Friday 14th of December 2018 03:26:40 AM

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩১জানুয়ারী,গীতি গমন চন্দ্র রায় পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ আসন্ন এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০১৮ খ্রিঃ অনুষ্ঠিতব্য তথ্য দিতে অনিহা প্রকাশ করেন পীরগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমি ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আরিফুল্লাহ। তিনি তথ্য ও উপাত্ত না দিতে গনমাধ্যম কর্মীদের  সময় ও কালক্ষেপন করেন। এ নিয়ে রানীশংকৈল উপজেলার নির্বাহী অফিসার নাহিদ হাসান পীরগঞ্জের অতিরিক্ত দায়িত্বে নিয়োজিত’র সঙ্গে মুঠো ফোনে জানতে চাইলে তিনি বিষয়টি শিক্ষা অফিসারের নিকট অবগত করবেন বলে এ প্রতিনিধিকে জানান।

প্রকাশ গত ৩১ জানুয়ারী, ২০১৮ তারিখে পীরগঞ্জ উপজেলার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা দপ্তর কার্যালয়ে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার বিষয়ে পরীক্ষার্থী, কেন্দ্র, ভ্যানু সহ ভোকেশনালের কেন্দ্রের ও পরীক্ষার্থীর সংখ্যার তথ্যাদি চাইলে উক্ত শিক্ষা অফিসার তথ্যাদি দিতে অনিহা প্রকাশ করেন। এসব তথ্যের জন্য ক’দিন ধরেই ঐ অফিসে এ গনমাধ্যম কর্মী সহ আরো কয়েক জন গনমাধ্যম কর্মী তথ্যাদির জন্য গেলে অফিস স্টাফ বসাক বাবু সহ অন্যান্য স্টাফগন আজ কাল, কাল পরশু দিন আসতে বলেন।

তিনারা  বলেন কর্মকর্তা ছাড়া কোন তথ্য দেওয়া যাবে না। গতকাল কয়েকবার ঐ অফিসে তথ্যাদির জন্য যাওয়া হলে শেষে বৈকাল ৪ ঘটিকার পরে শিক্ষা কর্মকর্তা আরিফুল্লাহ তার অফিসে কোচিং সেন্টার ব্যবসায় জড়িত ৪ ব্যবসায়ীর সঙ্গে কোচিং সম্পর্কে মশগুলে ব্যস্ত থাকেন। এ সময় কয়েক জন গনমাধ্যম কর্মী আসন্ন ১ ফেব্রুয়ারী, ২০১৮ খ্রিঃ পরীক্ষার তথ্যাদির জন্য জানতে চাইলে তিনি জানায় কতটি পরীক্ষা কেন্দ্র, কতজন পরীক্ষার্থী ও ভ্যানু কেন্দ্র কোথায় তার তথ্য তিনার কাছে নেই। এমন কি শিক্ষামন্ত্রণালয় কর্তৃক কোচিং সেন্টার ব্যবসায়ীরা পরীক্ষা সময়ের ৭দিন পূর্ব হতে বন্ধ রাখার জন্য জারিকৃত চিঠিপত্র দেখালেও তার কপি দিতে অনিহা প্রকাশ করেছেন।

তথ্য বিবরণীতে জানা যায় উক্ত অফিসার পাশ্ববর্তী জেলার বাসিন্দা হওয়ায় এ উপজেলায় যোগদানের পর থেকে তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষ ও ব্যাক্তিদ্বয়ের নিকট সুযোগ সময়ে কখনো তদন্ত ও অনিয় ত্রুটির নামে মোটা অঙ্কের উৎকোচ গ্রহণ করেন। উৎকোচ গ্রহণ করলেও ঐ ব্যাক্তিকে বিভিন্ন ভাবে হেনেস্তা করার তথ্য পাওয়া যায়। সর্বপুরি তিনি ধরাকে সরা জ্ঞান মনে করে খেয়াল খুশী ভাবে উপজেলা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তার এহেন কর্মকান্ডের জন্য স্থানীয় বেশ কিছু গণমাধ্যম কর্মীগন ধিক্কার ও অনিহা প্রকাশ করেছেন।

“নড়াইলে ২য় বিভাগ ক্রিকেট লীগে শুভেচ্ছা ক্লাব, নড়াইল  চ্যাম্পিয়ন ও আরাফাত রহমান কোকো যুব ও ক্রিড়া সংসদ,নড়াইল রানার্সআপ”

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩১জানুয়ারী,নড়াইল প্রতিনিধি:নড়াইলে অনুষ্ঠিত ২য় বিভাগ ক্রিকেট লীগে শুভেচ্ছা ক্লাব, নড়াইল  চ্যাম্পিয়ন এবং আরাফাত রহমান কোকো যুব ও ক্রিড়া সংসদ,নড়াইল রানার্সআপ হয়েছে। জেলা ক্রিড়া সংস্থার আয়োজনে বুধবার নড়াইল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত এ লীগের সমাপনী খেলা ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।  সমাপনী খেলায় শুভেচ্ছা ক্লাব, নড়াইল ৫১ রানে আতাউর রহমান ক্রিকেট একাডেমি, নড়াইলকে পরাজিত করে ।

এ লীগে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে থাকায় শুভেচ্ছা ক্লাব, নড়াইল  চ্যম্পিয়ন এবং আরাফাত রহমান কোকো যুব ও ক্রিড়া সংসদ,নড়াইল রানার্সআপ হয়। খেলা শেষে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক মোঃ এমদাদুল হক চৌধুরী।

এ সময়  নড়াইল পৌরসভার মেয়র মোঃ জাগাঙ্গিও হোসেন বিশ^াস, জেলা ক্রিড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক আশিকুর রহমান মিকু, সহ সভাপতি মোঃ হাসানুজ্জামান, মোঃ আইয়ুব খান বুলু, যুগম সম্পাদক কৃষ্ণপদ দাস, জেলা ক্রিড়া সংস্থার কর্মকর্তা, খেলোয়ারবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। শুভেচ্ছা ক্লাবের সুমন ম্যান অব দ্যা সিরিজ, সোহান ম্যান অব দ্যা ম্যাচ এবং সুমন ও মামুন সর্বচ্চ উইকেট ধারি খেতাবের পুরস্কার পান।

 বুধবারের খেলায় শুভেচ্ছা ক্লাব, নড়াইল প্রথমে ব্যাট করে ৩৫ ওভার ২ বলে  সব কয়টি উইকেট হারিয়ে  ২শত ০৩ রান করে  জবাবে আতাউর রহমান ক্রিকেট একাডেমি, নড়াইল ৩২ ওভার ১ বলে  সব কয়টি (১০) উইকেট হারিয়ে ১ শত ৫২  রান করে । এ প্রতিযোগীতায় জেলার  মোট ৯  টি ক্রিকেট দল অংশ নেয়।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩১জানুয়ারী,জৈন্তাপুর সিলেট প্রতিনিধি:   গত ৩০ জানুয়ারী মঙ্গলবার দুপুরে সিলেট তামাবিল মহাসড়কের তামাবিলে দূর্ঘটনায় অাহত হন জৈন্তাপুর উপজেলা অাওয়ামীলীগের সাবেক কমিটির সদস্য, জৈন্তাপুর উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি মানিক দে৷

