Tuesday 12th of December 2017 01:07:06 AM

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৫আগস্ট,নড়াইল  প্রতিনিধিঃ নড়াইলের ২৯টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ২০১৭ সালেরর এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ২৮৩ জন শিক্ষার্থীকে সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।  শনিবার (৫ আগস্ট) দুপুরে লোহাগড়া উপজেলার আরএল পাশা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্বরে এ সম্মননা দেয়া হয়।

সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে এসএসএফ’র সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অবঃ) আমান হাসানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন শিক্ষানুরাগী শেখ আমিনুর রহমান হিমু। এসময় ভূমি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ, ইউ, এস, এম সাইফুল্লাহ, জেলা আইনজীবী সমিতির সহ-সভাপতি এ্যাডঃ আব্দুস ছালাম খান, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিন তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সম্পাদক চৈতী রানী বিস্বাস, নড়াইল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক ইদ্রিস আহম্মেদসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষানুরাগী শেখ আমিনুর রহমান প্রত্যেক কৃতি শিক্ষার্থীকে একটি সম্মাননা পদক এবং ৫শ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন।

 

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৫আগস্ট,চান মিয়া,ছাতক (সুনামগঞ্জ):ছাতকে দূরপাল্লার বাসও একটি কারের মূখোমূখি সংঘর্ষে একজন নিহত ও ৩জন আহত হয়েছেন। শনিবার সকাল পৌনে ৮টায় সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের জাতুয়া বোকার ভাঙ্গা এলাকায় এঘটনা ঘটে।

ঘটনার সময় ঢাকা থেকে সুনামগঞ্জগামি একটি সৌদিয়া বাস ও সিলেটমূখি একটি কার সড়কের ছাতকস্থ দক্ষিণ খুরমা ইউপির জাতুয়া বোকার ভাঙ্গা এলাকায় মূখোমূখি সংঘর্ষ ঘটে। এতে কারের যাত্রি সুনামগঞ্জ হাছনবাহার এলাকার সামছ উদ্দিনের পুত্র সাহাব উদ্দন (১৮) ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করে।

এসময় কারের আরো ৩জন যাত্রি গুরুতর আহত হলে তাদেরকে আশংকাজনক অবস্থায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদের নাম পরিচয় জানা যায়নি। জয়কলস হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ শাহজাহান দূর্ঘটনা কবলিত গাড়ি আটক ও আহতদের হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানান।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৫আগস্ট,চান মিয়া,ছাতক (সুনামগঞ্জ):ছাতকে পুলিশ ও এলাকাবাসির হস্তক্ষেপে ভয়াবহ সংঘর্ষ থেকে রক্ষা পেয়েছে ৫টি গ্রাম। শনিবার সকালে পূর্বঘোষিত এ রক্তক্ষয়ি সংঘর্ষ হওয়ার কথা ছিল। উপজেলার চরমহল্লা ইউনিয়নের চরকালিদাস, চরচৌলা, টেটিয়ারচর ও চুনারুচর গ্রামবাসির সাথে বল্লভপুর গ্রামবাসির তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে সংঘর্ষের পূর্বনির্ধারিত তারিখ ছিল।

শুক্রবার বিকেলে টেটিয়ারচরবাজারে সওদা ক্রয়ের বিষয় নিয়ে বল্লভপুর গ্রামের আনফর আলীর সাথে টেটিয়ারচর গ্রামের জিতু মিয়ার হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এনিয়ে আনফরের পক্ষে বল্লভপুর ও জিতু মিয়ার পক্ষে টেটিয়ারচরসহ ৪টি গ্রামবাসির সংঘর্ষের জন্যে শনিবার সকালে দিন-তারিখ ধার্য্য করা হয়। খবর পেয়ে স্থানীয় গন্যমান্য লোকজন ও পুলিশের হস্তক্ষেপে অবশেষে ভয়াবহ সংঘর্ষের কবল থেকে রক্ষা পেয়েছে ৫টি গ্রামের মানুষ।

