Thursday 19th of October 2017 08:46:07 PM

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১০আগস্ট,বেনাপোল প্রতিনিধি: ভারতে পাচারের সময় বেনাপোল বড়আঁচড়া এমপির মোড় থেকে ১২ পিছ স্বর্নের বারসহ আশিকুর রায়হান (১৯) নামে এক পাচারকারীকে আটক করেছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার সময় ৪৯ বিজিবি ব্যাটেলিয়ন বড় আঁচড়া এমপির মোড় থেকে তাকে আটক করেন।

আটক আশিকুর রায়হান গাতিপাড়া গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে।

৪৯ ব্যাটালিয়নের চেকপোষ্ট বিজিবি ক্যাম্পের নায়েক সুবেদার আব্দুল ওহাব জানান, গোপন খবর আসে বেনাপোল সীমান্ত পথ দিয়ে এক পাচারকারী স্বর্ন নিয়ে ভারতে যাচ্ছে । এমন সময় সেখানে অভিযান চালিয়ে আশিকুর নামে এক পাচারকারীকে আটক করা হয়।

এ সময় আশিকুরের শরিল তল্লাশি করে ১২ পিছ স্বর্ন পাওয়া যায়।আটক পাচারকারীকে পুলিশে সোপর্দ্য করা হবে বলেও তিনি জানান।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১০আগস্ট,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ নবীগঞ্জে ১৮ পিছ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আবুল হোসেন নামের এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার ভোর রাতে উপজেলার কুর্শি ইউনিয়নের তাহিরপুর গ্রাম থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। সেওই গ্রামের মৃত রুসমত উল্লার পুত্র।
পুলিশ সুত্রে জানা যায়, ধৃত আবুল হোসেন দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় যৌন উত্তেজক ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মাদকের রমরমা ব্যবসা করে আসছিল। এরই প্রেক্ষিতে গতকাল ভোরে ইনাতগঞ্জ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই ধর্মজিৎ সিনহার নেতৃত্বে একদল পুলিশ ওই গ্রামে অভিযান চালিয়ে ১৮ পিছ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তাকে হাতেনাতে গ্রেফতার করে এবং সকালে পুলিশ বাদী হয়ে সংশ্লিষ্ট মাদক নিয়ন্ত্রন আইনে মামলা দায়ের করে তাকে হবিগঞ্জ আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১০আগস্ট,আব্দুর রহমান শাহীনঃ মৌলভীবাজারের বড়লেখা (খলাগাঁও) সিএনজি স্ট্যান্ডের সদস্য ও সিএনজি চালক বেলাল আহমদের (২৪) গত রবিবার (৬ আগষ্ট) সিএনজি ছিনতাই ও নির্মমভাবে হত্যার প্রতিবাদে জুড়ী উপজেলা সিএনজি স্ট্যান্ডের উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

আজ বৃহস্পতিবার (১০ আগষ্ট) উপজেলা সিএনজি স্ট্যান্ডের সভাপতি মতিউর রহমান চুনুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাসুক আহমদের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, মৌলভীবাজার জেলা শ্রমিক ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক সেলিম।

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন, উপজেলা সিএনজি স্ট্যান্ডের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম গাজী, সাংবাদিক রাজু আহমদ, সিএনজি চালক কয়েছ আহমদ প্রমূখ।

উল্লেখ্য , মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, এভাবে যেন আর কোন বেলালকে (শ্রমিক) নির্মমভাবে প্রাণ দিতে হয়। অবিলম্বে সিএনজি চালক বেলালের সিএনজি ছিনতাই ও হত্যাকারীদের সনাক্ত করে গ্রেফতার করার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবী জানানো হয়।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১০আগস্টঃ  শ্রীমঙ্গল মুসলিমবাগ আ/এ, স্থায়ী বাসিন্দা নির্মাণ শ্রমিক মোঃ কবির মিয়ার মেয়ে, শ্রীমঙ্গল সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রী মোছাঃ আয়েশা আক্তার (১৬) বিগত দেড় বৎসর যাবত ‘হাইড্রোফালাস শান্ট’ নামক মস্তিষ্কের জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে পুরো শয্যাশায়ী। তার পঞ্চাশোর্ধ পিতা শ্রমিকের কাজ করেন এবং চিকিৎসার ১ম পর্যায়ে ২০১৬ সালে আমার সিলেটসহ বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশের পরে দ্বারে দ্বারে ঘুরে কিছু সাহায্যকারীদের উছিলায় প্রায় লক্ষাধিক টাকা সংগ্রহ করে এ পর্যন্ত চিকিৎসার খরচ নির্বাহ করেছেন।

বিগত দেড় বছর ধরে সিলেট এম এ জি ওসমানী হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা করিয়ে তিনি আজ সর্বশান্ত। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নিউরোলজী বিভাগের প্রধান জানিয়েছেন, তাকে বাঁচাতে হলে মস্তিস্কের আরো একটি জটিল অপারেশন ও দীর্ঘস্থায়ী চিকিৎসা প্রয়োজন।

এক্ষেত্রে প্রায় ৪  থেকে ৫ লক্ষ টাকা জরুরী ভিত্তিতে প্রয়োজন। বর্তমানে সহায় সম্পদহীন, নিঃস্ব পিতার পক্ষে কন্যার অত্যাবশ্যকীয় চিকিৎসা ব্যয় চালানো পুরোপুরিভাবে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। মেধাবী ষোড়সী কন্যাকে বাঁচাতে তিনি রাষ্ট্রপ্রধান জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও সমাজের বিত্তশালীসহ সর্বস্তরের জনগনের নিকট আর্থিক সাহায্যের আবেদন করছেন। সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা মোঃ কবির হোসেন, সঞ্চয়ী হিসাব নং – এফ ৫৬, ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড, শ্রীমঙ্গল শাখা, যোগাযোগ ও বিকাশ হিসাব নং – ০১৭৫৫ ১৩৫৩৭৫।

এছাড়া, অসহায় পিতা ষোড়সী ও মেধাবী কন্যাকে বাঁচাতে দেশবাসির দোয়া ও সমর্থন কামনা করছেন।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১০আগস্ট,আশরাফ আলী, মৌলভীবাজার: দফায় দফায় বন্যা, এ বছর হাকালুকি হাওর পাড়ের মানুষ বন্যায় সব কিছু হারিয়েছেন। তৃতীয় দফা বন্যায় এখন স্থায়ী জলাবদ্ধতা। এ বছরের মার্চ থেকে শুরু হওয়া বন্যা এখনো চলমান। এ বন্যা দীর্ঘস্থায়ী রূপ নেয়াতে হাওরপারের বাসিন্দাদের কষ্টের শেষ নেই। এখনো হাওরের নিচু এলাকাগুলোতে বন্যার পানির রাজত্ব। তাই কর্ম না থাকা বাসস্থান হীন অসহায় মানুষগুলোর যেমন খাদ্যঘাটতি। তেমনি নতুন উপদ্রব দূষিত বন্যার পানিতে নানা রোগবালাই।

হাওর পাড়ের নিচু এলাকার ঘরবাড়ি, রাস্তাঘাট, বাজার, স্কুল-কলেজ, মাদরাসা, মসজিদ, মন্দির সবই এখনো পানির নিচে। হাওর পাড়ের অধিকাংশ বাসিন্দার নিজের বসতভিটায় মাথাগুঁজার যেমন নেই ঠাঁই। তেমনি তাদের গৃহপালিত পশুরও। অসহায় ভাসমান মানুষগুলো কোনো রকম ঠাঁই নিয়েছেন আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে। কিন্তু সেখানেও নানা প্রতিকূলতা। পর্যাপ্ত খাবার যেমন নেই, তেমনি বিশুদ্ধ পানি ও টয়লেটেরও নেই সু-ব্যবস্থা।

গেল ক’দিন থেকে বৃষ্টি কম হওয়াতে আর উজান হতে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের স্রুোত কমে যাওয়ায় হাওরের তীরবর্তী উঁচু এলাকায় পানি কমেছে। কিন্তু হাওরপারের (নিচু এলাকার) বাসিন্দাদের দুর্ভোগ এখনো শেষ হয়নি। কারণ পানি কিছুটা কমলেও নিচু এলাকায় নৌকা ছাড়া চলাচল করা যাচ্ছে না। তাদের অধিকাংশ রাস্তাঘাট এখনো বন্যার পানিতে তলিয়ে আছে। হাওরের তীরবর্তী গ্রামগুলোতে পানি কমলেও সেখানে স্থানীয় বাসিন্দারা পড়ছেন নতুন নতুন নানা দূর্ভোগে। উজান এলাকার ঘরবাড়ি থেকে পানি কমতে শুরু করলেও বন্যার পানিতে দীর্ঘদিন নিমজ্জিত থাকায় তা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। বসতবাড়িগুলো বসবাসের উপযোগী করতে  হলে সেখানে  অনেকটা নতুন করে ঘরবাড়ি তৈরির প্রয়োজন।

এ বছর এমনিতে একের পর এক বন্যায় তাদের সবই কেড়ে নিয়েছে। পাঁচ মাস থেকে বয়ে চলা তিন দফার বন্যায় নিঃস্ব করেছে তাদের। তাই  নিজেদের খাওয়া-বাঁচা নিয়ে যেখানে তারা দু:শ্চিন্তায় সেখানে নতুন করে বসতঘর আর বাড়ির (ব্যক্তিগত) রাস্তাঘাট তৈরি করা প্রায় অসম্ভব এমনটি জানালেন হাওর এলাকায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ লোকজন।

সরজমিনে হাকালুকি হাওর তীরের কুলাউড়া, জুড়ী ও বড়লেখা উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নের গ্রাম এলাকায় গেলে বন্যার্ত অসহায় লোকজন তাদের নানা দূর্ভোগের কথা তুলে ধরেন। তারা জানালেন বন্যার পর থেকে তারা পুরোপুরি কর্মহীন। আয় রোজগার না থাকায় পরিবার পরিজন নিয়ে চরম অসহায়। একের এক প্রাকৃতিক দূর্যোগে তাদের দূর্ভোগের শেষ নেই। বন্যার পানি তাদের সব কেড়ে নিয়েছে।

এ বছর মার্চের প্রথম দিকে শুরু হওয়া বন্যায় তলিয়ে দেয় তাদের স্বপ্নের সোনালি ফসল বোরো ধান। বোরো ধান পঁচে বিষক্রিয়ায় মরে হাওরের মাছ। বিষাক্ত ওই মরা পচা মাছ খেয়ে মরে গৃহপালিত হাঁস। এরপর মরে জলজপ্রাণি ও উদ্ভিদও। তারপরও দফায় দফায় বন্যায় কেড়ে নেয় তাদের খাওয়া বাঁচার সব অবলম্বন। হাওরপারের বাসিন্দাদের ধারণা আর মুষল ধারে বৃষ্টি না হলে হয়তো আরো কিছুদিন গেলে পানি নামতে পারে। তখন দেখা দিবে নতুন নানা সমস্যা। ওই সময় বসতগৃহ নির্মাণ আর নানা রোগ বালাই মোকাবিলা করবেন কিভাবে তা নিয়ে এখন থেকেই তাদের দুশ্চিন্তার শেষ নেই।

হাওর পাড়ের বাসিন্দারা ক্ষোভে দুঃখে জানালেন শুনলাম হাওরের ক্ষতিগ্রস্থরা ত্রাণ হিসেবে কতকিছু পাবে। কই নানা জনের প্রতিশ্রুতি সেই ত্রাণ কোথায়। আমরা কি পেলাম এত বড় বিপর্যয়ে। বলতে গেলে শুধু সান্তনা ছাড়া আমাদের কপালে কিছুই জোটেনি। দু’একজন যা পেয়েছে তা দিয়ে পরিবার পরিজনের ঠিকমতো দু’বেলা দু’মুঠো ভাতেরও জোগান হয়নি। আমাদের পরিবার পরিজন নিয়ে কিভাবে মানবেতর জীবন কাটাচ্ছি তা আপনারই দেখছেন। কিন্তু আমাদের এই চরম দুর্দশার দিনে আমরা কি উল্লেখযোগ্য সাহায্য পেলাম। এজন্য আমরা বারবার বলেছি এখনো বলছি। আমরা ত্রাণ চাই না। আমরা ভিখারি হতে চাই না। আমাদের এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান চাই। কর্ম করে খেতে চাই। মাছ ধরে ও ধান ফলিয়ে নিজে খেতে চাই এবং অন্যকেও খাওয়াতে চাই।

এদিকে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) ও হাওর বাঁচাও, কৃষক বাঁচাও কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দ হাওর ও হাওরবাসীদের এমন দুর্দশা লাঘবে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আর্কষণ করে জেলা ও উপজেলায় নানা কর্মসূচি পালন করছেন। এসব কর্মসূচি থেকে তারা সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছেন অবিলম্বে দেশের সবচেয়ে বড় হাওর হাকালুকি, কাউয়াদিঘি ও হাইল হাওর এবং মনু, ফানাই, ধলাই ও জুড়ী নদীসহ অন্যান্য নদী সংস্কার, হাওর উন্নয়ন বোর্ডের অন্তভূক্ত করে দ্রুত উন্নয়ন মহাপরিকল্পনার আওতায় এনে হাওর অ লের কৃষি, মৎস্য, জলজপ্রাণি ও উদ্ভিদ রক্ষায় পদক্ষেপ নেয়ার।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১০আগস্ট,বেনাপোল প্রতিনিধিঃ বেনাপোল বন্দর থানার গাতিপাড়া সীমান্ত থেকে ২টি পিস্তল ২০ রাউন্ড ও ৪ টি ম্যাগাজিন উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি সদস্যরা। বৃহস্পতিবার (১০ আগস্ট) ভোরে দৌলতপুর ক্যাম্পের টহল দলের বিজিবি সদস্যরা অভিযান চালিয়ে উক্ত অস্ত্র গুলি ও ম্যাগাজিন উদ্ধার করে।
২১ বিজিবির পুটখালী ক্যাম্প কমান্ডার সুবেদার আবুল হোসেন জানান, গোপন সংবাদে জানতে পারি চোরাকারবারীরা ভারত থেকে অস্ত্র এনে সীমান্তের গাতিপাড়া গ্রামে মজুদ করছে।

এ সময় দৌলতপুর ক্যাম্পের বিজিবি সদস্যরা সেখানে অভিযান চালালে অস্ত্র কারবারিরা পালিয়ে যায়। ওই সময় ২টি পিস্তল ২০ রাউন্ড গুলি ও ৪টি ম্যাগাজিন পরিত্যক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।
২১ বিজিবির অধিনায়ক লে কর্নেল তারিকুল হাকিম অস্ত্র গুলি ও ম্যাগাজিন উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১০আগস্ট,রেজওয়ান করিম সাব্বির,জৈন্তাপুর প্রতিনিধি: সিলেটের জৈন্তাপুর নিখোঁজ জামাল হোসেন (২৮) এর লাশ উদ্ধারের ঘটনায় নিহতের পিতা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছে,এতে প্রেমিকাসহ ৪ জন পুলিশের খাঁচায় বন্দি। দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তির দাবীতে শ্রমিক ইউনিয়নের প্রতিবাদ সমাবেশ।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়- গত ৫আগষ্ট জৈন্তাপুর উপজেলার বিরাইমারা(গড়েরপাড়) গ্রামের আব্দুল কুদ্দুস মিয়ার ছেলে ১সন্তানের জনক জামাল হোসেন(২৮) নিখোঁজ হন। ৮আগষ্ট মঙ্গলবার ১১টায় কলসী নদীতে হাত-পায়ে পাথর বাঁধা অবস্থায় জামালের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় তাৎক্ষনীক ভাবে পুলিশ ৪জনকে আটক করে। তারা হলেন জৈন্তাপুর উপজেলার জৈন্তাপুর ইউনিয়নের কেন্দ্রি ঝিঙ্গাবাড়ী গ্রামের ময়নুল ইসলামের স্ত্রী আমেনা বেগম(২২), একই পরিবারের সিরাজ উদ্দিন মিস্ত্রির ছেলে আয়নুল ইসলাম(৩০), জয়নুল ইসলাম(২৪), একই গ্রামের কলিম উদ্দিন বট্টি মিয়ার ছেলে মনির হোসেন(২২)।
এলাকাবাসি জানান- আমেনা বেগম নিহত জামালের নিকট আত্মীয় হওয়ায় দীর্ঘ দিন হতে তাদের মধ্যে প্রেম চলে আসছে। একপর্যায় জামাল এবং আমেনার পৃথক পৃথক স্থানে বিয়ে হয়। বর্তমানে জামাল হোসেন ১বৎসরের ১কন্যা সন্তানের জনক। প্রেম মানে না কোন বাঁধা তাই আমেনার সাথে থেকেই যায় জামালের সু-সম্পর্ক। এনিয়ে প্রায়ই একে অপরের সাথে যোগাযোগ অব্যাহৃত রাখে। একপর্যায় আমেনার স্বামীর পরিবার পরকিয়া সম্পর্কের বিষয়টি জেনে যায়। তারা সম্পর্ক ছিন্ন করতে আমেনাকে নিয়ে হত্যা পরিকল্পনার নীল নকশা তৈরী করে। সে অনুযায়ী ৫ আগষ্ট শুক্রবার আমেনার মাধ্যমে জামালকে কেন্দ্রি গ্রামে নিয়ে তাকে শারিরিক ভাবে নির্যাতন চালিয়ে হত্যা করে নরপশুরা। শুধু হত্যা করে ক্লান্ত হয়নি নরপশুরা তারা নিহত জামালের অন্ডকোষ এবং একটি চোঁখ নষ্ট করে দেয়। লাশ গুম করতে হাত-পায়ে পাথর বেঁধে কলসী নদীতে ফেলে দেয় আমেনার শশুরবাড়ীর লোকজন। পুলিশ ও জামালের আত্মীয়-স্বজন অনেক খোঁজাখুজির পর জামালকে পাওয়া যায়নি।

অবশেষে তার মৃতদেহটি পরকিয়া প্রেমিকার শশুর বাড়ীর সন্নিকটে কলসী নদীতে ভেসে উঠে। ফলে সন্দেহের ধানা বাঁধে আমেনার শশুরের পরিবারের প্রতি তাৎক্ষনিক ভাবে পুলিশ প্রেমিকা আমেনা ও তার ২ দেবর ও তাদের ১সহযোগীকে আটক করে।
এদিকে নিহত জামাল হোসেন বৃহত্তর জৈন্তা পাথর শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়নের ৫নং ইউনিটের সদস্য হওয়ায় ঘটনার সুষ্ট বিচারের দাবীতে বিকাল ৪টায় জৈন্তাপুর ঐতিহ্যবাহী বটতলায় প্রতিবাদ সমাবেশ করে। প্রতিবাদ হতে দাবী জানানো হয় অভিলম্বে এঘটনায় প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করে আইনের মাধ্যমে ফাঁসির দাবী জানানো হয়।
এবিষয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ খান মোঃ ময়নুল জাকির আটকের সত্যতা স্বীকার করে বলেন- নিহতের পিতা বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করে (যাহার নং ০২, তারিখ ০৯-০৮-২০১৭)। আটককৃতদের নিকট হতে প্রাথমিক ভাবে ঘটনার অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদঘাটন করেছি। তদন্তের স্বাথে তাৎক্ষনিক ভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উদঘাটনের জন্য আদালতের মাধ্যমে আটককৃতদের রিমান্ড চাওয়া হবে। পরবর্তীতে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত রহস্য প্রকাশ কারা হবে।

এদিকে আটককৃতদের বিকাল ৩টায় আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানান।