামুলক কর্মকান্ডের উদ্দেশ্যে বেনাপোল আ’লীগের দলীয় কার্যলয়ের পাশে ধারালো অস্ত্র ও বোমা নিয়ে দূর্বত্তরা অবস্থান করছে। পরে তারা অভিযান চালিয়ে সেখান থেকে হাতবোমা ও ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করে। এসময় বোমার পাহারাদার তিন জনকে আটক করা হয়।

এদিকে আটক আ’লীগের তিন কর্মী জানান, তারা দলীয় অফিসে বসে ছিলেন। এসময় বিজিবি সদস্যরা তাদেরকে বলে বোমা উদ্ধারের বিষয়ে সহযোগীতা করতে ক্যাম্পে উপস্থিত হতে। পরে সেখানে গেলে বিজিবি তাদেরকে আসামী বানিয়ে হাতে হ্যান্ডক্যাপ লাগান।

উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান বলেন, দলীয় ভাবমুর্তী নষ্ট করার জন্য এটা একটি পক্ষের ষড়যন্ত্র।

উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ওহিদুল ইসলাম ওহিদ জানান, রাজনৈতিক ভাবে হয়রানি করার জন্য এটি কারো চক্রান্ত। তবে সাক্ষির নামে তাদের কর্মীদের ডেকে নিয়ে আসামী বানানোর নিন্দাও জানান তিনি।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৬জানুয়ারী,কমলগঞ্জ প্রতিনিধিঃ   মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ১নং রহিমপুর ও ২নং পতনঊষার ইউনিয়নের ফরকা নালায় ২য় মৎস্য অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠান শনিবার (৬ জানুয়ারি) দুপুরে স্থানীয় কাঁঠালতলী সুইচ গেইট প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত হয়। ফরকা নালা পানি ব্যবস্থাপনা সময়বায় সমিতি কর্তৃক সমিতির সভাপতি দিপেন্দ্র কুমার দাস এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ১নং রহিমপুর ইউপি চেয়ারম্যান ইফতেখার আহমেদ বদরুল। অনুষ্ঠানে উদ্বোধক ছিলেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ শাহাদাৎ হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন পতনঊষার ইউপি চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার তওফিক আহমেদ বাবু, কমলগঞ্জ ইউডিএফ অফিসার সাজেদুর রহমান, কমলকুঁড়ি পত্রিকার সম্পাদক পিন্টু দেবনাথ। অমল কান্তি দাস দুদুলেল স ালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ফরকানালা পাবসস লি: সাধারণ সম্পাদক বিপুল বৈদ্য, ইউপি সদস্য মোঃ কুদ্দুছ প্রমুখ। উপস্থিত ছিলেন ইউপি সদস্য এখলাছ মিয়া, বৃন্দাবনপুর পোষ্ট মাষ্টার আব্দুল মন্নান, আওয়ামীলীগ নেতা ইলিয়াছুর রহমান পংকি, নোমান আহমদসহ ফরকানালা পানি ব্যবস্থাপনা সময়বায় সমিতি সদস্যবৃন্দ। পরে ফরকানালায় মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৬জানুয়ারী,কমলগঞ্জ প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে সারা দেশের ন্যায় কমলগঞ্জে শনিবার (০৬ জানুয়ারি) বেলা ১১ টায় ছাত্রলীগের একটি র‌্যালী উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে উপজেলা পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কেক কাটা শেষে, উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যেগে ভানুগাছ চৌমুহনী চত্ত্বরে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রাহাত ইমতিয়াজ রিপুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পথ সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক প্রতিষ্টাতা সম্পাদক মো. সিদ্দেক আলী।

উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাকের আলী সজীবের স লনায় অনুষ্টানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক মো. জুয়েল আহমেদ, জেলা পরিষদ সদস্য সাবেক উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি অধ্যক্ষ হেলাল উদ্দিন প্রমূখ।অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সাবেক যুবলীগ নেতা মো.মোশাহিদ আলী সাবেক উপজেলা ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো.বাছিদ আহমেদ প্রমূখ।বক্তারা বলেন, ছাত্রলীগ উপমহাদেশের বৃহত্তম একটি সংগঠন।

