Tuesday 12th of December 2017 01:16:37 AM

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০১ডিসেম্বর,হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে কুলাঙ্গার পুত্রের হাতে পিতা খুন হয়েছেন। এঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন একজন। ১ ডিসেম্বর শুক্রবার রাত সাড়ে ৮ টায় উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের আসামপাড়া এলাকার বিলপাড় গ্রামে এঘটনাটি ঘটেছে। নিহত পিতা ফিরোজ মিয়া উপজেলার গাজীপুর ইউনিয়নের আসামপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল কাইয়ুম এর পুত্র।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে পাওয়া,নিহত ফিরোজ মিয়ার ছেলে ইমরান মিয়া ও ইমন মিয়া মাঝে দীর্ঘদিন যাবত পারিবারিক কলহ বিরাজ করছিল। আজ পহেলা ডিসেম্বর শুক্রবার বিকালে দুই ভাইয়ের মাঝে ঝগড়াঝাঁটি হয়। তখন ফিরোজ মিয়া তার ছোট ছেলে ইমন মিয়ার পক্ষ নেন।ছোট ভাই ইমন মিয়ার পক্ষ নেওয়ায় এরই জের ধরে ইমরান মিয়া তার পিতা ফিরোজ মিয়া ও ছোট ভাই ইমন মিয়ার উপর দেশিয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। তখন ফিরোজ মিয়া ও ইমন মিয়ার শুরচিৎকারে স্হানীয়রা এগিয়ে আসলে ইমরান মিয়া ঘটনার স্হল থেকে পালিয়ে যায়।

গুরুতর আহত অবস্থায় স্হানীয়র ফিরোজ মিয়া ও ইমন মিয়া কে চুনারুঘাট সরকারি হাসপাতালে নিয়ে আসলে কত্যর্বরত চিকিৎসক ফিরোজ মিয়া কে মৃত ঘোষণা করেছেন। ইমন মিয়ার অবস্থা আশংকাজনক অবস্থায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছেন। চুনারুঘাট থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  (ওসি) কে.এম. আজমিরুজ্জামান সত্যতা স্বিকার করে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, কুলাঙ্গার পুত্র ইমরান মিয়া কে গ্রেপ্তার করতে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা আগ পর্যন্ত চুনারুঘাট থানায় কো অভিযোগ দেওয়া হয়নি।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০১ডিসেম্বর,ডেস্ক নিউজঃ বাংলাদেশ কস্পিউটার কাউন্সিল এর বিভাগীয় প্রধান প্রোগামার তথ্যপ্রযুক্তবিদ মধু সূদন চন্দ বলেছেন আধুনিক ও ডিজিটাল যুগের সাথে তাল মেলাতে বিশ্বের সকল দেশই আজ সখ্যতা গড়ছে আইসিটির সঙ্গে দেশের উন্নয়ন অগ্রগতির জন্য তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ে জ্ঞান লাভের বিকল্প নেই। তিনি বর্তমান যুগকে তথ্য-প্রযুক্তির যুগ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ছেলে- মেয়ে সকলকেই প্রযুক্তি শিক্ষা অর্জনের মাধ্যমে আত্মনির্ভশীল হতে হবে।

উন্নত বিশ্ব তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে দ্রত অগ্রসর হচ্ছে। তাদের সাথে তাল মিলিয়ে আমাদের উন্নয়ন কর্মকান্ড ত্বরান্বিত করতে হবে।তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের অধীনে বাংলাদেশ কস্পিউটার কাউন্সিলে সিলেট’র আয়োজনে ও উইমেন আইসিটি ফ্রন্টিয়ার ইনিশিয়েটিভ (ওয়াইফাই)এর সহযোগিতায় গতকাল শুক্রবার সকাল দশটায় নগরীর উপশহরস্থ বিসিসি মিলনায়তনে ‘‘নারী উদ্যোক্তাদের ফ্রি আইসিটি উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। বিসিসি সিলেটে’র সহকারী প্রোগামার অলি উল্লাহ আহমেদ’র সভাপত্বিতে ও সিলেটের সময়ের সিনিয়র রিপোর্টার প্রভাষক মবরুর আহমদ সাজুর পরিচালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লিডিং ইউনিভার্সিটির বিবিএ ডিপার্টমেন্টের সিনিয়র প্রভাষক আনোয়ার আহমেদ আরিফ প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিসিসির তরুণ প্রযুক্তিবিদ মধূ সুদন চন্দ আরো বলেন – ‘আগামীর জন্য প্রস্তুত’ স্লোগানে আগামী ৬ ডিসেম্বর শুরু হচ্ছে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দেশের সবচেয়ে বড় প্রদর্শনী ‘ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড-২০১৭’।

