Saturday 22nd of July 2017 10:41:17 PM

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৭জুলাই,চুনারুঘাট প্রতিনিধিঃ  চুনারুঘাট উপজেলার দেওরগাছ ইউনিয়নের ইনাতাবাদ গ্রামের মৃত আব্দুল ওয়াহাবের পুত্র সাবেক মেম্বার মোঃ বদরুল কালাম আজাদ হিরন মিয়ার কলা বাগানের প্রায় শতাধিক গাছ কর্তন করে সাবাড় করে দিয়েছে এক বকাটে চক্র।

অভিযোগে জানা যায়,সোমবার ভোর ৫টার দিকে হিরন মিয়ার সৃজনকৃত কলা বাগানে একই এলাকা ইনাতাবাদ গ্রামের আবুল কালাম আজাদ ওরফে আকছির মিয়ার পুত্র সফিকুর রহমান চঞ্চল (২৩) সহ একদল দূর্বৃত্ত পূর্ব বিরোধের জের ধরে উক্ত ফলের বাগানে জোর পুর্বক প্রবেশ করে দেশীয় অস্ত্র দা দিয়ে বাগানের বিভিন্ন জাতের ফলের গাছসহ প্রায় শতাধিক কলাগাছ কর্তন করে ফেলে।

এ সময় বাগান পাহারাদার কালিশিরী গ্রামের মৃত মঞ্জব উল্লার পুত্র রজব আলী ও চেরাগ আলী বাধা দিলে পাহারাদারদের সফিকুর রহমানসহ তার সহযোগিরা প্রাণনাশের হুমকি ধামকি প্রদর্শন করে পালিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে কলা বাগানের মালিক আজাদ চুনারুঘাট থানায় বাদী হয়ে সফিকুর রহমান চঞ্চলসহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জনকে আসামী করে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

চুনারুঘাট থানার এস আই মুখলেছুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

অভিযোগের বিবরণে জানা যায়, কলার ছড়ির ক্ষতিসাধন বাজার মূল্য অনুমান ১ লক্ষাধিক টাকা বলে দাবী করেছেন বাগানের মালিক।

উল্লেখ্য যে, সাবেক মেম্বার বদরুল কালাম আজাদের সাথে সফিকুর রহমান চঞ্চলের দীর্ঘদিন যাবত ধরে পূর্ব বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে সোমবার ভোরে সফিকুর রহমান চঞ্চল কলা বাগানের প্রায় শতাধিক কলাগাছ দেশীয় অস্ত্র দা দিয়ে কুপিয়ে সাবাড় করে ফেলে।

এ ব্যাপারে সফিকুর রহমান চঞ্চল এর ফোন নম্বারে কল দিয়ে জানতে চাইলে আমার সিলেট প্রতিনিধিকে তিনি কর্কশ ভাষায় বলেন “মিছা কথা আপনে কে?” পরিচয় শুনে বলে “ফাউ আজাইরা কথা কইয়া লাভ নাই দরকার পরলে সামনে আইয়া কথা কউ, ফোন রাখ”বলে রাগান্বিত হয়ে লাইন কেটে দেন।

অপরদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানিয় সুত্রে জানা যায়, “পিতা প্রবাসে থাকায় ছেলে সফিকুর রহমান চঞ্চল বেপরোয়া হয়ে উঠেছে ,সে সবসময় সাথে বিভিন্ন ধরনের অস্রসস্র নিয়ে ঘুরাফেরা করে তার বিরুদ্ধে কথা বলার সাহস এলাকার কারো নেই এলাকায় তাকে বকাটে মস্তান হিসেবে সবায় জানে।”

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৭জুলাই,নিজস্ব প্রতিবেদকঃ হবিগঞ্জের মাধবপুরউপজেলায় ট্রেনে কাটা পড়ে নিপা আক্তার (১৮) নামে এক নববধূর মৃত্যু হয়েছে। ১৬ জুলাই রবিবার বিকাল সাড়ে ৫ টায় ঢাকা-সিলেট রেলপথের জামালপুর নামক স্থানে ঢাকাগামী জয়ন্তিকা ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে তিনি মারা যান। নিপা উপজেলার চৌমুহনী ইউনিয়নের তিনগাঁও গ্রামের মৃত মোহন মিয়ার মেয়ে।

কাশিমনগর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই এমরান জানান, নিপা মানসিক প্রতিবন্ধী ছিল। খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করেছি। শায়েস্তাগঞ্জ রেলওয়ে পুলিশের ইনচার্জ তাপস বড়ুয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, কিছুদিন পূবে নিপার বিয়ে হয়। এলাকাবাসী বলছেন, তার শ্বশুরবাড়ির লোকজনের সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মনোমালিন্যও চলছিল।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৭জুলাই,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ  শ্রীমঙ্গলে  বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব গোল্ড কাপ ফুটবল টূর্নামেন্টের উপজেলা পর্যায়ের ফাইনাল খেলা সোমবার বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত হয়। শ্রীমঙ্গল ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের চ্যাম্পিয়ন ও পৌরসভার ১টি চ্যাম্পিয়নসহ ছেলে মেয়ের ২০ টি দল অংশগ্রহণ করে। প্রথম ফাইনাল খেলায় বঙ্গমাতা গোল্ড কাপ ফুটবল টূর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হয় ভাড়াউড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। তারা দুর্গানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মেয়ে দলকে ট্রাইবেকার ৩-১ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে।

অপরদিকে বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপ ফুটবল টূর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন হয় ভাড়াউড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। তারা রামনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ট্রাইবেকারে ৩-২ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়।স্থানিয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মোবাশশেরুল ইসলামের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক চীফ হুইপ মোঃ আব্দুস শহীদ এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা চেয়ারম্যান রনধীর কুমার দেব।

খেলা শেষে প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিরা বিজয়ী ও বিজীত দলের হাতে ট্রফি তুলে দেন। অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারি কমিশনার ভূমি বিশ্বজিৎ পাল।

অন্যানদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন,উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোশাররফ হোসেন,সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ আলী, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হেলেনা বেগম চৌধুরী,চন্দ্রনাথ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জহর তরপদার, ৩ নং শ্রীমঙ্গল  ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ভানু লাল রায় ও সিন্দুরখান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হেলাল প্রমুখ।খেলাটি পরিচালনা করেন বাফুফের রেফারী আবুল কাশেম, কবির উদ্দীন সুইট ও সিরাজুল ইসলাম সেলু।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৭জুলাই,নিজস্ব প্রতিবেদকঃ হবিগঞ্জের বাহুবল বাজারের মেইন রোড যানজটমুক্ত করতে রাস্তার পাশে অবৈধ স্থাপনার উচ্ছেদ অভিযান শুরু করেছে উপজেলা প্রশাসন।

সোমবার (১৭ জুলাই) সকাল থেকে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট জসিম উদ্দীন।
গত ৮ জুন প্রশাসন ও পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের যৌথ সভায় বাহুবল বাজারকে যানজট মুক্ত করার সিদ্ধান্ত হয়।
এদিকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও বাহুবল বাজার ব্যবসায়ী কমিটি প্রশাসনের এ উদ্দ্যোগ সফল করতে সর্বাত্মক সহযোহিতার প্রস্তুতি নিয়েছে।
যৌথ সভার সিদ্ধান্তের আলোকে মেইন রোড থেকে নির্ধারিত স্ট্যান্ডে সিএনজি অটোরিকশা সড়িয়ে নেয়ার শেষ দিন ছিল রবিবার (১৬ জুলাই)। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে রশিদপুর, বড়ইউড়ি, নন্দনপুর রোডের সিএনজি অটোরিকশাগুলো বাহুবল মডেল থানার বাউন্ডারী সংলগ্ন স্থানে নির্ধারিত নতুন স্ট্যান্ডে সড়িয়ে নিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। রোববারই ঐ স্ট্যান্ডে উল্লেখিত রোডের গাড়ীগুলো সাড়িবদ্ধভাবে পার্কিংরত দেখা গেছে। সেখান থেকেই ধারাবাহিক ভাবে গন্তব্যে গাড়ীগুলো ছেড়ে গেছে। যা পথচারী ও ব্যবসায়ীদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।
এছাড়াও রাজাপুর রোডের গাড়ীগুলো ইসলামাবাদ স্ট্যান্ডে ও গোহারুয়া রোডের গাড়ীগুলো তালুকদার টাওয়ার থেকে গন্তব্যে ছেড়ে যেতে দেখা যাচ্ছে।
এদিকে সোমবার (১৭ জুলাই) সকাল থেকে সিএনজি অটোরিক্সাগুলি মেইন রোডে পার্কিং করতে দেখা গেছে।
স্থানীয়রা মনে করছেন তাহলে একদিনের জন্যই কি তারা মেইন রোড থেকে তাদের যান বাহনগুলি সরিয়ে দিয়েছিল।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৭জুলাই,আশরাফ আলী,মৌলভীবাজার: মৌলভীবাজার শহরের পুর্ব সুলতানপুর এলাকার অবসরপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আব্দুল মোতালিবের বাসার তালা ভেঙে দিনে দুপুরে দুধূর্ষ চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এরশাদ মিয়া (২৬) নামে একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

সোমবার ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নরসিংদি জেলার রায়পুর এলাকা থেকে আটক করে পুলিশ। এরশাদ লক্ষীপুর জেলার মিয়ার বাজার গ্রামের আবুল বাহার এর ছেলে।

মৌলভীবাজার মডেল থানার ওসি সোহেল আহাম্মদ জানান, গত ১৪ জুলাই শহরের কুসুমবাগ এলাকার পাপরিকা হোটেলে চোররা রুম ভাড়া নেয়। ১৫ জুলাই দুপুরে শহরের পুর্ব সুলতানপুর এলাকার অবসরপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আব্দুল মোতালিবের বাসার তালা ভেঙ্গে সোনাগহনা ও নগদ টাকা নিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে একটি অভিযোগ থানায় দিলে এসআই মহসিন ভুইয়াকে দায়িত্ব দিলে সোমবার ভোরে গোপন সংবাদের ভিতিত্তে নরসিংন্দি জেলার রায়পুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে এরশাদ মিয়াকে আটক করে পুলিশ।

এ সময় তার কাছ থেকে দুটি গলার হার, ২টি হাতের বালা, ৩ জোড়া কানের দুল ও ২টি আংটিসহ মোট ৫ ভড়ি স্বর্ণ উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরো বলেন, চোর এরশাদ মিয়া জানায় তার সাথে আরো ৪ থেকে ৫ জন ছিল তাদের বাড়ি বরিশাল জেলায়। তাদেরকে ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৭জুলাই,হাবিবুর রহমান খানঃ সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার বিয়ানীবাজার সরকারী কলেজে ছাত্রলীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষের  গুলাগুলিতে এক ছাত্রলীগ নেতা নিহত হয়েছেন।
নিহতের নাম খালেদ আহমদ লিটু (২৮)। সে কলেজ ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে যুক্ত। নিহত লিটু বিয়ানীবাজার উপজেলার খাসা পন্ডিতপাড়া গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে।
সোমবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে কলেজ ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে।
জানা যায়- সোমবার সকালে বিয়ানীবাজার সরকারী কলেজে ছাত্রলীগের বিবাদমান দু’গ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এর জের ধরে কলেজের একটি কক্ষে লিটুর মাথায় গুলি করে অপরপক্ষের কর্মীরা। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় লিটুর।
বিয়ানীবাজার থানার ওসি চন্দন কুমার চক্রবর্তী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,সকালে কলেজে ছাত্রলীগের দুপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি ঠান্ডা হওয়ার পর নিহত লিটুসহ ছাত্রলীগের একটি পক্ষ ঐ কক্ষে বসাছিল। হঠাৎ কক্ষে গুলির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশ ছাত্রলীগ নেতা লিটুর লাশ উদ্ধার করে।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৭জুলাই,নিজস্ব প্রতিবেদকঃ হবিগঞ্জ শহরের আহসানিয়া মিশন রোড এলাকা থেকে শংকর দাশ গুপ্ত নামে তিন বছরের সাজাপ্রাপ্ত এক পলাতক আসামীকে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৯।সে ওই এলাকার হারাধন দাশ গুপ্তের পুত্র।

সোমবার (১৭ জুলাই) সকালে র্যাব-৯ জানায়, শংকর দাস গুপ্ত ২০০৩ সালে দ্রুত বিচার আইনে দায়েরকৃত একটি মামলার আসামী। সে দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিল। রবিবার দিবাগত গভীর রাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-৯, সিপিসি-২, শ্রীমঙ্গল ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল অতিরিক্ত এসপি বিমান চন্দ্র কর্মকার এর নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করে।
এদিকে পুলিশের নিয়মিত অভিযানে রবিবার (১৬ জুলাই) দিনগত রাত থেকে সোমবার (১৭ জুলাই) সকাল পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে আরও ১৩ পলাতক আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মাঝে ১২ জন পরোয়ানাভুক্ত এবং ১জন নিয়মিত মামলার আসামী।
হবিগঞ্জের সহকারী পুলিশ সুপার (মিডিয়া) নাজিম উদ্দিন সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৭জুলাই,মতিউর রহমান মুন্না,নবীগঞ্জ থেকেঃ নবীগঞ্জ উপজেলার কুর্শি ইউনিয়নের নয় মৌজার ৫ টি গ্রামের চলাচলের ভরসা এই সড়কটি যেন মরণ ফাঁদে পরিনত হয়েছে। বাংলাবাজার থেকে তাহিরপুর মাদ্রাসা পর্যন্ত সড়কটি র্দীঘ দিন ধরে বেহাল অবস্থা বিরাজ করছে। বিপাকে পড়েছেন শিক্ষার্থীসহ কয়েক হাজার মানুষ। সড়কটি দ্রুত সংস্কারের দাবী জানিয়েছেন এলাকাবাসী। সাবেক এক এমপি ও বর্তমান এমপির বাড়ী এই কুর্শি ইউনিয়নে থাকা সত্ত্বেও গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কের এ অবস্থা দেখে অনেকেই লজ্জাজনক বলে মন্তব্য করেছেন।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নবীগঞ্জ টু শেরপুর সড়কের সাথে সংযুক্ত উপজেলার কুর্শি ইউনিয়নের ৫টি গ্রামের চলাচলের ভরসা এই সড়কটি। অর্ধেক পিছ, কিছু অংশ ইট সলিং ও কিছু কাচা। সব মিলিয়ে প্রায় ৩ কিলো মিটার সড়কটি এখন চলাচলের অনুপযোগি হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন যাবৎ সড়কটি সংস্কার না করার কারণে ও বর্ষা মৌসুমে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাতের ফলে রাস্তাটির এহেন অবস্থা বিরাজ করে।
বাংলা বাজার থেকে শুরু হয়ে গহরপুর, রাইয়াপুর, কাদিপুর, সাদুল্লাপুর হয়ে তাহিরপুর মাদ্রাসা পয়েন্ট পর্যন্ত এই সড়ক। এই গ্রামগুলোর মধ্যে রয়েছে ৫ টি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্টান। ওই ৫ গ্রামের কয়েক শতাধিক শিক্ষার্থী স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও ভার্সিটিতে যাতায়েত করেন ওই ভাঙ্গা সড়ক দিয়েই।
পিছ অংশের বিভিন্ন স্থানেই কিছুদূর পর পর রাস্তার কার্পেটিং নষ্ট হয়ে ইটের খোয়া সরে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। রাস্তার কার্পেটিং ও ইটের খোয় সরে যাওয়ায় অনেক জায়গায় কাদার উপর গাড়ী হেলে দুলে চলে। আর কাচা অংশে বৃষ্টি হলেই কাদা হয়ে চলাচলের অনুপযোগি হয়ে যায়।
স্থানীয়রা জানান, প্রায় সময়ই জরুরী কোন রোগিকে হাসতপাতাল নিয়ে যেতে গেলেও তাদেরলে বিপাকে পড়তে হয়। অনেক জনপ্রতিনিধিই নির্বাচনের আগে অনেকবার আশ^াস দিয়েছেন, কিন্তু কাজের কাজ কেউই করেন নি, বলেও জানান তারা। এই রাস্তার দিকে নজর দেয়ার জন্য জনপ্রতিনিধিদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন এলকাবাসী।
এদিকে এই সড়ক নিয়ে একটি স্বচিত্র প্রতিবেদন করে বাংলা টিভি ও এনটিভি। পরে অনলাইনে নিউজগুলো ব্যপক শেয়ার ও ভিউ হয়। নিউজের ভিডিও ক্লিপগুলো রিতিমত ভাইরাল হয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে। অনেকেই কমেন্ট করেছেন জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা নিয়ে। আবার অনেকেই লিখেছেন, স্থানীয় সংসদ সদস্যের নাম উল্লেখ করেও। কারন বর্তমান সংসদ সদস্যের বাড়ী কুর্শি ইউনিয়নেই। এমনকি সাবেক এক সংসদ সদস্যের বাড়িও কুর্শি ইউয়নের নয় মৌজায়ই ছিল। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান, সম্প্রতি বেসরকারী একটি টিভি চ্যানেল এর নারী সাংবাদিক ঢাকা থেকে এসে এমপি মুনিম চৌধুরী বাবুর বাড়ি থেকে তার নির্বাচনী এলাকার উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ড নিয়ে ডকুমেন্টারী প্রতিবেদন করার জন্য তার পার্টির লোকদের বিভিন্ন বক্তব্য নেয়। এ নিয়েও বেশ হৈ চৈ লক্ষ করা গেছে, কারণ এর আগে গত বছর যমুনা টেলিভিশন এই এলাকারই অনেক ভূয়া প্রকল্প নিয়ে রিপোর্ট করেছিল। স্থানীয়দের দাবী যেসব প্রকল্পের নামে বরাদ্ধ আসে সেগুলো স্থানীয় পত্রিকা কিংবা ফেসবুকে যাতে প্রকাশ করা হয়।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৭জুলাই,নিজস্ব প্রতিবেদক: গর্ত থেকে বাচঁতে ঢাকা সিলেট মহা সড়কের নবীগঞ্জ উপজেলায় এনা পরিবহণ বাস ও পিকআপ ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে পিকআপ ভ্যান উল্টে চালক,সবজি ব্যবসায়ীসহ ১২জন গুরুতর আহত হয়েছেন । আহতদের  সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে ।

সোমবার সকাল ৭টার দিকে (মৌলভীবাজার) সরকার বাজার থেকে ছেড়ে আসা পিকআপ ভ্যান ঢাকা মেট্রো (ন ১১-৭৬৬৫) ও ঢাকা থেকে দ্রুতগতিতে ছেড়ে আসা এনা পরিবহণের বাস ঢাকা সিলেট মহাসড়কের নবীগঞ্জ উপজেলার দেবপাড়া ইউনিয়নের সদরঘাট নতুন বাজারের নিকটে পৌছাঁ মাত্রই মুখোমুখি সংঘর্ষ বাধে। মুখোমুখি সংঘর্ষে পিকআপ ভ্যান উল্টে যায় এবং পিকআপ ভ্যানে থাকা চালক,সবজি ব্যবসায়ীসহ ১২জন গুরুতর আহত হন ।  এসময় এনা পরিবহনের ঘাতক বাসটি পালিয়ে যায় ।

পরে স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা করেন । আহতদের মধ্যে ৩জনের অবস্থা আশংকাজনক বলে জানা গেছে  । তাৎক্ষনিত আহতদের পরিচয় জানা যায়নি। আহত সবজি ব্যবসায়ীরা সবজি কিনার জন্য বাহুবল উপজেলার দিগম্ভর বাজারে উদ্দেশ্যে পিকআপ ভ্যান করে আসছিলেন ।  উল্লেখ্য গত ২৮(জুন) বুধবার একইস্থানে সিএনজি ও মাইক্রোর মুখোমুখি সংঘর্ষে মা ছেলে সহ ৫জন মৃত্যু বরণ করে ।

 

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৭জুলাই,গীতিগমন চন্দ্র রায় পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জের পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন নির্মাণের কাজ চলছে ঠিকাদার ছাড়াই।

জানা যায় প্রায় এক কোটি টাকা ব্যয়ে কাজ চলছে তিন তলা বিশিষ্ট একাডেমিক ভবন। একক ক্ষমতাধর প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক মফিজুল হক নিয়মনীতিমালা তোয়াক্কা না করে তিন তলা একাডেমিক ভবন নির্মাণ কাজ করছেন। বিদ্যালয় ভবন নির্মাণে নীতিমালাকে বৃদ্ধাংগুলি দেখিয়ে নানা অনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ ধামাপাচা দিয়ে কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে দেদারসে কাজ চালিয়ে আসছেন তিনি। অনিয়ম ও অভিযোগ ভ্রুক্ষেপ করছেন না, বরং অভিযোগ উঠলেই তিনি বেপোড়োয়া হয়ে উঠেন। এ নিয়ে নিরব ভূমিকা পালন করছে স্থানীয় প্রশাসন।

এদিকে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দূর্নীতির তথ্য প্রকাশ পেলেই খরগ নেমে আসে কলম সৈনিকের উপর। তথ্য ও বিবরণীতে জানা যায় ১১০ বছর পূর্ব থেকে এলাকায় শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিয়ে আসছে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়। শিক্ষক আর হাতেগোনা কিছু শিক্ষার্থী নিয়ে ১৯০৭ সালে শুরু হয়েছিল এ বিদ্যালয়ের যাত্রা। বর্তমানে প্রভাতি ও দিবা শাখাসহ সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষা কার্যক্রমও চালু রয়েছে।

সূত্র জানায়, তৎকালীন মানদাতা আমলে জমিদার টিএন রায় চৌধুরী (টংক নাথ রায় চৌধুরী) ১৯০৭ সালে শহরের প্রাণকেন্দ্রে বাঁশ-কি বেড়ার ঘর দিয়ে বিদ্যালয় স্থাপন করে প্রতিষ্ঠানটি দায়িত্ব প্রাপ্তদের নিরলস প্রচেষ্টায় ক্রমেই এগুতে থাকে। সময়ের বিবর্তনে সরকারি-বেসরকারি সংস্থা ও স্থানীয়দের সহযোগীতায় পর্যায়ক্রমে বিদ্যালয়টির অবকাঠামোর উন্নতি সাধিত হয়। শিক্ষার মান ভাল হওয়ায় সুনাম ও খ্যতি ছড়িয়ে পড়তে থাকে।

কিন্তু বর্তমান প্রধান শিক্ষক মফিজুল হক বিগত ২০১১ইং সালে বিদ্যালয়টিতে যোগদান করার পর থেকে সর্বক্ষেত্রেই ধরাকে স্বরা জ্ঞান মনে করেই চলছেন। এমনকি অনিয়ম দূর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারে তিনি খ্যাতি লাভ করেছেন বলে জানা যায়। তিনি রাজনৈতিক দলের অন্তরালে প্রভাব খাটিয়ে খেয়াল খুশি ভাবে একক ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার করে আসছে বলে বিভিন্ন সূত্রে অভিযোগ উঠছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায় বিদ্যালয়ের উত্তর পার্শ্বে মানদাতা আমলের তৈরীকৃত কয়েক কক্ষ বিশিষ্ট একটি বিল্ডিং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ছাড়াই ভেঙ্গে ফেলে। ঐ বিল্ডিংয়ের টিন, রড ও ইট কি হলো তার কোন হদিস নেই। অথচ ঐ বিল্ডিংয়ে এসএসসি পরীক্ষার সময় পরীক্ষার ব্যবস্থাপত্রকরণ করা হচ্ছিল। ঐ বিল্ডিং ঠিকাদার ছাড়াই ভেঙ্গে ফেলে, সেখানেই বিদ্যালয়ের নিজস্ব ফান্ড থেকে প্রায় এক কোটি টাকা ব্যয়ে ২৭শ বর্গফুটের তিন তলা ফাউন্ডেশন একাডেমিক ভবন নির্মাণ কাজ অব্যাহত রয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় ভবন নির্মাণ কাজ চলছে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে। তাছাড়া বিদ্যালয় সংলগ্ন ভুসিয়া দিঘী থেকে ড্রেজার মেশিনের মাধ্যমে বালু উত্তোলন করে সেই বালু ভবন নির্মাণের কাজ ও বাইরে সরবরাহ করছেন ঐ প্রধান শিক্ষক। প্রশ্ন উঠেছে নিয়ম অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানের ফান্ড থেকে বিল্ডিং নির্মাণ ও উন্নয়নের কাজ ৯০ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানের প্রধান ব্যয় করতে পারবেন। কিন্তু ঐ প্রধান শিক্ষক মোঃ মফিজুল হক প্রায় এক কোটি টাকার একাডেমিক ভবন নির্মাণের কাজ করছেন ঠিকাদার নিয়োগ বা টেন্ডার ছাড়াই। তথ্য ও বিবরণীতে উঠে আসে অদৃশ্য শক্তির জোরে প্রধান শিক্ষকের নানা ভয়ঙ্করি কাহিনী।

উক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রধান স্থানীয় জনৈক ভিআইপি এক নেতার আর্শিবাদ পুষ্টে খেয়াল খুশিভাবে বিদ্যালয়টি চালিয়ে আসছেন। এ নিয়ে শিক্ষার্থীর অভিভাবক ও উপজেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম সম্পাদক মোঃ গোলাম রব্বানী ক্ষোভের সহিত জানায় বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক ঐ প্রতিষ্ঠানে যোগদান করার পর থেকে শিক্ষার মান কমে এসেছে। এমনকি ছাত্র-ছাত্রীদের নিকট ইচ্ছে মাফিক ভাবে বিভিন্ন ফি আদায় করছে। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠান থেকে বিভিন্ন ভাবে অর্থ লোপাট করে আখের গুছিয়ে চলছেন বলে জানা যায়। সচেতন অভিভাবক ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আশরাফ আলী বাদশা জানায় কোন কিছুই তোয়াক্কা করছেন না ঐ প্রধান শিক্ষক।

এছাড়া অন্যান্য সচেতন অভিভাবক মহল ও ক্ষুদ্ধ। এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মফিজুল হকের নিকট জানতে চাওয়া হলে তিনাকে বিদ্যালয়ে পাওয়া যায়নি। পথিমধ্যে দেখা হলে তিনি জানায় উপজেলা শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে আমি সভাপতি পদপ্রার্থী তাই ভোটের জন্য মাঠে ঘুরছি, সময় হলে বিদ্যালয়ে পাওয়া যাবে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকারের নিকট উক্ত বিদ্যালয়ের তিন তলা বিশিষ্ট একাডেমিক ভবন নির্মাণে প্রায় এক কোটি টাকার কাজ হচ্ছে মন্তব্য চাইলে তিনি জানায় মাঠ পর্যায়ে গিয়ে দেখবো। বিদ্যালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী ৯০ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রতিষ্ঠান প্রধান উন্নয়নের কাজে ব্যয় করতে পারবেন, কিন্তু প্রায় এক কোটি টাকা ব্যয় করতে পারবেন কিনা সে বিষয়ে তিনার জানা নেই। তবে নীতিমালা অনুসরণ করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কাজের তালিকা জনসম্মুখে প্রকাশিত না হওয়ায় এমন অভিযোগ শক্তিশালী হচ্ছে

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৭জুলাই,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সুনামগঞ্জের হাওর বেষ্টিত ১১টি উপজেলায় গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নের নামে হচ্ছে পুকুর চুরি। সরকার কাবিখা,কাবিটা,টিআর,কর্মসৃজন প্রকল্পের মাধ্যমে বরাদ্ধ দেওয়া লাখ লাখ টাকা নাম মাত্র খরচ করে সংশ্লিষ্ঠ কতৃপক্ষের সাথে আতাত করে সমুদয় টাকা তুলে নিচ্ছে প্রকল্প কর্মকর্তারা। ফলে কাজের কাজ কিছুই হয় না। প্রকল্পের তালিকা ওয়েব সাইটে থাকলেও সর্ব সাধারনের জন্য এই ওয়েব সাইট সহজ মাধ্যম নয়।

জনসম্মুক্ষে তালিকা প্রকাশিত না হওয়ায় উন্নয়ন কর্মকান্ড সম্পর্কে অবহিত হতে পারছে না উপকার ভোগীরা। জেলা প্রশাসকের ওয়েব সাইটে প্রকল্পের তালিকা থাকলেও জেলার সকল উপজেলা ও ইউনিয়ন অফিসেও টানানোর নিয়ম থাকলেও তা কেউ মানছে না। পুকুর চুরির জন্যই এই সব প্রকল্পের তালিকা জনসম্মুখে প্রকাশ করা হয় নি আজ ও এমন অভিযোগ সচেতন মহলের। জনসম্মুখে ঐসব প্রকল্পের তালিকা প্রকাশ করার দাবী উঠেছে সর্ব সাধারনের মাঝে।

জানা যায়,জেলার ১১টি উপজেলার মধ্যে দক্ষিন সুনামগঞ্জ উপজেলায় অর্থ প্রতিমন্ত্রী এমএ মান্নান দক্ষিন সুনামগঞ্জে প্রকল্পের তালিকা টানানোর নির্দেশ দিলে গ্রামীন উন্নয়ন অবকাঠামো প্রকল্প (কাবিটা,কাবিখা,টিআর,কর্মসৃজন) এর তালিকা দেওয়ালে টাঙ্গিয়ে জনসম্মুখে প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিদিন লোকজন নিজ নিজ এলাকার কাজের খবর নিতে প্রকল্প অফিসের সামনে ভীড় করছেন। ভাল মন্দ বলতে ও কাজ সা হওয়ার বিষয়েও বলতে পারছেন। কিন্তু জেলার তাহিরপুর,জামালগঞ্জ,ধর্মপাশা,বিশ্বম্ভরপুর সহ ১০টি উপজেলায় সংশ্লিষ্ট কার্য্যালয়ে টানানো নেই প্রকল্পের নামের তালিকা। ফলে নিজ নিজ এলাকার কাজ আছে কি না খবর জানতেও পারছেন না স্থানীয় সাধারন।

প্রকল্পের নাম ও বরাদ্ধের পরিমান না জানার কারনে কেউ সঠিক ভাবে অভিযোগ করতে পারছে না। অনেক প্রকল্পের কাজ না করেই সমুদয় টাকা তুলে নিয়ে গেছেন প্রকল্পের চেয়ারম্যানগন। এমনও প্রকল্প আছে পাকা রাস্তার মাটি ভড়াট করে নাম দিয়ে প্রকল্প করা হয়েছে। অকাল বন্যায় জেলার সকল প্রকল্পের কাজ পানির নিচে অথছ কাজ চলমান দেখিয়ে টাকা তুলার পায়তারা করছে। এখন ত যারা প্রকল্প কাজের দায়িত্ব আছে তারাই ত সব লুটেপুটে নিচ্ছে সুযোগ বুজে।

তাহিরপুর উপজেলার সাদেক আলীসহ জেলার বিভিন্ন প্রকল্প এলাকার লোকজন জানান,সরকারী সকল কাজের ভাল মন্দ জানার অধিকার জনগনের আছে। আমাদের এলাকায় কাজ হচ্ছে আমাদের স্বার্থেই তাই সঠিক ভাবে কাজ হচ্ছে কি না তা আমরা বলতেও পারি না ঐসব প্রকল্পের বিষয়ে না জানার কারনে। জনসম্মুখে প্রকাশ করা হলে কোন কাজে কত টাকাসহ সব বিষয়ে সবাই জানতে পারতাম এবং ভাল মন্দ বলতে পারতাম।

পরিবেশ ও হাওর উন্নয়ন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক পিযুস পুরকাস্থ টিটু সহ সচেতন মহলের দাবী,প্রকল্পের নাম,কোন প্রকল্পের কি কাজ,কত টাকা বরাদ্ধ উল্লেখ্য করে অফিস ভবনের সামনে টানানো হউক। যারা কাজ করে নি তাদের বিল বন্ধ করা প্রয়োজন না হলে দূর্নীতি বাড়বে। তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান,গ্রামীন উন্নয়ন অবকাঠামো প্রকল্প (কাবিখা,টিআর,কর্মসৃজন) এর তালিকা দেওয়ালে টাঙ্গিয়ে জনসম্মুখে প্রকাশ করার জন্য আমি নির্দেশ দিয়েছি।

তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল জানান,আমার উপজেলায় কোন দূর্নীতি ছাড় পাবে না। গ্রামীন উন্নয়ন অবকাঠামো প্রকল্পের কাজ না করে যে বিল উঠাবে আর তার সাথে যারা জরিত থাকবে তাদের কেও ছাড় দেওয়া হবে না।

সুনামগঞ্জ জেলা ত্রান ও পূর্নবাসন কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান জানান,জেলা প্রশাসকের ওয়েব সাইর্ডে সব উপজেলার প্রকল্পের তালিকা দেওয়া আছে।