স্থানীয় ব্যবসায়ীরা থাকে উদ্ধার করে জৈন্তাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে অাসালে তার অবস্থা গুরত্বর হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক থাকে সিলেট এমএজি ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করে৷ সেখানে তার অবস্থা অরও অবনতি হলে ঢাকায় একটি হাসপাতালে প্রেরন করা হয়৷ কিন্তু মৃত্যু তার পিছু ছাড়েনি অবশেষে গতকাল ৩১ জানুয়ারী বুধবার দুপুরে ঢাকার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইহলোকের মায়া ত্যাগ করিয়া পরলোক গমন করেন৷

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৫ বছর৷ তিনি ১স্ত্রী সহ ২ছেলে ২মেয়ে সহ অসংখ্য অাত্মীয় স্বজন সহ শুভাকাঙ্খি রেখে যান৷ রাত ১০ টায় তার শেষকৃত অনুষ্টিত হবে৷

আওয়ামী লীগ নেতা মানিক দে’র মৃত্যুতে বিভিন্ন মহলের শোকঃ
জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা নিজপাট ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক পাপলু দে’র পিতা মানিক দে’র মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ২৩২-সিলেট-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবং ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ইমরান আহমদ। জৈন্তাপুর উপজেলা অাওয়ামীলীগের সভাপতি মোঃ অাব্দুল্লাহ, সিনিয়র সহ সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান কামাল অাহমদ, জৈন্তাপুর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল হক, ডেপুটি কমান্ডার হাজী অানোয়ার হোসেন, নিজপাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও জৈন্তাপুর উপজেলা অাওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মঞ্জুর এলাহী সম্রাট৷ জৈন্তাপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এখলাছুর রহমান, চারিকাটা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অাইয়ুব অালী, উপজেলা অাওয়ামী সেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি অাব্দুল কাদির, জৈন্তাপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহেদ অাহমদ, সাবেক সভাপতি ফয়েজ অাহমদ, জৈন্তাপুর অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি এম.এম রুহেল, সাধারন সম্পাদক মোঃ রেজওয়ান করিম সাব্বির, জৈন্তাপুর উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক ও জৈন্তাপুর ষ্টেশন বাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারন সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম, জৈন্তাপুর উপজেলা যুবলীগের অাহবায়ক অানোয়ার হোসেন, যুগ্ম অাহবায়ক কুতুব উদ্দিন, শাহিন অাহমদ৷
এক শোক বার্তায় তারা বলেন- মানিক দে ছিলেন একজন নিবেদিত আওয়ামী লীগ কর্মী। তিনি আজীবন আওয়ামী লীগের আদর্শ প্রতিষ্ঠায় কাজ করেছেন৷ তার অকাল মৃত্যুতে জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের অপুরণীয় ক্ষতি হয়েছে। তারা মানিক দের আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন৷

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩১জানুয়ারী,কমলগঞ্জ প্রতিনিধিঃ স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে ১০ দিনের এক সরকারী সফরে ভারত ও যুক্তরাজ্য সফরে গিয়েছেন মেওলভীবাজার জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান-১ তফাদার রিজুয়ানা ইয়াছমিন।

বুধবার সকাল সাড়ে দশটায় হযরত শাহ জালাল(রাঃ) আর্ন্তজাতিক বিমান বন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে তিনি যুক্তরাজ্য যাত্রা করেছেন। সময়ের অভাবে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও শুভানূধ্যায়ীদের সাথে সাক্ষাত করতে না পারায় তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

কমলগঞ্জের সাবেক আদমপুর ইউপি চেয়ারম্যান আওয়ামীলীগ নেতা সাব্বির আহমদ ভূইঁয়ার সহধর্মীনি তফাদার রিজুয়ানা ইয়াছমিন সকলের দোয়াপ্রার্থী।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩১জানুয়ারী,কমলগঞ্জ প্রতিনিধিঃ   কমলগঞ্জ উপজেলার রহিমপুর ইউনিয়নের কালাছড়া হালিমা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরকে পাশ্ববর্তী কালাছড়া মোহাম্মদীয়া দাখিল মাদ্রাসার এতিম শিক্ষার্থী দেখিয়ে টাকা আদায় করে আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে অভিভাবকরা কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কালাছড়া হালিমা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২য় শ্রেনীর ছাত্র সুজন মিয়া, ৪র্থ শ্রেনীর ইউনুছ আলী, মুহিন মিয়া, ৩য় শ্রেনীর মেহেরাজুল ইসলাম, লিপন মিয়া ও ৫ম শ্রেনীর রাব্বি মিয়াকে কালাছড়া গ্রামের নুরুল ইসলাম জিহাদীর ছেলে তাজুল ইসলাম, নাতি তারেক ইসলাম, রশিদ মিয়ার ছেলে আব্দুল আউয়াল এবং স্থানীয় ভাবে পরিচিত জিহাদী মসজিদের খতিব গত ২৯ জানুয়ারী সোমবার বুঝিয়ে মৌলভীবাজার এক লন্ডনীর বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে ওই ছাত্রদেরকে কালাছড়া মোহাম্মদীয়া মাদ্রাসার ছাত্র ও এতিম বলে পরিচয় দিলে ওই লন্ডনী প্রত্যেককে নগদ ৫শত টাকা করে প্রদান করেন। বাড়ী ফেরার সময় তাজুল, তারেক, রশিদ ও মসজিদের খতিব ছাত্রদের নিকট থেকে টাকাগুলো নিয়ে নেন।

বিষয়টি ছাত্রদের নিকট থেকে অভিভাবকরা জানলে স্থানীয় ভাবে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। অভিভাবক আলী আকবর, গিয়াস উদ্দিন ও ফারুক মিয়া বলেন, কালাছড়ায় মোহাম্মদীয়া দাখিল মাদ্রাসা শুধু নামেই সীমাবদ্ধ। বাস্তবে এ মাদ্রাসার কোন ভিত্তি নেই। প্রতি বছর সরকারি বই মাদ্রাসার নাম কর নেয়া হলেও সেগুলো বিতরণ করা হয় না। আর আমাদের ছেলেদের এতিম হিসেবে পরিচয় দিয়ে টাকা সাহায্য এনে আত্মসাৎ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত তাজুল ইসলাম বলেন, টাকা আত্মসাৎ এবং ছাত্রদেরকে এতিম বলার বিষয়টি সম্পুর্ন মিথ্যা। একজন প্রবাসী কিছু গরীব ছাত্রদের পাঞ্জাবি দেবার কথা বলায় তাদেরকে মৌলভীবাজার নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো। সামাজিক ভাবে আমার ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার জন্য এসব অপপ্রচার করা হচ্ছে। কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদুল হক বলেন, অভিযুক্তদের নোটিশ প্রদান করা হয়েছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩১জানুয়ারী,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ  সুনামগঞ্জের তাহিরপুর সীমান্তে চলছে জমজমাট চোরাচালান ও চাঁদাবাজি বাণিজ্য। এলাকার চিহ্নিত চোরাচালানী ও একাধিক মামলার জেলখাটা আসামীরা উপজেলার লাউড়গড়,চাঁনপুর, টেকেরঘাট,বালিয়াঘাট,চাঁরাগাঁও ও বীরেন্দ্রনগর বিজিবি ক্যাম্পের সোর্স পরিচয় দিয়ে সরকারের লক্ষলক্ষ টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে ভারত থেকে প্রতিদিন অবৈধভাবে পাচাঁর করছে কয়লা,চুনাপাথর,মদ,গাঁজা, হেরুইন,ইয়াবা,মোটর সাইকেল,গরু ও অস্ত্র।