১৯৪৮ সালের ৪ঠা জানুয়ারী জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে তৈরি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। ইতিহাস স্বাক্ষী ৫২ ভাষা আন্দোলনে ছাত্রলীগের অবদান। আমরা এই সংগঠনটির উত্তর উত্তর সমৃন্ধি কামনা করি।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৬জানুয়ারী,কমলগঞ্জ প্রতিনিধিঃ কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান মোতাহের আলীকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মিথ্যা কটুক্তি প্রচারের প্রতিবাদে এলাকাবাসী তীব্র ক্ষোভ ও দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। শুক্রবার সন্ধ্যায় ধলাইপার গ্রামে এলাকাবাসীর আয়োজনে প্রবীণ সমাজসেবক মোঃ আনর মিয়ার সভাপতিত্বে ও নেকবর মিয়ার স লনায় প্রতিবাদ সভায় উপস্হিত ছিলেন মাধবপুর ইউপি চেয়ারম্যান পুস্প কানু, প্যানেল চেয়ারম্যান-১ মোহাম্মদ মোতাহের আলী, সংরক্ষিত মহিলা সদস্য সুফিয়া বেগম। সভায় স্থানীয়দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সমাজ সেবক সাদির আলী, মোঃ নূর মিয়া, মোশাহিদ আলী, মাসুক মিয়া, রাজা মিয়া,আসিম মিয়া প্রমূখ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইউপি সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান-১ মোহাম্মদ মোতাহের আলীকে নিয়ে সম্প্রতি ধলাইপার গ্রামের আব্দুল হান্নানের পুত্র মানসিক ভারসাম্যহীন প্রবাস ফেরত মো. লিমন মিয়া ও তার স্ত্রী সহ পরিবারের সাথে কলহ দেখা দিলে লিমনের পিতা ইউপি সদস্য মোহাম্মদ মোতাহের আলীর শরণাপন্ন হন। পরে বিষয়টি সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে নিষ্পত্তির অনুরোধ করলে মোতাহের আলী হান্নান মিয়ার বাড়ীতে গেলে মানসিক ভারসাম্যহীন লিমন ক্ষিপ্ত হয়ে তাকে লাি ত করার চেষ্টা করে। পরে এলাকাবাসী লিমন কে উত্তম মধ্যম দিয়ে পুলিশের হাতে দিতে গেলে ইউপি সদস্যের সহায়তায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এ ঘটনার সপ্তাহ খানিক পর একটি কুচক্রীমহল ইউপি সদস্য মোহাম্মদ মোতাহের আলীর ছবি সহ ফেসবুকে একটি ভূয়া আইডি থেকে তার মানসম্মান ক্ষুন্ন করার লক্ষ্যে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে লিমন মিয়ার স্ত্রীকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে অপপ্রচার চালাতে থাকে। তবে বাস্তবে এর কোন সত্যতা পাওয়া যায়নি।
এদিকে মাধবপুর ইউপি সদস্য ও প্যানেল চেয়ারম্যান-১ মোহাম্মদ মোতাহের আলী বাদী হয়ে গত বৃহস্পতিবার রাতে কমলগঞ্জ থানায় অভিমানী প্রেম ও সন্ধ্যাতারা নামে ভূয়া আইডির বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
মামলাটি তদন্ত অফিসার কমলগঞ্জ থানার এস আই চম্পক দাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে আমরা তদন্ত করছি।

 

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৬জানুয়ারী,ডেস্ক নিউজঃ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে দাবি পূরণের আশ্বাস পাওয়ার পর কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নিয়েছেন অনশন চালিয়ে আসা শিক্ষকরা। এমপিওভুক্তির দাবিতে তারা গত ছয় দিন ধরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অনশন করছেন।

আন্দোলনরত শিক্ষকদের সংগঠন নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী ফেডারেশনের সভাপতি অধ্যক্ষ গোলাম মাহমুদুন্নবী ডলার জানান, প্রধানমন্ত্রীর একান্ত সচিব-১ সাজ্জাদুল হাসান আজ শুক্রবার বিকালে অনশনস্থলে এসে প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসের বিষয়টি জানান। পরে শিক্ষকরা কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেন।সুত্রঃইত্তেফাক

