Friday 27th of April 2018 10:19:54 AM

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৪জানুয়ারী,আলী হোসেন রাজন: দারিদ্র বিমোচন ও শিক্ষার প্রসারের লক্ষে দুস্ত’ ও অসহায় মানুষের মাঝে সেলাই মেশিন,টিউবওয়েল,শীতবস্ত্রসহ শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করেছে প্রবাসীদের সংগঠন রাজনগর ওয়েলফেয়ার সোসাইটি ইউকে।

৪ জানুয়ারী বিকেলে সংগঠনের ২০ বছর পূর্তি উপলক্ষে রাজনগর ডিগ্রি কলেজ মাঠে উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের দরিদ্র নারীদের ৫৫ টি সেলাই মেশিন, ১৬টি টিউবওয়েল, ১২শত দুস্ত’ পরিবারকে শীত বস্ত্র এবং দরিদ্র ও মেধাবী ২ শত ৫০ জন শিক্ষার্থীকে নগদ দুই হাজার টাকা করে শিক্ষা বৃত্তি প্রদান করা হয়েছে।
রাজনগর ওয়েলফেয়ার সোসাইটি ইউকের সভাপতি সাইদুর রহমান রেনুর সভাপতিত্বে বিতরন অনুষ্টানে অতিথি হিসেবে উপ¯ি’ত ছিলেন সৈয়দা সায়রা মহসীন এমপি, অর্থনীতিবিদ ড. কাজী খলীকুজ্জামান, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান, জেলা প্রশাসক তোফায়েল ইসলাম, জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি নেছার আহমদ,রাজনগর ওয়েলফেয়ার সোসাইটি ইউকের সহ সভাপতি আব্দুল মালিক । এছাড়া সংগঠনের সাধারন সম্পাদক মাকিনুর রশীদসহ ২৫ জন প্রবাসী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বিশিষ্ট ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
রাজনগর উপজেলার ইউকে প্রবাসীদের সংগঠন রাজনগর ওয়েলফেয়ার সোসাইটি ইউকে গত ২০ বছর ধরে এলাকার দারিদ্র বিমোচন এবং শিক্ষার প্রসারে কাজ করছে।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৪জানুয়ারী,নড়াইল প্রতিনিধিঃ কারিগরি মর্যাদাসহ চার দফা দাবিতে অনিদিষ্ট কালের জন্য কর্মবিরতী পালন করেছে নড়াইলে কর্মরত স্বাস্থ্য সহকারীরা। সোমবার সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে সদর উপজেলা হেলথ এসিস্ট্যান্ট এসোসিয়েশনের ব্যানারে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

এসময় বক্তব্য রাখেন  জেলা হেলথ এসিস্ট্যান্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি হাফিজুর রহমান, সদর উপজেলা সভাপতি আনোয়ার হোসেন মন্টু, সুজিত কুমার বিশ^াস, সুব্রত বিশ^াস, রওশন আরা খানম প্রমূখ।

দাবিগুলো হলো কারিগরি পদমর্যাদাসহ বেতনস্কেল প্রদান, মূল বেতনের ৩০ শতাংশ মাঠ-ভ্রমণ ভাতা ও ঝুঁকি ভাতা,  প্রতি ছয় হাজার জনগোষ্ঠীর জন্য একজন স্বাস্থ্য সহকারী নিয়োগ ও শুন্য পদে নিয়োগ এবং ১০ শতাংশ পোষ্য কোটার প্রবর্তনের দাবি জানান তারা।

বক্তারা অবিলম্বে তাদের দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন করার দাবি জানিয়ে বক্তরা বলেন, আমাদের দাবি মেনে না নিলে সারাদেশে প্রয়োজনীয় সকল টিকা প্রদান কর্মসূচি বন্ধ থাকবে বলেও হুশিয়ারি উচ্চারন করেন বক্তরা। সংশ্লিষ্টরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৪জানুয়ারী,জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধি:   আজ ৪ জানুয়ারী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭ ঘটিকার সময় উপজেলার দরবস্ত বাজারে জৈন্তাপুর উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। আনন্দ মিছিল পরবর্তীতে দরবস্ত বাজার মঞ্চে প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর কেক কাটা হয়।