৩১.০১.১৮ ইং বুধবার ভোর ৫টায় উপজেলার বীরেন্দনগর সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে কয়লা পাচাঁরের সময় ৫মে.টন চোরাই কয়লাসহ ৩টি বারকি নৌকা আটক করেছে বিজিবি। আর ২০মে.টন কয়লা বাগলী শুল্কস্টেশনের ৭টি ডিপুতে নিয়ে মজুত করা হয়েছে। কিন্তু চোরাচালানীদেরকে আটক করেনি। অন্যদিকে বালিয়াঘাট বিজিবি ক্যাম্পের সোর্স পরিচয়ধারী লালঘাট গ্রামের চিহ্নিত চোরাচালানী ৭টি মামলার জেলখাটা আসামী কালাম মিয়া ভারত থেকে মদ পাচাঁর করার সময় তার বাড়ির পিছন থেকে ১বস্তা ভর্তি মদ আটক করলেও তাকে গ্রেফতার করেনি বলে অভিযোগ উঠেছে। বিজিবির সোর্স পরিচয়ধারী চোরাচালানীদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দিয়ে বন্ধ করা যাচ্ছে না তাদের চোরাচালান ও চাঁদাবাজি বাণিজ্য।

এলাকাবাসী ও মামলা সূত্রে জানাযায়-বর্তমানে উপজেলার বালিয়াঘাট বিজিবি ক্যাম্পে কর্মরত হাবিলদার ফখরদ্দিন,হাবিলদার আসাদ,নায়েক ওলি,নায়েক সাব্বির,নায়েক শহিদ ও টেকেরঘাট পুলিশ ক্যাম্পের এসআই ইমামের সহযোগীতায় লালঘাট হতে টেকেরঘাট পর্যন্ত মোট ৩২টি চোরাইঘাট ও ২টি পাহাড়ীছড়া দিয়ে কয়লা,চুনাপাথর,মদ,গাঁজা,হেরোইন,ইয়াবা, মোটর সাইকেল ও অস্ত্র পাচাঁর করছে সোর্স পরিচয়ধারী জিয়াউর রহমান জিয়া,কালাম মিয়া,আব্দুর রাজ্জাক,আব্দুল হাকিম ভান্ডারী,ইদ্রিসআলী, রতন মহলদার,শরিফ মিয়া,মানিক মিয়া,মোক্তার মিয়া, তিতু মিয়া গং। তারা গত ৩মাসে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে প্রায় ২কোটি টাকার কয়লা ও চুনাপাথর পাচাঁর করার অভিযোগর উঠেছে। টেকেরঘাটে চুনাপাথর পাচাঁরের সময় ১জন, লালঘাট ও লাকমা দিয়ে কয়লা পাচাঁরের সময় চোরাই গুহার নিচে মাটি চাপা পড়ে ৫জন ও চুনাপাথর পাচাঁরের সময় ট্রলির নিচে পৃষ্ট হয়ে ১জনসহ এপর্যন্ত মোট ৯জনের মৃত্যু হয়েছে।

অন্যদিকে চাঁরাগাঁও সীমান্তের বাঁশতলা,লালঘাট,চাঁরাগাঁও এলসি পয়েন্ট,জঙ্গলবাড়ি ও কলাগাঁও এলাকার ১৫টি চোরাইঘাট ও ২টি পাহাড়ীছড়া দিয়ে হাবিলদার শাজাহান,নায়েক রহিম ও মোবারক এর সহযোগীতায় সোর্স পরিচয়ধারী তোতা মিয়া ও শফিকুল ইসলাম ভৈরব ভারত থেকে কয়লা,সাদাপাথর, বল্ডাপাথর,মদ,গাঁজা,হেরোইন,ইয়াবা,মোটর সাইকেল, গরু ও অস্ত্র পাচাঁর করছে। গত ৩ মাসের প্রায় ১কোটি টাকার চোরাচালান হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আর চুনাপাথর ও কয়লা পাচাঁরের সময় বিএসএফের তাড়া খেয়ে পাহাড় থেকে নিচে ২জন, চুনাপাথর পাচাঁরের সময় ট্রলির নিচে চাপা পরে ২জনসহ এপর্যন্ত মোট ৬জনের মৃত্যু হয়েছে।

এছাড়া লাউড়গড় সীমান্তের যাদুকাটা নদী ও পুরান লাউড় এলাকা দিয়ে নায়েক সুবেদার কেরামত ও এফএস মাহফুজের সহযোগীতা ভারত থেকে প্রতিদিন অবাধে কয়লা,পাথর,মদ,গাঁজা,হেরুইন,ঘোড়া,গরু ও অস্ত্র পাচাঁর করা হচ্ছে। পাচাঁরকৃত ১ বারকি নৌকা পাথরের জন্য ৫০০টাকা,১ বস্তা কয়লা থেকে ৮০টাকা ও ১ লড়ি বল্ডার পাথরের জন্য ২০০টাকা,যাদকাটা নদীর তীর কেটে বালি বিক্রির জন্য ১ফুট বালি ৩টাকা ও সেইভ মেশিন থেকে ১হাজার টাকা করে বিজিবি ক্যাম্পের নামে চাঁদা নিচ্ছে সাহিদাবাদ গ্রামের আলী আকবরের ছেলে বিজিবি সোর্স শহিদ মিয়া ও পুরান লাউড় গ্রামের শুক্কুর আলীর ছেলে সুমন মিয়া।

যাদুকাটা নদী দিয়ে কয়লা,পাথর,গরু,ঘোড়া ও মদ পাচাঁর করতে গিয়ে বিএসএফের তাড়া খেয়ে নদীতে ডুবে এপর্যন্ত ৮জনের মৃত্যু হয়েছে। আর বিজিবি ক্যাম্পের সোর্স পরিচয়ধারী নুরু মিয়ার নামে মোট ৪টি,রফিক এর নামে ২টি ও রাজ্জাক মিয়ার নামে ১টি চাঁদাবাজি,কয়লা ও মদ পাচাঁর মামলা দায়ের করা হয়েছে। তারপরও বন্ধ হয়নি এই সীমান্তের চোরাচালান ও চাঁদাবাজি। অপরদিকে চাঁনপুর সীমান্তের বারেকটিলা,রাজাই ও নয়াছড়া দিয়ে ভারত থেকে প্রতিদিন মদ,গাঁজা,হেরোইন,ইয়াবা,গরু, ঘোড়া,কয়লা,চুনাপাথর ও অস্ত্র পাচাঁর করে বিজিবি ও পুলিশের নামে ৫শ থেকে ৫হাজার টাকা পর্যন্ত চাঁদা নিচ্ছে মদ পাচাঁর মামলার জেলখাটা আসামী চাঁনপুর গ্রামের বিজিবি সোর্স আবু বক্কর ও তার সহযোগী বারেকটিলা গ্রামের রফিকুল। এই সীমান্তের বারেকটিলা দিয়ে গরু ও মদ পাচাঁর করতে দিয়ে ১ জন ও নয়াছড়া দিয়ে কয়লা ও চুনাপাথর পাচাঁরের সময় ২জনসহ এপর্যন্ত ৫জনের মৃত্যু হয়েছে। আর অস্ত্রসহ ১ ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। কিন্তু বিজিবি ও পুলিশের কোন ভূমিকা নেই।

