Thursday 17th of August 2017 09:30:14 PM

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৯আগস্ট,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারে অবৈধ প্রেমের টানে বেড়ানোর নামে আসা যুবক ধরা খেয়ে অবশেষে হাসপাতালের বেডে ঝিমুচ্ছে।

কথিত প্রেমিকের নাম  আকাশ আহম্মদ (২৪), সিলেট ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার দক্ষিন শরীফগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা। অভিযোগ উঠেছে পরকীয়া প্রেমের টানে প্রেমিকার সাথে দেখা করতে এসে প্রেমিকার পরিবারের লোকের হাতে উত্তমমধ্যম খেয়ে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে তিনি।প্রেমিক আকাশ আহমেদ মিটু ফেঞ্চুগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের ৩য় বর্ষের ছাত্রও বটে।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, আকাশ আহমদ মিটুর সাথে মৌলভীবাজার উপজেলার মাতারকাপণ এলাকার  লংগুরপুল এলাকায় তানিশা ইসলাম সাথীর সাথে মোবাইলে প্রেম হয়।
প্রেমিকা সাথীর আহবানে গত সোমবার দেখা করতে এসে সাথীর বাপের বাড়ি গেলে পরিবারের লোকজন বেধে মারপিট করে । এসময় গাড়ি চালক মো: মান্না (২৮) ও হেলপার ছাবুল মিয়া (২৩) কেও মারধোর করা হয়।

স্থানীয় ইউ,পি সদস্য ফোনে মৌলভীবাজার মডেল থানাকে বিষয়টি অবগত করলে স্থানীয় পুলিশ তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।সংবাদ লেখা পর্যন্ত এ বিষয নিয়ে কথা হলে পুলিশের একটি সূত্র জানায় কেউ মামলা দায়ের করেনি।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৯আগস্ট,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ   মৌলভীবাজারে সাপের কামরে এক চা শ্রমিকের মৃত্যুর পরও উজাদ্বারা (কবিরাজ) প্রাণ ফেরানোর চেষ্টা চলছে।মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার গাজীপুর চা বাগানে চা পাতা চয়নের সময় বিষাক্ত সাপের কামরে ময়না দাশ নামে এক চা শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন গাজীপুর চা বাগানের ব্যবস্থাপক কাজল মাহমুদ।

গাজীপুর খ্রিষ্টান মিশনারী হাসপাতাল থেকে মৃত ঘোষনা করে লাশ ফেরত দেয়ার পর মৃত লাশকে বাঁচানের জন্য এখনও চলছে উজার ঝাঁরফোক জানান স্থানীয় সুত্র।

গাজীপুর চা বাগানের ব্যবস্থাপক কাজল মাহমুদ জানান, গত রবিবার বাগানের ৪ নং সেকশনে কাজ করার সময় টিলালাইন এলাকার শ্রমিক মৃত বসন্ত দাশের স্ত্রী ময়না দাশকে একটি বিষাক্ত সাপ কামর দেয়। খবর পেয়ে ময়না দাশকে প্রথমে কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে এ্যান্টিভেনাম ইনজেকশন না থাকায় তাকে সিলেটে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু রোগীর অবস্থা আশংকা জনক হওয়ায় শ্রমিকদের পরামর্শে তাকে কুলাউড়া উপজেলায় খ্রিষ্টান মিশনারী হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করেন। সেখানে করা হয় গ্রামীণ চিকিৎসা। সে চিকিৎসায় মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত তার জ্ঞান ছিল। মঙ্গলবার দুপুরের দিকে তিনি মারা যান বলে মিশনারীজ হাসপাতাল থেকে জানানো হয়। সেখান থেকে মঙ্গলবার বিকেলে তার লাশ বাগানে নিয়ে আসা হয়।

এদিকে লাশ নিয়ে আসলেও তিনি মারা যাননি দাবী করে শ্রমিকরা উজা দিয়ে চিকিৎসা শুরু করেছেন। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান (কুলাউড়া ইউনিয়ন ৫ নং ওয়ার্ড) রাম বিলাস দোষার নানকা জানান মঙ্গলবার রাত ৮টা থেকে একই উপজেলার রবির বাজার এলাকার উজা আব্দুল করিম খান ঝারফোক শুরু করেন এবং থেমে থেমে তিনি ঝাড় ফোক চালিয়ে যান। করিম খানের ঝারফোতে কাজ না হওয়ায় আজ বুধবার আরও একজন উজা আনা হয়েছে।

