Tuesday 12th of December 2017 01:15:20 AM

জৈন্তাপুর মডেল থানা ও শ্রীপুর বিজিবির অপসারনের দাবীতে সড়ক অবরোধ

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০২ডিসেম্বর,রেজওয়ান করিম সাব্বিরঃ সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার শ্রীপুর (শ্রীপুর,আসামপাড়া,খড়মপুর) কোয়ারীর দখলকে কেন্দ্র করে সকাল ১১টায় পূর্ব প্রস্তুতি নিয়ে স্থানীয় আওয়ামীলীগের দুই গ্র“পের মোখামুখি অবস্থান নেয়। এসময় স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন ঘটনাস্থলে অবস্থান করলেও তাৎক্ষনিক কোন প্রতিরোধের ব্যবস্থা গ্রহন করেননি। দু গ্র“পের প্রায় ৫০জন আহত হয়েছে। বিভিন্ন দাবীতে সিলেট তামাবিল মহা সড়ক দুপুর ১.৩০ মিনিট হতে অবরোধ করে রাখে কামাল গ্র“পের লোকজন।
জানা যায় শ্রীপুর পাথর কোয়ারী দখল নিয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি কামাল আহমদ ও সাধারন সম্পাদক লিয়াকত আলীর লোকজন বেশ কয়েকদিন থেকে কোয়ারীর পাঘর উত্তোলন করা নিয়ে একে অন্যের প্রতি দোষারুপ করে আসছে। স্থানীয় ভাবে বিভিন্ন সময় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পতির লক্ষ্যে কয়েক দফা বৈঠক হয়। কেউ কাউকে ছাড় দিতে রাজি হয়নি। বিষয়টি স্থানীয় প্রশাসনের নজরে পড়লে সংঘর্ষ এড়াতে রবিবার সকাল ১১টায় ১৪৪ ধারা জারি করে। এরই মধ্যে উভয় পক্ষের লোকজন পূর্ব প্রস্তুতি নিয়ে সকাল ১১টায় মধ্যেই কোয়ারীতে নেমে পড়ে। একে অন্যের মধ্যে দেশীয় অস্ত্র সস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এঘটনায় আহত হয় প্রায় অর্ধশত শ্রমিক ও ব্যবসায়ী। আহতরা হলে উপজেলা শ্রমিকলীগের সভাপতি ফারুক আহমদ, আনোয়ার হোসেন, সারমিন, হোসাইন আহমদ, নজরুল মিয়া, অহিদ মিয়া, আব্বাস মিয়া, আমিন আহমদ, কালা মিয়া, দেলোয়ার, আব্দুর রশিদ, গোপাল, মোস্তাক আহমদ, সালেহ আহমদ, আমিন উদ্দিন, মোহন মিয়া, তাজ উদ্দিন, আব্দুল খালেক, জমশেদ মিয়া, আব্দরি রহিম, আকবর আলী, আব্দুস শুকুর, বাহার, আখলাকুল আম্বিয়া, সাজিদুর রহমান, নুর উদ্দিন, আব্দুন নুর। অন্যদের নাম জানা যায়নি। গুরুত্বর আহদের সিলেট ওসমানি মেডিকেল কলেজে প্রেরন করেছে। অন্যরা স্থানীয় ভাবে চিকিৎসা নিয়ে বাড়ীতে চলে যান।
এদিকে জৈন্তাপুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি শ্রীপুর,আসামপাড়া,খড়মপুর পাথর কোয়ারির মালিকানা দাবীদার কামাল আহমদ বলেন আমার মলিকানা ভূমি চিহ্নিত করার জন্য ইতোপূর্বে উপজেলা প্রশাসনের কাছে লিখিত দাবী জানাই, প্রশাসন মাঠ জরিপ করার পরেও অবৈধ ভাবে দখলদার বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় টিলিভিশনে প্রকাশিত পাথর খেকু ভুমি দখলকারী লিয়াকত আলী ও ফয়েজ আহমদ বাবরের নেতৃত্বে আমার খরিদা ভুমি হতে পুলিশ ও বিজিবির সহযোগিতায় এস্কেভেটর, পেলুডার ও শ্রমিক ব্যবহারের মাধ্যমে পাথর উত্তোলন করে আসছে। রবিবার সকালে কোয়ারীতে লামার পর পরই লিয়াকত বাহিনীর প্রধান মুসলিম আলী ও ইসমাইল আলীর নেতৃত্বে পুলিশ বিজিবির সম্মুখে লাঠিয়াল বাহিনী আমার সদস্যদের উপর হামলা চালায় এবং পাথর কোয়ারী তাদের নিয়ন্ত্রনে নেয়। এঘটনার সুষ্ট বিচারের দাবীতে দুপুর ১টায় হতে জৈন্তাপুর বাজার, দরবস্ত বাজার এবং হরিপুর বাজরে সিলেট তামাবিল মহা সড়কে অবরোধ করে রাখে। জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ সহ সকল কর্মকর্তাদের এবং শ্রীপুর বিজিবির সকল সদস্যদের অপসারনের দাবী জানিয়ে অবরোধ অব্যাহৃত রাখে। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত অবরোধ চলছে।
অপরদিকে লিয়াকত বাহিনীর একাধিক সদস্যদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা কিছু বলেতে রাজি হননি শুধু জানান লিডার এবিয়য়ে বলবেন আপনারা লিডারের সাথে যোগাযোগ করেন। লিয়াকত আলীর একাধিক বার যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি তবে কোয়ারীর লীজ গ্রহীতা বলে দাবী করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মৌরীন করিম জানান- যোগদানের পর থেকে কোয়ারীর বিরুধ নিয়ে উভয় পক্ষের লোকজনের সাথে উপজেলা পরিষদে কয়েক দফা বৈঠক করেছি। কেউ কাউকে ছাড় দিতে রাজি নয়। কোয়ারী এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে স্বার্থে এবং সাধারণ শ্রমিকদের জান মালের নিরাপত্তার জন্য শ্রীপুর এলাকায় ১৪৪ধারা জারী করা হয় এবং উভয় পক্ষের লোকজন ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়ে পড়ে। যারা ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করেছে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩ডিসেম্বর,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃবিএনপির চেয়ারপারর্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরোদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারির প্রতিবাদে বিক্ষোব মিছিল করেছে সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপি। কেন্দ্রীয় ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসাবে সকাল সাড়ে ১১টায় পুরাতন বাস ষ্ঠ্যান্ডের জেলা বিএনপির দলীয় কার্য্যালয় থেকে এক বিশাল বিক্ষোভ মিছিল বের করে। বিক্ষোভ মিছিলটি শহরের ট্রাফিক পয়েন্টে যাওয়ার পথে পুলিশি বাধায় দোজা শফিং কমপ্লেক্সের সামনে অবস্থান করে বিক্ষোভ করে।

