Monday 23rd of July 2018 11:40:42 AM

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩জানুয়ারী,ডেস্ক নিউজঃ   আজ বুধবার দুপুরের দেশের মন্ত্রিসভার দপ্তর পুনর্বণ্টন করা হয়েছে। নতুন নিয়োগ পাওয়া চার মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে দপ্তর বন্টন করা হয়েছে। পাশাপাশি পুরোনো মন্ত্রীদের মধ্যে কয়েকজনের দপ্তর পুনর্বন্টন করা হয়েছে।বৈঠকের পর এক ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, আট মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর দফতর পুনর্বণ্টন করা হয়েছে। বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় থেকে আনোয়ার হোসেন মঞ্জুকে দেয়া হয়েছে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব। আর পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দওয়া হয়েছে আনিসুল ইসলাম মাহমুদকে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসা রাশেদ খান মেননকে দেয়া হয়েছে সমাজকল্যাণমন্ত্রীর দায়্ত্বি। আর পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে নতুন নিয়োগ পাওয়া এ কে এম শাজাহান কামালকে। আর সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হয়েও মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে আসা নুরুজ্জামান আহমেদ এখন থেকে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিমকে তথ্য প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও জানান, মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবে নতুন শপথ নেয়া নারায়ণ চন্দ্র চন্দকে দেয়া হয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রীর দায়িত্ব। এছাড়া, মোস্তাফা জব্বারকে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং কাজী কেরামত আলীকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাদ্রাসা ও কারিগরি বিভাগের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

গতকাল (মঙ্গলবার) সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে প্রথমে তিন মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ, মোস্তফা জব্বার ও শাহজাহান কামালকে শপথবাক্য পাঠ করান প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ। এরপর প্রতিমন্ত্রী হিসেবে কাজী কেরামত আলীকে শপথবাক্য পাঠ কারন তিনি।

শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্যসহ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা।

নতুনদের মধ্যে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস- বেবিস সভাপতি মোস্তফা জব্বার নির্বাচিত সংসদ সদস্য না হওয়ায় তাকে টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী করা হয়। আগে থেকে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করা নারায়ণ চন্দ্র চন্দকে পূর্ণমন্ত্রী করা হয়েছে। তিনি বর্তমান সরকারের প্রথম থেকেই মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছিলেন।

গত ১৭ ডিসেম্বর ওই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছায়েদুল হকের মৃত্যুতে ১৭ ডিসেম্বরের পর থেকে পদটি ফাঁকা ছিল।

 কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নিঃআইএসপিআরঃদুই বিদেশি নাগরিকসহ আহত-৪ হাসপাতাল সূত্র

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩জানুয়ারী,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ  মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) শ্রীমঙ্গল কার্যালয়ের ভেতরে একটি হেলিকপ্টার জরুরি অবতরণ করেছে। আন্তবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পরিচালক জানিয়েছেন, এ ঘটনায় কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। স্থানীয় সুত্রে জানা যায়,আজ বুধবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে। ঘন কুয়াশার কারনে এ দুর্ঘটনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আইএসপিআরের পরিচালক লে. কর্নেল রাশেদুল হাসান বলেন,কোনো সমস্যার কারণে হেলিকপ্টারটি জরুরী অবতরণ করেছে। তবে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। পাইলট সুস্থ আছেন।
অপরদিকে স্থানীয় ও হাসপাতাল সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় দুই বিদেশি নাগরিকসহ ৪ জন আহত হয়েছেন। আহতদের শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।বিস্তারিত আসছে………………।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩জানুয়ারী,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় হাওর রক্ষা বাঁধের পিআইসি গঠনে গত বছরের তালিকার্ভূক্ত দুর্নীতিবাজ কোনো পরিবারের সদস্যদের সাধারণ সম্পাদক ও বিভিন্ন ওয়ার্ড সদস্যদের পিআইসি সভাপতি পদে অন্তর্ভূক্ত না করার প্রতিবাদে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।সচেতন নাগরিক সমাজের ব্যানারে সামাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজন দুপুরে উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচি পালন করেন।

শাল্লা উপজেলা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি রথীন্দ্র চন্দ্র সরকারের সভাপতিত্বে ও সাংবাদিক বিপ্লব রায়ের স ালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন,দৈনিক শাল্লার খবর ডট কমের সম্পাদক বাদল চন্দ্র দাস। আরো বক্তব্য রাখেন শাল্লা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি জয়ন্ত সেন, সাংগঠনিক সম্পাদক শান্ত কুমার তালুকদার,উপজেলা যুবলীগ নেতা মতিলাল চৌধুরী, প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক শংকর চন্দ্র ঋষি,প্রত্যাশা প্রতিবন্ধী সমিতির আহ্বায়ক মুখলেছুর রহমান প্রমুখ।

বক্তারা স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক নতুন প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটি গঠনের জোর দাবি জানান এবং এবিষয়ে কোনো রূপ স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতির আশ্রয় নিলে আরো কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারি দেন। তবে শাল্লা উপজেলার মাদারিয়া বাঁধে গত বছরের দুর্নীতিবাজ পিআইসির সভাপতি বিরুদ্ধে দুদকের মামলা থাকার জন্য এবং তার ভাইকে এই পিআইসি কমিটিতে অর্ন্তভুক্ত না করার জন্য দাবী জানানো হয়।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩জানুয়ারী,ডেস্ক নিউজঃ   শপথ নিয়েছেন নতুন তিন মন্ত্রী ও এক প্রতিমন্ত্রী। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে তারা শপথ নেন। তবে কে কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন তা এখনো জানা যায়নি। আজ তাদের দপ্তর বণ্টনের কথা।শপথ অনুষ্ঠানের পর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে দপ্তর বণ্টন করে আদেশ জারি করা হবে।

এর আগে সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব টেলিফোন করে তাদের প্রস্তুত থাকার অনুরোধ জানানো হয়। এর মধ্যে পদোন্নতি পেয়ে পূর্ণমন্ত্রী হচ্ছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ। এই মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হতে পারেন লক্ষ্মীপুর-৩ এর এমপি একেএম শাহজাহান কামাল।

স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী করা হতে পারে রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য কাজী কেরামত আলীকে। এছাড়া আইসিটি মন্ত্রী হতে পারেন প্রযুক্তিবিদ ও বেসিসের সভাপতি মোস্তাফা জব্বার।

জানা গেছে, সরকারের মেয়াদের চার বছরের মাথায় মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ যোগ দেয়ার পাশাপাশি কিছু রদবদল হতে পার বলে আভাস পাওয়া গেছে।

সরকারের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানায়, নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের শপথের জন্য পাঁচটি গাড়ি প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এই চারজনের শপথ ছাড়াও মন্ত্রিসভায় আরও কিছু রদবদল আসতে পারে বলে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এবং সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। বাদ পড়তে পারেন কয়েকজন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী এবং উপমন্ত্রী।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে উপস্থিত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন নারায়ণ চন্দ্র চন্দ। তিনি সোমবার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমকে বলেন, মন্ত্রিপরিষদ সচিব সোমবার দুপুর ১২টার একটু পরে তাকে ফোন করেছিলেন। সেই ফোনে তাকে আজ সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতি ভবনে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

নারায়ণ চন্দ্র চন্দ যেহেতু মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন তাকে বঙ্গভবনে শপথের জন্য ডাকার অর্থ তিনি পদোন্নতি পাচ্ছেন।

প্রসঙ্গত, ৭২ বছর বয়সী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ খুলনা-৫ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন তিনবার। ২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ টানা দ্বিতীয় দফায় সরকার গঠন করলে নারায়ণ চন্দ্রকে দেয়া হয় প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব। আর পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী হন সায়েদুল হক। কিন্তু তিনি ১৬ ডিসেম্বর মারা গেলে এই পদ খালি হয়।

রাজবাড়ী-১ আসনের এমপি কাজী কেরামত আলীও সোমবার কাছে ফোন পাওয়ার কথা স্বীকার করেন। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘মন্ত্রিপরিষদ সচিব দুপুরে ফোন করেছিলেন আমাকে। কাল (আজ) সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে থাকতে বলেছেন।’ এই সংসদ সদস্য রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বও পালন করছেন।

লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান কামাল বলেন, আজ সন্ধ্যা ৬টায় শপথ হবে বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে তাকে জানানো হয়েছে। তিনি ফোন পাওয়ার সময় লক্ষ্মীপুরে অবস্থান করছিলেন। সন্ধ্যায় ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেন।

২০১৪ সালের ১২ জানুয়ারি গঠিত বর্তমান সরকারের মন্ত্র্রিসভায় ইতিমধ্যে তিনবার রদবদল হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ আরেক দফা রদবদল হতে যাচ্ছে। প্রথমবার রদবদল হয়েছিল শপথ গ্রহণের মাস দেড়েক পর ২০১৪ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি।

ওইদিন আবুল হাসান মাহমুদ আলীকে (এমএইচ মাহমুদ আলী) পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং নজরুল ইসলামকে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয়। প্রায় দেড় বছর পর ২০১৫ সালের ১৪ জুলাই মন্ত্রিসভায় যোগ হন নতুন পাঁচজন। তাদের মধ্যে ওইদিন আসাদুজ্জামান খান কামাল স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী থেকে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান প্রতিমন্ত্রী থেকে পদোন্নতি পেয়ে পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।

একইদিন মন্ত্রী হিসেবে আরও শপথ নেন প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী নুরুল ইসলাম বিএসসি। সেদিন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তারানা হালিম (ডাক ও টেলিযোগাযোগ) এবং নুরুজ্জামান আহমেদ (সমাজ কল্যাণ)।

মন্ত্রিসভায় সর্বশেষ রদবদল হয় ২০১৫ সালের ৯ জুলাই। ওই রদবদলে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে তৎকালীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে দফতরবিহীন মন্ত্রী করা হয়।

একইদিন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বদলে এলজিআরডি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়া হয় ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে। এক সপ্তাহ পর সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেয়া হয়।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩জানুয়ারীঃ নিজস্ব প্রতিবেদক:  আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন এখনো অনেক দেরি। একাদশ জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সারাদেশের মতো ভোলা সদর আসনে ও  সম্ভব্য প্রার্থীদের প্রচার প্রচারনার কমতি নেই। বিভিন্ন ইস্যুকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও  বিভিন্ন গনমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে সয়লাব হয়ে উঠছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা, বাংলাদেশ আয়ামী লীগে উপ কমিটির সাবেক সহ-সম্পাদক ও ভোলা জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য  হেমায়েত উদ্দিন।  আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা- ১ আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী তিনি। সম্প্রতি তিনি নিজেকে সম্ভব্য প্রার্থী হিসেবে  মেলে ধরেছেন।  ভোলা সদর সহ জেলার সকলস্থানেই তার পোষ্টার, পেষ্টুন ও ব্যানারে ছেয়ে গেছে।

সরজমিনে দেখা যায়, ভোলা সদর উপজেলার রাজাপুর ইউনিয়নে জম্মগ্রহন করা হেমায়েত উদ্দিন ভোলা জেলার আওয়ামী লীগের একজন সক্রিয় নেতা। রাজনীতিতে তার মেধা ও দূরদর্শী চিন্তায় নিজেকে মেলে ধরছেন জাতীয় পর্যায়ে। তবে এবারই প্রথম তিনি আওয়ামী লীগ থেকে মনোয়ন প্রত্যাশা করেন।  দলের মনোনয়ন পেতে জেলার বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখছেন।  ২০০৮ সালের নির্বাচনের পর থেকে এলাকায় তার জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে।  বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ঘিরে ছাত্র রাজনীতি থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের অনেক প্রবীন রাজনীতিবীদরা তাকে দলের একনিষ্ঠ ত্যাগী নেতা হিসেবেই জানেন।

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়,  ভোলা সদর আসন বর্তমান সরকারের বানিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ দল থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশা করেন। তিনি কয়েকবার এমপি মন্ত্রী হয়েও ভোলা সদর আসন তেমন উন্নয়নের মুখ দেখেনি। জেলা আওয়ামী লীগের বিভিন্ন কমিটি নিজের আত্মীয় পরিজন নিয়েই করা। যার ফলে উন্নয়ন বঞ্চিত ভোলার জনগন। এই আসনে বিকল্প প্রার্থী আসলে হয়তো ভোলায় উন্নয়নের ছোঁয়া লাগবে।

স্থানীয়  আ’লীগ নেতা মনিরুজ্জামান জানান, আমি আওয়ামী লীগ করি গত ২ যুগ ধরে। দল থেকে কখনো কিছু পাইনি। চাইও না। চাই শুধু এলাকার উন্নয়ন। বিগত দিনে ভোলার রাজনীতি ভংঙ্কর ছিল।  সামনে কি হয় জানি না। তবে দলের এখানকার রাজনীতিতে পরিবর্তন আসলে হয়তো ভালো কিছু আশা করতে পারি।

ইলিশা ইউনিয়নের রুজিনা বেগম নামের এক বৃদ্ধা জানায়, শুনলাম, হেমায়েত নামের একজন এবার ভোলায় এমপি প্রার্থী হবে। তার ছবি পোষ্টারে, পত্রিকায় দেখছি। এলাকায়ও ভালো ভালো কাজ করছে। গরীবদেরকে সাহায্য সহযোগিতা করছে। আমরা ও চাই আমাদের এলাকায় ভালো মানুষ  এমপি হোক।

এদিকে হেমায়েত উদ্দিন সমর্থক গোষ্টি এখন ব্যাস্ত সময় পার করছেন। আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে সদর উপজেলার ভোটারদের মধ্যে সৃষ্টি হয়েছে অন্যরকম এক উৎসাহ উদ্দীপনা আর আমেজ। প্রার্থীদের পাশাপাশি তাদের সমর্থকরা মাঠে তৎপর হয়ে উঠেছে।

হেমায়েত উদ্দিন জানান, আমি দল ও  জননেত্রী দেশরত্ম শেখ হাসিনা’র হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারন করে সমাজের উন্নতি ও জনগনের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছি। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা সদর আসন থেকে নির্বাচন করার লক্ষ্যে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করছি। এলাকার মানুষ ইত্যেমধ্যে আমাকে নির্বাচন করার জন্য উৎসাহ জোগিয়েছে। ভোলার মানুষের ভাগ্য উন্নয়নের জন্য আগামীতে নির্বাচন করবে। যতদিন বেঁচে আছি ভোলা জেলার জনগনের পাশে থাকার জন্য রাজনীতি করে যাবে। জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে মনোনয়ন দিলে আল্লাহর রহমতে ভোলা সদর আসনে আওয়ামী লীগ বিপুল ভোটে বিজয় লাভ করবে।