রাজধানীর বসুন্ধরা ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স সেন্টারে (বিআইসিসি) চারদিনের এ সম্মেলনের আয়োজক আইসিটি বিভাগ। সম্মেলনে আয়োজন সহযোগী হিসেবে থাকছে বিসিসি, বেসিস ও এটুআই। আইসিটি এদিকে আইসিটি বিভাগের অধীনে পোস্ট, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের (এমপিটিআইটি) এরই উদ্যেশ্যে ঢাকার মধ্যে দুটি ওয়াইফাই প্রোগ্রামের পর এই প্রথম ঢাকার বাইরে সিলেট এ ওয়াইফাই এর প্রথম প্রোগ্রামটি বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল, সিলেট আ লিক কার্যালেয় দুই দিন ব্যাপী শুরু হয়। উইমেন আইসিটি ফ্রন্টিয়ার ইনিশিয়েটিভ (ওয়াইফাই) ফ্ল্যাশশিপ প্রোগ্রামটি নারী উদ্যোক্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীযয় অ লের আইসিটিতে নারী উদ্যোক্তা এবং উদ্যোক্তা উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করে যাতে তারা এবং তাদের উদ্যোগ আরো উৎপাদনশীল হতে পারে, এবং আশা করা যায় টেকসই হতে পারে যাতে তারা তাদের সামাজিক উন্নয়নের পাশাপাশি স্থানীয় ও জাতীয় অর্থনীতিতেও অবদান রাখতে পারে। একটি আ লিক ফোরামে কোরিয়াতে ৯-১০ জুন, ২০১৩ তারিখে ওয়াইফাই প্রোগ্রাম আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়েছিল যা এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অ লের আইসিটিডি-র-ক্ষমতাশীল আধুনিক শিল্প-সংস্কৃতির পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য উপযুক্ত আ লিক ও জাতীয় ক্ষমতা বিকাশের জন্য স্থায়ী উন্নয়নের এজেন্ডা ২০৩০।

ওয়াইফাই প্রোগ্রাম এর সামগ্রিক লক্ষ্য হল আইসিটি-সক্ষম উদ্যোক্তার মাধ্যমে সামাজিক এবং অর্থনৈতিকভাবে ক্ষমতাশীল মহিলা উদ্যোক্তা তৈরি করা। ওয়াইফাই নিম্নলিখিত মূল উদ্দেশ্য অর্জনে আশাবাদী নারী উদ্যোক্তাদের তাদের ব্যবসা সমর্থনের জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষতা বৃদ্ধি; আইসিটি-কর্তৃত্বপ্রাপ্ত নারী উদ্যোক্তাদের জন্য একটি সক্রিয় পরিবেশ তৈরি করতে সরকার ও নীতিনির্ধারকদের ক্ষমতায়ন শক্তিশালী করন। বাংলাদেশ সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ নামে একটি জাতীয় আইসিটি কৌশল হিসেবে ওয়াইফাই প্রোগ্রামটি গ্রহণ করছে, যার লক্ষ্য হচ্ছে ২০২১ সালের মধ্যে দেশকে একটি আধুনিক ও সমন্বিত জ্ঞানভিত্তিক সমাজে পরিণত করা, কেবলমাত্র দেশের আইসিটি অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে নয় আইসিটি মানুষের সম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে। ওয়াইফাই এর অধীনে, আইসিটি বিভাগ ২০১৮ মধ্যে দেশের ৩০,০০০ নারী উদ্যোক্তাদের আইসিটি এবং উদ্যোক্তা প্রশিক্ষণ প্রদানের লক্ষ্যে কাজ করছে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে কাজ করছে এশিয়া ও প্যাসিফিক ট্রেনিং সেন্টার ফর ইনফরমেশন এন্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি ফর ডেভেলপমেন্ট (এপিসিআইসিটি / এসক্যাপ)।

সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর নিরব

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০১ডিসেম্বর,রেজওয়ান করিম সাব্বির: জৈন্তাপুর উপজেলা খাঁসিয়া হাওরে যন্ত্র দানব বোমা মেশিন দিয়ে পাথর আহরন করছে একটি পাথর খেকু চক্র। সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদপ্তর নিবর ভূমিকা পালন।

গতকাল ১লা ডিসেম্বর শুক্রবার জৈন্তাপুর উপজেলার সীমান্তের ১২৭৮নং আর্ন্তজাতীক পিলারের ৫এস নং পিলার এলাকায়  সরেজমিনে পরিদর্শন করে দেখা যায় ভারত হতে সৃষ্ট খাঁসি ঝর্ণার কারনে বাংলাদেশ অংশে খাঁসি নদী জন্ম। নদীর উৎস মূখে স্থানীয় প্রভাবশালী পাথর খেকু চক্র দৃষ্টি পড়ে পাথরের উপর। কোন প্রকার কোয়ারী ঘোষনার আগেই গত ১সপ্তাহ হতে খাঁসি নদীর উৎস মুখে বোমা মেশিন ব্যবহার করে পাথর উত্তোলন করছে চক্রটি। ইতোমধ্যে চক্রটি প্রায় ৩৫টি বোমা মেশিন স্থাপন করে পাথর আহরন কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। নদীর প্রায় ১০একর জায়গা জুড়ে চক্রটি বোমা মেশিন মাধ্যমে পরিবেশ বিধ্বংসে মহাযজ্ঞ চালাচ্ছে। ১২৭৮নং আন্তজার্তীক পিলারের ৫এস পিলার হতে বাংলাদেশের অভ্যান্তরে ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফ ১৫০গজ দূরে খুঁটি পুতে দিয়েছে। অপরদিকে খাঁসি নদীর উৎস্য মুখ হতে বোমা মেশিন ব্যবহার করে পাথর উত্তোলনের ফলে নদীর তীরবর্তী প্রায় শত শত একর ফসলী জমি নদী গর্ভে বিলিন হতে পারে বলে ধারনা করছে সচেতন মহল তাছাড়া অবৈধ পন্থায় এই নদী হতে পাথর আহরনের ফলে সরকার রাজস্ব হারাবে। সচেতন মহল দাবী খাঁসি নদী হতে দ্রুত পাথর খেকুদের কার্যক্রম বন্ধ না করা হলে এলাকার পরিবেশ ধ্বংসের মুখে পড়বে। তাই এখনই সময় এদের উচ্ছেদ করা।

এবিষয়ে জানতে সারী নদী বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি গবেষক ও লেখক আব্দুল হাই আল হাদি জানান- জাফলংয়ের মত আর কোন স্থান যেন পাথর খেকু হাতে ধ্বংশ না হয় সেজন্য শুরুতেই প্রশাসনের কঠোর হস্তক্ষেপের মাধ্যমে তা বন্ধ করতে হবে। অন্যতায় নদী হারাবে তার জৈব্য বৈচিত্র, ফসলী জমি বিলিন হবে, পরিবেশ হবে ধ্বংস। সে জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টি আর্কষণ করছি।

এবিষয়ে জানতে বেলার সিলেট বিভাগীয় সমন্বয়ক শাহ সাহেদা আখতার জানান- যেহেতু এটি কোন কোয়ারী নয় এবং সরকার কোন ইজারা নেই সে ক্ষেত্রে এখানে পাথর উত্তোলন সম্পূর্ণ বেআইনি। বোমা মেশিন ব্যবহারের মাধ্যমে পাথর আহরন করা সম্পূর্ণ বেআইনি। আমি সংশ্লিষ্ট পরিবেশ অধিদপ্তর, জেলা প্রশাসক, বিভাগীয় কমিশনার এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দৃষ্টি আর্কষণ করছি অভিলম্বে এসকল বেআইনি কাজ বন্ধ করার দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য।