সংঘর্ষ হলে বড় ধরনের হতাহতের আশংকা ছিল এমন ধারনা অভিজ্ঞমহলের। এব্যাপরে ইউপি চেয়ারম্যান মাষ্টার আবুল হাসনাত জানান, পুলিশ ও এলাকাবাসিকে নিয়ে বিষয়টি দমন করতে সক্ষম হয়েছেন। ছাতক থানার অফিসার্স ইনচার্জ আতিকুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ প্রেরণ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করায় বড় ধরনের বিপর্যয়ের হাত থেকে গোটা এলাকাবাসি রক্ষা পেয়েছে।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৫আগস্ট,জহিরুল ইসলাম,নিজস্ব প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারে শ্রীমঙ্গলে  মোহাজেরাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী লাইব্রেরিয়ান পদ থেকে অব্যাহতি পেয়ে বিক্ষুদ্ধ হয়ে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে  ঘোষের অভিযোগ তুলেছেন ঐ সহকারী লাইব্রেরিয়ান। এদিকে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করায় ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠেছেন বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি,ছাত্র-ছাত্রী ও এলাকাবাসী।

জানা যায়,অবৈধ ঘোষিত দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদের কারনে মোহাজেরাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী লাইব্রেরিয়ান মো: সরওয়ার হোসেন সম্প্রতি চাকুরীচ্যুত হন। এরই প্রেক্ষিতে তার পিতা আব্দুল হান্নান মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক বরাবরে একটি অভিযোগ করেন। অভিযোগে তিনি দাবী করেন নিয়োগ ও এমপিওভুক্তির জন্য তিন ধাপে সাড়ে ৩ লক্ষ টাকা প্রদান করেছেন।

অনুসন্ধানে জানা যায়, মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে মোহাজেরাবাদ গ্রামের আব্দুল হান্নানের পুত্র মো: সরওয়ার হোসেন ২০১০ইং সালে শ্রীমঙ্গল সরকারী কলেজ থেকে ৩য় বিভাগে স্নাতক পাস করেন। তবে চাকুরীর জন্য ৩য় বিভাগ গ্রহনযোগ্য না হওয়ায় তিনি একই সময়ে  চাকুরীর জন্য অবৈধ ঘোষিত দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক সম্মান এর  আরও একটি সনদ নিয়ে আবেদন করে চাকুরী প্রাপ্ত হন। হাইকোর্টের নির্দেশে  ২০০৬ সালের পর থেকে দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সনদ অবৈধ ঘোষিত হলে তাকে বিদ্যালয় থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

এদিকে তিনি একই সাথে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও  দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে যথাক্রমে স্নাতক পাস ও স্নাতক সম্মান পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সনদপত্র গ্রহন নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে একটি সনদ টাকা দিয়ে কিনে আনার।

অনুসন্ধানে জানা যায়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর ও অবৈধ ঘোষিত দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়, ৬/ক, ১/২১( ৩য় তলা), মিরপুর -১০, ঢাকা – ১২১৬ থেকে সনদ  গ্রহণের খবর পাওয়া গেছে এবং দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিপ্লোমা ইন লাইব্রেরী এন্ড ইনফরমেশন সাইন্স কোর্স সম্পন্ন দেখিয়ে শ্রীমঙ্গলের মোহাজেরাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০১৩ সালের ২৫ মার্চ  ‘সহকারী গ্রন্থাগারিক’ পদে নিয়োগ কমিটির মাধ্যমে নিয়োগ প্রাপ্ত এবং পরবর্তীতে এমপিওভুক্ত করার জন্য কাগজপত্র প্রেরণ করা হয়। সে ২০০৬-০৭ সেসনে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে শ্রীমঙ্গল সরকারী কলেজের বি.এ. কোর্সের নিয়মিত ছাত্র হিসেবে ২০১০ সালের ডিগ্রী পাস কোর্স পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ৩য় স্থান অর্জন করে।তার রেজিঃ নং-৬৬৭০০৯৭ও রোল নং ঃ ১৪৩৯৬০।

