Tuesday 12th of December 2017 12:15:27 PM

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৭আগস্ট,জুড়ী (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধিঃ অপহরনের ১ দিন পর সিএনজি ড্রাইভারের লাশ পাওয়া গেল জুড়ী’র খালে। মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার দক্ষিনভাগ (উত্তর) ইউনিয়নের গৌরনগর (খলাগাও) গ্রামের সমছ উদ্দিন সমছুর ছেলে বিলাল আহমদ (২৪) রোববার (৬ আগষ্ট) সন্ধ্যা ৭টায় খলাগাও বাজার থেকে তার (সিএনজি নং মৌলভীবাজার থ ১২-৩৫২৫) নিয়ে কুলাউড়ার উদ্দ্যেশে গ্যাস নেয়ার জন্য রওনা হয়ে আর বাড়ি ফিরেননি।

রাত গভীর হলে তার পরিবারের লোকজন তাকে খোঁজাখুঁজি করে কোন সন্ধান পাননি। পরে রাত ৩টার দিকে ১টি মোবাইল নাম্বার থেকে মুক্তিপনের জন্য ৫লাখ টাকা দাবি করা হয়। পরদিন সোমবার(৭ আগষ্ট) বিকেল ৩টায় ড্রাইভারের লাশ জুড়ী উপজেলার (বড়লেখা-কুলাউড়া) আ লিক মহাসড়কের পাশে মানিকসিং (তেতুরতল) নামক স্থানে ১টি খালের পানিতে লাশ ভাঁসতে দেখা যায়।

স্থানীয় লোকজন জুড়ী থানায় খবর দিলে থানা পুলিশ ও কুলাউড়া ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় লাশ উত্তোলন করে জুড়ী থানায় নিয়ে যায়। এব্যাপারে জুড়ী থানা (ওসি তদন্ত) সুধীন চন্দ্র দাশ বলেন, আমি সরেজমিন গিয়ে লাশ নিয়ে থানায় এসেছি। লাশের শরীরে কোন কাঁটার চিহ্ন পাওয়া যায়নি, তবে তার নাকে রক্তের চিহ্ন দেখা যায়।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৭আগস্ট,সিলেট প্রতিনিধিঃ সিলেটের সোবহানীঘাটে ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীর উপর অতর্কিত হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার দুপুর ১২ টার দিকে জালালাবাদ কলেজের ভেতর এই ঘটনা ঘটে। এতে গুরুতর আহত হয়েছেন শাহীন আহমদ ও আবুল কালাম আসিফ নামের দুই ছাত্রলীগ নেতা। গুরুতর আহত শাহিণ আহমদকে ইতিমধ্যে ঢাকায় প্রেরণ করা হয়েছে। জালালাবাদ কলেজে শিবিরের আধিপত্য বিস্তার নিয়ে এই হামলার ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত কয়েক সপ্তাহ থেকে জালালাবাদ কলেজ ক্যাম্পাসে নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টায় ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের নিয়ে আনাগোনা বাড়ায় ছাত্রশিবির। এতে কলেজের মধ্যে অস্থিরতা দেখা দেয়। যার কারণে কলেজ ছাত্রলীগ প্রিন্সিপ্যালের নিকট মৌখিক অভিযোগ জানায়।
কলেজ ছাত্রলীগ কর্মী ও স্থানীয়দের সাথে এ নিয়ে কলেজ কর্তৃপক্ষের বৈঠকও হয়। বৈঠকে ছাত্রশিবির ও বহিরাগতদের কলেজ ক্যাম্পাসে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়। এদের কারো সাথে কলেজের কারও যোগাযোগ না রাখার ব্যাপারেও সতর্ক করে দেওয়া হয়।
সুত্রে জানা যায় উক্ত বৈঠক পরবর্তী সময়ে ছাত্রলীগ কর্মীদের দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছিল ছাত্রশিবির।
এ হামলা ছাত্রশিবিরের পরিকল্পিত বলে জানান আহত আবুল কালাম আসিফ। তিনি জানান, কলেজের দুজন শিক্ষক, এবাদ ও সাকু এই হামলায় জড়িত। তারা জামায়াতের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। ঐ দুইজনের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগিতায় শিবিরের ফাত্তাহসহ হামলাকারীরা আজ ক্যাম্পাসে আসে বলে জানান আসিফ। তিনি ঐ দুই শিক্ষকের কাছ থেকে অন্যান্য তথ্য পাওয়া যেতে পারে বলেও জানান।
আসিফ আরও জানান, হামলাকারীদের কয়েকজন হ্যালমেট পরিহিত ছিল। বাকিরা হ্যালমেট ছাড়া ছিল। জালালাবাদ কলেজের পাশে অবস্থিত মা ও শিশু হাসপাতালের সিসি ফুটেজ পরীক্ষা করে এদের সহজেই চিহ্নিত করা যাবে। এদের মধ্যে ফাত্তাহসহ অনেকেই চিহ্নিত ছাত্রশিবিরের সন্ত্রাসী, যাদেরকে তিনি আগে ক্যাম্পাসের আশেপাশে ঘুরতে দেখতেন বলে জানান আসিফ।
নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানান, ৮/৯ টি মোটর সাইকেল করে হামলাকারীরা শাহিন ও আসিফের কাছে পৌঁছে হাতের ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপাতে থাকে। এতে ঘটনাস্থলে ঢলে পড়েন শাহিন ও আসিফ। হামলাকারীরা পরে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। হামলাকারীদের একটি মোটর সাইকেল নাম্বার  (সিলেট- ল ১১৮৫৭৫) চিহ্নিত করতে পেরেছেন বলে জানান ঐ প্রত্যক্ষদর্শী।
কোতোয়ালী থানার ওসি মোঃ গৌছুল হোসেন হামলার সত্যতা নিশ্চিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করছেন বলে জানান।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৭আগস্ট,ডেস্ক নিউজঃ ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা সিলেটের মৌলভীবাজার জেলার কৃতি সন্তান সালমান শাহ আত্মহত্যা করেনি, তাকে খুন করা হয়েছে। এমন দাবি করে রাবেয়া সুলতানা রুবি নামে আমেরিকা প্রবাসী এক বাংলাদেশি অনলাইনে একটি ভিডিও বার্তা ছেড়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, সালমান শাহকে খুনে জড়িত ছিলেন তার স্বামী। চীনাদেরকে দিয়ে এই খুন করানো হয়। এতে জড়িত ছিলেন সালমান শাহ’র স্ত্রী সামিরার পরিবারও। জানা গেছে, দুই মিনিট ৫৯ সেকেন্ডের ওই ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এরই মধ্যে ভাইরাল হয়েছে।

ভিডিওটিতে সালমান শাহের মা নীলা চৌধুরীকে উদ্দেশ্য করে কাতর কণ্ঠে রুবি বলেন, এই খুনের বিষয়ে তিনি বিস্তারিত জানেন। বিষয়টি যেভাবেই হোক, আবার যেন তদন্তের ব্যবস্থা করা হয়। তিনি যেভাবেই পারেন আদালতে সাক্ষী দেবেন।

বাংলা চলচ্চিত্রে তোলপাড় ফেলা নায়ক সালমান শাহ ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান। তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে পুলিশকে জানান তার স্ত্রী সামিরা। কিন্তু সালমান শাহের পরিবার একে হত্যা বলে আসছিল।

তবে গত দুই দশকেও এই মামলার রহস্য উদঘাটন হয়নি। পুলিশ দুই দফা ময়নাতদন্ত করে একে আত্মহত্যাই বলেছিল। কিন্তু নারাজি আবেদন করেছে সালমান শাহের পরিবার। মামলাটির বিচারবিভাগীয় তদন্তও হয়েছিল। এখন মামলাটি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন-পিবিআইয়ে রয়েছে। সম্প্রতি মামলাটি আবার পুনরুজ্জীবিত করা হয়েছে।

সালমানের মৃত্যুর ২১ বছর পর রুবি তার ভিডিওতে বারবার বলেছেন, ‘সালমান শাহ আত্মহত্যা করে নাই, তাকে খুন করা হইছে।’ সালমান শাহের মাকে উদ্দেশ্য করে রুবি বলেন, ‘প্লিজ কিছু একটা করেন, কিছু একটা করেন।’