এবিষয়ে জানতে জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মৌরীন করিমের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রতিবেদকে জানান- খাঁসি নদীর বিষয়ে আমার কাছে কোন তথ্য নেই বা এখান হতে পাথর আহরন বিষয়ে আমি কোন অভিযোগ পাইনি। বিষয়টি আমি খতিয়ে দেখছি।

 

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০১ডিসেম্বর,বেনাপোল প্রতিনিধিঃ   বেনাপোল চেকপোষ্টে ভারতে পাচারের সময় ২০পিস স্বর্ণের বারসহ দু’ভারতীয় পাসপোর্ট যাত্রীকে আটক করেছে শুল্ক গোয়েন্দা সদস্যরা। শুক্রবার দুপুর ২টায় ঐ যাত্রীরা ভারতে প্রবেশের সময় শুল্ক গোয়েন্দা সদস্যদের সন্দেহ হলে তাদের আটক করে। পরে তাদের দেহ তল্লাশী করে মলদ্বার থেকে স্বর্ণেরবারগুলি উদ্ধার করা হয়।
আটককৃতরা হলেন- ভারতের দিল্লির উত্তম নগর এলাকার মাহেন্দার বর্মার ছেলে সঞ্জীব বর্মা (৪৮) ও কলকাতা ইকবালপুরের নূরুল হকের ছেলে নসরুল হক (৩৬)।
কাস্টমস গোয়েন্দা সূত্র হতে জানা যায়, স্বর্ণ পাচারের বিষয়ে তাদের কাছে আগে থেকে তথ্য ছিল। বেনাপোল কাস্টমস্ চেকপোষ্ট থেকে বের হওয়ার পথে তাদের আটক করা হয়। এ সময় তারা প্রথমে অস্বীকার করে। পরে তাদের শরীর তল্লাশী করে দু’জনের মলদ্বার থেকে ১০টি করে মোট ২০টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। আটককৃত স্বর্ণের ওজন ২’কেজি।
এর আগে ভারতে পাচারের সময় গত বুধবার সকালে শরীয়তপুরের হাজি সাফদার মাতবরকান্দি উপজেলার নাওডুবা জাজিরা গ্রামের ইব্রাহিম মাতব্বরের ছেলে ইলিয়াস ও গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার জাহাঙ্গীর খানের ছেলে মহাসিন খানকে ১০টি স্বর্ণেরবারসহ আটক করেন কাস্টমস শুল্ক গোয়েন্দা সদস্যরা।
বেনাপোল কাস্টমস শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অফিসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইদ্রিস আলী ২০’টি স্বর্ণের বারসহ আটক দু’ভারতীয় পাসপোর্ট যাত্রীর বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তাদের জিজ্ঞাসাবাদ ও আইনী প্রক্রিয়া শেষে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০১ডিসেম্বর,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ   সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নের কায়য়াম গ্রামে দু পক্ষের সংঘর্ষে আবু তৌহিত(৪০) নিহত হয়েছে। তিনি সেলবরষ ইউনিয়নের কায়য়াম গ্রামের মৃত সিরাজ উদ্দিনের ছেলে ও জামালগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের ইতিহাস বিষয়ের প্রভাসক। এ ঘটনায় পুলিশ আব্দুল খালেক (৬৫) ও আব্দুর রাজ্জাক (৫০) নামে দু-জন কে আটক করেছে। নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে প্রেরন করেছে পুলিশ। পুলিশ ও এলাকাবাসী জানান,সেলবরষ ইউনিয়নের কায়য়াম গ্রামের আব্দুল খালেকের ছেলে আব্দুর রাজ্জাকের সাথে নিহত আবু তৌহিদের সাথে বাড়ির সীমানা নিয়ে পূর্ব বিরোধ ছিল।

আজ শুক্রবার সকালে এ নিয়ে কথা কাটাকাটির এক প্রর্যায়ে দু-জনের মাঝে হাতা হাতি পরে দুজনেই একে অপরকে লাটি দিয়ে আগাত করে। এক প্রর্যায়ে দু-জনকেই থামিয়ে দেয় এলাকার লোকজন। গুরুত্ব আহত অবস্থায় আবু তৌহিদ কে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মারা যায়। ধর্মপাশা থানার ওসি সুরজিৎ তালুকদার এঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,এখনো কোন অভিযোগ আসেনি। তবে নিহতের পরিবার থেকে মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০১ডিসেম্বর,হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জে চুনারুঘাট উপজেলার গাজিপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী  টেকেরঘাটের বাসিন্দা বৃদ্ধা আছিয়া খাতুনের নিকট একটি হুইলচেয়ার ও ভাতা ব্যবস্থা করে দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার  কাইজার মোহাম্মদ ফারাবী। ৩০ নভেম্বর বৃহস্পতিবার দুপুর ২ ঘটিকায় আছিয়া খাতুনের সাথে কথোপকথন করেন  ইউএনও।