এছাড়া,হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী বিগত ২০০৬ সাল থেকে বন্ধ হয়ে যাওয়া অবৈধ দারুল ইহসান ইউনিভার্সিটি থেকে সে ২০১০ সালে ইসলামিক স্ট্যাডিজ বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে সিজিপিএ ৩.৪৩ পেয়ে উর্ত্তীর্ণ হয়। তার সনদের সিরিয়েল নং – ০০৫৪৩৩ এবং ফল প্রকাশের তারিখ ১০ জানুয়ারী ২০১১, রেজিঃ নং -০৭১০০৮২৬১৮ রোল নং -২৬১৮, পিরিয়ড – স্প্রিং ২০০৭- ফল্ – ২০১০। তাছাড়া সে ২০১২ সালের ডিপ্লোমা ইন লাইব্রেরী এন্ড ইনফরমেশন সাইন্স কোর্স সিজিপিএ ৩.৫( এভারেজ গ্রেড -‘এ’)পেয়ে উর্ত্তীর্ণ হয় যার রেজিঃ নং – ১১১২১০৮৫০৩০,রোল নং-৫০৩০, সনদ নং-০০৩০২১,শিক্ষাবর্ষ- সামার-২০১১-স্প্রিং- ২০১২,প্রোগ্রাম সম্পাদনের তাং-৩০ এপ্রিল ২০১২।

উক্ত বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি মো: সেলিম আহমেদ জানান, হাইকোর্ট বিতর্কিত দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০৬ সালের পর থেকে সকল সনদ বাতিল করে। এবিষয়ে হাইকোর্টেও আপিল থাকায় আমরা ২০১৭ সালের ফেব্ররুয়ারী পর্যন্ত তাকে স্বপদে বহাল রাখি।  কিন্ত আপিল খারিজ হয়ে যাওয়া আমরা বিদ্যালয় থেকে অব্যাহতি দেই ।

এদিকে বিদ্যালয় থেকে অব্যাহতি প্রাপ্ত সহকারী লাইব্রেরিয়ান মো: সরওয়ার হোসেন’র পিতা মো: আব্দুল হান্নান  শনিবার দুপুরে শ্রীমঙ্গল প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করে। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নিয়োগের জন্য সাড়ে তিন লক্ষ টাকা ঘোষ দিয়েছেন বলে জানান।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামরুল হাসান জানান, ২০১৩ইং সালে শ্রীমঙ্গল মোজেরাবাদ উচ্চ বিদ্যালয়ে ১ সহকারী শিক্ষক ,এক লাইব্রেরিয়ান এবং ১ জন ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী পদের জন্য নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করলে নিয়ম অনুসারে তারা নিয়োগ প্রাপ্ত হন। সরওয়ার হোসেন’র কাগজপত্র কয়েকবার এমপিও ভুক্তির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করা হয়। কিন্ত তার ডিগ্রীর সনদ দারুল ইহসান ইউনির্ভাসিটি হওয়ায় এবং ইউজিসি কর্তৃক স্বীকৃত না হওয়ায় তার আবেদন পত্রটি প্রত্যাখান হয়। তাকে অব্যাহতি প্রদানের ফলে ক্ষুদ্ধ হয়ে আমার বিরুদ্ধে তার পিতা আব্দুল হান্নান উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে নিয়োগকালে ঘুষ লেনদেনের মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করে।

দুটি সনদ সম্পর্কে শ্রীমঙ্গল সরকারী কলেজের ভাইস্ প্রিন্সিপাল আবুল কালাম আজাদ বলেন‘একই ব্যক্তি একই সাথে দুটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সনদ গ্রহণ করা, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি নীতিমালার পরিপন্থি ও অপরাধ। যদি ঐ ব্যক্তির অপরাধ প্রমাণিত হয় তাহলে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তার সনদ বাতিল সহ আইনানুগ যেকোন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে।

এদিকে অব্যাহতি প্রাপ্ত সহকারী লাইব্রেরিয়ান মো:সরওয়ার হোসেন বলেন,বিদ্যালয়ে তাকে আরোও ছয় মাসের সময় দেওয়ার জন্য। ঘোষের টাকা তিনি দেননি বিষয়টি তার পিতা জানেন।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৫আগস্ট,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃসুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা সীমান্তে ইয়াবা সহ মোঃ রহিছুল ইসলাম নামে এক যুবক আটক করেছে পুলিশ।

আটককৃত যুবক উপজেলার উত্তর শ্রীপুর ইউনিয়নের কলাগাঁও গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিত্বে ট্যাকেরঘাট পুলিশ ফাঁড়ির এসআই ইমাম ট্যাকেরঘাট শহীদ মিনারের সামনে ইয়াবা বিক্রি করা অবস্থায় থাকে তাকে আঠক করে। পরে থাকে তাহিরপুর থানার সোপর্দ করে। তাহিরপুর থানার ওসি নন্দন কান্দি ধর এঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৫আগস্ট,চুনারুঘাট প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের গঙ্গানগর গ্রামবাসীর সাথে মতবিনিময় করেছেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো: আবু তাহের। এসময় তিনি গ্রামবাসীর দাবীকৃত রাস্তার জন্য ৫ লক্ষ টাকা ও দক্ষিণ গঙ্গানগর জামে মসজিদের উন্নয়নের জন্য ২ লক্ষ টাকাসহ স্বাধীন বাংলা ক্লাবকে ১ টন টি আর প্রদানের ঘোষনা দেন। গতকাল শুক্রবার দক্ষিণ গঙ্গানগর নতুন মসজিদের সামনে বিশিষ্ট মুরুব্বী আ: রউফ মিয়ার সভাপতিত্বে ও মিলন ভূইঁয়ার পরিচালনায় মতবিনিময় সভা অনুষ্টিত হয়।

এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান মো: আবু তাহের বলেন, রাজনীতি ও জন সেবাকে আমি একটি পবিত্র কাজ মনে করি। সে লক্ষ্যে আপনাদের জন্য কাজ করে যাচ্ছি। এতে সমালোচনা ও মিথ্যাচার করে লাভ হবে না। ২০২১ সালে মধ্য আয়ের দেশ, ২০৪১ সালে উন্নত রাষ্ট্র গঠনে জননেত্রী শেখ হাসিনার সরকার বদ্ধপরিকর। আমরা সে লক্ষ্যেই গ্রাম গঞ্জে কাজ করে যাচ্ছি। নির্বাচনের সময় পানি পড়া ও তাবিজ পড়া দিয়ে মহিলা ভোটারদের বিভ্রান্ত সৃষ্টি করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন। সাধারণ মানুষ সরকারের সু-ফল পেতে শুরু করেছে।

তাই আগামী নির্বাচনেও শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করার আহবান জানান। সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল লতিফ, আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি অধ্যক্ষ আলাউদ্দিন, সেক্রেটারী প্রফেসার আবু নাসের, সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান ও আলী রহমান, মিরাশী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সেক্রেটারী আ: সামাদ মাষ্টার, সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক রাজু, আজকালের খবরের চুনারুঘাট প্রতিনিধি এম এস জিলানী আখনজী, বিশিষ্ট মুরুব্বী মানিক সিং চৈত্রী, নুরুল আলম চাঁন মিয়া, হাফেজ ইব্রাহিম, ব্যবসায়ী সুহেল আহমেদ, বকুল মিয়া ও জুনেদ লতিফ প্রমূখ।

“নড়াইলে ঘরামি নির্মল রায়ের মরদেহ সুরত হাল রিপোর্টের জন্য পূনরায় উত্তোলন,বিচারের দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ”