এব্যাপারে কুলাউড়া থানার ওসি মো: শামীম মোছা বুধবার সকালে সাড়ে ১০টায় জানান, মৃত ময়না দাশকে সৎকার করার জন্য তার পরিবারের লোকজনকে তারা রাত থেকেই বুঝাচ্ছেন। কিন্তু মৃতের স্বজনরা তা মানছেনা। তবে তিনি ঐ ঘটনায় বাগান ম্যানেজারকে দোষারোপ করে বলেন “তাকে বাগান ম্যানেজার সিলেট বা মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা হাসপাতালে পাঠালে হয়তো ময়না দাশকে বাঁচানো যেতো।”

এ ব্যাপারে কুলাউড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিকল্পনা কর্মকর্তা জানান, “আমরা তাকে সদরে রেফার করেছি। সেখানে নিয়ে গেলে তাকে  চিকিৎসা দেয়া সম্ভব ছিলো।”

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৯আগস্টঃ জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে স্থায়ী জামিন দিয়েছে দেশের হাইকোর্ট।

রুল নিস্পত্তি করে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের ডিভিশন বেঞ্চ আজ বুধবার এ রায় দেয়।
২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা দায়ের করে দুদক। এতিমদের সহায়তা করার উদ্দেশ্যে একটি বিদেশি ব্যাংক থেকে আসা ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ এনে এ মামলা দায়ের করা হয়।
২০১৪ সালের ১৯ মার্চ ঢাকা তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের আগের বিচারক বাসুদেব রায় এ মামলায় খালেদা জিয়াসহ অপর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করেন।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৯আগস্টঃ  শ্রীমঙ্গল সরকারী কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি বর্তমানে আমেরিকা প্রবাসী  মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার কালাপুর ইউনিয়নের সিরাজনগর গ্রামের মরহুম শাহ্ অ‌লি মিয়ার স্ত্রী,শাহ কামরুল ইসলাম ও খলিলুর রহমান খলিলের মাতা বুধবার সকাল পৌনে ৮ টায় ঢাকাস্থ একটি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

মৃত্যু কালে তিনি পাঁচ ছেলে,তিন মেয়ে,নাতি নাতনীসহ অসংখ্য আত্মীয় স্বজন রেখে গেছেন।মরহুমার জানাজার নামাজ আজ রাত ৯ ঘটিকার সময় সিরাজনগর ফকির বাড়ীতে অনুষ্টিত হবে।