এসময় বক্তব্য রাখেন,বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা এডঃ ফজলুল হক আছপিয়া,জেলা বিএনপির সভাপতি কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন,সাধরন সম্পাদক নুরুল ইসলাম নুরুল,সহ-সভাপতি রাকিফুর রহমান গিলমান,আব্দুল লতিফ জেপি,আকবর আলী চেয়ারম্যান,আনিসুল হক,সাবেক চেয়ারম্যান সামছুল হক নমু,আবুল কালাম আজাদ,সেলিম উদ্দিন,যুগ্ম সম্পাদক নূর হোসেন,মোনাজ্জির হোসেন সুজন,সাংগঠানিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম,সহ সাংগঠানিক সম্পাদক জুনাব আলী,দপ্তর সম্পাদক আবুল বাকেরসহ জেলা বিএনপির নেতৃবৃন্ধ ও যুবদল,ছাত্রদল সহ অঙ্গসংঘটনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

হামলাকারী সন্ত্রাসী এখনো ধরা ছুঁয়ার বাইরে

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩ডিসেম্বর,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে জশনে জুলুস ঈ’দে মিলাদুন্নবীর মিছিল চলা কালিন সময়ে মিলাদুন্নবী বিরোধী এক সন্ত্রাসী অতর্কিত হামলা চালিয়ে ক্ষুর দিয়ে এলোপাতারি আঘাত করে চাচা ভাতিজা দুইজনকে  মারাক্তক আহত করে।আহতরা জেলা সদর হাস্পাতালে চিকিৎসাধীন।

স্থানিয়দের সুত্রে ঘটনার বিবরণে জানা যায়,আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত কমলগঞ্জ উপজেলা শাখার উদ্যোগে শনিবার সাড়ে ১১ টার দিকে পবিত্র জশনে জুলুসে  অংশ গ্রহণকারী মোঃ রমজান আলী (২৪) পিতা মৃত  আলি আকবর গ্রাম ছাতক ছড়া সদর ইউপি কমলগঞ্জকে এবং  তার সাথে অপর আহত আমির হোসেন (১৫) পিতা সেলিম মিয়াকে দেশিয় ধারালো অস্র দিয়ে এলাকায় সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত মিলাদুন্নবী  বিরোধী  বাটটি করিমের ছেলে আব্দুস সামাদ (২৬)  অতর্কিত হামলা চালিয়ে ক্ষুর দিয়ে এলোপাতারি আঘাত করে। মিছিলকারীরা জানান, মিছিলে চলন্ত সিএনজিতে প্রথমে ভাতিজা  আমিরকে দুটি  আঘাত করলে আমির চিৎকার শুরু করে, শ্লোগানের আওয়াজে সবাই শুনতে না পেলেও এমন সময় একটু দূর থেকে তার চাচা রমজান ভাতিজার কণ্ঠ শুনতে পান এবং তার আক্রমন থেকে বাঁচাতে দৌড়ে কাছে গেলে তাকেও সন্ত্রাসি আব্দুস সামাদ কয়েকটি আঘাত করে।এতে  রমজান আলি গলায়,বুকের বাম পাশে ধারালো অস্রের আঘাতে মারাক্তক জখম প্রাপ্ত হয়। মারাক্তক আহত দুইজনকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে পরে উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজনে জেলা সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন।হামলাকারী সন্ত্রাসী ও তার মদদদাতাকে গ্রেফতার করে শাস্তির  দাবী জানান এলাকার সচেতন মহল।

এদিকে কমলগঞ্জ থানার এস আই চুম্বককে সন্ত্রাসী গ্রেপ্তারের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি আমাদের প্রতিনিধিকে জানান এ ব্যাপারে আমরা একটি অভিযোগ পেয়েছি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

একপক্ষের মামলা দায়ের,তিনজনকে জেল হাজতে প্রেরন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে এলাকায় পুলিশ মোতায়েন

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩ডিসেম্বর,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:   সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের বীরনগড় ও জয়নগড় গ্রামের জেলেদের মধ্যে শনির হাওরে ছাই দিয়ে মাছ ধরার বাঁধ দেয়াকে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী সংর্ঘষের ঘটনায় শনিবার মোহাম্মদ আলী গ্রুপের আব্দুল হান্নান বাদী হয়ে বাবুল মিয়া গ্রুপের ৮৪জন কে আসামী করে তাহিরপুর থানায় মামলা দায়ের করেছে। অন্য পক্ষ এখনো মামলা দায়ের করে নি।

পুলিশ ও স্থানীয় এলাকাবাসী জানাযায়,শুক্রবার বিকালে সদর ইউনিয়নের বীরনগড় গ্রামের ইউপি সদস্য বাবুল মিয়া ও জয়নগড় গ্রামের মোহাম্মদ আলীর গ্রুপের লোকজনের মধ্যে শনির হাওরে মাছ ধরার জন্য এক অপরকে বাঁধ দেয়। এনিয়ে দুই পক্ষ কতা কাটা কাটির এক প্রর্যায়ে দেশীয় অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে ২ঘন্টা ব্যাপী সংর্ঘষে জড়িয়ে পরে। খবর পেয়ে তাহিরপুর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন আন্তে দুই রাউন্ড টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। এসময় সংর্ঘষ থামাতে গিয়ে তাহিরপুর থানার এসআই আমির হোসেন,কনস্টেবল নুরুল ইসলাম ও নৌকার মাঝি হুমায়ুন আহত হয়।

পরে ঘটনাস্থল থেকে লোহার ছুলফি,ঢাল ও বাশেঁর টোটা সহ দুই শতাধিক দেশীয় আস্ত্রসস্ত্র জব্দ করে ও মাছ ধরার জাল এবং হাওরের পাচঁটি বাঁধ ভেঙ্গে দেয় পুলিশ। তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পূনেন্দ্র দেব,জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (পশ্চিম) মোহাম্মদ হাবিবুল্লাহ ও তাহিরপুর সার্কেলের সিনিয়র পুলিশ সুপার কানন কুমার দেবনাথ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। সংর্ঘষে মোহাম্মদ আলী ও বাবুল মিয়া গ্রুপের সংর্ঘষে পুলিশ,মহিলাসহ দু-পক্ষের অর্ধশতাধিক আহত হয়েছে।

গুরুত্বর আহতদের মধ্যে ২৫জন কে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল,সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতাল,তাহিরপুর,জামালগঞ্জ ও বিশ্বম্ভরপুর হাসপতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানাযায়। অন্যান্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পুলিশ সংর্ঘষে জরিত থাকার অপরাধে খসরু মিয়া,কালা মিয়া ও আশিকনূর নামে তিন জন কে রাতেই অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার করে সুনামগঞ্জ জেল হাজতে প্রেরন করেছে।

তাহিরপুর থানার ওসি (তদন্ত) আসাদ্দুজ্জামান হাওলাদার এঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,এক পক্ষ মামলা দায়ের করেছে। যে কোন অনাকাংখিত ঘটনা এড়াতে ও এলাকার শান্তি শৃংখলা বজার রাখতে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়ের আছে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩ডিসেম্বর,চুনারুঘাট প্রতিনিধি:  প্রতি বছরের ন্যায় চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নে শাহ্ শামছুদ্দীন আখঞ্জী (রহঃ) ইসলামী একাডেমী ও ইমাম আহমদ রেযা শাহ্ শামছুদ্দীন আখঞ্জী (রহঃ) সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসা এবং রিয়াছত উল্লাহ হাফেজিয়া মাদ্রাসার যৌথ
উদ্যোগে জশনে জুলুশ ঈদে মিলাদুন্নবী (সাঃ) র‌্যালী, অলোচনা সভা ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল ১২ই রবিউল আউয়াল শনিবার সকাল ১০টায় একাডেমী মাঠ প্রাঙ্গন হতে পবিত্র জশনে জুলুছ ঈদে মিলাদুন্নবী (দঃ) র‌্যালী বের হয়ে আমুরোড বাজারের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। সড়ক প্রদক্ষিণের সময় জুলুছে অংশগ্রহণকারীদের মুখে ছিল নাতে রাসুলের ধ্বনি, নারায়ে তকবীর,নারায়ে রেসালাতের স্লোগান। জুলুছ শেষে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়একাডেমীতে। আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন শাহ্ শামছুদ্দিন আখঞ্জী (রহঃ) ইসলামী একাডেমীর অধ্যক্ষ শাহ্ কুতুব উদ্দিন আখঞ্জী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন মাওঃ মুফতি মিজানুর রহমান, মাওঃ আব্দুল আলী, হাফেজ জাবের আহমেদ, মাওঃ শাহিদ উদ্দিন আখঞ্জী, পল্লীচিকিৎসক আলমগীর হোসেন ও গোছাপাড়া যুব ঐক্য পরিষদের সভাপতি মানিক মিয়া প্রমূখ। পরে মিলাদ কিয়াম শেষে বিশ্ব মুসলিমের সমৃদ্ধি ও শান্তি কামনায় মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলালা এম এ মালেক নেজামী। তাবারুক বিতরণের মধ্য দিয়ে জুলুছের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০২ডিসেম্বর,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ ডিগ্রী কলেজে ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক আবু তৌহিদ জুয়েল কে নির্মম ভাবে হত্যার ঘটনায় ধর্মপাশা থানায় হত্যা মামলা দায়ে করা হয়েছে। মৃতের বড় ভাই শুয়েব মিয়া ১১ জন কে আসামী করে শুক্রবারই মামলা করেছেন যার নং ০১,তারিখ ০১.১২.২০১৭খ্রী:। অবু তৌহিদ খুনের ঘটনায় ৩ জন কে গ্রেফতার করে আসামীদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
এদিকে শনিবার দুপুরে মৃতের কর্মরত প্রতিষ্ঠান জামালগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ শিক্ষকবৃন্দ, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা খুনীদের দ্রুত গ্রেফতার করে ফাঁসির দাবীতে বিক্ষোভ করেছেন। বিক্ষোভ পরবর্তী কলেজ প্রাঙ্গনে মৃতের প্রথম জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলা প্রশাসন, আইশৃঙ্খলা বাহিনী, জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজ, স্থানীয় সাংবাদিক সমাজ, কলেজের শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার লোকজন উপস্থিত হন। জানাযা পূর্বে কলেজ প্রাঙ্গনে শোকার্ত মানুষের সামনে কলেজ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের পক্ষে অধ্যক্ষ হাবিবুর রহমান চৌধুরী সংকিপ্ত বক্তব্যে তার সহকর্মী আবু তৌহিদ জুয়েলের খুনীদের বিশেষ ট্রাইবুনালে অথবা দ্রুত বিচার আইনে দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির দাবী জানান। উল্লেখ্য, বাড়ির সীমানা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের লোকজনের হামলায় জামালগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের শিক্ষক আবু তৌহিদ অরফে জুয়েল (৩৬) শুক্রবার খুন হন। ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের কাকিয়াম গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে গত শুক্রবার। নিহত জুয়েল কাকিয়াম গ্রামের বাসিন্দা সাবেক ইউপি সদস্য মৃত রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে। জামালগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন তিনি। বিকেল ৫ টায় তার নিজ গ্রাম কাকিয়ামে দ্বিতীয় জানাযা শেষে প ায়েতি কবর স্থানে দাফন করা হবে বলে তার নিকট আত্মীয়ের মাধ্যমে জানা গেছে।
এব্যাপারে ধর্মপাশা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুরঞ্জিত তালুকদার বলেন, কলেজ শিক্ষক খুনের ঘটনায় তার বড় ভাই শুয়েব বাদী হয়ে ১১ জন কে আসামী করে মামলা করেছেন। ৩ জন আসমামী গ্রেফতার করে বিঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে, বাকীদের দ্রুত গ্রেফতারের প্রচেষ্ঠা চলছে।