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৫আগস্ট,নড়াইল প্রতিনিধিঃআদালতের আদেশে নড়াইল সদর উপজেলার সিঙ্গাশোলপুর গ্রামে নিরীহ ঘরামি নির্মল রায়ের (নিল কালি) (৫৩) মরদেহ সুরত হাল রিপোর্টের জন্য পূনরায় উত্তোলন করা হয়েছে। শুক্রবার (৪ আগস্ট) বিকেল ৩টার দিকে সদরের বড়গাতি শ্মশান থেকে তার লাশ উত্তোলন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ম্যাজিস্ট্রেট আজিম উদ্দীন, সদর থানার ওসি দেলোয়ার হোসেন, ওসি (তদন্ত) জুলফিকার আলী, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর থানার এসআই ভবতোষ, সিঙ্গাশোলপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান উজ্জল শেখ, নির্মল রায়ের স্ত্রী সুনিতা রায়, ছেলে নৃপেন রায়সহ পরিবারের সদস্যসহ বিপুর সংখ্যক লোক উপস্থিত ছিলেন। আগের ময়নাতদন্তের রির্পোট না আসায় পুনরায় ময়নাতদন্ত হচ্ছে না।
মামলার বাদি পক্ষের উকিল এ্যাডঃ উত্তম ঘোষ জানান, স্থানীয় মীর্জাপুর পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ এস.আই নাজমুল হক নিহতের শরীরের বাম উরুতে একটিমাত্র কালসে দাগ ছিল বলে সুরত হাল রিপোর্টে জানিয়েছেন। শরীরের অন্য কোনো জায়গায় আঘাতের চিহৃ ছিল না। কিন্তু বাদি, নিহতের স্ত্রী-সন্তানসহ প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছে লাশের শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহৃ ছিল। সে কারনে নিহতের ভাইপো মামলার বাদি গনেশ রায় পূনরায় লাশ উত্তোলন করে সুরত হাল রিপোর্ট প্রস্তুত এবং পূনরায় ময়নাতদন্তের জন্য আদালতে আবেদন করেন। এর ভিত্তিতে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট, নড়াইলের বিচারক মো
জাহিদুল আজাদ বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) বিকেলে একজন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট দ্বারা লাশ উত্তোলন, সুরত হাল রিপোর্ট এবং পূনরায় ময়নাতদন্তের আদেশ দিয়েছেন।
এ দিকে হত্যার অভিযোগ বিচারের দাবিতে বৃহস্পতিবার নড়াইল-সিঙ্গাশোলপুর সড়কে সিঙ্গাশোলপুর হাই স্কুলের পার্শ্বে এলাকাবাসীর আয়োজনে মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ্যাডঃ সুবাস চন্দ্র বোস, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক বাবুল সাহা, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক মলয় নন্দী, সাধারন সম্পাদক আশিষ বিশ্বাস ,সিঙ্গাশোলপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি শ্যামল বিশ্বাস, সাধারন সম্পাদক লিয়ান মোল্যা, ৭নং ওয়ার্ড মেম্বর শেখর বিশ্বাস, বাবলু বিশ্বাস, নিহতের স্ত্রী সুনীতা রায় প্রমুখ । বক্তারা ঘটনার তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করে দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার এবং বিচারের দাবি জানান।
মামলার বিবরনে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে সিঙ্গাশোলপুর গ্রামের মিল্টন প্রতিবেশী নির্মল রায় (নিল কালির জায়গা দখল এবং দেশ ছাড়া করতে বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্র করে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার (২৯ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে সিঙ্গাশোলপুর গ্রামের প্রভাবশালী মিল্টন কাজী ও তার লোকজন তাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে পার্শ্ববর্তী সিঙ্গাশোলপুর হাই স্কুল মাঠের মধ্যে বেধড়ক মারধর করে। পরে তাকে কোনো চিকিৎসা পর্যন্ত করাতে দেয়নি এবং কাওকে এ ঘটনা জানাতেও নিষেধ করে। তারা নির্মল রায়ের বাড়িতে পাহারা পর্যন্ত বসায়। পরে চিকিৎসার অভাবে আঘাতজনিত কারনে রবিবার রাতে তার মৃত্যু হয়। প্রতিবেশী সুজয় বিশ্বাস (২৫) জানান, নিল কালির বাড়ির পূর্ব পার্শ্বে মিল্টন কাজির বাড়ি। নিলকে মারার পর তাকে বাড়ি থেকে বের হতে দেয়নি। মিল্টনের লোকজন দিয়ে তাদের এক প্রকার অবরুদ্ধ করে রাখে। নিলের স্ত্রী সুনিতা অন্য কাওকে দিয়ে গোপনে কয়েকটা ব্যাথার বড়ি ইটোরিক্স কিনে এনে খাওয়ায়।
নিহত নির্মল রায়ের স্ত্রী সুনিতা রায় ও ছেলে নৃপেন রায় জানান, নিহতের শরীরে অসংখ্য আঘাতের চিহৃ রয়েছে। স্থানীয় অর্পনা রায় বলেন, নীল কালির উরু থেকে বুক পর্যন্ত হাতুড়ির আঘাতের চিহৃ রয়েছে। রক্ত জমাট বেধে কালো হয়ে গিয়েছিল। আসামিরা নিহতের লাশ দাহ করার চেষ্টা করেছিল। গ্রামবাসি তাকে দাহ না করে সমাদি দেয়।
নড়াইল সদর থানার ওসি দেলোয়ার হোসেন জানান, মিল্টন কাজী, তার মা ফিরোজা বেগমকে হুকুমের আসামি করে ২ আগষ্ট ৭জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় ২জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলো সিঙ্গাশোলপুর গ্রামের ফিরোজা বেগম এবং একই গ্রামের আলুফ শেখের পূত্র জাহাঙ্গীর শেখ (৩৭)। এলাকায় পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে।