Monday 11th of December 2017 07:52:26 AM

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০১অক্টোবর,ডেস্ক নিউজঃ যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার দিন বিমানবন্দরে তাকে সংবর্ধনা দেবে সরকারি দল আওয়ামী লীগ। আগামী ৭ অক্টোবর তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরার দিন হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তার সরকারি বাসভবন গণভবন পর্যন্ত পথে পথে লোক সমাবেশের মাধ্যমে সংবর্ধনা দেয়ার প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা। দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও দেশবরেণ্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানে নতুন মাত্রা যোগ করতে চায় আওয়ামী লীগ।

প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরা উপলক্ষে গণসংবর্ধনা সফল করতে ৩ অক্টোবর যৌথসভা ডেকেছে আওয়ামী লীগ। এদিন দলটির বিভিন্ন সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিৃম সংগঠন ছাড়াও বিশিষ্টজনদের সঙ্গে বৈঠক করবেন আওয়ামী লীগের নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ের নেতারা। দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এই যৌথসভা অনু্ষ্ঠিত হবে।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ একথা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে সংবর্ধনা দেয়ার প্রস্তুতি চলছে। ৭ অক্টোবর তিনি দেশে ফিরবেন। বিমানবন্দর থেকে গণভবন পর্যন্ত একাধিক স্পটে লোক সমাগমের মাধ্যমে তাকে বরণ করা হবে। ৩ অক্টোবর যৌথসভায় কীভাবে কী করা হবে এর সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যোগ দিতে গত ১৬ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র যান শেখ হাসিনা। ২১ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে বক্তব্য দেন শেখ হাসিনা। পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সভা ছাড়াও বেশ কয়েকজন সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেন তিনি। সাধারণ অধিবেশনে বক্তৃতায় মিয়ানমারের রোহিঙ্গা সংকট ও বাংলাদেশের ওপর শরণার্থীদের চাপের বিষয়টি বিশ্ব সম্প্রদায়ের কাছে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

সাধারণ অধিবেশন শেষে ২২ সেপ্টেম্বর নিউ ইয়র্ক থেকে ভার্জিনিয়ার যান তিনি। সেখানে যাওয়ার পর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে ২৫ সেপ্টেম্বর একটি হাসপাতালে তার পিত্তথলিতে অস্ত্রোপচার হয়।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০১অক্টোবর,শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি: শ্রীমঙ্গল উপজেলা তথা মৌলভীবাজার জেলার উন্নয়ন সম্ভাবনা ও সমস্যা নিয়ে আরো বলিষ্ট ভাবে কাজ করার লক্ষে মৌলভীবাজার জেলা ও উপজেলায় বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালনকারী সাংবাদিকদের নিয়ে শ্রীমঙ্গলে গঠিত হলো মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের সাংবাদিকদের সংগঠন “শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রেসক্লাব” এর আহ্বায়ক কমিটি।