কেক কাটা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জৈন্তাপুর উপজেলা যুবলীগের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ কুতুব উদ্দিন, জৈন্তাপুর উপজেলা যুবলীগ নেতা আব্দুল কুদ্দুস, দরবস্ত ইউপি সদস্য আওয়ামীলীগ নেতা জালাল উদ্দিন, তৈয়ব আলী কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি শাহিন আহমেদ, জৈন্তিয়া ডিগ্রী কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সিনিয়র সহ সভাপতি আব্দুর রহিম শরিফ জৈন্তাপুর উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা জুবায়ের আহমদ, মনসুর আহমেদ, রুবেল আহমদ, মামুনুর রশিদ মামুন, রায়হান আহমদ, ফয়ছল আহমদ, জিয়াউর রহমান,আমিমুল এহসান, ফরহাদ হুসেন, বুরহান উদ্দিন সাজু, বিলাল আহমদ।
জৈন্তিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রলীগ নেতা জুয়েল আহমদ, কবির আহমদ, জুবায়ের আহমদ, সেলিম আহমেদ, নির্মল দাস জয়, আম্বিয়া আহমেদ নয়ন, সহিদুর রহমান নাঈম, আহমদ হুসেন রুমান, শ্যামল দাস, আহমেদ সায়েদ, দেলাওয়ার হোসেন তুহিন, এফ এইচ রানা, পারভেজ আহমেদ, শামিম, তাজুল, রাহেল, সাদ্দাম, তানহার, গোলজার, আজমল, কাওসার, বিলাল, সাদিক, সন্জু, মেহদী, কাদির, অনিক, নিবারন, সাজু, শাহিন, ফাহিম, নিজাম, ময়নুল, ইমদাদ, হুমায়ুন, সঞ্জয়, তোফায়েল, সাহেদ, জুবায়ের, ফাহাদ, মেহদী, শাকিল, এনাম প্রমুখ।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৪জানুয়ারী,হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ    হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় প্রতিপক্ষের লাঠির আঘাতে খোকন তাতী (৩০) নামের এক মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। ৪ জানুয়ারী বৃহস্পতিবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় চুনারুঘাট হাসপাতালে মারা যান তিনি। খোকন তাতী উপজেলার সাতছড়ি বাজার টিলা এলাকার দয়া তাতীর ছেলে।

পাওয়া তথ্য মতে, মাদক ব্যবসার জের ধরে সাতছড়ি এলাকায় বুধবার ৩ জানুয়ারী সন্ধ্যায় কাজল তাতীর সাথে তার কথাকাটি হয়। একপর্যায়ে কাজল তাতী লাঠি ও (বেও) দিয়ে খোকন তাতীকে বুকে আঘাত করলে তিনি আহত হন।

স্থানীয়রা খোকন তাতীকে উদ্ধার করে চুনারুঘাট হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৪ জানুয়ারী বৃহস্পতিবার সকালে তিনি মারা যান। চুনারুঘাট থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সত্যতা স্বিকার করেছেন।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৪জানুয়ারী,হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ  হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল উপজেলায় ট্রাক-নছিমন সংঘর্ষে ইব্রাহিম মিয়া (১৮) নামের এবক সবজী ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন নছিমন চালক নুর আলী। তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রেরন করছে স্থানীয় লোকজন।
বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারী) সকাল ৭টার দিকে উপজেলার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পুটিজুরী ইউনিয়নের বামপাতা রেস্টুরেন্টের সামনে এ ঘটনাটি ঘটে।
নিহত ইব্রাহিম উপজেলার ভাটপাড়া গ্রামের আব্দুস শহীদের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, নছিমন যোগে সবজি নিয়ে দ্বিগাম্বর বাজারে যাচ্ছিলেন ইব্রাহিম। নছিমনটি বাশপাতা রেস্টুরেন্টের সামনে পেছলে নছিমনের পিছনে সিলেট গামী একটি ট্রাক সাজারো ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই সে নিহত হয়। আহত হয় নছিমন চালক।
উত্তেজিত লোকজন এক ঘন্টা মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে জনতা।
খবর পেয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সহ এলাকার বিশিস্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত হয়ে উত্তেজিত জনতাকে শান্তনা দিলে সকাল ৮টায় অবরোধ তুলে নেয় জনতা।
শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জসিম উদ্দিন খন্দকার বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৪জানুয়ারী,নড়াইল প্রতিনিধিঃ   বিশ্ববরেণ্য চিত্রশিল্পী এস এম সুলতানের ৯৩তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে নড়াইলে অনুষ্ঠিত সুলতান মেলার আজ ৯ম দিন। আজ বুধবার বেলা সাড়ে ১০ টায় নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজের সুলতান মে  জেলা প্রশাসন ও সুলতান ফাউন্ডেশনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়েছে শিশুদের চিত্রাংকন প্রতিযোগীতা।  প্রতিযোগীতার উদ্বোধন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) কাজী মাহবুবুর রশীদ।

এ সময় শিল্পী বলদেব অধিকারি,এস,এম সুলতান শিশু চারু ও কারুকলা ফাউন্ডেশনের সভাপতি শেখ হানিফ, শিল্পী সমীর মজুমদার, শিল্পী সমীর বৈরাগীসহ জেলা প্রশাসন ও এস,এম ,সুলতান ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তাসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন। এ প্রতিযোগীতায় মোট ৪ টি গ্রুপে ৩ শতাধিক প্রতিযোগী অংশ গ্রহন করেছে।

“আজমীর শরীফকে নিয়ে কোন ষড়ষন্ত্র বরদাশত করা হবে না-জাতীয় হিজরি নববর্ষ উদযাপন পরিষদ”

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৪জানুয়ারীঃ   হযরত খাজা মঈনুদ্দীন চিশতী (রহ.)’র হাত ধরে এই উপমহাদেশে ইসলামের জাগরণ ঘটেছে। তিনি এ উপমহাদেশের আধ্যাত্মিক সম্রাট। তাঁর মাযার শরীফ কেবল ভারতবাসীর কাছেই নয়, উপমহাদেশের সকল জাতি ধর্ম-বর্ণের মানুষের প্রাণকেন্দ্র আধ্যাত্মিক তীর্থভূমি। তাই বাবরী মসজিদের মত আজমীর শরীফ দখল কিংবা ভেঙ্গে ফেলার দুঃসাহস কখনোই বরদাশত করা হবে না।

ভারতের আজমীর শরীফে অবস্থিত হযরত খাজা মঈনুদ্দিন চিশতী (রহ.)-এর হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী দরগাহকে ‘হিন্দু মন্দির’ বলে উগ্র হিন্দুত্ববাদী  সংগঠন‘শিবসেনা হিন্দুস্তান’ উস্কানিমুলক দাবীর প্রতি জাতীয় হিজরি নববর্ষ উদযাপন পরিষদের চেয়ারম্যান ও মশুরীখোলা দরবার শরীফের পীর সাহেব আল্লামা শাহ মুহাম্মদ আহছানুজ্জামান (মা.জি.আ.) ও মহাসচিব এস.এম.মাসুম বাকী বিল্লাহ’র পক্ষে এক বিবৃতিতে পরিষদের সমন্বয়ক ইমরান হুসাইন তুষার তীব্র নিন্দা জানান।

নেতৃবন্দ বিবৃতিতে বলেন- এই উপমহাদেশের সকল ধর্মের মানুষের সম্প্রতির প্রতীক ভারতের আজমীর শরীফে অবস্থিত হযরত খাজা মঈনুদ্দিন চিশতী (রহ.)-এর দরগাহ শরীফ। শিবসেনার এই ঘোষনা সেই সম্প্রীতির প্রতি অবমাননা ও হুমকি। তাই ভারত সরকারের উচিত শান্তি-সম্প্রীতি সুরক্ষার জন্য এদের প্রতিরোধ করা।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৪জানুয়ারী,রেজওয়ান করিম সাব্বির,জৈন্তাপুর প্রতিনিধিঃ   জৈন্তাপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস হতে কৌশলে পাঁচার হওয়া ২০১৮সনের ৩শত সেট বইয়ের মধ্যে ৪০সেট বই উদ্ধার করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অফিস। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে প্রধান করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

গত ২জানুয়ারী জৈন্তাপুর উপজেলা চারিকাটা ইউনিয়নের আমতলা আইডিয়াল স্কুল হতে জৈন্তাপুর প্রাথমিক শিক্ষা অফিস হতে কৌশলে পাঁচার করা সরকারি ৩ শত সেট বই স্থানীয় সচেতন মহল আটক করে জৈন্তাপুর প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা খরব দেয়। সংবাদ পেয়ে তাৎক্ষনিক ভাবে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল জলিল তালুকদার ও সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ মিফতাউজ্জামানের নেতৃত্বে স্কুল হতে ৪০ সেট বই উদ্ধার করেন। এছাড়া কিছু সেট বই ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে বিতরন করা হলেও বাকী সেট বই অন্যত্র পাঁচার করা হয় বলে এলাকাবাসী জানান।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা সহকারি প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শাহ মিফতাউজ্জামান বলেন আমরা ৪০সেট বই আমতলা আইডিয়াল স্কুল হতে উদ্ধার করেছি আর বাকী বই ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে বিতরন করা হয়েছে। ঐ বিদ্যালয়ের পরিচালক আবু সাঈদ কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে বই কোথায় হতে পেয়েছে তা আমাদের নিকট বলেনি। তবে তিনি বই তার শিক্ষা অফিস হতে পাঁচার হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন। কি পরিমান বই পাঁচার হয়েছে তিনি উপস্থিত প্রতিবেদককে জানাতে পারেননি। অন্য প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন আমাদের অফিসের চাবি যার নিকট রক্ষিত আছে সেই এই ঘটনার সাথে জড়িত রয়েছে বলে প্রাথমিক ধারনা করা হচ্ছে।

এবিষয়ে জানতে জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌরীন করিম বলেন- ঘটনার সংবাদ পাওয়ার পর আমি শিক্ষা কর্মকর্তার নিকট জবাব চেয়েছি। এছাড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ সোলায়মান হোসেন কে প্রধান করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে ৩ দিনের মধ্যে এঘটনার প্রতিবেদন লিখিত ভাবে দাখিলের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

 

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৪জানুয়ারী,রেজওয়ান করিম সাব্বির,জৈন্তাপুর প্রতিনিধিঃ সিলেট জৈন্তাপুর উপজেলার পূর্ব-রুপচেং, হর্নি, পাখিবিল, কামরাঙ্গী, কালিঞ্জি ও বাইরাখেল গ্রামের প্রায় ৬শতাধিক কৃষকরা পরিবার বরবটি,  শিম, করলা চাষ করে সাভলম্বি হয়েছে। এক সময়ে সীমান্তের হত দরিদ্র কৃষক ভাগ্যের চাকা ঘুরতে সব্জি চাষে প্রাণপণ চেষ্টা করতে শুরু করে। পরবর্তিতে এক দুই জন করে এখন গ্রামের প্রত্যেকটি কৃষক পরিবার সব্জি চাষ শুরু করে। বর্তমানে ৮টি গ্রামের প্রায় ৬শতাধিক পরিবার সারা বৎসর জুড়ে বিভিন্ন প্রজাতির সব্জি চাষ করেছে। তবে স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর জৈন্তাপুর থেকে সরকারী ভাবে পায়নি কোন আর্থিক সাহায্য ও রোগ বালাইয়ের পরামর্শ। বর্তমানে পানি সংকটের কারনে স্থানীয় পুটিখালে ১টি সুইচ গোইট নির্মানের দাবী কৃষক পরিবার গুলোর।

সরেজমিন ঘুরে দেখা যায় জৈন্তাপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী নিজপাট ইউনিয়নের পূর্ব-রুপচেং, হর্নি, পাখিবিল, কামরাঙ্গী, কালিঞ্জি ও বাইরাখেল গ্রামের প্রায় ৪শত কৃষক পরিবার এবং চারিকাটা ইউনিয়নের বালিদাঁড়া, ইটাখাল, তুমইর, বাউরী টিলার প্রায় ২শত পরিবার ধান চাষের জমিতে বৎসরের ১০মাস বিভিন্ন প্রজাতির সবজি চাষ করেন আসছে। বর্তমানে ৮টি গ্রামে প্রায় ৫শত একর ধানের জমিতে বরবটি, শিম, করলা চাষ করে লাখপতি হওয়ার স্বপ্ন পূরন হয়েছে। পূর্ব-রুপচেং গ্রামের জামাল উদ্দিন, হর্নি গ্রামের সামুছুল খলিল আহমদ, পাখিবিল গ্রামের কুটি মিয়ার, ফারুক আহমদ, পাখিবিল গ্রামের ইছুব আলীর, আতিকুল হক. কামরাঙ্গী গ্রামের আব্দুস ছাত্তারের সাথে আলাপকালে প্রতিবেদককে জানান- গত ৪বৎসর যাবত নিজ উদ্যোগে ৩৩ শতাংশ পৈত্রিক ভূমিতে ধানের পরিবর্তে বিকল্প পদ্ধাতিতে বিভিন্ন ঋতুর সাব্জি যেমন লাউ, শিম, করলা, বরবটি সহ নানান রকমের সব্জি নিবিড় পরিচর্যার মাধ্যমে চাষ করছেন। বর্তমানে তিনি ১একর ভুমিতে বরবটি চাষ করে প্রায় ১লক্ষ টারকার উপরে ফলন পেয়েছে।

এছাড়া একই জমিতে অল্প খরচে শিম চাষ করেছেন ফলে শিম হতে আশানুরুপ ফলন পাবেন। সপ্তাহের ৩দিন করে তিনি ৬শ হতে ১হাজার কেজি পর্যন্ত দেশি জাতের বরবটির ফলন পায়েছেন। কৃষক আশা প্রকাশ করে বলেন বরবটি করলা শিম সহ অন্যান্য সহায়ক সব্জির বাগান দেড় থেকে ২মাস পর্যন্ত ফলন পাবেন তাতে ৪/৫লক্ষ টাকা উপর্জন হবে। কৃষক আরও বলেন ধানের চাইতে সব্জি চাষ বেশি লাভজনক। বাগান করতে বীজ, সার, কীটনাশক সহ মাচা তৈরী করতে প্রায় ৪৫হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। বর্তমানে মার্চার উপর নতুন করে উন্নত জাতের শিম গাছ লাগিয়েছেন তাতে গাছ ফল ধরতে শুরু করেছে। শিম, বরবটি এবং করলা চাষ তারা লাভবান হবেন। তাদের দাবী পানি সংকটের কারনে মারাত্বক অসুবিধায় পড়তে হয়।

৮টি গ্রামের বিভিন্ন পর্যায়ের কৃষকদের সাথে আলাপকালে তারা বলেন- শুনেছি সরকার কৃষকদের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহনে করে থাকে। এছাড়া পরিত্যাক্ত ভুমি কৃষির আওতায় নিয়ে আসার জন্য ভতিুকি দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু আমরা কোন কিছু পাই না। উপজেলায় কৃষি বরাদ্ধ যা আছে সব দরবস্ত ইউপির অধিনে নিয়ে যাওয়া হয়। আমাদের দাবী যদি স্থানীয় পুটিখালে একটি সুইচ গোইট নিমার্ণ করে দেওয়া হয় কিংবা স্থানীয় সংসদ সদস্যের মাধ্যমে বিআরডিপি প্রকল্পের আওতায় বড়গাং নদী হতে পানী সরবরাহের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয় তাহলে পানির সমস্যা দূর হবে। এছাড়া অব্যবহৃত জমি গুলোকে ফসলের আওতায় নিয়ে আসতে পারবে এবং গোটা ৬ গ্রামের বাসিন্ধারা আরও সাভলম্বি হবে বলে আশাবাঁধ ব্যক্ত করেন। বর্তমানে সীমান্ত অ লের বরবটি, শীম, করলা সহ অন্যান্য সব্জী সিলেটের বিয়ানীবাজার, গোলাপগঞ্জ এবং সিলেট বিভাগের ছোট বড় সব বাজারে আমাদের সরবরাহ হয়ে আসছে।

উপজেলা কৃষি বিভাগের কোন সহযোগিতা যেমন প্রশিক্ষণ রোগ বালাই সম্পর্কে জ্ঞান, কৃষিকার্ড বা সরকারী সাহায্যের পেয়েছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন সাহায্য দুরের কথা, প্রকৃত কৃষক হয়েও কোন কৃষি কার্ড পাননি, আর ২-১জন ৭-৮ বৎসর যাবৎ কার্ড থাকলেও বীজ, সার, কীটনাশক তারা কখনও পাননি। তারা আরও বলেন কৃষক নয় এমন ব্যক্তিরা কৃষি অফিসারের সাথে আতাত করে সরকারি সুবিধা ভোগ করেছে।

এ ব্যপারে জৈন্তাপুর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের কর্মকর্তাকে পাওয়া যায়নি। উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন-অনেকেই এসএমই সদস্য ভূক্ত নন। তাই তিনি সরকারী ভাবে কোন আর্থিক সহায়তা পাচ্ছেন না, তবে আমি ঐসব এলাকায় যাই এবং কৃষকদের সুপরামর্শ সহ বিভিন্ন রোগ-বালাই সম্পর্কে ও প্রতিকারের পরামর্শ দিয়ে থাকি। তবে পানির জন্য অনেক জায়গা অনাবদি পড়ে আছে। পুটিখালে একটি সুইচ গেইট করা হলে কিংবা বিকল্প পদ্ধতীতে পানির ব্যবস্থা করে দিলে তাহলে কৃষকরা উপকৃত হবে এবং অনাবাদি জমি গুলো কৃষির আওতায় আসবে।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৪জানুয়ারী,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ভিশন -২০২১ কে সামনে রেখে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে জনগনের দোর গোড়ায় সহজে সঠিক ও সর্বশেষ তথ্য সেবা পৌঁছে দেবার লক্ষ্যে চালু হয় বৃহত্তম ওয়েব পোর্টাল জাতীয় তথ্য বাতায়ন (নধহমষধফবংয.মড়া.নফ)। এটি সরকারের অন্যতম ই-গভর্নেন্স উদ্যোগ।

ইন্টারনেট ব্যবহার করে জনগণ এ তথ্যভান্ডার থেকে সরকারের ৫৮ টি মন্ত্রণালয়, ৩৫৩ টি অধিদপ্তর, ৮ টি বিভাগের ৪৯১টি উপজেলার ৪৫৫৪ টি ইউনিয়নের সমস্ত তথ্য জনগণ যাতে পায় ও সুফল ভোগ করতে পারে সে জন্যই এই উদ্যোগ।

কিন্তু উপজেলা, ইউনিয়ন পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা ও অব্যবস্থাপনার এবং তথ্যপ্রদানে অনাগ্রহের প্রথাগত অভ্যাসের কারনে মৌলভীবাজার জেলার ৭ টি উপজেলার প্রায় অধিকাংশ ইউনিয়ন পরিষদের ওয়েব সাইটে রয়ে গেছে তথ্য ঘাটতি। অনন্য এ পোর্টালের সুবিধার বদলে তথ্য বিভ্রান্তিতে পড়তে হচ্ছে তথ্য ও সেবা গ্রহনকারীদের, নেই পর্যাপ্ত সঠিক ও সর্বশেষ তথ্য সন্নিবেশ, নিয়মিত হালনাগাদ কার্যক্রম। দীর্ঘদিন আগে আপলোড করা নামমাত্র তথ্য এবং বিভ্রান্তিকর উপাত্ত দিয়েই চলছে জেলার তথ্য বাতায়নগুলো। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে যখন এগিয়ে চলছে দেশ, তখনই যেন থেমে আছে জেলার বিভিন্ন উপজেলার সরকারী দপ্তরের তথ্যবাতায়নগুলো।

স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক, উদ্ভাবনী ও জনমুখী প্রশাসন প্রতিষ্ঠা এবং সরকার ও নাগরিকের মধ্যকার সেতুবন্ধনের লক্ষেই এ বাতায়নের যাত্রা। কিন্তু সমাজের সচেতন মহল, তরুন-তরুণী উপকার প্রত্যাশীসহ জনগণ প্রয়োজনীয় তথ্য সেবা প্রাপ্তি থেকে বি ত হচ্ছেন শুধুমাত্র বিভিন্ন দপ্তরের এ বিষয়ে তথ্য প্রদানের ব্যাপারে উদাসীনতার কারনে ।

জানা যায়, ওয়ান স্টপ অনলাইন পোর্টাল হিসেবে বাংলাদেশ সরকারের এই ওয়েব পোর্টাল সরকারি সেবাসমুহের সর্বশেষ তথ্য প্রদান করার লক্ষ্য নিয়ে চালু করা হয়ে থাকলেও গত ২৯ থেকে ৩১ ডিসেম্বর জেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদ ও সরকারী দপ্তরের ওয়েবসাইট ঘেঁটে বিভিন্ন অসংঙ্গতি, তথ্যঘাটতি, অপ্রয়োজনীয় তথ্য সন্নিবেশ, বিভ্রান্তিমূলক তথ্য, পুরানো তথ্য দেখতে পাওয়া যায়। এ ক্ষেত্রে জেলার সংশ্লিষ্টদের গাফিলতি ও উদাসীনতাই মুখ্য কারন। তথ্য ঘাটতি সম্পর্কে উদ্যোক্তা ও ইউপি সচিবরা পরস্পরবিরোধি কথা বলেন। কুলাউড়া, রাজনগর, কমলগঞ্জ ও শ্রীমঙ্গলের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন উদ্যোক্তা বলেন, ‘আমাদেরকে তথ্য-উপাত্তের হার্ড বা সফটকপি না দিলে বাতায়নে আপলোড দিতে পারিনা। ফলে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমুলক কাজ বা সরকারী কার্যক্রম পোর্টালে আসে না।’

মাঠ পর্যায়ে ডিজিটাল বাংলাদেশের প্রবেশদ্বার খ্যাত এ সমন্বিত ওয়েব পোর্টাল ঘেঁটে যা পাওয়া যায় তাতে দেখা যায়, উপজেলার সরকারী প্রতিষ্টান সমুহের, প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদের নিজস্ব পাতায় সুবিধাভোগীদের তালিকা ভিজিএফ, অতিদরিদ্রদের নামের তালিকা, ভিজিডি, প্রতিবন্ধী ভাতা, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কমিটি, হতদরিদ্রের তালিকা, মহিলা বিষয়ক মাতৃত্বকালীন ভাতা, সমাজসেবা বিষয়ক মুক্তিযোদ্ধা ভাতা, প্রতিবন্ধী ছাত্র-ছাত্রী ভাতা, একটি বাড়ি একটি খামার, বিআরডিবি, প্রবাসীদের তালিকা, বিদ্যালয়ের নাম, মুক্তিযোদ্ধার তালিকা, হাটবাজারের তালিকা, পূর্বতন ও বর্তমান চেয়ারম্যানের তালিকা, সদস্যগণের তালিকা, গ্রাম পুলিশদের তালিকা, কোন গ্রামে কত লোক সংখ্যার তালিকা সহ আরও তথ্য থাকার কথা। কিন্তু জেলার দু’একটি উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়ন ব্যাতীত অন্য সব ইউনিয়ন ও প্রতিষ্ঠানের পুর্ণাঙ্গ তথ্য বাতায়নের স্ব স্ব দপ্তরের পাতায় নেই এবং ভাতা ভোগিদের তথ্যে মারাত্বক অসঙ্গতি পরিলক্ষিত হয়েছে।

৩০/১২/২০১৭ ইং তারিখ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, উপজেলার  সব ইউনিয়ন ও প্রতিষ্ঠানের পুর্ণাঙ্গ তথ্য নীড়পাতায় নেই এবং এসবের কোন তথ্য হালনাগাদ করা নেই এবং ভাতা ভোগিদের তথ্যে মারাত্বক অসঙ্গতি পরিলক্ষিত হয়েছে। মির্জাপুর ইউনিয়নে বয়স্ক ভাতাভোগিদের নাম আছে  কিন্তু এতে দেখা যায়, ২৭ জন বয়স্ক ভাতাভোগিদের ১৪ জনেরই পরিচয়ে মারাত্বক অসঙ্গতি। হিন্দু লোকের পিতা হিসেবে ইসলাম, ইসলাম ধর্মের লোকের পিতার নাম হিন্দু হিসেবে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে! এছাড়াও, বর্তমান চেয়ারম্যানের তালিকা হালনাগাদকৃত নয়, পুর্বতন চেয়ারম্যানদের যে নাম গুলো রয়েছে (শাহ আলম সরকার, তৈয়ব আলী, মো. মাজেদুল ইসলাম সরকার, কফিল উদ্দিন)  এরা কখনোই এ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন না।

অন্য অঞ্চলের ইউনিয়নের প বার্ষিকী পরিকল্পনা মির্জাপুর ইউনিয়নে কপি – পেষ্ট করে দেওয়া আছে। যেখানে অন্য উপজেলার গ্রামের নাম আছে।এ বিষয়গুলো স্বীকার করেছেন ইউপি সচিব ও চেয়ারম্যান। হাটবাজারের তালিকায় যেগুলো দেওয়া আছে এগুলোর কোন অস্তিত্ব নেই শ্রীমঙ্গল উপজেলায়। এছাড়া, যতগুলো চ্যাপ্টার এ (লিঙ্ককৃত) তথ্য থাকার কথা, সেগুলোর অনেকখানি খালি। এ ব্যাপারে মৌলভীবাজার সদরের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বাসিন্দা বলেন, যেহেতু পোর্টালের প্রতিটি পাতায় সামাজিক যোগাযোগ লিঙ্ক রয়েছে, বিভ্রান্তিমুলক তথ্য সমৃদ্ধ পাতা শেয়ার করলে জনমনে ভুল বার্তা যাবে। এ দিয়ে ঘরে ঘরে দেশব্যাপী সরকারের কর্মকান্ডের বিবরণ পৌঁছানো যেত। এরুপ একটি অনন্য উদ্যোগ মাঠ পর্যায়ের উদাসীনতা, পুরোনো প্রথা নির্ভর থেকে আইসিটিতে অনাগ্রহীতার জন্য ভেস্তে যেতে পারে না।

শ্রীমঙ্গল উপজেলার মির্জাপুর ইউপি সচিব নারায়ন গোস্বামী বয়স্কভাতা তালিকায় মারাত্বক অসঙ্গতি ও তথ্যের অপ্রতুলতা সম্পর্কে বলেন, ‘যদি এরুপ হয়ে থাকে তাহলে মারাত্বক ভুল হয়েছে।’ তবে এরুপ ভুল মেনে নেওয়া যায়না বলেও তিনি মন্তব্য করেন এবং এ ব্যাপারে দেখে আশু ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান।

মির্জাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আবু সুফিয়ান বলেন, ‘আমি এখনো দেখিনি, তবে আপনার কাছ থেকে পুর্বতন চেয়ারম্যানদের নাম শুনে মনে হয়েছে এতে ভুল তথ্য রয়েছে। এরুপ কোন চেয়ারম্যান এ ইউনিয়নে দায়িত্ব পালন করেননি। আমি সচিবের ও উদ্যোক্তার সাথে এ বিষয়ে কথা বলবো।’

শ্রীমঙ্গল উপজেলার সহকারী প্রোগ্রামার মোহাম্মদ সাজেদুল হাসান বলেন, প্রত্যেক দপ্তরের তাদের নিজেদেরই তথ্য আপডেট করার কথা, আমরা শিখিয়ে দিচ্ছি ও তাদেরকে হালনাগাদ করার তাগিদ দিচ্ছি। এটুআই’র (একসেস টু ইনফরমেশন) তৈরীকৃত চ্যাপ্টার ইতিমধ্যে দিয়ে দেয়া আছে। কারিগরী ত্রুটি ব্যাতীত তথ্য হালনাগাদ কার্যক্রম স্ব স্ব কার্যালয় দেখবে। আমার জানামত কারিগরী কোন ত্রুটি নেই।

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার এরিয়া ম্যানেজার পারভেজ কৈরী জানান, সরকার, প্রশাসন ও তথ্য কমিশন তথ্য অধিকার আইন বাস্তবায়নের জন্য পুুরোপুরি মাঠে নেমে গেছে। এ ক্ষেত্রে সুফল পেতে হলে তরুনদের মধ্যে জনসচেতনতা ও সংবাদপত্রের ভূমিকা খুবই জরুরী।

মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক তোফায়েল ইসলাম জানান, সম্প্রতি পুরো জেলায় উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ সমাপ্ত হয়েছে। খুব শিগগিরই এ ব্যাপারে আশানুরুপ বাস্তবায়নের কাজ সম্পন্ন হবে।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারের আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক’র সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘জনগণকে সঠিক ও পর্যাপ্ত তথ্যসেবা প্রদানের জন্যই তথ্য বাতায়ন। সরকার সেটার বাস্তবায়ন চায়, জনগণ সুফল পেতে আগ্রহী। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্টদের যথাযথ কার্যার্থে ও ব্যবস্থা নিতে প্রশাসনিক নির্দেশনা ও বলে দেব’।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এটুআই বিভাগের ন্যাশনাল কনসালট্যান্ট মো. আশরাফুল আমিন জানান, মন্ত্রীপরিষদ থেকে জেলা পর্যায়ে বাজেট ছাড় করা হয়েছে, এ পরিপ্রে্িক্ষতে পরবর্তী করণীয় বিষয়ে জেলাপ্রশাসক ও ইউএনওদের জানিয়ে দিয়েছি এবং আবারো চিঠি দিয়ে অবহিত করা হবে। আশা করা যাচ্ছে, আগামী ০১ (এক) মাসের মধ্যে এর দৃশ্যমান উন্নয়ন সাধিত হবে। সাধারণত উদ্যোক্তা ইউএনওদের তত্বাবধানে থাকেন ও ইউএনওদের পুরো উপজেলার অগ্রাধিকারযোগ্য দায়িত্ব¡। নিজেদের কার্যালয় থেকে তথ্য তালিকা নিয়ে খুব সহজে আপলোড ও তথ্য হালনাগাদ করা যায়। এগুলো,তাছাড়া, বাতায়নে নিজেদের দপ্তরের কার্যাবলী আপলোড করা ও দেখভাল করার দায়িত্ব ঐ দপ্তরের, স্ব স্ব অফিসের।

মৌলভীবাজার জেলাবাসী মনে করেন তথ্য বাতায়নে সঠিকভাবে তথ্য লিপিবদ্ধ করলে জনগন ও প্রবাসী বাংলাদেশীসহ বিশে^র যেকোন ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান সরকারের বিভিন্ন কর্মকান্ড সম্পর্কে অবহিত হবে এবং নিজেদেরকে সম্পৃক্ত করতে পারবে।