Wednesday 18th of October 2017 10:38:51 PM

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩আগস্ট,চুনারুঘাট প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনটি চুনারুঘাট ও মাধবপুর উপজেলার সমন্বয়ে গঠিত। চা বাগান বেষ্টিত এ আসনটি দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামীলীগের দখলে রয়েছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সরকার গঠনের পর সংসদে এই আসনের প্রথম সংসদ সদস্য ছিলেন বর্তমান এমপি এড. মাহবুব আলীর পিতা মরহুম মাওঃ আসাদ আলী এমপি। তারপর সাবেক সমাজকল্যাণ মন্ত্রী মরহুম এনামুল হক মোস্তফা শহীদ ৬ বারের এমপি ছিলেন।

সমাজ কল্যাণ মন্ত্রী ও ৬ বারের নির্বাচিত এমপি এনামুল হক মোস্তফা শহীদের বার্ধক্যজনিত ও অসুস্থতার সুযোগে এবং নেত্রীর মন জয় করে এড. মাহবুব আলী ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চুনারুঘাট-মাধবপুর আসনে আওয়ামীলীগের মনোনয়ন লাভ করে চুনারুঘাট-মাধবপুরের আওয়ামীলীগ নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করে সাথে নিয়ে গত ৫ জানুয়ারি ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের মনোনীত প্রার্থী এড. মাহবুব আলী আওয়ামীলীগ থেকে বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং চুনারুঘাট-মাধবপুরবাসীর মাঝে চমক সৃষ্টি করেন।

চুনারুঘাট-মাধবপুর আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে দু’উপজেলার নেতাকর্মীদের মাঝে সময় দিয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন ও জননেত্রী শেখ হাসিনার ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে ব্যাপক উন্নয়নমূলক কাজ চালিয়ে যান। আগের তুলনায় বর্তমানে দলের অধিকাংশ নেতাকর্মী এড. মাহবুব আলীর সাথে আছেন। ইতোমধ্যেই মাধবপুর ও চুনারুঘাট উপজেলা আওয়ামীলীগ, যুবলীগসহ সহযোগি সংগঠনের সকল নেতাকর্মীদের নিয়ে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের উদ্বোধন ও ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন এবং আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

এলাকায় ভালো মানুষ হিসেবে খ্যাত, পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ ও সাদামনের মানুষ বর্তমান সংসদ সদস্য এড. মাহবুব আলী মাধবপুর-চুনারুঘাটবাসীর উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা রাখছেন। এড. মাহবুব আলী এমপির ব্যক্তিগত সহকারী মোছাব্বির হোসেন বেলাল মাধবপুর ও চুনারুঘাট উপজেলার নেতাকর্মী ও জনসাধারণের মাঝে সেবামূলক সহযোগিতা ও আচার-আচরণের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মন জয় করে এমপি এড. মাহবুব আলীর সুনাম বৃদ্ধি করে চলেছেন।

চুনারুঘাটের একাধিক লোক জন ও নেতাকর্মী এবং সাধারণ মানুষের সাথে এড. মাহবুব আলী এমপি’র উন্নয়নমূলক সহ বিভিন্ন কার্যক্রমের বিষয়ে আলাপ হলে তারা বলেন, আমাদের এমপি মাহবুব আলী ভালো ও সাদামনের মানুষ, পরিচ্ছন্ন রাজনীতিবিদ। তিনি আমাদের এলাকার নানান সমস্যা সমাধানে এবং এলাকার উন্নয়নে অনেক অবদান রেখে যাচ্ছেন। আমরা এমপি সাহেবের কাছে কোন কাজ নিয়ে গেলে আমরা আশ্বস্ত হই এবং তিনি আমাদেরকে মুখ ফিরিয়ে দেননি। এড. মাহবুব আলী এমপি ও তার ব্যক্তিগত সহকারী বেলালের কাছে গেলে তারা আমাদের সমস্যা কি শুনেন এবং আশ্বস্ত করে আচার-আচরণ ও ভালবাসা দিয়ে আমাদের সহ সাধারণ মানুষকে মুগ্ধ করেন। আমরা এতেই অনেক খুশি। মরহুম মাওঃ আসাদ আলী এমপি’র সুযোগ্য সন্তান আমাদের এমপি এড. মাহবুব আলী ও তার সহকারী টাকা পয়সার বিনিময়ে কোন কাজ এবং ঘুষ দুর্নীতি করেননি। তাই তিনি সবার নিকট প্রিয় এবং তিনি দলীয় গ্র“পিং লবিং পছন্দ করেন না। পুলিশ প্রশাসন দিয়ে কাউকে হেস্তন্যান্ত করেননি। যে কারণে আমাদের দল ও সংগঠন আগের চেয়ে অনেক শক্তিশালী হচ্ছে। এমপি মাহবুব আলীর প্রচেষ্টায় চুনারুঘাটে ৫০ কোটি টাকার উন্নয়ন হচ্ছে। সংসদ সদস্য এড. মাহবুব আলীর আন্তরিক প্রচেষ্টায় গ্রামীণ জনপদের অবকাঠামো এবং সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করায় গ্রামীণ জনপদের দৃশ্যপট চিত্র পাল্টে যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই তিনি চুনারুঘাটের উন্নয়নে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এর নিকট থেকে প্রায় প াশ কোটি টাকারও বেশি উন্নয়ন প্রকল্প কাজ নিয়ে এসেছেন।

প্রকল্পগুলো চুনারুঘাট হইতে সাটিয়াজুরী সড়ক বর্ধিত করণসহ উন্নয়নে ৩৭ কোটি টাকা (বাস্তবায়নে সড়ক ও জনপথ বিভাগ), শ্রীকুটা বাজার হইতে কাজিরখিল রোড মুড়ারবন্দ সৈয়দ নাসির উদ্দিন (র.) এর মাজার সড়ক বর্ধিত করণ ও উন্নয়নে ৯ কোটি টাকা (বাস্তবায়নে সড়ক ও জনপথ বিভাগ), সাতছড়ি ত্রিপরা পল্লী সংযোগ সেতু নির্মান ২ কোটি ১৬ লক্ষ টাকা (বাস্তবায়নে- এলজিইডি), রানীগাও বস্তি পারকুল সড়কে করাঙ্গী নদীতে সেতু নির্মান ২ কোটি ১৫ লক্ষ টাকা (বাস্তবায়নে- এলজিইডি), মিরাশী নতুন বাজার-নাছিমাবাদ চা বাগান সড়কের করাঙ্গী নদীর উপর সেতু নির্মাণ দেড় কোটি টাকা (বাস্তবায়নে-এলজিইডি) প্রক্রিয়াধীন, বড়জুষ-কালেঙ্গা সড়কে ১ কিঃ মিঃ রাস্তা পাকা করণের কাজ অচিরেই শুরু হবে।

লস্করপুর-লতিফপুর সড়কে সেতু নির্মান ২ কোটি টাকা (বাস্তবায়নে- এলজিইডি), সাটিয়াজুরী ইউনিয়নের করাঙ্গী নদীতে সেতু নির্মান ১ কোটি ৬০ লক্ষ টাকা (বাস্তবায়নে- এলজিইডি)। এর মধ্যে সাটিয়াজুরী সেতুর কাজ ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে এবং সাতছড়ি সেতুর কাজ চলছে। অত্যন্ত বিনয়ী সাংসদ এড. মাহবুব আলী গ্রামীণ জনপদের উন্নয়নে মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করে কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি ‘কাবিখা’ ও কাজের বিনিময়ে টাকা ‘কাবিটা’, টেস্ট রিলিফ ‘টিআর’ ও ৪০ দিনের কর্মসৃজন কর্মসূচি এবং এলজিএসপি প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামীণ জনপদের রাস্তাঘাট, সেতু-কালভার্ট, দু’উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুতায়ন ও সোলার প্যানেল স্থাপন, স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা, মক্তব-মসজিদ, মন্দির-গির্জা সহ বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক উন্নয়ন করে যাচ্ছেন। এড. মাহবুব আলী এমপি টি.আর, কাবিখা দিয়ে গ্রামের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সোলার প্যানেল স্থাপন এবং দু’উপজেলার প্রত্যেকটি বাজারের মোড়ে সোলার প্যানেল স্টিট লাইট স্থাপন করে গ্রামকে নগরায়নের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন।

এছাড়াও ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে গ্রামীণ জনপদের বিভিন্ন এলাকায় সেতু নির্মাণ করা হয়েছে। উপজেলার প্রত্যন্ত ও দুর্গম পল্লী এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ করতে সড়ক যোগাযোগ ও গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষন উন্নয়নে ব্যাপক উন্নয়ন কর্মসূচী গ্রহণ করেছেন। এছাড়াও গরীব অসহায় গৃহহীনদের মাঝে ঢেউটিন ও ঘরবাড়ি মেরামতের জন্য নগদ আর্থিক সাহায্য প্রদান করেছেন। সুতাং ছড়ায় ১৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে কালর্ভাট নির্মান করায় কালিশিরী-চান্দপুর বাজারে সংযোগ হয়েছে। ২৪ লক্ষ টাকা ব্যয়ে কালেঙ্গা পাহাড়ী জনপদে সংযোগ সড়কে সেতু নির্মান করা হয়েছে। এসব প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করায় প্রত্যন্ত ও দুর্গম পল্লীর বাসিন্দাদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনা বিরাজ করছে। গ্রামীণ জনপদের এসব এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সড়কে নতুন সেতু-কালভার্ট নির্মাণ ও সংস্কার না হওয়ায় এসব এলাকার হাজার হাজার মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল এবং প্রতিনিয়ত জীবনের ঝুঁকি নিয়ে উপজেলা ও জেলা সদরে যাতায়াত করতো লোকজন। এসব হাজারো মানুষের দুঃখ লাঘব ও এলাকার অর্থনৈতিক উন্নতি সাধনের জন্য এলাকায় সড়কে নতুন সেতু-কালভার্ট নির্মাণ ও সংস্কারের কাজ এবং উন্নয়নমূলক কাজ অব্যাহত রেখেছেন তিনি। এসব সড়কে নতুন সেতু-কালভার্ট নির্মাণ ও সংস্কার কাজ সম্পন্ন করা হলে মানুষের জীবনমান উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পাশপাশি গ্রামীণ জনপদের চিত্র পাল্টে যাবে বলে অভিজ্ঞ মহলের অভিমত। এসব সেতুর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হওয়ায় প্রত্যন্ত এলাকায় গ্রামীণ জনপদের হাজারো মানুষের দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ লাঘব হয়েছে।

এছাড়া তিনি চুনারুঘাটের মানুষের প্রাণের দাবী বাল্লা স্থলবন্দরের কাজ দ্রুত বাস্তবায়ন ও ইকেনোমিক জোন স্থাপনেও কাজ করে যাচ্ছেন। মাধবপুর-চুনারুঘাট উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের রাস্তাঘাট ব্রিজ, কালভার্ট সহ দু’উপজেলার প্রত্যন্ত অ লে বিভিন্ন ধরনের উন্নয়নমূলক কাজ অব্যাহত রেখেছেন। তিনি সরকারের উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে এবং চুনারুঘাট-মাধবপুরের অসমাপ্ত কাজ সমাপ্তকল্পে সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন। এড. মাহবুব আলী এমপি মাধবপুর-চুনারুঘাটে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের মাধ্যমে আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যাপক প্রচার প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। এ ছাড়াও এ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী নিয়ে টানা হেচড়া চলছে। অন্য দিকে বিএনপি থেকে বারবার মনোনয়ন প্রাপ্ত সৈয়দ মো: ফয়সল এবারো বিএনপির প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি ও সংরক্ষিত আসনের সাবেক এমপি বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নেত্রী শাম্মী আক্তার শিফার নামও প্রার্থী তালিকায় রয়েছে। তাছাড়া আওয়ামীলীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টির অন্যান্য প্রার্থী ও প্রার্থীতার নাম ঘোষণা করার সম্ভাবনা রয়েছে।

 

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩আগস্ট,নিজস্ব প্রতিবেদকঃ হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ সাইফুল ইসলাম ঝিলিকী (৩২) নামে এক ডাকাত নিহত হয়েছে।

নিহত সাইফুল ইসলাম ঝিলকীর ডাকাত দলের সর্দার। তার বিরুদ্ধে একটি হত্যা, চারটি ডাকাতি, একটি চুরির ও চারটি দ্রুত বিচার আইনের মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে ৮টি গ্রেফতারি পরোয়ানা বানিয়াচং থানায় মুলতবি আছে।
বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) গভীর রাত সোয়া ৩টার দিকে উপজেলার বানিয়াচ-শিবপাশা রোডের আঞ্জন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ঝিলকী বানিয়াচং উপজেলা সদরের মাদারীটুলা গ্রামের মতিউর রহমানের ছেলে।
বানিয়াচং থানার ওসি মোজাম্মেল হক জানান, বুধবার বিকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ উপজেলার ইউসুফপুর গ্রামের ইছমত মিয়ার নির্জন বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ডাকাত ঝিলকী ও তার সহযোগী মন্তাজ মিয়াকে আটক করে।
পরে ঝিলকীর দেয়া তথ্য মতে তাকে নিয়ে পুলিশ অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও সহযোগী ডাকাতদের গ্রেফতার করতে বানিয়াচং শিবপাশা রোডের আঞ্জন এলাকায় অভিযানে যায়।
রাত সোয়া ৩টার দিকে আঞ্জন দিঘীরপার সংলগ্ন ব্রিজের উপর পৌঁছা মাত্র রাস্তার দু’পাশ থেকে তার সহযোগীরা রাস্তায় ব্যারিকেড দেয় এবং ঝিলকীকে ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। এসময় রাস্তার দু’পাশের হাওর হতে ডাকাতরা এলোপাতারি গুলি ছুঁড়তে থাকে। পুলিশও ১৫ রাউন্ড শর্টগানের গুলি চালায়।
একপর্যায়ে সহযোগী ডাকাতদের গুলিতে ঝিলকী গুলিবিদ্ধ হয়। তাকে উদ্ধার করে হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনাস্থল থেকে একটি পাইপ গান, তিন রাউন্ড কার্তুজ, ৮টি গুলির খোসা, ৪টি রামদা উদ্ধার করা হয়েছে।
এই ঘটনায় ৩ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রয়েছেন। অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন।আহতরা হল এসআই প্রদীপ (গুলিবিদ্ধ), এসআই বিশ্বজীৎ, এসআই হারুনুর রশীদ।
সহকারী পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মো. নাজিম উদ্দিন বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, কুখ্যাত ডাকাত ঝিলকীর বিরুদ্ধে হত্যা, ডাকাতি, ছিনতাইসহ ৮টি মামলা আছে।
পুলিশের গ্রেফতার এড়ানোর জন্য তিনি বিভিন্ন এলাকায় পালিয়ে থাকতেন।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩আগস্ট,চুনারুঘাট প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় চুনারুঘাটে গাজাঁসহ দুই মাদক পাচারকারী কে আটক করেছেন পুলিশ।

৩ আগষ্ট বৃহস্পতিবার সকাল ৮ টায় তাদেরকে আটক করা হয়েছে। আটককৃতরা হলেন -উপজেলার বাল্লা সীমান্ত এলাকার টেকেরঘাট গ্রামের আইয়ুব আলীর ছেলে আউয়াল (২২) ও জাফু মিয়ার ছেলে ফারুক মিয়া।
চুনারুঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম আজমিরুজ্জামান জানিয়েছেন, পৌর শহরের চন্দনা এলাকায় মাদক পাচারের সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে মাদক পাচারকারীদের আটক করতে সক্ষম হয়েছি। ও তাদের নিকটে থাকা ৬ কেজি গাজাঁ উদ্ধার করা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। ৩ আগষ্ট বৃহস্পতিবার বেলা ১২ টায় তাদের কে হবিগঞ্জ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩আগস্ট,আশরাফ আলী,মৌলভীবাজার: মৌলভীবাজার জামেয়া ইসলামীয়া দাখিল মাদরাসার উদ্যোগে কৃতি শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (০৩ আগষ্ট) ১১.৩০টায় মৌলভীবাজার জামেয়া ইসলামীয়া মাদরাসার হলরুমে মাদরাসা প্রিন্সিপাল মাও: শেখ মুহাম্মদ আব্দুল হকের সভাপতিত্বে ও ভাইস প্রিন্সিপাল মাও: হারুনুর রশিদের পরিচালনায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: ইকবাল হোসেন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো: আব্দুস সামাদ মিয়া, গিয়াসনগর ইউ, পি সদস্য শামসুল ইসলাম, মাদরাসা পরিচালনা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাও: আব্দুল মান্নান, মোস্তফাপুর ইউ,পি, সাবেক সদস্য ইমরান আহমদ।
এছাড়াও বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মো: ফারুক মিয়া, মাহমুদুল হাসান, মাদারাসা পরিচালনা কমিটির সদস্য কাউছার আহমদ, অভিবাবক আব্দুল হাই, হারুন মিয়া, শিক্ষকদের পক্ষে মাও: ফখরুল ইসলাম, কৃতি শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে মুশফিকুর রহমান মজুমদার ও ফারহানা আক্তার কলি প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে ৩৪ জন কৃতি শিক্ষার্থীকে বৃত্তি ও ক্রেস্ট প্রদান করা হয়।

যে কোন সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩আগস্ট,নাজমুল হক নাহিদ,আত্রাই (নওগাঁ) থেকেঃ  নওগাঁর আত্রাই উপজেলার ভবানীপুর-মির্জাপুর হাটে প্রবেশের রাস্তাটি এখন যেন এলাকাবাসীর জন্য মৃত্যুফাঁদে পরিণত হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসনের নজরদারী অভাবে জনগুরুত্বপূর্ণ এ রাস্তাটি বেহাল দশায় রয়েছে দীর্ঘদিন যাবত। রাস্তাটি ভেঙ্গে যাওয়ায় চরম জনদুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে রাজস্ব আয় ব্যহত হওয়ার আশঙ্কা করছে এলাকার সচেতন মহল। উপজেলার ভবানীপুর বাজার একটি ঐতিহ্যবাহী বাজার, এখানে সপ্তাহে শনিবার ও মঙ্গলবার দুই দিন হাট বসে।

এছাড়াও প্রতিদিন সকাল বিকেল হাট বসে। এখানে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে কাপড় ব্যবসায়ী, আলু ব্যবসায়ী, রড সিমেন্ট ব্যবসায়ী, কাঁচা মাল ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস ক্রয় করতে প্রায় প্রতিদিন হাজার হাজার ক্রেতা আসেন এ বাজারে। আত্রাই-নওগাঁ পাকা সড়কের সাথে হাটটি হলেও শাহাগোলার দিক থেকে হাটে প্রবেশ রাস্তাটির ভবানীপুর পিএস ল্যাবরেটরি কিন্ডারগার্টেন অ্যান্ড হাইস্কুলের সংলগ্নে রাস্তাটি ভাঙ্গে যাওয়ার ফলে মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। ঘটছে একের পর এক দুর্ঘটনা। দুর্ঘটনা কবলিত হচ্ছে মালবাহী পিক আপ ভ্যান, ট্রাক, কর্ভাড ভ্যান, সিএনজি, রিক্সা, অটোরিক্সাসহ ছোট বড় সব ধরনের যানবাহন।

এতে করে ক্রেতারা জিনিস কিনে বা বিক্রেতারা সরবরাহ করতে গিয়ে ভাঙ্গা আর গতের্র কারনে মালামাল পরিবহন করতে মারাত্মক ঝুঁকির সম্মুখিন হচ্ছেন প্রতিনিয়ত এ এলাকার ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ। এ হাট থেকে প্রতি বছর সরকারের বিপুল পরিমাণ টাকা রাজস্ব আয় হলেও এ রাস্তাটি মেরামতে কর্তৃপক্ষের নেই কোন উদ্যোগ। ফলে দীর্ঘ দিন থেকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে ওই এলাকার হাজার হাজার জনসাধারণকে।

ভবানীপুর জিএস উচ্চ বিদ্যালয়, ভবানীপুর পিএস ল্যাবরেটরি কিন্ডারগার্টেন অ্যান্ড হাইস্কুল ও ইক্বরা মহিলা মাদ্রাসা ও এতিমখানা এন্ড নূরানী স্কুলের শত শত কমলমতি শিক্ষার্থীদের আসা যাওয়ার জন্য জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এ রাস্তাটি ব্যবহার করতে হয়। এলাকা বাসীর দীর্ঘ দিনের দাবী এ ভাঙ্গা স্থানটি সংস্কার হলে এলাকাবাসীর এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন ঘটবে। ছাত্র ছাত্রী সহ এলাকার সকল সাধারণ জনগন পাবে যোগাযোগের সুফল।

এ ব্যাপারে ভবানীপুর জি এস উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মাহাবুবুর রহমান বলেন, ভবানীপুর হাটে প্রবেশের রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে জরাজির্ণ অবস্থায় আছে। এ রাস্তার উপর দিয়ে কোমলমতী ছাত্র-ছাত্রীর চলাচল খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। কিছু দিন পরপর ঘটে একের পর এক দুর্ঘটনা। রাস্তাটি সংস্কার করা অতিব জরুরী।

ভবানীপুর পিএস ল্যাবরেটরি কিন্ডারগার্টেন অ্যান্ড হাইস্কুলের অধ্যক্ষ শ্রী অভিজিৎ চৌধুরী জানান, কোমলমতি শিক্ষার্থীদের চলাচলের জন্য রাস্তাটি একমাত্র পথ। হাটের দিন ছাড়াও প্রতিদিনই জনসাধারণকে এ রাস্তা দিয়ে বাজারে আসতে হয়। বাজারে প্রবেশের প্রধান রাস্তাটি ভেঙ্গে জরাজীর্ণ হওয়ায় কৃষকদের উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। তিনি দ্রুত রাস্তাটি নির্মাণের জন্য উর্ধ্বোতন মহলের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

ভবানীপুর বাজার বণিক সমিতির সভাপতি মোঃ আব্দুল গফুর খাঁন বলেন, বাজার বণিক সমিতির পক্ষ থেকে এ ভাঙ্গা রাস্তাটি মেরামতের জন্য আমরা বারবার সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন চেয়ারম্যান, মেম্বারসহ অনেকের কাছেই ধর্না দিয়েছি। সকলেই আশ্বস্ত করেন কিন্তু আজও মেরামত না হওয়ায় রাস্তাটি চলাচলের জন্য মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।

এবিষয়ে শাহাগোলা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃ শফিকুল ইসলাম বাবু বলেন, এ রাস্তাটির ভাঙ্গা রাস্তাটি সংস্কার করার জন্য এলজিডি প্রকৌশলী অধিদপ্তরেকে জানানো হয়েছে আশাকরি কর্তৃপক্ষ দ্রুত সংস্কার পদক্ষেপ গ্রহন করবেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী মোবারক হোসেন জানান, বিষয়টি আমি অবগত আছি। রাস্তাটি সংস্কার করার জন্য সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যানকে বলা হয়েছে। রাস্তাটি দ্রুত সংস্কার করা হবে। এদিকে বিরাজমান পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণ পেতে ও বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর স্বার্থে এবং সরকারের রাজস্ব আয়ের স্বার্থে দ্রুত রাস্তাটি সংস্কার করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এলাকার সচেতন মহল।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩আগস্ট,শ্রীমঙ্গল প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের  শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ কর্তৃক ৩ বোতল ফেন্সিডিলসহ জুনু মিয়া নামক এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে।

বুধবার বিকেল ৫ টার দিকে এসআই অনীক বড়ুয়া, এএসআই নূরে আলম ও এএসআই আব্দুল হান্নানের নেতৃত্বে সিন্দুরখান ইউনিয়নে মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে হিজড়াগাঁও গ্রামের জনৈক টেনু মিয়ার দোকানের সামনে হইতে ০৩ বোতল ফেন্সিডিলসহ ফেন্সিডিল বিক্রেতা জুনু মিয়াকে আটক করা হয়।
আটককৃত জুনু মিয়া একই এলাকার ওয়াছউল্লাহর পুত্র বলে শ্রীমঙ্গল থানা সুত্রে জানা যায়।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩আগস্ট,নড়াইল প্রতিনিধি:এলাকার আধিপথ্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে নড়াইলের কালিয়া উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক চাঁচুড়ি ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান (৬০) কে কুপিয়ে দু পায়ের রগ কেটে গুরুতর যখম করেছে দূবৃর্ত্তরা। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১০ টার দিকে বনগ্রাম নামকস্থানে তার উপর হামলা চালায়। আহতকে উদ্ধার করে নড়াইল সদর হাসপাতালে থেকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে।
পারিবারিক সূত্রে জানাগেছে, এলাকার আধিপথ্য বিস্তার নিয়ে নড়াইলের কালিয়া চাচুড়ি ইউনিয়নের ৩ বার নির্বাচিত সাবেক চেয়ারম্যান লুৎফর রহমানের সাথে একই এলাকার ওবায়দুর রহমানের বিরোধ চলে আসছিল। এ ঘটনার জের ধরে বৃহস্পতিবার সকালে লুৎফর রহমান বাড়ি থেকে বের হয়ে বনগ্রাম এলাকায় পৌঁছালে বর্তমান চেয়ারম্যান মোঃ হিরকের সমর্থক ওবায়দুর রহমানের লোক এনামুল ,মুকুল , টুল মোল্যা, জুয়েল মোল্যাসহ কয়েকজন তাকে ধারালে অস্ত্রদিয়ে কুপিয়ে তার পায়ের রগ কেটে ফেলে এবং গুরুতর যখম করে। আহতকে উদ্ধার করে প্রথমে নড়াইল সদর হাসপাতালে নেয়ার পর হলে অবস্থার অবনতি ঘটায় কর্তব্যরত চিকিৎসক খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করেন।
কালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) শেখ গনি মিয়া হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩আগস্ট,ডেস্ক নিউজঃ আইসিটি আইনের ৫৭ ধারায় মামলা নেওয়ার আগে পুলিশ সদর দফতরের আইন শাখার পরামর্শ নেওয়ার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।পুলিশ সদর দফতরে অনুষ্ঠিত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের একটি বৈঠকে এ নির্দেশনা দেন আইজিপি এ কে এম শহীদুল হক।

পুলিশ সদর দফতরের জনসংযোগ কর্মকর্তা এ কে এম কামরুল আহসান বলেন, ‘পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের এক বৈঠকে দেশে ৫৭ ধারায় মামলা দায়ের নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। ওই সময় কর্মকর্তাদের আইজিপি নির্দেশনা দেন যে, ৫৭ ধারায় মামলা নিতে হলে পুলিশ সদর দফতরের আইন শাখার পরামর্শ নিতে হবে।’
এই কর্মকর্তা আরো জানান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (সংশোধন) আইনের ৫৭ ধারায় মামলা প্রসঙ্গে পুলিশ সদর দফতর থেকে সারাদেশের পুলিশ কর্মকর্তাদের কিছু নির্দেশনা দিয়ে আইজিপি স্বাক্ষরিত একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ‘এ ধারায় মামলা নিতে হলে কিছু বিষয় অনুসরণ করতে হবে। এর মধ্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (সংশোধন) আইন, ২০১৩-এর ৫৭ ধারায় সংঘটিত অপরাধ সংক্রান্তে মামলা রুজুর ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। অভিযোগ সম্পর্কে কোনোরূপ সন্দেহের উদ্রেক হলে তাত্ক্ষণিকভাবে সংশ্লিষ্ট থানায় জিডি করে অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে যাচাই-বাছাই করতে হবে।’
এছাড়া আরো বলা হয়, ‘মামলা রুজুর আগে পুলিশ সদর দফতরের আইন শাখার সঙ্গে আইনগত পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে এবং কোনো নিরীহ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে। এমতাবস্থায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭ ধারায় বর্ণিত অপরাধ সংক্রান্তে মামলা রুজুর আগে উপরোক্ত নির্দেশনাসমূহ যথাযথভাবে প্রতিপালন করতে নির্দেশ প্রদান করা হলো।’সুত্রঃইত্তেফাক

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩আগস্ট,চুনারুঘাট প্রতিনিধিঃপ্রতিদিনের মাদক বিরোধী অভিযানে চুনারুঘাটে ৩ মাদক সম্রাটকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। বুধবার সন্ধ্যা পৌনে ৮টায় চুনারুঘাট থানার ইনচার্জ কে.এম আজমিরুজ্জামানের নেতৃত্বে এসআই আতিকুল আলম খন্দকার, সুমনুর রহমান, এএসআই আলমাস মিয়া, রিপন মিয়া ও সামছুদ্দিন সহ একদল পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পৌর শহরের গুচ্ছগ্রামের আবু তাহের মিয়ার ওরফে তারা মিয়ার ছেলে পন্ডিত মিয়ার বসত ঘরে বিশেষ অভিযান চালায়।

এসময় ৫কেজি গাঁজা, ২৫০ পিচ ইয়াবাসহ তিন মাদক সম্রাটকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হল, পৌর শহরের গুচ্ছগ্রামের আলী মিয়ার ছেলে সুহেল মিয়া (৩০), চন্দনা গ্রামের মৃত আঃ নূরের ছেলে হান্নান মিয়া (৩২), গাতাবলা গ্রামের আহাম্মদ আলীর ছেলে কাজল মিয়া (৩৫)।
এ ব্যাপারে চুনারুঘাট থানার ওসি কে.এম আজমিরুজ্জামান জানান, প্রতিদিনের ন্যায় চুনারুঘাট পৌর শহরসহ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে মাদক মুক্তকরণের লক্ষে অভিযান চলছে। তার ফলশ্রুতিতে কুখ্যাত তিন মাদক সম্রাটকে ধরতে সক্ষম হয়েছি।