রবিবার শহরের হবিগঞ্জ রোডস্থ একটি রেষ্টুরেন্টের পার্টি সেন্টারে এক সভায় সাপ্তাহিক জয়বার্তার সম্পাদক এডভোকেট এ এস এম আজাদুর রহমানকে আহ্বায়ক ও সহকারী অধ্যাপক ও ডেইলি ইন্ডাস্ট্রির শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি রজত শুভ্র চক্রবর্তীকে সদস্য সচিব করে ১৯ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটিতে ১০ টি জাতীয় পত্রিকা, ৪টি টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারের প্রতিনিধিসহ সিলেট, মৌলভীবাজার ও শ্রীমঙ্গলের বিভিন্ন আঞ্চলিক দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকার সাংবাদিকরা রয়েছেন।
সংগঠনের আহ্বায়ক জানান, সংগঠনের কলেবর বৃদ্ধি করে শীঘ্রই পূণাঙ্গ কার্যকরি কমিটি ঘোষনা দেয়া হবে।
একই সাথে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সাংবাদিকদের নবগঠিত প্রেসক্লাবে সদস্য হিসেবে অর্ন্তভুক্তি হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

উল্লেখ্য প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকদের “শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাব” ও অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকদের “শ্রীমঙ্গল অনলাইন প্রেস ক্লাব” নামে আরো দু’ইটি সাংবাদিকদের  ক্লাব এলাকায় কাজ করে যাচ্ছে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০১অক্টোবর,রেজওয়ান করিম সাব্বিরঃ জৈন্তাপুর উপজেলার চারিকাটা ইউনিয়ন যুবলীগের কর্মী সভায়  বক্তারা বলেছেন সংসদ সদস্য ইমরান আহমদ এর নেতৃত্বে জৈন্তাপুরের সকল ক্ষেত্রে উন্নয়ন অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। জৈন্তার রাস্তাঘাট, শিক্ষা, চিকিৎসা সহ সকল ক্ষেত্রে যে উন্নয়ন সাধিত হচ্ছে তা অতীতের সকল রেকর্ড অতিক্রম করেছে। একটি আধুনিক জৈন্তা গঠনে ইমরান আহমদ নিরলস চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অন্যতম কারিগর হচ্ছেন ইমরান আহমদ এমপি। ১লা অক্টরোবর রবিবার বিকেল ৩টায় চারিকাটা ইউনিয়ন পরিষদ প্রাঙ্গনে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ জৈন্তাপুর উপজেলার চারিকাটা ইউনিয়নের কর্মী সভায় বক্তারা একথা গুলো বলেন। উপজেলা যুবলীগের উদ্যোগে যুবলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য নাছির আহমদ এর সভাপতিত্বে ও যুবলীগ নেতা সুলতান মাহমুদ টিটন এর পরিচালনায় অনুষ্ঠিত কর্মী সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি কামাল আহমদ, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগ নেতা আইয়ুব আলী, উপাধ্যক্ষ শাহেদ আহমদ, আব্দুল কাদির, শরীফ আহমদ, জমশেদ আহমদ মেম্বার, উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক আনোয়ার হোসেন, চযুগ্ম আহবায়ক কুতুব উদ্দিন, শাহিনুর রহমান, যুবলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য মাসুদ আহমদ, মোতাহার হোসেন শিমুল, নির্মল দেবনাথ, জালাল উদ্দিন, শামীম আহমদ, কামরান আহমদ, বাদশা মিয়া, জুয়েল আহমদ ডালিম, কৃষক লীগের যুগ্ম আহবায়ক শামীম আহমদ মেম্বার, কৃষক লীগ নেতা জালাল মেম্বার, শ্রমিক লীগ নেতা সেলিম, যুবলীগ নেতা শামীম আহমদ, রাহেল আহমদ, আমীন আহমদ, আজিজুর রহমান, শাহীন ফেরদৌস, স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা এরশাদুল আলম চৌধুরী, ছাত্রলীগ নেতা পাপলু দে, এমদাদুল হক, মাহবুবুর রহমান সবুজ, মির্জান আহমদ রুবেল, মনসুর আহমদ, জাহেদুল ইসলাম জায়েদ, আমিমুল এহসান, রুবেল আহমদ, ফয়সল উদ্দিন, রাসেল আহমদ, শিমুল আহমদ।
সভা শেষে যুবলীগের প্রাথমিক সদস্য ফরম বিতরণ করা হয়।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০১অক্টোবর,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জে অস্ত্রসহ ডাকাত সদস্য মোঃ আলাল উদ্দিন (৩৫) ও মোহাম্মদ আলী (২৮) নামে দু জনকে গ্রেফাতার করেছে র‌্যাব। গ্রেফতারকৃতদের বাড়ি তাহিরপুর উপজেলার দক্ষিন বড়দল ইউনিয়নের পুরানখালাশ গ্রামে।

র‌্যাব জানায়,আজ রবিবার সকালে অস্ত্রসহ তালিকা ভুক্ত অন্ত-ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য কে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-৯,সিপিসি-৩,সুনামগঞ্জ ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল সুনামগঞ্জ জেলার বিশ্বম্ভরপুর থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে চিনাকান্দি মধ্যনগর হতে গোয়ালপুর গামী কাঁচা রাস্তার পার্শ্বে অবস্থিত জনৈক আব্দুল বারিক খানের বাড়ীর পশ্চিম পার্শ্ব হতে ১টি বিদেশী রিভলবারসহ তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতদের বিশ্বম্ভরপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,তাদের বিরুদ্ধে ডাকাতিসহ একাধিক মামলা বিচারাধীন আছে। ধৃত আসামী মোঃ আলাল উদ্দিন (৩৫) এর বিরুদ্ধে তাহিরপুর থানার মামলা নং-১৬(১২)১৪ জিআর ২৬০/১৪ ধারা ৪৫৮/৩৮২/৩৯৫/৩৯৭/৪১২ দঃবিঃ, মামলা নং ০৬(৫)১৩ জিআর নং ৮৩/১৩ ধারা ৩৭৯ দঃবিঃ, মামলা নং ১৩(৩)১২ জিআর ৫৩/১২ ধারা আইন শৃঙ্খলা বিঘœকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন এর ৪ এবং মামলা নং ০১(৪)০৯ জিআর ২৫/০৯ ধারা ৩৯৫/৩৯৭ দঃবিঃ বিচারাধীন আছে।

আসামী মোহাম্মদ আলী (২৮) এর বিরুদ্ধে তাহিরপুর থানার মামলা নং ০৩(৭)১৫ জিআর ১১৬/১৫ ধারা ৩৭৯ দঃবিঃ এবং মামলা নং ১৬(১২)১৪ জিআর ২৬০/১৪ ধারা ৪৫৮/৩৮২/৩৯৫/৩৯৭/৪১২ দঃবিঃ বিচারাধীন আছে। সুনামগঞ্জ র‌্যাব লেঃ কমান্ডার উপ-পরিচালক ফয়সাল আহমেদ এঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০১অক্টোবর,বেনাপোল প্রতিনিধি: বেনাপোলে নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে “চ্যানেল আই”এর ১৯তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে। রোববার সকালে বেনাপোল বাজারের প্রধান সড়কে বর্ণাঢ্য র‌্যালী শেষে বেনাপোল প্রেসক্লাবে প্রধান অতিথি হিসেবে বেনাপোল স্থলবন্দরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (ট্রাফিক) আমিনুল ইসলাম কেক কেটে অনুষ্ঠান শুরু করেন।

বেনাপোল প্রেসক্লাবের সভাপতি আলহাজ্ব মহাসিন মিলনের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অপূর্ব হাসান, অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, বেনাপোল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব বজলুর রহমান, বেনাপোল পৌর কাউন্সিলর আমিরুল ইসলাম, বেনাপোল স্থল বন্দরের আনসার ব্যাটালিয়নের প্লাটন কমান্ডার মহিদুল ইসলাম, কলারোয়া উপজেলার সাবেক কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মমতাজ উদ্দিন খান।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, দৈনিক ইত্তেফাকের বেনাপোল প্রতিনিধি কাজী শাহজাহান সবুজ, ইনডিপেনডেন্ট টিভির বেনাপোল প্রতিনিধি এমএ রহিম, দৈনিক সংবাদের বেনাপোর প্রতিনিধি দেবুল কুমার দাস, দৈনিক যায়যায় দিনের আলী আশরাফ, মানবকন্ঠের ফারুক হাসান, দিনকালের মতিয়ার রহমান, প্রবর্তনের ফারুক আহম্মদ, দৈনিক প্রবাহের বেনাপোল প্রতিনিধি ওহিদুল ইসলাম, দৈনিক তথ্যের মিলন হোসেন খান, এসএ টিভির শেখ নাসির উদ্দিন, দৈনিক জনতা’র এম ওসমান, গ্রামের কাগজের আব্দুর রহমান, দৈনিক নওয়াপাড়ার আহম্মদ আলী খোকন, প্রতিদিনের কন্ঠের আসাদুর রহমান আসাদ প্রমুখ। এসময় বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথি আমিনুল ইসলাম তার বক্তব্যে বলেন, চ্যানেল আই প্রতিষ্ঠার পর থেকেই নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন করে আসছে। মাটি ও মানুষ, কৃষক ও সাধারণ মানুষের চ্যানেল। আগামীর দিনগুলোতে চ্যানেল আইয়ের অগ্রযাত্রা আরো বেগবান হোক এই কামনা করেন তিনি।
বিশেষ অতিথি পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ অপূর্ব হাসান বলেন, কয়েকটি ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার নাম করলে চ্যানেল আই প্রথমেই আসে। বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ মাধ্যম বলতে চ্যানেল আইকেই বুঝায়। চ্যানেল আই নিরপেক্ষতা রক্ষা করে চলে। শাইক সিরাজের “মাটি ও মানুষ” অনুষ্ঠানটি দেশ নয় সারা বিশ্ব জয় করেছে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০১অক্টোবর,নড়াইল প্রতিনিধিঃ “আগামীর পথে প্রবীনের সাথে” এ প্রতিপাদ্যকে সামনে নিয়ে নড়াইলে পালিত হল আন্তজার্তিক প্রবীন দিবস। দিবসটি পালন উপলক্ষে রবিবার জেলা সমাজ সেবার আয়োজনে র‌্যালী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সকাল ১০ টায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে র‌্যালী শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে একই স্থানে এসে শেষ হয় । পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগ নড়াইলের উপ-পরিচালক মোঃ সিদ্দিকুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( রাজস্ব) মোঃ মাহবুবুর রশীদ,শহর সমাজসেবা কর্মকর্তা মোঃ সাইদ, নারীনেত্রী আঞ্জুমানআরা বেগমসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০১অক্টোবর,হাবিবুর রহমান খান:এশিয়ার বৃহত্তম মিঠাপানির হাওর হাকালুকিতে প্রতি বছর জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ধরা পড়ে ইলিশ।তাই বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ ধরনের সংবাদ পেয়ে ঢাকা থেকে একটি বিশেষজ্ঞ দল ইলিশের নমুনা সংগ্রহ করতে হাকালুকি হাওরে আসেন।শনিবার হাকালুকি হাওরে বিশেষজ্ঞ দল হাওরের ইলিশের কেমিক্যাল ও জিনেটিক পরীক্ষা করে,পদ্মার ইলিশের সঙ্গে এর সাদৃশ্য মেলাবেন বলে জানা গেছে।
উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্র জানায়, ঢাকা থেকে গতকাল সকালে ৩ সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ দল হাকালুকি হাওরের ইলিশের নমুনা সংগ্রহ করতে আসেন। বিশেষজ্ঞ দলের সদস্যরা হলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাণীবিদ্যা বিভাগের সহযোগি অধ্যাপক সাইফল্লাহ হাবিব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জৈব রসায়ন এবং জীববিদ্যা বিভাগের গবেষণা সহযোগী অভিজিৎ দাস ও অলি আহমদ।দলটি হাকালুকি হাওরে নমুনা ইলিশ সংগ্রহ করে ঢাকায় নিয়ে যান।
কুলাউড়া উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. সুলতান মাহমুদ বলেন, ‘হাকালুকি হাওর থেকে আহরণকৃত ইলিশ ল্যাবরেটরিতে নিয়ে কেমিক্যাল ও জিনেটিক পরীক্ষা করা হবে। এর কারণ হলো গবেষকরা মূলত পদ্মার ইলিশের সঙ্গে হাকালুকির ইলিশের মিল অমিল খুঁজে বের করবেন।

এ ছাড়া মিঠাপানিতে ইলিশ চাষ সম্ভব কি না এ বিষয়টিও খতিয়ে দেখবেন।’ তিনি জানান, হাকালুকি হাওরে গত কয়েক বছর থেকে অকাল বন্যা দেখা দেয়। চৈত্রমাসে ১৫ তারিখের পর কিংবা বৈশাখ মাসের শুরুতে পাহাড়ি ঢল আর সীমান্তের ওপার থেকে আসা ঢলে এ বন্যার সূত্রপাত হয়। এই ঢলের পানি হাকালুকি হাওর থেকে কুশিয়ারা নদী দিয়ে মেঘনায় মিলিত হয়।

তখন মূলত ইলিশের প্রজনন মৌসুম থাকে। পানির স্রুোত ধরে মেঘনা থেকে স্রুোতের প্রতিকুলে ছুটতে ছুটতে হাকালুকি হাওরে ইলিশের ঝাঁক চলে আসে। আর এসব ইলিশ হাকালুকি হাওরের জেলেদের জালে ধরা পড়ে। তবে এবার হাকালুকি হাওরে আগের তুলনায় অনেক বড় ইলিশ ধরা পড়েছে বলে সুত্রে জানা গেছে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০১অক্টোবরঃ আজ হিজরি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস মোহররম এর ১০ তারিখ পবিত্র আশুরা।ইতিহাসের বহু ঘটনার স্মৃতিবাহী হলেও এই দিনটি বিশ্বনবী হযরত মুহম্মদ সাল্লাল্লাহু আ’লাইহে ওয়া সাল্লামার প্রিয়  দৌহিত্র হযরত ইমাম হোসাইন (রাঃ)-এর শাহাদত দিবস হিসেবে ব্যাপকভাবে পালিত হয়ে থাকে। এমন এক সময়ে শোহাদায়ে কারবালার ক্ষণ আমাদের সামনে উপস্থিত হয়েছে যখন হাজার হাজার মুসলিম রোহিঙ্গারা শহীদ হচ্ছেন বৌদ্ধ ধর্মের ধর্মীয় সন্ত্রাসীদের হাতে যেমনটি ঘটেছিল  কারবালার প্রান্তরে বিতর্কিত শাসক ইয়াযিদের সেনাবাহিনীর হাতে তিনি পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে শাহাদত বরণ করেন। গোটা মুসলিম বিশ্বে এই শাহাদত দিবস যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়ে থাকে। মানব ইতিহাসের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা এদিনে সংঘটিত হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও হবে বলে বিভিন্ন বর্ণনা পাওয়া যায়। প্রমাণ পাওয়া যায়,এদিনেই জগৎ সৃষ্টির সূচনা হয় এবং ধ্বংস  ও হবে এই দিনে।

মুসলিমদের ধর্ম মতে প্রথম মানব নবী হযরত আদম (আঃ) কে সৃষ্টি করা হয় এই দিনে।এদিনেই তাকে দুনিয়ায় পাঠানো হয়। হযরত নূহ (আঃ) এদিনেই মহাপ্লাবন থেকে স্থলভাগে অবতরণ করেন। এদিনেই হযরত আইয়ূব (আঃ) রোগমুক্ত হন। হযরত ইউনূস (আঃ) মাছের পেট থেকে মুক্তিলাভ করেন। হযরত ইব্রাহিম (আঃ) নমরুদের অগ্নি কাণ্ড থেকে নিরাপদে বের হয়ে আসেন। হযরত সুলাইমান (আঃ) বাদশাহী লাভ করেন। এই দিনেই হযরত মূসা (আঃ) ফেরাউনের আক্রমণ থেকে মুক্তিপান এবং আল্লাহর অনুগ্রহে নীল নদ পার হন একই সময়ে ফেরাউন নীলনদে ডুবে মারা যায়।হযরত মূসা (আঃ) এই দিনেই আল্লাহর সাথে কথোপকথন করেন এবং মুক্তির উপতক্যায় পৌঁছান। এই দিন হযরত ঈসা (আঃ)কে আসমানে তুলে নেয়া হয়। এদিনেই হযরত আদম (আঃ) ও হযরত দাউদ (আঃ)-এর প্রার্থনা কবুল হয়। হযরত ইউসুফ (আঃ) পিতা হযরত ইয়াকুব (আঃ)-এর সঙ্গে মিলিত হন। এ দিনটির ঐতিহাসিক গুরুত্বের কারণেই আশুরা একটি পবিত্র দিবস।
নবী-রাসূলদের জীবনে সংঘটিত মোজেজা ও ইতিহাসের বাঁক পরিবর্তনকারী অসংখ্য ঘটনার কারণে মানুষ সৃষ্টির শুরু থেকে এ দিবসটি বিশেষ মর্যাদায় অভিষিক্ত হয়ে আছে। আল্লাহর রাসূলের দৌহিত্র হযরত ইমাম হোসাইন (রাঃ)’এর শাহাদত দিবস হিসেবে এ দিনটি বিশেষ গুরুত্বের সাথে বিবেচিত মানব সমাজে।প্রিয়নবী সাল্লাল্লাহু আ’লাইহে ওয়া সাল্লামা-র ওফাতের ৫০ বছর পর তার প্রিয় দৌহিত্র হযরত ইমাম হোসাইন (রাঃ) অন্যায় ও অসত্যের বিরুদ্ধে ছিলেন সোচ্চার।এজিদ বাহিনীর ছলনা ও প্রতারণায় লড়াই করতে বাধ্য হয়ে নারী শিশু কিশোরসহ হিজরি ৬১ সনে ইরাকের কারবালা প্রান্তরে শাহাদত বরণ করেছিলেন তিনি। তার এই শাহাদতের ঘটনা ইসলামের ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে। অন্যায়, অসত্য ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে পরিবার-পরিজন ও ভক্ত-অনুসারীদের নিয়ে তিনি পরাক্রান্ত শাসক শক্তির হাজার হাজার দক্ষ ও প্রশিক্ষিত সেনাদের বিরুদ্ধে এক অসম লড়াইয়ে অবতীর্ণ হতে বাধ্য হন এবং সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেন। তার এই বেনজির আত্মত্যাগ, সত্যনিষ্ঠা ও ন্যায়বাদিতা যুগ যুগ ধরে মুসলিম উম্মাহর কাছে এক অনিঃশেষ অনুপ্রেরণা হয়ে আছে এবং আগামীতেও থাকবে। উপমহাদেশের খ্যাতিমান আলেম ও কবি মাওলানা মুহাম্মদ আলী জওহরের ‘কাতলে হোসাইন আসল মে মুর্গে ইয়াজিদ হ্যায়, ইসলাম জিন্দা হোতা হ্যায় হার কারবালা কে বাদ’ কথাটি যুগেযুগে প্রমাণিত হয়েছে। দেখা গেছে, বারবার মুসলমানদের চরম দুর্দিনে কারবালা সংঘটিত হয়েছে এবং এর পরপরই মুসলমানরা জেগে উঠেছে। ইসলামের জাগরণ ও অগ্রযাত্রা নতুনভাবে দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে।

জগতজুরে বাতিলের বিপক্ষে হকের সংগ্রাম  শোহাদায়ে কারবালার ঘটনা থেকে প্রেরণা ও রসদ লাভ করে উজ্জীবিত হয় মুসলিম সমাজ।এখন যখন ইসলামী চেতনাবিরোধী শক্তি, মুনাফেক চক্র ও ইসলাম বিদ্বেষী পক্ষ সমূহ যার যার অবস্থান থেকে ইসলাম ও মুসলমানদের বিপক্ষে অবিরাম চক্রান্ত, ষড়যন্ত্র ও দমনমূলক কাজ করে যাচ্ছে তখন মনে হতে পারে, মুসলিম উম্মাহর জন্য প্রতিটি দিনই যেন আশুরা। বাস্তবতাও এমনই। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এমন কোন মুহূর্ত নেই, যখন বিশ্বের কোথাও না কোথাও মুসলমানের রক্ত না ঝরছে। মুসলমানরা নিপীড়িত হচ্ছে না। রোহিঙ্গা মুসলমানদের উপর মিয়ানমার সেনাবাহিনী যে বর্বর নিধনযজ্ঞ ও গণহত্যা চালাচ্ছে তা ইতিহাসে বিরল। মিয়ানমার থেকে মুসলমানদের নিশ্চিহ্ন করে দেয়ার জন্য মিয়ানমার সরকার এথনিক ক্লিনজিং অভিযান পরিচালনা করছে। লাখ লাখ রোহিঙ্গা প্রাণ ভয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে যা অব্যাহত রয়েছে।তাদের অসহায়ত্ব ও দুর্গতিতে মানব হৃদয় ব্যাকুল না হয়ে পারে না।

মুসলমানদের উপর পরিকল্পিত এই নিপীড়ন, নির্যাতন ও হত্যা নতুন নয়।ইরাক, সিরিয়া, লিবিয়া,ভারতের কাশ্মীর,বসনিয়া,মুসলমানদের হত্যা ও বিতাড়ন বহু বছর ধরেই চলছে।আফ্রিকা, ইউরোপ, আমেরিকা এবং এশিয়ার বিভিন্ন দেশে যা ঘটছে তা কারো অজানা নয়। একটা যুগসন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে মুসলিম উম্মাহ। তবে হতাশ হবার কিছু নেই। এতসব নিপীড়ন ও নির্যাতনের মধ্যেও সারা বিশ্বে ইসলামের প্রতি মানুষের আকর্ষণ ক্রমেই বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশ্বের বিভিন্ন নামকরা প্রতিষ্ঠানের জরিপে, উঠে এসেছে কীভাবে ইসলামের প্রতি মানুষ অনুরক্ত হয়ে উঠছে এবং এর সুশীতল ছায়াতলে আশ্রয় নিচ্ছে। জরিপ গুলোতে আভাস দিয়ে বলা হয়েছে, আগামী বিশ্বে হবে মুসলমানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। এক্ষেত্রে মুসলমানদের মধ্যে ঐক্য, সংহতি, পরস্পরের পাশে দাঁড়ানো এবং আল্লাহর কোরআন এবং রাসূলের সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরতে হবে। তাহলে অবশ্যই বিশ্বে মুসলমানদেরই আধিপত্য বিস্তৃত হবে। কারবালার শিক্ষা সে কথাই বলে।
কারবালার শিক্ষা বার বার মুসলমানদের সঠিক পথের দিশা দিয়েছে। দিয়েছে কর্তব্য-কর্মের নির্দেশনাও। এটা শেষ হয়ে যায়নি, হবারও নয়। ন্যায়-অন্যায়, সত্য-মিথ্যা,ধর্ম-অধর্ম এসবই সুস্পষ্ট।ন্যায়ের সাথে অন্যায়কে, সত্যের সাথে মিথ্যাকে, ধর্মের সাথে অধর্মকে গুলিয়ে ফেলার কোন সুযোগ নেই। এই দিবস পালন করতে গিয়ে বা শোক প্রকাশ করতে গিয়ে ধর্মের প্রকৃত চেতনার সাথে সাংঘর্ষিক এমন কোন কর্মপন্থা গ্রহণ অনুচিত। হযরত ইমাম হোসাইনকে (রাঃ) দুর্বৃত্তের শাসন মানতে বাধ্য করতে পারেনি। জালেমকে ছাড় দেননি তিনি । অন্যায়কে বরদাশত করেননি। মিথ্যাকে স্বীকার করেননি।

জালেমের সাথে সখ্যতা পরিহার করেছেন তিনি।অধর্মকে সহ্য করেননি। জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ভাষায় শির দেগা, নেহি দেগা আমামা এটাই কারবালার প্রকৃত শিক্ষা। হযরত ইমাম হোসাইন (রা.)-এর শাহাদতের কিছুদিনের মধ্যেই ইয়াজিদের মৃত্যু হয়েছিল। এর পরবর্তী ঘটনাও ইতিহাসে লিপিবদ্ধ আছে। বিশ্বব্যাপী ইসলামী শক্তি নতুন করে জেগে উঠে। সুতরাং মুসলমানদের বিচলিত হবার কিছু নেই। বিশ্বব্যাপী আজকের দৃশ্যমান অন্ধকার অচিরেই কেটে যাবে যদি আমরা হযরত ইমাম হোসাইন (রাঃ)-এর পথ অনুসরণ করতে পারি, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে ভালবেসে প্রিয় নবীর নির্দেশিত পথে ঐক্য ও সংহতির বন্ধনে নিজেদের আবদ্ধ করতে পারি।বিশ্বে মুসলিমদের জয় অতি সন্নিকতে।আল্লাহু ওয়া রাসুল আ’লামু।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০১অক্টোবর,মিজানুর সৌদি আরব থেকেঃ চলতি সপ্তাহে সৌদি আরবের বাদশাহ ঘোষণা করেছেন, আগামী বছরের জুন মাস থেকে দেশের নারীরা গাড়ি চালানোর অনুমতি পাবেন। দেখে নিন কবে কি কি অধিকার পেয়েছেন সৌদি নারীরা।

১৯৫৫: মেয়েদের জন্য প্রথম স্কুল, ১৯৭০: মেয়েদের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে এখন বিপুল সংখ্যক ছাত্রীকে স্কুলে যেতে দেখা যায়। কিন্তু আজ থেকে ৬২ বছর আগে চিত্রটা এমন ছিল না। সৌদি আরবে মেয়েদের প্রথম স্কুল দার আল হানান। আর রিয়াদ কলেজ অফ এডুকেশন সৌদি নারীদের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়, যেটি চালু হয় ১৯৭০ সালে।
২০০১: নারীদের জন্য পরিচয়পত্র
একবিংশ শতাব্দীর শুরুতে এসে পরিচয়পত্র পাওয়ার ক্ষেত্রে নারীদের অগ্রাধিকার দেয়া হয়। সৌদি আরবে নারীদের পরিচয়পত্র নিতে হলে পুরুষ অভিভাবকের অনুমতি প্রয়োজন হতো। ২০০১ সালে সৌদি নারীরা পুরুষ অভিভাবকের অনুমতি ছাড়াই পরিচয়পত্র নেয়ার সুযোগ পান।
২০০৫: জোরপূর্বক বিয়ে নিষিদ্ধ
২০০৫ সালে সৌদি আরবে নারীদের জোরপূর্বক বিয়ে নিষিদ্ধ হয়।
২০০৯: প্রথম নারী মন্ত্রী ২০০৯ সালে বাদশাহ আব্দুল্লাহ সৌদি আরবের কেন্দ্রীয় সরকারে প্রথম নারী মন্ত্রী নিয়োগ করেন।
নূরা আল কায়েজ নারী বিষয়ক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে সে বছর সরকারে যোগ দেন।
২০১২: অলিম্পিকে প্রথম নারী অ্যাথলিট
২০১২ সালে প্রথমবারের মতো অলিম্পিকে অংশ নেন সৌদি নারীরা। তাঁদের মধ্যে সারাহ আত্তার নারীদের ৮০০ মিটার দৌড়ে লন্ডন অলিম্পিকের ট্র্যাকে নেমেছিলেন হিজাব পড়ে। আসর শুরুর আগে নারীদের অংশগ্রহণ করতে না দিলে সৌদি আরবকে অলিম্পিক থেকে বাদ দেয়ার কথা জানিয়েছিল আইওসি।
২০১৩: সাইকেল ও মোটরসাইকেল চালানোর অনুমতি
ঐ বছর সাইকেল ও মোটরসাইকেল চালানোর অনুমতি পান সৌদি নারীরা। তবে কিছু নির্দিষ্ট এলাকায় এবং ইসলামি রীতিতে পুরো শরীর ঢেকে এবং কোনো পুরুষ আত্মীয়ের উপস্থিতিতে তা চালানোর অনুমতি দেয়া হয়।
২০১৩: শুরায় প্রথম নারী ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাদশাহ আব্দুল্লাহ সৌদি আরবের রক্ষণশীল কাউন্সিল ‘শুরা’য় প্রথমবারের মতো ৩০ জন নারীকে শপথ বাক্য পাঠ করান।
২০১৫: ভোট দেয়া এবং নির্বাচনে অংশ নেয়ার অধিকার
২০১৫ সালে সৌদি আরবের পৌরসভা নির্বাচনে নারীরা প্রথমবারের মতো ভোট দেয়ার এবং নির্বাচনে অংশ নেয়ার সুযোগ পান। বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে নিউজিল্যান্ড নির্বাচনে নারীদের অংশ গ্রহণ নিশ্চিত করেছিল ১৮৯৩ সালে, জার্মানিতে তা চালু হয় ১৯১৯ সালে। ২০১৫ সালে সৌদি আরবের ঐ নির্বাচনে ২০ জন নারী নির্বাচিত হয়েছিলেন।
২০১৭: সৌদি স্টক এক্সচেঞ্জে প্রথম নারী
২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে সৌদি আরব দেশটির স্টক এক্সচেঞ্জের চেয়ারপার্সন হিসেবে সারাহ আল সুহাইমির নাম ঘোষণা করে আরেক ইতিহাস রচনা করে।
২০১৮: গাড়ি চালানোর অনুমতি
গত ২৬শে সেপ্টেম্বর সৌদি আরব নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতি সংক্রান্ত এক আদেশ জারি করে। ২০১৮ সালের জুন মাসে এই আদেশ কার্যকর করা হবে। এর ফলে নারীদের আর কোনো পুরুষ অভিভাবকের অনুমতি নিতে হবে না এবং স্বতন্ত্র লাইসেন্স পাবেন তাঁরা।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০১অক্টোবর,আলী হোসেন রাজনঃ বিজয়া দশমী আজ, বাজছে বিদায়ের সুর। প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে আজ শেষ হলো হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা।
শনিবার বিকেল মৌলভীবাজার শহরের দেবীর বন্দনায় প্রতিটি পূজামান্ডপে ছিল কেবলই বিষাদের ছায়া। মাকে বিদায়ের আয়োজনে বিষন্ন মন নিয়েই উৎসবে মেতেছিলেন ভক্তরা।
সন্ধ্যার আগ মোহূর্তে মৌলভীবাজার মনু নদীতে দুর্গাপূজা বিসর্জন ঘাটে দেবী দুর্গাকে বিসর্জন দেয়া হয়।
সনাতন বিশ্বাস ও বিশুদ্ধ পঞ্জিকা মতে, জগতের মঙ্গল কামনায় দেবী দুর্গা এবার মর্তলোকে আসেন নৌকায় চড়ে, যার ফল হচ্ছে অতি বৃষ্টি ও শস্য বৃদ্ধি। আর মা দুর্গা স্বর্গলোকে বিদায় নেবেন ঘোটকে চড়ে, যার ফল হচ্ছে রোগ-ব্যধি বাড়বে ও ফসল নষ্ট হবে।
এবছর মৌলভীবাজার জেলার ৭টি উপজেলায় ৮শত ১১টি মন্ডপে পূজার আয়োজন করা হয়েছে।