এ সময় তিনি ৩০ মিনিট অবস্থানকালে বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজখবর নেন।বৃদ্ধা আছিয়াকে হুইলচেয়ারসহ ভাতার ব্যবস্থা ইউএনও’র  হুইল চেয়ার হস্তান্তর সময়ে উপস্থিত ছিলেন কারিতাসের মাঠ কর্মকর্তা মো মশিউর রহমান, প্রীতম ব্রিকসের কর্ণধার রুবেল আহমদ, ইউপির মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ডের সভাপতি মো নুরুন্নবী, চুনারুঘাট ফটোগ্রাফিক সোসাইটির সভাপতি সৌরাইজাম উৎপল সিংহ ও সহ-সাধারণ  সম্পাদক আল মোছাফ্ফা নিপু, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক অপুর্ব কুমার সিংহ, সোসাইটি সদস্য পি ডি আর পিয়াস, রজব আলীসহ স্থানীয় বাসিন্দারা প্রমুখ।

উল্লেখ্য চুনারুঘাট ফটোগ্রাফিক সোসাইটির সদস্যদের মুক্তিযোদ্ধাদের ছবি সংগ্রহের কাজ চলছে।এ সময় বৃদ্ধার করুণ চিত্র পাওয়া যায়। এ নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিলো। গ্রাম-বাঙলায় বৃদ্ধার ছবি ইউএনও মহোদয় কর্ণগোচর হয়। সেই প্রেক্ষাপটে তৎক্ষনিক ব্যবস্থা নেন।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০১ডিসেম্বর,হাবিবুর রহমান খানঃ  মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলার সদর জায়ফরনগর ইউনিয়নের চাটেরা ও হামিদপুর গ্রামে পল্লী বিদ্যুতায়নের উদ্বোধন।জাতীয় সংসদের হুইপ শাহাব উদ্দিন এমপি বলেছেন, আওয়ামীলীগ সরকার দেশের বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান করেছে। আর অন্য দিকে জোট সরকার বিদ্যুৎ দিতে পারে নাই।আমরা বাংলাদেশকে একটি মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করেছি,বাংলাদেশ এখন আর ভিক্ষা করে না।
ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার রুপকল্প-২০২১ বাস্তবায়নে প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদানের বিকল্প নেই। এর লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। আওয়ামীলীগ সরকার বিদ্যুৎ সেক্টরের নাজুক অবস্থার উত্তরন ঘটিয়ে ৬৩টি ছোট বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মাধ্যমে বর্তমানে সাড়ে দশ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে। যার ফলে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদান অব্যাহত রয়েছে।

হুইপ বিএনপি সরকারের আমলে কানসাটে বিদ্যুতের দাবিতে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলিবর্ষণের বিষয়টি উল্লেখ করে বলেন, বিএনপি-জামায়াত বিদ্যুৎ দিতে পারে নাই ওই অঞ্চলের মানুষকে তারা দিয়েছে গুলি।
বিদ্যুতের জন্য আন্দোলন করায় তারা সাধারণ মানুষের উপর গুলি চালিয়েছিল। অনুস্টানে হুইপ বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকার জুড়ী বড়লেখা উপজেলার প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ পৌছেঁ দেয়া হবে।

