Tuesday 12th of December 2017 01:15:36 AM

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৪ডিসেম্বর,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ  সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় পাকিস্তানী হানাদার মুক্ত দিবস পালিত হয়েছে। ১৯৭১ সালের ৪ঠা ডিসেম্ভর এই দিনে পাক হানাদার বাহিনী তাহিরপুরের মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে সম্মূখ যুদ্ধে পরাজিত হয়ে সাচনা বাজারের দিকে পালিয়ে যায়। সোমবার দিবসটি উপলক্ষে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের উদ্যোগে স্থানীয় শহীদ মিনারে পুস্প স্থবক অর্পন শেষে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী উপজেলা সদরের বিভিন্ন রাস্তা প্রদক্ষিন করে।

র‌্যালী শেষে দুপুরে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের উদ্যোগে উপজেলা নির্বাহী অফিসার পূর্ণেন্দু দেব’র সভাপতিত্বে উপজেলা আওয়ামীলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক আলমগীর খোকনের স ালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন,সুনামগঞ্জ-১আসনের সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোয়াজ্জেম হোসেন রতন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন,তাহিরপুর উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি আবুল হোসেন খান,সাবেক সভাপতি হাজী আব্দুছ ছোবাহান আখঞ্জি,সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নূরুল মোনেন,মুক্তিযোদ্ধা মুজিবুর রহমান,তাহিরপুর উপজেলা আওয়ামীলীগসহ সভাপতি আলী মর্তূজা,সাধারন সম্পাদক অমল কান্তি কর,উপজেলা সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার রফিকুল ইসলাম,রৌজ আলী,হাজী মুজাহিদ উদ্দিন আহমদ,বাদাঘাট ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন,উপজেলা আওয়ামীলীগ যুগ্ম সাধারন সম্পাদক আমিনুল ইসলাম,উপজেলা যুবলীগ আহবায়ক হাফিজ উদ্দিন,সাবেক যুগ্ম আহবায়ক অনুপম রায়,আ,লীগ নেতা ও বাদাঘাট ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান নিজাম উদ্দিন,উপজেলা আ,লীগের কৃষি বিষয়ক সম্পাদক খেলু মিয়া,উত্তর বড়দল ইউনিয়ন আ,লীগের সভাপতি জামাল উদ্দিন,উত্তর বড়দল ইউনিয়ন যুবলীগ ও বাদাঘাট বাজার সমিতির সভাপতি মাসুক মিয়া,কৃষকলীগ নেতা খসরু ওয়াহিদ চৌধুরী,মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের হোসাইন শরীফ বিপ্লব প্রমূখ।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৪ডিসেম্বর,বেনাপোল প্রতিনিধি: বেনাপোল চেকপোষ্টে ভারতে পাচারের সময় ১৭’পিস স্বর্ণের বারসহ তিন ভারতীয় পাসপোর্ট যাত্রীকে আটক করেছে শুল্ক গোয়েন্দা সদস্যরা। সোমবার সকাল ৯টায় ঐ যাত্রীরা ভারতে প্রবেশের সময় ইমিগ্রেশন কাস্টমস্ টি টি চেকিং পয়েন্টে আসলে শুল্ক গোয়েন্দা সদস্যদের সন্দেহ হলে তাদের আটক করে।

আটককৃতরা হলেন-ভারতের ২৪ পরগণা জেলার গৌরিশেল এলাকার ধীরেন্দ্র নাথ সরকারের ছেলে ধীমান সরকার (৪০), মালপাড়া এলাকার বিভু লাল সাহার ছেলে মহেশ লাল সাহা (৩৫) ও উত্তর প্রদেশের মাদিয়া এলাকার বীরেন্দ্র নাথ সেনের ছেলে নিতাই চন্দ্র সেন (৩২)। তা‌দের পাসপোর্ট নং যথাক্র‌মে জেড-৩৬৮১০১৫, জেড-৩৬৮১০১৮ ও জেড ৩৯৯৬২৩৩।

বেনাপোল কাস্টমস্ গোয়েন্দার সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা কবির হোসেন বলেন, স্বর্ণ পাচারের বিষয়ে তাদের কাছে আগে থেকে তথ্য ছিল। ভারতে প্রবেশের সময় ইমিগ্রেশন কাস্টমস্ টি টি চেকিং পয়েন্টে আসলে শুল্ক গোয়েন্দা সদস্যরা তাদের আটক করে।

এ সময় তারা প্রথমে অস্বীকার করে। পরে তাদের শরীর তল্লাশী করে জামার কলার, প্যান্টের কোমর বন্ধ ও নিচের অংশের সেলাই খুলে তার মধ্যে কৌশলে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় তিনজনের কাছ থেকে সাড়ে ৭’শ গ্রাম ওজনের মোট ১৭ টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। যাহার আনুমানিক মূল্য ৩৮ লক্ষ টাকা।
বেনাপোল কাস্টমস শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অফিসের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুস সাদেক বলেন, ১৭ টি স্বর্ণেরবারসহ তিনজন ভারতীয় পাসপোর্ট যাত্রী আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তিরা আন্তর্জাতিক রুটের পেশাধারী স্বর্ণ চোরাচালানী। তারা একাধিকবার পাসপোর্টযোগে স্বর্ণ পাচারের ক্ষেত্রে বাইরের দেশে যাতায়াত করেছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ ও আইনী প্রক্রিয়া শেষে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।
প্রকাশ থাকে যে, ভারতে পাচারের সময় গত বুধবার ১০পিস ও শুক্রবার ২০ পিস স্বর্ণেরবার সহ ৪জনকে আটক করেন কাস্টমস শুল্ক গোয়েন্দা সদস্যরা।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৪ডিসেম্বর,জহিরুল ইসলাম,ষ্টাফ রিপোর্টার,মৌলভীবাজারঃ মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার দুপুরে উপজেলার কালীঘাট ইউনিয়নের জাগছড়া চা বাগান নাট মন্দির প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত এ সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,আওয়ামীলীগের কেন্দ্রিয় কমিটির সদস্য ও কমলগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক রফিকুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রনধীর কুমার দেব, ভাইস চেয়ারম্যান প্রেমসাগর হাজরা, শ্রীমঙ্গল পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান এম এ রহিম, বাগান মালিক প্রতিনিধি তারসীন আহমেদ চৌধুরী ও প্রাক্তন চেয়ারম্যান পরাগ বারই।
পংকজ কন্দ’র স ালনায় বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মাখনলাল কর্মকারের সভাপতিত্বে সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সাধারণ স¤পাদক রাম ভজন কৈরী।
সভায় বিভিন্ন ভ্যালীর সভাপতি-স¤পাদক, বাগান প ায়েত সভাপতি-স¤পাদক, শ্রমিক নেতৃবৃন্দ সহ কয়েক শতাধিক নারী-পুরুষ চা-শ্রমিক উপস্থিত ছিলেন।

এসময় আওয়ামীলীগের কেন্দ্রী কার্যনির্বাহি সদস্য কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক রফিকুর রহমান, বলেন আওয়ামীলীগ সরকার কোন ষড়যন্ত্রে বিশ্বাস করে না। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণতন্ত্রে বিশ্বাসী।তিনি চা শ্রমিকের দু:খ কষ্ট বুঝেন। আপনাদের পাশে সব সময় তিনি আছেন এবং থাকবেন। তিনি আপনাদের ছেলে মেয়েদের জন্য প্রতিটি চা বাগানে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় দিয়েছেন। ভষ্যিতে আর দিবেন।
বাংলাদেশ চা-শ্রমিক ইউনিয়নের, ৭ টি ভ্যালীর চা শ্রমিক সদস্যরা উপস্থিত ছিল, ভ্যালী গুলো হলো,বালিশরিা, লংলা, মনদলই, জুড়ি, সিলেট, লস্কপুর,এবং চট্রগ্রাম বিভাগের ভ্যালী অংশগ্রহণ করে।
সভায় বাগান মালিক ও শ্রমিকদের মধ্যে আরো সু-স¤পর্ক গড়ে ওঠার লক্ষ্যে চা শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের দাবিসমূহ পূরণ ও তাদের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে সকলের সহযোগিতা ও ঐক্যবদ্ধতা কামনা করেন সংগঠনের নেতারা।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৪ডিসেম্বর:সাংবাদিক সলমান চৌধুরীর জন্মদিন উপলক্ষ্যে এলাকাবাসীদের মধ্যে শীত বস্ত্র বিতরণ অব্যাহত সাংবাদিক, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও তরুণ সমাজসেবক সলমান আহমদ চৌধুরীর জন্মদিন উপলক্ষ্যে সিলেট নগরীর ১নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় অসহায় মানুষের মধ্যে শীত বস্ত্র বিতরণ ২য় দিনের মত অব্যাহত রয়েছে। আজ রবিবার বিকেলে রাজারগলি,দর্শন দেউড়ী এলাকার বিভিন্ন স্থানে এই শীত বস্ত্র বিতরণ করেন তিনি।

এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রেইনবো ইভেন্টের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য জাহেদ আহমদ সানি, শাহরিয়ার আহমদ, রেইনবো ইভেন্টের ডাইরেক্টর মোনসাদ হোসাইন চৌধুরী,ছাত্রনেতা ওয়াসী মিলাদ চৌধুরী, বাশার চৌধুরী, মামুন হুসাইন, ফেরদৌস খান নাঈম। সাংবাদিক শাহরিয়ার চৌধুরী সাব্বির, এলাকাবাসীর পক্ষে ছিলেন আব্দুল মতিন,আবির আহমদ সহ আরো অনেকে। বিতরণকালে সলমান চৌধুরী বলেন, অসহায় মানুষের খেদমত করাও একটা ইবাদাত। আমার এলাকার মানুষেরা টিনের ঘরে থাকবে, শীতে কষ্ট করবে আর আমরা দালান কাঠোর ভিতরে থেকে আরাম করব সেটা কি হয়। এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে সব সময় এলাকাবাসীর পাশে ছিলাম, সাধ্যমত সহযোগিতা করেছি, আগামীতেও এলাকাবাসীর সুখে-দুঃখে পাশে থাকব বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। গতকাল শনিবার জন্মদিনের প্রথম দিনে দরগা মহল্লা ও মিরের ময়দান এলাকায়ও শীত বস্ত্র বিতরণ করেন তিনি।

উল্লেখ্য যে, এর আগেহ ২০১৬ সালের সিলেট সরকারী শিশু পরিবারের (এতিম শিশু) সদস্যদর নিয়ে জন্মদিন পালন করেন তিনি। আগামী সপ্তাহে ওয়ার্ডের অন্যান্য এলাকায়ও তিনি শীত বস্ত্র বিতরণ করবেন বলেও জানান তিনি।প্রেস বার্তা

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৪ডিসেম্বর,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:   সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় ৪ ডিসেম্ভর সোমবার হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে দেশ মাতৃকার মুক্তির টানে বাংলার দামাল ছেলেরা জীবন বাজিঁ রেখে সারা বাংলাদেশের ন্যায় ববর্র পাকিস্তানী বাহিনীকে প্রতিরোধ করে। তাহিরপুর উপজেলা থেকেও বিতারিত করে শত্রু মুক্ত করে স্বাধীন বাংলায় লাল সবুজের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে মুক্তিকামী সোনার বাংলার সোনার ছেলেরা। তাহিরপুর উপজেলা যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা সাবেক কমান্ডার হাজী মুজাহিদ উদ্দিন আহমেদ ও সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার রফিকুল ইসলাম জানান-তাহিরপুর উপজেলা ৫নং সেক্টরের ৪নং সাব সেক্টরের বড়ছড়া,টেকেরঘাট এর অধিনে ছিল।

এই দিনে মুক্তিযোদ্ধারা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সারা রাত জেগে যুদ্ধ করে হানাদার বাহিনীদের কে পরাজিত করে। উপজেলা সদরে অবস্থান রত পাকিস্তানী হানাদারদের শেষ বারের মত মরন কামর দেবার জন্য বিভিন্ন পরিকল্পনা করে। মেজর মুসলেদ্দিনের নেতৃত্বে সবাই একত্রিত হয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে উপজেলা সদরে ভোর ৪টার পর পর। কিন্তু এলাকা থেকে এর আগেই দখলার,নিষ্টুর,বর্বর পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীরা নিজেদের করুন পরিনতির কথা স্বরন করে পালিয়ে যায়। এই সংবাদ এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে আনন্দে সবার মুখে উচ্চারিত হয় জয় বাংলা বাংলার জয় প্রতিধবনি। শুরু হয় আনন্দ মিছিল,মিছিলে মুখরীত হয়ে উঠে সারা উপজেলা।

তাহিরপুর উপজেলা হানাদার মুক্ত দিবস উপলক্ষ্যে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড ও উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ্য থেকে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। জানাযায়,উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড ও উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্দ্যোগে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অপর্ন,র‌্যালী ও আলাচনা সভা সহ বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৪ডিসেম্বর,মিজানুর রহমান,সৌদি আরব প্রতিনিধিঃ সৌদি আরবে অবৈধ বিদেশি শ্রমিকদের বিরুদ্ধে গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ পর্যন্ত নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে বিভিন্ন স্থানে নানা অভিযোগে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার বিদেশি শ্রমিক গ্রেফতার হয়েছেন।এর মধ্যে ৬৭ হাজার ৭৬০ জনকে সৌদি আরবের আইন ভঙ্গ এবং অবৈধভাবে বসবাসের কারণে আটক করা হয়। ১৯ হাজার ৭০৯ জনকে গ্রেফতার করা হয় সীমান্ত আইন অবমাননার জন্য।

এ ছাড়াও ৩০ হাজার ৯৫৬ জনকে দেশটির শ্রম আইন অবমাননা এবং ১ হাজার ৪২৫ জনকে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে গ্রেফতার করা হয়।তবে এর মধ্যে কতজন বাংলাদেশি আছেন তার এখনও কোনো সঠিক তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে এবারের অভিযানে সবচেয়ে বেশি গ্রেফতার হয়েছে ইয়েমেন ও ইথিওপিয়ার নাগরিকরা।