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৬জানুয়ারী,হবিগঞ্জ প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ রেল স্টেশন এলাকায় অজ্ঞাত পরিচয় এক মহিলার মরদেহ উদ্ধার করেছেন রেলওয়ে পুলিশ। ৫ জানুয়ারি শুক্রবার দুপুর ১টায় মহিলার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্হানীয় সূত্রে পাওয়া, দুপুরে স্থানীয়রা স্টেশন এলাকায় মরদেহটি দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহটি
উদ্ধার করেছেন। শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে পুলিশের উপ পরিদর্শক (এসআই) সাজিদুল হক সত্যতা স্বিকার করে জানান, অজ্ঞাত এই মহিলার মরদেহ হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৬জানুয়ারী,রেজওয়ান করিম সাব্বির, জৈন্তাপুর প্রতিনিধিঃ বিশ্বরে সবকটি দেশের মত আমাদের সমাজে এক শ্রেণীর মানুষ রয়েছে যাদেরকে দেখতে অন্য সব মানুষের মতই জীবন যাপন করতে মনে হয়। কিন্তু সব থাকা সত্বেও তাদের মুখে নেই কোন আওয়াজ। তারা হচ্ছে বাক প্রতিবন্ধি বা মুখ বধিরও বলা হয়। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের ন্যায় আমাদের জৈন্তাপুর উপজেলায় এরূপ বেশ কয়েক জন প্রতিবন্ধি রয়েছেন। জীবন যুদ্ধে তারাও পিছিয়ে নেই, জীবিকার তাগিদে তাদের মধ্যে কয়েক জনকে অত্যন্ত ঝুকিপূর্ণ কাজ করতে দেখা যায়।

প্রতিবন্ধিরা মেধাবী হয় এ কথাটা যেমন চিরন্তন সত্য তেমনি আমাদের সমাজের এই অবহেলিত মানুষ গুলোকে যদি কোন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার মাধ্যমে আত্মকর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেওয়া যেত তাহলে তারাও এদেশের একজন গর্বিত নাগরিক হিসেবে আত্মতৃপ্ত হতে পারত। অথচ তাদের চুখ-মুখের দিকে তাকালে মনে হয় তারা বড়ই অসহায়।
সম্প্রতি জৈন্তাপুর উপজেলার ৬জন বাক প্রতিবন্ধি (মুখ বধির)’র সাথে কথা হলো। অঙ্গ-ভঙ্গি আর ইশারার মাধ্যমে তারা তাদের মনের ভাব প্রকাশ করল। এদের মধ্যে ৩ জন প্রতিবন্ধি বা বধির স্কুল থেকে কিছুটা লেখা-পড়া করেছে। হাতে কলমে সে তার নাম ঠিকানা লিখতে পত্রিকা পড়ে নিতে পারে এমনকি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক ব্যাবহারে বধিরা বেশ পারদর্শি। তারা তাদের জীবনের হতাশা আর কষ্টের কথা বিভিন্ন ভাব বঙ্গিতে বুঝানোর চেষ্টা করে অপরিচিত কোন মানুষ দেখলে। বধির রবি উল্লাহ, কবির হোসেন, হাবিবুর রহমান, আব্দুল হোসেন, আবুল কাসেম ও ফেদল দাস। তাদের মধ্যে একজন গার্মেন্টস শ্রমিক, দুইজন নির্মাণ কাজের মিস্ত্রি এবং অপর তিন জন বৈদ্যুতিক কাজ করে। ইচ্ছা আর আত্মশক্তির মাধ্যমে মানুষ যে কোন অসাধ্যকে সাধন করতে পারে এদেকে দেখলে মনে হয়। আর তারই দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে তিন বধির বৈদ্যুতিক কাজের মত ঝুকিপূর্ণ পেশায় অংশ নিয়ে। জৈন্তাপুর উপজেলায় বিদ্যুৎ বিভাগের যে কোন বৈদ্যুতিক ত্রুটি দেখা দিলে মূহুর্তের মধ্যে ঘটনাস্থলে উপস্থিত এই তিন বধির। ওরা কথা বলতে বা শুনতে না পারলেও  তাদের কাছে রয়েছে অন্য সবার মত মোবাইল ফোন রিংটোন শুনতে না পারলেও ব্রাইব্যাশন থাকায় কল আসার সাথে বুঝে নিতে পারে কে জেন খোঁজতেছে, দেরি নাকরে পাশে থাকা অন্য লোকের কাছে ফোনটা দিয়ে অপর দিক থেকে কি বলা হচ্ছে তা জনার চেষ্টা করে তাকে তারপর ইসারা ইঙ্গিতে জেনে নেয়ার চেষ্টাকরে বাক প্রতিবন্ধিরা। কথা একটু ভেবে চিন্তে সমস্যা চিহিৃত করে নিমিশেই সমাধান করে দিচ্ছে তারা। তবে তাদের একটা আকুতি সরকার যদি কোন একটা ভাতার ব্যবস্থা করে তা হলে তারা কিছুটা হলেও উপকৃত হবে। এই বিষয়টি মানবিক বিবেচনায় ভেবে দেখবেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এমনটাই প্রত্যাশা সকলের।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৬জানুয়ারী,বেনাপোল প্র‌তি‌নি‌ধি: দে‌শের বি‌ভিন্ন সীমান্ত প‌থে অবৈধভা‌বে ভারতে পাচার হওয়া ১৪ বাংলাদেশি নারী- শিশুকে আটকের ৩ বছর পর হস্তান্তর করেছে ভারতীয় পুলিশ। বৃহস্পতিবার রা‌তে বিশেষ ট্রাভেল পারমিট মাধ্য‌মে ভারতের পেট্রাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ তাদেরকে বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।।
ফেরত আসারা নারী- শিশু হলেন- সাতক্ষীরার বাগুড়ে গ্রামের সাহেব আলীর ছেলে হুসাইন শেখ (১৩) ও মোমিনুর শেখ (১১), যশোরের শার্শা উপজেলার কাঠুরিয়া গ্রামের মান্নান শেখের ছেলে সেলিম শেখ (১১), শার্শার সাদিপুর গ্রামের শাহাবুদ্দিনের ছেলে হায়দার (১২), যশোর সদর এলাকার ইরশাদ মোড়লের ছেলে ইসরাফিল (১০), খুলনার রুপসা দেয়াড়া গ্রামের কবীর শেখের ছেলে আবুল হাসান (১২), বাগেরহাটের গোপালপুর গ্রামের সেলিমের ছেলে মুকতার (১০), চাঁদপুরের রশিদ খানের মেয়ে সাথী আকতার (১৮), গাজীপুরের আজিজুলের মেয়ে আকলিমা (১৯), মাগুরার মান্নান মজুমদারের মেয়ে শিরীনা বেগম (২১), সুবাস চন্দ্রের মেয়ে সিমু বিশ্বাস (১৪), ঢাকার আহম্মেদের মেয়ে ছালমা আক্তার (২০), মীরপুরের হারুনর রশিদের মেয়ে হালিমা আক্তার (১৯), খুলনা দৌলতপুর এলাকার আনোয়ার ব্যাপারির মেয়ে আখি খাতুন (২০) ও চাঁদপুরের বাবুরহাট এলাকার রশিদ খানের মেয়ে সাথী আক্তার (২২)।
বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তরিকুল ইসলাম জানান, ফেরত আসা নারী-শিশুদের তাদের পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য ৩টি এনজিও সংস্থার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
ফেরত বাংলাদেশিদের মধ্যে আহসানিয়া মিশনের এনজিও প্রতিনিধি রফিকুল ইসলাম গ্রহণ করেন ৫ কিশোরকে। অন্যদিকে বাংলাদেশ মহিলা আইজীবী সমিতির নূর নাহার নিয়েছেন ৪ জনকে ও রাইটস যশোরের তাহামিনা গ্রহণ করেছেন ৫ জনকে।
এনজিওকর্মী নূর নাহার জানান, ভালো কাজের প্রলোভনে প‌ড়ে দালাল চ‌ক্রের মাধ্য‌মে তারা ভারতে পা‌ড়ি জমায়। প‌রে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে ভারতীয় পুলিশ তাদের আটক করে আদালতে পাঠায়। সেখান থেকে কোলকাতার নিলুয়াহোম নামে একটি এনজিও সংস্থা তাদের ছাড়িয়ে নিজেদের জিম্মায় রাখে। পরে তাদের নাম-ঠিকানা সংগ্রহ করে দুই দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেওয়া বিশেষ ট্রাভেল পারমিট আইনে তারা দেশে ফিরে আসছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে তাদেরকে নিজ নিজ পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। তি‌নি ব‌লেন, যদি পাচারকারীদের সনাক্ত করে ‌কেউ মামলা করতে চায় তাহলে আইনি সহায়তা দেওয়া হবে।