Tuesday 12th of December 2017 01:14:14 AM

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০নভেম্বর,কমলগঞ্জ প্রতিনিধিঃ    বৃহষ্পতিবার (৩০নভেম্বর) মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে শতাব্দীর স্মারক ফটকের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ জাতীয় সংনদের সাবেক চীফ হুইপ উপাধ্যক্ষ আব্দুস শহীদ এমপি।

বিকাল তিনটায় নান্দনিক এ ফটকের এ আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে উপস্থিত ছিলেন কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোঃ রফিকুর রহমান উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ মাহমুদুল হক,উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সিদ্দেক আলী,বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মিহির কুমার দো, লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটি(সিএমসি)র সভাপতি এম,মোসাদ্দেক আহমেদ মানিক, বিআরডিবির চেয়ারম্যান ইমতিয়াজ আহমেদ বুলবুল প্রমুখ।

সভা শেষে লাউয়ছড়ায় আগত পর্যটকদের সুবিধার জন্য নির্মিত ওয়াশ কর্নার  উদ্বোধন করে সিএমসির উদ্যোগে ইকো গাইড ও উপকারভোগীদের মধ্যে  ব্যাগ,প্যান্ট ও গবাদিপশু বিতরণ করা হয়।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০নভেম্বর,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ  সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় ১৬টি স্কুলের ক্ষুদ্র মেরামতের নামে ১৬লাখ টাকা সরকারী বরাদ্দ পায় সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ। কিন্তু ঐ ১৬টি স্কুলের সবকটিতেই নাম মাত্র কাজ করে আর কোন কোন স্কুলে খুব বেশী হলে চুনকাম তাও নামমাত্র করেছে উপজেলা এলজিইডি ও উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাথে আতাত করে। কাজ না করেই সরকারী বরাদ্দের সব টাকা তুলে নিয়ে নিজের পকেটে ডুকিয়েছেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক,স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতিরা। এই অভিযোগ তুলেছেন ঐসব স্কুল গুলোর পাশে অবস্থানকারী স্থানীয় জনসাধারনের।

শুধু এ বছরেই নয় প্রতি বছর কোন না কোন বরাদ্দ আসলেই দায় সারা ভাবে কাজ করেই সরকারের লাখ লাখ টাকা পুকুর চুরি করছে স্কুল কতৃপক্ষ। একাধিক সুত্রে আরো জানাযায়,২০১৭-১৮অর্থ বছরে বিভিন্ন স্কুলের মেরামত জন্য ১৬লাক্ষ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। স্কুলের মেরামত বা অন্য কোন কাজের প্রয়োজন হলে উপজেলা শিক্ষা অফিস কোন স্কুলে কোন কাজে কত টাকা লাগবে তার পরিমান তৈরী করে চাহিদা পাঠায়। পরে অনুমোদন আসলে এলজিইডি কতৃপক্ষ কে প্রাকলন করে দেওয়ার জন্য বলে। পরে এলজিইডি প্রাক্কলন করে কাজের যাচাই ও বাচাই করে কাজের শেষে কাজের সত্যতা নিশ্চিত করে প্রত্যায়ন দেয়। এসব ক্ষেত্রে অনেক সময় চাপে পড়ে অনিয়ম কে নিয়ম করে যায়েজ করে সবাই মিলে। আর ক্ষুদ্র মেরামতের জন্য বিভিন্ন বিদ্যালয়ে অর্থ বরাদ্দ হলেও যথা সময়ে কাজ না করেই কাজ করেছেন এমন সব কাগজ পত্র তৈরী করে সবাই বসে থাকেন জুলাই মাসের আশায়।

জুলাই মাস আসলেই শতভাগ কাজ হয়েছে বলে সমুদয় বিল ভাইচার তৈরী করে জমা দেয় স্কুলের প্রধান শিক্ষক,স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতিরা। আর অফিস সহকারী ও শিক্ষা কর্মকর্তা মিলে তাদের ভাগের অংশ পেলেই কোন প্রকার যাচাই বাচাই না করেই প্রতিটি বিল ভাইচারে স্বাক্ষর করে দেন। তেমনি চলতি বছরের জুলাই মাসে তাহিরপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ আতাউর রহমান বদলী হয়ে চলে যান চাপাই নবাবগঞ্জ জেলা ভোলার হাট উপজেলায়। আর এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক,স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতিরা মিলে শতভাগ কাজ করেছেন বলে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছ থেকে কৌশলে বিল-ভাউচারে স্বাক্ষর করে সম্পূর্ন টাকা তুলে নিয়ে যান সবাই।

বিভিন্ন স্কুলে গিয়ে দেখা যায়,দক্ষিনকুল,মেঞ্জারগাঁও,মাহমুদপুর,মানিকটিলা সহ একাধিক বিদ্যালয় ক্ষুদ্র মেরামতের কাজ হয় নি।

চুনের সাথে পিরিটিন মিশিয়ে নামমাত্র ওয়াস করা হয়েছে। উপজেলার উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের তেলিগাঁও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আজহারুল ইসলাম বলেন,উত্তোলিত টাকা দিয়ে তিনি বিদ্যালয়ের সিড়িঁর কাজ করেছেন কিন্তু বিদ্যালয় এলাকার বাসীন্দা রঞ্জু পাল সহ একাধিক বাসিন্দা জানান,সিড়িঁটি আগেই ছিল পুরোনো সিড়িঁটি মেরামত করা হয়েছে তাও নাম মাত্র। বালিজুড়ী ইউনিয়নের দক্ষিনকুল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মুরশেদা বেগম জানান,বিদ্যুৎতের লাইনের কাজ ও চুনকাম করেছেন কিন্তু বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার আলম সহ একাধিক স্থানীয় লোকজন জানান,জানামতে চুনকাম করা হয়েছে কিন্তু ওয়ারিংয়ের কাজ হয় নি পূর্বেই করা ছিল। বাদাঘাট ইউনিয়নের ইউনুছপর সরকারী প্রথমিক বিদ্যালয়ের ক্যাচম্যান্ট এলকার বাসীন্দা সাবেক ইউপি সদস্য দ্বীন ইসলামসহ অনেকেই বলেন,বিদ্যালয় মেরামতের কোন কাজ হয় নি। চুনকাম হয়েছে তাও নাম মাত্র।

একেই অবস্থা বিরাজ করছে উপজেলার উক্তিয়ারগাঁও,রসুলপুর,বাঁশতলা,চানঁপুর,লোহাজুড়ি,মধুয়ারচর,লক্ষীপুর,লাউড়েরগর,মাহমুদ পুর,পিরিজপুর,মেঞ্জারগাঁও ও মানিগাও সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

তাহিরপুর উপজেলার এলজিইডির সাব এসিসটেন্ড রেজাউল করিম বলেন,আমি যত গুলো বিদ্যালয়ের কাজের তদরকি করেছি সব গুলোই শত ভাগ কাজ হয়েছে। ১৬টি স্কুলের কাজের যাচাই করে বিল দিয়েছেন কি না এই বিষয়ে জানতে চাইলে তাহিরপুর উপজেলার সাবেক প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আতাউর রহমান বলেন,কাজ হয়েছে না হয়েছে এটা আপনাদের বিষয় না এটা আমার বিষয়। কাজ না হলে কি কেউ টাকা দিবে। আপনি নিউজ করেন। পরে তিনি বলেন,বিভিন্ন বিদ্যালয়ের বিল ভাউচার যখন জমা দেওয়া হয় তখন আমার বদলীর কাগজ চলে আসে। আমি ব্যাস্থ থাকায় ঐ সব কাজ গুলোর তদারকি করার সময় পাইনি। বর্তমান শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ ফেরদৌস বলেন,এ গুলো দেখার দায়িত্ব আমার না। যিনি ঐসব বিল দিয়ে গেছে তার বিষয়। তাহিরপুর উপজেলা নির্বার্হী কর্মকর্তা পূনেন্দ্র দেব বলেন,এই বিষয়ে খোজঁ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল বলেন,এমন দূর্নীতি হয়ে থাকলে খোজঁ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০নভেম্বরঃ    প্রকাশ থাকে যে, মীলাদ শরীফের বা জন্ম বৃত্তান্তের প্রাক্কালে প্রিয় নবীজির তা’জিমার্থে দাঁড়িয়ে কেয়াম করা শরীয়তের দৃষ্টিতে সুন্নাত ও মুস্তাহাব,উল্লেখ্য যে, বর্তমান যুগের কিছু সংখ্যক নবী বৈরী মনোভাব পোষণকারী উলামায়ে “ছু” মিলাদ শরীফ ও কিয়াম কে বিদয়াত ও নাজায়েজ এবং খ্রীষ্টানীয় অনুষ্ঠান,হিন্দুদের কানাইয়া নামক দেবতার পুঁজার নামান্তর বলে ভিত্তিহীন ফত্ওয়া দিয়ে মুসলিম সমাজে মতানৈক্য সৃষ্টির পায়তারা চালাচ্ছে।এজন্য শরীয়তের দৃষ্টিতে ইহার সুস্পষ্ট সমাধান আবশ্যক মনে করছি। প্রথমে “জশন’ শব্দটি থেকে শুরু করছি জশন অর্থ খুশী ও আনন্দ  (লোগাতে কেশুয়ারী)। জুলুছ শব্দটি জলছা শব্দের বহুবচন, জলছা, শব্দের অর্থ হল বসা বা উপবেশন (গিয়াছুল্লুগাত)।

নামাজ যেমন আল্লাহর জিকিরের জলছা একই স্থানে বসে দাঁড়িয়ে আদায় করা হয় এবং হজ্ব আল্লাহর জিকিরের জুলুছ বা মিছিল, যা এক বৈঠকে সম্পন্ন করা যায় না, বরং ঘুরে ঘুরে আদায় করতে হয়। সবাই প্লেনে উঠার পূর্ব থেকেই “লাব্বাইকা, আল্লাহুম্মা লাব্বাইক, লাব্বাইকা লাশরীকালাকা লাব্বাইক, ইন্নালহামদা ওয়াননিয়মাতা লাকা ওয়াল মুলক- লা শরীকালাক” বলে সম্মিলিত মিছিল সহকারে শ্লোগান দিতে দিতে হাজির হতে হয়, মাওলার সান্নিধ্যে। “ছুবুতে ক্বেত্য়ী” কালামুল্লাহ শরীফ থেকে প্রমান পাওয়া যায় যে, তাবুতে ছাকিনা ফিরিস্তাগণ জুলুছ বা মিছিল সহকারে এসে ছিলেন, ইহাতে স্পষ্ট ভাবে প্রতীয়মান হলো যে, জুলুছ (মিছিল) শোভাযাত্র অর্থে ও ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

আবার “ঈদ” শব্দের অর্থ খুশী বা আনন্দ উদ্যাপন করা এবং মিলাদুন্নবী (দঃ) অর্থ হলো নূরনবী রাহমাতুল্লিল আলামীন (দঃ) এর জন্ম বৃত্তান্তের বর্ণনা ও তদ সম্বলিত ঘটনাবলী আলোচনা কারা।

সুতরাং জশনে জুলুছে ঈদ-এ মিলাদুন্নবী (দঃ) কথাটির সার্বিক অর্থ এরূপ হবে যে, প্রিয়নবী (দঃ) এর শুভাগমন উপলক্ষে মিছিল সহকারে আনন্দ প্রকাশ করা। ইহা শরীয়ত সম্মত অনুষ্ঠান এবং আল্লাহ ও তাঁর প্রিয়নবী (দঃ) এর সন্তোষ্টি অর্জনের উত্তম ব্যবস্থা।

মুসলিম শরীফের ২য় খন্ড হাদীসুল ‘হিজরাত’ অধ্যায়ে হযরত বারবাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসুলে পাক (দঃ) যখন মক্কা শরীফ ত্যাগ করত! মদীনা শরীফে দাখিল হলেন, তখন মদীনা শরেিফর নারী-পুরুষ ঘরের ছাদে উঠলেন, কঁচিকাঁচারা ও গোলামগন মদীনার অলিতে গলীতে জুলুছ সহকারে ছড়িয়ে পড়েন, সকলের মুখে তখন এ শ্লোগান উচ্চারিত হচ্ছিল, ইয়া মুহাম্মাদু ইয়ারাছুলাল্লাহ (দঃ)। এতে স্পষ্ট প্রতীয়মান হল যে, ছাহাবায়ে কেরামগণও হুজুর (দঃ) এর শুভাগমনে মিছিল সহকারে ইয়া-রাছুলাল্লাহ্ ধ্বনীতে আকাশ  বাতাস মুখরিত করে তুলে ছিলেন।

এজন্যেই আমরা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের অনুসারীগণ প্রতি বছর ১২‘ই রবিউল আউয়াল ছাহাবায়ে কেরাম (রাঃ) এর অনুসরণ পূর্বক পবিত্র ঈদ-এ মিলাদুন্নবী (দঃ) এর খুশীতে বিভোর হয়ে মিছিল সহকারে আনন্দ উদ্যাপন করে থাকি এবং ইয়া-রাছুলাল্লাহ, ইয়া-হাবীবাল্লাহ (দঃ) ধ্বনী দিয়ে শুকরিয়া আদায় করি। মহান আল্লাহ তা’য়ালা কোরানে পাকে তাঁর বান্দাহ্গণের প্রতি খুশী উদ্যাপনের নির্দেশ পূর্বক এরশাদ করেছেন, “কুল বিফাদ্লিল্লাহী ওয়া-বিরাহমাতিহী ফাবিজালিকা ফাল ইয়াফরাহু” হে নবী (দঃ) আপনি উম্মতগনকে বলে দিন, আল্লাহর ফজল, দয়া এবং তাঁর রাহমাত/ করুনা প্রাপ্তিতে তারা যেন খুশী উদযাপন করে। প্রিয়নবী (দঃ) যে আল্লাহর ফজল, রাহমাত। উভয়ই,কালামে পাক তার প্রমাণ বহন করছে। যেমন এরশাদ হচ্ছে- “লাক্বাদ মান্নাল্লাহু আলাল মু’মিনিনা ইজ বা’য়াছা ফিহিম রাছুলা” অর্থাৎ নিশ্চয়ই আল্লাহ পাক মুমিনদের উপর বড়ই অনুগ্রহ বা দয়া করেছেন যে, তাদের মধ্যে একজন সম্মানীত রাছুল পাঠিয়েছেন। সুতরাং তাঁর (দঃ) আগমনের দিনে ও মাসে শরীয়ত সমর্থিত রীতি অনুযায়ী জশনে জুলুছে ঈদ-এ মিলাদুন্নবী  (দঃ) উদযাপন করা কালামে পাকের নির্দেশের অন্তর্ভুক্ত বিধায়, নিঃসন্দেহে এ জাতীয় ধর্মীয় অনুষ্ঠান জায়েজ।
দেওবন্দি মৌলানা হোছাইন আহমদ মদনী ছাহেব বলেছেন যে, খবীছ ওয়াহাবীর দল রাসুলে পাক (দঃ) ‘র জন্মের মূল আলোচনা করাটাই বিদাত ও খারাপ বলে, যেমন (খবীছ ওয়াহাবীগণ) তারা নবীজির শরীয়াতের বিদ্যা ছাড়া আর কোন বিদ্যা নেই বলে এবং
নবীজিকে যে কোন ভাবে ইয়া-রাছুলাল্লাহ বলে সম্বোধন করাকে শিরীক ও রাসুলের রওজা পাকে জিয়ারতের নিয়্যতে ভ্রমণ (ছফর) করাকে হারাম বলে, নবী ও আউলিয়ায়ে কেরামের ওছিলা নিয়ে আল্লাহর নিকট কিছু চাওয়াও শিরীক বলে এবং নবীগণ ইন্তেকালের পর অন্যান্য সাধারণ মানুষের মত হয়ে যান বলে ধারণা রাখে।
ওয়াহাবীরা নিজেদের দলের মানুষ ব্যতিত অন্য সবাইকে কাফের বলে। মুসলমানগণকে হত্যা করা, তাদের মাল লুট করা, বাড়ীতে আগুন দেয়া, তাদের মাহফিলে গোলযোগ সৃষ্টি করা ইত্যাদি ওয়াজিব মনে করে। (আশহাবুচ্ছাকিব কিতাবের ৪৩-৬৭ পৃষ্ঠা)। মৌঃ রশিদ আহমদ গাঙ্গুহী লিখছেন যে, মিলাদ মাহফিল করা যদিও কোন শরীয়াত বিরোধী কাজ নয় কিন্তু এতে তৎপর হয়ে ডাকা ডাকির কারণে এ যুগে মিলাদ মাহফিল জায়েজ নয়, ওরছ মাহফিল এমনি ভাবে না জায়েজ। অনেক দিন আগে মোবাহ ছিল, আবার কোন সময় নিষেদ হয়ে গেছে। ওরছ মিলাদ মাহ্ফিল ও এখন নাজায়েজ হয়ে গেছে। (ফতুয়ায়ে রশিদিয়ার ৪১১ পৃষ্ঠা)। মৌঃ রশিদ আহমদ সহ দেওবন্দ মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা হতে প্রায় বড় আলেমদের পীর, হাজী ইমদাদুল্লাহ মোহাজিরে মক্কী (রহঃ) তাঁর পুস্তিকা (যা মৌঃ থানবীর হাতে লিখা) ফয়ছলায়ে হাক্বত মাছায়েল তৃতীয় পৃষ্ঠায় মিলাদ ও কিয়ামের যে মীমাংশা তিনি দিয়েছেন,তার সারাংশ পাঠক বৃন্দের অনুধাবনের জন্য তুলে ধরা হল। মিলাদ ও কেয়াব মুস্তাহাব ও মুস্তাহছান এবং ইহ ও পরলৌকিক কল্যাণ ও সমৃদ্ধির জন্য এটি পাথেয়। কিন্তু মিলাদ মাহফিলে কেয়াম করাকে ফরজ ওয়াজিব মনে করা যেমন বিদআত, আবার হারাম ও নিষিদ্ধ বলে বিশ্বাস করাটাও বিদআত। আমার নীতি এই যে, আমি মিলাদের মাহফিলে অংশ গ্রহণ করি।

বরং বরকত ও অনুগ্রহের বাহন মনে করি এবং প্রতি বৎসর মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করি, কিয়াম করতে আনন্দ পাই। তাই যে সব ভাইয়েরা নিজেকে দেওবন্দি বলে দাবি করেন তারা যেন হাজী ইমদাদুল্লাহ্ মোহাজিরে মক্কী (রহঃ) এর অনুসরণপূর্বক নিজেকে সুন্নী মুসলমান হিসেবে গড়ে তুলেন।

ফেরেস্তাগণের কিয়াম রাত দিন ২৪ ঘন্টাঃ আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত ৭০ হাজার রহমতের ফিরিস্তা সর্বদা প্রিয়নবীজির রওজা মোবারকে দাঁড়িয়ে দুরূদ শরীফ এবং সালাম পেশ করে যাচ্ছেন। অথচ আমরা ফিরিস্তাদের অনুকরণে ১০/১৫ মিনিট দন্ডায়মান অবস্থায় দুরূদ সালাম পেশ করলে, বিদ্আত হয়ে যায় বলে এক শ্রেণীর তথাকথিত আলিমরা ফতোয়া দেয়।

উল্লেখ্য যে, ফিরিস্তারাও কি তাহলে বিদ্আতে লিপ্ত! (নাউজুবিল্লাহ)।

নিম্নে ফেরেস্তাদের জুলুস ও সালাতু সালামের প্রমাণ দেয়া হল। হযরত নোবাইহাতা ইবনে ওহাব (রহঃ) তাবেয়ী হতে বর্ণিত, একদিন হযরত কা’ব আহবার (তাবেয়ী) হযরত উম্মুল মো’মেনীন আয়েশা (রাঃ) এর খেদমতে উপনীত হলেন। অতঃপর ছাহাবায়ে কিরাম তথায় নবী (দঃ) এর শাসনামলের বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করতে লাগলেন, হযরত কা’ব বললেন।

এমন কোন দিন উদয় হয়না, যে দিন ৭০ হাজার ফিরিস্তা নাজিল হয়ে রাসুলুল্লাহ (দঃ) রওজা মোবারক বেষ্টনে তাঁদের নূরের পাখা বিস্তার না করে সন্ধ্যাা পর্যন্ত নবী করিম (দঃ) এর উপর দুরুদ ও সালাম পাঠ করেন না, অতঃপর যখন সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসে, তখন তাঁরা আকাশে উঠে যান এবং তাঁদের অনুরূপ সংখ্যায় (৭০হাজার) ফিরিস্তা অবতরণ করে তাঁদের মতই দুরুদ ও সালাম পাঠ করতে থাকেন। আবার কেয়ামতের দিন যখন জমিন (রওজা মোবারক) বিদীর্ণ হয়ে যাবে, তখন তিনি ৭০ হাজার ফিরিস্তা দ্বারা বেষ্টিত হয়ে প্রেমাসম্পদের রূপ ধারণ করে আসল মাকছাদ্ প্রেমিকের সাথে শীঘ্রই মিলিত হবেন (দারমী ও মিশকাত বাবুল কারামত হাশিয়াসহ)।

উপরে উল্লেখিত হাদীসে নিম্নে বিষয় গুলো খুবই প্রনিধান যোগ্যঃ

(১) কা’ব আহবার রওজা মোবারকে ৭০ হাজার ফিরিস্তা নাজিল হতে নিজে প্রত্যক্ষ করেছেন, এটি তার কারামতের প্রমাণ  (লোময়া’ ৩)।

(২) হযরত আয়েশা সিদ্দিকা (রাঃ) এর উপস্থিতিতে কা’ব এ সাক্ষ্য দিয়েছেন।

(৩) রওজা মোবারকে দিনে ৭০ হাজার, ফিরিস্তা দুরুদ, সালাত, সালাম পাঠ করার প্রেক্ষিতে মুসলমানগণও ফিরিস্তাদের অনুকরণে কেয়াম সহকারে দুরুদ ও সালাম পড়ে থাকেন। (আনওয়ারে আকতাবে সাদাকাত)।

(৪) রওজা মোবারকে পালাক্রমে দিন-রাত ২৪ ঘন্টা মিলাদ ও কিয়াম হয়।

(৫) নবী করিম (দঃ) কে সম্মান প্রদর্শনার্থে দাঁড়ানোর জন্য চোখের সামনে উপস্থিত থাকা শর্ত নহে। কেননা ফেরেস্তাদের চোখের সামনে শুধু রওজা মোবারক পরিদৃষ্ট ছিল।

(৬) কিয়ামত দিবস পর্যন্ত কেয়াম সহ দুরুদ সালামের এই ধারা অব্যাহত থাকবে, দুশমনে নবী দুশমনে মিলাদ তা বন্ধ করতে
পারবে না।

(৭) রোজ হাসরে ৭০ হাজার ফিরিস্তা হুজুর (দঃ) কে পরিবেষ্টন করে জুলুস সহকারে খোদার দরবারে নিয়ে যাবেন, নবীজির জুলুস করা ফিরিস্তাগণেরই সুন্নত।

ঈদ-এ মিলাদুন্নবী (দঃ) সম্পর্কে ইসলাম জাহানের চার খলিফার মতামতঃমুসলিম বিশ্বের প্রথম খলিফা হযরত আবু বক্কর ছিদ্দিক (রাঃ) বলেন, “যে ব্যক্তি হুজুর (দঃ) এর মিলাদ শরীফে ব্যয় করবে, কিয়ামত দিবসে সে বেহেস্তে আমার সাথী হবে। (আন-নে মাতুল কুবরা)। মুসলিম বিশ্বের দ্বিতীয় খলিফা হযরত ওমর ফারুক (রাঃ) বলেন, “যে ব্যক্তি হুজুর পাক (দঃ) এর মিলাদুন্নবী (দঃ) কে
উচ্চ মর্যাদা দান করেছে, সে যেন ইসলামকে পূণজীবিত করল (আন-নে মাতুল কুবরা)। মুসলিম বিশ্বের তৃতীয় খলিফা হযরত ওসমান গণি (রাঃ) বলেন, “যে ব্যক্তি মিলাদুন্নবী (দঃ) উদ্যাপনে একটি মাত্র দিরহাম ব্যয় করল সে যেন বদর- হুনাইনের মত মহান যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করল। ( আন-নে মাতুল কুবরা)।

মুসলিম বিশ্বের চতুর্থ খলিফা হযরত আলী মুরতাজা (রাঃ) বলেন, “য ব্যক্তি মিলাদুন্নবী (দঃ) উদ্যাপনকারী ইমানের সহিত মৃত্যুবরণ করবে এবং কোন প্রকার জিজ্ঞাসাবাদ ব্যতীত জান্নাতে প্রবেশ করবে। ( আন-নে মাতুল কুবরা)।  হযরত জুনাইদ বোগদাদী (রাঃ) বলেন, “যে ব্যক্তি মিলাদুন্নবী (দঃ) কে সম্মান করল,সে যেস স্বীয় ইমানকে সজীব করল। (আন-নে মাতুল কুবরা)। হযরত ইমাম শাফী (রাঃ) বলেন, “যে ব্যক্তি মিলাদুন্নবী (দঃ) উদ্যাপন করবে, কিয়ামত দিবসে আল্লাহ পাক তাকে ছিদ্দীকীন, ছালেহীন এবং শহীদদের সাথে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন। (আন-নে মাতুল কুবরা)।

তাহকীকুল হক ২৬ পৃষ্ঠায়  আছে, ১৩০৯ হিজরী সনে মাওঃ আশরাফ আলী থানবীকে কানপুর মাদ্রাসার দস্তার বন্দী বিশাল জনসভায় প্রশ্ন করা হয়েছিল, যে ব্যক্তি মিলাদ শরীফকে কানাইয়ার জন্মের সাথে তুলনা করে তার জন্য শরীয়তের হুকম কি? থানবী ছাহেব ফতওয়া দিলেন যে, এমন কথায় নবী (দঃ) সম্মান খাটো করা হয় বলে তুলনাকারী ব্যক্তি ইমাম ও পীর/মুর্শিদ হবার উপযুক্ত নয়। এ ফতওয়ার মধ্যে অনেক আলেমের দস্তখত আছে (১৭ই শবান ১৩০৯ হিজরীতে নিজামী ছাপা খানা থেকে প্রকাশিত)। তাহকীকুল হক ২৬ পৃষ্ঠা ও আকতাবে ছাদাকাত ৩২৩ পৃষ্ঠায় প্রিয় নবীজীর মিলাদ শরীফ সম্পর্কে এমন কটুক্তি করাকে কুফরী বলেও মত দেয়া হয়েছে।

আল্লামা হাজী ছানাউল্লাহ পানিপথী তার বহুল প্রচারিত “মালাবন্দা মিনহু” কিতাবে লিখেছেন যে, নবী (দঃ) এর একখানা চুল মোবারকে কেউ যদি ব্যঙ্গ করে সে কাফের হয়ে যাবে। সাবধান!! শুধু ইলম আমল ও তাকওয়া এবং টুপি, দাড়ী, পাগড়ী দ্বারা ইমানদার হওয়া যায়না। নবীজির সত্ত্বা গুন ও আদর্শকে সেচ্চায় ভক্তি শ্রদ্ধা সহকারে প্রাণ পণে বিশ্বাস করলেই ইমানদার হওয়া যায়।নবীজির ভালোবাসাতে আল্লাহ পাওয়া যায়। তাঁর ভালবাসাতে জান্নাত পাওয়া যায়।

প্রচলিত নিয়মানুযায়ী জশ্নে জুলুছে ঈদ-এ মিলাদুন্নবী (দঃ) উদ্যাপন করা বেদয়াত হতে পারে না। প্রিয় নবী (দঃ) এরশাদ করেছেন, যে ব্যক্তি ইসলামের মধ্যে কোন উত্তম নিয়মপদ্ধতি বের করে, তার আমল নামায় উহার ছোয়াব লিখা হবে।অতঃপর উহার অনুসরণে যারা ঐ আমল করবে তারা যে পরিমাণ ছোয়াব এর অধিকারী হবে, তদ সমুদয় তাঁর আমল নাময় লিখা হবে। অথচ অনুসরণকারীর ছোয়াবের কোন কমতি হবে না।

মোদ্দা কথা হলো এই যে, ইসলামে যে, প্রথা/রীতি কোরআন ছুন্নাহ, ইজমা ও কিয়াসের পরিপন্থী হবে না, ইহা নিন্দীর/ বর্জনীয় বিদয়াত/ বিদয়াতে ছাইয়্যা হতে পারে না (মিরকাত শরহে মিশকাত, তাবকাতে কোবরা)।

তাই আসুন, মুসলিম মিল্লাতের এই নাজুক পরিস্থিতে প্রিয় নবী (দঃ) এর অনুপম আদর্শ সমাজের সকল ক্ষেত্র ব্যাপী বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধ হই এবং পবিত্র জশ্নে জুলুছে ঈদ-এ মিলাদুন্নবী (দঃ) বাস্তবায়ন করি।লেখকঃআলহাজ্ব মাওলানা শাহ্ জালাল আহমদ আখঞ্জী,প্রতিষ্ঠাতা ও সুপারঃইমাম আহমদ রেযা শাহ্ শামছুদ্দীন আখঞ্জী (রহঃ) সুন্নিয়া দাখিল মাদ্রাসা,হবিগঞ্জ, সিলেট।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০নভেম্বর,হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার হিয়ালা উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী কে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেছে এক প্রবাসি লম্পট।
মঙ্গলবার (২৮ নভেম্বর) রাত ৮টায় অসুস্থ অবস্থায় ওই ছাত্রীকে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এসএসএসি পরীক্ষার্থীকে ধর্ষণের ঘটনা এলাকায় প্রচার হয়ে হলে বিষয়টি নিয়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। জনৈক ওই ছাত্রী উপজেলার টুপিয়াজুরি গ্রামের শফিকুল ইসলামের কন্যা।
হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে ওই ছাত্রীর চাচা মাখন মিয়া ওরফে আব্দুল আজিজ অভিযোগ করে সাংবাদিকদের জানান, গত সোমবার দিবাগত মধ্য রাতে একই গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের পুত্র কাতার প্রবাসি জাবির মিয়া (২৮) ও তার সহযোগী আকিদ মিয়াকে নিয়ে রাতের আধারে ঘরের দরজা ভেঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে ওই স্কুল ছাত্রীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে জোরপুর্বক ধর্ষণ করে। এক পর্যায়ে স্কুল ছাত্রীর শোর-চিৎকার শুণে আশে পাশের লোকজন এগিয়ে আসলে তারা পালিয়ে যায়।
পরে মঙ্গলবার সকালে ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে লোকমুখে শুরু হয় নানান আলোচনা ও সমালোচনা। এক পর্যায়ে মঙ্গলবার দুপুরে ভিকটিমকে সাথে নিয়ে চিকিৎসার জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে আসেন তিনি। এসময় হাসপাতালের কর্তব্যরত ব্রাদার বিষয়টি পুলিশকে অবগত করার জন্য বললে আমি (মাখন মিয়া) সহ ভিকটিমকে নিয়ে বানিয়াচং থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
পরে রাত ৮টায় বানিয়াচং থানা পুলিশকে সাথে নিয়ে ভিকটিমকে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।
তিনি আরও জানান, যে লম্পটরা আমার ভাতিজিকে ধর্ষণ করেছে আমি তার বিচার চাই।
হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, মেয়েটি ধর্ষণের অভিযোগ এনে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তবে সে আসলে ধর্ষণে শিকার হয়েছে কি না তা ডাক্তারী পরীক্ষা নিরীক্ষার পর বুঝা যাবে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০নভেম্বর,হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ   হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জে ফাজিল মিয়া (৩০) নামে এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।বুধবার (২৯ নভেম্বর) সকালে উপজেলার গরদাই গ্রাম থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত যুবক উপজেলার গরদাই গ্রামের মৃত ইসমাইল মিয়ার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক কলহের জের ধরে মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে তিনি বিষপান করে ছটপট করতে থাকেন। তখন বাড়ীর লোকজন তাকে উদ্ধার প্রথমে আজমিরীগঞ্জ হাসপাতাল পরে হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে নিয়ে আসার পথে রাত দুইটার দিকে তার মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে হবিগঞ্জ সদর থানার এসআই মির্জা মাহমুদুল হাসান লাশের সুরত হাল তৈরী করে হবিগঞ্জ মর্গে প্রেরণ করেন।
দুপুরে ময়নাতদন্ত শেষে নিহতের পরিবারের কাছ লাশ হস্তান্তর করা হয়।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০নভেম্বরঃআপনাদের অনলাইন পোর্টালে প্রকাশিত ” শ্রীমঙ্গলে সম্পাদিত বঙ্গবন্ধুর জীবনী নিয়ে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ ” সংবাদটি আমার নজরে এসেছে । এ সংবাদে বিকুল চক্রবর্তী সম্পাদিত বইটিতে স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে বির্তকিত তথ্য এসেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে । কিন্তু স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে বইটিতে উল্লেখিত তথ্য সঠিক রয়েছে বলে মনে হয়  । কারণ একই তথ্য বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে  03 December 2013 তারিখে প্রকাশিত হয়েছে ।
নিচের লিঙ্কে দেখতে পারেন :
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সংক্ষিপ্ত জীবনীভিত্তিক সংকলন “আপন আলোয় বিশ্বভূবন” এ তথ্যসূত্রে এই লিংক এর কথা উল্লেখ করলেই হয় কারণ এটি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে আছে । আর একটি দলের ওয়েবসাইট অবশ্যই সঠিক তথ্য প্রচার করছে বলে আমি মনে করি ।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০নভেম্বর,ডেস্ক নিউজঃ   প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মিয়ানমারের নাগরিকদের বাংলাদেশ থেকে তাদের দেশে ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের প্রতি আন্তর্জাতিক চাপ অব্যাহত রাখার জন্য জাতিসংঘসহ সকল আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতি তার আহবান পুণর্ব্যক্ত করেছেন।

বুধবার (২৯ নভেম্বর) জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি ফেকিতামোলয়া কাতোয়া ইউটোয়িকামানু প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ কথা বলেন। বৈঠকের পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তাদের বিতাড়িত জনগণকে বাংলাদেশ থেকে ফেরত নেয়ার জন্য মিয়ানমারের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপ প্রয়োগ অব্যাহত রাখতে হবে।’

বাংলাদেশে এ বছর মারাত্মক বন্যা হয়েছে। এসবের পরও রোহিঙ্গা সমস্যা দেশের জন্য অতিরিক্তি বোঝা হিসেবে দেখা দিয়েছে।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ মানবিক কারণে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের বাংলাদেশে আশ্রয় দিয়েছে। তবে, তাদের দীর্ঘ সময়ের জন্য আশ্রয় প্রদান কোনভাবেই সম্ভব নয়।’

প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে তার সরকারের বিভিন্ন সাফল্য তুলে ধরেন বিশেষ করে নারীর ক্ষমতায়ন, কৃষি উন্নয়ন, দারিদ্র বিমোচন এবং পল্লী উন্নয়নের বিষয়গুলো। কৃষির উন্নয়ন ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে তার সরকার গবেষণা খাতকে সর্বাধিক গুরুত্ব প্রদান করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

সরকারের রূপকল্প-২০২১ বাস্তবায়নের উদ্যোগ সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘লক্ষ্য অর্জনে পরিকল্পনা মোতাবেকই তাঁর সরকার কাজ করে যাচ্ছে।’

জাতিসংঘ নির্ধারিত এমডিজি লক্ষ্যমাত্র অর্জনে তার সরকারের সাফল্যের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, ‘এসডিজিতে বাংলাদেশ এই সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখবে।’

বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতের উন্নয়নের প্রশংসা করে জাতিসংঘের আন্ডার সেক্রেটারি বলেন, ‘স্বল্প আয়ের দেশ থেকে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবার পথে এগুলেও বিশ্ব সম্প্রদায় বাংলাদেশে প্রদত্ত তাদের সহযোগিতাসমূহ অব্যাহত রাখবে। এ বিষয়ে আন্ডার সেক্রেটারি বলেন, স্বল্প আয়ের দেশ থেকে একটি দেশের মধ্যম আয়ের দেশে উত্তরণ জাতিসংঘের সংঘবদ্ধ প্রচেষ্টারই ফসল।’

তিনি বলেন, ‘স্বল্প আয়ের দেশ থেকে একটি দেশ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হলেই সহযোগিতা বন্ধ হতে পারে না, কারণ জাতিসংঘের কোন পদক্ষেপই শাস্তিমূলক হবে না।’

আন্ডার সেক্রেটারি বলেন, ‘এ বিষয়ে আইন-কানুন নিয়ে পুনর্বিবেচনা চলছে যে, একটি দেশ মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হবার পরও তাকে কিভাবে সহযোগিতা প্রদান করা যায়। তিনি বলেন, এক্ষেত্রে জাতিসংঘ প্যাকেজ আকারে সহযোগিতা প্রদান করতে পারে দেশটির চাহিদা এবং ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে।’

প্রেস সচিব ব্যাখ্যা করে বলেন, ‘এরআগে যে সব দেশ স্বল্প উন্নত দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে সেসব দেশকে জাতিসংঘ একটি নীতির আওতায় সহযোগিতা প্রদান করতো।’

প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী এবং মুখ্য সচিব ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৯নভেম্বর,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ  আজ বুধবার মৌলভীবাজারে জেলা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের উদ্যোগে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম এর জুলুস ও আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে,জেলা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআত মৌলভীবাজার এর সকল উপজেলার সুন্নি নেতৃবৃন্দের  অংশগ্রহনে এম, সাইফুর রহমান অডিটোরিয়ামে সকাল ১১ টা থেকে বিকাল সাড়ে ৩ টা পর্যন্ত জেলা সভাপতি শাহ্‌ পীর আলী নুরুল্লাহ শাহ’র সভাপতিত্বে প্রস্তুতি কমিটির সদস্য সচিব এম মুহিবুর রহমান মুহিব এর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন , আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী (হারুন),সৈয়দ মফচ্ছিল আলী, মাওলানা হারিছ আলকাদরী, অধ্যক্ষ মোল্লা শাহিদ আহমদ, অধ্যক্ষ মুফতি শেখ শিব্বির আহমদ, মাওলানা আব্দুল মুহিত (হাসানি),এইচ এম মোশাহিদ আলী, হাজী ইজ্জাদুর রহমান সাজ্জাদ, আনিছুল ইসলাম আশরাফী, মোহাম্মদ ফুরকান (পাগলা),উসমান গণি, কামরুজ্জামান,আরিফুল ইসলাম, মোঃ আখলিছ মিয়া,সৈয়দ নাজাত উল্লাহ, আব্দুল কাইয়ুম,আব্দুল মুকিত হাসানী,জাহাঙ্গীর আহমদ,এম এ এম রাসেল মুস্তফা,জুনেদুল ইসলাম (আদনান) রুহেল খান,আলমগির হুসেন, আমিনুল ইসলাম খান, সুমন আহমেদ, আব্দুস সালাম, রুমেল আহমদ খান,বদরুল আলম বিল্লাল, জুবের আহমদ জুবেল,জাহিদ হাসান,জহির আহমদ খান,মাও আব্দুল হামিদ, বাবুল আহমদ,শাহ সাজু,মুশাররফ আহমদ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।পরিশেষে দেশ ও জাতির কল্যানে মোনাজাত করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।

উল্লেখ্য  জেলার বিভিন্ন স্থানে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম এর জুলুস ও আলোচনা সভা মাস ব্যাপী চলবে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৯নভেম্বর,হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার মরা খোয়াই নদীর দুই ব্রিজের আশপাশে ময়লা – আবর্জনা ও কচুরিপানা পচে দূর্গন্ধের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে দূর্ভোগে পরেছেন দুই ব্রিজের যাতায়াতকৃত মানুষেরা। যাতায়াতকৃতরা জানিয়েছেন, প্রতি বছরেই পরিষ্কার করা হতো কচুরিপানা। গত ৩/৪ বছর ধরে কচুরিপানা পরিষ্কার করা হয় না। কচুরিপানায় মরা খোয়াই নদী ভরপুর হয়ে গেছে। তার মাঝে নিয়মিত ফেলানো হচ্ছে সারা বাজারের ময়লা -আবর্জনা। যে কারনে কচুরিপানা পচে দূর্গন্ধ সৃষ্টি হচ্ছে।
দূর্গন্ধের কারনে নিয়মিত যাতায়াতকৃত মানুষেরা শ্বাস – নিশ্বাস বন্ধ করে যাতায়াত করতে হচ্ছে।
বিশেষ করে ময়লা – আবর্জনা ও দূর্গন্ধের কারনে বিভিন্ন ধরনের রোগ ব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছেন মানুষেরা। উক্ত মরা খোয়াই নদীর দুই ব্রিজের আশপাশে ময়লা- আবর্জনা ও কচুরিপানা পরিষ্কার করার জন্য সচেতন মানুষেরা দাবী জানিয়েছেন।
এব্যাপারে চুনারুঘাট পৌর মেয়র মোঃ নাজিম উদ্দিন শামসু জানিয়েছেন, ময়লা আবর্জনা ফেলানোর মত নিদিষ্ট কোন জায়গা নেই। যথা শিগগিরই ময়লা- আবর্জনা ও কচুরিপানা পরিষ্কার করা হবে বলে তিনি জানান।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৯নভেম্বর,জৈন্তাপুর (সিলেট) প্রতিনিধি:সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলা যুবদলকে স্বাগত জানিয়ে গতকাল ২৯ নভেম্বর বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬ঘটিকার সময় জৈন্তাপুর উপজেলার ৫নং ফতেপুর ইউনিয়ন যুবদলের আনন্দ মিছিল অনুষ্টিত হয়৷ মিছিল শেষে পরবর্তী পথ সভার ফতেপুর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি আব্দুল হামিদ এর সভপতিত্বে সাধারন সম্পাদক জাকারিয়া আহমদ কিবরিয়ার পরিচালনায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও জৈন্তাপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল মতিন৷

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন সিলেট জেলা বিএনপির সহ-ক্রীড়া সম্পাদক ও জৈন্তাপুর উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক আহমদ, জৈন্তাপুর উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও ফতেপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারন সম্পাদক আব্দুল হক, উপজেলা বিএনপির উপদেষ্টা সদস্য ইলিয়াস আলী সাজু, ফতেপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রকিব,৫নং ফতেপুর ইউনিয়ন যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি আসাদ আহমদ, যুগ্ম সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিক, সাংগঠনিক সম্পাদক ময়নুল ইসলাম, ফতেপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি জাকারিয়া আহমদ, সাধারন সম্পাদক মোঃ শাহজাহান, সিনিয়র সহ-সভাপতি কবির আহমদ, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহ মোঃ কিবরিয়া সহ প্রমুখ।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৮নভেম্বর,শাব্বির এলাহী,কমলগঞ্জঃ   মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় ব্রি-৪৯ জাতের ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা করে কৃষকরা এ সফলতা অর্জন করেন। গতকাল বুধবার সকাল ১১ টায় উপজেলার পৌর এলাকার গোপালনগর গ্রামে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রি-৪৯ জাতের ক্ষেতের শস্য কর্তন করা হয়।

গোপালনগর গ্রামের সফল কৃষক সাংবাদিক সুব্রত দেবরায় সঞ্জয় এর ব্রি-৪৯ জাতের প্রদর্শনী ক্ষেতে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যে উপজেলা পর্যায়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শস্য কর্তন উদ্বোধন করেন কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহমুদুল হক।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো. জুয়েল আহমদ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শামসুদ্দীন আহমদ সহ কৃষি বিভাগের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাসহ, সাংবাদিকবৃন্দ। সুব্রত দেবরায় সঞ্জয় বলেন, এ বছর তিন বিঘা জমিতে ব্রি-৪৯ জাতের ধান চাষাবাদ করেন। বিঘা প্রতি প্রায় ১৭ মন ধান উৎপাদন হয়েছে। নিজের পরিচর্চা ও সময়মতো সার, কীটনাশক প্রয়োগ করার ফলে বাম্পার ফলন হয়েছে। এ ধান রোপন করলে কৃষকরা উপৃকত হবেন। তিনি আরও বলেন, বন্যা ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে এবছর আমন ক্ষেতে বিভিন্ন স্থানে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও উঁচু স্থান ও বন্যামুক্ত এলাকা থাকায় ফসলি মাঠে কোন সমস্যা দেখা দেয়নি।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর উপজেলায় ৩ হাজার ৫শ’ হেক্টর জমিতে ব্রি-৪৯ জাতের ধান চাষাবাদ করা হয়। ফলে ধানক্ষেত্রের বাম্পার ফলন হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলা করে কৃষকরা ক্ষেতে বাম্পার ফলন দেখিয়েছেন। হেক্টর প্রতি ফলন ৪ দশমিক ৫৬ মে.টন হবে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. শামসুদ্দীন আহমদ বলেন, কৃষি বিভাগের সার্বিক সহযোগিতা ও পরামর্শের ভিত্তিতে ব্রি-৪৯ জাতের বাম্পার ফলন হয়েছে। উপজেলার সবকটি স্থানেই এভাবে ধানের বাম্পার ফলন দেখা গেছে।

কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহমুদুল হক বলেন, এভাবে প্রত্যেককে কৃষি উৎপাদনে ভূমিকা রাখা উচিত। তাছাড়া খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে অনাবাদি সকল জমিতেও চাষাবাদ করার জন্য কৃষকদের উৎসাহ প্রদান করা হচ্ছে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৯নভেম্বর,বেনাপোল  প্রতিনিধি:যশোরের বেনাপোল ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট এলাকা থেকে ভারতে পাচারের সময় ১০ পিস স্বর্ণের বারসহ ২ পাসপোর্ট যাত্রীকে আটক করেছে কাস্টমস শুল্ক গোয়েন্দা সদস্যরা। বুধবার সকাল সাড়ে ১১ টার দিকে ভারতে স্বর্ণ পাচার কালে তাদের আটক করা হয়।
আটক স্বর্ণ পাচারকারীরা হলেন- গোপালগঞ্জের ঘোষেরচর এলাকার জাহাঙ্গীর খানের ছেলে মহাসিন খান (৩৬) ও শরিয়তপুরের জাজিরা উপজেলার ইব্রাহীম মাদবরের ছেলে ইলিয়াস আহম্মেদ (৪১)।
বেনাপোল কাস্টমস শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অফিসের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুস সাদেক বলেন, আটক ২ যুবককে বেনাপোল ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট থেকে বের হয়ে ভারতে প্রবেশ করার আগে ২ যুবকের চলাফেরা সন্দেহ হলে তাদেরকে আটক করা হয়। পরে তাদের দেহ তল্লাশী করে ১ কেজি ওজনের ১০ পিচ স্বর্ণের বার ২ জনের কাছ থেকে উদ্ধার হয়। তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।

জাতির জনকের সংক্ষিপ্ত জীবনী ‘আপন আলোয় বিশ্বভূবন’ সংকলন প্রকাশ ও বিতরণ নিয়ে একটি কুচক্রী মহলের অপপ্রচার অব্যাহত।প্রতিহিংসামুলক সংবাদের জেরে সংকলন জব্দ করল প্রশাসন! দু’টি বিদ্যালয় প্রধানকে কারন দর্শানোর নোটিশ!
আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৯নভেম্বর,সাজন আহমেদ রানা,বিশেষ প্রতিনিধিঃ শ্রীমঙ্গলে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সংক্ষিপ্ত জীবনীভিত্তিক সংকলন “আপন আলোয় বিশ্বভূবন” প্রকাশ ও বিতরণ নিয়ে একটি প্রতিক্রিয়াশীল কুচক্রী মহল অনবরত অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। বিকুল চক্রবর্তী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিভিন্ন তথ্য শিক্ষক বাতায়নে প্রদেয় সকলের জন্য উন্মুক্ত একটি শিক্ষনীয় কনটেন্ট ও অন্যান্য বিদগ্ধ লেখকের বই হতে জ্ঞান আহরণ করে স¤পাদনা করে ২০১৫ সাল থেকে দেশের বিভিন্ন জেলায় শিক্ষার্থীদের নিকট সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের মাধ্যমে বিনামুল্যে বিতরণ করে আসছেন। বইটিতে স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে বির্তকিত ও বিকৃত তথ্য এসেছে বলে সম্প্রতি একটি মহল সংবাদ প্রচার করেছে।
সংকলণে স্বাধীনতার ঘোষণা নিয়ে যা লিখা রয়েছে ১১নং পৃষ্টায় তা হলো “২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কর্তৃক গ্রেপ্তার হওয়ার আগে বাংলাদেশের স্বাধীনতার মূল ঘোষণা বার্তা ওয়ারলেস যোগে চট্টগ্রামে জহুরুল আহমদ চৌধুরীকে প্রেরণ করেন। চট্টগ্রাম বেতার থেকে আওয়ামীলীগ নেতা হান্নান বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণা বাণী স্বকণ্ঠে প্রচার করেন। পরে ২৭ মার্চ চট্টগ্রামে অবস্থিত ইষ্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের মেজর জিয়াউর রহমান ঐ ঘোষণা পুন:পাঠ করেন”
এ তথ্যের বাস্তবতা যাচাই করতে গিয়ে দেখা যায় এটি সরকারের শিক্ষক বাতায়নে প্রদেয় কনটেন্ট ও সঠিকতার বিষয়টি প্রমাণিত। শুধু তাই নয়, জয়নুল আবেদীন রচিত বইয়ে খুব সুন্দরভাবে ঘোষণাকারী এবং পুন:পাঠকারীর তথ্য রয়েছে।
সুস্পষ্ট দালিলিক প্রমাণ ও সঠিক তথ্য থাকার পরও শ্রীমঙ্গল উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সংকলনটিতে ’তথ্যবিকৃতি’ রয়েছে এরুপ সুস্পষ্ট বক্তব্য ও ব্যাখ্যা প্রদান করে বিতরণের সাথে সংশ্লিষ্ট দুটি বিদ্যালয় প্রধানকে কারন দর্শানোর নোটিশ প্রেরণ করেছেন।

জানা যায়, তিনি নিজে ঐ বই বিতরণের সাথে যুক্ত ছিলেন। তাহলে কেন এ সংকলনকে সুস্পষ্টভাবে ‘তথ্য বিকৃতি’র মিথ্যা ও মনগড়া অভিযোগ এনে স্থানীয় প্রশাসন ছাত্রছাত্রীদের নিকট থেকে তুলে নিয়ে জব্দ করলেন? এবং এতদিন পর হঠাৎ করে বই বিতরণকল্পে সহায়তাদানের দায়ে প্রগতিশীল শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত জনমনে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। তবে কি কোন কুচক্রী মহলের অনৈতিক চাপের কাছে নতি স্বীকার করল স্থানীয় উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় নাকি প্রতিক্রিয়াশীলদের সরকারকে বেকায়দায় ফেলার প্রপাগান্ডার সাথে হাত মিলিয়েছে?
সংকলনের সম্পাদকের বরাতে জানা যায়, কারিগরী সমস্যার কারনে ফন্ট রুপান্তর প্রক্রিয়াকালে কয়েকটি বানান এলোমেলো হয়ে যায়। এটুকু বিভ্রাট ব্যাতীত পুরো বইটিই সঠিক তথ্য সমৃদ্ধ বলে মত দিয়েছেন বিজ্ঞজনেরা। বঙ্গবন্ধু ছাড়াও বইটিতে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব কে নিয়েও তথ্য রয়েছে। বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নতুন প্রজন্মকে জানাতে তিনি মুক্তিযুদ্ধের তথ্য সংগ্রহ করে প্রদর্শণী করে নতুন প্রজন্মকে তা দেখার সুযোগ করে দেন। নতুন প্রজন্মের ছাত্রছাত্রীর উপযোগী করে বঙ্গবন্ধু স¤পর্কে একনজরে কিছু তথ্য তুলে দিতে এবং নতুন প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত করতে এ সংকলণ প্রকাশ করে বিতরণ করে আসছেন। কিন্তু তার একার পক্ষে এই সংকলনটি প্রকাশ করা সম্ভব নয় বলে তিনি শ্রীমঙ্গল উপজেলা চেয়ারম্যান, নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে আবেদন করেছেন এই সংকলনটি স্কুলে স্কুলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণের ব্যবস্থা করার জন্য। তার এ আবেদনে সারা দিয়ে শ্রীমঙ্গলের সেন্ট মার্থাস উচ্চ বিদ্যালয় এবং মহাজিরাবাদ উচ্চ বিদ্যালয় বই গ্রহণ করে তা ছাত্রছাত্রীদের মাঝে বিতরণের ব্যবস্থা করেন।
তিনি আরো জানান, একটি জনপ্রিয় অনলাইনের কতিপয় সাংবাদিক ও একটি চক্র মিলে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করার লক্ষ্যে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নিজেদের মতো করে ভুল ব্যাখ্যা প্রদান করে জনমনে বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে। জানা যায়, বাপনের এরকম একটি বিভ্রান্তিমুলক সংবাদের সুবাদে একশ্রেণীর সুবিধাবাদী ফেসবুক ব্যবহার করে অত্যন্ত ঘৃনিত সাম্প্রদায়িক মন্তব্য করেন ও ভোল পাল্টে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চাচ্ছেন। যা আগামীতে নৌকার ভোট ব্যাংকে (বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়) মারাত্বক ক্ষতিকর প্রভাব বিস্তার করতে পারে বলে।
জানা যায়, বেশ কিছুদিন ধরে শ্রীমঙ্গলে সাংবাদিকদের মধ্যে একটি আদর্শিক বিভাজন সৃষ্টি হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতার চেতনাধারী সিনিয়র সাংবাদিক, গনমাধ্যমকর্মী, শিক্ষানবিশ সাংবাদিকদের নিয়ে সম্প্রতি আত্মপ্রকাশ করা শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রেসক্লাব কারো কারো মাথা ব্যাথার কারন হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিকুলের বরাতে জানা যায়, কুচক্রীকারী সাংবাদিক বাপন একটি জনপ্রিয় অনলাইন পোর্টালকে নিজেদের স্বার্থ সিদ্ধির জন্য ভুল বুঝিয়ে ব্যবহার করেছে।
এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় আওয়ামীলীগের কার্যনির্বাহী সদস্য, কমলগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান, অত্যন্ত সৎ ও জনপ্রিয় আওয়ামীলীগ নেতা অধ্যাপক রফিকুর রহমান বলেন, বিকুলকে আমি খুব ভালোভাবে জানি এবং বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে তার সকল কর্মকান্ড অবশ্যই নিঃসন্দেহে একটি মহতী উদ্যোগ।
মৌলভীবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি নেসার আহমেদ জানান, তিনি এ সংকলনটি বিতরণের অনুষ্টানে ছিলেন, তিনি এটি পড়েছেন এতে কোন বিতর্কিত বা বিকৃত তথ্য নেই।
মৌলভীবাজার পৌরসভার মেয়র ও জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ফজলুর রহমান জানান, বিকুল চক্রবর্তী আমাদের এই মৌলভীবাজার জেলায় মুক্তিযুদ্ধের কথ্য সংগ্রহের কাজ ও বঙ্গবন্ধুর আলোকচিত্র নিয়ে প্রদর্শণীসহ বিভিন্ন প্রসংশিত কর্মকান্ড করে আসছেন। ‘আপন আলোয় বিশ্ব ভুবন’ সংকলনটি আমি পড়েছি এবং এটি বিতরণে আমি ছিলাম। সংকলনটিতে তথ্যগত ভূল বা অসত্য এবং অস্পষ্ট তথ্য নেই। এ সংকলনকে বিতর্কিত ও বিকৃত বলে প্রচার করা কোন একটি সরকারবিরোধী চক্রের কুটকৌশল হতে পারে।
শ্রীমঙ্গল উপজেলা চেয়ারম্যান রনধীর কুমার দেব জানান, সংকলণটি তিনি পড়েছেন সেখানে কয়েকটা বানানের ভূল ছাড়া তথ্যগত কোন ভুল তাঁর চোখে পড়েনি।
শ্রীমঙ্গল পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক অর্ধেন্দু কুমার দেব জানান,তিনি এই সংকলনটি পড়ে দেখেছেন।এটিতে বিকৃত তথ্যের কোন সন্নিবেশ চোখে পড়েনি।
শ্রীমঙ্গল প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি জহর তরফদার বলেন, বইগুলো অন্যায়ভাবে জব্দ করা হয়েছে,এই বই যদি জব্দ হয় তাহলেও বিভিন্ন পাঠ্যবই সহ বিশিষ্ট লেখকদের বইও জব্দ করতে হবে। এটা অপরিপক্ক সিদ্ধান্ত।

জানা যায়, বিকুল মৌলভীবাজার প্রেসক্লাবের সদস্য এবং শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রেসক্লাবের সাথেও সম্পাদক রয়েছেন। শ্রীমঙ্গল ও মৌলভীবাজার জেলার বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে একনিষ্ঠ ভাবে জড়িত রয়েছেন। মুক্তিযুদ্ধের তথ্য সংগ্রহ ছাড়াও তিনি বৃক্ষ সংরক্ষণ জীববৈচিত্র্য নিয়ে কাজ করেন। এ কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ তিনি ২০১৪ সালে বৃক্ষ সংরক্ষণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কারে ভুষিত হন।

