Thursday 19th of October 2017 08:36:23 PM

অত্যাচার,নির্যাতনের প্রতিবাদে কাজিটুলাবাসীর উদ্যোগে বিশাল মানববন্দন

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০সেপ্টেম্বর,মোহাম্মদ জুমান হোসেনঃ মায়ানমার রোহিঙ্গা মুসলমানদের গনহত্যা, অত্যাচার, ও নির্যাতনের প্রতিবাদে বৃহত্তর কাজিটুলাবাসীর উদৌগে এক বিশাল মানববন্দনের আয়োজন করা হয়েছে।

উক্ত মানববন্দনে অতিথি হিসেবে উপস্হিত ছিলেন সিলেট সিটি কর্পোরেসন মাননীয় মেয়র জনাব আরিফুল হক চৌধুরী, সাবেক মেয়র জনাব বদরউদ্দিন আহমদ কামরান,মহানগর আওয়ামিলীগ সাধারন সম্পাদক জনাব আসাদ উদ্দিন আহমদ, মহানগর বিএনপির সভাপতি জনাব নাসিম হোসাইন, সাধারন সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম, ১৭ নং ওয়াড সাবেক কাউন্সিলর জনাব ফয়জুল আনোয়ার আলায়োর, ১৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর জনাব দিলয়োর হোসাইন সজীব,ও আরো অনেকে।
মহানগর বিএনপির সহসভাপতি সাবেক কাউন্সিলর হুমায়ূন কবির শাহীনের সভাপতিত্বে এবং রুহুল আমিন ও এম বরকত আলীর পরিচালনায় মানববন্ধ্যনে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন শাহী ঈদগাহ জামে মসজিদের মুতাওয়াল্লি জহির বখত,জাতীয় পার্টি সিলেট জেলা শাখার যুগ্ম আহবায়ক অ্যাডভোকেট আব্দুর রহমান চৌধুরী, এলাকার মুরুব্বি বাবুল খান, হিরা মিয়া, সুয়েব আহমদ, আব্দুল কবির কিবরিয়া, মহসিন আহমদ চৌধুরী, রাশেদ আহমদ, নুরুল মোমিন খোকন, আনা মিয়া, ফারুক খান, আমির হোসাইন, ফরহাদ উদ্দিন বাবলু, মন্তাজ হোসেন মুন্না, ইয়াসিন আহমদ, গিয়াস আহমদ, ফয়েজ আহমদ, আতাউর রহমান, নাঈম আহমদ, শামীম মিয়া, মুর্শেদ মিয়া, মুন্না মিয়া, নাসিম আহমদ প্রমুখ।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৯সেপ্টেম্বর,নবীগঞ্জ সংবাদদাতাঃঢাকা-সিলেট মহাসড়কের হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার বড়চর বাজারে যাত্রীবাহী বাস ও এ্যাম্বুলেন্স এর মুখোমুখি সংঘর্ষে মহিলাসহ ২ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে শিশুসহ কমপক্ষ ২০জন। আহতদের উদ্ধার করে সিলেট মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানায়, সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা শেষে শনিবার রাত চুনারুঘাটের এক রোগীকে নিয়ে তার আত্মীয়-স্বজন এ্যাম্বুলেন্স যোগে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দেন। এ্যাম্বুলেন্সটি শনিবার রাত প্রায় সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার বড়চর বাজারে পৌঁছা মাত্র বিপরীত দিক কুমিল্লা থেকে আসা সিলেটগামী পাপিয়া পরিবহণের একটি বাসের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ বাধে। এতে এ্যাম্বুলেন্সটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। এ সময় স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে বাহুবল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করেন।

পরে আশঙ্কাজনক অবস্থায় এ্যাম্বুলেন্স যাত্রী আলা উদ্দিন (৪০), পান্না আক্তার (২০), খায়রুন নেছা (৩৫), শিশু নিলয় (৫), আলিছা বেগম (৩৪), নিলা আক্তার (৩২), রুমেলা বেগম (২৬), আলহাদী বেগম (৩২) কে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

তবে আহত আলা উদ্দিন (৪০) ও পান্না আক্তার (২০) কে সিলেট হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। অন্যান্য আহতরা চিকিৎসাধিন রয়েছে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০সেপ্টেম্বর,সাদিক আহমেদ ইমন,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ   সারা দেশের ন্যায় শ্রীমঙ্গলেও প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে সুশৃঙ্খলভাবে শেষ হলো হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সব চেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা।

আজ  শনিবার বিজয়া দশমীর মধ্যে দিয়ে শেষ হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্টান শারদীয় দুর্গাপূজা।কৃপারূপে মর্ত্যে অবতারণী দেবী দুর্গা আজ ফিরে যাবেন কৈলাশে।হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস প্রতিবছর দেবী দুর্গা অশুর রূপী অশুভ শক্তির বিনাশ করতে পৃথিবীতে আগমন করেন এবং পৃথিবীতে শান্তি অবতারণ করে বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে ফিরে যান কৈলাশে।

গতকাল শুক্রবার ছিল মহানবমী।নবমীর প্রধান আকর্ষণ ছিল মন্ডপে মন্ডপে আরতি প্রতিযোগীতা।আর আজ ছিল বিজয়া দশমী।সকাল ৯টা ২৬মিনিটের আগে শেষ হয় দশমী বিহিত পূজা ও দর্পন বিসর্জন।দুপুরে শুরু হয় বিজয়া শোভাযাত্রা।বিজয়া শোভাযাত্রার প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সাবেক চীফ হুইফ,সাংসদ,আলহাজ্ব উপাধ্যক্ষ মো: আব্দুস শহীদ। শ্রীমঙ্গল সার্বজনীন দুর্গাবাড়িতে সম্মিলিত বাদ্য বাজনা,মন্ত্র উচ্চারণ ও পূজা-অর্চনার মধ্য দিয়ে শুরু হয় এ ধর্মীয় শোভা যাত্রা।

বিসর্জন শোভা যাত্রার প্রথমেই ছিল শ্রীমঙ্গল সার্বজনীন দুর্গাবাড়ি,ক্রমান্বয়ে ছিলো রামকৃষ্ণ মিশন ও তারপর ছিলো শ্রীমঙ্গলেশ্বরী কালিবাড়ির প্রতিমা।তার পরে উপস্থিতি অনুসারে ছিলো অন্যান্য প্রতিমাগুলো। বিভিন মন্ডপের দুর্গা প্রতিমা গুলো শোভাযাত্রা করা হয় পুরো শ্রীমঙ্গল শহরে।প্রথমে প্রতিমা গুলো শোভাযাত্রা করা হয় শ্রীমঙ্গল স্টেশন রোডে।তারপর যথাক্রমে হবিগঞ্জ রোড,মৌলভীবাজার রোড প্রদক্ষিণ করে শোভাযাত্রাটি।

বিকাল ৫ টায় শ্রীমঙ্গলের প্রধান সরক গুলো প্রদক্ষিণ করে ফিরে যায় স্ব স্ব মন্ডপে। সেখানেই স্থানীয় পুকুর, দিঘিতে দেয়া হয় প্রতিমা বিসর্জন।তাদের বিশ্বাস মতে ১৯ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার মহালয়ার মধ্য দিয়ে মর্তালোকে এসেছিলেন দুর্গতি নাশিনী দেবী দুর্গা।

জানা যায়,এবছর শ্রীমঙ্গলে ১৬৬ টি মন্ডপে অনুষ্টিত শারদীয় দুর্গাপূজা।হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মতে,দেবী এবার নৌকায় চড়ে এসেছিলেন পিত্রালয়ে এবং ঘোড়ায় চড়ে ফিরে গেলেন কৈলাশে। এদিকে প্রতিমা বিসর্জন ও বিজয়া শোভাযাত্রার শুরুর ফলে শ্রীমঙ্গলে দেখা দেয় বিশাল যানজটের এতে প্রায় ৩ ঘণ্টারও অধিক যাত্রীদের পোহাতে হয় অবণর্নিয় দুর্ভোগ।

এদিকে বিজয়া শোভাযাত্রাকে সফল করার জন্য প্রশাসনের ভূমিকা ছিল চোখে পড়ার মতো।অনাকাঙ্ক্ষিত যেন কোন ঘটনা না ঘটে সেজন্য রাস্তায় ছিল পুলিশি টহল ও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা। তা ছাড়া স্থানিয়দেরও সহযোগিতার কমতি ছিলনা।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০সেপ্টেম্বর,ডেস্ক নিউজঃ পদ্মা সেতু দৃশ্যমান হয়েছে।শনিবার সকালে প্রথম স্প্যান (সুপার স্ট্রাকচার) খুঁটির (পিয়ার) ওপর স্থাপন করা হয়েছে। সকাল ৮টা থেকে শুরু করে ১০টার মধ্যেই পর্যন্ত সেতুটির জাজিরা প্রান্তের ৩৭ ও ৩৮ নং খুঁটির ওপর বসিয়ে দেয়া হয়েছে। ১৫০ মিটার দীর্ঘ এই স্প্যানটি স্থাপনের মধ্য দিয়ে স্বপ্নের পদ্মা সেতুর অগ্রগতির আরেক ধাপ এগিয়ে গেল। এই মহেন্দ্রক্ষটিতে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, মুন্সীগঞ্জ-২ আসনের সাংসদ অধ্যাপিকা সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি, সেতু সচিব আনোয়ারুল ইসলাম, সেতুটির প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম,পদ্মা সেতুর সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী, সেনা বাহিনীর জেনারেল আবু সাইদ, ঠিকাদরী প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রীজের কোম্পানীর প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

পরে বেলা সোয়া ১১টায় সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের পাশের সেতুর জাজিরা জেডিতে নেমে সাংবাদিকদের সার্বিক বিষয়ে ব্রিফিং করেন। মন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতুর প্রথম স্প্যান বাসানোর মধ্য দিয়ে আকাশে কালো মেঘ কেটে দৃশমান হয়েছে পদ্মা সেতু। সকল বাধা উপেক্ষা করে সেতুর কাজ এগিয়ে চলেছে। যথা সময়েই সেতুর কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে। এ পর্যন্ত পুরো সেতুর কাজ সাড়ে ৪৭ শতাংশ অগ্রগতি হয়েছে। এখন পর্যায়ক্রমে অন্যান্য স্প্যানগুলোও উঠবে।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী দেশে ফিরে খুব শিঘ্রই এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। সেতুর কাজ যাতে এক মুহুর্তের জন্য বন্ধ না থাকে সেই জন্য তাঁর নির্দেশে অনানুষ্ঠানিকভাবে সেতুর স্প্যান উঠানো হয়েছে। সেতু সচিব বলেন, অনেক ক্ষেত্রে পিয়ারের গভীরতা বৃদ্ধি বা প্রয়োজন অনুযায়ী তা পরিবর্তন করে চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়। তার মানে সেতুর ডিজাইনের পরিবর্তন নয়।

এদিকে স্বপ্নের পদ্মা সেতু দৃশ্যমান হওয়ার পর প্রকল্পস্থলে বিশেষ পরিবেশ বিরাজ করছে। এই সাথে সংশ্লিষ্টরা আনন্দে উদ্বেল। এই দৃশ্য দেখার জন্য অনেকে পদ্মায় আসলেও সেনাবাহিনীর কঠোর নিরাপত্তায় কেউ প্রবেশ করতে পারেনি। তবে দূর থেকেই অনেকে এই দৃশ্য অবলোকন করছে।

পদ্মা সেতুর সুপার স্ট্রাকচারবাহী ‘তিয়ান ই হাউ’ জহাজের ৩৬ শ’ টন ক্ষমতার ক্রেনের সাথে এখনও স্প্যানটি বাধা রয়েছে। এটি বেয়ারিংয়ের সাথে নাটবল্ডু ভালোভাবে স্থাপানের পরই ক্রেনটি সরিয়ে আনা হবে।

এর আগে প্রায় ছয় কিলোমিটার দূরের মাওয়ার কুমারভোগ কন্সট্রাকশন ইয়ার্ডের ওয়ার্কসপ থেকে রবিবার স্প্যানটি রওনা হয়। রাতে ২৩ নম্বর পিয়ারের কাছে এসে যাত্রা বিরতি করে। পরের সোমবার সকালে রওনা হয়ে দুপুরে এটি ৩০ ও ৩১ নম্বর পিয়ারের মাঝামাঝি স্থানে নোঙ্গর করে। পরে শুক্রবার দুপুর ২টায় জাহাজটি স্প্যান নিয়ে হাজির হয় ৩৭ ও ৩৮ নম্বর পিলারের মাঝামাঝি। সন্ধ্যার আগেই খুঁটি দু’টির ঠিক এক মিটার ওপরে ঝুলিয়ে রাখে। পরে শনিবার সকাল ৮টায় এটি স্থাপন শুরু করে।

সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা জানান, প্রথম স্প্যানটি স্থাপনের পর দ্রুততম সময়ের মধ্যে অন্যান্য স্প্যানও ওঠানো শুরু হবে। এখন ৩৭ থেকে ৪২ নম্বর পর্যন্ত ছয়টি পিয়ার এখন সম্পন্ন পর্যায়ে। শিঘ্রই শেষ হচ্ছে ৩৯ ও ৪০ নম্বর পিয়ারের কাজ। ৩৮ পিয়ারের সাথে যুক্ত হয়ে এই দু’ পিয়ার ধরে আরও দুইটি স্প্যান বসবে শিঘ্রই। স্প্যানের মাঝ বরাবর নীচের লেনে চলবে ট্রেন। ওপরে কংক্রিটের চার লেনের সড়কে চলবে গাড়ি। তাই এই স্প্যানের ওপরে রাস্তা এবং নিচে ট্রেন লাইন স্থাপন করা হবে।

২০১৫ সালের ডিসেম্বরে পদ্মা সেতুর মূল অবকাঠামো নির্মাণকাজ শুরু হয়। এ পর্যন্ত প্রকল্পের প্রায় সাড়ে ৪৭ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। সেতুতে মোট ৪২টি পিলার থাকবে। এর মধ্যে ৪০টি পিলার নির্মাণ করা হবে নদীতে। দুটি নদীর তীরে। নদীতে নির্মাণ করা প্রতিটি পিলারে ছয়টি করে পাইলিং করা হয়েছে, যার দৈর্ঘ্য গড়ে প্রায় ১২৭ মিটার পর্যন্ত। একটি পিয়ার থেকে আরেকটির দূরত্ব ১৫০ মিটার। ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এ সেতুতে দুটি পিলারের ওপর বসবে ৪১টি স্প্যান। এছাড়া দু’পাড়ের সংযোগ সেতুসহ সেতুটি ৯ কিলোমিটার দীর্ঘ। পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্পে ব্যয় হবে প্রায় ২৮ হাজার ৭৯৩ কোটি টাকা। আগামী বছরের ডিসেম্বরে কাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রকৌশলীরা জানান, নদীতে মূল সেতুর মোট ২৪০টি পাইলের মধ্যে ৭৫টি পাইল বসেছে। এছাড়াও দু’পারের দু’টি ট্রান্সজিশন পিয়ারের ৩২টির মধ্যে ১৬টি স্থাপন হয়েছে। অর্থ্যাৎ জাজিরা প্রান্তে ৪২ নম্বর পিয়ারের ট্রান্সজিশন পিলারের ১৬টি পাইল বসেগেছে। এখন বাকী মাওয়া প্রান্তের ১ নম্বর ট্রান্সজিশন পিয়ারের ১৬টি পাইল। এটির কাজ এখনও শুরু হয়নি। ডিজাইন চূড়ান্ত হচ্ছে। এছাড়া জাজিরা প্রান্তে সংযোগ সেতুর ১৮৬ টি পাইল বসেছে। এখানে আর মাত্র ৭টি পাইল বাকি সংযোগ সেতুর (ভয়াডাক্ট) জন্য। আর মাওয়ায় এ পর্যন্ত সংযোগ সেতুর ১৭২টির মধ্যে ৭টি পাইল বসেছে।

পদ্মা সেতু এখন দৃশ্যমান হচ্ছে ধূসর রংয়ে। তাই ধূসর রঙের ‘৭এ’ নম্বর স্প্যানটি বসার অল্প সময়ের পরই বসবে পরেরটি। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, ‘৭বি’ নম্বর স্প্যানটির ফিটিং সম্পন্ন রয়েছে। এটিও শীঘ্রই রং করা শুরু হবে। কারণ অক্টোবরের শেষ দিকে এ স্প্যানটি বসবে ৩৮ ও ৩৯ পিয়ারের। ইতোমধ্যেই ৩৯ নম্বর পিয়ারের কাজও দ্রুত এগিয়ে চলেছে। শিঘ্রই শেষ হবে এর কাজ।

পদ্মা সেতুর দায়িত্বশীল প্রকৌশলীরা জানান, দুটি হ্যামার এখন হরদম পাইল বসাচ্ছে। জাজিরা ও মাওয়া উভয় প্রান্তে পাইল বসেছে। আগামী নভেম্বর মাসের শেষদিকে আরেকটি হ্যামার জার্মানি থেকে আসছে মাওয়ায়।

পদ্মা সেতুর প্রকল্প পরিচালক সফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, এই হ্যামারটি ডিসেম্বরের প্রথম দিকেই পাইল স্থাপানের কাজে যোগ দিবে।

পদ্মা সেতুর ৪২টি খুঁটিতে প্রয়োজন হবে ৪১টি স্প্যান। প্রথম স্প্যানটি (৭এ) স্থাপন হলেও মাওয়ার কুমারভোগ আরও ৯টি স্প্যান রয়েছে। এর মধ্যে ফিটিং হয়েছে ৭টি। এছাড়া আরও ১২টি স্প্যান চীনে তৈরী রয়েছে। এগুলে পর্যায়ক্রমে মাওয়া আনা হবে। এছাড়া বাকী আরও ১৯টি স্প্যানও তৈরীর প্রক্রিয়া চলছে চীনে।জনকণ্ঠ

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০সেপ্টেম্বর,ডেস্ক নিউজঃমিয়ানমারে নিয়োজিত জাতিসংঘের কর্মকর্তারা সেদেশে রোহিঙ্গা নিপীড়নের ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়ার প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। খোদ জাতিসংঘের অভ্যন্তরীণ সূত্র ও মানবিক সহায়তা প্রদানকারী সংগঠনগুলোর বরাত দিয়ে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে সেই অভিযোগ সামনে উঠে এসেছে।

প্রশ্ন উঠেছে- জাতিসংঘের ব্যর্থতার কারণেই কী রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মানুষের আজ এই পরিণতি? অবশ্য, জাতিসংঘের মিয়ানমার কার্যালয় বিবিসিতে প্রকাশিত সেই অভিযোগ ‘দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান’ করেছে।

বিবিসির ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, মিয়ানমারের জাতিসংঘ কার্যালয়ের প্রধান রেনেটা লক ডেসালিয়েন চাননি মানবাধিকার সংগঠনগুলো সংকটপূর্ণ এলাকা পরিদর্শন করুক। স্পর্শকাতর রোহিঙ্গা এলাকায় মানবাধিকার কর্মীদের প্রবেশ প্রতিহত করেছেন তিনি।

বিবিসির জোনাহ ফিশারের তৈরি করা ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, মিয়ানমারে সম্প্রতি রোহিঙ্গাদের ওপর দমন-পীড়নের শুরু থেকেই এর বিরুদ্ধে সরব রয়েছে জাতিসংঘ। রোহিঙ্গাদের জন্য সংস্থাটি সহায়তা পাঠিয়েছে, কঠোরভাবে মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের নিন্দা জানিয়েছে। তবে জাতিসংঘের অভ্যন্তরীণ সূত্র এবং মিয়ানমারের ভেতরের ও বাইরের মানবাধিকারকর্মীদের দাবি, বর্তমান সংকট শুরু হওয়ার চার বছর আগে থেকেই কানাডীয় নাগরিক রেনেটা লক ডেসালিয়েন বিভিন্নভাবে রোহিঙ্গা এলাকা পরিদর্শনে বাধা দিয়েছেন। রোহিঙ্গা ইস্যুতে সোচ্চারমূলক প্রচারণা কাজে বাধা দিয়েছেন। তাছাড়া যেসব কর্মকর্তা সতর্ক করতে চেয়েছেন যে, এভাবে চলতে থাকলে জাতিগত নিধন অনিবার্য, তাদেরকেও তিনি বিচ্ছিন্ন করে রেখেছেন। এ ব্যাপারে ডেসালিয়েনের সঙ্গে কথা বলতে চাইলে তিনি রাজি হননি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

ক্যারোলিন ভ্যান্ডিনাবিলি নামের এক ত্রাণ কর্মকর্তা বিবিসিকে বলেন, মিয়ানমারে ভয়াবহ পরিস্থিতি আসন্ন বলে তিনি আগেই টের পেয়েছিলেন। ১৯৯৩ সালের শেষ থেকে ১৯৯৪ সালের শুরুর দিক পর্যন্ত তিনি রুয়ান্ডায় থেকেছেন এবং গণহত্যার নজির দেখেছেন। মিয়ানমারে দায়িত্ব পালন করতে আসার পর দুই দেশের পরিস্থিতির মধ্যে মিল খুঁজে পেয়েছিলেন তিনি।

“কয়েকজন বিদেশি ও বার্মিজ ব্যবসায়ীদের একটি দলের সঙ্গে রাখাইন ও রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে কথা বলছিলাম। তখন এক বার্মিজ ব্যবসায়ী বলেন, ‘আমাদের উচিত ওদেরকে মেরে ফেলা, কারণ ওরা কুকুরের মতো’।’ মানবতার প্রতি এমন অমানবিকতা দেখে আমার মনে একটি আশঙ্কাই তৈরি হলো যে এ সমাজ এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যে একে স্বাভাবিক বলে মেনে নিয়েছে।”

বিবিসির ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাখাইনে ২০১২ সালের সহিংসতার পর সেখানকার বৌদ্ধরা এতটাই ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে যে, কোনও ধরনের ত্রাণ বা মানবিক সহায়তা পৌঁছাতেও বাধা দেয়া হয়। এমনকি ত্রাণবাহী যানবাহনে হামলাও চালানো হয়। আর রোহিঙ্গা ইস্যুতে কথা বললে বৌদ্ধরা ক্ষেপে যাবেন এমন আশঙ্কায় জাতিসংঘের দায়িত্বরত কর্মকর্তারা এ নিয়ে কথা বলতেন না। এমন অবস্থায় জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় রাখাইনে দীর্ঘমেয়াদি নীতি গ্রহণ করে। তারা মনে করেন, রাখাইনকে যদি সমৃদ্ধি আনা যায় তাহলে সেখানকার রোহিঙ্গা ও বৌদ্ধদের মধ্যে উত্তেজনা কমতে পারে।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, জাতিসংঘ এমন অনেক প্রেস রিলিজ দিয়েছে যেখানে রোহিঙ্গাদের মূল সমস্যার কথা উল্লেখই করা হয়নি। আর মিয়ানমার সরকার তো তাদের রোহিঙ্গা কিংবা স্বতন্ত্র গোষ্ঠী হিসেবে স্বীকারই করে না। এর পরিবর্তে সরকার তাদের ‘বাঙালি’ বলে চিহ্নিত করে।

বিবিসির প্রতিবেদক জানান, মিয়ানমারে তিনি দীর্ঘদিন কাজ করেছেন, কিন্তু জাতিসংঘের কোনও প্রতিনিধিকে রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে মুখ খুলতে দেখেননি। অনুসন্ধানে জানা গেছে, রোহিঙ্গাদের অনেক সমস্যার কথাই ফাইলবন্দি করে রাখা হতো।

মিয়ানমারে ত্রাণ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত এমন একাধিক সূত্র বিবিসিকে বলেছেন, দেশটিতে জাতিসংঘের শীর্ষ পর্যায়ের যে বৈঠক হতো সেখানে দেশটির কর্তৃপক্ষের কাছে রোহিঙ্গাদের অধিকার দেওয়ার প্রস্তাব উত্থাপনও একপ্রকার অসম্ভব ছিল। এদিকে বিবিসির প্রতিবেদনে উঠে আসা এইসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘের ইয়াঙ্গুন (সাবেক রাজধানী) ভিত্তিক অফিসের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আমরা শক্তভাবে এইসব অভিযোগের বিরোধিতা করছি।’

একটি সূত্রকে উদ্ধৃত করে বিবিসি জানায়, জাতিসংঘ রোহিঙ্গা ইস্যুতে কী ভূমিকা রেখেছে তা জানার জন্য সংস্থাটি একটি তদন্ত শুরু করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। কিন্তু শ্রীলঙ্কার গৃহযুদ্ধের অবসানের পর জাতিসংঘ যে তদন্ত করেছিল এটিও তার চেয়ে বেশি কিছু হবে না বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ওই প্রতিবেদনে সংস্থাটি শ্রীরঙ্কায় নিজেদের ভূমিকাকে ত্রুটিপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করেছিল।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০সেপ্টেম্বর,জৈন্তাপুর(সিলেট)প্রতিনিধি:সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার জৈন্তাপুরে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতাকে মোবাইল ফোনে হুমকি প্রদান,নিরাপত্তা চেয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়।

জিডি সূত্রে জানা যায়- নজির আহমদ নামের জৈন্তাপুর ইউনিয়নের আওয়ামীলীগ নেতা বাদী হয়ে সাধারণ ডায়েরি করে। হুমকীর ঘটনায় জৈন্তাপুর উপজেলা জুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে৷ জৈন্তাপুর উপজেলার ২নং জৈন্তাপুর ইউনিয়নের ২নং লক্ষীপুর গ্রামে মৃত সুলতান আহমদের ছেলে ও ২নং জৈন্তাপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক ঔ বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নজির আহমদকে গত ২৬ সেপ্টেম্বর দিবাগত (গভীর) রাত ১.৩৪ মিনিটে জনৈক্য হাবিব পরিচয়ে মোবাইল ফোন নং ০১৭১২১৭৭৮৯৭ হতে হুমকি দেওয়া হয় ।

হুমকীর ঘটনায় নিজের নিরাপত্তা এবং জান মালের সমূহ ক্ষতির আশংঙ্কায় জৈন্তাপুর মডেল থানায় সাধারন ডায়েরী (জিডি) করে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা৷ মোবাইল ফোনে হুমকি ধামকি প্রদর্শন এমনকি জৈন্তাপুর বাজারে আসলে কিংবা চাঙ্গীল ব্রীজ পার হলে আমাকে প্রাণে হত্যা করবে বলে হুমকি দেওয়া হয়। মোবাইল ফোনে অটো রেকর্ড থাকায় ফোনালাপটির রেকর্ড থেকে যায়৷

ওই নেতা অারও বলেন, মোবাইল ফোনে হুমকি প্রদানের ঘটনায় চরম নিরাপত্তার মানসিক চিন্তায় ভুগছেন ইউনিয়ন অাওয়ামীলীগ নেতা ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। বিষয়টি প্রশাসনের সু-নজরে আনতে তিনি জৈন্তাপুর মডেল থানায় জিডি করেন যাহার নং- ১০২৪, তারিখঃ ২৮/০৯/২০১৭।
এ ব্যাপারে জানতে জৈন্তাপুর মডেল থানা অফিসার ইনচার্জ খাঁন মোঃ মায়নুল জাকির জানান- দায়েরকৃত জিডির প্রেক্ষিতে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে এ ব্যাপারে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০সেপ্টেম্বর,ডেস্ক নিউজঃ অনলাইনে প্রকাশিত এক অডিও বার্তাকে আইএস নেতা আবু বকর আল বাগদাদীর বলে দাবি করেছে ইসলামিক স্টেট (আইএস)।

তবে ওই বার্তার সাথে কোনও ছবি দেওয়া হয়নি বলে বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়।

এর অন্তত বছর খানেক আগে বাগদাদীর কোন অডিও বিবৃতি পাওয়া গিয়েছিলো। এরপর থেকেই ধারণা করা হয়েছিল, বাগদাদী মারা গেছেন।

বিবিসি বলছে, সর্বশেষ অডিও বার্তাটিতে উত্তর কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সাম্প্রতিক উত্তেজনার প্রসঙ্গও রয়েছে। সে কারণে ধারণা করা হচ্ছে প্রায় ৪৬ মিনিটের অডিও বার্তাটি সাম্প্রতিক কালের মধ্যেই ধারণ করা।

ওয়াশিংটন বলছে তারা বার্তাটি পরীক্ষা করে দেখছে তবে এর সত্যতা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই বলেই মনে করা হচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর একজন মুখপাত্র বলেছেন তাদের ধারণা অব্যাহত আছে যে বাগদাদী বেঁচে আছেন। এই বার্তায় আইএস নেতা বাগদাদী ইরাকের মসুলের লড়াই সম্পর্কেও কথা বলেছেন।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,৩০সেপ্টেম্বর,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃসুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলায় ভীমরুলের কামড়ে হাসান আহমেদ(৮) নামে এক জন নিহত হয়েছে।

এছাড়া গত এক সাপ্তাহের ব্যবধানে আরো ২জন নিহত হয়েছে। নিহতরা হলেন, আমীর আলী (১৮) ও মনোহর আলী(৩৫)। স্থানীয় সুত্রে জানাযায়,আজ বুধবার ছাতক উপজেলা ছৈলা আফজালাবাদ ইউনিয়নের কহল্লা গ্রামের আবুল কালামের ছেলে হাসান আলী লাকড়ী সংগ্রহ করতে বুধবার পাশ্বভর্তি জঙ্গলে গেলে অসাবধানতা বশত ভীমরুলের বাসায় আগাত লাগে এতে গুরুত্বও আহত হয়।

এসময় তার মা হেলেনা বেগম(৩৫)বোন কলি বেগম(৬) ও ভাই হুছন আহমদ(১১) ভীমরুলের কামড়ে আহত হয়। স্থানীয় লোকজন গুরুত্বর আহত অবস্থায় হাসান আহমেদ(৮) কে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মারা যায়। এদিকে গত ২৩সেপ্টম্বর কালারুকা ইউনিয়নের শন্কর পুর গ্রামের মছকন্দর আলীর ছেলে আমীর আলী (১৮) ভীমরুলেল কামড়ে চিকিৎসাধিন অবস্থায় ২৬সেপ্টেম্বর মারা যায়। ২০সেপ্টেম্বর উত্তর খুরমা ইউনিয়নের নানশ্রী গ্রামের মফিজ আলীর ছেলে মনোহর আলী(৩৫) নৌকা দিয়ে যাওয়ার সময় ভীমরুলের কামড়ে পানিতে পড়ে গিয়ে মারা যায়।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৯সেপ্টেম্বর,রেজওয়ান করিম সাব্বিরঃ সিলেট তামাবিল মহাসড়কের জৈন্তাপুরস্থ দরবস্ত ব্র্যাক ব্যাংকের সম্মুখে জাফলংগামী বাস ও সিলেটগামী লেগুনার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-১, অাহত-৫৷
এলাকাবাসী ও প্রতক্ষদর্শী সূত্রে যানাযায়- ২৯ সেপ্টেম্বর শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টায় সিলেট তামাবিল মহাসড়কের দরবস্ত ব্র্যাক ব্যাংকের সম্মুখে সিলেট হতে ছেড়ে অাসা জাফলংগামী মাইক্রোবাস সিলেট-জ-১১-০৪৫৩ সাথে জৈন্তাপুর থেকে ছেড়ে যাওয়া সিলেটগামী লেগুনা নং সিলেট-মেট্রো-ছ-১১-০০৩৬ এর সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে৷ এ দূর্ঘটনায় চালক সহ ৬জন অাহত হন৷ স্থানীয় জনতা তাদের কে উদ্ধার করে জৈন্তাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরন করে৷ এদিকে লেগুনা চালক স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পথে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে৷
নিহত লেগুনা চালক শহরতলীর পিরের বাজার এলাকার ময়নুদ্দিনের ছেলে অানোয়ার অালী (২৭)৷ অাহতরা হলেন- জৈন্তাপুর উপজেলার অাসামপাড়া গ্রামের তমিজ উদ্দিনের স্ত্রী রোকিয়া বেগম(৪৫), তাদের কাজের মেয়ে মারুফা বেগম (১৪), গোয়াইনঘাট উপজেলার মুকিত অালীর ছেলে তারেক অাহমদ (১৮), একই উপজেলার অাজিজুর রহমানের ছেলে তারেক অাহমদ বিলাশ (১৭), গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলং ছৈলাখেল গ্রামের যুগির সূত্রধরের ছেলে সুনিল সূত্রধর (২৩)৷ গুরুত্বর অাহত রোকিয়া বেগম ও মারুফা বেগমকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে সিলেট এম.এ.জি হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে৷
এবিষয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ খাঁন মোঃ ময়নুল জাকির দূর্ঘটনায় লেগুনা চালক মৃত্যু বিষয় বিষয় নিশ্চিত করেন৷ তিনি অারও বলেন নিহতের লাশ জৈন্তাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে৷ হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে লাশের সুরতহাল হাল রির্পোট করবে বলে জানান৷

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৯সেপ্টেম্বর,রেজওয়ান করিম সাব্বিরঃ সিলেট ৪ আসনের সংসদ সদস্য ইমরান আহমদ বলেছেন বাংলাদেশ একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। মহান মুক্তি যুদ্ধের চেতনায় একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ গড়ে তুলতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি বলেন শেখ হাসিনা শান্তি ও মানবতার জন্য কাজ করে আজ বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশ কে সম্মানের আসনে নিয়ে গেছেন। বাংলাদেশে সকল ধর্মের মানুষ নির্বিঘ্নে আনন্দঘন পরিবেশে তাদের ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান পালন করছে।বর্তমানে প্রায় সকল ধর্মীয় অনুষ্ঠান সার্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে।

তিনি শুক্রবার জৈন্তাপুর উপজেলার বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন কালে একথা গুলো বলেন। ইমরান আহমদ শুক্রবার উপজেলার শ্রীপুর, জৈন্তাপুর কালিবাড়ি, সারিঘাট শিব মন্দির, খান চা বাগান, হাবিব নগর চা বাগান সহ আরও কয়েকটি পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করেন।

এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ খান মো: মাইনুল জাকির, উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি কামাল আহমদ, আওয়ামী লীগ নেতা উপাধ্যক্ষ শাহেদ আহমদ, চিকনাগুল ইউপি চেয়ারম্যান আমীনুর রশীদ, ডা.আবুল হাসনাত চৌধুরী, নিপেন্দ্র কুমার দাস, রহমত আলী, আলী আহমদ, নিজপাট ইউপি চেয়ারম্যান মঞ্জুর এলাহী সম্রাট, আব্দুল কাদির, সিরাজুল ইসলাম, কামরুজ্জামান চৌধুরী, নজরুল ইসলাম মেম্বার, যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক কুতুব উদ্দিন যুবলীগ নেতা এবাদুর রহমান, শামীম আহমদ, জুয়েল আহমদ ডালিম, কামরান আহমদ, বাদশা মিয়া, ইউসুফ আহমদ সুজন, জামাল আহমদ, জাকারিয়া মাহমুদ, ছাত্রলীগ নেতা ইব্রাহিম আলী, জাহিদুল ইসলাম জাহিদ, মাহবুবুর রহমান সবুজ।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৯সেপ্টেম্বর,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ  আজ শুক্রবার সন্ধ্যা পৌনে ৭ টার দিকে শ্রীমঙ্গল উপজেলার মৌলভীবাজার রোডস্থ নওয়াগাও গ্রামে এক দুধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে।

অভিযোগে জানা গেছে, হাজী আব্দুল খালিকের বড় ছেলে মোঃ জরিফ মিয়ার বসত ঘরে রাখা ৪ টি মোবাইল ও নগদ ১১ হাজার টাকা,এক জোড়া সোনার কানের দুলসহ মোট প্রায় ৬৫ হাজার টাকার মালামাল নিয়ে গেছে অজ্ঞাত চোরেরা।একই সাথে বিভিন্ন প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র ও নিয়ে যায় তারা।এ সময় ঘরে জরিফ মিয়ার স্ত্রী রান্নার কাজে ব্যাস্ত ছিলেন।

থানায় কোন অভিযোগ করেছেন কিনা জানতে চাইলে জরিফ মিয়ার ছেলে জাবেদ আহমেদ রিপন জানান,স্থানিয় মেম্বার শাজাহান মিয়াকে নিয়ে থানায় গিয়েছিলাম,পূজার কাজে ব্যাস্ত থাকায় আগামি কাল শনিবারে জিডি করতে বলেছেন কর্তব্যরত এক পুলিশ কর্মকর্তা।

 

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৯সেপ্টেম্বর,রেজওয়ান করিম সাব্বিরঃ জৈন্তাপুর উপজেলায় প্রতি বৎসরের মত ২২টি স্থানে সনাতন ধর্মাবলম্বি সম্প্রদায়ের সর্ববৃহত ধর্মীয় উৎসব সার্বজনীন দূর্গোৎসব দূর্গাপূজা পালিত হচ্ছে। দূর্গাপূজার অষ্টমী দিনে বিভিন্ন পূজামন্ডপ পরিদর্শন করেন এবং পূজামন্ডপে আগত ভক্তদের সাথে কোশল বিনিময় করেন জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ জয়নাল আবেদীন।
এ সময় তিনি পূজারীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে তার বক্তব্যে বলেন- এদেশ আমাদের সকলের এখানে সকল ধর্ম ও মতের মানুষ শান্তিপূর্ণ ভাবে তার নিজ নিজ ধর্ম পালন করে যাচ্ছে। পূজার মূলমন্ত্র মনে ধারন করে একটি সুখ সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে সকলকে এগিয়ে আসার আহবান জানান।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ বশির উদ্দিন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শ্রীমতি জয়মতি রানী, জৈন্তাপুর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শ্রী মানিক দে, সাধারণ সম্পাদক শ্রী দুলাল চন্দ্র দেব, বীরেন্দ্র কুমার দেবনাত, শ্রী নন্দন দত্ত, শ্রী হিরালাল সিং, শ্রী যদুরাম বিশ্বাস, জৈন্তাপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুল আহাদ, সাবেক ইউপি সদস্য জালাল আহমদ, বিএনপি নেতা নূরুল হক, সুভাস দাস বাবলু, লিটন দে, পাপলু দে প্রমুখ।

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৯সেপ্টেম্বর,হাবিবুর রহমান খান:মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখায় মোবাইল ফোন উদ্ধার করতে গিয়ে টয়লেটের ট্যাংকিতে পড়ে দুই ভাইয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু।

বৃহস্পতিবার বিকেলে বড়লেখা দক্ষিণভাগ ইউনিয়নের ৮নং কাশেম নগর গ্রামের বাচ্চু মিয়ার দুই ছেলে নাবিল আহমদ (২২) ও বাদল মিয়া (১৭) টয়লেটের ট্যাংকিতে মোবাইল খুজতে গিয়ে অসাবধানতায় পড়ে গিয়ে দুই সহোদর ভাই একসাথে মুত্যুবরণ করেছে।পরে টয়লেটের ট্যাংকি থেকে তাদের লাশ উদ্ধার করেন। তারা একই গ্রামের বাচ্চু মিয়ার ছেলে।

এদিকে, ঘটনার খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সুহেল মাহমুদ ও থানার ওসি মুহাম্মদ সহিদুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
ফায়ার সার্ভিস ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বেলা ২টায় বাচ্চু মিয়ার ছেলে অটোরিকশাচালক আকিব উদ্দিনের (২০) একটি মোবাইল ফোন বাড়ির কাচা ল্যাট্রিনে পড়ে যায়। ছোট ভাই বাদল মিয়া সেটি খুঁজতে গিয়ে অসাবধানতাবশত ল্যাট্রিনের ভেতরে পড়ে যায়। তাকে বাঁচাতে গিয়ে বড় ভাই নাবিল আহমদও ল্যাট্রিনের গভীর গর্তে পড়ে যায়।
পরিবারের লোকজনের চিৎকারে স্থানীয়রা চেষ্টা চালিয়ে তাদেরকে উদ্ধারে ব্যর্থ হলে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়া হয়। স্টেশন অফিসার মো. মুনিম সারোয়ার দমকল বাহিনী নিয়ে প্রায় ১ ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে বিকেল সাড়ে ৪টায় ল্যাট্রিন থেকে দুই ভাইয়ের মৃতদেহ উদ্ধার করেন।
বড়লেখা থানার ওসি (তদন্ত) দেবদুলাল ধর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,পুলিশ নিহতদের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করেছে।

“অপর দিকে বৌদ্ধ সন্ত্রাসীদের দেশ মিয়ানমার,চীন ও রাশিয়ার সুর একতারে”

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৯সেপ্টেম্বর,ডেস্ক নিউজঃ বাংলাদেশের জন্য বহু প্রতিক্ষিত ও গুরুত্বপূর্ণ ‘নিরাপত্তা পরিষদ’ এর বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ১টার দিকে নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে আলোচনা শুরু হয়। আলোচনায় নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য দেশগুলো রোহিঙ্গা সংকটে বাংলাদেশের ভূমিকার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করে।

বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে রাশিয়া আর চীন বাদে  সব সদস্য রাষ্ট্র সম্মত হয়েছে। জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তর্জাতিক মহলকে অবিলম্বে দৃঢ় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানালেও সুনির্দিষ্ট কোনও প্রস্তাব ছাড়াই শেষ হয়েছে ওই বৈঠক। এমনকী কোনও যৌথ বিবৃতিও দেওয়া হয়নি। তবে রাখাইন সংকটে রাজনৈতিক সংলাপ শুরুর ব্যাপারে সম্মত হয়েছে সদস্য রাষ্ট্রগুলো।

সহিংসতা নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপ, রাখাইনে ত্রাণের অবাধ প্রবেশ নিশ্চিত করার কথা বলেছে বাকি সদস্যরা।

মিয়ানমারের পক্ষে অবস্থান নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে চীন ও রাশিয়া মিয়ানমারের সঙ্গে সুর মিলিয়ে ‘জঙ্গিবাদ’কে রাখাইনের প্রধানতম সংকট হিসেবে মত   দিয়েছে।

বৈঠকের শুরুতেই আনুষ্ঠানিক বক্তব্য দেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্টোনিও গুতেরেজ। বক্তব্যে তিনি সহিংসতা নিরসন, সেনা অভিযান বন্ধ, রাখাইনে মানবিক সহায়তার অবাধ প্রবেশগম্যতা নিশ্চিতের তাগিদ দেন। পাশাপাশি আনান কমিশনের সুপারিশ মেনে নিবন্ধিত রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব নিশ্চিতের আহ্বান জানান। আর যারা অনিবন্ধিত, তাদের ক্ষেত্রে স্ট্যাটাস কী হবে তা ঠিক করারও আহ্বান জানান তিনি। পরে সদস্য দেশগুলো একে একে বক্তব্য রাখে বৈঠকে। তারাও রাখাইন রাজ্যে অবিলম্বে সহিংসতা বন্ধের সঙ্গে সঙ্গে রাখাইনে ত্রাণ সামগ্রীর অবাধ প্রবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানায়। পাশাপাশি রাখাইন থেকে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে নিজেদের বাসভূমিতে ফিরিয়ে নিতেও মিয়ানমারের প্রতি আহ্বান জানায় দেশগুলো।

বাংলাদেশ :
বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সংকট সমাধানের কিছু সুপারিশ হাজির করা হয়। সেগুলো হলো— সহিংসতা বন্ধ ও মানবিক সহায়তা, মিয়নামার ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে সম্মিলিতভাবে রাখাইন কমিশনের রিপোর্ট বাস্তবায়ন, বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো, রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশ থেকে ফিরিয়ে নেওয়ার ১৯৯২ সালের মিয়ানমার-বাংলাদেশ চুক্তি, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উপস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের জন্য মর্যাদা, স্থিতিশীলতা ও সুরক্ষা ফিরিয়ে দেওয়া।

মিয়ানমার, চীন ও রাশিয়া
তবে অতীতের ধারাবাহিকতায় রোহিঙ্গা প্রশ্নে পুরনো অবস্থান ধরে রাখে মিয়ানমার। মিয়ানমারের জাতিসংঘ প্রতিনিধি এই সংকটের সব দায় চাপায় আরসার ওপর। মানবতাবিরোধী অপরাধ কিংবা জাতিগত নিধনের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে মিয়ানমারের প্রতিনিধি জানান, তারা আনান কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে কাজ করছেন। মিয়ানমারের মিত্র রাষ্ট্র চীন ও রাশিয়াও বৈঠকে একই ভূমিকা নিয়েছে। মিয়ানমারের মতো করেই তারা রাখাইন সংকটকে বহুপক্ষীয় সংঘাত আকারে হাজির করেছে। সংকটকে তারা ভিন্ন ভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মধ্যকার সংঘাত হিসেবে চিহ্নিত করেছে। বাংলাদেশে স্রোতের মতো করে হাজির হওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর মানুষদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর ব্যাপারে তারা কোনও অবস্থান নেয়নি। বাংলাদেশ-মিয়ানমার সংলাপের মধ্য দিয়ে এই সংকট উত্তোরণের তাগিদ দিয়েছে ওই দুই বৈশ্বিক পরাশক্তি।

সেনেগাল :
আলোচনায় সেনেগালের প্রতিনিধি বলেন, ‘মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে লাখ লাখ রোহিঙ্গা মুসলিম বাংলাদেশে পালিয়ে যেতে বাধ্য হচ্ছে। তাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু। তাদের ওপর চূড়ান্ত মাত্রার সহিংসতা চালানো হয়েছে। বাংলাদেশের জনগণ ও সরকার এসব জনগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিয়ে মহানুভবতার পরিচয় দিয়েছে। আমরা এই পরিস্থিতিতে মিয়ানমারের সহিংসতার নিন্দা জানাই। পাশাপাশি এই মানবিক বিপর্যয়ের অবসানের আহ্বান জানাচ্ছে সেনেগাল।’ জাতিসংঘের মহাসচিবকে ধন্যবাদ জানিয়ে এবং রাখাইনের দুষ্টচক্রের অবসান ঘটানোর তাগিদ দিয়ে আরও বলেন, ‘চলমান এই পরিস্থিতিতে এক মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে। জাতিসংঘসহ সব ধরনের আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে এই পরিস্থিতির অবসান ঘটাতে উদ্যোগ নিতে হবে। রোহিঙ্গাদেরা মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে মিয়ানমারের প্রতিবেশী দেশগুলো, বিশেষ করে আসিয়ান ও ওআইসিকে সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। এরই মধ্যে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে মিয়ানমার সংকট নিয়ে আলোচনা হয়েছে, নিরাপত্তা পরিষদেও আলোচনা হয়েছে। ওআইসি কাজ করছে। তবে রোহিঙ্গা সংকটে আনান কমিশনের প্রতিবেদনে এই সংকটের স্থায়ী সমাধানে বেশকিছু প্রস্তাব করা হয়েছে। এসব সুপারিশ বাস্তবায়ন করতে হবে।’ রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানে অবিলম্বে রাখাইন রাজ্যে সব ধরনের সামরিক অভিযান বন্ধ, আক্রান্ত এলাকাগুলোতে ত্রাণ সহায়তা নিশ্চিত করা এবং রোহিঙ্গাদের নিরাপদে প্রত্যাবাসনের সুযোগ করে দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে মিয়ানমার সরকারকে যৌথভাবে কাজ করতে হবে। বাস্তবায়ন করতে হবে আনান কমিশনের সুপারিশ।

মিশর :
বৈঠকে মিশরের প্রতিনিধি বলেন, ‘মিয়ানমারের রোহিঙ্গারা হত্যাযজ্ঞের শিকার হচ্ছেন। এরই মধ্যে প্রায় পাঁচ লাখ রোহিঙ্গা প্রতিবেশী বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন। আমরা বিশ্বাস করি, কোনও পক্ষেই ঘৃণা, উসকানিমূলক কথাবার্তা বা সহিংসতা কাম্য নয়। নিজ দেশের মানুষকে রক্ষা করা প্রতিটি দেশের সরকারের দায়িত্ব। কোনও উগ্র গোষ্ঠীর সহিংসতার অজুহাতে বেসামরিক নাগরিকদের জীবন বিপন্ন করা গ্রহণযোগ্য নয়। আমরা মনে করি, এ সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্ব হচ্ছে মিয়ানমারকে তার বেসামরিক জনগণের সুরক্ষায় ব্যবস্থা নিতে চাপ দেওয়া। কফি আনান কমিশনের সুপারিশের আলোকে এ সমস্যার সমাধান করতে হবে। মুসলিম রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করতে হবে’। এ সংকট সমাধানে মিয়ানমারের সঙ্গে আমরা সংলাপে প্রস্তুত। বাংলাদেশ বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়েছে। আমাদের উচিত এ সময়ে দেশটিকে সব ধরনের সহযোগিতা করা।’ রোহিঙ্গাদের নিজ এলাকায় ফিরে যাওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করা ও রাখাইনে নির্যাতিতদের কাছে আন্তর্জাতিক ত্রাণ সহায়তা নিশ্চিতেরও আহ্বান জানান মিশরীয় প্রতিনিধি।

সুইডেন :
বৈঠকে সুইডেনের প্রতিনিধি বলেন, ‘মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নির্যাতন বিপর্যয়কর অবস্থায় পৌঁছে গেছে। এক মাসেরও কম সময়ে মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর দুই-তৃতীয়াংশ বাংলাদেশে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। এরই মধ্যে এটি সবচেয়ে করুণ শরণার্থী পরিস্থিতি বলে আখ্যায়িত হয়েছে। আমরা মনে করি, রোহিঙ্গাদের নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলা সমস্যার সমাধান না হওয়ায় এ অমানবিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এ লক্ষ্যে আন্তর্জতিক সম্প্রদায় মিয়ানমার সরকারকে সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত। কিন্তু সরকারকে তার রেটরিক বন্ধ করতে হবে। রোহিঙ্গারা যে অসহনীয় দুর্ভোগে পড়েছে, তাকে সঠিকভাবে চিহ্নিত করতে হবে। মিয়ানমারে সৃষ্ট এ সংকট সমাধানে নিরাপত্তা পরিষদকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। একইসঙ্গে রাখাইনে মানবিক সহযোগিতার জন্য আসিয়ান ও জাতিসংঘের সব সংস্থার প্রতি আমরা আহ্বান জানাই।’ রোহিঙ্গা ইস্যুকে জটিল ও বহুমাত্রিক অভিহিত করে তিনি বলেন, ‘এখন যে সহিংসতা হচ্ছে এটি সত্যিই গভীর উদ্বেগজনক। সেখানে রোহিঙ্গারা লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতার শিকার হচ্ছে। আমরা মনে করি, রোহিঙ্গা নির্যাতনের বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের গভীর মনোযোগ দরকার।’ কয়েক লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের উদারতা ও মানবিক সহযোগিতার প্রশংসা করেন সুইডেনের এই প্রতিনিধি। তিনি বলেন, ‘আমরা রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে সামরিক বাহিনীর অভিযান, সব রকমের সহিংসতা ও বৈষম্য বন্ধের আহ্বান জানাই। প্রতিবেশী দেশে পালিয়ে যেতে বাধ্য হওয়ার রোহিঙ্গা মুসলিমদের তাদের নিজ দেশে নিরাপদ, স্বেচ্ছায় ও সসম্মমানে ফেরা নিশ্চিত করতে হবে মিয়ানমারকে। কফি আনান কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে মিয়ানমারকে প্রতিশ্রুতি দিতে হবে, রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দিতে হবে। রাখাইনে শান্তি ফেরাতে আন্তঃসম্প্রদায়গত উত্তেজনা ও অবিশ্বাস নিরসন করতে হবে। মিয়ানমার সরকারকেই এ জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।’

ফ্রান্স :
নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে ফ্রান্সের প্রতিনিধি বলেন, ‘মিয়ানমারে এখন জাতিগত নিধন চলছে। রাখাইনে রোহিঙ্গাদের কয়েকশ গ্রাম পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। একমাসের মধ্যে ৫ লাখের বেশি মানুষ প্রতিবেশী দেশে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে আমরা দ্রুত পদক্ষেপ না নিতে পারলে সমস্যা দীর্ঘায়িত হবে। এই সংকট সমধানে শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক সমাধান বের করতে হবে। বৈষম্য না করে সবার নিরাপত্তা রক্ষা করতে হবে। মানবিক সহযোগিতা নিশ্চিত করতে হবে, জাতিসংঘের সংস্থাগুলোকে ত্রাণ কর্যাক্রম চালাতে দিতে হবে।’ রোহিঙ্গাদের মানবিক এই সংকটে পাশে দাঁড়ানোয় বাংলাদেশের প্রশংসা করেন ফ্রান্সের প্রতিনিধি। এসময় তিনি বাংলাদেশের প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা করার আহ্বান জানান। পাশাপাশি এই সংকট সমাধানে জাতিসংঘের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা জরুরি বলে মনে করেন তিনি।

কাজাখস্তান :
বৈঠকে কাজাখস্তানের প্রতিনিধি বলেন, ‘রাখাইন রাজ্যের চলমান পরিস্থিতিতে মিয়ানমার সরকারের ভূমিকা প্রতিবেশী দেশগুলোতে সন্ত্রাসবাদ উসকে দিতে পারে। তাই এই সংকট নিরসন জরুরি। আর এর জন্য অবিলম্বে রাখাইনে সামরিক বাহিনীর অভিযান বন্ধ করতে হবে। রোহিঙ্গাদের ওপর চলমান হত্যাযজ্ঞ বন্ধ করতে হবে। জাতিসংঘের ত্রাণ সংস্থাগুলো যেন নিরাপদে রাখাইনে কার্যক্রম চালিয়ে যেতে পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে।’ রাখাইন থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেওয়া পাঁচ লাখ রোহিঙ্গাদের সহায়তায় এগিয়ে আসার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

ইতালি :
ইতালির প্রতিনিধি বলেন, ‘আমাদের সামনে সুযোগ রয়েছে মিয়ানমারের এই সংকট নিরসনের। সেই সুযোগ আমরা না নিতে পারল তা হবে দুঃখজনরক। এই জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি সংকট নিরসনে সমন্বিত উদ্যোগ নিতে হবে। এই সংকটের অন্যতম মূলে রয়েছে রাখাইনের পিছিয়ে পড়া অর্থনৈতিক অবস্থা। তা উত্তরণে কাজ করতে হবে।’ চলমান সংকটে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় ও তাদের প্রতি সংহতি জানানোয় বাংলাদেশকে ধন্যবাদ জানান ইতালির প্রতিনিধি। এই সংকট নিরসনে আনান কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘মিয়ানমারকে গঠনমূলক আলোচনায় অংশ নিতে হবে। স্বেচ্ছায় রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ফেরত নিতে হবে। রোহিঙ্গাদের মাঝে তাদের আস্থা গড়ে তুলতে হবে। আন্তঃধর্ম সংলাপ আয়োজন করতে হবে। পাশাপাশি যারা যারা মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।’ এই সংকট নিরসনে ইতালি সব ধরনের সহায়তা করতে প্রস্তুত বলে জানান তিনি। আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির (আরসা) নিন্দা জানান ইতালির প্রতিনিধি। তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গা নারী-শিশুদের ওপর যে নির্যাতন চলছে, তা কোনোভাবেই সহ্য করার মতো নয়। রোহিঙ্গারা মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত, বৈষম্যের শিকার। রাখাইনে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর, বিশেষ করে ইউএনএইচসিআরের প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে হবে।’

ইউক্রেন :
রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের ওপর চলমান সহিংসতার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ইউক্রেনের প্রতিনিধি বলেন, ‘বেসামারিক জনগণের ওপর নির্যাতন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বিশেষ করে নারী-শিশুদের ওপর যেন নির্যাতন না হয়, সেটাও নিশ্চিত করতে হবে।’ মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রমাণ পাওয়া গেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ইউক্রেন চলমান মানবিক সংকটে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিচ্ছে। তাদের ধন্যবাদ জানাই। তবে দেরি হওয়ার আগেই রাখাইনে সব ধরনের সামরিক কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে। অত্যন্ত জটিল ও সংবেদনশীল এই ইস্যুর সমাধান স্বল্প সময়ে সম্ভব নয়। তবে আনান কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের মাধ্যমে এর সমাধান সম্ভব। এ জন্য এই কাউন্সিল ও আন্তর্জাতিক মহলকে এখই সক্রিয় হয়ে উঠতে হবে। তা না হলে পরিস্থিতির আরও অবনতিই ঘটবে।’ চলমান সংকটে উরুগুয়ে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে উল্লেখ করে দেশটির প্রতিনিধি আলোচনায় বলেন, ‘মিয়ানমারে মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে। এর আগেও সেখানে অনেক সহিংসতা হয়েছে। স্বচ্ছতার সঙ্গে এসব অভিযোগের তদন্ত করতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘আমরা রাখাইনে আরসা গ্রুপের সন্ত্রাসী হামলারও নিন্দা জানাই। তবে বেসামরিক জনগণকে নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব সরকারের। ফলে রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তাও মিয়ানমার সরকারকেই দিতে হবে। এ জন্য অবিলম্বে রাখাইনে সামরিক তৎপরতা বন্ধ করতে হবে এবং ত্রাণ সহায়তা উন্মুক্ত করতে হবে।’

উরুগুয়ে :
মিয়ানমারের এই সহিংস পরিস্থিতি সন্ত্রাসবাদকে উসকে দিতে পারে উল্লেখ করে উরুগুয়ের প্রতিনিধি বলেন, ‘আমরা মনে করি, সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন অন্যান্য সন্ত্রাসী দলগুলোকেও উদ্বুদ্ধ করবে। বিশেষ করে আল কায়েদা বা আইএসের মতো জঙ্গি সংগঠনগুলোকেও এই অঞ্চলে প্রবেশ করতে উৎসাহিত করবে।’ সে কারণেই অবিলম্বে এই সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি লাখ লাখ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশকেও ধন্যবাদ জানান তিনি।

ইথিওপিয়া :
মিয়ানমারে মানবিক সংকট আরও ঘনীভূত হচ্ছে বলে বৈঠকে মন্তব্য করেন ইথিওপিয়ার প্রতিনিধি। তিনি বলেন, ‘এই সংকট নিরসনে বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্যোগ প্রশংসনীয়। তবে আরও বেশি কূটনৈতিক উদ্যোগ নিতে হবে। আনান কমিশনের প্রস্তাব কার্যকরী হতে পারে। আমরা মিয়ানমার সরকারের মন্ত্রি পর্যায়ের কমিটি গঠনের উদ্যোগকে স্বাগত জানাই। বাংলাদেশ ও আসিয়ান সদস্যদের সহায়তা এই সংকট নিরসনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।’

বলিভিয়া :
বলিভিয়ার প্রতিনিধি নিরাপত্তা পরিষদের এই বৈঠকে বলেন, ‘এরই মধ্যে রাখাইনের প্রায় পাঁচ লাখ মুসলিম সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। আরও অনেকে অভ্যন্তরীণভাবে উদ্বাস্তু হয়েছে। রাখাইনে রোহিঙ্গারা যে সহিংসতার শিকার হয়েছে, তার তদন্ত হতে হবে। এসব সহিংসতায় কেবল রোহিঙ্গা নয়, সংখ্যালঘু সব সম্প্রদায়ই নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত। আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে এই সংকট নিরসন করা সম্ভব।’
রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের জন্য মিয়ানমার সরকারের প্রতি সংলাপ ও আলোচনার আলোচনার আহ্বান জানান বলিভিয়ার প্রতিনিধি। তিনি বলেন, ‘রাখাইনে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে জাতিগত পরিচয় ভুলে সব মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গাদের রাখাইনে ফিরিয়ে নিতে হবে। কফি আনান কমিশনের রোডম্যাপে শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ বাতলে দেওয়া আছে। সেই সুপারিশ বাস্তবায়ন করতে হবে।’ রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দেওয়ার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এই সংকটের অন্যতম সমাধান হলো রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব দিতে হবে। তবে সেই প্রক্রিয়ার আগে এখনই তাদের জন্য কোনও ধরনের স্বীকৃতিসহ স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও সব ধরনের নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। এটা নিশ্চিত করতে হবে যেন তারা রাষ্ট্রের সব ধরনের সুবিধা পায়।’

কূটনীতিকরা রোহিঙ্গা ইস্যুতে সংলাপের ব্যাপারে একমত হয়েছেন। সংলাপের অংশ হিসেবে আগামি সপ্তাহে রাখাইন তদন্ত কমিশনের প্রধান সাবেক মহাসচিব কফি আনানকে নিরাপত্তা পরিষদে আমন্ত্রণ জানানো হবে। পরিষদের সদস্যদের সঙ্গে তদন্তের অভিজ্ঞতা বিনিময় করবেন তিনি।আমাদের সময়

আমারসিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,২৯সেপ্টেম্বরঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের অধীনে বাংলাদেশ কস্পিউটার কাউন্সিলে সিলেট’র কার্যালয়ে। সিলেটের বিভিন্ন কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষকসহ প্রায় বিশজন ওয়েব ডিজাইনার গত বুধবার তাদের নিজস্ব ওয়েব সাইট (বিসিসি) সিলেটের বিভাগীয় প্রধান প্রোগামার মধুসূদন চন্দ ও সহকারী প্রোগামার অলিউর রহমানের কাছে প্রেজেন্টেশ করেছেন। উক্ত প্রেজেন্টেশন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিসিসির বিভাগীয় প্রধান প্রোগামার মধু সূদন চন্দ প্রধান অতিথির বক্তব্যে বলেন আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সাথে অগ্রসর হওয়ার প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে নেই বাংলাদেশও।

তথ্য প্রযুক্তির মহাসড়ক খ্যাত সাবমেরিন ক্যাবলের সাথে সংযুক্ত হওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ অন্তর্ভুক্ত হয়েছে আধুনিক বিশ্বের সকল উন্নত প্রযুুক্তির সাথে। আধুনিক তথ্য প্রযুক্তির অবিস্মরণীয় বিপ্লবের ফলে পৃথিবীর মানচিত্র এক হয়ে গেছে। ভৌগোলিক সীমারেখা যেন আজ মুহুর্তে বিলীন হয়ে যাচ্ছে দ্রুতগতির ইন্টারনেটের পদতলে। যোগাযোগের এই উন্নত প্রযুক্তির ফলে সমগ্র বিশ্বের তথ্য ভান্ডার যেন এক সূত্রে গাঁথা হয়ে গেছে। আর তাই উন্নত বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশও এগিয়ে যাচ্ছে আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর উজ্জ্বল ভবিষ্যতের দিকে।বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিসিসি
সিলেটে’র সহকারী প্রোগামার ওলীউর রহমান,বলেন তথ্য প্রযুক্তিতে সম্ভাবনার দোয়ার খুলছে বাংলাদেশে ডিজিটাল বাংলাদেশের ক্ষেত্রে আজকরে তরুন প্রযুক্তিবিদরা আগামি দিনের সারথি হয়ে কাজ করবে অন্যান্যর মাঝে বক্তব্য রাখে সিলেট ইন্জিনিয়ারিং কলেজের প্রভাষক সুয়েব আহমদ চৌধুরী ,মবরুর আহমদ সাজু ,তোফায়েল আহমদ .রোহান, হাবিবুর রহমান ,ইমা বেগম,ফাবি রহমান,ফাহাদ আহমদ, জিয়া আলম পলাশ রায় ,আনিসুর রহমান প্রমুখ।প্রেস বিজ্ঞপ্তি।