Saturday 25th of November 2017 04:17:35 AM

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩১অক্টোবর,ডেস্ক নিউজঃ  বাঙ্গালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণকে ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে ইউনেস্কো। সোমবার প্যারিসের ইউনেস্কো সদরদপ্তরে সংস্থাটির মহাপরিচালক ইরিনা বোকোভা ৭ মার্চের ভাষণকে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহ্যবাহী তথ্যচিত্রের তালিকা ‘ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টারে’ অন্তর্ভুক্তের ঘোষণা দেন।

৯৭১ সালের ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) দেওয়া বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণটিকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের অন্যতম প্রেরণাদায়ী হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

ইরিনা বোকোভা বলেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে ঐতিহাসিক দলিল (ওয়ার্ল্ডস ডক্যুমেন্টরি হেরিটেজ) হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আন্তর্জাতিক তাৎপর্য রয়েছে এমন বিষয়গুলোকে বিশ্ব ঐতিহ্যের মেমোরিতে তালিকাভুক্ত করা হয়।’

মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, এ সংক্রান্ত তালিকাভুক্তির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকে ইন্টারন্যাশনাল অ্যাডভাইজরি কমিটি (আইএসি)। গত ২৪ থেকে ২৭ অক্টোবর পর্যন্ত বৈঠক করে এই কমিটি ৭ মার্চের ভাষণকে ইউনেস্কো স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

এ বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী বলেন, ‘এখন বিশ্ববাসী বঙ্গবন্ধুকে এবং আমাদের মুক্তিযুদ্ধকে আরও বড় পরিসরে জানতে পারবে।’

এ নিয়ে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণসহ আন্তর্জাতিক দলিলে অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে তালিকাভুক্ত ঐতিহ্যের সংখ্যা দাঁড়ালো ৪২৭টি।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩১অক্টোবর,চান মিয়াঃ   কাল বুধবার থেকে সারা দেশে জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা শুরু।এ উপলক্ষ্যে ছাতকের সিংচাপইড় ইউপির সিংচাপইড় একতা উচ্চ বিদ্যালয়ে জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) পরীক্ষার্থীদের সফলতা কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার  সকাল পৌনে ১২টায় বিদ্যালয়ের হলরুমে অনুষ্ঠিত মিলাদ পূর্ব আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন, বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. আবু হেনা।

শিক্ষক আইনুল হকের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন, সিনিয়র শিক্ষিকা স্মৃতি রানী দাস, শিক্ষক মো. ইফতেখার আলম, আব্দুল মান্নান, আবুল কাশেম, শহিদুল ইসলাম, মো. মোমিন শেখ, ননীগুপাল পুরকায়স্থ ও গৌতম মন্ডল প্রমূখ। পরে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। মিলাদ ও দোয়া পরিচালনা করেন, সিংচাপইড় কেন্দ্রিয় জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব মাওলানা আহমদ হোসাইন। সভাশেষে পরীক্ষার্থীদের এডমিড ও রেজিষ্টেশন কার্ড প্রদান করা হয়।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩১অক্টোবর বাংলাদেশ তরুণ লেখক পরিষদের পাবনা জেলা শাখার ২য় কাউন্সিল সরকারি এ্যাডওয়ার্ড কলেজে আজ বিকেল ৪টায় অনুষ্ঠিত হয়। মোঃ অনিক আহমেদ সভাপতি ও নিলয় তাহসান কে সাধারণ সম্পাদক করে মোট ১১ সদস্যের জেলা কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- সহ সভাপতি রাকিবুল ইসলাম, সহ সাধারণ সম্পাদক মাসুম প্রধান, সাংগঠনিক সম্পাদক মিরাজুল ইসলাম, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক নাজমুল হক, কলেজ বিষয়ক সম্পাদক বিপ্লব হাসান, প্রচার সম্পাদক আরিফুল ইসলাম, গ্রন্থগার/প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক রাব্বি হোসেন, সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক সাব্বির হাসান, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক শাকিল হোসেন।

সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ কাউন্সিলের স্বার্থে কেন্দ্রীয় পরিষদ থেকে আশিকুল কায়েস কে প্রধান করে মোট ৯ সদস্যের একটি নির্বাচন কমিটি ঘোষণা করা হয়। সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুসরণ করে প্রতি প্রার্থী তাঁদের নিজস্ব পদের জন্য নির্বাচন কমিটি বরাবর আবেদন করেন। নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষ বিবেচনায় ও সুপারিশক্রমে নির্বাচিত সম্পাদক পদপ্রার্থীদের নাম প্রকাশ করা হয়।

নির্বাচন কমিটির সদস্যরা হলেন- আশিকুল কায়েস, মোঃ সেলিম হোসেন, উম্মে হানি মেঘলা, মোঃ শাহজাহান, মোসাঃ সাবিরা সুলতানা, মোঃ আতিকুল ইসলাম, জীবন মাহমুদ, মোঃ সোহেল মাহমুদ ও হাসিদুল ইসলাম ইমরান।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩১অক্টোবর,চুনারুঘাট প্রতিনিধিঃ আঙিনা দিয়ে মাদক-চালান নিতে বাঁধা দেওয়ায় এক মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে ভয়ংকর হুমকি দিচ্ছে মাদক-চোরাকারবারিরা।

জানা যায়, দীর্ঘ দিন ধরে চুনারুঘাট উপজেলার টেকেরঘাট গ্রামের প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা আঃ গনির পুত্র আঃ জলিলের বাড়ির উঠান দিয়ে ভারত থেকে মাদক-দ্রব্য এনে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রী করত একই গ্রামের একাধিক মাদক মামলার আসামী তিন সহোদর শহিদ মিয়া (৩৫), আঃ আউয়াল (৩২), মাসুক (২২) ও তাদের সহযোগীরা।

তিন সহোদর ওই গ্রামের মৃতঃ তৈয়ব আলীর পুত্র। আঃ জলিল তাদেরকে তার উঠান দিয়ে মাদক চোরাচালানী না করার অনুরোধ জানান। কিন্তু তারা তার অনুরোধ কানে না নিয়ে তাদের স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখে। আঃ জলিল ব্যর্থ হয়ে ব্যাপারটি এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে  অবগত করেন।

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে গত ২৩ অক্টোবর বিকাল চারটায় উল্লেখিত তিন সহোদর ও তাদের সহযোগী একই গ্রামের মৃতঃ কামারি মিয়ার পুত্র খেলু মিয়া (২২), মৃতঃ আঃ বারিকের পুত্র আব্দুল ছমদ (২৩), মৃত জমসু মিয়ার পুত্র কাজল মিয়া (৩৫), রুশন আলীর তিন পুত্র নাসির মিয়া (২০), নাজু মিয়া (২৫) ও বাছির মিয়া( ২২), মৃতঃ আবু মিয়ার পুত্র চামারি মিয়া (৫০) ও জামির আলী (৩৫) আঃ জলিলের বাড়ির সামনের রাস্তায় উৎ পেতে থেকে আঃ জলিল বাজারের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে রাস্তায় বের হলে তাকে অকথ্য ভাষায় গালি-গালাজ করতে থাকে। আঃ জলিল এর প্রতিবাদ করলে তারা তাকে আক্রমন করতে উদ্যত হয়। তখন আঃ জলিল চিৎকার করে আশ-পাশের লোকজন জড়ো করে তাদের আক্রমন থেকে রেহাই পান।

এর পর থেকে মাদক চোরাকারবারিরা আঃ জলিলকে বিভিন্ন ভাবে জীবনের মত পঙ্গু, অপহরণ, গুম এমনকি হত্যার করারও হুমকি দিয়ে চলেছে। তাদের এ হুমকিতে আতংকে আছেন আঃ জলিল ও তার পরিবার বর্গ।  এই মর্মে, আঃ জলিলের মা খোদেজা বানু বাদী হয়ে উল্লেখিতদের বিবাদী করে ২৯ অক্টোবর রবিবার আদালতে মামলা দায়ের করেছেন।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩১অক্টোবর,হাবিবুর রহমান খানঃ  বিয়ানীবাজার থেকে ৬ যুবক টেকনাফ, উখিয়া ও কক্সবাজারে আশ্রিত অসহায় রোহিঙ্গাদের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ শেষে বাড়ি ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালো তারা। এলাকায় সর্বজন পরিচিত ৫ তরুণ ব্যবসায়ী ও মাইক্রোবাস চালকের অকাল মৃত্যুতে শোকে স্তব্ধ পুরো বিয়ানীবাজারবাসী । সর্বত্র বইছে শোকের মাতম। সবাই বাকরুদ্ধ। এ মৃত্যু কেউ মেনে নিতে পারছে না। তাদের অকাল মৃত্যুতে কাঁদছে পুরো বিয়ানীবাজার, যে কান্নার যেন ইতি নেই।

আজ সকাল ১০ ঘটিকায় বিয়ানীবাজার সরকারি কলেজ মাঠে নিহত ৬ জনের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ৮ ঘটিকা থেকে কলেজ মাঠে মানুষ আসতে শুরু করে। একে পরিপূর্ণ হয়ে যায় কলেজের পুরো মাঠ। মাঠে জায়গা না পেয়ে সবগুলো ভবনের বারান্দা, সিড়ি, ছাঁদ , এমনকি কার্নিশ ও বাদ পড়ে নি। সর্বত্র মানূষের ঢল। কলেজ মাঠ ছাড়াও কলেজ রোড ও টিএনটি রোডেও ছিল মানুষের ঢল। বিয়ানীবাজার পৌরশহর শহরে যেন জনস্রোতের ডল নেমেছে -এরকম একটী চিত্র লক্ষ করা যায়। বিয়ানীবাজারের মানুষ জানাজায় এত মানুষের উপস্থিতি আগে কখনো দেখেনি।

এটিই বিয়ানীবাজারের ইতিহাসে সব থেকে বড় জানাজা। জানাজা শেষে একে একে নিহতদের লাশগুলো তাদের স্বজনরা এম্বুলেন্স-ট্রাকে করে নিয়ে নিয়ে। লাশবাহী গাড়ির পিছু অনেকেই। কেউ কাদছেন , কেউবা এদের গুণকীর্তনে আবার কেউ স্মৃতিকাতরে ব্যস্ত থাকছেন। সর্বোপরি তাদের অকাল মৃত্যু সবাইকে হতবাক করেছে।

“অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্পের সংশ্নিষ্ট কর্মকর্তারা উচ্চতর প্রশিক্ষণ নিতে কানাডা, চীন, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে প্রমোদ ভ্রমণ করেন। অথচ সৃজনশীলের প্রশিক্ষণের দরকার ছিল শিক্ষকদের”

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩১অক্টোবর,ডেস্ক নিউজঃ    দেশের মাধ্যমিক শিক্ষাস্তরে সৃজনশীল প্রশ্ন পদ্ধতি চালুর জন্য হাতে নেওয়া প্রকল্পের ৮০০ কোটি টাকাই পানিতে গেছে। চালুর আট বছর পরও পদ্ধতিটি নিয়ে শিক্ষার্থী-অভিভাবক, এমনকি শিক্ষকদের মাঝেও এক ধরনের ‘ভীতি’ কাজ করছে। লাখ লাখ শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেওয়ার আগেই বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষায় এ পদ্ধতি চালু করা হয়। প্রাথমিক সমাপনী, জেএসসি, এসএসসি ও এইচএসসির বিভিন্ন বিষয়ে এ পদ্ধতি চালু হলেও শিক্ষকদের বিষয়ভিত্তিক নামমাত্র প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তাই শিক্ষকরা নিজেরাই এখনও এ পদ্ধতিতে অভ্যস্ত হতে পারেননি। তারা বাজার থেকে নোট-গাইড বই কিনে তা থেকে বিদ্যালয়ের নিজস্ব পরীক্ষায় সরাসরি প্রশ্ন তুলে দিচ্ছেন। এ অবস্থায় কোনো মতে পাস করতে শিক্ষার্থীরাও বিক্রি নিষিদ্ধ নোট-গাইডে অভ্যস্ত হয়ে পড়ছে। ‘সেকেন্ডারি এডুকেশন সেক্টর ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট’ (এসইএসডিপি) নিয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, প্রায় ৬০ ভাগ শিক্ষার্থী এখনও সৃজনশীল পদ্ধতি বুঝে উঠতে পারেনি। বাধ্য হয়ে তারা কোচিং ও গাইড বই অনুসরণ করছে। আর অর্ধেক শিক্ষক সৃজনশীল না বুঝেই শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করছেন। আট বছর আগে সৃজনশীল পাঠদানের মানোন্নয়নে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও সরকারের অর্থায়নে প্রায় ৮০০ কোটি টাকার এ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। তাতে কোনো ফল মেলেনি। সৃজনশীলের এমন বেহাল অবস্থা নিয়ে এর আগেও একই ধরনের প্রতিবেদন দিয়েছে খোদ শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড ইভালুয়েশন কমিটি ও বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। আইএমইডির প্রতিবেদন প্রকাশের পর শিক্ষা প্রশাসনে তোলপাড় শুরু হয়েছে। ২০১৪ সালে শুরু হওয়া এসইএসডিপি প্রকল্পটি আগামী ডিসেম্বরে শেষ হওয়া কথা। এর মধ্যে এই প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোর জন্য বিশ্বব্যাংক অর্থায়ন করেছে বলেও জানা গেছে।

এসইএসডিপির প্রকল্প পরিচালক এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. এসএম ওয়াহিদুজ্জামান সমকালকে বলেন, সৃজনশীলে শিক্ষকদের দক্ষতা না আসার মূল কারণ তারা নিজেরা প্রশ্ন করতে চান না। যেনতেনভাবে এ কাজটি এড়িয়ে যেতে চান। কোনো কোনো শিক্ষক গাইড বই থেকে সরাসরি সৃজনশীল প্রশ্ন তুলে দেন। আবার দেশের কোথাও কোথাও শিক্ষক সমিতির তৈরি করা প্রশ্নপত্রে সংশ্নিষ্ট উপজেলা বা জেলার সব স্কুলে পরীক্ষা নিতে বাধ্য করা হয়। এতে উপজেলার সব শিক্ষক প্রশ্ন করা থেকে বিরত থাকেন। সমিতির প্রশ্ন বিকিকিনির পেছনে বিশাল অঙ্কের বাণিজ্য রয়েছে। বছরের পর বছর এভাবে চলতে থাকলে শিক্ষকরা সৃজনশীল প্রশ্ন করায় দক্ষতা অর্জন করবেন কীভাবে? আর শিক্ষকরাই দক্ষ না হলে শিক্ষার্থীরা কীভাবে তা আয়ত্ত করবে? তিনি বলেন, প্রকল্পের টাকায় শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ ঠিকই দেওয়া হয়েছে। এখন যদি তারা সেটি কাজে না লাগান, চর্চা না করেন, নিজেরা প্রশ্ন না করেন, তবে কী করা যাবে?

অবশ্য মহাপরিচালকের এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন অনেক শিক্ষক। মিরপুর সিদ্ধান্ত হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম রনি বলেন, কেবল কয়েকজন শিক্ষককে ডেকে নিয়ে তিন দিনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। মাত্র তিন দিনে কয়েক ঘণ্টার ক্লাসে কী করে একজন শিক্ষক নতুন পদ্ধতি সম্পর্কে জেনে যাবেন? এই শিক্ষকরা আবার এলাকায় গিয়ে অন্যদের শিখিয়েছেন। এতেই বোঝা যায়, প্রশিক্ষণের নামে কী হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, প্রশিক্ষণের নামে অর্থ লুটপাট হয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে পদ্ধতিটি আয়ত্ত করতে আগামী ২০ বছর লাগবে। সৃজনশীল প্রশ্ন পদ্ধতি পুরোপুরি মুখ থুবড়ে পড়েছে বলে এই শিক্ষক মন্তব্য করেন।

আইএমইডির প্রতিবেদনের তথ্যানুসারে, প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট খরচ হয়েছে ৭৫২ কোটি টাকার বেশি। আর বরাদ্দ ছিল ৭৯৩ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। অর্থাৎ, মোট বরাদ্দের প্রায় ৫ শতাংশ ব্যয় করা যায়নি। প্রতিবেদনে বলা হয়, শিক্ষার্থীদের কাছে পাঠদান আরও সহজবোধ্য করতে পদ্ধতিটি চালু হয়। প্রকল্পের উদ্দেশ্য ছিল মাধ্যমিক শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধি, মাধ্যমিক শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি এবং সবার সম-অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা। সম-অংশগ্রহণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে লক্ষ্য পূরণ হলেও সৃজনশীল মানোন্নয়নে কোনো পরিবর্তন হয়নি।

রাজধানীর ধানমণ্ডি গভর্নমেন্ট বয়েজ হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক ইনছান আলী বলেন, পদ্ধতিটি চালু রাখতে হলে শিক্ষক প্রশিক্ষণ আরও বাড়াতে হবে। মাত্র তিন, চার বা পাঁচ দিনের প্রশিক্ষণে এত কঠিন একটি বিষয় রপ্ত করা সহজ কথা নয়। তিনি বলেন, সৃজনশীল পদ্ধতি কঠিন হওয়ায় শিক্ষকরা তা নিয়ে চর্চা কম করেন। শিক্ষার্থীদের বাসায় পড়ে নেওয়ার জন্য বলেন। এতে ছাত্রছাত্রী গাইড বই নির্ভর হয়ে পড়ে।

ভয়াবহ চিত্র : প্রতিবেদনে বলা হয়, সৃজনশীল পদ্ধতির চারটি ধাপ- জ্ঞানমূলক, অনুধাবনমূলক, প্রয়োগ ও উচ্চতর দক্ষতার মধ্যে শিক্ষার্থীরা জ্ঞানমূলক ও অনুধাবনমূলক বিষয়ের ওপর প্রশ্নের কিছু উত্তর দিতে পারলেও প্রয়োগ ও উচ্চতর দক্ষতামূলক উত্তর দিতে পারেনি। সৃজনশীল প্রশ্ন পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীরা গণিতের ৫১ দশমিক ৭ শতাংশ, ইংরেজির ৮ দশমিক ২ ও বিজ্ঞানের ৩৩ শতাংশ বিষয় কঠিন বলে মনে করেছে। বিভিন্ন বর্ষের পাবলিক পরীক্ষার ফল বিশ্নেষণ করে প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৫ ও ২০১৭ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাসের হারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার মূল কারণ গণিত, বিজ্ঞান ও ইংরেজিতে কম নম্বর পাওয়া। ফলে ওই বিষয়গুলো বুঝতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৫৯ দশমিক ৮ শতাংশকে প্রাইভেট পড়তে হয় ও গাইড বই অনুসরণ করতে হয়, যা স্থানীয় পর্যায়ে মতবিনিময় কর্মশালায় উপস্থিত শিক্ষার্থীরাও বলেছে।

শিক্ষার্থীদের মতে, শিক্ষকদের প্রায় ৪০ শতাংশ তাদের প্রাইভেট পড়তে উৎসাহিত করেন। আরও বলা হয়, পাঠ্যক্রম ও সৃজনশীল পদ্ধতির ওপর শিক্ষকদের প্রশিক্ষণের সময় যথেষ্ট ছিল না। পরিবর্তিত পাঠ্যক্রম শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের গাইড নির্ভরতা কমাতে পারেনি, বেশিরভাগ শিক্ষার্থীদের কাছে পাঠ্যপুস্তকের ভাষা কঠিন ছিল। শিক্ষকরা প্রশ্ন প্রণয়ন ও পাঠদানে সরাসরি গাইড বই ব্যবহার করছেন। সৃজনশীল পদ্ধতি সঠিকভাবে না বোঝার কারণে এখনও বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী কোচিং ও প্রাইভেট পড়ছে। স্থানীয় কর্মশালায় নির্বাচিত স্কুলের কোনো শিক্ষকই সৃজনশীল পদ্ধতির ওপর প্রশিক্ষণ পাননি। প্রশিক্ষণ ছাড়াই পাঠদান চালিয়ে যাচ্ছেন।

আইটি শিক্ষার বেহাল অবস্থা : আইটি শিক্ষার বেহাল চিত্রও উঠে এসেছে প্রতিবেদনে। তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে পাঠদান করতে অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম চালু হয়েছে। এর আওতায় কম্পিউটার, স্পিকার, ইন্টারনেট সংযোগ, মডেম, প্রজেক্টর, প্রিন্টার ও ফটোকপি মেশিন বিতরণ করা হয়েছে। এর পরও প্রায় ৭১ শতাংশ শিক্ষার্থী জানিয়েছে, তাদের বিদ্যালয়ে কম্পিউটার ব্যবহারের সুযোগ থাকলেও এখনও ৬০ শতাংশ শিক্ষার্থী কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ব্যবহার করতে জানে না। মাত্র ২৩ শতাংশ বলেছে, সংশ্নিষ্ট বিষয়ে প্রশিক্ষিত শিক্ষক আছে। আর শিক্ষকরা জানিয়েছেন, বেশিরভাগ কম্পিউটার প্রয়োজনীয় রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে অকেজো হয়ে গেছে। এগুলো মেরামত করতে দক্ষ লোকবল ও অর্থের কোনো সংস্থান প্রকল্পের আওতায় ছিল না।

এমনকি ই-লার্নিং স্কুলে কম্পিউটার বিষয়ে স্পেশালাইজড কোনো শিক্ষকও নেই। অন্যদিকে, অনেক পুরনো কনফিগারেশনের কম্পিউটার হওয়ায় আধুনিক ভার্সনের অনেক প্রয়োজনীয় অ্যাপ্লিকেশন সেখানে ব্যবহার করা যায় না। অনেক বিদ্যালয়ে শিক্ষকরা নিজ উদ্যোগে এবং কিছু বিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে ফি নিয়ে ই-লার্নিং ব্যবস্থা সচল রেখেছে। এ ছাড়া শিক্ষকদের ৬ দিনের প্রশিক্ষণ ও আইসিটি উপকরণ মোটেও ই-লার্নিং পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত ছিল না।

প্রশিক্ষণের নামে প্রমোদ ভ্রমণ : অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্পের সংশ্নিষ্ট কর্মকর্তারা উচ্চতর প্রশিক্ষণ নিতে কানাডা, চীন, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে প্রমোদ ভ্রমণ করেন। অথচ সৃজনশীলের প্রশিক্ষণের দরকার ছিল শিক্ষকদের। প্রতিবেদনেও সেই চিত্র এসেছে। মাউশি অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এই প্রকল্পের আওতায় মোট ১৭০ জন (৬৭ জন বৈদেশিক প্রশিক্ষণ এবং ১০৩ জন শিক্ষা সফর) বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেছেন। বৈদেশিক প্রশিক্ষণ এবং শিক্ষা সফরে ১২টি ব্যাচের মাধ্যমে তারা ভ্রমণ করেছেন। মাধ্যমিক শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত ৯টি বিষয় প্রশিক্ষণের আওতাভুক্ত ছিল। এই কর্মকর্তারা প্রশিক্ষণ শেষে অভিজ্ঞতা মূল্যায়ন প্রতিবেদন দিলেও তা বাস্তবসম্মত ছিল না। সমীক্ষা অনুযায়ী, শিক্ষার্থীদের ৩৪ শতাংশ মনে করে, বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে পর্যাপ্ত ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম নেই। গ্রন্থাগারিক না থাকার কথা জানিয়েছে ২০ শতাংশ। ১৪ শতাংশ বলেছে, তাদের স্কুলের লাইব্রেরি বন্ধ থাকে। বিজ্ঞান শিক্ষার্থীদের প্রায় ৩৬ শতাংশ বিজ্ঞানাগার ব্যবহার করে না।

ইতিবাচক কিছু পরিবর্তন : প্রতিবেদনে প্রকল্পের কয়েকটি ভালো দিকও উঠে এসেছে। এতে বলা হয়, মাধ্যমিক শিক্ষাকে কার্যকর করার ক্ষেত্রে তথা কর্মক্ষেত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ, দারিদ্র্য দূরীকরণ, প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন, জেন্ডার, অর্থনৈতিক এবং সামাজিক উন্নয়নের এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হয়েছে। অন্যান্য কর্মসূচির সঙ্গে সমন্বয় রেখে প্রকল্পটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা ও পর্যবেক্ষণ বিভাগের সক্ষমতা বাড়াতে সক্ষম হয়েছে। মাউশির কয়েকটি ক্ষেত্রে বিকেন্দ্রীকরণসহ মানবসম্পদের উন্নয়ন, প্রশিক্ষিত শিক্ষক, পরিমার্জিত এবং পরিবর্তিত শিক্ষাক্রম, জাতীয় পরীক্ষা পদ্ধতি সংস্কার, বিদ্যালয়ে শিখন-শিক্ষণ পরিবেশের উন্নয়ন, দরিদ্র তথা মেয়ে শিক্ষার্থীদের সম-অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ এবং একই সঙ্গে সুবিধাবঞ্চিত এলাকায় ছাত্রছাত্রীদের উপস্থিতি লক্ষণীয় মাত্রায় বেড়েছে।

এসইএসডিপির প্রভাব মূল্যায়নের লক্ষ্যে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো (বিদ্যালয় ও মাদ্রাসা) থেকে ৭৬৮ জনকে উত্তরদাতা হিসেবে নির্বাচন করা হয়। যেখানে মোট নমুনায়ন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৬৪টি। তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে গ্রামের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকেই বেশি প্রাধান্য দেওয়া হয়। মোট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৭০ শতাংশ (৪৪১টি) গ্রাম/প্রত্যন্ত অঞ্চলের ছিল। শহরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ৩০ শতাংশ (১৯৯টি)। এ ছাড়া যেসব শিক্ষার্থীর সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে ছাত্রছাত্রীর অনুপাত ছিল সমান, উভয়েরই গড় বয়স ১৪ বছর। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, বেশিরভাগ শিক্ষার্থী নবম ও দশম শ্রেণির হওয়ায় তাদের কাছ থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সার্বিক চিত্র সম্পর্কে সঠিক তথ্য তুলে আনা গেছে। অন্যদিকে, শিক্ষকদের শিক্ষাগত যোগ্যতা বিশ্নেষণে দেখা যায়, ৫৬ শতাংশ শিক্ষক স্নাতক পাস করেছে এবং অবশিষ্ট ৪৪ শতাংশ পাস কোর্স (ডিগ্রি) পাস করে শিক্ষকতা চালিয়ে যাচ্ছেন।

শিক্ষামন্ত্রী যা বললেন : শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ সমকালকে বলেন, নতুন যে কোনো বিষয় রপ্ত করতে সময় একটু লাগেই। তবে শিক্ষকদের এ বিষয়ে আরও বেশি মনোনিবেশ করতে হবে। তাদেরও শেখার চেষ্টা থাকতে হবে। নিজেরা বেশি করে সৃজনশীলের উদ্দীপক ও প্রশ্ন তৈরির চর্চা বাড়াতে হবে। শিক্ষকদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া সম্ভব হয়নি স্বীকার করে মন্ত্রী বলেন, সরকারের সম্পদ সীমিত। তবে এই সম্পদেই শিক্ষক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম আরও বেগবান করা হবে। অবশ্য আইএমইডির প্রতিবেদন নিয়ে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।সমকাল

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০অক্টোবর, নিজস্ব প্রতিনিধিঃ    “ইনার হুইল ক্লাব অব শ্রীমঙ্গলে”র সৌজন্যে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। আজ সোমবার বিকাল ৩ ঘটিকার সময় শ্রীমঙ্গলের কলেজ রোডস্থ পল হ্যারিস ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে ইনার হুইল ক্লাব শ্রীমঙ্গলের আয়োজনে গরিব ও মেধাবী ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে পরীক্ষার উপকরণ বিতরণ করেন ওই সংগঠন।

উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডাঃ হরিপদ রায়,অবিনাশ আচার্য্য ইনার হুইল ক্লাবের সভাপতি রীতা দত্ত পল হ্যারিস ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে প্রিন্সিপাল দিল আফরোজ ডাঃ পুষ্পিতা খাস্তগির ও ক্লাবের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।বিভিন্ন বিদ্যালয়ের ৫ম ও ৮ম শ্রেণির ৫০ জন ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যে পরীক্ষার বিভিন্ন উপকরণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০অক্টোবর,গীতি গমন চন্দ্র রায় পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ করেছে উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর। কৃষিই সমৃদ্ধ ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে রবি মৌসমে কৃষি প্রণোদনা ও কৃষি পূর্ণবাসন কার্যক্রমের আওতায় বিনামূল্যে কৃষি উপকরণ বিতরণ এর শুভ উদ্বোধন গত সমবার সকাল ১১ ঘটিকায় উপজেলা হল রুমে উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর কর্তৃক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অতি বর্ষনে ক্ষতি গ্রস্থ ইউনিয়ন ও পৌর এলাকার ক্ষুদ্র-প্রান্তিক চাষীদের মাঝে খরিপ-১ প্রণোদনার আওতায় ১৫৪৫ জন কৃষকদের মাঝে সবজি বীজ, এক কেজি সরিষা বারি-১৪ জাতের বীজ সহ রাসায়নিক সার বিতরণ অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ ডব্লিউ এম রায়হান সার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঠাকুরগাঁও-৩ সংসদ সদস্য অধ্যাপক ইয়াসিন আলী।

এতে বক্তব্য রাখেন সংসদ সদস্য অধ্যাপক ইয়াসিন আলী ঠাকুরগাঁও-৩, গেষ্ট অব অনার সংরক্ষিত ৩০১ সংসদ সদস্য সেলিনা জাহান লিটা, বিশেষ অতিথি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জিয়াউল ইসলাম জিয়া, আ”লীগ ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ও বীরমুক্তিযোদ্ধা ইকরামুল হক, পৌর মেয়র কশিরুল আলম, উপজেলা কৃষিবিদ ও কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা, কৃষক-কৃষাণী, জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যম কর্মী। কৃষিবিদ ও কৃষি কর্মকর্তা এ প্রতিনিধিকে জানান প্রকৃত কৃষকদের মাঝে প্রণোদনা ও পুর্ণবাসনের জন্য বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০অক্টোবর,শামছুল হুদা হেলাল,সৌদিআরব থেকেঃ সৌদি আরবের খামিস মোশায়েতে অাছির প্রদেশে যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে যুবদলের ৩৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।২৬ অক্টোবর সৌদির খামিস মোশায়েতের তাজমহল রেস্টুরেন্ট হল রুমে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। সংগঠনের সভাপতি ফরিদ আহমেদের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইকবাল বাহার চৌধুরীর সঞ্চালনায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি অাছির প্রদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি তৌহিদুল ইসলাম, প্রধান বক্তা বিএনপি আছির প্রদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি ওসমান গনি, বিশেষ বক্তা বিএনপি অাছির প্রদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির প্রধান উপদেষ্টা শাহজাহান সিরাজ, প্রবাসী লেখক সাংবাদিক পরিষদের সভাপতি মোস্তফা জাহিদ হোসেন।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন শামসুল হক, শফিউদ্দীন স্বপন, আতিকুল ইসলাম রবিন, তোফাইল আহমদ, মিনাল হোসেন, মেহেদি হাসান, মোহাম্মদ হানিফ, ফরিদুল আলম, নাছির উদ্দীন, আলমগীর ও ইব্রাহিম খলিল প্রমুখ। কেক কেটে যুবদলের ৩৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়। টেলিকনফারেন্সে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। সভাপতির সমাপনী বক্তব্যে সভা সম্পন্ন হয়।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০অক্টোবর,ডেস্ক নিউজঃ    বাংলাদেশ থেকে তাদের ব্যবসা বিক্রি করে ছেড়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার কথা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় বৃহত্তম তেল-গ্যাস কোম্পানি শেভরন।

রোববার শেভরনের এশিয়া ও প্রশান্তমহাসাগরীয় অঞ্চলের বহিঃসম্পর্ক বিভাগের উপদেষ্টা ক্যামেরন ভ্যান আসট এক বিবৃতিতে বলেছেন, বাংলাদেশে তিনটি ব্লকে থাকা সম্পদ বিক্রি করে দেওয়ার যে আলোচনা চলছিল, শেভরন তা আর এগিয়ে নেবে না।

পেট্রোবাংলার সঙ্গে উৎপাদন-বণ্টন চুক্তির আওতায় বাংলাদেশে তিনটি ব্লকে বিবিয়ানা, মৌলভীবাজার ও জালালাবাদ ক্ষেত্র থেকে গ্যাস উত্তোলন করে আসছে শেভরন।

তাদের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ওই তিন ক্ষেত্রে থেকে প্রতিদিন গড়ে ৭২ কোটি ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা হয়, যা বাংলাদেশের প্রতিদিনের গ্যাস সরবরাহের প্রায় ৫৯ শতাংশ।

গত এপ্রিলে শেভরন জানায়, ওই তিন গ্যাসক্ষেত্রের প্রায় দুই বিলিয়ন ডলারের সম্পদ ও বাংলাদেশের যাবতীয় ব্যবসা চীনের কনসোর্টিয়াম হিমালয় এনার্জি কোম্পানি লিমিটেডের কাছে বিক্রি করে দিতে সমঝোতায় পৌঁছেছে তারা।

রোববারের বিবৃতিতে বলা হয়, শেভরন বাংলাদেশে তাদের ব্যবসা অব্যাহত রাখার এবং পেট্রোবাংলা ও বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

তবে বাংলাদেশের ব্যবসা বিক্রি করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে শেভরন কেন সরে এল, তার কোনো ব্যাখ্যা বিবৃতিতে দেওয়া হয়নি।

সরে যাওয়ার বদলে শেভরন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানায় ৪০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।

বিবিয়ানা থেকে বর্তমানে প্রতিদিন ১২৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করছে শেভরন।নসরুল হামিদ জানিয়েছেন, বাংলাদেশে কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তের কথা গত সপ্তাহে শেভরন আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারকে জানিয়েছে।আলোকিত বাংলাদেশ

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০অক্টোবর,শামছুল হুদা হেলাল,সৌদি আরব থেকেঃ সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। ২৪ অক্টোবর দুপুর ১২টায় সৌদির খামিস মোশায়েত থেকে তাসলিছ আসার পথে এ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন কুমিল্লা সদর উপজেলার ৫নং পাচঁথুবী ইউনিয়নের মিরপুর গ্রামের সর্দার বাড়ির ইদ্রিস মিয়ার ছেলে লিটন মিয়া (৫০) এবং সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার মানিকপুর ইউনিয়নের মনসুরপুর গ্রামের রেকল আহমদ (৪৫)।

প্রত্যক্ষদর্শী মোহম্মদ ফারুক হোসেন জানান, লিটন মূলত গাড়ির ড্রাইভার এবং রেকল আহমদ ভগ্নিপতি মোতালেবের মালিকাধীন হোটেল জারিফের ম্যানেজার হিসেবে চাকরি করতেন। খামিস মোশায়েত থেকে আসার সময় হাপায়ার নামক স্থানে গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়ক বাতির স্টিলের খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে ঘটনাস্থলে দুজনই প্রাণ হারান। নিহতদের মরদেহ তাসলিছ থানার জেনারেল হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০অক্টোবর,ডেস্ক নিউজঃ   নরসিংদীতে পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেট বিয়ানীবাজারের ৫ জনসহ নয়জন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে সদর উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে ছয়জন এবং শিবপুর উপজেলায় নিহত হয়েছেন আরও তিনজন।গুরুতর আহতের কয়েকজন প্রানের ঝুকিতে  রয়েছে বলে জানা গেছে।

আজ সোমবার (৩০ অক্টোবর) সকাল ৭টার দিকে সদর উপজেলার মাধবদী থানার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কান্দাইল এলাকায় প্রথম দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত ছয়জনের সবাই মাইক্রোবাসের যাত্রী।

নিহতদের মধ্যে ৫জন হলেন সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার  রেজাউল করিম (৩৮),জুবের আহমদ,খায়রুল বাসার খায়ের,ইকবাল আহমদ,বাবুল আহমদ (কসবা) ও গাড়ির ড্রাইবার বাবুলসহ সকলেই নিহত হয়েছেন।
হতাহত বাকিদের পরিচয় পাওয়া যায়নি।মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইলিয়াস জানান, আজ সকালে নরসিংদী থেকে একটি যাত্রীবাহী বাস ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। বাসটি ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কান্দাইল এলাকায় পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মাইক্রোবাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই চারজন নিহত হন। গুরুতর আহত হন আর পাঁচজন।

আহতদের নরসিংদী সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া পর আরও দুজনের মৃত্যু হয়। বাকি চারজনের লাশ মাধবদী থানায় রাখা হয়েছে।

এদিকে, শিবপুর উপজেলার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কাড়ারচর এলাকার মদিনা জুট মিলের সামনে বাস ও লেগুনার মুখোমুখি সংঘর্ষে আরো তিনজন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। আজ সকাল ১০টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে গুরুতর আহত হয়েছে আরও আটজন।তবে সাধারণ আহত ও গুরুতর আহতসহ দুটি ঘটনায় প্রায় ৩০ জনের আহতের সংবাদ পাওয়া গেছে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০অক্টোবর,ডেস্ক নিউজঃ    নরসিংদীর সদর উপজেলায় যাত্রীবাহী বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২৫ জন।

আজ সোমবার সকাল ৭টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের আমদিয়া ইউনিয়নের কান্দাইল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তাৎক্ষণিক হতাহতদের পরিচয় পাওয়া যায়নি। মাধবদী থানার ওসি ইলিয়াস আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মাধবদী থানার ওসি ইলিয়াস আহমেদ গণমাধ্যমকে জানান, মাইক্রোবাসটি ঢাকা থেকে নরসিংদীর দিকে যাচ্ছিল। ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কান্দাইল এলাকায় মাইক্রোবাসের সঙ্গে বিপরীতমুখী একটি যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই চারজন নিহত হয়েছেন। এ সময়  গুরতর আহত পাঁচজন সহ কমপক্ষে ২৫ জন আহতের সংবাদ পাওয়া গেছে।

আহতদের মাধবদী প্রাইভেট ক্লিনিক ও ঢাকায় পাঠানো হয়েছে বলে জানান স্থানিয় থানার ওসি।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০অক্টোবর,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ    সিলেট ছাত্র ও যুব কল্যাণ ফেডারেশনের উদ্যোগে গরীব-মিসকীনদের সম্মানে প্রতি শুক্রবার মধ্যাহ্নভোজ আয়োজনের অংশ হিসেবে ফেডারেশনের আজীবন সদস্য সাউথ আফ্রিকা প্রবাসী বিশিষ্ট সমাজসেবক এম. আব্দুল মুকিতের আর্থিক সহযোগিতায় গত শুক্রবার বাদ জুমা কুদরত উল্লাহ জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে ৩য় দিনের সাপ্তাহিক মধ্যাহ্নভোজের আয়োজন করা হয়।

এ সময় কুদরত উল্লাহ জামে মসজিদের পেশ ইমাম ও খতীব মাওলানা জমির উদ্দিন বলেন, আল-কুরআনের সূরা বালাদ এর ১৯ নং আয়াতের সারসংক্ষেপে বলা হয়েছে-অধিকতর অভাবীকে অন্ন দানে অধিকতর সওয়াব অর্জন করা যায়। তাই ক্ষুধার্তদের মুখে খাবার দেয়া ও তৃষ্ণার্তদেরকে পানি দেয়া মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উপায় এবং সংকটাপন্ন দিনে আল্লাহর করুণা পাওয়া সম্ভব।

সিলেট ছাত্র ও যুব কল্যাণ ফেডারেশনের চেয়ারম্যান এইচ এম আব্দুর রহমান সভাপতিত্বে অতিথিদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ এর কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও সিলেট মহানগর সভাপতি মাওলানা মনছুরুল হাসান রায়পুরী, সিলেট ছাত্র ও যুব কল্যাণ ফেডারেশনের আজীবন সদস্য ইছবাহ উদ্দিন এডুকেশন এন্ড ওয়েলফেয়ার ট্রাষ্ট্রের চেয়ারম্যান মো: ইছবাহ উদ্দিন, গণদাবী ফোরামের প্রতিষ্ঠাতা ও  সভাপতি আখলাকুল আম্বিয়া চৌধুরী, সংস্কৃতি কেন্দ্রের পরিচালক জাহেদুর রহমান চৌধুরী, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মাস্টার আব্দুর রহীম, ফেডারেশনের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোঃ দেলোয়ার হোসেন, নির্বাহী সদস্য আহমেদ আরিফ, আশফাক আহমদ, মোঃ দেলোয়ার হোসেন, হানিফ আলম, সাজেদুল হোসাইন প্রমুখ।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০অক্টোবর,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ    মৌলভীবাজারে গাছ পড়ে একজনের মৃত্যু ঘটেছে।মৌলভীবাজার জেলার  শ্রীমংগলের কালাপুর ইউনিয়নের পশ্চিম লামুয়া গ্রামের মৃত কনর মিয়ার দ্বিতীয় পুত্র জাহির মিয়া (৪০) গাছের নিচে চাপা পড়ে রোববার বেলা ১২ টায় মৌলভীবাজারের থানা বাজার নামক স্থানে মৃত্যুবরণ করে।

এই দুর্ঘটনা ঘটার সময় জাহির মিয়া সহ কয়েকজন শ্রমিক গাছ কাটতে যায় সেখানে কাটা গাছ পড়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে পারিবারিক সুত্রে জানা গেছে।