এদিকে,শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রেসক্লাবের আহবায়ক এবং জয়বার্তা পত্রিকার সম্পাদক এডভোকেট এ.এস.এম. আজাদুর রহমান স্বাক্ষরিত একটি বিবৃতি গনমাধ্যমে পাঠানো হয়। বিভিন্ন গণমাধ্যমে ও ফেসবুকে মিথ্যা এবং বানোয়াট তথ্য প্রকাশ করায় এর নিন্দা জানান শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রেসক্লাবের সদস্যসহ জেলার বিভিন্ন গনমাধ্যমকর্মীরা। তারা এ উদ্দেশ্যমুলক সংবাদ প্রকাশের দায়ে সরকারের নিকট বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য্য বাপন সহ কৌশলে সরকারবিরোধি কর্মকান্ডে জড়িত সকল চক্রান্তকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবার দাবী জানান। সুত্রে জানা যায়, কুচক্রী সংবাদ প্রকাশকারী বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য্য বাপনের বিরুদ্ধে মৌলভীবাজার জেলা বিজ্ঞ আদালতে মামলা হয়েছে।অনুসন্ধানী পর্ব চলমান

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৯নভেম্বর,বেনাপোল  প্রতিনিধি: বেনাপোল চেকপোস্ট প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল এলাকা থেকে বুধবার সকালে ৩২ হাজার ৪শ’ মার্কিন ডলারসহ আওলাদ হোসেন (৩৫) নামে বাংলাদেশী এক পাসপোর্ট যাত্রীকে আটক করেছে বিজিবি সদস্যরা। সে  ঢাকার কেরানীগঞ্জ এলাকার আব্দুল করিমের ছেলে।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)’র যশোর- ৪৯ ব্যাটালিয়নের কমান্ডিং অফিসার (সিও) লে. কর্ণেল আরিফুল হক জানান, ভারত থেকে বিপুল পরিমান বৈদেশিক মুদ্রা পাচার হয়ে বাংলাদেশে আসছে এমন ধরনের গোপন সংবাদ পেয়ে বিজিবি সদস্যরা বেনাপোল চেকপোস্ট প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল এলাকায় অভিযান চালিয়ে আওলাদ হোসেন নামে এক পাসপোর্ট যাত্রীকে আটক করে। পরে তার দেহ তল্লাশী করে বিশেষ কায়দায় লুকানো অবস্থায় ৩২ হাজার ৪শ’ মার্কিন ডলার জব্দ করা হয়।

আটক যাত্রীকে বেনাপোল পোর্ট থানায় সোপর্দ করা  হয়েছে। এ ব্যাপারে বেনাপোল পোর্ট থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৮নভেম্বর,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ    সুনামগঞ্জের এবারও এক ফসলী বোরো ধান উৎপাদন সমৃদ্ধ হাওর গুলো রক্ষায় পিআইসি গঠন করার কথা থাকলেও এখনো কমিটি গঠন করা শেষ হয় নি। জেলার তাহিরপুর,জামালগঞ্জ,ধর্মপাশা,বিশ্বম্ভরপুর,দিরাই,শাল্লা,ছাতক,দোয়ারা বাজার সহ ১১টি উপজেলার ৩৬টি বৃহত্তর হাওর ১৭টি উপ-প্রকল্পসহ মোট ৫৩টি হাওরের ৯১৪পিআইসি গঠন হয় নি। ফলে লাখ লাখ কৃষক উৎবেগ,উৎকণ্ঠা আর আতœংকের মধ্যে সময় পার করছে। এবার পিআইসি গঠনের দায়িত্ব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের নেতৃতাধীন কমিটির। কিন্তু প্রকল্প কমিটির গঠনের মেয়াদ ৩০নভেম্বর শেষের পথে এর পরও কমিটি গঠন হয় নি।

পাউবো সূত্রে জানা যায়,পাউবোর সুনামগঞ্জ (পরিচালনা ও রক্ষানাবেক্ষণ) বিভাগ-১ এর অধীনে উন্নয়ন প্রকল্পে ১৪০টি ও অনুন্নয়ন রাজস্ব খাতের ৩৭২টি। বিভাগ-২এর অধীনে উন্নয়ন খাতের ২৩১ ও অনুন্নয়ন খাতে ২২০টি সহ মোট ৯১৪পিআইসি গঠন করার কথা। উন্নয়ন খাতে পিআইসি হবে সুনামগঞ্জ পওর ১এর অধিনে সদর উপজেলায় ৩টি,অনুন্নয়ন বাজেটে ৪৭টি। বিশ্বম্ভরপুর উন্নয়নে ১১টি,অনুন্নয়নে ২২টি। তাহিরপুরে উন্নয়নে ৩৩টি,অনুন্নয়নে ৭৫টি। জামালগঞ্জে উন্নয়নে ২১টি,অনুন্নয়নে ১০৬টি। ধর্মপাশায় উন্নয়নে ৭২টি,অনুন্নয়নে ৭৭টিসহ মোট ৪৬৭টি। সুনামগঞ্জ পওর বিভাগ ২-এর অধীনে পিআইসি হবে দিরাইয়ে উন্নয়নে ৪০টি,অনুন্নয়নে ৭০টি। শাল্লায় উন্নয়নে ৮৪টি,অনুন্নয়নে ৫২টি। দক্ষিন সুনামগঞ্জে উন্নয়নে ৩২টি,অনুন্নয়নে ২৭টি।

জগন্নাথপুরে উন্নয়নে ৩৪টি,অনুন্নয়নে ৪৮টি। ছাতকে উন্নয়নে ৯টি,অনুন্নয়নে ৩টি ও দোয়ারা বাজারে উন্নয়নে ৩২টি,অনুন্নয়নে ২০টি সহ মোট ৪৪৭টি পিআইসির মাধ্যমে এবার হাওর রক্ষা বাঁধ নির্মান করা হবে। আরো জানাযায়,পূর্বে চেয়ারম্যান,ইউপি সদস্যগন পিআইসির সভাপতি হতেন। ৫সদস্যের পিআইসিতে স্থানীয় সংদস সদস্য মনোনীত ৩জন,উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মনোনীত ১জন।

অনেক ক্ষেত্রে সদস্য মনোনয়নের বিলম্বের কারনে পিআইসি গঠন ও বাধেঁর কাজ শুরু হতে দেরি হতো। এবার নতুন নীতিমালা অনুযায়ী হাওর পাড়ের কৃষকদের দিয়েই পিআইসি গঠন করা হবে। এবার পিআইসির সদস্য সংখ্যা হবে ৫ থেকে ৭ সদস্য বিশিষ্ট। কমিটিতে একজন সভাপতি,১জন সদস্য সচিব ও অন্যরা সদস্য হবেন। বাধেঁর কাছের জমির প্রকৃত মালিকদের সমন্বয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার পিআইসি গঠন করবেন। প্রয়োজনে ভূমি অফিস,কৃষি অফিস ও স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের সাথে উপজেলা নির্বাহী অফিসার পরামর্শ করবেন। নতুন নীতিমালা অনুযায়ী কোন ব্যক্তি একাধিক পিআইসির সভাপতি ও সদস্য হতে পারবে না। তবে বিশেষ ক্ষেত্রে সদস্য হতে পারবেন। রফিকুল ইসলাম,সাদেক আলী সহ হাওরবাসী ও কৃষকগন বলেন,এবারও সময় নষ্ট করে কমিটি গঠন করা হয় তাহলে আমাদের দুঃখের শেষ থাকবে না।

গত বছর ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি এবার হতে চাই না। ৩০তারিখের মধ্যেই পিআইসি গঠন করে বাধঁ রক্ষায় প্রয়োজনীয় প্রদক্ষের দাবী জানাই। সুনামগঞ্জ পাউবোর বিভাগ পওর ১এর নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বক্কর সিদ্দিকি ভূঁইয়া ও পওর বিভাগ ২এর নিবার্হী প্রকৌশলী মোঃ সাহিনুজ্জামান বলেন,নতুন নীতি মালা অনুযায়ী ৩০নভেম্বরের মধ্যে সকল পিআইসি গঠন করার কথা। খুব শীর্ঘই পিআইসি গঠনের তালিকা পেয়ে যাব। তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পূনেন্দ্র দেব জানান,পিআইসি গটন করা এখনো হয় নি।

দ্রুত মিটিংয় করে সবার সাথে বসে পিআইসি গঠন করা সহ সকল কাজ সমাধানে সর্বোচ্ছ চেষ্টা করছি। তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল বলেন,এবার হাওর রক্ষা বাঁধের জন্য পিআইসি গঠন সহ সব কাজ সময় মত করতে যা করা প্রয়োজনীয় আমি পদক্ষেপ নিচ্ছি।