Sunday 21st of January 2018 10:41:33 AM

সচেতন মহলের ধারনা-তদন্ত কমিটির সমন্বয়হীনতা ও গাফিলতির কারণে ক্ষতিপূরণ পায়নি শ্রীমঙ্গলের ব্যবসায়ী,পরিবহন শ্রমিক,সাধারণ পথচারি,পযর্টক,হোটেল ও যানবাহনের ক্ষতি গ্রস্থরা”

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৫জানুয়ারী,ষ্টাফ রিপোর্টার,মো.জহিরুল ইসলামঃ ২০১৭ সালের ৫ জানুয়ারি তারিখে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে ব্যবসায়ী, পরিবহন শ্রমিক, সাধারণ পথচারি ও পযর্টক,হোটেল,যানবাহনের উপর বিজিবি সৈনিকদের হামলার ঘটনায় ৪ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করার দীর্ঘ এক বছর অতিক্রান্ত হলেও ক্ষতিপূরণ পায়নি ক্ষতিগ্রস্থরা।

প্রশাসনের আশ্বাসে ওই বছরের ১৪ জানুয়ারি’র মধ্যে তদন্ত কাজ শেষ করে যথাযথ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্থদের ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হবে। কিন্তু তা না হয়ে তড়িঘড়ি করে ১৫ দিনের মাথায় ওই তদন্ত কমিটির ৪ জনের মধ্যে ৩ জনই তাদের কর্মস্থল থেকে অন্যত্র বদলী হয়ে গেছেন। এদিকে তদন্ত কমিটি সুষ্ঠভাবে তদন্ত করতে পেরেছে কিনা বা আদৌ তা বাস্তবায়িত হবে কিনা এ নিয়ে হতাশায় ভূগছেন শ্রীমঙ্গলের ব্যবসায়ী, পরিবহন শ্রমিক-মালিক ও অন্যান্য ক্ষতিগ্রস্থরা।

বিজিবি’র সৈনিকদের হামলার প্রতিবাদে শ্রীমঙ্গলের ব্যবসায়ী,পরিবহন শ্রমিক-মালিক ও অন্যান্যরা ৩ দিন শ্রীমঙ্গলে ধর্মঘট ডাকে। প্রশাসনের আশ্বাসে আন্দোলন শ্রীমঙ্গলের ব্যবসায়ী,পরিবহন শ্রমিক-মালিকরা ধর্মঘট প্রত্যাহার করে। কিন্ত হামলার ১ বছর কেটে গেলেও আজও ক্ষতিগ্রস্তরা কোন ক্ষতিপূরণ কিছুই পায়নি।

জানা যায়, বিজিবির এহেন অমানবিক ঘটনায় পরিবহন শ্রমিকদের ঢাকা অর্নিদিষ্ট কালের ধর্মঘট প্রত্যাহার করতে মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মো. তোফায়েল ইসলামের তত্ত্বাবধানে তৎকালীন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফারুখ আহমেদকে প্রধান করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন, শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. শহীদুল হক ও শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মাহবুবুর রহমানকে নিয়ে ৪ সদস্য বিশিষ্ট ১টি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। সেখানে ৭ জানুয়ারি থেকে ১৪ জানুয়ারির ভেতরে ৭ কর্মদিবসের মধ্যে সকল তদন্ত কাজ শেষ করে বিজিবি’র উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে ক্ষতিগ্রস্থদের ক্ষতিপূরণ প্রদান করা হবে। কিন্তু তদন্ত কাজ কিছুটা এগুতে না এগুতেই ওই কমিটির ৪ জনের মধ্যে ৩ জনই বদলী হয়ে যান।

পরবর্তীতে মৌলভীবাজারে যোগ দেয়া অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মীর মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমানকে প্রধান করে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন, শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মোবাশশেরুল ইসলাম ও শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ কে এম নজরুল এই চারজনকে নিয়ে পুণঃরায় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটিতের দেখা দেয় ধীর গতি। এদিকে তদন্ত কমিটির সমন্বয়হীনতার কারণে দীর্ঘ ১ বছরেও ক্ষতিপূরণ আদায় সম্ভব হয়নি বলে ধারণা ক্ষতিগ্রস্থদের।

এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটির সদস্য শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মোবাশশেরুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, বিগত কমিটির প্রধান মো. ফারুখ আহমেদ এখন পর্যন্ত বর্তমান কমিটির কাছে কোন কাগজপত্র হস্থান্তর করেন নি। বিধায় বর্তমান কমিটি এই তদন্ত কাজে এগুতে পারছে না।