বৃহস্পতিবার সন্দায় উপজেলার সদর জায়ফরনগর ইউনিয়নের চাটেরা ও হামিদপুর গ্রামে বিদ্যুত সংযোগের শুভ উদ্ধোধনী অনুষ্ঠানে যুবলীগ নেতা শাহ্ আলমের সঞ্চালনায় ও জায়ফরনগর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক হাজী আব্দুস সালামের সভাপতিত্বে প্রধান অথিতির বক্তব্যে জাতীয় সংসদের হুইপ জুড়ী-বড়লেখাবাসীর অভিবাবক আলহাজ্ব শাহাব উদ্দিন আহমদ এমপি এসব কথা বলেন।
অনুস্টানে বিশেষ অথিতি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য দেন জুড়ী উপজেলা আওয়ামীলীগের আহব্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা বদরুল হোসেন, যুগ্ম আহবায়ক হাজী শফিক আহমেদ, মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের সদস্য বদরুল ইসলাম, জুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি জালাল উদ্দিন, জায়ফরনগর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যান হাজী মাছুম রেজা, সাবেক চোয়ারম্যান নজমুল ইসলাম মাস্টার, উপজেলা যুবলীগ সধারন সম্পাদক রিংকু রঞ্জন দাস, বড়লেখা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও পৌরসভার প্যানেল মেয়র তাজ উদ্দিন, বড়লেখা উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক কামাল আহমদ, সদর জায়ফরনগর ইউনিয়ন যুবলীগের আহবায়ক আবুল খায়ের সাইমন, যুগ্ম আহবায়ব কয়ছর আহমদ রুবেল, যুবলীগ নেতা আব্দুল মতিন, জহিরুল ইসলাম, উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক আব্দুল হান্নান, যুগ্ম আহবায়ক রাজিবুর রহমান রাজিব, যুগ্ম আহবায়ক ফয়ছল আহমদ, কলেজ ছাত্রলীগের আহবায়ক শাহাব উদ্দিন সাবেল, যুগ্ম আহবায়ক ইকবাল ভূইয়া উজ্জল, যুগ্ম আহবায়ক রিয়াদ আহমদ সহ স্হানীয় উপজেলা ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০১ডিসেম্বর,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ   সুনামগঞ্জের মহান মুক্তিযোদ্ধে অংশ গ্রহনকারী এক বীর মুক্তিযোদ্ধার ব্যতিক্রমধর্মী প্রতিবাদের জেলা জুড়েই আলোচনার ঝড় বইছে। এই প্রতিবাদ করেছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মালেক হুসেন পীর নিজের স্বার্থে নয় জেলার প্রতিটি স্কুল,কলেজ নিয়মিত উপস্থিত থাকলেও ছাত্র-ছাত্রীদের ক্লাস না হওয়ায় কারনে। অসচ্ছল এই মুক্তিযোদ্ধা অভাবের তাড়নায় পৌর শহরের তেঘরিয়া পীরবাড়ি এলাকায় কোন রখমে স্ত্রী,ছেলে ও মেয়ে নিয়ে দিন পার করছেন। সম্প্রতি তিনি সুনামগঞ্জ সরকারী কলেজে অনার্স ২য় বর্ষে পড়–য়া মেয়ে সানজিদার দ্বিতীয় বর্ষের নির্বাচনী পরীক্ষার বিষয়ে তার কাছ থেকে জানতে চান পরীক্ষা কেমন হয়েছে। মেয়ে জানায় পরীক্ষা তেমন ভাল হয় নি। ভাল না হওয়ার কারনে জানতে চাইলে মেয়ে জানায়,ইংরেজী নন ক্রেডিট ও রসায়ন পরীক্ষা ভাল হয় নি। আরো জানায়,নিয়মিত ক্লাস করলেও এই দুই বিষয়ে কলেজে নিয়মিত পাঠদান না হওয়ায় পরীক্ষা খারাপ হয়েছে। আর্থিক অসচ্ছলতার কারনে মেয়েকে প্রাইভেট পরাতে না পারায় মনের কষ্টে তিনি বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ১৫মিনিটে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক সাবিরুল ইসলামের কার্য্যালয়ের সামনের মেঝেতে বসে ২ঘন্টা ব্যাপী অনশন শুরু করেন। জেলা প্রশাসকের কার্য্যালয়ের সকল কর্মকর্তাগন অনশনের কারন জানতে চেয়ে অণশন ভেঙ্গে অফিসে এসে কথা বলার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু তিনি জেলা প্রশাসক ছাড়া কারো সাথেই কথা বলতে নারাজ।

খবর পেয়ে জেলা প্রশাসক সকল কাজ ফেলে মুক্তিযোদ্ধা মালেক হুসেন পীরের সাথে কথা বলার জন্য বেলা সাড়ে ১১টার সময় আসেন। পরে জেলা প্রশাসক তাকে অনুরোধ করে অনশন ভেঙ্গে তার কার্য্যালয়ে নিয়ে গিয়ে একান্তে কথা বলেন। জেলা প্রশাসক সাবিরুল ইসলাম মালেক হুসেন পীরের মুখ থেকে সব কথা শুনে তাকে একটি লিখিত আবেদন করার জন্য অনুরোধ জানান। এছাড়াও এই বিষয়ে গুরুত্বের সাথে তর্দন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা মালেক হুসেন পীর বলেন,আমার চলার মত একটাই অবলম্বন তা হল মুক্তিযোদ্ধা ভাতা। তা দিয়ে কোন রখমে আমার সংসার চালাই। ছেলে মেয়ের পড়া শুনার খরচ চালাতে গিয়ে আমি হিমসিম খাই। সুনামগঞ্জ সরকারী কলেজে অনার্স ২য় বর্ষে পড়–য়া মেয়ের দ্বিতীয় বর্ষের নির্বাচনী পরীক্ষার বিষয়ে সানজিদার কাছ থেকে জানতে গিয়ে জানতে পাই নিয়মিত ক্লাস করলেও ইংজেী ও রসায়ন কলেজে ক্লাস হয় না। মেয়েকে এই দু বিষয়ে প্রাইভেটও পড়াতে পারে নি। যার জন্য তার পরীক্ষা খারাপ হয়েছে। নিয়মিত ক্লাস হলে পরীক্ষা খারাপ হত না। তাই প্রতিবাদে আমি এমন অনশন শুরু করেছিলাম। জেলা প্রশাসক আমাকে লিখিত ভাবে আবেদন করার জন্য বলেছে। আবেদনের প্রেক্ষিতে তর্দন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলে আমাকে আশ্বাস্ত করেছেন।

জেলা প্রশাসক সাবিরুল ইসলাম বলেন,বীর মুক্তিযোদ্ধা মালেক হুসেন পীর আমার কার্য্যালয়ের দরজার সামনে অনশন শুরু করেন। আমার কার্য্যালয়ের কর্মকর্তাগন সবাই অনশন ভঙ্গ করে অফিসে বসে কথা বলার জন্য বলেন। তাতে তিনি রাজি হননি। আমি খবর পাওয়া মাত্রই ছুটে এসে উনার অনশন ভাঙ্গিয়ে সব কথা শুনেছি। সুনামগঞ্জ সরকারী কলেজে অনার্স ২য় বর্ষে পড়ুয়া মেয়ের দ্বিতীয় বর্ষের নির্বাচনী পরীক্ষার ইংরেজী ও রসায়ন পরীক্ষা খরাপ হয়েছে কলেজে পাঠদান না হওয়ায়। আমরা এই বিষয়ে খোঁজ খবর নিব এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করব। সুনামগঞ্জ সরকারী কলেজে অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আব্দুস ছাত্তার বলেন,আমার কলেজে শিক্ষক সংকট রয়েছে। রসায়ন বিভাগে ক্লাস হয় না শিক্ষক সংকট থাকার কারনে, কিন্তু ইংরেজী বিভাগে শিক্ষক আছে নিয়মিত ক্লাস ও হয়। ক্লাস হয়নি এই বিষয়ে আমাদের কাছে কখনো কেউ জানাইনি। আর শিক্ষকরা যদি ক্লাস না করে থাকে তাহলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০১ডিসেম্বর,ডেস্ক নিউজঃ  ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আনিসুল হক আর নেই। বৃহস্পতিবার লন্ডনের ইউস্টনের ইউনিভার্সিটি কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) বাংলাদেশ সময় রাত ১০টা ২৩ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তিনি ছিলেন সফল উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী ও মোহাম্মদী গ্রুপের চেয়ারম্যান। অমায়িক ভালবাসা, ব্যবহার ও কথার যাদুতে সকলকে খুব সহজেই আপন করে নিতে পারতেন। তাই তিনি ছিলেন সকলের ‘প্রিয় আনিস ভাই’। আজ বাদ জুমা লন্ডনের রিজেন্ট পার্ক মসজিদে তার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। আগামীকাল শনিবার সকাল ১১টা ২০ মিনিটে বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে তার মরদেহ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পৌঁছার কথা। সেখান থেকে তার মরদেহ বাসায় নেওয়া হবে। ওইদিনই বাদ আসর আর্মি স্টেডিয়ামে জানাজা শেষে তাকে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে।
পারিবারিক সূত্র জানায়, বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার রাতে চিকিৎসকরা তার কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাসযন্ত্র (ভেনটিলেশন যন্ত্র) খুলে নেন। এরপর তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৬ বছর। আনিসুল হকের পারিবারিক বন্ধু ও নাগরিক টেলিভিশনের প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা ডা. আবদূর নূর তুষার গতকাল এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে বলেছেন, ‘আমি গভীর দুঃখের সাথে সকলকে পরিবারের পক্ষ থেকে জানাচ্ছি যে, ঢাকা নর্থ সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক লন্ডনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরলোক গমন করেছেন। তার পাশে সেই সময় উপস্থিত ছিলেন তার স্ত্রী, পুত্র ও কন্যাদ্বয়। ঢাকাসহ সারা দেশে তার সকল শুভান্যুধায়ী, গুণগ্রাহী, যারা তার জন্য দোয়া করেছেন, সকল গণমাধ্যমকর্মী ও তার স্বজনদের আমরা তার পরিবারের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানাই। আপনারা দোয়া করবেন যাতে তিনি জান্নাতবাসী হন।’
গত ২৯ জুলাই ব্যক্তিগত সফরে সপরিবারে যুক্তরাজ্যে যান আনিসুল হক। সেখানে অসুস্থ হয়ে পড়লে ১৩ আগস্ট তাকে লন্ডনের ন্যাশনাল নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার মস্তিস্কের প্রদাহজনিত রোগ ‘সেরিব্রাল ভাস্কুলাইটিস’ শনাক্ত করেন চিকিৎসকরা। এরপর তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছিল। ধীরে ধীরে অবস্থার উন্নতি ঘটলে তাকে গত ৩১ অক্টোবর আইসিইউ থেকে রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারে স্থানান্তর করা হয়। গত মঙ্গলবার অবস্থার অবনতি হলে তাকে রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার থেকে পুনরায় আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়েছিল।
নব্বুইয়ের দশকে বাংলাদেশ টেলিভিশনের একটি অনুষ্ঠানে উপস্থাপনার মাধ্যমে বিপুল জনপ্রিয়তা পান আনিসুল হক। এরপর তৈরি পোশাক খাতের ব্যবসায়ী হিসেবে সুনাম অর্জনের পর এ খাতের সংগঠন বিজিএমইএ’র সভাপতি নির্বাচিত হন তিনি। পরে তিনি এফবিসিসিআই’র সভাপতিও ছিলেন। ২০১৫ সালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন।
মেয়র নির্বাচিত হয়ে রাজধানীর তেজগাঁওয়ের সাত রাস্তার মোড় থেকে ট্রাকস্ট্যান্ড উচ্ছেদ করে সকলের জন্য রাস্তা নির্মাণ করে সবার কাছে প্রিয় ও আলোচিত হয়ে উঠেন। এছাড়া গাবতলীতে ট্রাকস্ট্যান্ড সরিয়ে রাস্তা সংস্কার, হলি আর্টিজানের ঘটনার পর কূটনৈতিক অঞ্চল হিসেবে গুলশান-বারিধারার নিরাপত্তা জোরদার, গুলশান-বনানী এলাকা থেকে পুরনো বাস সরিয়ে ‘ঢাকা চাকা’ নামের নতুন এসি বাস সার্ভিস চালু, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনভুক্ত বিভিন্ন এলাকায় প্রচুর উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ, ‘সবুজ ঢাকা’ নামের বিশেষ সবুজায়ন কর্মসূচি গ্রহণ করে নাগরিক মহলে বিশেষ প্রশংসিত হন তিনি। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বিভিন্ন সমস্যায় দিনে-রাতে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়েই নগরবাসীর আস্থাভাজন হয়ে উঠছিলেন তিনি।