রুবি বলেন, ‘সালমান শাহ আত্মহত্যা করে নাই, সালমান শাহ খুন হইছে। আমার হাসব্যান্ড এইটা করাইছে আমার ভাইরে দিয়ে। আমার হাসব্যান্ড করাইছে, এইটা সামিরার ফ্যামিলি করাইছে আমার হাজব্যান্ডরে দিয়ে, সবাইরে দিয়ে সব চাইনিজ মানুষ। সালমান শাহ আত্মহত্যা করে নাই, শালমান শাহ খুন হইছে।’

নিজের নাম প্রকাশ করে ভিডিওতে বলা হয়, ‘আমি রুবি, এখানে ভেগে আসছি, আমি ভেগে আসছি, এই কেস যেন না শেষ হয়। আমি যেভাবে পারি, ঠিকমত যেন আমি সাক্ষী দিতে পারি। আপনারা আমার জন্য দোয়া করেন।’

তাকেও খুন করার চেষ্টা করা হচ্ছে জানিয়ে রুবি বলেন, ‘আমারেও খুন করার চেষ্টা করা হচ্ছে, দয়া করে আমার জন্য দোয়া করেন। আমি ভাল নাই, আমি কী করবো আমি জানি না, এতটুক জানি যে সালমান শাহ ইমন আত্মহত্যা করে নাই। ইমনরে সামিরা, আমার হাজব্যান্ড ও সামিরার সমন্ত ফ্যামিলি সবাই মিলে খুন করছে। প্লিজ দয়া করে কিছু করেন।’

‘এরা কী মানুষ, পুরা চাইনিজ কমিউনিটি আপনারা জানেন না। আমি পুরা ভেগে আসছি এখানে, কোনো রকমে। দয়া করে একটুখানি কারোরে জানান। কারোরে জানান যে, এটা আত্মহত্যা না, এটা খুন। খুন হইছে। আমার ছোট ভাই রুমিরে দিয়া খুন করানো হইছে। রুমিরেও খুন করা হইছে। আমি জানি না রুমির কবর কোথায় আছে। রুমির যদি কবর থেকে তুলে লাশ তুলে যদি ঠিকমত আবার পোস্টমর্টেম করে, তাহলে দেখা যাবে যে ওরা গলা টিপে মাইরা ফেলছে।’

‘এর মধ্যে আমার খালু মুন্তাজ হাসান আছে, আমার খালাত ভাই জুম্মান থাকতে পারে, হামার হাজব্যান্ড চ্যাং লিং চ্যাং, জন চ্যাং নামে বাংলাদেশে পরিচিত ছিল। সাংহাই চাইনিজ রেস্টুরেন্টের মালিক ছিল ধানমন্ডি ২৭ নম্বর রোডে। দয়া করে কাউরে জানান।’

‘আগি ভেগে আসছি আমার জানের ওপর, আমি লাস্ট মানুষ যে কি না জানে যে, এটা খুন। আমি এটা প্রমাণ করতে পারব ইনশাআল্লাহ।’

‘দয়া করে একটু সাহায্য করেন, একটু সাহায্য করেন। সাংঘাতিক অবস্থা, এরা আমারে বাসার মধ্যে খুন করার প্ল্যান করছিল। আশেপাশে সমস্ত, সুযোগ পায় নাই। আমার জামাইরে আমি জিজ্ঞাস করেছিলাম যে, তুমি আমারে খুন করতে চাও, তাই না? ও বলেছে যে, খুন করলে তো তোরে আমি কবেই খুন করে ফেলতাম।’

‘এইটা তো আমি জানি। এখন আবার খুন করতে চায়, কারণ এখন আবার কেইস ওপেন হইছে। প্লিজ দয়া করে কিছু করেন, দয়া করে জানান।’

সালমান শাহের মা নীলা চৌধুরীকে উদ্দেশ্য করে ভিডিওতে বলা হয়, ‘ভাবি, আপনার ছেলেরে খুন করা হইছে। আমার যা করার আমি করব, আমি ভেগে আছি ভাবি, নাইলে আমারেও মেরে ফেলত এরা সবাই মিলে। লুসি, আমার হাসব্যান্ড জন, সবাই মিলে আমার বাচ্চাটা, আমার বাচ্চা রিকি আর আমার জানের ওপর অনেক জিনিস আছে ভাবি।’

‘দয়া করে কিছু করেন ভাবি, কিছু করেন, কিছু করেন। যেখানেই যান ইনভেস্টিগেশন করেন। এটা খুন ছিল, ইমন আত্মহত্যা করে নাই। সালমান শাহ আত্মহত্যা করে নাই, সালমান শাহ আত্মহত্যা করে নাই ভাবি, সালমান শাহ আত্মহত্যা করে নাই আপনার ছেলে আত্মহত্যা করে নাই, আপনার ছেলেরে খুন করান হইছে। আমার বাপরেও মনে হয় মাইরা ফেলছে ভাবি, আমি জানি না, আমার ভাইটারেও মাইরা ফেলছে মনে হয়।’

‘দয়া করেন, আল্লাহ, আপনি দয়া করেন, কিছু করেন। আসসালামো আলাইকুম আবার। আল্লাহ হাফেজ, বেঁচে থাকলে ইনশাআল্লাহ দেখা হবে’-বলে শেষ করেন রুবি।’

উল্লেখ্য, ১৯৯২ সালে ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ ছবি দিয়ে সালমান শাহের রূপালী মর্দায় যাত্রা শুরু। চার বছরের ক্যারিয়ারে তিনি মোট ২৭টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। এর প্রতিটিই দর্শকপ্রিয়তা পায়। বাংলা চলচ্চিত্রের সর্বকালের ব্যবসা সফল সেরা ১০ চলচ্চিত্রের দুই, তিন ও চার নম্বরে আছে সালমান শাহ অভিনীত সিনেমা।

সালমানের মৃত্যুর পর তার অগুণতি ভক্তকূল একে আত্মহত্যা বলে মেনে নিতে নারাজ ছিল। প্রিয় তারকার মৃত্যুতে বেশ কয়েকজন তরুণী আত্মহত্যাও করেছিলেন।

এই মৃত্যুর পেছনে তার সালমান শাহের মা নীলা চৌধুরী শুরু থেকেই সালমান শাহের স্ত্রী সামিরাকে দায়ী করে আসছিলেন। তিন ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলাও করেছিলেন। এতে সামিরা ছাড়াও আসামি ছিলেন চলচ্চিত্র প্রযোজক আজিজ মোহাম্মদ ভাই এবং ভিডিও বার্তা প্রচারকারী রাবেয়া সুলতানা রুবির নামও রয়েছে।

সালমান শাহের স্ত্রী সামিরা পরে মুস্তাক ওয়াইজ নামে এক ব্যবসায়ীকে বিয়ে করে সংসার করছেন থাইল্যান্ডে। তাদের সংসারে তিনটি সন্তানও রয়েছে। আর রুবি তার স্বামীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়াতে অবস্থান করছিলেন। সুত্রঃসময়ের কণ্ঠস্বর

ভিডিও লিঙ্কঃ  https://youtu.be/-4YFPfjawUg?t=12

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৭আগস্ট,জৈন্তাপুর প্রতিনিধিঃ জৈন্তাপুরে অভিযান চালিয়ে ১৫ বোতল মদ সহ ভারতীয় শিলং তীর নামক জুয়া খেলার মালিক আটক।
৬ আগষ্ট দিবাগত রাত সাড়ে ১১টায় জৈন্তাপুর উপজেলার ফুলবাড়ী গ্রাম হতে গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে অভিযান চালিয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশ চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও ভারতীয় শিলং তীর নামক জুয়া খেলার ২০টি বই’র মালিক নিজপাট ইউনিয়নের মাহুতহাটি গ্রামের রজব আলীর ছেলে রুমেন আহমদ উরফে রুমিন মিয়া(৩৫) কে ১৫ বোতল ভারতীয় অফিসার চয়েছ মদ সহ আটক করে জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশ।

