Thursday 19th of October 2017 08:31:49 PM

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৫অক্টোবর,কমলগঞ্জ প্রতিনিধিঃ  পূর্বশক্রতার জের ধরে তার স্বামী তাউসেন মিয়াকে হত্যা মামলায় মিথ্যা আসামী করে হয়রানি করার অভিযোগ তুলেছেন মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ পৌরসভার কুমড়াকাপন গ্রামের তাউসেন মিয়ার স্ত্রী হাছিনা বেগম। বৃহষ্পতিবার তার স্ত্রী হাছিনা বেগম এক লিখিত অভিযোগে জানান, কুমড়াকাপন গ্রামের প্রতিবেশী মোহাম্মদ আলীর ছেলে মাসুদ রানা রুবেল গত ১৭ আগষ্ট ভোরে চট্রগ্রাম-সিলেটগামী ৭২৩ নম্বর আন্তনগর উদয়ন এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে মারা যায়। এ ব্যাপারে শ্রীমঙ্গল রেলওয়ে থানার অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়।

কিন্তু মাহমুদ আলী পূর্ব বিরোধের জের ধরে ও পূর্বেও ২টি মামলা বিচারাধীন থাকায় মূল ঘটনাকে আড়াল করার জন্য প্রতিবেশী তাউসেন মিয়াসহ এলাকার কিছু তরুনদের ফাঁসানোর লক্ষ্যে অপমৃত্যুকে হত্যাকান্ড উল্লেখ করে মিথ্যা অভিযোগ এনে মৌলভীবাজার আদালতে একটি পিটিশন দায়ের করলে আদালত বিষয়টি তদন্তের জন্য কমলগঞ্জ থানাকে নিদের্শ দিয়েছেন। হাছিনা বেগম বলেন, শুধু তার স্বামী নয় এলাকার আহমদ মিয়া, বদরুল মিয়া, আসিক মিয়া, রইছ মিয়া, শহিদ মিয়াকে মিথ্যা মামলা দায়ের করে হয়রানী করছেন মাহমুদ আলী।

তিনি মামলাটির সুষ্ঠ নিরপেক্ষ তদন্ত দাবী করে বলেন, পারিবারিক বিরোধের কারনে মাসুদ রানা আত্মহত্যা করতে পারে।আমার স্বামী এমন অপরাধের সাথে জড়িত নন। আমরা এই চক্রান্তমুলক মিথ্যা মামলা থেকে বাচঁতে চাই। সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত রহস্য বের করার দাবী জানাচ্ছি।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৫অক্টোবর,কমলগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার শ্রীগোবিন্দপুর চা বাগানে গত চারদিন ধরে যাত্রার নামে চলছে জমজমাট জুয়ার মহোৎসব।

স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল চা বাগান পঞ্চায়েতের নামে দুর্গাপূজা উপলক্ষে যাত্রার নামে জুয়ার আসরের আয়োজন করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগে জানা যায়, জুয়ার আসর নিষিদ্ধ থাকায় মাধবপুর ইউনিয়নের স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল চা বাগান পঞ্চায়েতকে ব্যবহার করে ব্যক্তি মালিকানাধীন শ্রীগোবিন্দপুর চা বাগানে দুর্গাপূজা উপলক্ষে যাত্রা উৎসব শুরু করে। চা বাগান ব্যবস্থাপক যাত্রার কোন অনুমতি নেই বললেও পুলিশ প্রশাসন বলছে এক সপ্তাহের অনুমতি নিয়ে যাত্রা চলছে।

গত সোমবার সন্ধ্যার পর থেকে লোক দেখানো যাত্রা শুরু হলেও আড়ালে চলছে জমজমাট জুয়ার মহোৎসব। মৌলভীবাজার জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে জুয়াড়িরা এখানে এসে রাতভর জুয়া খেলায় ব্যস্ত সময় পার করেন। যাত্রা জমে উঠায় চা বাগান ও আশপাশ বস্তির কিছু লোকজনও জুয়া খেলায় আসক্ত হয়ে পড়ছেন। ফলে অনেকেই আর্থিকভাবে নিঃস্ব হয়ে পড়ছেন। পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে অপরাধ প্রবণতাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চা বাগান এলাকার এক ব্যক্তি জানান, শহরের আশপাশে ও বস্তি এলাকায় যাত্রার আয়োজন করতে সুবিধা না পেয়েই আয়োজকরা বেঁচে নিয়েছেন চা বাগান এলাকা। তাই চা বাগানে যাত্রা ও জুয়ার আসর বসলেও চা শ্রমিকরা এসব বিষয় নিয়ে সচরাচর আপত্তি তোলেন না। তবে চা বাগনের যুব সমাজও দ্রুত লাভবান হতে নেপথ্যে চলা জুয়ার আসরে সম্পৃক্ত হওয়ায় বিপথগামী হয়ে পড়ছেন।
অভিযোগ বিষয়ে কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) নজরুল ইসলাম বলেন, স্থানীয়রা প্রশাসন থেকে এক সপ্তাহের অনুমতি নিয়ে যাত্রা পরিচালনা করছেন। তবে কোন জুয়ার আসর বসছে না।
শ্রীগোবিন্দপুর চা বাগান ব্যবস্থাপক প্রশান্ত সরকার বলেন, স্থানীয় প ায়েতদের মাধ্যমে দুইদিন যাত্রা অনুষ্ঠিত হলেও তারা প্রশাসনের কোন অনুমতি আনতে পারেনি। তাই আজ (বৃহস্পতিবার) থেকে যাত্রা বন্ধ রাখতে বলেছি।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৫অক্টোবর,নাজমুল হক নাহিদঃ লক্ষী পূজা কোজাগরী পূর্ণিমায় লক্ষীর আরাধনায় সেজে উঠেছে নওগাঁর আত্রাইয়ের বাঙালী হিন্দুদের গৃহকোণ। মঙ্গলঘট ধানের ছড়ায় সঙ্গে গৃহস্থের অঙিনায় আজ শোভা পাচ্ছে চালের গুঁড়ো আল্পনায় ছাপ। লক্ষী মানে শ্রী,সুরুচি। লক্ষী সম্পদ আর সৌন্দর্যের দেবী। বৈদিক যুগে মহাশক্তি হিসেবে তাকে পূজা করা হতো। তবে পরবর্তীকালে ধনশক্তির মূর্তি নারায়নের সঙ্গে তাকে জুড়ে দেওয়া হয়। শারদীয় দূর্গোৎসব শেষে প্রথম পূণিমা তিথিতে সনাতন ধর্মালম্বীরা এ পূজা করে থাকেন। এ উপলক্ষে সারাদেশের ন্যায় নওগাঁর আত্রাইয়েও হিন্দু রমণীরা উপবাসব্রত পালন করেছেন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় প্রতিটি ঘরে ঘরে এবং ধানের জমিতে প্রজ্বলন করা হবে সন্ধ্যা প্রদীপ। হিন্দুশাস্ত্র মতে, কোজাগরী পূর্ণিমা রাতে দেবী লক্ষী ধনধান্যে ভরিয়ে দিতে ভক্তগৃহে পূজা নিতে আসেন। প্রাচীনকাল থেকেই হিন্দু রাজা-মহারাজা,ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সাধারণ গৃহস্থ অব্দি সবাই লক্ষীদেবীকে পূজা দিয়ে আসছেন। বাঙালী হিন্দু বিশ্বাসে লক্ষীদেবী দ্বিভুজা, আর তার বাহন হচ্ছে পেঁচা।

পঞ্জিকা অনুযায়ী আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা ১৯ মিনিটে পূজা দেওয়ার নির্ঘন্ট রয়েছে। এবারে উপজেলার বুড়িমাতলা, পাঁচুপুর, বান্ধাইখাড়া মন্দিও, ভবানীপুর ঘোষপাড়া, ইসলামগাঁথী মন্দির সহ প্রায় বাড়িতেই লক্ষীপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৫অক্টোবর,সিবিএনএ মন্ট্রিয়ল,কানাডা থেকেঃ মন্ট্রিয়লের পার্ক এক্সটেনশন-ভিরারী-সেন্ট মিশেল ডিস্টিক্ট থেকে কোয়ালিশন মন্ট্রিয়লের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী হয়েছেন তানভীর ইউসুফ রনী। তিনি পেশায় একজন সাংবাদিক।

দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের জনপ্রিয় টিভি চ্যানেল এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কাজ করছেন। দেশে থাকাবস্থায়ও সাংবাদিকতা পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। গতমাস থেকেই কোয়ালিশন মন্ট্রিয়লের প্রার্থী হিসেবে ক্যাম্পেইন করে যাচ্ছেন। তিনি বলেছেন, ‘জয়-পরাজয় বড় কথা নয়, মূলধারার রাজনীতিতে বাংলাদেশের সন্তান হিসেবে অংশগ্রহণ করতে পেরে  গর্বীত’।

প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকায় ভোটারদের সাথে মতবিনিময় করে যাচ্ছেন। কমিউনিটির অনেকেই ভাবছেন রনী বাংলাদেশী ক্যানাডিয়ানদের সমর্থন পাবেন। সিবিএনএ’র পক্ষ থেকে রইলো তাঁর প্রতি শুভ কামনা।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৪অক্টোবর,হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় ডাকাত ও পুলিশের বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ডাকাত লুৎফুর রহমান (৪০) সহ ৭ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।বুধবার বিকাল সাড়ে ৫ টার দিকে উপজেলার পুটিজুরী ইউনিয়নের ভাটপাড়া গাজিপুর গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটেছে। আহতরা হলেন – ডাকাত লুৎফুর রহমান, এসআই সোহেল মাহমুদ, এসআই অমৃত সাহা,এএসআই আলী হোসেন, কনষ্টেবল তৌফিকুল ইসলাম, হাবিবুর রহমান, নূরুজ্জামান ও জাহাঙ্গীর। পুলিশ ও স্হানীয় সূত্রে পাওয়া,
৪ অক্টোবর বুধবার বিকাল সাড়ে ৫ টার দিকে পুলিশ ডাকাত লুৎফুর রহমান গ্রেপ্তার করতে যায়। তখন  ডাকাত লুৎফুর রহমান সহ তার সহযোগীরা পুলিশের উপর দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। পুলিশ ও পাল্টা হামলা চালালে ডাকাত সহ ৭ পুলিশ সদস্য আহত হয়। আহতদের কে বাহুবল সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বাহুবল মডেল থানার ওসি-(তদন্ত) বিশ্বজিৎ দেব সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ডাকাত লুৎফুর রহমান ওই এলাকার আব্দুস ছালাম ওরফে মংলা ডাকাতের পুত্র। ডাকাত লুৎফুর রহমানের
বিরুদ্ধে বাহুবল থানায় খুন, ডাকাতি, অস্ত্র আইন, পুলিশ এসল্ট সহ একাধিক মামলার পলাতক আসামি। ডাকাত লুৎফুর রহমান কে
গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছি। ডাকাত লুৎফুর রহমান গুরুতর আহত হয়। ডাকাত লুৎফুর রহমানের অবস্থা অবনতি হলে তাকে সিলেট এমএজি ওসমানি মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৫অক্টোবর,হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলায় সাবেক সেনা সদস্য সাজিদুর রহমান টেনু মিয়া (৫০) কে কুপিয়ে হত্যা করেছে একদল দুর্বৃত্ত। ৫অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে ঢাকা সিলেট মহাসড়কের আদিত্যপুর নামক স্থানে এ ঘটনাটি ঘটে।
নিহত সাবেক সেনা সদস্য উপজেলার পুটিজুরী ইউনিয়নের আব্দাকামাল গ্রামের আপ্তাব মিয়ার ছেলে। পাওয়া তথ্য মতে, বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে ব্যক্তিগত মামলায় হবিগঞ্জ কোর্টে হাজিরা দিতে সিএনজি অটোরিক্সা যোগে হবিগঞ্জ যাওয়ার পথে সকাল ৮ টায় উপজেলার আদিত্যপুর নামক স্থানে পৌঁছলে একটি মাইক্রোবাস সিএনজি অটোরিক্সার গতিরোধ করে।
পরে সিএনজিকে থেকে সাবেক সেনা সদস্যকে নামিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হাত পা কেটে রক্তাক্ত করে মহাসড়কের পাশে ফেলে রেখে যায়।
তাৎক্ষনিক স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে বাহুবল হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।
নিহতের ভায়রা তোফায়েল আহমদ রাসেল বলেন, তার চাচাত ভাইদের সাথে জায়গা সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরেই আজ বৃহস্পতিবার এই মামলায় হাজিরা দিতে যাওয়ার পথে তিনি হামলার শিকার হয়ে মৃত্যুবরন করেন।