Tuesday 12th of December 2017 12:20:57 PM

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৮আগস্ট,নবীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ নবীগঞ্জ থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিভিন্ন মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামীসহ পলাতক ১৩ জনকে গ্রেফতার করেছে।

মঙ্গলবার ভোর রাতে থানার অফিসার ইনচার্জ এস এম আতাউর রহমানের তত্বাবধানে  এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

থানার এস আই মোবারক হোসেন, এস আই মাজহারুল ইসলাম, এস আই সুজিত চক্রবর্তী, এস আই খয়ের এর নেতৃত্বে একদল পুলিশ পৃথক অভিযান চালিয়ে  সাজাপ্রাপ্ত আসামী আব্দুল মালেক, মতিউর রহমান, মানিক মিয়া, আঃ রব, আব্দুস সাহেদসহ বিভিন্ন মামলার পলাতক মোট ১৩ আসামীকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।

আমদানী-রফতানী বানিজ্য ঘাটতির আশঙ্কা

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৮আগস্ট,এম ওসমান,বেনাপোলঃ  আমদানি-রফতানি বাণিজ্য গতিশীল করতে ও বন্দরের পণ্যজট কমাতে সরকারের সিদ্ধান্তে ২৪ ঘন্টা কাস্টমস ও বন্দর খোলা রেখে কাজ করার নির্দেশ দিলেও বেনাপোল স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ওভারটাইম, হলিডে ও নাইট চার্জ আদায়ের অভিযোগ করেছেন ব্যবসায়ীরা। এতে ব্যবসায়ীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা বলছেন সরকার যেখানে ২৪ ঘন্টা বন্দর খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছে সেখানে এসব চার্জ প্রযোজ্য হবে কেন।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, এসব চার্জ আদায় করা হলে তারা ২৪ ঘন্টা কাজ করতে নিরুৎসাহিত হবেন। এতে সরকারের লক্ষ্য অর্জিত হবে না।

এদিকে বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, বন্দরে বিভিন্ন ধরনের চার্জ সরকার নির্ধারিত ট্যারিফ অনুযায়ী নেওয়া হয়। তারা তা পরিবর্তন করতে পারেন না। সরকার ছুটির দিনে বন্দর খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু ওভারটাইম, হলিডে, নাইটচার্জ নিয়ে কোনো নির্দেশনা দেননি।

বাংলাদেশ ও ভারতের স্থল বাণিজ্যের প্রায় ৯০ শতাংশ বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে হয়ে থাকে। এই বন্দর দিয়ে বছরে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকার পণ্য আমদানি-রফতানি হয়।

বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট ও বন্দর ব্যবহারকারী সূত্রে জানা গেছে, ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যে গতিশীলতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদার করার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে কাস্টমস ও বন্দর ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার কার্যক্রম চালু করা হয় ১ আগস্ট থেকে। সে লক্ষে উভয় দেশের কাস্টমস ও বন্দর কর্তৃপক্ষ সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করে কার্যক্রম চালাচ্ছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, বন্দর ও কাস্টমস ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার সিদ্ধান্ত ইতিবাচক। এর পরিপূর্ণ সুফল পেতে প্রতিদিন ভারত থেকে ৮শ’ থেকে ১ হাজার পণ্যবাহী ট্রাক বেনাপোলে প্রবেশ করতে হবে। কিন্তু অবকাঠামোগত উন্নয়ন না হওয়ায় ও স্থান স্বল্পতার কারণে এ পরিমাণ পণ্য বন্দরের অভ্যন্তরে রাখা সম্ভব হবে না। এ মুহূর্তে বন্দরের ধারণক্ষমতা ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টন। আর পণ্য রয়েছে দুই লাখ টন। ক্রেন ও ফর্ক লিফটের মতো যন্ত্রাংশ নষ্ট থাকায় পণ্য লোড-আনলোডে সমস্যা হচ্ছে। অবিলম্বে বন্দরের এসব সমস্যা দূর করার তাগিদ দেন সিএন্ডএফ ব্যবসায়ী নেতারা।

কিন্তু বন্দর কর্তৃপক্ষ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতিদিন ৫টার পর প্রতিটি পণ্যচালানের বিপরীতে অলিখিত ৫০০ টাকা ওভারটাইম আদায় করছে। এছাড়া বন্দর চার্জের সাথে ১২৫৭ টাকা ১১ পয়সা হলিডে চার্জ ও ৭১৮ টাকা ৩৭ পয়সা নাইট চার্জ হিসেবে আদায় করে নিচ্ছে।

এমনও দেখা গেছে একটি পণ্য চালানে বন্দর চার্জ এসেছে মাত্র ৫০০ টাকা সেখানে ৫টার পর কাজ করলে চার্জ দিতে হচ্ছে প্রায় ৩ হাজার টাকা। আর এ কারণে অনেক আমদানিকারক বন্দরের চার্জের কারণে কাজ করতে অনীহা প্রকাশ করছেন।

বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের বন্দর বিষয়ক সম্পাদক শাহাবুদ্দিন জানান, সরকারি নির্দেশে ২৪ ঘন্টা কাজ করলেও বন্দর কর্তৃপক্ষ এসব চার্জ নিলে ব্যবসায়ীরা ছুটির দিনে কাজ করতে নিরুৎসাহিত হবেন। এতে করে সরকারের রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবেনা। সেই সাথে সরকারের ছুটির দিনে খোলা রাখার সিদ্ধান্ত ভেস্তে যাবে।

বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান স্বজন জানান, বন্দর সচলের উদ্যোগ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের নানা চার্জের কারণে ব্যাহত হচ্ছে। সেই সাথে সরকারের ২৪ ঘন্টা খোলা রাখার সিদ্ধান্ত ভেস্তে যাচ্ছে। রাষ্ট্রের স্বার্থে সরকারের বিশেষ ঘোষণায় সবাই কাজ করতে চাইলেও বন্দর কর্তৃপক্ষের লোকজন কাজ করতে চায় না।

ওভারটাইম, হলিডে চার্জ, নাইট চার্জ ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে না নিলেও বেনাপোল স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ তা আদায় করছে। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার বন্দর কর্তৃপক্ষকে জানানো হলেও তারা প্রধান কার্যালয়ের অজুহাত দেখায়। এ ব্যাপারে এসোসিয়েশনের পক্ষে মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরে পত্র পাঠানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে যশোর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সাবেক সভাপতি ও আমদানিকারক মিজানুর রহমান খান বলেন, বেনাপোল বন্দর ও কাস্টমস ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার সরকারি সিদ্ধান্ত ইতিবাচক। তবে ছুটির দিনে পণ্য আমদানিতে অতিরিক্ত চার্জ নেয়া হলে তা কোনোমতেই গ্রহণযোগ্য নয়। এর ফলে সরকারের উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত হতে পারে। তাই তিনি ছুটির দিনে এসব চার্জ আদায় না করার দাবি করেন।

ভারত-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স ল্যান্ডপোর্ট কমিটির চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান জানান, সরকারের নতুন উদ্যোগ ভেস্তে যাবে যদি বন্দর কর্তৃপক্ষ তাদের হলিডে, নাইট শিফট ও ওভারটাইম চার্জ নেয়া বন্ধ না করে।

এ ব্যাপারে বেনাপোল বন্দরের উপ-পরিচালক (প্রশাসন) মো: রেজাউল ইসলাম জানান, বন্দরে বিভিন্ন ধরনের চার্জ সরকার নির্ধারিত ট্যারিফ অনুযায়ী নেয়া হয়। আমরা তা পরিবর্তন করতে পারি না। সরকার আমাদের ছুটির দিনে বন্দর খোলা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু ওভারটাইম, হলিডে, নাইটচার্জ নিয়ে কোনো নির্দেশনা দেননি।

ব্যবসায়ীরা চাইলে সরকারের কাছে হলিডে, নাইট শিফট ও ওভারটাইম চার্জ মওকুফের আবেদন করতে পারেন। সরকার মওকুফ করলে আমরা আর এসব চার্জ নেব না।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৮আগস্ট,জৈন্তাপুর প্রতিনিধিঃ সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার কেন্দ্রি সীমান্তবর্তী কলসী নদী হতে ১ কন্যা সন্তানের জনকের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
এলাকাবাসী সূত্রে জানাযায়- গত ৫ আগষ্ট শনিবার জৈন্তাপুর উপজেলার বিরাইমারা (গড়েরপার) গ্রামের আব্দুল কুদ্দুস মিয়ার ছেলে ১সন্তানের জনক জামাল হোসেন (২৮) নিখোঁজ হন। এনিয়ে জৈন্তাপুর থানায় পরিবারের পক্ষ হতে একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে। কিন্ত নিখোঁজের ৩দিনের মাথায় ৮আগষ্ট মঙ্গলবার সকাল ১১টায় কেন্দ্রি গ্রামের ফখর উদ্দিনের বাড়ীর সন্নিকটে বয়ে যাওয়া কলসী নদীতে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় একটি লাশ ভাঁসতে দেখে স্থানীয় লোকজন।

সঙ্গে সঙ্গে ইউপি চেয়ারম্যান এখলাছুর রহমানকে বিষয়টি জানান। চেয়ারম্যান সংবাদটি জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ খান মোঃ ময়নুল জাকির, অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) জাহিদ আনোয়ার সঙ্গীয় ফৌস নিয়ে কলসী নদী হতে নিহতের লাশ উদ্ধার বিকাল সাড়ে ৪টায় জৈন্তাপুর মডেল থানায় নিয়ে আসে।

এবিষয় জৈন্তাপুর ইউপি চেয়ারম্যান এখলাছুর রহমান বলেন- জামাল গত শুক্রবার হতে নিখোঁজ রয়েছে। সকাল ১১টায় স্থানীয় লোকজন কলসী নদীতে জামালের লাশ ভেসে থাকতে দেখে। তিনি আরও বলেন এটি একটি পরিকল্পিত হত্যা এবং লাশ গুম করতে হাত-পা সঙ্গে পাথর ও ইট বেঁধে রাখে। আমি আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে ঘটনার রহস্য উদঘাটনের দাবী জানাচ্ছি।

এবিষয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ খান মোঃ ময়নুল জাকির লাশ উদ্ধারের সত্যতা স্বীকার করে বলেন- প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে এটি একটি পরিকল্পিত হত্যা।

লাশ উদ্ধার করে অধিকত্বর তদন্তের জন্য সিলেটে এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করব এবং তদন্ত স্বাপেকে ঘটনায় সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৮আগস্ট,চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ জাতীয় শোক দিবস ও ১৫ই আগষ্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪২তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালনের লক্ষে চুনারুঘাটে উপজেলা আওয়ামীলীগের উদ্যেগে গত সোমবার (৭ আগষ্ট) বিকেলে দলীয় কার্যালয়ে এক প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আঃ লতিফের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ আবু তাহের, সাংগঠনিক সম্পাদক ও উবাহাটা ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব রজব আলী, বাবু সজল দাশ, ওয়াহেদ আলী মাষ্টার, যুগ্ন সম্পাদক আনোয়ার আলী, সুজিদ কুমার দেব, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক আনিসুর রহমান, দপ্তর বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ, আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট ইমরোজ ফরিদ খান, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক আব্দুল হাই, পৌর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল খয়ের, গাজীপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির খান, সেক্রেটারি আঃ মালেক মাষ্টার, আহমদাবাদ ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের সভাপতি আলাউদ্দিন মাষ্টার, সেক্রেটারি অধ্যক্ষ আবু নাসের, দেওরগাছ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মহরম আলী, সেক্রেটারি সত্যেন্দ্র চন্দ্র দেব, পাইকপাড়া ইউনিয় সভাপতি ময়না মিয়া, সেক্রেটারি মোতাহির তালুকদার কদ্দুছ, শানখলা ইউনিয়ন সভাপতি শফিক মিয়া তরফদার, সেক্রেটারি আবুল কালাম এখলাছ চৌধুরী, উবাহাটা ইউপি সভাপতি আলহাজ্ব আকবর আলী, সেক্রেটারি প্রফেসর আব্দুর রউফ, সাটিয়াজুরী ইউনিয়ন সভাপতি ডাঃ হাবিবুর রহমান, সেক্রেটারি ফরিদ মিয়া, রানীগাও ইউনিয়ন সভাপতি আব্দুল জলিল, সেক্রেটারি আব্দুল মালেক, মিরাশী ইউনিয়ন সভাপতি আলহাজ্ব ইদ্রিছ আলী আলতা, সেক্রেটারি আব্দুস সামাদ মাষ্টার, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুল আলম রুবেল, কৃষকলীগ সভাপতি শাহজাহান চৌধুরী, সেক্রেটারি মুজিবুর রহমান, শ্রমিকলীগ আহবায়ক খালেদ তরফদার, পৌর শ্রমিকলীগ সভাপতি আমির আলী, যুবলীগ নেতা রুমন ফরাজী, ছাত্রলীগ যুগ্ন আহবায়ক ইফতেখার রিপন ও মোহাম্মদ বিল্লাল।

সভায় জাতীয় শোক দিবস পালনের বিভিন্ন কর্মসূচী গ্রহন করা হয় এবং এসব কর্মসূচী বাস্তবায়নে বিভিন্ন উপ-কমিটি গঠন করা হয়।

“শ্রীমঙ্গলে মোহাজিরাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমকে চক্রান্তকারীদের হাত থেকে বাঁচিয়ে সচল রাখার দাবী করা হয় মানব্বন্ধনে”

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৮আগস্ট,জহিরুল ইসলাম,নিজস্ব প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে একই সাথে তৃতীয় বিভাগ একটিসহ দুটি স্নাতক সনদের মধ্যে একটি অবৈধ বিশ্ববিদ্যালয়ের জাল সনদধারী চাকুরীচ্যুত সাবেক সহকারী গ্রন্থাগারিক কর্তৃক মোহাজিরাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে জড়িয়ে মিথ্যা অভিযোগ প্রত্যাহার করে বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমকে স্বচল রাখার দাবীতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী,ম্যানেজিং কমিটি,অভিভাবকবৃন্দ,বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীসহ প্রায় সহস্রাধিক লোক।
আজ মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে প্রায় ১০টার কিছুক্ষণ পুর্ব পর্যন্ত আয়োজিত মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান হাবিবুর রহমান।

প্রাক্তন ছাত্র সুহেল উদ্দিনের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, সাবেক ছাত্র বিল্লাল হোসেন, বর্তমান শিক্ষার্থী আব্দুল কাইয়ুম, আয়ুব আলী, মীম আক্তার, সুমাইয়া প্রমুখ। অভিভাবকদের পক্ষে বক্তব্য দেন দেলোয়ার হোসেন, আব্দুল বারী, শরাফত আলী প্রমূখ।

বক্তারা বলেন, অবৈধ ঘোষিত দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদের কারনে মোহাজেরাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী লাইব্রেরিয়ান মো: সরওয়ার হোসেন সম্প্রতি চাকুরীচ্যুত হন। এতে ক্ষুদ্ধ হয়ে তার পিতা আব্দুল হান্নান প্রধান শিক্ষককে ঘুষ প্রদানের অভিযোগ এনে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক বরাবরে অভিযোগ দাখিলসহ বিভিন্ন ভাবে বিদ্যালয়ের শিক্ষককে চাপে রাখা ও মানসম্মান ক্ষুন্ন করার প্রয়াসে লিপ্ত রয়েছেন বলে তারা অভিযোগ করেন।

এতে ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা কার্যক্রম ও ক্ষুন্ন হচ্ছে বিদ্যালয়ের সুনাম। মিথ্যা চক্রান্ত বন্ধ করে বিদ্যালয়ের শিক্ষাকার্যক্রমকে গতিশীল রাখতে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন মানববন্ধনকারী ছাত্রছাত্রী ও এলাকার সর্বসাধারন।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৮আগস্ট,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:সুনামগঞ্জে বিষাক্ত সাপের কামড়ে মোছাঃ হামিদা বেগম (২৮)নামে এক গৃহবধুর মৃত্যু হয়েছে। তিনি জেলার জামালগঞ্জ উপজেলার ভীমখালী ইউনিয়নের মল্লিকপুর গ্রামের মুছিউর রহমানের স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানাযায়,জেলার দিরাই উপজেলার করিমপুর ইউনিয়নের নাগেরগাঁও গ্রামে কিছু দিন পূর্বে পিতা হাফিজ উল্লাহর বাড়িতে বেড়াতে যান মোছাঃ হামিদা বেগম (২৮)।

রাতে পিতার বাড়িতে আলাদা বসত ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। ভোর রাতে প্রাকৃতিক ডাকে বাহিরে গেলে বিষাক্ত সাপ তাকে কামড় দেয়। কামড় দেওয়ার সাথে সাথে গৃহবধু হামিদা বেগম (২৮) চিৎকার দেয়। তার চিৎকার শুনে বাড়ির ও আশ পাশের লোকজন ছুঠে আসে।

আশংকা জনক অবস্থায় সাথে সাথে থাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর বেলা ১২টার সময় কর্তব্যরত ডাক্তারগন থাকে মৃত্যু ঘোষনা করেন। দিরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মোস্তফা কামাল এঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৮আগস্ট,নজরুল ইসলাম তোফাঃ  অভ্যাস মানুষেরই দাস। সে অভ্যাস দিনে দিনে বদভ্যাসে পরিনত হয়। বেশীরভাগ মানুষেরই সে অভ্যাস আছে বৈকি। কিন্তু সেটি আবার যদি নেশা থেকে শুরু করে নারী ইভটিজিং হয়, তাহলে তো দেশিও দণ্ডবিধি অনুযায়ী শালীনতার উদ্দেশ্যে কোন মন্তব্য, অঙ্গ ভঙ্গি বা কোন কাজ করলে এক বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা আবার তা উভয় দন্ডে দণ্ডিত হতে পারে।

কিন্তু টেলিফিল্মে নাট্যকার নজরুল ইসলাম তোফা সে দিকে যেতেই চাচ্ছেন না। বলতে চাচ্ছেন, নিম্ন আয়ের মধ্যবিত্ত এক স্কুল শিক্ষকের কুড়িয়ে পাওয়া ছেলের কথা। স্কুল শিক্ষকের সৎ উপার্জনে সংসার চালানোই মুশকিল, তার উপর পালিত ছেলের দ্বাবি, আই ফোন, দামি ল্যাপটপ, হাই সোসাইটির ছেলেদের মতই দামি পোশাক-আশাক, কি করে দিতে পারে বাবা স্কুল মাষ্টার? অতি সামান্য বেতনের চাকরি তাঁর।

এদিকে ছেলে জানবে কি করে মা তার ছোট বেলা থেকেই ঘরে নেই, বাবা পালিত ছেলের মতো করেই কখন দেখে না তাকে। আপনের আক্ষেপ, তার চাহিদার অপূর্ণতার মতোই মার চাহিদাকে পুরন না করে কষ্ট দিয়ে অকালেই মেরে ফেলেছে। আপন মায়ের কথা বাবাকে বললেই বাবা স্কুল মাষ্টার এড়িয়ে চলেন। কারণ আপনের বাবা তো বিয়েই করেনি। আপনকে এই কথা জানালে যদি কষ্ট পায়।

অপর দিকে, বাবার উপর জেদ করে আপন অবাধ্য হয়ে অসৎ সংগে দিনে দিনে বদঅভাসের দিকে পা বাড়ায়। আবার আপন মেয়ে দেখলেই তাকে মা সরূপ মনে করে অপলক দৃষ্টি দিয়ে তাকিয়ে থাকে! কিন্তু ধনীর দুলালি স্নেহা তা না বুঝে, আপনকে কটুক্তি করে। স্নেহা এমন দৃষ্টি মেনে না নিয়েই প্রতিবাদ করে এবং তার মা নার্গীসের কাছে বলে, আহসান মাষ্টারের ছেলে সর্বদাই কলেজের করিডোরে পথে-ঘাটে ইভটিজিং করে। মা নার্গীস অবাক হয় এবং কল্পনায় আনে, আমার প্রেমিক কি সেই আহসান।

মেয়েকে জিজ্ঞেস করে আহসান কোন স্কুলের মাষ্টার? একদিন নার্গীস সেখানে গিয়ে দেখে তার সেই প্রেমীক আহসান। এমন উপস্হিতিতে কি করবে সে, নার্গীস রাগ লুকিয়ে রেখে বলে তুমি কি বিয়ে করে ঘর সংসার করে দুষ্ট ছেলের জন্ম দিয়েছ ?

আহসান তাকে আর মিথ্যা বলতে পারেনা। প্রেমিক আহসান তো বিয়েই করেনি, নার্গীস অবাক হয়ে বলে, তাহলে সন্তান আপন কি করে জন্ম নিলো। তখন আবেগ তাড়িত কন্ঠে আহসান বলে, তোমার কাছ থেকে যেদিন শেষ দেখা করে বাড়ী ফিরি সেই মুহুর্তেই পথের মাঝে এই ছোট্ট ছেলেটি কাঁদে, অনেকেই তাকে দেখে চলে যায়, আমি যেতে পারিনি। তাকে আজ লালন পালন করে নাম রেখেছি আপন। কথা গুলো শুনে নার্গীসের চোখে পানি আসে এবং বলে, আমি তোমাকে বলেছিলাম আমাদের ছেলে হলে ‘আপন’ নাম রাখবো। তুমি কিনা কুড়িয়ে পাওয়া ছেলের ‘আপন’ নাম রেখে আমাদের প্রেমকে অমর করেছ।

অপর দিকে নার্গীস আহসানের কথাও রেখেছে, মেয়ের নাম রেখেছে স্নেহা। আপন, স্নেহার এমন প্রেম কাহিনী নিয়ে নার্গীস ও আহসান আসলে কি করতে পারে। শেষ হবে তা টেলিভিশনের পর্দায়। তরুন নাট্যকার নজরুল ইসলাম তোফা এমনিভাবে তার টেলিফিল্মে চমৎকার ক্লাইমেকস্ এনেছেন।

পরিচালক মোঃ আশিক উল আলম বলেন, পৃথিবীতে এমন অনেক মহান পেশা বা নেশা আছে, যা করতে ক্রিয়েটিভিটির প্রয়োজন পড়ে। এ কথার সাথে একমত না দ্বিমত-সম্পূর্ণ আপনার ব্যাপার। তবে একটা বিষয়ে মোটামুটি সবাই কম বেশি এক মত হবেন যে, এদেশের নির্মাণের মান এখন অনেকটাই এগিয়েছে অথবা মানসম্মত করার আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বের নানা প্রান্তে বিভিন্ন উৎসবে দেশীও সিনেমা প্রদর্শনী হচ্ছে। চমৎকার ও দুর্দান্ত সব সিনেমা সুধী মহলে প্রশংসিত হচ্ছে। এমন কি মাঝে মধ্যে পুরস্কারও ছিনিয়ে আনছে। অর্থের অভাবে অথবা অন্য কোন কারণে যখন একটা ফিল্ম, সিনেমা হলের উপযোগী করে বানানো যায় না কিংবা গুটি কয়েক সিনেমা হল ছাড়া সারা দেশের সিনেমা হল গুলোতে মুক্তি দেওয়া সম্ভব হয় না, সেটা আমাদের চলচ্চিত্র শিল্পের দীনতা বোঝাতেই যথেষ্ট।

এই আলাপ গুরুজন-অভিজ্ঞজনেরা আরো বিশদভাবে ব্যাখা দিতে পারবেন বলে মনে করেন পরিচালক মোঃ আশিক উল আলম। তবে টেলিফিল্মটির গল্পের গাঁথুনি ও চিত্রনাট্যে পরিপূর্ণতা সম্পূর্ণভাবে আধুনিক প্যার্টানে বিরাজমান। ভুল-ত্রুটির অভাব থাকলেই বরং দর্শকের প্রাণের তেষ্টা মেটে। সেখানে সমালোচনার খাতায় দারুণ প্রভাব ফেলে। এই ফিল্মের পরিচালক আশিক উল আলম সে আশাটুকুই করেন।

সহকারী পরিচালক হিসেবে ফাহিম শাহারিয়ার, উয়াইব আহম্মেদ অপু, অনি ও রেহান হাবিব রয়েছেন। গ্রীন এ্যারো প্রডাকশন হাউজের ব্যানারে টেলিফিল্মটি অবশ্যই বিনোদন নির্ভর হবে বলে আশা পোষন করেন পরিচালক। যোগ্য অভিনেতা ও অভিনেত্রীর সমন্নয়ে এই শৈল্পিক বিনোদন নির্ভর টেলিফিল্ম ‘বদঅভ্যাস’ এবং বেসরকারি চ্যানেলের জন্যই নির্মিত হচ্ছে।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৮আগস্ট,আশরাফ আলী, মৌলভীবাজার: উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) পর্যায়ে মৌলভীবাজার সরকারি মহিলা কলেজে গত কয়েক বছর ধরে ধারাবাহিকভাবে ফলাফল খারাপ করছে বলে অভিযোগ করেছেন কলেজের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা। ফলাফল খারাপ হওয়ার নেপথ্যে কারণগুলো কি? উঠে এসেছে অনুসন্ধানে।

মৌলভীবাজার সরকারি মহিলা কলেজে ফলাফল খারাপ হওয়ার পেছনে যে কারণগুলো রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হলো শিক্ষকদের প্রাইভেট কোচিং বাণিজ্য। যার কারণে শিক্ষকরা ছাত্রীদের ক্লাসের প্রতি মনোযোগী হননা। শিক্ষকরা ছাত্রীদেরকে কোচিংয়ের প্রতি উদ্বুদ্ধ করেন। বাধ্য হয়ে শিক্ষার্থীরা প্রাইভেট কোচিংয়ের প্রতি মনোযোগী হয়। পরিপেক্ষিতে ছাত্রীরা ক্লাসের প্রতি হয়ে উঠে অমনোযোগী। আর ফলাফল গিয়ে পড়ে পরীক্ষায় ফেল।

অনেকে মনে করেন শিক্ষার্থীদের ফেল করার পেছনে রয়েছে তাদের সঠিকমত ক্লাসে উপস্থিত না থাকা। ছাত্রীরা বাড়ী থেকে কলেজে ক্লাসের জন্য আসলেও আদৌ তারা ক্লাসে উপস্থিত হয় না। তারা ক্লাসে ফাঁকি দিয়ে ফুঁচকা, চটপটি খেতে চলে যায় বন্ধুদের নিয়ে। অনেক সময় দেখা যায় তারা মৌলভীবাজার পৌর পার্কে প্রেমিক নিয়ে ফুঁচকা, চটপটি খেতে।

ছাত্রীরা সঠিকভাবে ক্লাসে উপস্থিত না হয়ে ক্লাসের সময় ফাঁকি দিয়ে তারা বিভিন্ন রেষ্টুরেন্টে ঘুরে বেড়ায়। আর ক্লাসে ও পড়ালেখায় অমনোযোগী হওয়ার কারণে মূলত পরীক্ষায় ফেল করে। এমনকি রয়েছে অভিবাবকদের অসচেতনতা। নিজের মেয়ে কলেজে সঠিকভাবে যাচ্ছে কিনা তার খবর না রাখা। অবাধে চলাফেরা করলে অভিবাববক তাদের খোঁজ-খবর না রাখা। যার পেক্ষিতে প্রতিনিয়ত ঘটছে অনাকাঙ্খিত ঘটনা। যার প্রভাব পড়ে পড়ালেখায়।

চলতি বছর এই কলেজ থেকে ১৩৯১ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দেয়। এর মধ্যে পাস করে ৮৫৯ জন। অকৃতকার্য হয় ৫৩২ জন পরীক্ষার্থী। জিপিএ-৫ আসেনি একটিও।

২০১৫-২০১৬ শিক্ষাবর্ষে বিজ্ঞান বিভাগে কলেজ থেকে ২০১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। যার মধ্যে পাশ করে ১১৭ জন। পাশের হার ৬২.১৬%। সাধারণ বিভাগ থেকে ৮৩৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। যার মধ্যে পাশ করে ৫৬৯ জন। পাশের হার ৬৮.৭২%। ব্যবসায় বিভাগ থেকে ৩৫৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। যার মধ্যে পাশ করে ১৭৩ জন। পাশের হার ৪৮.৮৭%। কলেজে মোট পাশের হার ৫৯.৯১%।

সরকারি মহিলা কলেজের ছাত্রী সাবিহা আক্তারের সাথে কথা বললে জানা যায়, কলেজে সময়মত ক্লাসে শিক্ষকরা উপস্থিত হন না। ক্লাস করান না শিক্ষকরা। ছাত্রদেরকে প্রাইভেটের কথা বলেন। যার জন্য অনেক ছাত্রী প্রাইভেটের দিকে মনোযোগী হয়। কলেজের ক্লাসের প্রতি মনোযোগী হয় না। এর ফলে প্রতি বছর কলেজের ফলাফল খারাপ হয়।

একজন অভিবাবকের সাথে কথা বললে তিনি বলেন, কলেজে ক্লাসে ছাত্রীরা গেলে শিক্ষক প্রাইভেটের কথা বলেন। সময়মত ক্লাস করেন না শিক্ষকরা।

এব্যাপারে সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মো: আজিজুর রহমান সাথে কথা বললে তিনি জানান, সিলেট বিভাগে শিক্ষার হার এমনিতেই কম। হাওর অ ল হওয়ার কারণে অভিবাবক সচেতনতা কম। এমনকি শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় কোচিং করতে পারে না। মেধাবী শিক্ষার্থীও কলেজে কম ভর্তি হয়। মেধাবীরা পাশ্ববর্তী সরকারি কলেজে চলে যায়। শিক্ষক সংকট থাকার কারণে কলেজে ক্লাস নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। রয়েছে শ্রেণীকক্ষের সংকট। কলেজ প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর থেকে গড়ে উঠেনি নতুন কোন বিল্ডিং। জাতীয় ভার্সিটির পরীক্ষা কেন্দ্র হওয়ার কারণে ক্লাস হয় না। যার ফলে কলেজে পাশের হার কম।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৮আগস্ট,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার লোকালয়ে বাঘের আতংকে বিরাজ করছে। বাঘের আতংক নিয়ে বসবাস করছে জামালগঞ্জ উপজেলার ভীমখালী ইউনিয়নের চান্দরবাড়ি গ্রাম ও তার আশপাশের জনসাধারনের। স্থানীয় সুত্রে জানাযায়,জামালগঞ্জ উপজেলার চান্দরবাড়ি গ্রামের মসজিদ সংলগ্ন বেত-বনের ঝোপ ঝাপে একটি মেছো বাঘ সন্ধ্যার পূর্ব মুহুর্তে দেখা গেছে। এমন খবর পেয়ে ছড়িয়ে পড়লে আশ-পাশের বিভিন্ন গ্রামের লোকজন এক পলক দেখতে ছুটে আসে হাজার হাজার মানুষ। লোকে লোকারন্য হয়ে উঠে মসজিদের পাশের জঙ্গলের আশ পাশ।

এদিকে বাঘের ভয়ে স্থানীয় লোকজন সন্ধ্যার পর থেকেই সকাল পর্যন্ত পরিবার পরিজন নিয়ে দরজা বন্ধ করে ঘরে আতœংকের মধ্যে সময় পার করছে। শাসছুদ্দোহা,নতুন মসজিদের ইমাম মাওলানা ইলিয়াছ ও মোয়াজ্জিন হাফেজ মাহমুদুল হাসানসহ স্থানীয় লোকজন জানান,আজ সোমবার শেষ বিকালে একটি মেছো বাঘ দেখা গেছে।

আমরা এলাকাবাসী এখন আতœংকের মধ্যে আছি। এব্যাপারে জামালগঞ্জ থানার অফিসার্স ইনচার্য (ওসি) মোঃ আবুল হাসেম বলেন,ঘটনাটি শুনেছি এব্যাপারে সবার সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। বন বিভাগের লোকজন না আসা পর্যন্ত সবাইকে সর্তক থাকতে হবে।

“দেশখ্যাত জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা আধ্যাত্মিক সাধক কুতুবুল আউলিয়া হযরতুলহাজ্ব আল্লামা হাফেজ ক্বারী সৈয়্যদ আহমদ শাহ্ সিরিকোটি রহমাতুল্লাহি তা‘আলা আলায়হির ৫৭তম সালানা ওরসে বক্তৃতায়  সুন্নি ওলামা মাশায়েখগন” 

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৮আগস্ট,চট্টগ্রাম প্রতিনিধিঃ  আনজুমান-এ রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট পরিচালিত দেশখ্যাত জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা আধ্যাত্মিক সাধক কুতুবুল আউলিয়া হযরতুলহাজ্ব আল্লামা হাফেজ ক্বারী সৈয়্যদ আহমদ শাহ্ সিরিকোটি রহমাতুল্লাহি তা‘আলা আলায়হির ৫৭তম সালানা ওরস মোবারক ধর্মীয় ভাবগম্ভীর পরিবেশে আনজুমান ট্রাস্ট’র ফাইন্যান্স সেক্রেটারী জনাব আলহাজ্ব মুহাম্মদ সিরাজুল হক’র সভাপতিত্বে ০৫ আগস্ট ২০১৭ ইং, শনিবার সকাল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম ষোলশহরস্থ জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন আলহাজ্ব মঈন উদ্দিন খান বাদল এম.পি।

আনজুমান-এ-রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্ট’র সেক্রেটারী জেনারেল আলহাজ্ব মুহাম্মদ আনোয়ার হোসেন তাঁর সারগর্ভ বক্তব্যে বলেন- ইসলাম শান্তির ধর্ম, এখানে জঙ্গীবাদের কোন
স্থান নেই, আনজুমান ট্রাস্ট ও জামেয়া জঙ্গীবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার সবসময়ই। জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া আলিয়াসহ আনজুমান ট্রাস্ট পরিচালিত মাদরাসামূহ ‘কিসতিয়ে নূহ (আ)’ এর মতো বলে শাহেনশাহে সিরিকোটি (রহ.) ফরমান। এ মহান ওলীর নেগাহ করম আমাদের সকলের ওপর রযেছে বিধায় আজ দেশ-বিদেশে আনজুমান, জামেয়া, গাউসিয়া কমিটির কার্যক্রম বিস্তৃত ও প্রশংসিত হয়ে আসছে। যারা জামেয়া আনজুমান, গাউসিয়া কমিটির সাথে সম্পৃক্ত থেকে খেদমত আনজাম দেবেন তাঁরা দুনিয়া ও আখিরাতে নাজাতপ্রাপ্ত হবেন ইনশাআল্লাহ্।

উক্ত সালানা ওরস মোবারক মাহফিলে গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশ’র চেয়ারম্যান আলহাজ্ব পেয়ার মুহাম্মদ সকলকে শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। সালানা ওরস মোবারক মাহফিলে বক্তারা বলেন – মহান আধ্যাত্মিক সাধক সুন্নীয়তের প্রাণ প্রতিষ্ঠা পুরুষ কুতুবুল আউলিয়া হযরতুলহাজ্ব আল্লামা হাফেজ সৈয়্যদ আহমদ শাহ্ সিরিকোটি (রহ.) এদেশে শুভাগমন না হলে এবং জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদ্রাসার মতো ঐতিহাসিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত না হলে এ দেশের মানুষ নবী-ওলী প্রেমিক না হয়ে গোমরাহীর, বেড়াজালে আবদ্ধ হয়ে ঈমানহারা হতেন। তাঁর মতো একজন নবী বংশধরকে পাঠিয়ে আল্লাহ্-রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের ওপর এহ্সান করেছেন তার কোন তুলনা হয়না।

পরবর্তীতে তাঁরই ছাহেবজাদা কুতুবুল এরশাদ, গাউসে জমান হযরতুল আল্লামা আলহাজ্ব হাফেজ ক্বারী সৈয়্যদ মুহাম্মদ তৈয়্যব শাহ্ (রহ.) দ্বীন-মাযহাব মিল্লাতের খেদমত আঞ্জাম দিয়েছেন এবং বর্তমানে আওলাদে রাসূল, গাউসে জমান হযরতুল আল্লামা আলহাজ্ব সৈয়্যদ মুহাম্মদ তাহের শাহ্ মাদ্দাজিল্লুহুল আলী জামেয়ার আদলে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে শত শত দ্বীনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, খানকাহ্, মসজিদ প্রতিষ্ঠিত করেছেন। জামেয়ার শিক্ষার্থীরা দ্বীন ইসলামের মূলধারা আহলে সুন্নাত ওয়াল জমা’আতের একনিষ্ঠ খাদেম হয়ে দেশ-বিদেশে দ্বীনি কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। আমরা যদি আওলাদে রাসূলগণের পিছনে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ঈমান আক্বীদা রক্ষার্থে তাঁদেরই নির্দেশিত পথে চলতে পারি, তাহলেই প্রকৃত ইসলামী জীবন ব্যবস্থার অনুসারী হতে দ্বীন-দুনিয়া উভয় জাহানের কামিয়াবী হাসিল করতে সক্ষম হবো। আল্লাহ আমাদের এ মহান সাধকগণের পদাঙ্ক অনুসরণ করার তৌফিক দিন। আমিন।

এতে বক্তা হিসেবে ছিলেন- অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) আলহাজ্ব হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ সোলায়মান আনসারী, সাবেক অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) আলহাজ্ব মুহাম্মদ ছগীর ওসমানী, আলহাজ্ব মাওলানা মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ অছিয়র রহমান, আলহাজ্ব মাওলানা মুফতি কাজী আবদুল ওয়াজেদ, জামেয়ার সাবেক মুহাদ্দিস ও জমিয়তুল ফালাহ্ জাতীয় মসজিদের খতিব আলহাজ্ব মাওলানা আবু তালেব মুহাম্মদ আলাউদ্দিন, মুফাচ্ছির আলহাজ্ব মাওলানা মুহাম্মদ বখতিয়ার উদ্দিন, আরবী প্রভাষক হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ আশরাফুজ্জামান আলকাদেরী, আরবী প্রভাষক আলহাজ্ব মীর মুহাম্মদ আলাউদ্দিন, আরবী প্রভাষক আলহাজ্ব মাওলানা গোলাম মোস্তাফা মুহাম্মদ নূরুনবী, আরবী প্রভাষক হাফেজ মাওলানা মুহাম্মাদ আনিসুজ্জামান, আমন্ত্রিক বক্তা হিসেবে ছিলেন- সোবহানীয়া আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হযরতুহাজ্ব মুহাম্মদ হারুনুর রশিদ, শায়খুল হাদীস হযরতুহাজ্ব কাজী মাঈনুদ্দীন আশরাফী ও আল আমিন বারিয়া মডেল কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হযরতুহাজ্ব মুহাম্মদ ইসমাইল নোমানী প্রমুখ।

উক্ত সালানা ওরস মোবারক মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন- আনজুমান ট্রাস্ট’র এডিশনাল সেক্রেটারী জেনারেল আলহাজ্ব মুহাম্মদ সামশুদ্দিন, জয়েন্ট সেক্রেটারী জেনারেল আলহাজ্ব সিরাজুল হক, এ্যাসিস্টেন্ট সেক্রেটারী জেনারেল আলহাজ্ব এস.এম. গিয়াস উদ্দিন শাকের, ফাইন্যান্স সেক্রেটারী আলহাজ্ব মোহাম্মদ সিরাজুল হক, প্রেস এন্ড পাবলিকেশন সেক্রেটারী প্রফেসর আলহাজ্ব কাজী শামসুর রহমান, আনজুমান ট্রাস্ট’র সদস্য আলহাজ্ব মুহাম্মদ কামাল উদ্দিন চৌধুরী, আলহাজ্ব মুহাম্মদ নুরুল আমিন, আলহাজ্ব নুর মুহাম্মদ কন্ট্রাক্টর, আলহাজ্ব মোহাম্মদ আবুল কাসেম, আলহাজ্ব শেখ নাসির উদ্দিন আহমেদ, আলহাজ্ব মুহাম্মদ আবদুল হাই মাসুম, গাউসিয়া কমিটি বাংলাদেশের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মুহাম্মদ আনোয়ারুল হক, আলহাজ্ব মুহাম্মদ আবদুল হামিদ, আলহাজ্ব মাহবুবুল হক খাঁন, মহাসচিব আলহাজ্ব শাহজাদ ইবনে দিদার, যুগ্ম মহাসচিব এডভোকেট মোছাহেব উদ্দিন বখতিয়ার, সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব মুহাম্মদ মাহবুব ইলাহি সিকদার, মহানগর গাউসিয়া কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব আবুল মনছুর, সহ-সভাপতি আর ইউ শাহিন চৌধুরী, সম্পাদক আলহাজ্ব মুহাম্মদ মাহবুবুল আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক আলহাজ্ব সাদেক হোসেন পাপ্পু, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সম্পাদক এডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা সভাপতি আলহাজ্ব কমরুদ্দীন সবুর, সম্পাদক আলহাজ্ব মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ্ মাষ্টারসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

জামেয়ার হোস্টেল সুপার মাওলানা মুহাম্মদ আবু তাহের, প্রফেসর মুহাম্মদ কামাল উদ্দিন, অধ্যক্ষ মুহাম্মদ বদিউল আলম রেজভী, অধ্যক্ষ রফিক আহমদ ওসমানী, অধ্যক্ষ মুহাম্মদ আবু তৈয়ব চৌধুরী, অধ্যক্ষ ড. মুহাম্মদ সরোয়ার উদ্দীন সহ দেশ বরেণ্য আলেমে দ্বীন ও আনজুমান ট্রাস্ট’র অন্যান্য সদস্যবৃন্দ এবং গাউসিয়া কমিটির কেন্দ্র, জেলা, উপজেলা নেতৃবৃন্দ সালানা জলসায় উপস্থিত ছিলেন। সালানা ওরস মোবারক উপলক্ষে দিনব্যাপী কর্মসূচীর মধ্যে ছিল- বা’দ ফজর খত্মে কোরআন মাজীদ, খত্মে বোখারী শরীফ, খত্মে মজমুয়ায়ে সালাওয়াতে রাসূল (দঃ), নামাজে আছরের পর পবিত্র গেয়ারবী শরীফ।

বা‘দ মাগরিব থেকে মাশায়েখ হযরাতে কেরামের জীবনী আলোচনা, সালাত ও সালাম পরিবেশন করেন- দায়েম নাজির জামেয়া জামে মসজিদ এর পেশ ইমাম হযরতুলহাজ্ব ক্বারী মুহাম্মদ ইব্রাহীম এবং জামেয়ার শায়খুল হাদীস, শেরে মিল্লাত মুফতি আলহাজ্ব মুহাম্মদ ওবাইদুল হক নঈমী বাংলাদেশসহ সমগ্র মুসলিম জাহানের শান্তি কামনা করে দো’য়া ও মুনাজাত পরিচালনা করেন। পরিশেষে, বাদ নামাজে এশা তবারুক বিতরণের মাধ্যমে মাহফিলের সমাপ্তি হয়।