রুমিন দীর্ঘ দিন হতে উপজেলায় মাদক ব্যবসা সহ ভারতীয় শিলং তীর নামক জুয়ার ২০টি বই পরিচালনা করে আসছে। তার নিয়ন্ত্রনে শিলংতীর নামক জুয়া এজেন্টেদের মাধ্যমে পরিচালনা করে উপজেলা মাহুতহাটি গ্রামে জৈন্তাপুর ষ্টেশন বাজার সংলগ্ন জৈন্তাপুর ভূমি অফিস, মা-মার্কেট, জৈন্তেশ্বরী মিউজিয়াম বাড়ী, জৈন্তাপুর পূর্ব বাজার, চাঙ্গীল বাজার, সারীঘাট উত্তরপাড়, সারীঘাট দক্ষিণপাড়, সারীঘাট ওয়াপদা রাস্তার মুখ, লালাখাল বাজার, দরবস্ত বাজার, চতুল বাজারে। শিলং তীরের আড়ালে একটি বড় ধরনের বাহিনীর মাধ্যমে সে মাদক ও সামগ্রী উপজেলার বিভিন্ন প্রান্তে সরবরাহ করে আসছে।

পুলিশ দীর্ঘ দিন হতে অভিযান পরিচালনা করলে সে ধরা ছোয়ার বাহিরে থাকে। অবশেষে গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে ভারত হতে চোরাইপথে মাদকের চালান নিয়ে প্রবেশের প্রক্কালে উপজেলা সীমান্তবর্তী ফুলবাড়ী গ্রাম হতে হাতে নাতে থাকে আটক করে।
এবিষয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য আটকের সত্যতা স্বীকার করে বলেন- মাদক নিমূলে আমাদের চলমান অভিযানের অংশ হিসাবে অভিযান পরিচালনার করে মাদকের চালন নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের প্রক্কালে থাকে আটক করি। তার বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে যাহার মামলা নং-০১, তারিখঃ ০৭-০৮-২০১৭। আদালতের মাধ্যমে রুমিনকে জেল হাজতে প্রেরন করি।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৭আগস্ট,জৈন্তাপুর প্রতিনিধিঃ জৈন্তাপুর উপজেলার পল্লী দাদন ব্যবসায়ীর সুধের বোঝা সইতে না পেরে পেরে ৫সন্তানের জনকের আত্মহত্যা।
ইউপি চেয়ারম্যান ও এলাকাবাসীর সূত্রে জানাযায়- জৈন্তাপুর উপজেলার চারিকাটা ইউনিয়নের ভিত্রিখেল(পশ্চিম) গ্রামের মুবেশ্বর আলীর ছেলে ৫সন্তানের জনক মঞ্জুর আহমদ(৪০) ব্যবসা করতে গিয়ে নিজের পুজি হারিয়ে পূণরায় ব্যবসা পরিচালনা করতে তাহার একমাত্র বসত ভিটে বিক্রি করে ঘুরে দাড়াবার চেষ্টা করেও ব্যার্থ হন। অবশেষে শেষ চেষ্টা হিসাবে নিজের সব কিছু হারিয়ে দারস্তহন দাদন ব্যবসায়ীদের নিকট। মাসিক চড়া সুদে দাদন ব্যবসায়ীদের নিকট হতে ঋন নিয়ে পুনরায় ব্যবসায় নামেন। কিন্তু প্রতি মাসে দাদন ব্যবসায়ীদের সুদ পরিশোধ করতে গিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েন তিনি। এনিয়ে দাদন ব্যবসায়ীর সাথে দেখাদেয় বিরোধ। মঞ্জুর ০৫ আগষ্ট শনিবার দরবস্ত বাজারের দাদন ব্যবসায়ীদের কাছে এসে সর্বশান্ত হওয়ার কথা জানায় তারপরও সুদের টাকা ছাড় করেনি দাদন ব্যাবসায়ী। দরবস্ত থেকে চতুল বাজার হয়ে রাত ১২ঘটিকার সময় নিজ বাড়িতে ফিরে যায়, পরিবারের লোকজন ঘুমিয়ে পড়লে কৌশলে নিজবাড়ীর নিকট রাজবাড়ীর টিলায় গাছের সাথে রশি ঝুলিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার করে মঞ্জুর।
এব্যাপারে চারিকাটা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ আলম চৌধুরী তোফায়েল জানান- ৬ আগষ্ট রবিবার সকাল সাড়ে ৯টায় মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ঘটনার সংবাদ শুনতে পান। থানা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করেন এবং ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তিনি আরও বলেন মঞ্জুর ঋণগ্রস্ত হয়ে তার বসত বাড়ী বিক্রি করে অনেক আগে। তিনি লোক মুখে জানতে পেরেছেন মঞ্জুর দাদন ব্যবসায়ীদের নিকট হতে ঋণ নিয়েছে, তাদের পাওনা পরিশোধ করতে না পেরে আত্মহত্যার পথ বেচে নিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এবিষয়ে জৈন্তাপুর মড়েল থানার অফিসার ইনর্চাজ খান মোঃ মায়নুল জাকির বলেন- চেয়ারম্যানর মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে দুপুর ১টায় এস.আই নবী হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে রশিতে ঝুলিয়ে থাকা মঞ্জুরের নিতর দেহটি নিচে নামিয়ে সুরতহাল রির্পোট তৈরী করে ময়না তদন্তের জন্য সিলেট ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের প্রেরন করা হয়। এঘটনায় জৈন্তাপুর মডেল থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৭আগস্ট,নবীগঞ্জ প্রতিনিধিঃহবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ সদর থেকে প্রকাশিত প্রথম প্রকাশিত দৈনিক বিবিয়ানা পত্রিকার বার্তা সম্পাদক পদে যোগ দিয়েছেন নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক তরুন সাংবাদিক মতিউর রহমান মুন্না। তিনি বাংলা টিভি (ইউকে), ৭১ নিউজ টিভি, ইংরেজি জাতীয় দৈনিক বাংলাদেশ টুডে ও সিলেটের যুগভেরী পত্রিকার নবীগঞ্জ প্রতিনিধি হিসাবে দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন।

এর আগে নবীগঞ্জের সর্ব প্রথম অনলাইন পত্রিকা নবীগঞ্জ নিউজের বার্তা সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। গত ০৬ আগষ্ট রবিবার বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক ফখরুল ইসলাম চৌধুরী সাংবাদিক মতিউর রহমান মুন্নাকে বার্তা সম্পাদক পদে নিয়োগ দেন।

সাংবাদিক মতিউর রহমান মুন্না ১৯৯৫ সালের ২০ জুলাই নবীগঞ্জ উপজেলার গজনাইপুর ইউনিয়নের কায়স্থগ্রামে এক মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেছেন। তিনিঁ দেশের বিভিন্ন জাতীয়, সিলেট ও হবিগঞ্জের আ লিক বিভিন্ন পত্রিকায় দক্ষতার সাথে প্রতিনিধির দায়িত্ব পালন করেন। তিনি পেশাগত ভাবে দায়িত্ব পালন করে সেরা প্রতিনিধি হিসেবে একাধিকবার পুরুস্কারপ্রাপ্ত হন। বর্তমানে কর্মময় জীবনে নানা বাধা বিপত্তির মধ্য দিয়ে ক্ষমতাসীনদের রক্তচক্ষুকে ভয় না করে সত্য বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশে সচেষ্ট রয়েছেন।

তিনি বর্তমানে নবীগঞ্জ প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। বিবিয়ানা পত্রিকায় নতুন দায়িত্ব পালনে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৭আগস্ট,নিজস্ব প্রতিবেদকঃ  শয্যাশায়ী মায়ের পাশ থেকে নিয়ে যাওয়া শিশুকে বাঘের মুখ থেকে ফিরিয়ে আনলেন এক মা। পরে আহত শিশু ছফিনা খাতুনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।বানিয়াচং উপজেলার বড়সড়ক গ্রামের আজিজুর রহমানের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, শনিবার রাতে আজিজুর রহমানের স্ত্রী লাইলী আক্তার তাঁর ৭ মাসের কন্যা ছফিনা খাতুনকে নিয়ে অন্যান্য দিনের মতো কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন। ভোরে কোন এক সময় ছফিনাকে মায়ের পাশ থেকে নিয়ে যায় একটি মেছোবাঘ। কিছুই ঠের পাননি লাইলীসহ তার পরিবারের লোকজন।
পরে বাঘের কামড়ে শিশুর কান্নাকাটি শুরু করলে কান্নার শব্দ শুনে ঘুম থেকে জেগে উঠেন মা লাইলীসহ স্বজনরা। তারা ঘরের বাইরে গিয়ে দেখতে পান তাদের আদরের ছফিনা বাঘের মুখে। বাঘ তাকে মুখে নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। এ সময় পরিবারের লোকজন বাঘটিকে ধাওয়া করে। বাঘ লোকজনের ধাওয়া খেয়ে ছফিনাকে রেখে পালিয়ে যায়।

এদিকে বাঘের নখের আছরে শিশু ছফিনা গুরুতর আহত হয়। পরে আহত অবস্থায় রবিবার সকালে তাকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৭আগস্ট,বেনাপোল প্রতিনিধি: বেনাপোল বন্দর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও বাংলানিউজ’র ষ্টাফ রিপোর্টার আজিজুল হক বিজিবি কর্তৃক শারীরিক ভাবে লাি ত হওয়ার ঘটনায় যশোরের শার্শা উপজেলার সকল সাংবাদিকরা মুখে কালো কাপড় বেঁধে মৌন মিছিল, যশোর-কোলকাতা মহাসড়কের উপর অবস্থান ধর্মঘট ও প্রতিবাদ সভা করেছে।

রবিবার বেলা ১১টার সময় নাভারণ হাসপাতাল মোড় থেকে মুখে কালো কাপড় বেধে সাংবাদিকরা মৌন মিছিল সহকারে সাতক্ষীরা মোড়ে উপস্থিত হয়। পরে যশোর-কোলকাতা মহাসড়কের উপর প্রায় ১ঘন্টা যাবত অবস্থান কর্মসূচী ও প্রতিবাদ সমাবেশ করে। এ সময় রাস্তার দু’পাশে পণ্যবাহী আমদানি-রপ্তানি ট্রাক, দূর-দূরান্তরের পরিবহনসহ সকল ধরনের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। কয়েক’শ পরিবহন দাঁড়িয়ে থাকায় আমদানি-রপ্তানি বানিজ্যের ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে পুলিশের এমন অনুরোধের উপর বিবেচনা করে বিশেষ কর্মসূচী হাতে নিয়ে  অবস্থান ধর্মঘট সমাপ্তি করা হয়। সে সাথে সোমবার সকালের মধ্যে নির্যাতনকারী ৪৯ বিজিবি’র (সিও) লে. কর্ণেল আরিফুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা না হলে একই দিন সোমবার বেলা ১১টার সময় যশোর জেলার সকল সাংবাদিকরা একত্রিত হয়ে দড়াটানা এলাকায় অবস্থান ধর্মঘট, প্রতিবাদ সমাবেশ ও জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারক লিপি প্রদাণ করার ঘোষণা দেয়।

উক্ত প্রতিবাদ সমাবেশে প্রেসক্লাব শার্শার সভাপতি আব্দুল মুননাফ এর সভাপতিত্বে আলোচনায় প্রধাণ বক্তা হিসেবে অংশ নেন বাংলাদেশ ফেডারেল সাবাদিক ইউনিয়ন নেতা প্রণব ঘোষ।

শার্শা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ইয়ানুর রহমানের সার্বিক পরিচালনায় উক্ত অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন, প্রেসক্লাব শার্শার সাবেক সভাপতি আসাদুজ্জামান আসাদ, শার্শা সাংবাদিক কল্যান সংস্থার সভাপতি আমিনুর রহমান, এটিএন বাংলার বেনাপোল প্রতিনিধি আহম্মদ আলী শাহীন, বেনাপোল বন্দর প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ কাজিম উদ্দিন, রিপোটার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম, বাংলানিউজের যশোর ষ্টাফ রিপোর্টার উত্তম ঘোষ, বেনাপোল প্রেসক্লাবের সদস্য সাজেদুর রহমান, মিলন খান, প্রেসক্লাব বেনাপোলের সভাপতি এনামুল হক, বাগআঁচড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি ইন্তাজুর রহমান মুকুল, সাধারণ সম্পাদক আবু সাইদ, আইসিটি প্রেস ক্লাবের সভাপতি আরিফুল ইসলাম, শার্শা প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক সম্পাদক এম ওসমান, প্রচার সম্পাদক আজিজুল ইসলাম, শার্শা সাংবাদিক কল্যান সংস্থার সহ-সভপতি আব্দুর রহমান, প্রচার সম্পাদক আসাদুর রহমান, বেনাপোল বন্দর প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি আবুল বাশার, সাংগঠনিক সম্পাদক আনিছুর রহমান, কোষাধ্যক্ষ মোস্তাফিজুর রহমান বাবু, শাহনেওয়াজ মল্লিক স্বপন, সাংবাদিক রিপন, বাবু, সাহাবুদ্দিন আহম্মেদ, তৌহিদুর রহমান, বাচ্চু হাওলাদার, আব্দুর রহমান প্রমুখ।

গত ৪ আগষ্ট বন্দর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও বাংলানিউজ’র ষ্টাফ রিপোর্টার আজিজুল হককে ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের কমান্ডিং অফিসার (সিও) লে. কর্নেল আরিফ কর্তৃক মারধরের ঘটনায় এ মৌন মিছিল, রাস্তায় অবস্থান ধর্মঘট ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় শার্শা উপজেলার সকল সাংবাদিকদের সর্বসম্মতিক্রমে প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আসাদুজ্জামান আসাদকে আহবায়ক ও বেনাপোল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বকুল মাহবুবকে সদস্য সচিব মনোনীত করে ২৫ সদস্য বিশিষ্ঠ একটি সংগ্রাম পরিষদ গঠন করা হয়।

 “এমন দাবী করেছেন বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারন সম্পাদক”

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৭আগস্ট,নড়াইল প্রতিনিধিঃ  মানবতা বিরোধী অপরাধ ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ও বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্যপরিষদের সাধারন সম্পাদক এ্যাডঃ রানাদাশ গুপ্ত বলেছেন, গত ছয় মাসে নড়াইল থেকে কমপক্ষে ১২ টি পরিবার দেশ ত্যাগে বাধ্য হয়েছে ।  এখানে দিনদিন ভোটার সংখ্যা কমে যাচ্ছে। এর প্রধান কারন জমি দখল, নিারাপত্তা হিনতাসহ বিচার না পাওয়া ও বিচার দৃশ্যমান না হওয়াকেই দায়ি করেন তিনি।

রবিবার দুপুরে নড়াইল প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি সদরের সিঙ্গাশোলপুর গ্রামে গত ৩০ জুলাই নির্মম হত্যাকান্ডের শিকার নির্মল রায়ের বাড়ী যান এবং তার পরিবার ও এলাকার লোকজনের সাথে কথা বলেন।

এসময় বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের যুগ্ম-সম্পাদক নির্মল চ্যাটার্জি, জেলা পূজা উদযাপন পর্ষদের সভাপতি অশোক কুমার কুন্ডু, যুগ্ম-সম্পাদক বাবুল কুমার সাহা, হিন্দু, বৈদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্যপরিষদের জেলা সভাপতি মলয় কান্তি নন্দী প্রমূখ।

প্রসঙ্গত, দির্ঘদিন ধরে সিঙ্গাশোলপুর গ্রামের মিল্টন প্রতিবেশী নির্মল রায় জায়গা দখল এবং দেশ ছাড়া করতে বিভিন্ন ভাবে ষড়যন্ত্র করে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৯ জুলাই রাত সাড়ে ১০টার দিকে সিঙ্গাশোলপুর গ্রামের প্রভাবশালী মিল্টন কাজী ও তার লোকজন তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পার্শ্ববর্তী সিঙ্গাশোলপুর হাই স্কুল মাঠের মধ্যে বেধড়ক মারধর করে।

পরে চিকিৎসার অভাবে আঘাতজনিত কারনে ৩০ জুলাই রাতে তার মৃত্যু হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। এঘটনায় ২ আগস্ট রাতে সদর থানায় ৭ জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করা হয়। পুলিশ এঘটনায় ৩ জনকে গ্রেফতার করে।