মরহুমার মৃত্যুতে শ্রীমঙ্গল উপজেলা,পৌর ও কলেজ ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে হাফিজুর রহমান তুহিন চৌধুরী গভীর শোকা প্রকাশ করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।সেই সাথে মহান আল্লাহ পাক এর দরবারে তার আত্মার শান্তি কামনা করেছেন।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৯আগস্ট,জহিরুল ইসলাম,নিজস্ব প্রতিনিধি: বাংলাদেশের নাগরিক হয়েও তারা আদিবাসী। কিন্তু নেই নিজস্ব ভিটেমাটি কিংবা ফসলি জমি। অন্যের লিজ নেয়া পাহাড়ী জমিতে বসবাস করে জীবিকা নির্বাহ করতে হচ্ছে বছরের পর বছর ধরে।ভূমিহীন হিসাবে পরগাছার মতো বসবাস করায় তাদের দিন কাটে উচ্ছেদ আতংকে।অথচ তাদের নিজস্ব ঐতিহ্য,কৃষ্টি ও সংস্কৃতির পাশাপাশি তাদের উৎপাদিত পণ্য আজ দেশের বাজার ছাড়িয়ে রপ্তানী হচ্ছে ইউরোপসহ মধ্যপ্রাচ্যে।
সিলেটের ঐতিহ্যের একটি অংশ ঘরে মেহমান এসে বিদায়ের আগে পান দিয়ে আপ্যায়ন। আর সেই পানের স্বাদ নিতে হলে খাসিয়া পানের বিকল্প নেই।অথচ যাদের ঘামে পরিশ্রমে এত আপ্যায়ন সেই খাসিয়া সম্প্রদায়ের জীবন জীবিকার করুন ইতিহাস অনেকেরই অজানা। তাদের নেই নিজস্বকোন ভূমি।
বাংলাদেশ ত্রিপুরা কল্যান সংসদ এর আ লিক কমিটির স¤পাদক শ্যামল দেববর্মা বলে, দেশে আদিবাসি দিবসে সরকারী কোন অনুষ্টান করা হয় না। আমরা আদিবাসিরা এই দেশে শত শত বছর ধরে বসবাস করে আসছি। আমাদের এখনও শিকৃতি দেওয়া হয়নি।আমাদের ভুমি অধিকার দেওয়া হয় নি ।আমাদের দিন কাটে উচ্ছেদ আতংকে।
সমতলে আদিবাসীদের ভুমি কমিশন ব্যবস্থা চালু করে তাদের সকল সমস্যার সমাধান ও নিরাপত্তা দিলে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে তারা আরও জোরালো ভূমিকা রাখতে পারবে- বিশ্ব আদিবাসী দিবসে এমনটাই প্রত্যাশা ক্ষুদ্র জাতি সত্তার জনগোষ্ঠী খাসিয়া সম্প্রদায়ের।বাংলাদেশের নাগরিক হয়েও তারা আদিবাসী। কিন্তু নেই নিজস্ব ভিটেমাটি কিংবা ফসলি জমি। অন্যের লিজ নেয়া পাহাড়ী জমিতে বসবাস করে জীবিকা নির্বাহ করতে হচ্ছে বছরের পর বছর ধরে। ভূমিহীন হিসাবে পরগাছার মতো বসবাস করায় তাদের দিন কাটে উচ্ছেদ আতংকে। অথচ তাদের নিজস্ব ঐতিহ্য, কৃষ্টি ও সংস্কৃতির পাশাপাশি তাদের উৎপাদিত পণ্য আজ দেশের বাজার ছাড়িয়ে রপ্তানী হচ্ছে ইউরোপ মধ্যপ্রাচ্যে।
সিলেটের ঐতিহ্যের একটি অংশ ঘরে মেহমান এসে বিদায়ের আগে পান দিয়ে আপ্যায়ন। আর সেই পানের স্বাদ নিতে হলে খাসিয়া পানের বিকল্প নেই। অথচ যাদের ঘামে পরিশ্রমে এত আপ্যায়ন সেই খাসিয়া সম্প্রদায়ের জীবন জীবিকার করুন ইতিহাস অনেকেরই অজানা। তাদের নেই নিজস্ব কোন ভূমি। অন্যের লিজকৃত ভূমিতে সুস্বাদু সেই পান চাষ করে পরিবার পরিজন নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতে হয়।
পাহাড়ের উপরে বসবাসকারী অধিকাংশ খাসিয়া পুঞ্জির নেই নিজস্ব কোন রাস্তা। অন্যের লিজকৃত চা বাগানের জমি ও লেবু আনারসের বাগানের মধ্যদিয়ে প্রতিদিন যাতায়াত করতে হয়।
এনিয়ে বিভিন্ন সময়ে ছোট খাট সংঘাত সংঘর্ষ থেকে শুরু করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনার আতংকে কাটে। এছাড়াও বিশুদ্ধ পানির অভাব, সেনিটেশন সমস্যা,শিক্ষা,চিকিৎসা ও যাতায়ত ব্যবস্থা সবকিছুতেই অনেক পিছিয়ে রয়েছে এ জনগোষ্ঠী। পানপুঞ্জিতে বসবাসরত খাসিয়া সম্প্রদায়ের লোকজন দীর্ঘদিন ধরে ভূমি সমস্যায় ভুগছেন। বংশ পর¤পরায় যুগযুগ ধরে এসব জমিতে বসবাস ও পান চাষ করলেও ভূমির উপর তাদের অধিকার এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি। যে কারণে তাদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য সহ জীবন মানের উন্নয়ন ঘটছে না ।

বৃহত্তর সিলেট আদিবাসী ফোরাম এর সভাপতি পিটিশন প্রধান সুচিয়াং জানান, আদিবাসিদের শিক্ষা ও চিকিৎসার সুযোগ কম।শ্রীমঙ্গলে ১১ টি বড় পুঞ্জি রয়েছে এই পুঞ্জি গুলোতে সরকারি কোন স্কুল নেই নেই চিকিৎসার সু ব্যবস্থা অনেক দুরে গিয়ে পড়াশুনা ও চিকিৎসা গ্রহন করতে হয়।
এদিকে শত কষ্ট ও দুঃখ দুদর্শার মাঝেও এসব আদিবাসী খাসিয়ারা তাদের উৎপাদিত পন্যের সুনাম দেশ ছাড়িয়ে বিদেশের বাজারে ছড়িয়ে দিতে দিনরাত নিরলস ভাবে পরিশ্রম দিয়ে যাচ্ছেন।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৯আগস্ট,চান মিয়া,ছাতক (সুনামগঞ্জ): ছাতকে সুরমা নদীর উপর ব্রিজের পূনঃ নির্মাণ কাজ একনেকে অনুমোদনের ১০মাসেও শুরু হয়নি। ২০১৬সালের অক্টোবরে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ১শ’ ১৩কোটি টাকার প্রকল্প অনুমোদন করা হয়। তবে কবে কাজ শুরু হচ্ছে এ ব্যাপারে কেউ নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছে না। দু’পারের এপ্রোচ এলাকায় ভূমি অধিগ্রহন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বিপত্তির ফলে কাজ শুরুর ক্ষেত্রে বিলম্ব হচ্ছে বলে জানা গেছে।

২০০৪সালে চারদলীয় ঐক্যজোট সরকার প্যাকেজ সিস্টেমে সুনামগঞ্জ ও ছাতকে সুরমা নর উপর পৃথক দু’টি ব্রিজ নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করে। এরআগে সয়েল টেস্টসহ আনুষাঙ্গিক কার্যক্রম শেষে প্রকল্প গ্রহনের পর ব্রিজের মূল ভিত্তিসহ প্রায় ৪০% কাজ সম্পন্ন করা হয়। পৌরসভার শ্যামপাড়া ও নোয়ারাই ইউপির বারকাপন এলাকায় সুরমা নদীর উপর নির্মিতব্য সেতু ছাতক-সিলেট সড়কের লালপুল সতের শিখার কিছু উত্তরে সংযোগ দেয়া হবে। তৎকালিন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ২০০৪সালের ২৩আগস্ট সেতুর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। এরপর সরকারের একটি বিশেষ প্রকল্পের আওতায় ২০০৬ সালে জানুয়ারি মাসে ১৮কোটি টাকা ব্যয়ে শুরু হয় সেতুর নির্মান কাজ। প্রকল্প শেষ করার মেয়াদ ছিল ৩বছর। কাজ শুরুর এক বছরের মধ্যে ৮কোটি টাকা ব্যয়ে নদীর দু’তীরে সেতুটির চারটি পিলার (স্তম্ভ)সহ ভিত্তি নির্মাণ করা হয়।

২০০৭সালে তত্বাবধায়ক সরকারের আমলে নির্মাণ কাজ বন্ধ হয়ে যায়। এরপর প্রকল্পটি সরকারের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (এডিপি) থেকে বাদ দেয়ায় অনেকটাই সেতুর ভবিষ্যত অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। এরপর ২০১০সালে এ সেতুটির অসমাপ্ত কাজ শেষ করতে ৫১কোটি টাকার একটি সংশোধিত প্রকল্প যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়। এ আবেদনের পর আবারো নতুন করে ১শ’ ১২কোটি ৯৯লাখ ৪৯টাকার প্রকল্প অনুমোদনের জন্য সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রধান কার্যালয়ে পাঠানো হয়। ২০১৬সলর অক্টোবর মাসে পরিকল্পিত এপ্রোচ ও নেভিগেশন ব্যবস্থার মাধ্যমে সেতু নির্মানে ১শ’ ১৩কোটি টাকার প্রকল্প একনেক সভায় অনুমোদন দেয়া হয়। এরপরও এপ্রোচের ভূমি অধিগ্রহনের জন্যে ঝুলে রয়েছে প্রকল্পটি।

জানা গেছে, সেতু নির্মানে ভূমি অধিগ্রহন বিষয়ে গত জুন মাস পূর্বে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কাছে একটি আবেদন পাঠানো হয়। সুরমা নদীর দু’তীরে প্রায় ২০একর ভূমি অধিগ্রহনের প্রস্তাব এখন প্রক্রিয়াধিন রয়েছে। অধিগ্রহন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেই এপ্রোচ সড়কের কাজ শুরু করা হবে বলে জানা গেছে। ভূমি অধিগ্রহনের লক্ষ্যে ইতোমধ্যেই সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) সেতু এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এব্যাপারে তিনি একটি প্রতিবেদন দাখিল করবেন বলে না গেছে। এরমধ্যে সেতুর প্রায় ৪০% কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে দাবি করছেন সড়ক ও জনপথ বিভাগ।

সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী সজিব আহমদ জানান, মূল সেতুর দরপত্র মুল্যায়ন এখন শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এটি অনুমোদনের জন্যে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। পূর্বের ৪টি পিলারের সাথে নতুন ৩টি পিলার সংযোজন করেই সেতুর কাজ সম্পন্ন করা হবে। এদিকে সুরমা সেতু নির্মিত হলে এখানের ব্যবসা বাণিজ্যের আরো প্রসার ঘটবে বলে জানা গেছে।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৯আগস্ট,চান মিয়া,ছাতক (সুনামগঞ্জ): ছাতকে সুরমা নদীর ভয়াবহ ভাঙ্গনে ক্রমেই বিলীন হচ্ছে হাট-বাজার, স্কুল, মসজিদ, মাদরাসা ও বসতবাড়ি। কালারুকা ইউপির নূরুল্লাপুর, রামপুরও উজিপুর এলাকায় সুরমার এ ভাঙ্গন অব্যাহত রয়েছে। শীঘ্রই ভাঙ্গন রোধের কার্যকর উদ্যোগ না- নিলে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে ১৯৪৮সালে প্রতিষ্ঠিত নূরুল্লাপুর ইসলামীয়া দাখিল মাদরাসাও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টান, হাট-বাজার, বসতবাড়িসহ গোটা এলাকা। বাজারের দোকান, একাধিক বসতভিটা ভাঙ্গনে বিলীন হওয়ার আশংকা রয়েছে।