এব্যাপারে বালিয়াঘাট,লাকমা ও বড়ছড়া শুল্কষ্টেশনের ব্যবসায়ী-নাসির উদ্দিন,কফিল উদ্দিন, তারা মিয়া,সবুজ মিয়াসহ আরো অনেকেই বলেন,বিজিবির সহযোগীতায় সরকারের লক্ষলক্ষ টাকা রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে চোরাচালান ও চাঁদাবাজি করে বিজিবি সোর্স জিয়াউর রহমান জিয়া,কালাম মিয়া ও আব্দুর রাজ্জাক রাতারাতি বাড়ি,গাড়ী ও জায়গা-জমি কিনাসহ একাধিক ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান গড়ে তুললেও তাদের বিরুদ্ধে আজ পর্যন্ত জোড়ালো কোন পদক্ষেপ নিচ্ছে না প্রশাসন। বিজিবির সোর্স পরিচয়ধারী একাধিক মামলার জেলখাটা আসামী কালাম মিয়া বলেন,পত্রিকায় এত লেখালেখি করে কি হয়েছে,আমাদের বিরুদ্ধে তদন্ত হয়েছে কিন্তু টাকা দিয়ে সবাইকে ম্যানেজ করে ফেলেছি,বেশি বারাবারি করলে আমাদের গুরু আব্দুর রাজ্জাক ভাইকে দিয়ে মামলায় ফাঁসিয়ে দেব।

বালিয়াঘাট বিজিবি ক্যাম্পের হাবিলদার ফখরুদ্দিন বলেন,আমাদের ক্যাম্পের সোর্স আছে কিনা তা জানতে হবে এবং তারা কি চোরাচালান ও চাঁদাবাজি করে কিনা তাও খোঁজ নিতে দেখতে হবে। চাঁনপুর ক্যাম্পের নায়েক সুবেদার মানিক মিয়া বলেন,আবু বক্কর নামে আমাদের কোন সোর্স নেই,তার ব্যাপারে খোঁজ খবর নিয়ে দেখব। এব্যাপারে জানতে সুনামগঞ্জ ২৮ব্যাটালিয়নের বিজিবি অধিনায়ক নাসির উদ্দিনের সরকারী মোবাইল নাম্বারে বারবার কল করার পরও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩১জানুয়ারী,হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার জগতপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে উত্তীর্ণ হওয়া ছাত্র সৈকত গোপ (৯) কে অনুত্তীর্ণ দেখিয়ে বই দিচ্ছেন না ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক অমল ভট্টাচার্য্য লিটন। অভিবাবকের সাথে খারাপ আচরণের অভিযোগ রয়েছে স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ সূত্রে পাওয়া, ওই স্কুল থেকে সৈকত গোপ নামে এক ছাত্র চতুর্থ শ্রেণী থেকে পরিক্ষায় পাশ করে পঞ্চম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হয়েছেন। সৈকত গোপ স্কুলে বই বিতরণের দিন বই আনতে গেলে প্রধান শিক্ষক অমল ভট্টাচার্য্য অনুত্তীর্ণ দেখিয়ে স্কুল হইতে সৈকত গোপ কে ধমকাইয়া বাহির করে দেন। সৈকত গোপ নিয়মিত স্কুলে গেলে স্কুল কর্তৃপক্ষ সৈকত গোপ কে প্রবেশ করতে দেওয়া হয় না। সৈকত গোপের পিতা সজল গোপ প্রধান শিক্ষক অমল ভট্টাচার্য্য কে নতুন বই ও স্কুলে যাবার জন্য অনুরোধ করা হলেও তিনি এবিষয় মানতে রাজি নয়। বরং ছাত্র সৈকত গোপের অভিবাবক কে হুমকি ধামকি দিয়েছেন।

এমনকি সজল গোপের হাত পা ভেঙ্গে ফেলবেন বলে তিনি এমন আলাপ করেছেন। এবিষয়ে ওই স্কুলের সভাপতি হোছন আলী কে জানানো হলে তিনি ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক অমল ভট্টাচার্য্যর সাথে আলাপ করে জানান, নতুন বছরে বই ১৭ জানুয়ারীর মধ্যে সৈকত গোপ কে নতুন বই দেওয়া হবে। কিন্তু এখনও সৈকত গোপ কে নতুন বই দেওয়া হয়নাই।

এ ব্যাপারে সজল গোপ ১৭/০১/২০১৮ ইং তারিখে হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও বাহুবল উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের নিকট একটি লিখিত দরখাস্ত দেওয়া হয়েছে। এবিষয়ে প্রশাসনের উর্ধ্বতন মহলের নজরদারি নিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

 

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০জানুয়ারী,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ  ৩৬০ আউলিয়ার পুণ্যভূমি খ্যাত সিলেটে হজরত শাহজালাল রাহমাতুল্লাহি আলাইহি ও হজরত শাহপরান রাহমাতুল্লাহি এর মাজার জিয়ারত করে প্রতিবারের ন্যায় এবারও একাদশ জাতীয় নির্বাচনে হ্যাট্রিক জয়ের লক্ষ্য নিয়ে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী তার সরকারের করা উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরছেন আজকের সভায়। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার পরামর্শ ও দিলেন তিনি। সবশেষে ভোট চাইলেন নৌকা মার্কায়।

জনসভায় তিনি বলেন, ‘দুই হাত তুলে ওয়াদা করেন যে নৌকা মার্কায় ভোট দেবেন।’

আজ মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) সিলেটে আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রায় ৪০ মিনিটের ওই বক্তব্যে তার সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশ হাত পেতে চলবে না। বাংলাদেশ বিশ্বসভায় মাথা উঁচু করে চলবে। বাংলাদেশ উন্নত হবে, সমৃদ্ধশালী হবে। বাংলাদেশের মানুষ দেশে ও বিদেশে সম্মানের সঙ্গে এগিয়ে যাবে। সেটাই আমাদের লক্ষ্য। আর এ লক্ষ্য পূরণ করতে হলে আগামী নির্বাচন, যে নির্বাচন আগামী ডিসেম্বর মাসে হবে সে নির্বাচনেও আমরা আপনাদের কাছে নৌকা মার্কায় ভোট চাই। নৌকা স্বাধীনতা এনে দিয়েছে, নৌকা সমৃদ্ধির পথ দেখিয়েছে, নৌকা উন্নয়নের পথে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। আপনারা ওয়াদা করেন, দুই হাত তুলে ওয়াদা করেন যে নৌকা মার্কায় ভোট দেবেন।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২০১৪ সালে আওয়ামী লীগ যদি পুনরায় ক্ষমতায় না আসত এত উন্নতি হতো না। উন্নয়নের ছোঁয়া আপনারা পেতেন না। কারণ লুটেরা আসলে লুটপাট করে খেত আর সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ চালাত। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আছে বলেই, দেশের উন্নয়ন হয়েছে। তাই আপনাদের কাছে আমার আহ্বান, আপনারা অতীতেও নৌকা মার্কায় ভোট দিয়েছেন, এই নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে বাংলাদেশের মানুষ স্বাধীনতা পেয়েছে। এ নৌকা মার্কায় ভোট দিয়েই আজ সারাবিশ্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে, সম্মান পেয়েছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘কথা দিয়েছিলাম যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করব, আমরা সে বিচার করেছি। জাতির পিতার হত্যাকারীদের বিচার আমরা করেছি। এদেশে কোনো অন্যায়, অবিচারকে আমরা বরদাশত করব না। কোনো জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাসের স্থান বাংলার মাটিতে হবে না।’
ছেলেদের ওপর নজর রাখার জন্য প্রধানমন্ত্রী অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বলেন, ‘মানুষকে সচেতন করুন। জঙ্গিবাদ ইসলাম ধর্মবিরোধী। ইসলাম জঙ্গিবাদকে কখনো প্রশ্রয় দেয় না। সন্ত্রাসকে প্রশ্রয় দেয় না। ইসলাম শান্তির ধর্ম। ইসলামের নাম নিয়ে যারা নিরীহ মানুষ হত্যা করে তারা কখনো বেহেশতে যাবে না।’

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০জানুয়ারী,ডেস্ক নিউজঃ সৌদি আরবের সর্বশেষ খবর হলো, দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের সময় আটক হওয়া ধনকুবের প্রিন্স আলওয়ালিদ বিন তালাল মুক্তি পেয়েছেন। নভেম্বর মাসে ওই অভিযান শুরু হয়েছিল। প্রিন্স তালালের পারিবারিক সূত্রগুলো রয়টার্স বার্তা সংস্থাকে বলেছে, রিয়াদের একটি বিলাসবহুল হোটেল থেকে তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। প্রিন্স তালাল ওই হোটেলে মুক্তি পাওয়ার আগে ৩০ মিনিট রয়টার্সকে যে সাক্ষাৎকার দেন তা প্রকাশিত হয়েছে।
তাতে তিনি বলেছেন, তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আনা হয়নি এবং তিনি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন
সালমানকে সমর্থন করেন। সাক্ষাৎকারের কিছু অংশ এখানে তুলে ধরা হলো
প্রশ্ন : আপনি এখানে কেন?
উত্তর : এখানে আরও বেশ কয়েকজন আছেন। আমরা সরকারকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করছি, কারণ আমিও সরকারের একটি অংশ। আমি সৌদি শাসক পরিবারেরও অংশ। আমাদের আলোচনা চলছে। আমার বিশ্বাস, আর অল্প ক’দিনের মধ্যেই আমরা সবকিছু শেষ করে আনতে পারব।

প্রশ্ন : আপনার বিরুদ্ধে কী কী অভিযোগ আনা হয়েছে?
উত্তর : কোনো অভিযোগ নেই। সরকার ও আমার মধ্যে কিছু বিষয়ে শুধু আলোচনা হচ্ছে। অনেক বিষয় আছে, যা আমি এখনই প্রকাশ করতে পারব না। প্রথমে আপনাকে আশ্বস্ত করছি যে, এই গল্পের প্রায় শেষ পর্যায়ে আমরা পৌঁছে গেছি। তবে আমি ভালো আছি, কারণ আমি তো আমার নিজের দেশেই আছি। নিজের শহরেই আছি। আমার মনে হচ্ছে, আমি আমার বাড়িতেই আছি। এখানে কোনো সমস্যা নেই। সবকিছু ঠিক আছে।
যেসব কারণে আপনি আমার সঙ্গে কথা বলছেন এর সবই গুজব, যা বিশেষ করে বিবিসিতে এসেছে। এতে আমি খুব হতাশ হয়েছি। খোলামেলাভাবে বলতে গেলে এর সবই মিথ্যা। এই হোটেলে আমি সবসময়ই ছিলাম এবং এখানে সবকিছুই ঠিক আছে। আমি ব্যায়াম করছি, সাঁতার কাটছি, হাঁটাচলা করছি। আমার ডায়েট খাবারও পাচ্ছি। এখানে প্রতিদিন আমার পরিবারকে ডেকে পাঠাই। এটা আমার অফিসের মতো। আমার ব্যক্তিগত অফিস, রাজ পরিবারের অফিস, আমার কিছু দেশসেবার কাজÑ সবকিছুর সঙ্গেই আমার যোগাযোগ আছে। সবকিছুই ঠিকঠাক মতো চলছে।

প্রশ্ন : বিশেষ কোন গুজবে আপনি হতাশ হয়েছেন?
উত্তর : বলা হয়েছে যে, আল ওয়ালিদকে অন্য জায়গায় অর্থাৎ কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তাকে নির্যাতন করা হয়েছে। এসব খবর খুবই দুর্ভাগ্যজনক। আমি বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই একটি সাক্ষাৎকার দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলাম এবং এই সাক্ষাৎকারটি আমি এখনই দিচ্ছি, কারণ নানাধরনের গুজব ছড়িয়ে পড়েছে। এসব একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়। এসব একগাদা মিথ্যা কথা।

প্রশ্ন : তাহলে কোন অভিযোগের কারণে আপনাকে এখানে আটকে রাখা হয়েছে?
উত্তর : দেখুন, আমি খুব শীর্ষস্থানীয় একজন ব্যক্তি, জাতীয়ভাবে, আঞ্চলিকভাবে এবং আন্তর্জাতিকভাবেও। আমি অনেক প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত। আমার গোপন করার কিছু নেই। আমি এখানে খুব ভালো আছি, আরাম করছি। আমি এখানে শেভ করি, যেমন বাড়িতেও করি। নাপিত এখানে এসে চুল কাটে। সত্যি করে বলি, আমার মনে হয় যে, আমি বাড়িতেই আছি। এখানে বিশেষ কিছু নেই। খুব সাধারণ কিছু বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে। আমি সরকারকে বলেছি, তারা যত দিন চায় আমি এখানে থাকব। কারণ আমি চাই সত্যটা বেরিয়ে আসুক।

প্রশ্ন : কিন্তু দুর্নীতিবিরোধী অভিযান তো চলছে।
উত্তর : দুর্নীতিবিরোধীÑ এটা একটা বড় কথা। এখানে অনেকেই আছেন, যাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগই আনা হয়নি। কারণ আমি জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিকভাবে এত সব প্রকল্পের সঙ্গে জড়িত আছি, এত সব স্বার্থ, আমি তাদের বলেছি, আপনারা আপনাদের সময় নিন। সবকিছু খতিয়ে দেখুন। তারপরই সব ঠিক হয়ে যাবে।
আসলে আমি আরও কিছুদিন আগেই এখান থেকে চলে যেতে পারতাম। আমাকে এ রকম প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে; কিন্তু আমি না করে দিয়েছি। বলেছি সবকিছু সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আমি এখান থেকে যাব না। কারণ সবকিছু পরিষ্কার হয়ে যাওয়া খুবই জরুরি। আর সেটাই হতে যাচ্ছে।

প্রশ্ন : আপনার সঙ্গে কোন ধরনের বোঝাপড়া নিয়ে আলোচনা হচ্ছে? সরকার আপনার কাছে কত অর্থ চাইছে? তারা কি সম্পদ চায়, নাকি কোম্পানিতে ভাগ চাইছে?
উত্তর : এ রকম কথা আসলে আমিও পড়েছি। সরকার নাকি আমার কাছ থেকে ৬০০ কোটি ডলার এবং কিংডম হোল্ডিংয়ের বড় একটা অংশ নিতে চাইছে। কিন্তু এসব মিথ্যা। আসলে আমি এসব নিয়ে কোনো কথা বলতে চাইনি। কিন্তু আমাকে নির্যাতন করার কথা যখন বলা হয়েছে, তখনই আমি এ সাক্ষাৎকারটি দিতে রাজি হই।

প্রশ্ন : আপনি চলে যাওয়ার সময় কি আর্থিক বোঝাপড়া হতে পারে?
উত্তর : সে রকম কিছুর দরকার নেই। আমি ফাঁস করতে পারব না। কারণ এখানে দুটো পক্ষ আছে। এখনও পর্যন্ত ভালোই আলোচনা হয়েছে। যখন আমার মতো একজন হাই প্রোফাইল ব্যক্তিকে ঘিরে কিছু সন্দেহ তৈরি হয়, তখন সেগুলো পরিষ্কার করে ফেলা খুব গুরুত্বপূর্ণ। সারা বিশ্বেই আমার বিনিয়োগ আছে। পুরোপুরি সত্যতা নিশ্চিত করেই আমি এখান থেকে যাব। ধীরে ধীরে আমার তার দিকেই অগ্রসর হচ্ছি।

প্রশ্ন : এটা কীভাবে সমাধান হতে পারে বলে আপনি আশা করছেন? আপনি কি কোনো ধরনের ডোনেশন দেবেন?
উত্তর : সরকারের সঙ্গে আমরা এখন আলোচনা করছি। তাদের সঙ্গে চূড়ান্ত আলোচনায় আপনাকে আসতে দিতে পারি না। তবে আমরা সে রকম একটা চূড়ান্ত জায়গায় পৌঁছে গেছি।

প্রশ্ন : এখানে কি রাজনীতির কোনো ভূমিকা আছে? আপনার বাবা প্রিন্স তালালের কোনো বিষয় কি আছে যে, তিনি চান না যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ক্ষমতায় আসুক? নাকি এটা শুধুই দুর্নীতির বিষয়?
উত্তর : এখানে রাজনীতির কিছু নেই। অর্থনীতি বা দুর্নীতির সঙ্গেও কিছু নেই। তবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমি এখানে আছি। আছি সত্যটাকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য। এই সত্য ১০০ ভাগ প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত আমি এখানে থাকতে চাই। আমি বলতে পারি আমরা এর ৯৫ শতাংশ অর্জন করেছি।

প্রশ্ন : রিজ হোটেল ছেড়ে যাওয়ার পর কী হতে পারে বলে আমি আশা করেন? আপনি কি সৌদি আরবেই থাকবেন?
উত্তর : আমি সৌদি আরব ছেড়ে যাব নাÑ এটা নিশ্চিত। এটা আমার দেশ। আমার পরিবার, আমার সন্তান, আমার নাতি-নাতনিরাও এখানে। এখানে আমার সহায়সম্পত্তি আছে। বাদশাহ, যুবরাজ কিংবা সৌদি আরবের প্রতি আমার যে আনুগত্য, সেটা নিয়ে কোনো আপস নয়।
প্রশ্ন : আপনি কি আপনার কোম্পানির লোকজনের সঙ্গে কথা বলতে পারেন?
উত্তর : হ্যাঁ, কিংডম হোল্ডিংয়ের প্রতিনিধিরা যখনই কথা বলতে চেয়েছেন তারা আমার সঙ্গে কথা বলতে এখানে এসেছেন। যখনই দরকার হয়েছে আমি তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। কখনও প্রতিদিন আবার কখনও দুই-একদিন পর পর এবং আমার পরিবারের সঙ্গেও। এই তো ছেলের সঙ্গে, মেয়ের সঙ্গে আজ কথা বললাম। আমার নাতনিদের সঙ্গেও আমি আজ কথা বলেছি।

প্রশ্ন : আপনি কি মনে করেন, সৌদি আরবে আপনার বাড়ির মালিকানা আপনারই থাকবে?
উত্তর : হ্যাঁ। দোষ প্রমাণিত হওয়ার আগ পর্যন্ত প্রত্যেক মানুষই নির্দোষ। আমি জানতাম আপনি এ রকম একটা প্রশ্ন করতে পারেন। আমি একজন সৌদি নাগরিক এবং রাজ পরিবারের সদস্য। আমি জানি, লোকজন জিজ্ঞেস করছেন, আল ওয়ালিদ এখানে কেন। এটা জানতে চাইছে, কারণ এটার কোনো অর্থ হয় না। আমি দান করি, দেশপ্রেমের মতো কাজ আছে আমার। এখানে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়েছে এবং এটা এখন পরিষ্কার হয়ে গেছে।

প্রশ্ন : মুক্তি পাওয়ার পর আপনি কী করবেন?
উত্তর : সেই আগের মতোই। অন্য কিছু নয়। আমি বাইরে যাব। আমি আমার অফিসে যাব। সাপ্তাহিক ছুটির দিন আমি মরুভূমিতে যাব এবং নিরামিষাশ হিসেবে আমি আমার জীবন চালিয়ে যাব।

প্রশ্ন : এই বিষয়টি কি বিচার পর্যন্ত গড়াতে পারে এবং আপনি কি জেলে যেতে পারেন?
উত্তর : বিচারের কোনো সম্ভাবনা নেই। জেলের প্রশ্নও আসে না।

প্রশ্ন : যে প্রক্রিয়াটা চলছে আপনি কি মনে করেন এটা সৌদি আরবের জন্য ভালো?
উত্তর : আমার মনে হয় তারা পক্ষপাতহীন ও সৎভাবেই কাজ করেছেন। সৌদি আরবে যে দুর্নীতি আছে সেটা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। এটা দুর্ভাগ্যজনক যে, দুর্নীতিবিরোধী এক ব্যক্তিও এ পাকের মধ্যে পড়ে গেছে। বহু লোক এখানে এসেছেন, প্রায় ৩০০ এর মতো। আমার মনে হয়, এদের বেশিরভাগই এখন মুক্ত এবং সত্যি কথা বলতে বেশিরভাগই নির্দোষ। বাকিদের জন্য সমঝোতা হয়েছে। তবে সেটা শুধু তাদের ও সরকারের মধ্যে।
গত দশকে প্রচুর অর্থের অপচয় হয়েছে। সরকারের কোনো কোনো ব্যক্তি দুর্নীতির সঙ্গেও জড়িত ছিলেন। আমার মনে হয়, এসব আগাছা উপড়ে ফেলা ভালো। এর মধ্য দিয়ে সৌদি আরব আরও পূতপবিত্র হয়ে উঠবে। আমি শুধু বলব, আমি বাদশাহ এবং যুবরাজ যে নতুন সৌদি আরব তৈরির জন্য কাজ করছেন আমি তাতে পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছি।
বিবিসি বাংলা অবলম্বনে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০জানুয়ারী,হাবিবুর রহমান খানঃ  “জন্মের পর পৃথিবীকে যেমন পেয়েছ তার চেয়েও সুন্দর রেখে যেতে চেষ্টা কর “মৌলভীবাজারের জুড়ীতে বাংলাদেশ রোভার স্কাউটস তৈয়বুন্নেছা খানম একাডেমি ডিগ্রি কলেজ রোভার এর ২০তম ব্যাচের বিদায়ী অনুষ্টান অনুস্টিত হয়।

আজ (৩০জানুয়ারি) মঙ্গলবার দুপুর ১ ঘটিকায় কলেজ লাইব্রেরী কক্ষে প্রভাষক মোহাম্মদ এমদাদুল হকের সঞ্চালনায় তৈয়বুন্নেছা খানম একাডেমি ডিগ্রি কলেজ এর অধ্যক্ষ, অরুণ চন্দ্র দাস এর সভাপতিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এম,এ মুজিব মাহবুব প্রতিষ্টাতা সদস্য কলেজ গভর্ণিং বডি।

২০তম বিদায়ী অনুষ্টানে স্বাগত বক্ত্য রাখেন জনাব ফরহাদ আহমেদ, উপাধ্যক্ষ তৈয়বুন্নেছা খানম একাডেমি ডিগ্রি কলেজ,বাংলা প্রভাষক শিব্বির আহমদ,ইংরেজী প্রভাষক রায়হানুল ইসলাম,আর এস এল বরুন চন্দ্র দাস অফিস সহকারি মুহাম্মদ সাইদুল ইসলাম,কম্পিউটার ল্যাব সহকারী মাসুম আহমদ, ১৮তম ব্যাচের এস আর এম রোভার এবাদুর রহমান, ২০তম ব্যাচের রোভার রনি আহমদ প্রমুখ।

এ সময় ২০তম ব্যাচের রোভার রনি আহমদ ২১তম ব্যাচের রোভার এস আর এম এর কাছে রোভার পতাকা তুলেদেন, ২০তম ব্যাচের ২৪ জন রোভার এর হাতে সনদপ্রত ও ক্রেস্ট তুলে দেন কলেজ রোভার এর সভাপতি অরুণ চন্দ্র দাস,

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০জানুয়ারী,শাব্বির এলাহী,কেওলার হাওর থেকে ফিরেঃ কমলগঞ্জ উপজেলার মুন্সীবাজার, পতনউষার, শমশেরনগর ও আলীনগর ৪ ইউনিয়ন নিয়ে এক হাজার হেক্টরের কেওলার হাওরে অর্ধশতাধিক গ্রামের প্রায় ২৫ হাজার পরিবারের বসবাস।এক সময় এ হাওরে আউশ, আমন আর বোরো ধানের চাষ হলেও পানি নিষ্কাশন আর যাতায়াতের সুবিধা না থাকায় গত দশ বছর ধরে হাওরের অর্ধেক ফসলি জমি কৃষকরা পতিত ফেলে রাখেন। কারণ কষ্ট করে ফলানো ফসল তারা ঘরে তুলতে পারেন না। বর্ষার পানিতে সেই ফসল তলিয়ে যায়। এতে করে কৃষকরা শ্রম ও আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হন। মূলত: এ দুটি কারনেই কেওলার হাওরে জমিকে ধান চাষ করা থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিলেন ওই এলাকার কৃষকরা।
তবে চলতি বোরো মৌসুমের আগে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সাবেক চিফ হুইপ আলহাজ্ব উপাধ্যক্ষ মো: আব্দুস শহীদের ব্যক্তিগত প্রচেষ্ঠায় হাওরের বুক চিরে যাওয়া উপসি ও খাইজান খালটি পূন:খনন করা হয়। আর কেওলার হাওরের রুপসপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে থেকে র্প্বূ দিকে লাঘাটা ছড়ার পাড় পর্যন্ত ২০০০ ফুট রাস্তা পূন: সংস্কার করা হয়। এতে হাওরে পতিত জমিগুলো চাষ উপোযোগী হয়ে উঠে।
সম্প্রতি সরজমিনে কেওলার হাওরে গিয়ে দেখা যায়, কৃষকরা মনের আনন্দে হাওরে জমি চাষ,বীজতলা থেকে চারা উত্তোলন চারা রোপন ইত্যাদি কৃষিকাজে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।এক সময় ফেলে রাখা হাওরের পতিত জমি সবুজ ধান গাছে ভরে উঠছে। কেবল স্থানীয় এমপির একটু উদ্যোগ আর প্রচেষ্ঠাই বদলে দিয়েছে কেওলার হাওরের এই চিত্র। বিস্তীর্ণ হাওরের মাঠ জুড়ে এখন শুধু সম্ভাবনার হাত ছানি। স্থানীয় কৃষক মাসুক মিয়া, আবুল বশর জিল্লুল, জুবায়ের আহম্মেদ, শামিম আহম্মেদ, মৌরাজ মিয়া, সিপার মিয়া, আব্দুর হান্নান জানান, এতো দিন তাদের জমি পতিত ফেলে রাখতেন। কিন্তু এখন তারা আবার নতুন করে স্বপ্ন দেখছেন। চলতি মৌসুমে সবাই হাওরে পতিত জমিতে ধান চাষ করেছেন। আর এটা সম্ভব হয়েছে হাওরে পানি নিষ্কাশন আর যাতায়াতের ব্যবস্থা করে দেয়ায়। এখন তারা অনায়াসেই ঠেলায় করে সার, বীজ নিয়ে হাওরের শেষ সীমানা পর্যন্ত যেতে পারবেন। কৃষকদের দাবী লাঘাটা খালে স্লুইচ গেইট নির্মাণ ও কয়েকটি বিল খননের, তা না হলে পাহাড়ী ঢলে উজান থেকে আসা ছড়ার পানির সাথে পলি মাটি এসে কেওলার হাওর ভরাট হয়ে যাবে।
মুন্সিবাজার ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মোতালিব তরফদার এবং পরিষদের সদস্য মো. শফিকুর রহমান বলেন, কেওরার হাওর উন্নয়ন এলাকাবাসীর দীর্ঘ দিনের দাবি ছিল। আজ কেওলার হাওরে প্রাণ ফিরে এসেছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সামছুউদ্দিন আহম্মেদ বলেন, পানি নিস্কাশনের সুষ্ট ব্যবস্থা না থাকায় এই হাওরের জমি আনাবাদি থেকে যেত। ওই জমিতে এখন থেকে বছরে প্রায় দুই হাজার মেট্রিকটন ধান উৎপন্ন হবে।
কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মাহমুদুল হক বলেন, খালটি খননের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এলাকাবাসীর। এলাকার এমপি মহোদয়ের প্রচেষ্টায় খালটি খনন করা হচ্ছে। কাজও প্রায় শেষ পর্যয়ে রয়েছে। খালটি খননের ফলে হাওরের প্রায় ২৮৬ হেক্টর জমি এখন চাষাবাদ করা যাবে। খালে পানি থাকায় এই হাওরে এখন তিনটি ফসলেরই আবাদ হবে।
স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সাবেক চিফ হুইপ আলহাজ্ব উপাধ্যক্ষ মো: আব্দুস শহীদ বলেন, দেশে কৃষি জমি বৃদ্ধির জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রয়েছে। সেই নির্দেশনার আলোকেই আমি এলাকায় কাজ করে যাচ্ছি। তাছাড়া এই খালটি খনন করা এলাকার কৃষকদের প্রাণের দাবি ছিল। খালটি খননের ফলে এই হাওরে এখন মানুষ সারা বছরই তিনটি ফসল ফলাতে পারবে। কৃষকদের উন্নয়নে সরব ধরণের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০জানুয়ারী,নড়াইল প্রতিনিধি:    নড়াইলে স্থানীয় চাহিদা ভিত্তিক দুঃস্থ ও অসহায় মহিলাদের ( ভিক্ষুক)ভ্রাম্যমান কাগজের প্যাকেট তৈরীর প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের আয়োজনে সদর উপজেলা মাইজপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এ প্রশিক্ষন কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্থানীয়র সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মোঃ সিদ্দিকুর রহমান, জেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা আনিচুর রহমান, মাইজপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জিল্লুর রহমানসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
মোট ২১ জনকে এ প্রশক্ষন প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষন শেষে প্রত্যেককে ২৪ টি করে খাতা বিক্রয়ের জন্য প্রদান করা হয় এবং নগত একশত করে টাকা প্রদান করা হয়।

“ফ্রান্সে বসবাসরত সাবেক ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে প্যারিসে ‘এমসি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ সাবেক স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন ফ্রান্স’ গঠিত, সভাপতি আলী আশরাফ মাসুম, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক সুমা দাস”

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০জানুয়ারী,প্যারিস,ফ্রান্সঃ     বাংলাদেশ এর প্রাচীনতম বিদ্যাপীঠ সিলেট এমসি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ’র ১২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ফ্রান্সে বসবাসরত সাবেক ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে প্যারিসে ‘এমসি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ সাবেক স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন ফ্রান্স’ গঠিত হয়েছে। প্যারিসের গার দ্যু নর্দে এক মতবিনিময় সভায় সাবেক ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতিতে সর্বসম্মতিক্রমে সাবেক ছাত্র আলী আশরাফ মাসুমকে সভাপতি, মোহাম্মদ আব্দুল হামিদকে সাধারণ সম্পাদক ও সুমা দাসকে সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত করে ৩১সদস্য বিশিষ্ঠ কমিটি গঠন করা হয়।

অনুষ্ঠানে এমসি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সাবেক ছাত্র আফসার উদ্দিন আহমদ এর সভাপতিত্বে ও সাংবাদিক আবু তাহিরের পরিচালনায় এ সময় বক্তব্য রাখেন আলী আশরাফ মাসুম, মোহাম্মদ আব্দুল হামিদ, খালেদ আহমদ, মাহবুব আহমদ, সালাহ উদ্দিন, সুমা দাস ,শাহ সুহেল, ফাহিম বদরুল হাসান, আশরাফ হোসেন মাসুদ সহ এমসি কলেজের সাবেক ছাত্রছাত্রীরা।

এসোসিয়েশনের যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশ করা হয়, সেটি হচ্ছেঃ

সভাপতি- আশরাফ আলী মাসুম, সহ-সভাপতি- খালেদ আহমদ, বদরুজ্জামান, মাহবুব আহমদ, আবু সাঈদ মোহাম্মদ শফিউল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক- মোহাম্মদ আবদুল হামিদ , সহ-সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল আহমদ, বুলবুল আহমেদ, মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, ইকবাল হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক সুমা দাস, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ সোহেল আহমদ, অর্থ সম্পাদক ইশতিয়াক আহমদ চৌধুরী, সহ-অর্থ সম্পাদক মোহাম্মদ সাহিনুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক সাইদুর রাহমান, সহ-প্রচার সৈয়দ অলিউর রাহমান , অফিস সম্পাদক ফাহিম বদরুল হাসান, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক আশরাফ হোসেন মাসুদ, সহ-সাহিত্য ও প্রকাশনা মহিনুল ইসলাম মুহিত, আন্তর্জাতিক সম্পাদক রাজু আহমদ, সাংস্কৃতিক সম্পাদক জয় প্রকাশ দেব, ক্রীড়া সম্পাদক জাকির আহমদ শোয়াইব, মহিলা সম্পাদক এলিনা চৌধুরী, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক বদরুল ইসলাম, সহ-তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক শালিক উদ্দিন।

কার্যকরী কমিটির সদস্য আবু তাহির, সামসুল ইসলাম ,সুশীল বণিক ,জাহিদুল ইসলাম ,আক্তার হোসেন ,নাজমুল হোসেন ,নজরুল ইসলাম মাছুম। এবং উপদেষ্টা হিসাবে আফসার উদ্দিন আহমদ, মোহাম্মদ সাজিদুল আলমকে নির্বাচিত করা হয়।

কমিটি গঠনের পর সর্বসম্মতিক্রমে আগামী ৮ জুলাই এমসি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ১২৫ বছর পূর্তি প্যারিসে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৯জানুয়ারী,ডেস্ক নিউজঃ  সারা দেশে ইয়াবা, ফেন্সিডিল, হেরোইনসহ সব ধরনের মাদকের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণে অনুসন্ধান ও ব্যবস্থা নিতে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ বিষয়ে রুলসহ অন্তর্বর্তীকালীন একটি আদেশ দেন এবং এক মাসের মধ্যে নির্দেশনা বাস্তবায়ন বিষয়ে অগ্রগতি জানিয়ে পিবিআইকে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলেন।

আদেশে বিশেষে করে সীমান্তবর্তী জেলা কক্সবাজার ও বান্দরবানকে মাদক নিয়ন্ত্রণে কাজ করতে বলা হয়েছে।

এছাড়া সব জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার যাতে সব ধরনের অবৈধ মাদকদ্রব্য পরিবহন, বিপণন ও সেবনের বিরুদ্ধে বিশেষ ব্যবস্থা নেন, সে জন্য স্বরাষ্ট্রসচিব ও পুলিশের মহাপরিদর্শককে নির্দেশ দিয়েছেন। আদালত বলেছেন, পরবর্তী আদেশের জন্য আগামী ১ মার্চ দিন রাখা হলো।সূত্রঃপ্রথম আলো

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৯জানুয়ারী,বেনাপোল প্রতিনিধি:     বেনাপোলে ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের যশোর প্রতিনিধি জিয়াউল হক ও তার ক্যামেরাম্যান শরীফের উপর বর্বরোচিত সন্ত্রাসী হামলা এবং দৈ‌নিক স্পন্দ‌নের বেনাপোল অফিস ও প্রতিনিধির বা‌ড়ি‌র সামনে দফায় দফায় বোমা বিস্ফোরণের প্রতিবাদে মানববন্ধনসহ মৌন মিছিল ও প্রতিবাদ সভা করেছেন সাংবাদিকবৃন্দ।
সোমবার বেলা ১১টার সময় বেনাপোল বন্দর প্রেসক্লাবের আয়োজনে বন্দরের রাজস্ব দপ্তরের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়। পরে এক মৌন মিছিল পোর্ট থানা এলাকা ঘুরে বন্দর প্রেসক্লাবের সামনে মিলিত হয়। এসময় অত্র প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ কাজিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে এক প্রতিবাদ সভা করা হয়। এ প্রতিবাদ সভায় উক্ত বর্বরোচিত সন্ত্রাসীয় হামলার সাথে যুক্ত প্রকৃত সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত পূর্বক আটকের দাবি জানান হয়। সাথে উক্ত বর্বরোচিত ঘটনার তীব্র নিন্দা, ঘৃণা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন সাংবাদিকবৃন্দ।
শার্শা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও বেনাপোল বন্দর প্রেস ক্লাবের উপদেষ্টা ইয়ানুর রহমানের নেতৃত্বে উক্ত মানববন্ধন, প্রতিবাদ মিছিল ও সভায় উপস্থিত ছিলেন বেনাপোল বন্দর প্রেসক্লা‌বের সি‌নিয়র সহ-সভাপ‌তি আবুল বাসার, নুরুল ইসলাম লিটন, সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক, যুগ্ন-সম্পাদক আব্দুল জ‌লিল, সাংগঠনিক সম্পাদক আনিছুর রহমান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন, অর্থ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান বাবু, প্রচার সম্পাদক মোস্তা‌ফিজুর রহমান রুবেল, দপ্তর সম্পাদক শাহীদুল ইসলাম শা‌হিন, শাহাবু‌দ্দিন আহ‌ম্মেদ, তথ্য ও প্রকাশনা সম্পাদক শাহ‌নেওয়াজ স্বপন, তা‌মিম হো‌সেন সবুজ, আইন বিষয়ক সম্পাদক আয়ুব হোসেন পক্ষী, জাহাঙ্গীর আলম, সাইদুল ইসলাম, আলী হোসেন বাচ্চু, শেখ মঈনুদ্দিন, শফিকুল ইসলাম, মোঃ রাসেল ইসলাম,আরিফ , নয়ন, শার্শা প্রেসক্লাবের আইসিটি বিষয়ক সম্পাদক কে এম নাজির আহমেদ প্রমুখ।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc