Thursday 19th of October 2017 08:31:10 PM

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৯অক্টোবর,চুনারুঘাট প্রতিনিধিঃ নিজ ইউনিয়নের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলবিএন পি’কে সু-সংগঠিত করে গড়ে তুলতে চান আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক পদপ্রার্থী সাগর খাঁন হিরন।

এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তিনি আমাদের প্রতিনিধি’কে জানান, তিনি সাংগঠনিক পদে নির্বাচিত হন বা না হন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শকে বুকে ধরে বিএনপি ও এলাকার উন্নয়নে কাজ করে যাবেন। এ জন্য তিনি সকলের দোয়া ও সহযোগীতা কামনা করেছেন।

তিনি আগামী ১৫’ই অক্টোবর উপজেলার ২নং আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন বিএনপির কাউন্সিলে সাংগঠনিক সম্পাদক পদপ্রার্থী। তার প্রতীক দেয়াল ঘড়ি।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৯অক্টোবর,তালুকদার সাইফুলঃ  হবিগঞ্জ পল্লীবিদ্যুৎ সমিতি ও টেলিটক বাংলাদেশ লি.-এর মধ্যে বিদ্যুৎ গ্রাহকদের বিল পরিশোধ বিষয়ে চুক্তি নবায়ন স্বাক্ষর সম্পন্ন হয়েছে।
সোমবার ০৯ অক্টোবর সকাল ১১টায় হবিগঞ্জ পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির কার্যালয়ে এ চুক্তি সম্পন্ন হয়।
পরে হবিগঞ্জ পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মোঃছোলায়মান এর নিকট চুক্তি নবায়নের কপি প্রদান করা হয়।
এ চুক্তি সম্পাদন হওয়ায় হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন এলাকার পল্লীবিদ্যুতের গ্রাহকরা সহজেই স্থানীয় টেলিটক এজেন্টের মাধ্যমে বিদ্যুতের বিল পরিশোধ করতে পারবেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন,হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানাজার মোঃ ছোলায়মান মিয়া,টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের হবিগঞ্জ জেলার মার্কেটিং ও সেলস প্রতিনিধি এসএম সাইদুর রহমান,হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পরিচালক এডভোকেট মিজানুর রহমান,টেলিটক পরিবেশক শেখ মোরশেদ আলম,ডিজিএম (নোয়াপাড়া) মোঃশাহজাহান ফকির,ডিজিএম (চুনারুঘাট) গাজী শওকাতুল আলম,ডিজিএম (নবীগঞ্জ) আব্দুল বারি,ডিজিএম (লাখাই) অনূপ কুমার দাশ,এজিএম (অর্থ) মাহমুদুল হাসান,জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার (আইটি) রনি ঘোষ,সহকারী জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার (আইটি) শওকত হোসেন,কাস্টমার কেয়ার সুপারভাইজার মাহমুদুল হাসান চৌধুরী মুছা,তারুন চৌধুরী,শেখ মোঃজুয়েল মিয়া,নাঈম,লুৎফুর রহমান,কামাল,সাজ্জাদ,৫০জন টেলিটক এজেন্ট।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৯অক্টোবর,ডেস্ক নিউজঃ    বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেম পেপালের কার্যক্রম বাংলাদেশে চালু হতে যাচ্ছে। বাংলাদেশী ফ্রিল্যান্সারদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা অবসান ঘটিয়ে সেবাটি ১৯ অক্টোবর উদ্বোধন করা হবে। বাংলাদেশ আইসিটি এক্সপো ২০১৭–এর দ্বিতীয় দিন পেপাল সেবা উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি-বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

সোমবার (৯ আক্টোবর) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ এ তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সোনালী, রূপালী ব্যাংকসহ নয়টি ব্যাংকে পেপাল সেবা পাওয়া যাবে। বেশ কিছুদিন ধরেই পেপাল কর্তৃপক্ষ বাজার যাচাইসহ নানা পরীক্ষা চালিয়েছে। সম্ভাবনাময় বাংলাদেশের কথা ভেবে বাংলাদেশে পুরোপুরি পেপাল সেবা চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এর ফলে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সাররা উপকৃত হবেন। এ ছাড়া রেমিট্যান্স আসার হার বাড়বে। ডিজিটাল ট্রানজেকশন বাড়বে।’

জুনাইদ আহমেদ বলেন, ‘ডিজিটাল লেনদেন, ক্যাশলেস সোসাইটির দিকে যাচ্ছি আমরা। ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনের ক্ষেত্রে এ ধরনের সেবা চালু করা গুরুত্বপূর্ণ। পেপাল চালু হওয়ায় নয়টি ব্যাংকের ১২ হাজার শাখা থেকে সেবা পাওয়ার সুযোগ হবে।’

চলতি বছরের এপ্রিল মাসে দেশে পেপাল চালুর জন্য প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ। বাংলাদেশে দ্রুত কার্যক্রম শুরু করার আহ্বানে সাড়া দেয় প্রতিষ্ঠানটি। পেপাল-জুমের ক্যালিফোর্নিয়ার সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে পেপালের জুম প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান বিপণন কর্মকর্তা জুলিয়ান কিং।

পরে মে মাসে দেশে পরীক্ষামূলকভাবে পেপালের সেবা (জুম) চালু করে সোনালী ব্যাংক। ব্যাংকটির সব কটি শাখায় সেবাটি দেয়ার জন্য একটি পরিপত্র জারি করা হয়। এতে শুরুতে বৈদেশিক রেমিট্যান্স আহরণ ও বিতরণ কার্যক্রম চালুর কথা বলা হয়। তবে ফ্রিল্যান্সিং বা আউটসোর্সিংয়ের অর্থ লেনদেনের সুবিধা ছিল না।

মার্কিন কোম্পানি পেপাল হোল্ডিংস বিশ্বব্যাপী অনলাইন পেমেন্ট সিস্টেম হিসেবে কাজ করে। এটি অনলাইন অর্থ স্থানান্তর ও প্রচলিত কাগুজে পদ্ধতির পরিবর্তে ইলেকট্রনিক পদ্ধতি হিসেবে কাজ করে।সংবাদ মাধ্যম

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৯অক্টোবর,শাব্বির এলাহীঃ প্রতিষ্ঠার ১৮ বছর পর মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ পৌরসভা সি গ্রেড থেকে বি গ্রেডে উন্নীত হয়েছে। রোববার বিকালে স্থানীয় সরকার বিভাগ পৌর-২ শাখার প্রেরিত এক পত্রের মাধ্যমে কমলগঞ্জ পৌরসভার শ্রেণি পরিবর্তনের তথ্য জানানো হয়।

জানা যায়, ১৯৯৯ সালের ৭ অক্টোবর মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ পৌরসভা সি গ্রেড হিসাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছিল। প্রতিষ্ঠার ১৮ বছর পর গত ৫ অক্টোবর মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সকল প্রকার বিধি মেনেই স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ কমলগঞ্জ পৌরসভাকে সি গ্রেড থেকে বি গ্রেডে উন্নীত করে। কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো: জুয়েল আহমদ রোববার রাতে এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, তিনি ৩১ জানুয়ারী ২০১৫ সালে মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর দীর্ঘ ১৯ মাসে রাজস্ব আয় করেছেন ১ কোটি ৩৮ লাখ টাকা।

প্রতিবছর পৌরসভার রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশী তিনি আয় করেছেন। তিনি দয়িত্ব গ্রহনের সময় পৌরসভার তহবিলে ছিল মাত্র ৩৭ হাজার ৮৫ টাকা। পৌরবাসীদের সঠিকভাবে নাগরিক সেবা দিয়ে সঠিকভাবে রাজস্ব আয় করায় মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য, সাবেক চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ মো: আব্দুস শহীদের ডিও লেটারের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার বিভাগের তদন্তক্রমে বিধি মোতাবেক কমলগঞ্জ পৌরসভা বি গ্রেডে উন্নীত হয়।

কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র মো: জুয়েল আহমদ বলেন, রোববার বিকালে স্থানীয় সরকার বিভাগ পৌর-২ শাখা বিভাগের সহকারী সচিব এ কে এম আনিসুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক পত্রের মাধ্যমে কমলগঞ্জ পৌরসভার বি গ্রেডে উন্নীত করনের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এ সংবাদে রোববার সন্ধ্যার পর কমলগঞ্জ পৌরসভার নাগরিকদের মাঝে আনন্দের বন্যা বইতে শুরু করে। পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে রোববার রাতে মিষ্টি বিতরণ ও আনন্দ মিছিলের সংবাদ পাওয়া গেছে।
আলাপকালে কমলগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক মো: জুয়েল আহমদ কমলগঞ্জ পৌরসভা সি গ্রেড থেকে বি গ্রেডে উন্নীতকরণে সন্তুষ্টির পাশাপশি তাদের বর্তমান পরিষদের সর্বোচ্চ প্রাপ্তি বলে মন্তব্য করেছেন।

মেয়র বলেন, মৌলভীবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য, সাবেক চিফ হুইপ, বীর মুক্তিযোদ্ধা উপাধ্যক্ষ মো: আব্দুস শহীদের স্বাক্ষরিত সুপারিশ ও তার সহযোগিতায় বি গ্রেডে উন্নীত করা সম্ভব হয়েছে। আমি বিশ্বাস করি শ্রেণী পরিবর্তন পৌর এলাকার উন্নয়নে কার্যকর ভুমিকা পালন করবে।’তিনি এটি বর্তমান সরকারের সফলতা ও পৌরবাসীকে উপহার হিসেবে আখ্যা দিয়ে মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও সাবেক চিফ হুইপ উপাধ্যক্ষ মো: আব্দুস শহীদ এমপি মহোদয়সহ সংশিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৯অক্টোবরঃ  সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের রাস্থা প্রশস্তকরণ কাজ নিয়ে সৃষ্ট জটিলতার অবসান হয়েছে। গতকাল (৯সেপ্টেম্বর) সোমবার দুপুরে উইমেন্স মেডিকেল কলেজের সভাকক্ষে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকে বসেন সিটি করপোরেশনের (সিসিক) মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। এ সময় কর্তৃপক্ষ সড়ক প্রশন্থকরণ করার জন্য মেয়রকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

সিসিক সূত্র জানায়, অর্থমন্ত্রীর অগ্রাধিকার প্রকল্পের আওতায় গত কয়েকমাস ধরে সিলেট নগরীর নয়াসড়ক থেকে চৌহাট্রা সড়কের প্রশস্ত করার কাজ শুরু হয়। সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর কাছে অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও বাসা-বাড়ির মালিক সড়কের জন্য ৬ ফুট জমি ছাড়ার জন্য রাজি হন। সকলের সঙ্গে আলোচনার পর পরই তয়েক মাস আগে শুরু হয় সড়ক প্রশস্থকরণ করার কাজ। গত ১৭ জুলাই সড়ক প্রশস্ত করা নিয়ে মেয়রের সঙ্গে বিরোধ দেখা দেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে। পরে এনিয়ে দু’পক্ষের ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। রাতেই দু’পক্ষ বৈঠকে বসেন। সে সময় বিরোধের কিছুটা নিষ্পত্তি হয়। গতকাল সোমবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সড়ক প্রশস্ত করার জন্য জমি ছেড়ে দিলে এলাকার লোকজন সাধুবাদ জানান।
কলেজের সভাকক্ষে ঘন্টা খানেক বৈঠকের পর মেয়রকে নিয়ে হাসপাতাল কতৃপক্ষ মুল ফটকের কাছে যান। তারা সড়ক প্রশস্ত করার জন্য কাজ শুরু করার আহবান জানালে মেয়র হাতুড়ি দিয়ে দেওয়াল ভাঙ্গার কাজের উদ্বোধন করেন। এ সময় উপস্থিত লোকজন হাততালি দিয়ে সাধূবাদ জানায়।
এ সময় মেয়র বলেন, নগরীর উন্নয়নে যেভাবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ছাড় দেওয়ার মনোভাব দেখিয়েছে এটি সবার মনে পোষন করতে হবে। নগরীর উন্নয়নে তিনি সকলের সহযোগিতা চেয়ে বলেন, এভাবে সকলে সহযোগিতা করলে সিলেটের উন্নয়ন কোনভাবেই দমিয়ে রাখা যাবেনা। সিলেট হবে একটি আদর্শ নগরী।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিলেট উইমেন্স মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা বশির আহমদ, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. শাহ আব্দুল আহাদ, মেডিকেল কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল ডা. ফজলুর রহমান কায়সার, শিশু বিভাগের বিভাগীয প্রধান প্রফেসর আব্দুল মতিন, কোম্পানীর পরিচালক ফখরুল ইসলাম, এমদাদ হোসেন চৌধুরীও আব্দুল বারী, সিলেট সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর রাজিক মিয়া, আব্দুল মুহিত জাবেদ, প্রকৌশলী আব্দুল আজিজ, আলী আকবর, ইসমাইল আহমদ প্রমূখ।প্রেস বার্তা।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৯অক্টোবরঃ  নর্দান ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস এন্ড টেকনোলজি খুলনা এর উদ্বোগে আগামী শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে নেটওয়ার্কিং এর উপর দিনব্যাপী এক কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে আমেরিকান সেন্টার এর এডুকেশন বিষয়ক পরিচালক জনাব সোহেল ইকবাল এর পরিচালনায় অংশ গ্রহণ করেন এন.ইউ.বি.টি খুলনার সকল বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও খুলনার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
সে সময় তিনি বাংলাদেশী ছাত্র-শিক্ষকদের জন্য এডুকেশন টঝঅ কর্তৃক প্রদত্ত শিক্ষ বিষয়ক বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা কথা তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার জনাব আব্দুর রউফ ও আমেরিকান কর্ণার এর কো-অডিনেটর ফারজানা রহমানসহ আমেরিকান কর্ণার এর সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৯অক্টোবরঃ  সদ্য শেষ হওয়া ষষ্ঠ জাতীয় যুবনাট্য উৎসবের সনদ পেল কাব্য বিলাসের হয়ে জল-জীবন নাটকে অভিনয় করা শিল্পীরা। বরিবার রাজধানীর কাওলায় কাব্য বিলাস নাট্য গোষ্ঠীর নিজস্ব মহড়া কক্ষে শিল্পীদের হাতে সনদ তুলে দেন সমাজসেবক ও রাজনৈতিকবিদ মনির হোসেন মনির ও পিআর গ্রুপের চেয়ারম্যান খুকু বিশ্বাস।

গত ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ৬ অক্টোবর জাতীয় নাট্যশালার অনুষ্ঠিত হয় যুব নাট্য উৎসব। এই উৎসবে দেশের অন্যতম শিশু-কিশোর নাট্য দল কাব্য বিলাস মঞ্চায়ন করে জল-জীবন নাটকটি।

রাহুল রাজ এর রচনা ও নির্দেশনায় জল-জীবন নাটকটি ছিল উৎসবের বিশেষ আকর্ষণ। গত ৪ অক্টোবর সংগীত ও নৃত্য মঞ্চে কাব্য বিলাস মঞ্চায়ন করে জেলেদের জীবনের প্রতিচ্ছবি নিয়ে ভিন্ন ধারার এ নাটকটি।

ঝড়ে দরিয়ার জলে বারেক জেলের নৌকা ডুবে যায়। দরিয়াতে আবার কীভাবে বারেক মিয়া নৌকা নিয়ে ভাসল এর উপর ভিত্তি করে এগিয়ে চলে নাটকের গল্প। নারীর অধিকার ও জেলে জীবনের বিভিন্ন দিক উঠে আসে এ নাটকে। হল ভর্তি দর্শকেরা মুগ্ধ হয় শিল্পীদের অভিনয় দক্ষতায়।

জল-জীবন নাটকের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করে, নীপা মোনালিসা, ইসমত আরা প্রমিয়া, উৎপল চন্দ্র দাস, কামরুজ্জামন, নূর-ইসলাম খান মামুন, পিউলি প্রমি অধিকারী, রাকিব হাসান, জাহিদুর রহমান, মো: সুমন, আমির হোসেন রায়হান, অমিও রহমান, ফাতেমা আক্তার স্মৃতি, ইতি, আইভি, আনিকা, রাব্বি, আমিনুর হোসাইন সহ আরো অনেকে।

সদন বিতরণ শেষ মনির হোসেন মনির শুভেচ্ছা বক্তব্যে বলেন, নাটক সমাজের আয়না। বর্তমান সমাজের কিশোর-যুবকদের অনেকে বিপথে চলে যাচ্ছে। মাদকের ভয়াল থাবায় নিজেদের শেষ করে দিচ্ছে। সেইসব যুবকদের সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনতে সাংস্কৃতিক চর্চা গুরুত্ব অপরিসীম। যারা সাংস্কৃতিকের সাথে জড়িত তারা কোন ভাবে অপরাধ মূলক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত হতে পারে না। অপসংস্কৃতি রোধে কিশোর-যুবকদের আরো বেশি সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের সাথে জড়াতে হবে।প্রেস বার্তা

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৯অক্টোবর,হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মহাসড়কে ৩ চাকার যানবাহন সিএনজির চলাচল নিষেধাজ্ঞা থাকলেও প্রকাশ্যে সিএনজি চালকরা মহাসড়কে সিএনজি নিয়ে প্রায়ই যাতায়াত করছেন।  মহাসড়কের হবিগঞ্জের জেলার নবীগঞ্জ উপজেলায় বেপরোয়াভাবে চলছে সিএনজি অটোরিকশা। মহাসড়কের এমন দৃশ্য দেখা যায় হরহামেশায়। জানা যায়, দূর্ঘটনা প্রতিরোধের জন্য মহাসড়কে সিএনজি অটোরিকশা নিষিদ্ধ করার ফলে জনভোগান্তি হলেও সরকার চাপের কাছে নতস্বীকার করেননি সিএনজি চালকরা। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় নিষিদ্ধ এসব যান চলাচল বন্ধে কঠোর অভিযান পরিচালনা করা হয়। সরকারে উচ্চ কর্তারা যখন বেশি চাঁপ প্রয়োগ করায় সিএনজি অটোরিকশা আটক ও মামলা দেওয়া হয়। এদিকে, দুইলেনের দুইপাশে দুই লেন দখল করে গড়ে উঠেছে অবৈধ স্ট্যান্ড, যানবাহনের পার্কিং ও দোকাপাট ।
মহাসড়কের ওপর প্রতিটা মোড়ে মোড়ে গড়ে উঠা অবৈধ স্ট্যান্ড ও রাস্তার ওপর যানবাহন পার্কিংয়ের কারণে প্রতিদিনই জট লেগে থাকে এবং ঘটতে থাকে সড়ক দূর্ঘটনা। এতে যাত্রীদের অসহনীয় ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। গত বছরে মহাসড়কের ওপর থেকে অবৈধ স্ট্যান্ড ও যানবাহনের পার্কিং উচ্ছেদসহ নিষিদ্ধ করা হয়। কিন্তু কয়েক মাস পরপরই পূণরায় শুরু হতে থাকে মহাসড়কে অবৈধ সিএনজি পার্কিং। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক যাত্রী জানান, এভাবে অবৈধ সিএনজি পার্কিং চলতে থাকলে এতে পরিস্থিতি মারাত্মক আকার ধারণ করবে, ঘটতে পারে বড় বড় দূর্ঘটনা।  ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে নিয়মিত চলাচলকারী বাসের চালকদের দাবি,  মহাসড়কের অনেক জায়গায় ভাঙ্গাচোরা এবং ভয়ংকর বড় বড় গর্ত রয়েছে। তার সাথে মোড়ে মোড়ে অবৈধ স্ট্যান্ড আর যানবাহনের পার্কিং বন্ধ করা না গেলে ঘরমুখো মানুষকে দুর্ভোগ একের পর পর এক দূর্ঘটনা ঘটতেই থাকবে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,  মহাসড়কের দুই পাশে দীর্ঘ লাইনে কাভার্ড ভ্যান, ট্রাক পার্কিংসহ মহাসড়কেই সিএনজি পার্কিং করিয়ে যাত্রী উঠানাম করছেন সিএনজি চালকরা । যার কারণে ঘটে যাচ্ছে একের পর এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা। বিশেষ করে মহাসড়কের শায়েস্তাগঞ্জ থেকে শুরু করে সঈদপুর বাজার পর্যন্ত এর তীব্রতা খুবই লক্ষণীয়। মহাসড়কের পাশে নির্দিষ্ট জায়গা থাকা সত্বেও চালকরা অবৈধ ভাবে মহাসড়কেই সিএনজি পার্কিং করাচ্ছেন। অন্য দিকে, মহাসড়কের দেবাপাড়া বাজারের ফুটপাথে রয়েছে অবৈধ ব্যবসায়ীদের দখলে। গাড়ি চলাচলের রাস্থায় বাঁধা সৃষ্টি করে ব্যবসাবাণিজ্য করছেন অসাধু ব্যবসায়ীরা ।

ফুটপাতের অসংখ্য অবৈধ  দোকানপাট ও সিএনজি পার্কিংয়ের কারনে এলাকাবাসী চলাচল ও মহাসড়কে বাসসহ বিভিন্ন ধরণের গাড়ী যাতায়তের বিগ্ন ঘটছে।  মহাসড়কে গাড়ী পার্কিং  ও রাস্থার পাশে অবৈধ দোকানপাট থাকায় ঘটে চলেছে অহরহ অনেক দূর্ঘটনা। এলাকাবাসী ও জনসাধারণ এ বিষয়ে স্থানীয় উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছেন এলাকাবাসী।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৯অক্টোবর,ডেস্ক নিউজঃ  মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর অধিকার আদায়ে সংগ্রামরত কথিত আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি বা আরসা এখন কী করবে সে কৌতূহল দেশ ছেড়ে পালিয়ে আসা লাখ লাখ নিপীড়িত রোহিঙ্গার। গত ২৪ আগস্ট দিবাগত রাতে রাখাইনে ৩১টি নিরাপত্তা স্থাপনায় সিরিজ হামালার ১৬ দিনের মাথায় আরসা একতরফা অস্ত্র বিরতির ঘোষণা দেয়। আরসার অপরিপক্ক কার্যক্রম ও সাধারণ রোহিঙ্গাদের মাঝে পরস্পর বিরোধী অবস্থান লক্ষ্য করা গেছে। অধিকাংশ আরসা যোদ্ধা নানা সংকটে পড়ে পালিয়ে গেছে বলে জানা গেছে। অন্যদিকে তাদের অস্ত্র বিরতির মেয়াদ শেষ হচ্ছে আজ। অস্ত্র বিরতির মেয়াদ শেষান্তে রাখাইনে থেকে আসা রোহিঙ্গা, সে দেশের সেনাবাহিনী, বর্ডার পুলিশসহ (বিজিপি) যৌথ বাহিনী এবং সেখানকার রাখাইনদের মাঝে নতুন করে আতংক সৃষ্টি হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

২০১২ সালের মাঝামাঝিতে রাখাইনের রাজধানী আকিয়াবের উপকণ্ঠে সেখানকার এক রাখাইন বাসযাত্রী মহিলাকে এক মুসলিমসহ কয়েকজন যাত্রী কর্তৃক গণ ধর্ষণের গুজব রটিয়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা লাগানো হয়েছিল। ওই সময় বাসে থাকা তাবলীগ জামাতের ১১ জন মুসলিমকে রাখাইন উগ্রপন্থীরা কুপিয়ে হত্যা করেছিল। এ ঘটনায় মুসলমান ও রাখাইন মগদের মাঝে সম্প্রদায়িক দাঙ্গা ব্যাপক আকার ধারণ করেছিল। ওই সময় নিরাপত্তা বাহিনীর সহযোগিতায় রাখাইন মগরা মুসমানদের কয়েকশ’ ঘরবাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, মাদ্‌রাসা মসজিদ জ্বালিয়ে দিয়েছিল এবং দুই শতাধিক রোহিঙ্গাকে হত্যা করেছিল। বাস্তুচ্যুত হয়ে পড়েছিল দেড় লক্ষাধিক রোহিঙ্গা। যারা এখনো অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুত ক্যাম্প বা আইডিপিতে অবস্থান করছে। বিভিন্ন নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে এ ঘটনাকে পুঁজি করে রাখাইনে দুইটি উগ্রপন্থী গোষ্ঠীর আর্বিভাব ঘটে। একটি রাখাইন উগ্র জাতীয়তাবাদী সংগঠন ‘মা বা থা’, যেটার নেতৃত্বে আছেন উগ্রবৌদ্ধ সন্নাসী ‘ওরাথাও’। অন্যটি রোহিঙ্গা উগ্রপন্থী সংগঠন ‘হারকাত আল–ইয়াকিন’ যেটিকে সংক্ষেপে আল ইয়াকিন বলে রোহিঙ্গারা অভিহিত করে থাকে। আর এটির মূল নেতৃত্ব দিয়ে আসছে বর্তমান সময়ের আলোচিত আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি বা আরসা।

মিয়ানমারের দাবি, আরসা ২০১২ সালের পর থেকে সৌদিআরব, পাকিস্তান, ভারত, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ায় সংঘটিত হতে শুরু করে। আরসা বিদ্রোহীদের সূত্রে পাওয়া তথ্য মতে, ২০১৩ সাল থেকে বর্তমান আরসা প্রধান আতাউল্লাহ ও সামরিক কো–চীফ হাফেজ তাহেরের নেতৃত্বে রাখাইনসহ উল্লেখিত দেশগুলোতে থাকা রোহিঙ্গা যুবকদের সংগঠিত করে। একই বছর বিদেশী একটি গোয়েন্দা সংস্থার তত্ত্বাবধানে প্রাথমিক ভাবে সামরিক প্রশিক্ষণ নেয়। আফগানিস্তানে বিভিন্ন জঙ্গি অপারেশনে অংশ গ্রহণের মাধ্যমে বাস্তবিক সামরিক যুদ্ধা তৈরি করে। হরকাতুল জিহাদ আল ইসলামী বা হুজি এবং লস্কর–ই–তৈয়বার সাথে আরসার সামরিক প্রশিক্ষণের বিনিময় ঘটে। ২০১৫ সালের শেষের দিকে ভারত, বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ড সীমান্ত দিয়ে আরসা যোদ্ধারা বাংলাদেশ–ভারত–মিয়ানমার সীমান্তের নো ম্যান্স ল্যান্ডে সামরিক তৎপরতা শুরু করে। রাখাইন থেকে শত শত রোহিঙ্গা কিশোর ও যুবকদের মিয়ানমারের সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে উজ্জীবিত করতে থাকে আরসা।

মিয়ানমারের দাবি, বর্তমান আরসার পূর্বতন রূপ আল ইয়াকিন ২০১২ সালে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার ঘটনায় প্রতিশোধ নিতে টেস্ট কেইস হিসেবে ২০১৬ সালে ৯ অক্টোবর বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী মিয়ানমার বর্ডার গার্ড পুলিশ বা বিজিপির ৩টি স্থাপনায় আক্রমণ করে। এতে ৯ জন নিরাপত্তা কর্মকর্তা নিহত হন, ৪৮টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৬৬২৪ রাউন্ড গোলাবারুদ, ৪৭টি বেয়নেট ও ১৬৪টি ম্যাগজিন লুট করে আল ইয়াকিন বিদ্রোহীরা। এঘটনার পর মিয়ানমার সেনাবাহিনী সন্ত্রাসী নির্মূলের অজুহাতে অপারেশন ক্লিয়ারেন্সের নামে রোহিঙ্গা এথনিক ক্লিনজিং অপারেশন চালায় ৪ মাসব্যাপী। সে অভিযানে কয়েক হাজার নিরাপরাধ নারী, শিশু, বৃদ্ধ ও পুরুষকে হত্যা, নির্বিচারে আটক, অসংখ্যা নারী ও শিশু ধর্ষণ এবং তাদের ঘরবাড়ি লুটপাটের পর অগ্নি সংযোগ করে। জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কঠোর চাপ ও প্রতিবাদের মুখে দীর্ঘ ৪ মাস রোহিঙ্গা নিধন ও নির্মূল অভিযানের পর অপারেশন সাময়িক ভাবে কমিয়ে দেয় সেনাবাহিনী। তবে পুরোপুরি বন্ধ না করে গত আগস্টের প্রথম সপ্তাহের নতুন ভাবে অতিরিক্ত সৈন্য মোতায়েন করে রাখাইনে।

২০১৬ সালে ৯ অক্টোবরের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই চলতি বছরের ২৪ আগস্ট দিবাগত রাতে আল ইয়াকিনের পরিবর্তিত রূপ আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি বা আরসা রাখাইনের মংডু, বুথিডং ও রাথিডং অঞ্চলে ৩০টি পুলিশের নিরাপত্তা চৌকি, একটি পুলিশ স্টেশন ও বুথিডংয়ে একটি সামরিক ঘাঁটিতে সিরিজ হামলা চালায়। এ ঘটনায় ১১ জন পুলিশ সদস্য, একজন আর্মি সদস্য ও একজন ইমিগ্রেশন পুলিশ অফিসার নিহত হন। এসময় আরসা বিদ্রোহীরা ৬টি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বেশ কিছু গোলাবারুদ লুট করে নিয়ে যায় বলে মিয়ানমার সরকারের তথ্য কমিটির অভিমত। এতে ৩৭০ জন রোহিঙ্গা বিদ্রোহী, ১৩ জন নিরাপত্তা বাহিনী সদস্য, ২ জন সরকারী কর্মচারী ও ১৪ জন সাধারণ লোকসহ ৪০০ জন নিহত হওয়ার খবর দিয়েছে মিয়ানমার সরকার। ওই হামলার পর ২৫ আগস্ট সকাল থেকে রোহিঙ্গা মুসলিম অধ্যুষিত রাখাইনের মংডু, রাথিডং ও বুথিডং অঞ্চলে রোহিঙ্গাদের উপর সেনাবাহিনী, বিজিপি ও স্থানীয় উগ্রপন্থী রাখাইন মগরা প্রতিশোধ পরায়ণ হয়ে চরম নির্যাতন শুরু করে।

এ অঞ্চলে রোহিঙ্গাদের ৪৭১টি গ্রামের মধ্যে ইতোমধ্যে যৌথ বাহিনী ২ শতাধিক রোহিঙ্গা গ্রাম সম্পূর্ণ ভাবে জ্বালিয়ে–পুড়িয়ে ধ্বংস স্তুপে পরিণত করেছে। এসব গ্রাম সম্পূর্ণ ভাবে জনমানব শূণ্য হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি মিয়ানমার সরকারের হিসাব অনুযায়ী আরো ৩৪টি রোহিঙ্গা গ্রাম জনমানব শূণ্য হওয়া পথে। গত ২৫ আগস্ট থেকে গতকাল ৮ অক্টোবর পর্যন্ত মিয়ানমার সেনাবাহিনীর পরিচালিত মানবতাবিরোধী অপরাধের শিকার হয়ে সাড়ে ৫ লক্ষাধিক রোহিঙ্গা মুসলমান রাখাইন থেকে প্রাণে বাঁচতে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। জাতিসংঘ চলতি সপ্তাহে মিয়ানমারে চলমান সহিংসতার ঘটনা বন্ধ না হওয়া আরো তিন লক্ষাধিক রোহিঙ্গা উদ্বাস্তু হয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসার আশংকা করছে।

এদিকে আরসা ঘোষিত এক তরফা অস্ত্র বিরতির মেয়াদ আজ সোমবার শেষ হয়ে যাচ্ছে। এতে বাংলাদেশে অবস্থান নেয়া লাখ লাখ রোহিঙ্গার মাঝে আরসার কর্মকাণ্ড নিয়ে পরস্পর বিরোধী অবস্থান লক্ষ্য করা গেছে। অধিকাংশ রোহিঙ্গা বলছে, রাখাইনে যুগ যুগ ধরে চলমান সরকারী বাহিনীর নানা নির্যাতনের মাঝেও সব অধিকার হারিয়ে মোটামুটি ভাবে পূর্ব পুরুষদের ভিটে মাটি আঁকড়িয়ে ছিলাম। কিন্তু রাখাইনের অধিকাংশ রোহিঙ্গাদের থেকে বিচ্ছিন্ন ও এক শ্রেণির উগ্র যুবক রোহিঙ্গাদের অধিকার আদায়ের নামে বিভ্রান্ত করে রাখাইনে নিরাপত্তা স্থাপনায় হামলা চালায়। এর প্রতিশোধ নিতে মিয়নমারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নির্যাতন শুরু করলে লক্ষ লক্ষ নিরীহ রোহিঙ্গা বাংলাদেশ পালিয়ে আসে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এসব রোহিঙ্গা আরসার কর্মকাণ্ডে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আরসার তাদের কাছে কোনো পর্যাপ্ত অস্ত্রশস্ত্র নেই। নেই কোনো গোলাবারুদও। শুধু লাঠি, কিরিচ, চুরি ও গুলতি দিয়ে মিয়ানমারের সুসজ্জিত সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করা বোকামি ছাড়া আর কিছুই নয়। শুধু শুধু নিরাপরাধ ও নিরীহ রোহিঙ্গাদের সমূলে বিনাশ করতেই সরকার ও সেনাবাহিনীর এজেন্ট হিসেবে তারা কাজ করছে।

তারা আরো বলেন, রাখাইনে দীর্ঘদিনের সমস্যা নিয়ে জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনানের পেশকৃত সুপারিশমালা সমূহ প্রকাশ করতে না করতেই আরসা রোহিঙ্গাদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলা শুরু করে। উক্ত সুপারিশমালা সমূহ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কোনো ধরনের মন্তব্য করার সুযোগ না দিয়ে অপরিপ ও অপরিকল্পিত ভাবে রোহিঙ্গাদের সর্বনাশ করতে আরসা এ ধরনের হামলা চালিয়েছে।

অন্যদিকে অনেক রোহিঙ্গাকে আরসার কাজকর্মের পত্মে কথা বলতেও শোনা গেছে। তারা বলছেন, রাখাইনের লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গার নাগরিকত্ব সহ সকল অধিকার আদায়ের লক্ষে আরসা সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে। তবে অস্ত্র বিরতির মেয়াদ শেষান্তে তাদের কী পরিকল্পনা সে ব্যাপারে পরিষ্কার কিছু বলা যাচ্ছে না। আরসা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে প্রেরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, মিয়ানমার সরকার শান্তি আলোচনায় আরসাকে আমন্ত্রণ জানালে তারা তা সাদরে গ্রহণ করবে। অন্যদিকে আরসার অস্ত্র বিরতির প্রেক্ষিতে রাখাইনে এখনো থেকে যাওয়া কয়েক লক্ষ রোহিঙ্গা, রাখাইন জনগোষ্টি ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের মাঝে নতুন ভাবে অজানা আতংক কাজ করছে বলে জানা গেছে।দৈনিক আজাদী

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৯অক্টোবর,ডেস্ক নিউজঃএকের পর এক দুঃসংবাদ মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সুচির জন্য। তাকে দেয়া আন্তর্জাতিক অনেক সম্মাননা কেড়ে নেয়া হচ্ছে। তাকে দেয়া বিশেষ সম্মাননা ফ্রিডম অব দ্য সিটি অব অক্সফোর্ড কেড়ে নেয়ার পক্ষে ভোট দিয়েছে অক্সফোর্ড সিটি কাউন্সিল। এ বিষয়ে চূড়ান্ত ভোট হবে ২৭ নভেম্বর। এর রেশ কাটতে না কাটতেই সুচিকে দুঃসংবাদ দিচ্ছে সিটি অব লন্ডন। তারা সবেমাত্র গত মে মাসে অনারারি ফ্রিডম পুরস্কারে ভূষিত করেছে। কিন্তু মিয়ানমারের ভিতরে রোহিঙ্গাদের সঙ্গে যে নৃশংসতা চালানো হচ্ছে এবং সে বিষয়ে তিনি কোনো পদক্ষেপ না নেয়ায় তার সেই পদকও কেড়ে নিতে পারে সিটি অব লন্ডনের স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। এ জন্য ডিবেট বা বিতর্কে অংশ নিতে এর সদস্যদের আহŸান জানিয়ে ইমেইল পাঠানো হয়েছে।

এ খবর দিয়েছে লন্ডনের অনলাইন দ্য গার্ডিয়ান। এতে বলা হয়, সুচিকে সম্মান জানিয়ে ওই পুরস্কার দিয়েছিল সিটি অব লন্ডন। কিন্তু তার দেশে যে অবস্থা বিরাজ করছে তার প্রেক্ষিতে পুরস্কারটি কেড়ে নিয়ে বিতর্কে বসছে কর্তৃপক্ষ দ্য স্কয়ার মাইল। এর কিছু কাউন্সিলর সুচির আচরণে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তারা প্রতিবাদ বিক্ষোভ করেছেন। সহকর্মীদের এমন চাপ ও মিয়ানমারের ভিতরে ক্রমাগত নৃশংসতার রিপোর্ট বেরিয়ে আসায় সিটি অব লন্ডন করপোরেশনের নেতারা ওই বিতর্কের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বিবিসি।