Saturday 25th of November 2017 04:20:10 AM

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৭নভেম্বর,ডেস্ক নিউজঃ   দেশে প্রথমবারের মত চালু হলো মোবাইল ফোন নম্বর ঠিক রেখেই অপারেটর পরিবর্তন করার সুবিধা। এর ফলে এখন থেকে গ্রাহকরা যেকোনো সময় যেকোনো অপারেটরের সেবা গ্রহণ করতে পারবে একই সিমে।

মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) বিটিআরসির সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ ও স্লোভেনিয়ার যৌথ কনসোর্টিয়াম ইনফোজিলিয়ান বিডি টেলিটেককে এ সেবা প্রদানের নোটিফিকেশন পত্র প্রদান করা হয়।

ইনফোজিলিয়ান ছাড়াও মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি (এমএনপি) নামের এই সেবা প্রদানের জন্য আরো চারটি কনসোর্টিয়াম সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে। প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে- বাংলাদেশ ও লিথুনিয়ার যৌথ কোম্পানি গ্রিন টেক মিডিয়াফোন লি., ব্রাজিল বাংলাদেশ কনসোর্টিয়াম, বাংলাদেশ ও পোল্যান্ডের যৌথ কোম্পানি রিভ নম্বর লি. এবং বাংলাদেশ ও মিসরের যৌথ কোম্পানি রয়েল গ্রিন লি.। এমএনপি লাইসেন্স প্রদান সংক্রান্ত টেন্ডার কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারী কোম্পানিগুলোর মধ্যে ইনফোজিলিয়ান সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে এ সেবা প্রদানের যোগ্যতা অর্জন করে।

লাইসেন্স প্রাপ্তির জন্য নোটিফিকেশন প্রাপ্ত ইনফোজিলিয়ান বিডি টেলিটেককে এমএনপি গাইডলাইনের শর্তানুযায়ী লাইসেন্স অ্যাকুইজিশন ফি ১০ কোটি টাকা, বাৎসরিক লাইসেন্স ফি ২৫ লক্ষ টাকা, রেভেনিউ শেয়ারিং (২য় বছর থেকে) ১৫ শতাংশ হারে, ব্যাংক গ্যারান্টি ১০ কোটি টাকা এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিলে ২য় বছর থেকে বাৎসরিক নিরীক্ষাকৃত আয়ের ১ শতাংশ বিটিআরসিকে প্রদান করতে হবে।

এমএনপি চালুর ফলে এক অপারেটরের নম্বরে অন্য অপারেটরের সংযোগ নেয়া যাবে। গ্রাহক যে অপারেটরের সেবা পছন্দ করবে, বিনা দ্বিধায় সেই অপারেটরের সংযোগ নিতে পারবেন। এ জন্য নিজের ফোন নম্বরটিও পাল্টাতে হবে না। এ সেবা প্রবর্তনের ফলে মোবাইল অপারেটরদের মধ্যে গুণগত সেবা প্রদানের প্রতিযোগিতা এবং মোবাইল গ্রাহক সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বর্তমানে বিশ্বের ৭২টি দেশে এ সুবিধা চালু রয়েছে। প্রতিবেশী দেশ ভারতে ২০১১ সালে এবং পাকিস্তানে এই সেবা ২০০৭ সাল থেকে চালু রয়েছে।

ওই সভায় বিটিআরসির চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ, কমিশনের বিভিন্ন বিভাগের কমিশনার, মহাপরিচালক এবং লাইসেন্সের জন্য নোটিফিকেশন প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান ইনফোজিলিয়ান বিডি টেলিটেকের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৭নভেম্বর,আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি : নওগাঁর আত্রাইয়ে মোঃ আব্দুল মজিদ (৪০) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীকে ১০ লিটার চোলাই মদ ও সরমঞ্জামসহ আটক করেছে পুলিশ।
আত্রাই থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ মোবারক হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, আব্দুল মজিদ দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চোলাই মদসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক বিক্রি করে আসছেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাত ১১টার দিকে উপজেলার বান্ধাইখাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১০ লিটার চোলাই মদ ও মদ তৈরির সরমঞ্জামসহ আব্দুল মজিদকে আটক করা হয়।

তিনি আরো জানান, তার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং মঙ্গলবার নওগাঁ জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৭নভেম্বর,হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় রুনা আক্তার (২২) নামের এক গৃহবধূর রহস্য জনক মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনার পর স্বামী পালিয়ে গেছে।
মঙ্গলবার (৭ নভেম্বর) সকালে উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের পশ্চিম রুপসংকর গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটে।
নিহত গৃহবধূ পশ্চিম রুপসংকর গ্রামের এমরান মিয়ার স্ত্রী।
জানা যায়, স্বামীর পরকীয়ার বিরোধের জের ধরে দাম্পত্য কলহ চলে আসছিল দীর্ঘদিন ধরে। সোমবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় উভয়ের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে মঙ্গলবার সকাল ৮ টার দিকে স্বামীসহ তার স্বজনরা রুনাকে হবিগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
চিকিৎসক জানান, গতরাত ১১টা থেকে ১২টার মধ্যে নারীর মৃত্যু হয়েছে। তারা মৃত্যুর মিনিমাম ৮ ঘন্টাপর লাশ নিয়ে হাসপাতালে এসেছে।
এ সময় হাসপাতালে থাকা সকলের মুখে স্ত্রীকে মেরে স্বামী লাশ নিয়ে এসেছে এরকম কানাঘুষা শুরু হলে স্বামী লাশ হাসপাতালে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
খবর পেয়ে বাহুবল মডেল থানার (ওসি-তদন্ত) মো: দস্তগীর আহমদ হবিগঞ্জ হাসপাতালে পৌঁছে লাশের ছুরত হাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরন করেছেন। এ সময় তিনি জানান, রাতেই সে মারা গেছে। মৃত লাশ নিয়ে তারা হাসপাতালে এসেছে। লাশে আঘাতের কোন চিহৃ পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলেই হত্যা না আত্নহত্যা সেটা পাওয়া যাবে।
তিনি আরও জানান, পাশের গ্রামের এক মেয়ের সাথে নিহত রুনার স্বামীর পরকীয়া থাকার কারনে তাদের পরিবারে বিরোধ চলছিল। এ ঘটনার পর থেকে স্বামী এমরান পলাতক রয়েছে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৭নভেম্বর,হাবিবুর রহমান খানঃ   মৌলভীবাজার পৌরবাসীর স্বত:স্ফুর্ত সমর্থনে রাস্তা সম্প্রাসারণ ও ড্রেন নির্মাণ করছে পৌরসভা। মৌলভীবাজার পৌরসভার রাস্তা সম্প্রাসারণ ও ড্রেন নির্মাণের কাজ চলছে পুরোদমে। পৌরবাসীর স্বাচ্ছ্যন্দে চলাচল নিশ্চিত করতে পৌর মেয়রের আহবানে সাড়া দিয়ে রাস্তার উভয়পাশের বিভিন্ন বাসা-বাড়ির মালিকরা স্বেচ্ছায় ছেড়ে দিচ্ছেন জমি।যার ফলে যানজট ও জলাবদ্ধতা থেকে রক্ষা পাবে শহরবাসী। ১৯৮৭ইং সালে ৯টি ওয়ার্ডে ১০.৩৬ বর্গ কিলোমিটার আয়তন নিয়ে গঠিত হয় মৌলভীবাজার পৌরসভা। বর্তমানে পৌরসভার নাগরিক প্রায় দেড় লক্ষাধিক। ১৯৯৩ সালে ক শ্রেণীর পৌরসভায় উক্তির্ণ হয় এই পৌরসভা। এরই ধারবাহিকতায় রাস্তার সম্প্রাসারণ ও ড্রেন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন বর্তমান মেয়র ফজলুর রহমান।

পৌরসভা সূত্রে জানা যায়, মৌলভীবাজার পৌরসভায় রাস্তা সম্প্রাসারণ ও ড্রেন নির্মাণের জন্য বর্তমানে ৩২ কোটি টাকার প্রজেক্টের কাজ চলছে। এরই মধ্যে প্রায় ৯ কোটি টাকার কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বর্তমানে পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডেই রাস্তা সম্প্রসারণ ও ড্রেন নির্মাণের কাজ চলছে। ডিসেম্বর পর্যন্ত সব এলাকার কাজ সম্পন্ন সম্ভব হবে। পূর্বে যে রাস্তা ছিলো ৮ ফিট, কোথাও ১১ ফিট, আবার কোথাও ৬ ফিট। এখন রাস্তাগুলো ১৪ থেকে ১৮ ফিটে সম্প্রসালন করা হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানান, এই প্রকল্প বাস্তবায়ণের ফলে মৌলভীবাজার পৌরসভার যানজট নিরসন ও পানি নিষ্কাষণ করা সম্ভব হবে। পূর্বে যে গলি দিয়ে একটি গাড়ি চলাচল করতে পারত এখন সেই গলি দিয়ে ২টি গাড়ি চলাচল করতে পারবে। জমির মালিক পৌরসভার আহবানে সাড়া দিয়ে স্বেচ্ছায় দেয়াল ভেঙ্গে দিচ্ছেন। সরেজমিনে পৌরসভার সৈয়দ শাহ মোস্তফা (র:) দরগাহ এলাকায় দেখা যায়, ছোট মাজার থেকে হাসপাতাল রোড পর্যন্ত রাস্তা এতোটাই সরু ছিলো যে কার, মাইক্রোবাস চলাচলও কঠিন ছিলো। এই রাস্তাটি প্রশস্ত করে ড্রেন নির্মাণ করা হচ্ছে।

ভাঙ্গা হচ্ছে বাসা-বাড়ির দেয়াল। মৌলভীবাজার পৌরসভার মেয়র ফজলুর রহমান বলেন,রাস্তা সম্প্রাসারণ ও ড্রেন নির্মাণের কাজে মৌলভীবাজার শহরের মানুষ স্বত:স্ফর্ত সমর্থন পেয়েছি। এরই ধারাবাহিকতায় প্রত্যেকটি ওয়ার্ডের রাস্তার সম্প্রসারণ কাজে সহযোগিতার হাত প্রসারিত করেছেন। মেয়র আর বলেন, প্রবাসীরা লন্ডন থেকে রাস্তা সম্প্রাসারণের জন্য জায়গা ছেড়ে দিচ্ছেন। এসব জায়গা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে জায়গা ছেড়ে দিচ্ছেন মালিকরা। এটি বাংলাদেশে একটি বিরল উদাহরণ হয়ে থাকবে। সকলের সহযোগিতার কারণে অল্প সময়েই রাস্তা গুলো প্রশস্ত হবে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৭নভেম্বর,নড়াইল প্রতিনিধিঃ  নড়াইল সড়ক বিভাগের ওয়ার্ক চার্জ শ্রমিক কর্মচারীদের চাকুরী নিয়মিতকরণের দাবিতে বিক্ষোভ ও কর্মবিরতি পালন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। মঙ্গলবার সড়ক ও জনপথ অফিস চত্বরে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সড়ক ও জনপথ শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন নড়াইল জেলা শাখার সাধারন সম্পাদক মো:চৌধুরী শাহ আলম।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সভাপতি জাহিদুর রহমান, মুন্সী মনিরুজ্জামান, মো: আবুল হোসেন, মো: লোকমান হোসেন, মো: জাফর আলী। বক্তব্যে বলেন সারা বংলাদেশের ন্যায় নড়াইলেও গত তিন দিন ধরে অর্ধদিবস কর্মবিরোতী কর্মসূচি অব্যাহত রয়েছে।

সরকারের পক্ষ থেকে আন্দোলনরত কর্মচারীদের সমস্যার কোন সমাধান না হলে আগামীতে মানববন্ধন,প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্বারকলিপি প্রদানসহ কাফনের কাপড় পরার কর্মসূচি ঘোষনা করা হবে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৭নভেম্বর,জৈন্তাপুর প্রতিনিধিঃসিলেটের জৈন্তাপুরে এক নারীলোভীর লালসার স্বীকার হয়ে ৭মাসের অন্তস্বত্তা হয় প্রতিবন্ধী এক নারী৷ গ্রামের শালীসে ঘটনার কথা স্বীকার করে বিয়ে করার জন্য রাজী হয় লম্পট৷ বিয়ের দিন তারিখ করার কথা বলে কৌশলে ধর্ষক পালিয়ে যায়৷

এ ঘটনায় ধর্ষীতার ভাই বাদী হয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে অামলে নিয়ে মামালা হিসাবে রের্কড করে যাহার নং-০৪, তারিখ ০৫-১১-২০১৭৷
এদিকে মামলা রেকর্ডের পর পর গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ এর নির্দেশে এস অাই সুজন কুমার অাচার্যের নেতৃত্বে ৫ নভেম্বর রাত সাড়ে ১০টায় জৈন্তাপুর উপজেলার ৩নং চারিকাটা ইউনিয়নের বালীদাঁড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ধর্ষক জৈন্তাপুর উপজেলার কালিঞ্জিবাড়ী গ্রামের মৃত ওয়াজীদ অালীর ছেলে মোঃ হরমুজ অালী(৩২) কে অাটক করে৷
অাটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষনের ঘটনার কথা স্বীকার করে লম্পট হরমুজ অালী৷
এ বিষয়ে জানতে জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ খাঁন মোঃ ময়নুল জাকীর জানান,লম্পটকে অাটক করতে অামরা সকল ধরনের পদক্ষেপ গ্রহন করি এবং ধরতে সক্ষম হই৷ সোমবার অাদালতের মাধ্যমে ধর্ষক হরমুজ অালীকে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়৷

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৭নভেম্বরঃ   দেশের মন্ত্রিসভা ২০১৮ সালের ছুটির তালিকা অনুমোদন দিয়েছেন। আগামী বছর সাধারণ ও নির্বাহী ছুটি মিলিয়ে ২২ দিন ছুটি থাকবে। ছুটির মধ্যে ৭ দিন পড়েছে শুক্র ও শনিবার।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সোমবার মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এতে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম ছুটির তালিকা অনুমোদনের কথা জানান।

তিনি বলেন, ‘জাতীয় দিবস ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দিবসে ১৪ দিন সাধারণ ছুটি থাকবে। সাধারণ ছুটির মধ্যে ৪ দিন সাপ্তাহিক ছুটির দিন (শুক্র ও শনিবার) পড়েছে। এ ছাড়া বাংলা নববর্ষ ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় দিবসে ৮ দিন নির্বাহী আদেশে ছুটি থাকবে। এ ছুটির মধ্যে তিনটি সপ্তাহিক ছুটির দিন পড়ে গেছে।’

চলতি বছরও সরকারি চাকুরিজীবিরা ২২ দিন ছুটি পেয়েছেন। এরমধ্যে ১০ দিন পড়েছে শুক্র ও শনিবার।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৭নভেম্বরঃ     মৌলভীবাজার মহকুমা ছাত্রলীগের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ৭১ এর বীর মুক্তিযোদ্ধা  ও মুক্তিযুদ্ধে মৌলভীবাজার মহকুমা বি এল এফ এর কমান্ডার, মৌলভীবাজারের  সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন শতাব্দীর শতদল এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি  মৌলভীবাজার জেলার মাতারকাপন ঐতিহাসিক বেগ বাড়ির কৃতি সন্তান বিশিষ্ট সমাজসেবক মির্জা ফরিদ আহমদ বেগকে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গত ৫ নভেম্বর মাতারকাপন ঐতিহাসিক বেগ বাড়ীর পারিবারিক কবরস্থানে চির নিদ্রায় শাহিত করা হয়। উনার নামাজের প্রথম জানাজা মৌলভীবাজার শাহ মোস্তফা মাজার সংলগ্ন ঈদগাহ মাঠে ও দ্বিতীয় নামাজে জানাজা নিজ বাড়ির সামনে অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দল,সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত হয়ে  মরহুমের কফিনে  ফুলেল শ্রদ্বা নিবেদন করেন ।এদিকে যুক্তরাজ্য আওয়ামীলীগের সদস্য জাস্টিস ফর বাংলাদেশ জেনোসাইড ১৯৭১ ইন ইউকের সভাপতি ওয়েলস আওয়ামীলীগ লিডার মোহাম্মদ মকিস মনসুর ও  জাস্টিস ফর বাংলাদেশ জেনোসাইড ১৯৭১ ইন ইউকের সেক্রেটারি  ওয়েলস আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক আলহাজ্ব লিয়াকত আলী এক যুক্ত বিবৃতিতে মৃত্যুতে মৌলভীবাজার জেলার কৃতি সন্তান বিশিষ্ট সমাজসেবক মির্জা ফরিদ আহমদ বেগ এর মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন সহ মরহুমের  বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করা সহ মহাণ আল্লাহ্‌ যেনো উনাকে জান্নাতবাসী করুন এই দোয়া করার জন্য সবার প্রতি অনুরুধ জানিয়েছেন।

শোক বাণীতে জাস্টিস ফর বাংলাদেশ জেনোসাইড ১৯৭১ ইন ইউকের সভাপতি  মৌলভীবাজার জেলার সাবেক ছাত্রনেতা  মোহাম্মদ মকিস মনসুর  বলেন আমাদের গৌরব জাতির এই বীর সন্তান মির্জা ফরিদ আহমদ বেগ ভাই একজন খাঁটী মুক্তিযুদ্ধা ছিলেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে সাড়া দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্বে অংশ গ্রহন করে বীরত্বের সহিত মুক্তিযুদ্ব করে জাতিকে দিয়েছিলেন একটি পতাকা একটি মানচিত্র। তিনি আজীবন বিভিন্ন সামাজিক ও সমাজসেবামূলক সংগঠনের মাধ্যমে বাংলাদেশের ও মৌলভীবাজার জেলার উন্নয়নে বিরাট ভূমিকা রেখে গেছেন।