এদিকে বিগত তদন্ত কমিটির প্রধান মো. ফারুখ আহমেদ জানান, তিনি দায়িত্বরত থাকাকালীন সময়ে শ্রীমঙ্গল উপজেলা চেয়ারম্যানের সহকারী সুদীপ দাশ ও উপজেলা টেকনিশিয়ান আমীর হোসেন বাদলকে দিয়ে সকল কাগজপত্র তৈরী করেছিলেন। তিনি বদলী হয়ে যাবার সময় তাদের কাছেই সকল কাগজপত্র রেখে গেছেন।
এব্যাপারে আমীর হোসেন বাদলকে কাগজ গুলো কোথায় আছে জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান, কাগজগুলো ডিসি অফিসে পাঠানো হয়েছে অনেক আগেই।
বর্তমানে নিযুক্ত তদন্ত কমিটির প্রধান অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মীর মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয় নি।

এবিষয়ে জানতে চাইলে মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক মো. তোফায়েল ইসলাম বলেন- আমি একটি মিটিং এ আছি,বিজিবির ঘটনার বিষয়টি অনেক আগের। আমরা নতুন একটি কমিটি করে দিয়েছিলাম।এই কমিটি কি করেছে তা অফিসে গিয়ে দেখে বলতে হবে।

শ্রীমঙ্গল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন বলেন- বিজিবি হামলায় শহরের শতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ব্যবসায়ীদের ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য আমরা কঠিন পদক্ষেপ গ্রহণ করবো। এ ব্যাপারে আমাদের যা যা করার দরকার অবিলম্বে আমাদের কর্মসূচী হতে নেবো।

পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান বলেন- আমাদের মোট ৩৭ টি কার মাইক্রোবাস, ৭০ টি সিএনজি এবং ছোট-বড় আরো ৬০ টি ট্রাক ও ৫ টি মিনিবাস ভাংচুর করা হয়েছে। যার প্রতিটি মেরামত করতে আনুমানিক মূল্য ২০ থেকে ৫০ হাজার টাকা লেগেছে। ১ বছর হয়ে গেছে আমরা কোন ক্ষতিপূরণ পাইনি। আর অপেক্ষা করা যাবে না। ক্ষতিপূরণ না পেলে আমরা আবারও ধর্মঘট ডাকবো।

উল্লেখ্য,গত ৫ জানুয়ারি ২০১৭ খ্রিস্টাব্দ রোজ বৃহস্পতিবার বিজিবি’র সাথে এক পরিবহন চালকের সাথে পাম্পের গ্যাস নেবার সময় কথাকাটাকাটি হয়।এসময় বিজিবি ও ঐ পরিবহন চালকের গায়ে হাত তুলে।সেখান থেকে ঐ চালক শ্রীমঙ্গল শহরে প্রবেশ করে শহরতলী ভানুগাছ রোডস্থ পানসী হোটেলের সামনে বিজিবি’র গাড়ির গতিরোধ করে হাতাহাতি শুরু হয়। সন্ধ্যায় এই খবর বিজিবি’র ক্যাম্পে চলে গেলে বিজিবি’র সৈনিকরা অস্ত্র গোলাবারুধ নিয়ে শহরের প্রবেশ করে শ্রীমঙ্গলের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, যানবাহনসহ পথচারীদের উপরে অতর্কিত হামলার চালায় তারা নিরহ মানুষের উপরে।এতে ৪ জন গুলিবিদ্ধ,শতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও যানবাহনসহ অর্ধশত মানুষকে পিঠিয়ে আহত করে বিজিবি সদস্যরা এসময় গনমাধ্যম কর্মীর ক্যামেরাও ভেঙ্গে দেয় বিজিবি’র সৈনিকরা।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৫জানুয়ারী,ষ্টাফ রিপোর্টার,জহিরুল ইসলামঃ মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে অনুষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ গার্ল গাইডস এসোসিয়েশেন সিলেট অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিষদ অধিবেশন ২০১৮।
আজ শুক্রবার সকালে শ্রীমঙ্গল গ্র্যান্ড সুলতান টি রিসোর্ট গলফ্ এর নওমি মঞ্জিলে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে অধিবেশনের উদ্বোধন করেন মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক মোঃ তোফায়েল ইসলাম।গার্ল গাইডস এসোসিয়েশেন সিলেট অঞ্চলের আঞ্চলিক কমিশনার বাবলী পুরকায়স্থ এর সভাপতিত্বে ও গার্ল গাইডস এসোসিয়েশনের শ্রীমঙ্গল শাখার সচিব আলপনা সেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় কমিশনার রেহানা ইমাম, ডেপুটি কমিশনার ড. প্রফেসর ইয়াছমিন আহমদ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে গাইডার রোকসানা আহমদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয় সিলেট অ লের ঐতিহ্যবাহী নৃত্য ও সংগীতানুষ্ঠান। এবং বিকেলে অনুষ্টিত হয় কাউন্সিলিং অধিবেশন।
আঞ্চলিক এ সম্মেলনে গাইড ও গাইডার সহ প্রায় ২০০জন সদস্য অংশ নেন।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৫জানুয়ারী,আবু তাহির,ফ্রান্সঃ বিমানবন্দরে প্রবাসীদের হয়রানি বন্ধের দাবিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল এর কাছে ইউরোপের সর্ববৃহৎ সামাজিক সংগঠন ইউরোপিয়ান প্রবাসী বাংলাদেশী এসোসিয়েশন ইপিবিএ স্মারকলিপি প্রদান করে । এসময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন এয়ারপোর্টে হয়রানি বন্ধে সকল ব্যবস্থা শিগ্রই গ্রহণ করা হবে । তিনি ইপিবিএ ,র দাবি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করে বিমানবন্ধরে প্রবাসীদের সহায়তায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন , তদারকি ও প্রবাসীদের সহায়তার ডেস্ককে কার্যকর করবেন বলেন । তিনি প্রবাসীদেরকে সচেতনতার ও পরামর্শ দেন । তিনি বলেন কিছু দুষ্ঠ লোক খুঁজতে অনেক সময় ইমিগ্রেশনে সাধারণ প্রবাসীরা হয়রানিতে পড়েন যা সরকারের জানার মধ্যে , কিন্তু এ সমস্যা দ্রুত সমাধান করা হবে ।

সরকার প্রবাসীদের সকল সমস্যা সমাধানে যথেষ্ট আন্তরিক।প্যারিসের রিপাবলিকে ক্রাউন প্লাজা হোটেল এর বলরুমে এ মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয় । ইপিবিএ এর পক্ষ থেকে ইপিবিএ কেন্দ্রীয় সহসভাপতি আশরাফু ইসলাম , জিকু বাদল ,মামুন মিয়া , ইপিবিএ ফ্রান্স সভাপতি ফারুক খান , কেন্দ্রীয় সহসাধারণ সম্পাদক মোতালেব খান , সহকোষাধক্ষ অজয় দাস , কর্মসংস্থান সম্পাদক শাহাদৎ হোসেইন সাইফুল , প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এনায়েত হোসেন সোহেল ,ইপিবিএ কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক সামসুল ইসলাম ইপিবিএ ফ্রান্সের মহিলা সম্পাদিকা সুমা দাস সহ ইপিবিএ নেতারা উপস্থিত ছিলেন । এসময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত করেন ইপিবিএ নেতারা ।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৫জানুয়ারীঃ  আজ শুক্রবার ৫ জানুয়ারি,এই দিনে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ৪ বছর পূর্ণ হলো। গত ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নানা প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এ দিনটিকে ‘গণতন্ত্রের বিজয় দিবস’ হিসেবে উদযাপন করবে ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ।

নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলনরত তৎকালীন বিরোধী দল বিএনপি এ নির্বাচন বর্জন করে। সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচিত সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যাপারে অনড় থাকে ক্ষমতাসীন আওয়ামীলীগ। নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত নির্বাচনকালীন সরকারে বিএনপিকে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হলেও দলটি সাড়া দেয়নি।

বিএনপিসহ কিছু রাজনৈতিক দল এ নির্বাচন বর্জন করলেও সংবিধান অনুযায়ীই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তবে শুধু বর্জনই নয় এ নির্বাচনকে প্রতিহত করতে হরতাল, অবরোধসহ লাগাতার কর্মসূচি দেয় বিএনপি-জামায়াত জোট। এ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে অগ্নিসংযোগ, বোমা হামলাসহ দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি হয় এবং শতাধিক মানুষের প্রাণহানি ঘটে।

এরপর থেকে প্রতি বছরই এ দিনটিকে গণতন্ত্রের বিজয় দিবস হিসেবে আওয়ামী লীগ উদযাপন করে আসছে। দিনটি উদযাপনে দেশব্যাপী কর্মসূচি নিয়েছে আওয়ামী লীগ।

৫ জানুয়ারি উপলক্ষে আওয়ামী লীগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গণতন্ত্র, প্রগতি, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠার অভিযাত্রায় এ দিনটির গুরুত্ব অপরিসীম। আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শিতা, প্রজ্ঞা ও সাহসী পদক্ষেপের কারণেই ২০১৪ সালের এদিন বিএনপি-জামাত জোট চক্রের সংবিধানবিরোধী সকল ষড়যন্ত্রের মোকাবিলা করে দেশের জনগণ দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বস্তঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্রের বিজয় নিশ্চিত করে। নির্বাচন বানচালে সারাদেশে বিএনপি-জামাত জোটের জ্বালাও-পোড়াও, হত্যা, সন্ত্রাস, লুটতরাজ, ভাঙচুর, বৃক্ষনিধন ও অগ্নিসন্ত্রাসের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায় দেশের জনগণ।

দিবসটি উপলক্ষে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে জেলা, মহানগর, উপজেলা ও থানা পর্যায়ে বিজয় র‌্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে ৫ জানুয়ারি বিকেল ৩টায় বনানী মাঠে আওয়ামী লীগ ঢাকা মহানগর উত্তর এবং ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ প্রাঙ্গণে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের উদ্যোগে বিজয় র‌্যালি ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। কর্মসূচিতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের নেতারা উপস্থিত থাকবেন।

এছাড়াও সিলেট,সুনামগঞ্জ,মৌলভীবাজার,হবিগঞ্জ, শ্রীমঙ্গলসহ আওয়ামী লীগের সকল জেলা, মহানগর, উপজেলা ও থানাসমূহে অনুরূপ কর্মসূচি পালন করবে। দেশব্যাপী এই কর্মসূচিতেও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করবেন।

আওয়ামীমী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এক  বিবৃতিতে ‘গণতন্ত্রের বিজয় দিবস’ উপলক্ষে আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ ঘোষিত কর্মসূচি যথাযথভাবে পালনের জন্য দেশের সকল জেলা, মহানগর, উপজেলা ও থানা আওয়ামী লীগসহ সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। একইসাথে দেশের সর্বস্তরের জনগণকে গণতন্ত্রের বিজয়ের এই ঐতিহাসিক দিনটি উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের জন্য বিনীত অনুরোধ জানিয়েছেন।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৪জানুয়ারী,বেনাপোল প্রতিনিধিঃ যশোরের শার্শা উপজেলার উলাশী-গিলাপোল সরকারী আবাসন প্রকল্পে বুধবার বিকালে হঠাৎ অগ্নিকান্ডের সৃষ্টি হয়। অগ্নিকান্ডে আবাসন প্রকল্পের ২০টি ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। ঘটনার সাথে সাথে বেনাপোল ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ছুটে যায় এবং দীর্ঘক্ষন চেষ্টা করার পর আগুন নেভাতে সক্ষম হয়।

এ ঘটনা শুনে সেখানে তাৎক্ষনিক ছুটে যান শার্শা উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান সিরাজুল হক মঞ্জু, শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পুলক কুমার মন্ডল, উলাশী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আয়নাল হক, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা লাল্টু মিয়া ও শার্শা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুর রহিম সরদারসহ অত্র ইউনিয়নের ইউপি সদস্যবৃন্দ। ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে তাৎক্ষনিক উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য ও রুহুল ব্রিক্স’র পক্ষ থেকে  প্রতিটি পরিবারের জন্য ১৫ কেজি চাউল, ২ কেজি ডাউল, ২ কেজি গোল আলু, ১টি করে কম্বল ও নগদ ৯শ’ টাকা প্রদান করা হয়।

বেনাপোল ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, রান্না ঘরের আগুন থেকে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত ঘটেছে বলে ধারনা করা হচ্ছে। এ অগ্নিকান্ডে ক্ষয়-ক্ষতির পরিমান আনুমানিক ২কোটি টাকা হবে। # তারিখ : ০৩/০১/১৮ ইং ।

ছবি আছে।

ক্যাপশান- শার্শা উপজেলার উলাশী-গিলাপোল সরকারী আবাসন প্রকল্পে বুধবার বিকালে হঠাৎ অগ্নিকান্ডে পুড়ে যাওয়া ঘর ও ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে আর্থিক সহায়তা দিচ্ছেন উপজেলা প্রশাসন।