Saturday 22nd of September 2018 04:39:15 PM

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০২অক্টোবর,ডেস্ক নিউজঃ রোহিঙ্গা সংকটের প্রতি মানবিক আবেদনের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রাচ্যের নতুন তারকা হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক পত্রিকা খালিজ টাইমসের ব্লগে পত্রিকাটির মতামত সম্পাদক অ্যালন জ্যাকব ‘শেখ হাসিনা জানেন সহমর্মিতার নৈপুণ্য’ শীর্ষক এক পোস্টে এই অভিমত ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) খবরে বলা হয়, অ্যালন জ্যাকব তাঁর লেখায় বলেন, প্রতিবেশী রাষ্ট্র মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা লাখ লাখ রোহিঙ্গার জীবন রক্ষায় সীমান্ত খুলে দিয়ে শেখ হাসিনা তাঁর যে সহমর্মিতা ও সহানুভূতি দেখিয়েছেন, সে জন্য এ সপ্তাহে তাঁর চেয়ে বড় কোনো ‘হিরো’ দেখছি না।

জ্যাকব তাঁর কলামে লিখেন, লেখার বিষয় নির্বাচনের আগে সব সময়ে আমাকে কোনো বিষয় এবং ব্যক্তিবর্গের ব্যাপারে ভাবতে হয়। এখানে স্বীকার করতেই হয় যে, এ সপ্তাহে আমার লেখার বিষয় দক্ষিণ ভারতের একজন অভিনেতা এবং রাজনৈতিক মাঠে তার আশাবাদী কর্মকাণ্ড নিয়ে লেখার বিষয় মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছিল। কিন্তু আমি যখন বুঝতে পারলাম, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হচ্ছেন প্রাচ্যের নতুন তারকা, তখন আমার সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করলাম। তিনি বলেন, হ্যাঁ মিয়ানমারে একজন নোবেল বিজয়ীর উজ্জ্বলতা হারানোর বিষয় নিয়ে মিডিয়া অধিক ব্যস্ত থাকায় আমরা এই মহৎ সুযোগটি হারিয়েছি। গত সপ্তাহে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে দেওয়া ভাষণে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মানবিক আবেদনটি অবজ্ঞা করায় একটি অপরাধের বোঝা আমাকে বয়ে বেড়াতে হচ্ছে। শেখ হাসিনা তাঁর ভাষণে বলেছেন, এতে তাঁর হৃদয় ভেঙে গেছে।

জ্যাকব বলেন, মিয়ানমারের নেত্রী অং সাং সু চি যখন কণ্ঠস্বর হারিয়েছেন, এমন সময় শেখ হাসিনার সোচ্চার হয়ে ওঠা এক বিরাট স্বস্তি। সু চি ও শেখ হাসিনা তাদের নিজ নিজ দেশের মুক্তিসংগ্রামের মহানায়কের কন্যা। দু’জনেই খুব কাছ থেকে ট্র্যাজেডি দেখেছেন। যদিও ব্যবধানটা বিশাল। মানবতা যখন বিপন্ন তখন একজন নিছক দর্শক হয়ে থাকার পথ বেছে নিলেন, অপরজন দেখালেন অমায়িক দয়া। শেখ হাসিনার প্রায় সাড়ে ১৬ কোটি জনসংখ্যা অধ্যুষিত ছোট্ট দেশটিতে একবারে ৪ লাখ ৩০ হাজারের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছেন।

নিউইয়র্কে জাতিসংঘে অধিবেশন চলাকালে শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে তিন লাখ শরণার্থী পেয়েছি। কিন্তু আমাদের স্থান সংকুলানের সমস্যা থাকা সত্ত্বেও আরও বেশি শরণার্থী গ্রহণের বিশাল হৃদয় আমাদের রয়েছে।’

জ্যাকব লিখেছেন, এটা স্রেফ কোনো অনুকম্পার বিষয় নয়, এতে ট্র্যাজিক পরিস্থিতিতে সাহস প্রদর্শিত হয়েছে।

খালিজ টাইমসের মতামত সম্পাদক অ্যালন জ্যাকব বলেন, জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা ম্যার্কেল যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশগুলো থেকে ১২ লাখ শরণার্থী গ্রহণের সাহস দেখিয়েছেন। কিন্তু বাংলাদেশ ব্যতিক্রম, এর সম্পদ সীমিত। এটি বাংলাদেশ সরকারের কারণে সৃষ্ট কোনো জন স্রোত নয়। তথাপি শেখ হাসিনা তাঁর মানবিকতার জায়গা থেকে সরে যাননি।
জ্যাকব বলেন, বাংলাদেশী প্রধানমন্ত্রীর মতো নেতারা যখন কর্ণধার হন, তখন অভিবাসন সমস্যা নিয়ে হতাশায় নিমজ্জিত বিশ্বে আশার আলো জ্বলে উঠে। তাঁর কর্মকাণ্ড প্রথমে ক্ষীণ মনে হয়েছিল, তবে মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশ সীমান্তে রোহিঙ্গা সমস্যা প্রত্যক্ষ করতে খালিজ টাইমস যখন একজন রিপোর্টার পাঠাল, তখনই প্রকৃত সমস্যাটি সামনে চলে আসে। রিপোর্টারের বর্ণনায় উঠে এসেছে, দেশ ছেড়ে পালিয়ে আসা লাখ লাখ রোহিঙ্গা শরণার্থীর অবর্ণনীয় দুঃখ-দুর্দশার চিত্র। ক্ষুধার্ত রোহিঙ্গা শরণার্থীরা খাদ্যের জন্য অপেক্ষা করছে, হা-হাকার জীর্ণ কুটিরে বসবাস করছে। এ ঘটনা আমাদের ব্যথিত করেছে।

জ্যাকব লিখেছেন, বিশ্ব গণমাধ্যম রোহিঙ্গা সংকটকে সু চি’র চোখে দেখার জন্য অপরাধী। দেশটির রাখাইন রাজ্য থেকে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী দ্বারা দেশছাড়া হওয়া রোহিঙ্গাদের রক্ষা করতে সু চি-কে অসহায় মনে হয়েছে। অনেকেই অনুধাবন করতে পারেনি যে, দুই বছর আগে তার দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি নির্বাচনে বিজয়ী হলেও এখন পর্যন্ত দেশটির সামরিক জান্তাই মূল ক্ষমতায় রয়েছে। সু চি তার দেশের একটি বিশাল জনগোষ্ঠীকে দেশ থেকে বিতাড়ন রোধের পরিবর্তে যা করছেন তা হচ্ছে তিনি নির্বাচনে সাফল্য ধরে রাখার চেষ্টা করছেন কিংবা বলা যায় তিনি ব্যালটের ফায়দা লুটছেন। সু চি এত দিন ধরে যে রাজনৈতিক সংগ্রামটি চালিয়ে এসেছেন তা সামাজিক ও মানবিক অঙ্গনে সুপ্রতিষ্ঠিত না হওয়ায় তা থেকে তিনি বিচ্যুত হয়েছেন। তার সামরিক বাহিনী যখন রোহিঙ্গা নিধনে মেতে আছে, তখন তিনি ফার্স্ট কাউন্সিলর হিসেবে ক্ষমতার জাঁকজমক ও সুযোগ-সুবিধায় আটকা পড়ে আছেন এবং এর থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করছেন। প্রকৃতপক্ষে তিনি নিজে একটি কোটরে আবদ্ধ হয়ে আছেন এবং প্রতীকী নেতায় পরিণত হয়েছেন। তিনি যখন মানুষের দুর্ভোগ নিয়ে কথা বলছিলেন তখন তার মধ্যে কোনো আবেগ ছিল না, তাকে বিমর্ষ দেখাচ্ছিল। তিনি যখন সেনাবাহিনীর পক্ষসমর্থন করে কথা বলছিলেন, তখন তাকে তার পূর্বে সংগ্রামী জীবনের ছায়ামাত্র মনে হচ্ছিল।

জ্যাকব বলেন, ‘যখন তার সবচেয়ে বেশি উচ্চকণ্ঠ হওয়ার দরকার ছিল, তখন তিনি সোচ্চার হতে ব্যর্থ হয়েছেন। তাই তথাকথিত এই আইকনের জন্য আমার সহমর্মিতা নেই বললেই চলে। গণতন্ত্র যখন পছন্দসই সংখ্যাগরিষ্ঠের পক্ষে যায় তখন এটি ত্রুটিপূর্ণ ও বিপজ্জনক হয়ে পড়ে। আর জান্তা ও একনায়কদের সঙ্গে সন্ধি করা সহজ হয়ে যায়। রোহিঙ্গাদের নিয়ে সু চি’র সুচিন্তিত নীরবতা অসহনীয় হয়ে উঠেছে। আমাদের একটি সম্পাদকীয়তে আমি এ কথা বলেছি। আরও বলব। যখন মানবতার জন্য চিৎকার করে কথা বলা উচিত তখন কারও নিশ্চুপ থাকাটা আমার অপছন্দ।ওয়েবসাইট

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০১অক্টোবরঃ পবিত্র আশুরা উপলক্ষে তাজিয়া মিছিল করা হয়েছে।রোববার (১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর হোসনি দালান থেকে শুরু হয়ে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে ঝিগাতলা সংলগ্ন ধানমন্ডি লেকের কাছে এসে মিছিলটি শেষ হয়।

মিছিল শেষে সেখানে তবারক হিসেবে খিচুরি ও মিষ্টান্ন বিতরণ করা হয়েছে। জোহরের নামাজের পর আনুষ্ঠানিকভাবে অবস্থান করেন মিছিলের সঙ্গে আসা লোকজন।

এর আগে কালো পোশাক পড়ে ও ইমাম হোসেন (রা.) এর সমাধির আদলের প্রতিকৃতি বহন করে মিছিল করেন শিয়া সম্প্রদায়ের লোকজন। কারবালার ইতিহাস উপস্থাপন ও শোক প্রকাশ করার জন্যই তাজিয়া মিছিলের আয়োজন করা হয় বলে জানান তারা।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০২অক্টোবরঃ  কানাডা ভিত্তিক তেল–গ্যাস কোম্পানি নাইকোর সঙ্গে রাষ্ট্রায়ত্ত দুই প্রতিষ্ঠান পেট্রোবাংলা ও বাপেক্সের চুক্তি অবৈধ ঘোষণা করেছেন দেশের হাইকোর্ট। পাশাপাশি সুনামগঞ্জের টেংরাটিলা গ্যাসক্ষেত্রে ২০০৫ সালের বিস্ফোরণের ক্ষতিপূরণ হিসেবে বাংলাদেশে নাইকোর সব সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। নিম্ন আদালতে নাইকোর বিরুদ্ধে বিচারাধীন দুর্নীতি ও ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত দুটি মামলা নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটিকে কোন অর্থ পরিশোধ করা যাবে না বলেও রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে। পত্রিকান্তরে প্রকাশিত খবরে এসব তথ্য পরিবেশিত হয়েছে।

পরিবেশিত তথ্যে আরো বলা হয়, বাংলাদেশে গ্যাস উত্তোলন ও সরবরাহের জন্য ২০০৩ ও ২০০৬ সালে নাইকোর সঙ্গে দুটি চুক্তি করে বাপেক্স ও পেট্রোবাংলা। এর মধ্যে একটি ছিল বাপেক্সের সঙ্গে যৌথ অংশীদারিত্বে (জয়েন্ট ভেনচার) কাজের চুক্তি। অন্যটি পেট্রোবাংলার সঙ্গে গ্যাস সরবরাহ ও কেনাবেচা সংক্রান্ত চুক্তি। নাইকোর সঙ্গে সম্পাদিত এ চুক্তির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে জনস্বার্থে রিট আবেদনটি করেন কনজিউমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক শামসুল আলম। রুলের ওপর শুনানি শেষে হাইকোর্ট কানাডাভিত্তিক তেল–গ্যাস কোম্পানি নাইকোর সঙ্গে রাষ্ট্রায়ত্ত দুই প্রতিষ্ঠান পেট্রোবাংলা ও বাপেক্সের চুক্তি অবৈধ ঘোষণা করেছেন এবং নাইকোর সম্পদ জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন।

এটি এক অর্থে আমাদের জন্য শিক্ষণীয়। এ রায়ের মাধ্যমে প্রমাণ হলো, বিদেশী কোম্পানির সঙ্গে দুর্নীতির মাধ্যমে করা চুক্তি দেশের ও জনগণের স্বার্থের বিরুদ্ধে হলে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা যাবে এবং এর বিরুদ্ধে আদালতে ন্যায়বিচারও প্রত্যাশা করা যায়। কানাডার আদালতেও এসব ঘুষ ও দুর্নীতির কথা স্বীকার করে নাইকো। এরই পরিপ্রেক্ষিতে চুক্তি বাতিলের দাবিতে রিট করা হয়। আশ্চর্যজনক হলো, কানাডার আদালতে–ঘুষ প্রদানের মাধ্যমে কাজ নেওয়ার বিষয়টি প্রমাণিত হলেও সরকার কোম্পানির বিরুদ্ধে কোন প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়নি। অথচ উচিত ছিল সঙ্গে সঙ্গে নাইকোর সম্পদ জব্দ ও অবৈধ চুক্তি বাতিল করা। তা হলে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়াত না। এখন দেখার বিষয় সুপ্রিম কোর্টে এ রায় বহাল থাকে কিনা।

নাইকোর সঙ্গে বাপেক্স ও পেট্রোবাংলার অবৈধ চুক্তি নতুন কোন ঘটনা নয়। সরকার ও তার অঙ্গ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দেশী বিদেশী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের এমন আরো অবৈধ চুক্তি রয়েছে বলে জানা যায়। যার কারণে রাষ্ট্রকে বড় মাশুল দিতে হচ্ছে। আমাদের প্রত্যাশা–এক্ষেত্রে নাইকো মামলার রায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। এমন অপরাপর ‘অবৈধ চুক্তিও একইভাবে বাতিল করা হবে, এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে একাধিক অস্বচ্ছ চুক্তি রয়েছে বলে গণমাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে খবর এসেছে। সেগুলোর বিষয়েও অধিকতর তদন্ত সাপেক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ এখন সময়ের দাবি।

ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সম্পদের ক্ষতি করার ব্যাপার এটা নতুন নয়। অতীতেও এ ধরনের ব্যাপার ঘটেছে বলে অভিযোগ রয়েছে। আমরা ভেবে অবাক হই, দুর্নীতি দমন কমিশন এক্ষেত্রে তাদের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে ব্যর্থতা দেখে। দুর্নীতি দমন কমিশনের চোখেই তো এটা আগে ধরা পড়ার কথা। নাইকোর মতো প্রতিষ্ঠানকে ঘুষ লেনদেনের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ গ্যাসক্ষেত্র দেওয়া হলো আর দুর্নীতি দমন কমিশন কিছুই করতে পারলো না–এমনটি কাম্য নয়। আমরা আশা করেছিলাম দুর্নীতি দমন কমিশনই বিষয়টি উদঘাটন করবে, কিন্তু তা হলো না। কানাডার আদালতে প্রমাণ হলো নাইকো ঘুষের বিনিময়ে গ্যাসক্ষেত্রের কাজ পেয়েছে। কানাডার আদালত নাইকোকে জরিমানা করার পাশাপাশি শাস্তি দিলেন। তারপরও বাংলাদেশ সরকার তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থাই নিলো না। ফলে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট রায় বাস্তবায়ন নিয়ে সংশয় থেকেই যাচ্ছে।

এত কিছুর পরও আমরা আশা করি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয় রায়ের আলোকে নাইকোর সঙ্গে করা অবৈধ চুক্তি বাতিল করবে এবং নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে। এর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেবে। কানাডা ও বাংলাদেশের উভয় আদালতে নাইকোর দুর্নীতি প্রমাণিত হওয়ায় বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে কোম্পানিটির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া সহজ হয়ে গেছে। এখন প্রয়োজন রাজনৈতিক সদিচ্ছা। হাইকোর্টের এ রায়ের মাধ্যমে আমাদের সামনে নতুন সুযোগ উন্মোচিত হলো। আমাদের প্রত্যাশা–এক এক করে অন্যান্য অস্বচ্ছ চুক্তি বাতিলের উদ্যোগ নেওয়া হবে। এর মাধ্যমে সমাজে ন্যায়নিষ্ঠা প্রতিষ্ঠা হবে। নাইকো সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মামলা, যা স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে চলমান, তা সঠিকভাবে সম্পন্ন করতে এখন সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে।

  

এডিটর: আনিছুল ইসলাম আশরাফী, এনিমেটরস্ বাংলা মিডিয়া গ্রুপ কর্তৃক প্রকাশিত
সম্পাদকীয় কার্যালয়: কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।
Email: news.amarsylhet24@gmail.com Mobile: 01772 968 710

Developed By : i-Tech Sreemangal
Email : itech.official@hotmail.com
Facebook : http://facebook.com/itech.ctc