এব্যাপারে এলাকাবাসী কয়েক দফায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপরে কাছে একাধিক আবেদন করেছেন। কিন্তু ভাঙ্গন রোধে কোন পদপে না নেয়ায় ৭০বছরের প্রাচীন মাদরাসাটি এখন নদী গর্ভে বিলীন হবার পথে। শিক্ষক-শিক্ষিকার এপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী রয়েছেন ৪শ’ ১৫জন। এরমধ্যে ছিু অংশ তলিয়ে যাওয়ায় মাদরাসার একটি ভবনে পাঠদান বন্ধ রাখা হয়েছে।

এব্যাপারে মাদরাসার সূপার মাওলানা জাহাঙ্গির আলম, সমাজসেবী ফরিদ আহমদ, ফারুক আহমদ চৌধুরী, হাজি আসিকুর রহমান, সাবেক ইউপি সদস্য এনামুল হক, হাজি নজির উদ্দিন, আজির উদ্দিন, সাজ্জাদ আহমদ, সফিকুল ইসলাম, আব্দুর রহিমসহ এলাকাবাসী মাদরাসা রক্ষায় ভাঙ্গন রোধে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছেন। পরিচালনা কমিটির সভাপতি শাহজাহান আব্দুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ইতোমধ্যেই মাদরাসা এলাকার প্রায় ৫০ফুট জমি নদীতে চলে গেছে।

এছাড়া মার্চ, এপ্রিলও মে’ মাসে ভাঙ্গন এলাকায় দুবাই প্রবাসি শরিফ উদ্দিনও সৌদি আরব প্রবাসি তাজির উদ্দিনের সহযোগিতায় ৮হাজার বালু ভর্তি বস্তা, নূরুল্লাপুরও উজিরপুর গ্রাম থেকে বিপুল পরিমান বাঁশ এবং মাদরাসা কমিটি বাশেঁর বেড়া দেয়ার ব্যয় বহন করে। এরপাশে নূরুল্লাপুর বাজারে পাকা বিল্ডিং, উজিরপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মসজিদ, কবরস্থান, পাকা ও কাঁচা সড়কসহ নূরুল্লাপুর ও উজিরপুরের কয়েক শ’ বাড়ি-ঘর নদী গর্ভে তলিয়ে যায়। এব্যাপারে

ছাতক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অলিউর রহমান চৌধুরী বকুল বলেন, একাধিকবার এলাকা পরিদর্শন করে সরকারের পানি সম্পদ মন্ত্রীর সাথে সুরমা নদীর ভাঙ্গন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহনের সহযোগিতা দাবি করা হয়েছে। সুনামগঞ্জ জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আবু বকর সিদ্দিক ভূইয়া বলেন, ভাঙ্গন প্রতিরোধে সরেজমিন এলাকা পরিদশন করা হযেছে। জরিপ কাজের পর একটি কারিগরি কমিটি করা হয়েছে। ডিজাইনের কাজ শেষে প্রকল্পটি অনুমোদন হলেই মূল কাজ শুরু হবে বলে তিনি জানান।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৯আগস্ট,শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় শ্রীমঙ্গল থানা অফিসার ইনচার্জ  কে এম নজরুলের নেতৃত্বে এস আই হাফিজুর রহমান, এস আই আবুল বাশার, এএসআই জীতেন কর্মকার একদল ফোর্সসহ মাদক উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে।

এ সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতেশ্রীমঙ্গল ভানুগাছ রোডের বিটিআরআই রাস্তার সম্মুখ হইতে ২০ পিস ইয়াবাসহ হবিগঞ্জ জেলার আনোয়ারপুর গ্রামের মৃত শাহাদাত আলীর পুত্র হাবিবুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়।
অপরদিকে উপজেলার ভূনবীর ইউপির আলীশারকুল কালী মন্দিরের সামনে হইতে ২৫০ গ্রাম গাঁজা সহ একই এলাকার মজিদ মিয়ার পুত্র গাঁজা বিক্রেতা নওশাদ মিয়াকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছেন শ্রীমঙ্গল থানার অফিসার ইনচার্জ কে এম নজরুল জাহান কাজল।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৯আগস্ট,ইসমাইল মাহমুদঃ  আমার মরহুম পিতার জীবনে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনা পাঠকদের সাথে শেয়ার করার মধ্য দিয়ে এ নিবন্ধ শুরু করছি-আমার দাদু ছিলেন গ্রামের প্রধান মুরব্বী ও জনে-বলে প্রভাবশালী। আমার পিতা আমার দাদীমার গর্ভে জন্ম নেয়া একমাত্র পুত্র সন্তান। তাই পরিবারে আদরের কমতি ছিল না। সবার চোখের মনি ছিলেন আমার পিতা। আমার দাদীমা আমার ছোটবেলা আমার সাথে গল্পচ্ছলে একদিন বললেন ‘তোমার বাবা আমার এতোই আদরের ছিলো যে ‘মাথায় তুলে রাখতাম না উকুনে খাবে, মাটিতে রাখতাম না পিপড়ায় খাবে। তাই তাকে বুকে আগলে রাখতাম’। তাই ছোটবেলা থেকেই আমার পিতা ছিলেন একরোখা ও জেদি স্বভাবের। দুষ্টামীতে তাঁর ছিল জুড়ি মেলা ভার।

আমার পিতার বয়স যখন সাড়ে পাঁচ বছর তখন আমার দাদু তাঁকে পাশের গ্রামের প্রাইমারী স্কুলে ভর্তি করে দেন। আমার দাদুও ছিলেন তার পিতা-মাতার ঘরে একমাত্র সন্তান। তিনি খুব একটা লেখাপড়া করেননি। ফলে অনেক আশা করে আমার পিতাকে স্কুলে পাঠান। দুষ্টামীতে বাধনহারা আমার পিতা ধীরে ধীরে দুটি বছর কাটিয়ে দেন। তখন তিনি তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র। একদিন স্কুল চলাকালীন সময়ে তিনি সহপাঠীর সাথে শ্রেণিকক্ষে দুষ্টামী করছিলেন।

এ সময় ওই সময়ের পুরো মহকুমায় জাদরেল শিক্ষক হিসেবে খ্যাতি পাওয়া শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে আসেন। ওই শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে আসলে নাকি পিনপতন নিরব থাকতো শ্রেণিকক্ষ। কেউ কারো সাথে কথা বলা তো দুরের কথা নিশ্বাস ফেলাও অনেকটা বন্ধ হয়ে যেতো, যদি নিশ্বাসের শব্দ হয়।

এদিকে ওই জাদরেল শিক্ষক ছিলেন আমার দাদুর সাথে গ্রামের মুরব্বীয়ানা নিয়ে যাদের শত্রুতা সেই পরিবারের। তো সেদিনের দুষ্টামীতে ওই শিক্ষক এমন ক্ষেপে গেলেন যে আমার পিতাকে তাঁরই স্লেট দিয়ে মাথায় আঘাত করে বসেন। আমার পিতার মাথা ফেটে রক্ত ঝড়তে লাগলো। খবর পেয়ে আমার দাদু ছুটে আসেন স্কুলে এবং ঘোড়ায় করে নিয়ে যান শহরের হাসপাতালে।

এ ঘটনার পর ৭ গ্রামবাসীকে নিয়ে বসে শালিস বৈঠক। আমার দাদু বৈঠকের পর জেদ ধরলেন যে স্কুলে তাঁর একমাত্র ছেলের রক্ত ঝড়েছে সেখানে আর ছেলেকে পাঠাবেন না। প্রয়োজনে ছেলেকে লেখাপড়াই শেখাবেন না। যেমন কথা তেমন কাজ। আমার পিতার আর স্কুলে যাওয়া হয়নি। একটু বোঝার বয়স যখন আমার পিতার হয়েছিল তখন তিনি আফসোস করতেন যদি ওই শিক্ষক এভাবে তাঁকে আঘাত করে রক্ত না ঝড়িয়ে দুষ্টামী না করার জন্য মানবিকভাবে বুঝাতেন বা আদর-স্নেহে পড়ানোর চেষ্টা করতেন তবে তাঁর শিক্ষা জীবন অঙ্কুরেই বিনষ্ট হতো না।
এরপর যখন আমার জন্ম হলো, আস্তে আস্তে বড় হতে লাগলাম তখন থেকেই আমার পিতা তাঁর জীবনে ঘটে যাওয়া ঘটনা আমাকে বর্ণনা করে আমাকে নৈতিক শিক্ষা দিতে লাগলেন। কি করলে সমাজের চোখে আমি আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠতে পারি সে শিক্ষার প্রথম পাঠের শিক্ষক আমার স্বল্প শিক্ষিত পিতা। আমাকে যখন স্কুলে ভর্তি করতে নিয়ে গিয়েছিলেন তখন আমার পিতাও শহরের প্রভাবশালী ব্যক্তি হয়ে ওঠেন। তবে দাদুর মতো জনে-বলে নয় সম্মানের আসনে তাঁর খ্যাতি তখন আকাশচুম্বি (পরবর্তীতে তিনি শ্রীমঙ্গল পৌরসভার কমিশনার, প্যানেল চেয়ারম্যান, প্রাইমারী স্কুল কমিটির সভাপতি, হাইস্কুল কমিটির শিক্ষানুরাগী সদস্য, রেলওয়ে ও জালালিয়া মসজিদ কমিটির সভাপতিসহ নানা সামাজিক সংগঠনের সাথে জড়িত ছিলেন)।

আমাকে স্কুলে নিয়ে প্রথম দিনেই আমার পিতা প্রধান শিক্ষককে বলে আসেন ‘ছেলেকে স্কুলে দিয়ে গেলাম, নৈতিকতার বিপর্যয় ঘটলে, দুষ্টামী করলে পিটিয়ে মাংশ তুলে ফেললেও আমার দুঃখ নেই’। দ্বিতীয় দিনের শ্রেণিকক্ষেই প্রধান শিক্ষক মহোদয় আমাকে বললেন, ‘তোমার বাবা যেভাবে সমাজের আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠেছেন তেমনি তোমাকেও তাঁর নাম, খ্যাতি, যশ রক্ষায় এগিয়ে যেতে হবে।’ আমার সেই প্রধান শিক্ষকের কথা এখনো আমি মনে প্রাণে ধারণ করে আছি।
এবার আসি মূল বক্তব্যে। প্রাইমারী স্কুলে শিক্ষকের বেত্রাঘাতে অনেকের শিক্ষা জীবন অঙ্কুরেই বিনষ্ট হয়েছে-এমন উদাহরণ আছে ভুড়ি ভুড়ি। বিদ্যালয়গুলোতে ঝড়ে পড়ার হার ক্রমশ বাড়ছিল। একটা সময় এমন অবস্থা তৈরি হয় যে, পিতা-মাতা সন্তানকে স্কুলে পাঠালে সে সন্তান স্কুলে না গিয়ে বাইরে বাইরে ঘুরে বিকেলে বাড়ি ফিরে যেতো। শুধুমাত্র শিক্ষকের বেত্রাঘাত ও মানসিক শাস্তির ভয়ে বিদ্যালয়গুলোতে ঝড়ে পড়ার হার আশঙ্কাজনক হারে বাড়তে লাগলো। ২০১০ সাল পর্যন্ত শিক্ষকের বেত্রাঘাত না খেয়ে শিক্ষা জীবনের সব শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হয়েছে এমন শিক্ষার্থী আতশকাঁচ লাগিয়েও খুঁজে পাওয়া যাবে না।
২০১১ সালের ১৩ জানুয়ারি হাইকোর্ট প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক শাস্তি দেয়ার নামে নির্যাতনকে সংবিধান পরিপন্থি ঘোষণা করে। পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন বন্ধে নীতিমালা চূড়ান্ত করে তার আলোকে ব্যবস্থা নিতে সরকারকে নির্দেশ দেয়া হয়।

এ নির্দেশনার আলোকে ২০১১ সালের ২৬ এপ্রিল সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের ১১ ধরনের শারীরিক ও মানসিক শাস্তি নিষিদ্ধ করে সরকার। নিষিদ্ধ শারীরিক শাস্তিগুলো হলো-শিক্ষার্থীদের হাত-পা বা কোনো কিছু দিয়ে আঘাত বা বেত্রাঘাত, চক বা ডাস্টার-জাতীয় বস্তু ছুড়ে মারা, আছাড় দেওয়া ও চিমটি কাটা, শরীরের কোনো স্থানে কামড় দেয়া, চুল টানা বা কেটে দেয়া, হাতের আঙুলের ফাঁকে পেন্সিল চাপা ও মোচড় দেয়া, ঘাড় ধাক্কা দেয়া, কান টানা বা ওঠ-বস করানো, চেয়ার, টেবিল বা কোনো কিছুর নিচে মাথা দিয়ে দাঁড় করানো বা হাঁটু গেড়ে দাঁড় করিয়ে রাখা, রোদে দাঁড় করে বা শুইয়ে রাখা কিংবা সূর্যের দিকে মুখ করে দাঁড় করানো এবং শ্রম আইনে নিষিদ্ধ কোনো কাজ শিক্ষার্থীদের দিয়ে করানো।
শ্রেণীকক্ষে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে মা-বাবা, বংশ পরিচয়, গোত্র-বর্ণ ও ধর্ম স¤পর্কে অশালীন মন্তব্য, অশোভন অঙ্গভঙ্গি করা বা শিক্ষার্থীদের মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হতে পারে এমন বিষয়গুলোও মানসিক শাস্তি হিসেবে চিহ্নিত হবে বলে সেখানে জানানো হয়। কোনো শিক্ষকের বিরুদ্ধে এ ধরণের শাস্তি দেয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হলে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া যাবে। প্রয়োজনে ফৌজদারি আইনেও সেই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া যাবে।
এদিকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র-ছাত্রীদের শারীরিক ও মানসিক শাস্তি বন্ধের বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে চারটি স্লোগান ঠিক করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এসব স্লোগান যুক্ত হবে সরকারি চিঠিতে।
জানা গেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ দপ্তর ও সংস্থা থেকে মাঠপর্যায়ে পাঠানো সব চিঠিতে পর্যায়ক্রমে এসব স্লোগান সন্নিবেশিত করার নির্দেশ দিয়ে ইতোমধ্যে আদেশ জারি করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। স্লোগানগুলো হল-
০১. ‘শাস্তিমুক্ত বিদ্যালয়, শিক্ষালাভে সহায় হয়’
০২. ‘শিশুর জন্য বেত ছড়ি, সৃজনশীল বাংলা গড়ি’
০৩. ‘আদর আর ভালোবাসা, দিতে পারে সুশিক্ষা’
০৪. ‘শিখবে শিশু হেসে খেলে, শাস্তিমুক্ত পরিবেশে পেলে’
লেখকঃইসমাইল মাহমুদ : সভাপতি, ম্যানেজিং কমিটি, শ্রীমঙ্গল পৌরসভা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, জালালিয়া সড়ক, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।

 

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৯আগস্ট,নাহিদ হাসানঃ  সর্বদলীয় ছাত্রঐক্যের সাবেক শীর্ষনেতা ও জাতীয় যুব সংহতির কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহসভাপতি ও অনলাইন গনমাধ্যম বিডিভিউ২৪ ডট কমের চীফ রিপোর্টার মোতাহের হোসেন চৌধুরী রাশেদের দুটি কিডনিই অকেজো হয়ে গেছে।

ফেনী জেলার কৃতি সন্তান মোতাহের হোসেন চৌধুরী রাশেদ,একজন পরিচ্ছন্ন রাজনীতিক।ত্রিপুরার প্রথম মুসলিম স্বাধীন নবাব শমসের গাজীর সপ্তম বংশধর তিনি।

গত তিনমাস ধরে বিভিন্ন মেডিকেলে তার চিকিৎসা চলছেতিনি অধ্যাপক পরেশ কুমার পাহাড়ির তত্ত্বাবধানে ভারতের কলকাতার মেডিকো হসপিটালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।সেখানেই তার নেফ্রোডাইটিস রোগ ধরা পরে।

এছাড়াও তিনি ডাঃ নাইমা রহমানের পরমর্শে লিভার বিশেষজ্ঞ হাসান মাহমুদের তত্ত্বাবধানে ল্যাবএইড,ডাঃ কবির হোসেনের তত্ত্বাবধানে আল বারাকা মেডিকেল,ডাঃ আব্দুল হামিদের তত্ত্বাবধানে শমরিতা মেডিকেল কলেজ হসপিটালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

বর্তমানে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের নেফ্রোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোঃ শহিদুল ইসলাম সেলিমের তত্ত্বাবধানে ধানমণ্ডি জেনারেল এন্ড কিডনি হসপিটালের ২০১ নং কেবিনে চিকিৎসাধীন।

সর্বশেষ চিকিৎসা ব্যবস্থাপনা অনুযারী তার কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট(প্রতিস্থাপন) প্রয়োজন।তার রক্তের গ্রুপ বি(পজিটিভ)।

এমতাবস্থায় তার পরিবারের সদস্যরা,রোগীর সকল আত্মীয়-স্বজন,বন্ধু-বান্ধব ও শুভাকাঙ্ক্ষীসহ,মানবতাপ্রেমী সকলের প্রতি কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট(প্রতিস্থাপন) সম্পর্কিত  সঠিক তথ্য প্রদান ও দোয়া করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করেছেন।

আপনার সামান্য ভালোবাসা,সহানুভূতি ও সহযোগিতায় পারে একজন সৎ ও দেশপ্রেমিক সাবেক ছাত্রনেতাকে বাঁচাতে।

প্রয়োজনে যোগাযোগঃ মোবাইলঃ০১৬৮৬-২৬৬৬৮৩/০১৮১৬৫২১৪৮২,ইমেইলঃ mhcrashed63@gmail.com