Monday 11th of December 2017 07:48:55 AM

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১২অক্টোবর,হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় পুলিশের সাথে কথিত বন্দুক যুদ্ধে ডাকাত নিহত হয়েছে বলে জানা গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে বুধবার রাতে উপজেলার দারাগাঁও চা বাগানে। নিহত ডাকাতের নাম মদন মিয়া ওরপে সুজন মিয়া ওরপে মুজাম্মেল হোসেন (৩৪)। সে উপজেলার শাহাপুর গ্রামের মৃত আব্দুর রহমানের পুত্র।
পুলিশ জানায়, বাহুবল মডেল থানা পুলিশের একটি দল বুধবার বিকেলে ওয়ারেন্ট তামিল করতে গিয়ে মিরপুর এলাকা থেকে উল্লেখিত দুর্ধর্ষ ডাকাত মদন মিয়া (৩৪) কে গ্রেফতার করে। পরে জিজ্ঞাসাবাদে সে জানায় দারাগাঁও চা বাগানের পাশে রেল লাইনের কাছে সে অস্ত্র জমা রেখে।

এ তথ্যের সূত্রে বাহুবল-নবীগঞ্জ সার্কেলের এএসপি রাসেলুর রহমান, বাহুবল মডেল থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) বিশ্বজিৎ দেব, এসআই সোহেল মাহমুদ, আবুল কাশেম, সেলিম, মহরম, অমিত, এএসআই সাহেদুল, সোহেল-এর নেতৃত্বে একদল পুলিশ গ্রেফতারকৃত মদন মিয়াকে সাথে নিয়ে অস্ত্র উদ্ধারে নামে। উপজেলার দক্ষিণ সীমান্তে দারাগাঁও চা বাগানের ২নং সেকশনের ভেতরে মাটির রাস্তায় পৌঁছামাত্র গ্রেফতারকৃত ডাকাত মদনের সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়তে শুরু করে।

এক পর্যায়ে ডাকাত মদন পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তার সহযোগিদের গুলিতে সে গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বন্দুক যুদ্ধ চলাকালে এএসআই সোহেল সাহা ও কনস্টেবল ইমরান মোল্লা আহত হন। তাদের বাহুবল হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

বাহুবল মডেল থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) বিশ্বজিৎ দেব জানান, ঘটনাস্থল থেকে ১টি দেশীয় পাইপগান, ৩ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ২ রাউন্ড ব্যবহৃত কার্তুজের খোসা, ৩টি ধারালো রামদা, ১টি ছুরি ও গামছা উদ্ধার করা হয়। এ সময় আত্মরক্ষার্থে পুলিশ ১৭ রাউন্ড সর্টগানের গুলি ছুড়ে। তিনি আরো জানান, নিহত মদন মিয়ার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ডাকাতি ও ডাকাতির প্রস্তুতির অভিযোগে ৭টি মামলা রয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ধৃত ডাকাত মদন মিয়া তার সহযোগীদের এলোপাতাড়ি গুলিতে বুকে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে মারা গেছে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১২অক্টোবর,জহিরুল ইসলাম,পাইথংখালী উখিয়া থেকে ফিরে:   রিচ ফর হিউম্যানিটি ইউ’কে’র উদ্যোগে পাইথংখালী রোহিঙ্গাদের ত্রাণ বিতরণ ও শরণার্থী শিবির পর্যবেক্ষণ করেছে প্রতিনিধি দল।কক্সবাজারের উখিয়ার পাইথংখালী ৬ নং রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে রিচ ফর হিউম্যানিটি ইউ’কে’র প্রতিনিধিদল রোহিঙ্গাদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করেন।

মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ সদস্য মশিউর রহমান রিপন এর উপস্থিতিতে সেনাবাহিনীর তত্বাবধানে এবং বাংলাদেশ জেলা পরিষদ মেম্বার এসোসিয়শনের সহযোগীতায় ত্রান বিতরণ করা হয়। ত্রাণের মধ্যে ছিল চাল, ডাল, শিশুখাদ্য,দুধ,ঔষধ,লুঙ্গী,এবং গর্ভবতী মহিলাদের জন্য ম্যাক্সি,কম্বল, শিশুদের জন্য খেলনা যা সেনাবাহিনীর নিকট হস্থান্তর করা হয়। উখিয়ার পাইথংখালীর শরণার্থী শিবিরের মেজর মাহবুবুন্নবী এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রত্যক্ষ আন্তরিক সহযোগিতায় রোহিঙ্গাদের মধ্যে এ ত্রাণ বিতরণ করা হয়।

এছাড়াও ধর্মীয় গ্রন্থ ও তসবী শরনার্থী শিবিরের মসজিদের ইমামের নিকট প্রদান করা হয়। গত শনিবার রাতে উখিয়ার উদ্দেশে শ্রীমঙ্গল থেকে এই প্রতিনিধি দল যাত্রা শুরু করে। সেখানে পৌঁছে রবিবার সন্ধ্যায়।সোমবার ও মঙ্গলবার সকালে উখিয়ার ও পাইথংখালী শিবির গুলো পর্যবেক্ষণ করেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।

এসময় উপস্থিত ছিলেন রিচ ফর হিউম্যানিটি,ইউ.কে.এর ৬ সদস্যের প্রতিনিধিদল তারা হলেন,কুইন্স পার্ক বাংলাদেশ এসোসিয়েশন চেয়ারম্যান রেফুল মিয়া, খসরু মিয়া,ইসমাইল খালিক, রকিব মিয়া,এম.এ.মুয়িদ, এম.এ রব।

এসময় আরোও উপস্থিত ছিলেন প্যানেল চেয়ারম্যান মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ সদস্য রেজওয়ানা ইয়াসমিন সুমি,মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ সদস্য ও সাংগঠনিক সম্পাদক বাংলাদেশ জেলা পরিষদ মেম্বারস এসোসিয়েশন বদরুল ইসলাম,মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ সদস্য ও সাধারণ সম্পাদক বাংলাদেশ জেলা পরিষদ মেম্বারস এসোসিয়েশন এম এ আহাদ, সদস্য জেলা মৌলভীবাজার পরিষদ ও কার্যকরী সভাপতি বাংলাদেশ জেলা পরিষদ মেম্বারস এসোসিয়েশন রওনক আহমেদ অপু, ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলা পরিষদ সদস্য ও সভাপতি বাংলাদেশ জেলা পরিষদ মেম্বারস এসোসিয়েশন বাবুল মিয়া,রংপুর জেলা পরিষদ সদস্য আসমা আশরাফ, নেত্রকোণা জেলা পরিষদ সদস্য আল আমিন, এসময় তারা জানান, টিভিতে দেখে, পেপারে সংবাদ পড়ে যতটা হৃদয়ে কষ্ট পেয়েছি সরাসরি বাংলাদেশে এসে এদের অসহায়ত্বে কষ্ট দেখে মিয়ানমারে সরকার ও সেনা অভিযানের নির্যাতনকারীদের আর্ন্তজাতিক আদালতে বিচারের দাবী জানাচ্ছি।

রোহিঙ্গা সংকটের সমস্যা সমাধানে বিশ্ব নেতাদের জরুরী উদ্যোগ নেওয়ার দাবী জানাচ্ছি। আগামীতে রোহিঙ্গাদের রিচ ফর হিউম্যানিটি ইউ.কে’র ত্রাণ সহযোগীতা অব্যাহত থাকবে। এসময় তারা মৌলভীবাজার জেলা পরিষদের সদস্য মশিউর রহমান রিপনকে রিচ ফর হিউম্যানিটি ইউ.কে’র বাংলাদেশে প্রতিনিধিত্ব করার জন্য নাম ঘোষনা করেন প্রতিনিধি দল।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১২অক্টোবর,ডেস্ক নিউজঃ   রাজধানীর মৎস্য ভবন মোড়ে এক সার্জেন্টের মারধরের শিকার হয়েছেন ফটোসাংবাদিক। গতকাল বিকাল সোয়া ৪ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার শিকার হলেন মানবজমিনের নাসির উদ্দিন।

ভুক্তভোগী নাসির উদ্দিন জানান, বিকালে প্রেসক্লাব থেকে মোটরসাইকেলে কাওরানবাজারে অফিসে আসছিলেন। তার মোটরসাইকেলের পিছনে আরোহী ছিলেন জনকণ্ঠের জীবন ঘোষ। মোটরসাইকেলটি মৎস্য ভবন মোড় অতিক্রম করার সময় সার্জেন্ট মুস্তাইন কাগজপত্র তল্লাশির জন্য থামার নির্দেশ দেন। সার্জেন্ট কাগজপত্র পরীক্ষা করার পর তাদের হেলমেট না থাকার কারণ জানতে চান।

এ সময় নাসির উদ্দিন জানান ২/৩ দিন আগে তার হেলমেটটি চুরি হয়ে গেছে। তিনি নিজের নিরাপত্তার জন্য শিগগির একটি হেলমেট কিনবেন। তিনি সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে তার মোটরসাইকেলের বিরুদ্ধে মামলা না করার অনুরোধ করেন। এতে সার্জেন্ট তাদের হলুদ সাংবাদিক হিসেবে গালাগাল করতে থাকেন।

এর তীব্র প্রতিবাদ করলে সার্জেন্ট নাসির উদ্দিনের টি-শার্ট চেপে ধরে চড় ও থাপ্পড় মারেন। এ সময় তিনি তার ক্যামেরা বের করলে সার্জেন্ট ক্যামেরাটি কেড়ে নেন। একপর্যায়ে সার্জেন্ট এই অপরাধ ঢাকার জন্য মামলা দায়ের করার মেশিন রাস্তায় আছড়ে মেরে ভেঙে ফেলেন।
পরে তিনি টি-শার্ট চেপে ধরে তাকে মৎস্য ভবন পুলিশ বক্সে বসিয়ে রাখেন। কিছু সময় পর সেখানে একজন সহকারী কমিশনার উপস্থিত হলে তার সামনে নাসিরকে চড় থাপ্পড় মারতে থাকেন সার্জেন্ট মুস্তাইন। পরে প্রেসক্লাব থেকে সাংবাদিকরা গিয়ে নাসির ও জীবনকে পুলিশের হাত থেকে উদ্ধার করে নিয়ে আসেন।
এ ব্যাপারে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন শাখার উপ-কমিশনার মাসুদুর রহমান বলেন, ঘটনাটি যার দ্বারাই ঘটুক কেউ অন্যায় করলে তার অবশ্যই তদন্ত করে যথোপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা নেয়া হবে।  অভিযুক্ত সার্জেন্ট মুস্তাইনকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। ঘটনাটি তদন্তে ট্রাফিক (পশ্চিম) শাহবাগ জোনের সহকারী কমিশনারকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।ইত্তেফাক

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১২অক্টোবরঃ  কোনও ধরনের অপরাধ বা মামলা না থাকার পরেও রাজধানীর দৈনিক বাংলার মোড় হতে মিন্টু রোড ডিবি অফিসে নিয়ে টাকা দাবি করে শারীরিক নির্যাতন ও হত্যার হুমকি দিয়েছে বলে ডিবি অফিসার রাসেল ও শাহাজানের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন গোপালগঞ্জবাসী জিন্নাত আলী মোল্লার ছেলে মো. রুহুল আমিন।

সকাল সাড়ে ১০টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের তৃতীয় তলায় সেমিনার হলে এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ অভিযোগ করেন তার পরিবার ও শারীরিক অত্যাচারের শিকার স্বয়ং রুহুল আমিন।

লিখিত বক্তব্যে রুহুল আমিন অভিযোগ করে বলেন, ২৭ সেপ্টেম্বর প্রায় বেলা দেড়টার সময় রাজধানীর দৈনিক বাংলা মোড় হতে ডিবি পরিচয় দিয়ে ৪/৫জন লোক একটি গাড়িতে করে তুলে নিয়ে মিন্টুরোড ডিবি কার্যালয়ে আটকে রেখে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে। টাকা দিতে না চাইলে একটা সময় তাঁর গলায় জুতার মালা পড়িয়ে অন্যান্য অফিসার ডেকে অপমান করে ডিবি রাসেল ও এডিসি শাহাজান। শুধু তাই নয়, আমার বাড়ি গোপালগঞ্জ কেন এটাই নাকি আমার অপরাধ হয়েছে বলে ডিবি রাসেল ও এডিসি শাহাজানের প্রতি অভিযোগ তুলে কেঁদে ফেলেন রুহুল আমিন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলেন, আমার যদি কোনও অপরাধ থাকে, অভিযোগ থাকে, মামলা থাকে তাহলে দেশের প্রচলিত আইনে বিচার করবে আদালত। কিন্তু দেশ স্বাধীন হবার পরেও এ-কেমন আচরণ? তাহলে আমি কী প্রশ্ন করতে পারি না, এই ধরনের কর্মকর্তা সরকার ও শেখ হাসিনাকে বিতর্কিত করার ষড়যন্ত্র করছে? গোপালগঞ্জের নাম শুনলে তাদের শরীরে আগুন ধরে কেন? কিছু বললে মিথ্যা মামলায় জড়াবে! টাকা দাবি করবে আবার সেই টাকা না দিলে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকি দিবে! এ-কেমন সভ্যতায় আমরা বসবাস করছি বলেও সাংবাদিকের সামনে এমন প্রশ্ন করেন।

রাতভর তাকে মারপিট করেছে অভিযোগ করে তার শরীরের সেই মারপিটের কিছু ছবি তুলে ধরার পাশাপাশি ১ লক্ষ টাকা ডিবি রাসেল ও এডিসি শাহাজানকে দিয়ে প্রাণ বাঁচিয়ে এসেছেন বলে দুঃখ প্রকাশ করার পাশাপাশি যারা তাকে তুলে নিয়ে শারীরিকভাবে নির্যাতন-অত্যাচার ও হত্যার হুমকি দিয়েছিল তদন্ত করে ওইসব অপরাধীদের দৃষ্টান্ত বিচারের দাবি জানান সংবাদ সম্মেল থেকে তার পরিবার।প্রেস বার্তা

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১২অক্টোবরঃ  সিলেট ছাত্র ও যুব কল্যাণ ফেডারেশন ও ইছবাহ উদ্দিন এডুকেশন এন্ড ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট ইউকের উদ্যোগে এবারে এইচএসসি উত্তীর্ণদের সম্মানে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠান মঙ্গলবার বিকেলে অনুষ্ঠিত হয়।

এ অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে ইছবাহ উদ্দিন এডুকেশন ট্রাস্টের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইছবাহ উদ্দিন বলেছেন, শিক্ষার্থীরা সুশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে নৈতিক শিক্ষা অর্জন করে আলোকিত মানুষ হিসেবে গড়ে উঠতে হবে। সন্তানদেরকে সঠিক পথে চলতে অভিভাবকদেরকে সচেতন থাকতে হবে। সুস্বাস্থ রক্ষায় সবাইকে ধূমপান ও ড্রাগ থেকে বিরত থাকতে হবে। অন্যথায় সুস্থ জীবন ব্যাহত হতে বাধ্য। তাই এসব ক্ষেত্রে অভিভাবক ও শিক্ষকদেরকে গুরু দায়িত্ব পালন করতে হবে। দেশের মেধাবীরাই সুনাগরিক হয়ে আলোকিত সমাজ উপহার দিতে পারে।
এ অনুষ্ঠানে সূচনা বক্তব্য রাখেন সিলেট ছাত্র ও যুব কল্যাণ ফেডারেশনের চেয়ারম্যান এইচ এম আব্দুর রহমান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সমাজসেবক শিক্ষানুরাগী আতিয়া ট্রাভেলসের সত্বাধিকারী কাওছার আহমদ রিপন, ফেডারেশনের আজীবন সদস্য নুরুল ইসলাম সুমন, কবি মোস্তাক মেহরাজ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ফখরুল ইসলাম, শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন ফেডারেশনের নির্বাহী সংসদীয় কমিটির সভাপতি বিদ্যুৎ তরফদার রিংকু, প্রেসিডিয়াম সদস্য রুমেল আহমদ, শাহ আল আমীন, আবু বোরহান শান্ত, রেজাউল করিম, সুফিয়ান রহমান, আব্দুল্লাহ রহমান। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মো: দেলোয়ার হোসেন।
অনুষ্ঠানে সংবর্ধিতদেরকে সংবর্ধনা স্মারক ও উপঢৌকন প্রদান করা হয়।প্রেস বার্তা

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১২অক্টোবর,মিজানুর রহমান,সৌদি আরব প্রতিনিধিঃ জাতিগত সহিংসতার মুখে বিভিন্ন সময় সৌদি আরবে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের সংগঠন ‘আরাকান রোহিঙ্গা ইউনিয়ন’ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানিয়েছে। মক্কার স্থানীয় একটি হোটেলে আয়োজক সংগঠনের নেতা শেখ নুরুজ জুবায়েরের সভাপতিত্বে এবং নাছের চৌধুরী ও দীল মোহাম্মদের যৌথ পরিচালনায় এক আলোচনা সভা হয়।

সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন- সংগঠনের সহ পরিচালক শেখ আব্দুল্লাহ আল মারুফ, প্রধান বক্তা ছিলেন ‘গ্লোবাল রোহিঙ্গা সেন্টার’ এর চেয়ারম্যান আবু সালমান। সভায় বক্তব্য দেন- সৌদি নাগরিক মো. আইয়ুব জাম্মাল, আরাকান রোহিঙ্গা ইউনিয়নের নেতা মো. নুরুল আমিন, জোবায়ের ফজল, আনতাল হাকিম, মোহাম্মদ রফিক, আব্দুল্লা আচিরি, কাবীর মহিবুল্লা ও সৈয়দ মৌলবী।

সমাবেশে বক্তারা জাতিসংঘে গিয়ে রোহিঙ্গাদের অধিকারের জন্য বক্তব্য দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।