Saturday 23rd of September 2017 04:31:51 AM

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৬জুলাই,হাবিবুর রহমান খানঃ মৌলভীবাজার জেলার দুইটি উপজেলার সীমান্ত এলাকায় শীঘ্রয় আরো দুটি নতুন “বর্ডার হাট” চালু হতে যাচ্ছে।বাংলাদেশ-ভারত উভয় দেশের মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাওয়ায় সীমান্ত এলাকায় শীঘ্রয় আরো দুটি নতুন বর্ডার হাট চালু হতে যাচ্ছে। এই দুটি বর্ডার হাট চালুর সব আনুষ্ঠানিকতা এখন প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে দিল্লিস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন সূত্রে জানা গেছে। নতুন এই বর্ডার হাট দুটি স্থাপিত হতে যাচ্ছে মৌলভীবাজার জেলার জুড়ী উপজেলার পশ্চিম বটুলী ও ভারতের উত্তর ত্রিপুরার পালবস্তি সীমান্তে এবং অপরটি স্থাপিত হবে একই জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার কুমারঘাট ও ভারতের কামালপুর সীমান্তে।

এছাড়াও ভারতের মেঘালয় সীমান্ত এলাকায় আরো ৪টি বর্ডার হাট স্থাপনের প্রাথমিক সম্মতি প্রদান করা হয়েছে। এই ৪টি বর্ডার হাট স্থাপিত হবে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ-ভোলাগঞ্জ, সুনাম গঞ্জের তাহিরপুর-সায়েদাবাদ, সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার-বাগানবাড়ী এবং ময়মনসিংহের ধোবাউড়া, ভূইয়াপাড়া সীমান্তে। বর্তমানে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত এলাকায় ৪টি বর্ডার হাট চালু রয়েছে। এগুলো হচ্ছে কুড়িগ্রাম জেলার রাজিবপুর উপজেলার বালিয়ামারী সীমান্তে, সুনামগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার ডলোরা সীমান্তে, ফেণী জেলার ছাগলনাইয়া উপজেলার পূর্ব মধুগ্রাম ও ছয়ঘড়িয়ার মধ্যবর্তী স্থানের সীমান্তে এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার তারাপুর সীমান্তে।

প্রতিবেশী উভয় দেশের জনগণের সুবিধার্থে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সর্বশেষ ভারত সফরকালে (৭-১০ এপ্রিল ২০১৭) নবায়নকৃত এমওইউ-এর আওতায় বর্ডার হাটে বিক্রয়যোগ্য পণ্যের সংখ্যা বৃদ্ধি করা হয়েছে। বর্ডার হাটে পণ্য বিক্রেতার সংখ্যা ২৫ থেকে বৃদ্ধি করে ৫০ করা হয়েছে এবং পণ্য ক্রয়ের সীমা ১০০ মার্কিন ডলার থেকে বৃদ্ধি করে ২০০ মার্কিন ডলার করা হয়েছে।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৬জুলাই,নিজস্ব প্রতিবেদকঃ হবিগঞ্জের মাধবপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছেন। এঘটনায় আহত হয়েছেন ৩ জন। ১৬ জুলাই রবিবার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শাহজিবাজার ও মানিকপুর এলাকায় এই দুটি দুর্ঘটনা ঘটেছে।

শায়েস্তাগঞ্জ হাইওয়ে থানার ওসি জসিম উদ্দিন জানিয়েছেন, বিকেল সোয়া ৪টায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শাহজিবাজার এলাকায় অবস্থিত স্টার সিরামিকসের সামনে দুটি প্রাইভেট কারের মুখোমুখি সংঘর্ষে অজ্ঞাত একজন নিহত ও অপর তিনজন আহত হন।

এছাড়াও রোববার সকালে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের মানিকপুর এলাকায় যাত্রীবাহী পিকআপ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে গাছে ধাক্কা খেয়ে তাহরিমুল ইসলাম (৩০) নামে এক কোয়েল পাখি ব্যবসায়ী নিহত হন। তিনি কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার তারাকান্দি গ্রামের জহুর আলীর ছেলে। তিনি কিশোরগঞ্জ থেকে সিলেটে যাচ্ছিলেন।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৬জুলাই,মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ শ্রীমঙ্গলে মহিলা মেম্বারের গুরুতর আঘাতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে নকুল পাল নামে এক প্রতিবন্ধী যুবক। তাকে বেধড়ক মারপিট করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।
মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ৩ নং সদর ইউনিয়নের নওয়াগাঁও গ্রামের অধীর পালের ছোট ছেলে নকুল পাল (২২) কে গত ১৩ জুলাই বৃহস্পতিবার সকাল ৮ টায় তার বাড়িতে ভাত খাওয়া থেকে তোলে নিয়ে বেধড়ক মারপিট করা হয়। ১৪ জুলাই শুক্রবার সকাল ৯ টায় ইউপি চেয়ারম্যান ভানু লাল রায় কে ঘটনা ফোনে বললো কেন ? সেটার সূত্র ধরে আবার নকুলের বাসাতে গিয়ে দ্বিতীয় দফায় মারপিট করে মহিলা ইউপি সদস্যা ও তার স্বামী। এর আগে গত বৃহস্পতিবার মহিলা মেম্বার মালেকা বেগম নকুলকে বেধড়ক মারপিট করে ব্যাটারি চালিত টমটম করে ইউনিয়নে নিয়ে আনেন। তাকে এনে ইউপি পরিষদের একটি কক্ষে তালা মেরে রাখে বলে দাবী করেন নকুলের মা। চেয়ারম্যানের হস্তক্ষেপে নকুলের মা ও বউদির মাধ্যমে তাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। বিষয়টি পরে বিচারের মাধ্যমে দেখবেন বলে চেয়ারম্যান তাদেরকে অবহিত করেন।

জানা যায়, গত বুধবার কোন এক সময় পাশ্ববর্তী এলাকার নিখিল দেব’র কাছে পাওয়া টাকা চাইতে গেলে নকুলের সাথে নিখিলের তর্ক বাঁধে।
নকুল পালের বউদি শিপ্রা পাল বলেন, ‘পাশ্ববর্তী এলাকার নিখিল দেব’র কাছে পাওনা টাকা চাইতে গেলে নকুলের সাথে বাকবিতন্ডার ঘটনা ঘটে। মহিলা মেম্বারনী আমাদের ঘরে প্রবেশ করে আমার দেবর কে ভাত খাওয়া থেকে টেনে হেঁছড়ে তোলে নিয়ে খুব আঘাত করে।এসময় মেম্বারনীর সাথে তার স্বামী নানু মিয়া নকুলকে ঘর থেকে বের করে নিয়ে মারপিট করে।এ সময় আমি তাদের বাঁধা দিতে গেলে আমার গায়ে হাত তুলে। এমন কি আমার শাশুড়ি গায়ে হাত তোলে।’
মহিলা মেম্বারনী মালেকা বেগমের স্বামী নানু মিয়া আমাদের ঘর থেকে নগদ ১০ হাজার টাকা ও আমার গলার স্বর্ণের চেইন ছিড়ে নিয়ে যায় বলে তিনি অভিযোগ করেন।
এ ব্যাপারে মহিলা মেম্বার মালেকা বেগমের সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে, তিনি সকল অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, ‘নকুল কে আমরা কেহ মারপিট করিনি। নকুল পাল এলাকার বদমাশ ছেলে।’
এ ব্যাপারে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কপ্লেক্সের ডাক্তার মো: সাজ্জাদ চৌধুরী জানান,রোগীর শরীরের বুকে,পিঠে,মাথায়,পায়ে প্রচন্ড আঘাত করা হয়েছে।তার সুস্থ্য হতে সময় লাগতে পারে।
এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে, এই মহিলা ইউপি সদস্যাকে প্রায়ই শ্রীমঙ্গল থানায় রাত অবধি পর্যন্ত দেখতে পাওয়া যায়। এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে তিনি ফোনের লাইন কেটে দেন। পরে তার মোবাইল (০১৭১৮২৯৮২৮৭) থেকে কল করে এই প্রতিনিধিকে বলেন,আপনি এগুলো খবর নেয়ার কে? তাকে সরকারী প্রকল্পের কাজের তসরুপের  ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে, তিনি আবারও প্রতিবেদকের তথ্য চাওয়ার বিষয়টিকে এড়িয়ে গিয়ে উল্টো বলেন আপনি প্রকল্পের ব্যাপারে জানার কে ? আপনার জানার থাকলে আমাদের পরিষদের চেয়ারম্যানকে প্রশ্ন করতে পারেন। চেয়ারম্যান সাহেব আমার সর্ম্পকে অনেক ভাল বলতে পারবেন।

স্থানিয় ইউপি চেয়ারম্যান ভানু লাল রায়কে এ ব্যাপারে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন,পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে নিখিল দেব’র বাড়িতে গালিগালাজ করার দাবী করে  মহিলা মেম্বারের কাছে নিখিল দেব’র পক্ষ থেকে বিচার প্রার্থি হলে তিনি বিষয়টি মীমাংসা করতে গিয়ে তাদের মধ্যে একটি সমস্যা হয় বলে দু’ই পক্ষ থেকেই আমার কাছে এ বিষয়ে অভিযোগ এসেছে,আমি আগামী সোমবার বিষয়টি মীমাংসার তারিখ দিয়েছি।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৬জুলাই,চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ  হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউ,পি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সংখ্যালঘু পরিবারের উপর নির্যাতন ও ৫ লক্ষ টাকা দাবী করার অভিযোগ এনে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করেছে ভুক্তভোগী সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্যরা।

আজ সকাল ১০ টায় স্থানীয় ঘনশ্যামপুর গ্রামের নাথপাড়ায় শত শত হিন্দু-মুসলিম পরিবার এই প্রতিবাদ সভা ও মানববন্ধন করেন। খবর পেয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা চেয়ারম্যান আবু তাহের, উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল লতিফ, আওয়ামীলীগের স্থানীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান ও আলী রহমানকে সেখানে পাঠান।

তারা সংখ্যালঘু শত শত লোকদের সান্তনাদেন এবং সরকার ও তার প্রসাশন সর্বাত্বক সহযোগীতা করবে বলে তাদের আশ্বাস প্রদান করেন। প্রবীন মুরব্বী ও আওয়ামীলীগ নেতা ডাক্তার গোলক চন্দ্র নাথ এর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন অমুল্য দেব নাথ, মানিক দেব নাথ, অর্জুন দেব নাথ, শ্যামলা দেব নাথ, ভারতী দেবী, হেমলতা দেব নাথ, আকছির মিয়া ও রনি আহমেদ প্রমুখ।

বক্তারা বলেন ইউ,পি চেয়ারম্যান সন্জু চৌধুরী হিন্দু মহিলাকে মুসলিম দেখিয়ে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ভূয়া ওয়ারিশান সনদ দিয়ে তাদের জমি দখলের প্রচেষ্টা করেন। সংখ্যালঘু ১৮ পরিবার চেয়ারম্যান সন্জু চৌধুরীর নিকট বার বার ধরনা দিলে তিনি ৫ লক্ষ টাকা দাবী করেন। তারা ২ লক্ষ ২০ হাজার টাকা দিলেও তিনি ক্ষান্ত হননি ওই ১৮ পরিবারের কাছে বাকি টাকা দাবী করেন। সংখ্যালঘু পরিবারের সদস্যরা দরিদ্র ও দিন মুজুর উল্লেখ করে তাদের জমি ফিরিয়ে দিতে চাইলে তিনি মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে হিন্দু পরিবারের সম্পত্তিকে মুসলমান ওয়ারিশান বানিয়ে প্রতারণা করেন।

এখন তারা জমি হারা হয়ে না খেয়ে দিনাতিপাত করছেন এবং মামলা হামলা খেয়ে কোনঠাসা হয়ে পড়েছেন। চেয়ারম্যান সন্জু চৌধুরী তাদের বিভিন্ন ভাবে হুমকি দমকি দিচ্ছেন। রাতের আধারে চেয়ারম্যানের পক্ষে জাকির হোসেন পলাশ ও নুরুল আমিন নামে দুই ব্যক্তি মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা না করার ষড়যন্ত্র করেন।

কিন্তু ভুক্তভোগী সংখ্যালঘু পরিবারকে কোন ভাবেই দমাতে পারেননি। তারা বলেন এ মাটি আমাদের মা। এই মাকে কেউ আত্মসাৎ করলে আমরা তাকে ক্ষমা করব না। ওই গ্রামের একটি প্রতারক চক্র চুনু মিয়া, এনু মিয়া ও আব্দুল আওয়ালকে দিয়ে চেয়ারম্যান সন্জু চৌধুরী হিন্দু পরিবারের সম্পত্তি তার নামে আত্মসাতের গভীর ষড়যন্ত্র করছেন।

প্রবীন আওয়ামীলীগ নেতা গোলক চন্দ্র নাথ বলেন চেয়ারম্যান সন্জু চৌধরী একজন দিনের ডাকাত ও ভূমিখেকো। তার কাছে সাধারণ মানুষ নিরাপদ নয়। তাদের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র বন্ধ না করলে তারা আরো শান্তিপূর্ণ কর্মসূচী পালন করে যাবেন।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৬জুলাই,আশরাফ আলী,মৌলভীবাজার: দফায় দফায় বন্যায় হাওরপাড়ে গবাদি পশুর খাদ্যের সংকট চরমে। প্রথম দফা বন্যায় তলিয়ে গিয়েছিল বোরো ধান। আর এখন তলিয়ে গেছে বসত ঘর। ৩য় দফা বন্যায় খাদ্য আর বাসস্থান হারিয়ে মানুষের মতো চরম অসহায় গবাদি পশুগুলোও।

এ বছর চরম গো খাদ্য সংকটে পড়েছেন হাওর পাড়ের কৃষক। গেল ক’দিন থেকে এ সংকট তীব্র হচ্ছে। হাওর তীরের কৃষক গৃহপালিত পশু নিয়ে পড়েছেন বিপাকে।

বোরো ধান আর মাছ হারিয়ে যেমন তাদের নিজেদের খাদ্য নেই। তেমনি উপোস থাকছে তাদের গরু, ছাগল, মহিষ, হাঁস ও মোরগ। কুলাউড়া, বড়লেখা, জুড়ী, রাজনগর ও সদর উপজেলায় দেখা দিয়েছে গো-খাদ্যের চরম সংকট। যার কারণে কৃষক বাধ্য হয়ে বিক্রি করছেন তাদের গৃহপালিত গরু, মহিষ ও ছাগল।
তবে জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় ও স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক সূত্রে জানা যায় চলমান বন্যায় এমন খাদ্য সংকটে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে এখন পর্যন্ত মেলেনি কোনো বরাদ্দ। গো খাদ্য সংকট আর অভাবের তাড়নায় নিজেদের সংসার চালাতে এখন লোকসান দিয়েই বিক্রি করছেন গবাদী পশু। শেষ সম্বল এই গৃহপালিত পশুগুলো বিক্রি করে বন্যা পরবর্তী ক্ষেতের জমি চাষ নিয়ে তাদের দুশ্চিন্তার শেষ নেই। হাকালুকি হাওর পারের জাঙ্গিরাই, শিমুলতলা, বাছিরপুর, বেলাগাঁও, শাহ‌পুর, সাদিপুর, মিরশংকর, মদনগৌরী, খাগটেকা, কালনিগড়, খালের মুখ, বনগাঁও, চালবন, হরিরামপুর, উত্তর ভবানীপুর, গ্রামগুলোতে দেখা গেল এমন দৃশ্য।
প্রতিটি গ্রামে পানি বন্দি মানুষ ও গবাদি পশুর বসতঘর। দেখা যায় অনেকেই ডিঙ্গি নৌকা দিয়ে পদ্ম ও শালুক পাতা সংগ্রহ করছেন। বন্যার পানির কারণে মানুষের মত গবাদিপশু গুলোও বন্দিদশায়। বাড়ি থেকে বের করা যাচ্ছে না। গোয়াল ঘরেও পানি। তাই পদ্ম আর শালুক পাতা খেয়ে যেমন ওরা বেঁচে আছে। কৃষকরা নানা কষ্টে ওগুলো সংগ্রহ করেন। অনেকেই জানালেন প্রতিদিন ৩-৪ ঘণ্টা নৌকায় ঘুরে ওই পাতা সংগ্রহ করেন তারা।
একজন কৃষক বলেন আমার ২০ একর জমি ছিল। জমির সব ধান তলিয়ে গেছে। ধান তুলতে না পারায় কোনো খড় পাননি। তার ১০ টি গরু। এখন চারদিকে পানি থাকায় এই গরু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন তিনি। নিজে খাইতে পারছি না আর গবাদিপশুর খাদ্য কিনব কিভাবে। ওদের আর না খাইয়ে রাখতে চাই না। এজন্য লোকসান দিয়েই বিক্রি করছেন গবাদিপশু। পোষা প্রাণিগুলোর এমন কষ্ট সহ্য হয় না তাই বিক্রি করে দিচ্ছেন। অন্য মালিকের ঘরে গিয়ে যাতে তারা শান্তিতে থাকে। আবার অনেকেই গবাদিপশু আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে পাঠিয়েছেন আপৎকালীন সময়ের জন্য।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৬জুলাই,চুনারুঘাট প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় চুনারুঘাটে বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে জাহাঙ্গীর মিয়া (২৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। জাহাঙ্গীর মিয়া উপজেলার
মিরাশী ইউনিয়নের আমতলা গ্রামের আব্দুল আলীর পুত্র। আজ রোববার সকাল ১০টায় পৌরসভার হাতুন্ডা গ্রামের পলাশ বস্ত্র বিতানের মালিকের বাসায় ফ্যান লাগাতে গিয়ে জাহাঙ্গীর মিয়া বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়।

ওই সময় স্হানীয় লোকজন জাহাঙ্গীর মিয়া কে উদ্ধার করে চুনারুঘাট হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত ডাঃ নাহিদুল ইসলাম তাকে মৃত ঘোষণা করেছেন।

“তাহলে আমাদের জন্য খাস সুন্নত কোনটি, বাল্য বিবাহ এবং কুমারি বিয়ে করা নাকি বিধবা এবং তালাকপ্রাপ্তা বিবাহ করা ?”

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৬জুলাই,ডঃ আব্দুল বাতেন মিয়াজীঃ  ফেসবুক এবং অনলাইনে মুসলমান নামধারী কিছু ব্যক্তি ও গোষ্ঠী বাল্য বিবাহকে “খাস সুন্নত” প্রমাণ করার জন্য অনেক কিছু বলে যাচ্ছে। মনে রাখতে হবে ইসলাম বিশ্বজনীন ধর্ম। আল্লাহ্‌ পাক কিংবা রাসুল ﷺ এমন কিছুই করার আদেশ দেননি যা আমাদের ক্ষতির কারণ হতে পারে। অনেকেই না বুঝে “বাল্য বিবাহ খাস সুন্নত” এ ধরণের পোষ্ট শেয়ার এবং রি-পোষ্ট করছেন। তাদের উদ্দেশ্যে আমার এই লেখা।

রাসুল ﷺ এমন অনেক কিছুই করেছেন, যা কেবল তাঁর জন্যই খাস ছিল, অন্য আম সাহাবাগণের জন্য তা অনুকরণীয় ছিল না, বরং কিছু কিছু ক্ষেত্রে তা ছিল নিষিদ্ধ। আর সমগ্র উম্মতে মুহাম্মদীর ﷺ জন্যেও তা অনুকরণীয় হয়নি।

যেমন, “সাওমে বেসাল” বা একাধারে রোজা রাখা। রাসুল ﷺ একাধারে না খেয়ে রোজা রাখতেন। তাঁর দেখাদেখি কিছু সাহাবা সাওমে বেসাল রাখা শুরু করলে তিনি তাঁদের তা করতে নিষেধ করেন এবং বলেন, তোমাদের কে আছো আমার মতো? ঠিক তদ্রূপভাবে হিজরত করা কিছু মুসলিমাহকে কেবল রাসুল ﷺ এর জন্য বিয়ে করা খাস করে দেন স্বয়ং আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামীন। যাঁদের মধ্যে ছিলেন রাসুল ﷺ এর ফুফাতো এবং চাচাতো বোনেরা।

ঠিক একই ভাবে কিছু কিছু আমল রাসুল ﷺ এর জন্য ফরজ ছিল, কিন্তু উম্মতে মুহাম্মদীর জন্য তা হয়েছে নফল। রাতে তাহাজ্জুদ নামাজ তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ। সফরের সময় রোজা না রাখার সুযোগ দিয়ে স্বয়ং আল্লাহ্‌ পাক তাঁর বান্দাদের উপর রহমত করেন। অথচ রাসুল ﷺ নিজে সফরের সময়ও রোজা ভঙ্গ করতেন না। কিছু কিছু সাহাবা তাঁর অনুসরণ করতে চাইলে তিনি তাঁদের তা থেকে বিরত রাখতেন। এভাবে আরো অসংখ্য উদাহরণ দেয়া যায়। রাসুল ﷺ এর জন্য যা খাস, উম্মতে মুহাম্মদীর জন্য ক্ষেত্র বিশেষে তা নিষিদ্ধ, মুস্তাহাব কিংবা নফল হয়েছে।

মা আয়েশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার বিয়ের উল্লেখ করে যারা বাল্য বিবাহকে খাস সুন্নত প্রমাণ করতে চান, তাদের ইসলাম সম্পর্কে আরো জানা প্রয়োজন রয়েছে। রাসুল ﷺ আল্লাহ্‌ পাকের ইংগিতে মা আয়েশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে বিয়ে করেন। এর পূর্বে জিবরাঈল আলাইহিস সালাম কয়েকবার বেহেশতি সাদা কাপড়ে মুড়িয়ে মা আয়েশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে নবীজী ﷺ এর কাছে স্বপ্নে হাযির করেন। বিয়ে এবং সংসার জীবন শুরু নিয়ে ইমামগণের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। কেউ কেউ বলেন যে তখন মা আয়েশার বয়স ছিল ১৪। ৭ বা ৯ ইসলাম বিদ্বেষীদের একটি প্রোপাগান্ডা।

তবে সে তর্কে না গিয়ে শুধু এটুকু বলবো, সবাই একমত যে, মা আয়েশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার বিয়ে ছিল স্পেশাল এবং এর উদ্দেশ্য আমরা সহজেই অনুধাবন করতে পারি যখন দেখি হাদিস বর্ণনায় মা আয়েশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা ছিলেন অগ্রগামী। পুরুষ এবং মেয়েদের হাদিস বর্ণনার ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন তৃতীয় এবং মেয়েদের মধ্যে ছিলেন সর্বোচ্ছ হাদিস বর্ণনাকারী (প্রথম হযরত আবু হুরায়রা, হাদিস সংখ্যা ৫৩৭৪, দ্বিতীয় হযরত ইবনে আব্বাস, হাদিস সংখ্যা ২৬৬০ এবং তৃতীয় মা আয়েশা, হাদিস সংখ্যা ২২১০)। রাসুল ﷺ এর পারিবারিক এবং ব্যক্তিগত জীবনের এমন অনেক ঘটনা সম্পর্কে আমরা জানতে পারি, যা ইসলামী শরিয়ার অনেক গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার সমাধান সহজ করে দিয়েছে। সুবহানআল্লাহ!

একটি মাত্র বিয়েকে উল্লেখ করে যারা বাল্য বিবাহকে খাস সুন্নত বানাতে ব্যস্ত, তাদের উদ্দেশ্যে বলা প্রয়োজন, রাসুল ﷺ ১৩ টি মতান্তরে ১৪টি বিয়ে করেছিলেন। একমাত্র মা আয়েশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা ব্যতীত অন্য সবাই ছিলেন বিধবা এবং তালাকপ্রাপ্তা। তাহলে আমাদের জন্য খাস সুন্নত কোনটি, বাল্য বিবাহ এবং কুমারি বিয়ে করা নাকি বিধবা এবং তালাকপাপ্তা বিবাহ করা ? যেসব লোক অজ্ঞতা থেকে বাল্য বিবাহকে খাস সুন্নত প্রমাণ করতে ইসলাম ও নবী মুহাম্মাদ ﷺ কে হেয় করছে এবং নাস্তিকদের খোরাক যোগাচ্ছে, তারা কি কখনো বিধবা বিবাহ কিংবা তালাকপাপ্তাদের বিবাহ করা যে আরো বেশি খাস সুন্নত, তা বলেন? তারা কি কখনো নিজেদের ৭ কিংবা ৯ বছরের মেয়েদের, বোনদের, আত্মীয়দের বিয়ে দেন? নিজে কেবল কমবয়সী মেয়ে বিয়ে করার জন্য খুঁজে খুঁজে খাস সুন্নত ফতোয়া নিয়ে হাযির হন অথচ নিজের মেয়েকে বিয়ে দেবার সময় ঠিকই নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত অপেক্ষা করেন।

রাসুল ﷺ মেয়েদেরকে ৭ কিংবা ৯ বছর বয়সে বিয়ে দেবার কথা বলেন নি। বরং তিনি তাঁর নিজের মেয়ে মা ফাতেমা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে ১৭ বা ১৮ বছর বয়সে বিয়ে দিয়ে ওইসব লোকদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়েছেন, মেয়েদেরকে প্রাপ্তবয়স্ক হবার পর বিয়ে দাও।পর্ব-১

(পরের পর্বে আসছে রাসুল ﷺ মা আয়েশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার সাথে কি ধরণের আচরণ করতেন তা নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা।)লেখকঃ ইসলামী কলামিস্ট ও গবেষক।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৬জুলাই,ডেস্ক নিউজঃ   প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে কটূক্তি করে স্লোগান দেয়ার অভিযোগে করা মামলায় গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার ও তার সহযোগী সনাতন উল্লাহ আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন।

রোববার সকালে ঢাকা মহানগর হাকিম এস এম মাসুদ জামান এর আদালতে তারা আত্মসমর্পণ করেন।

আত্মসমর্পণের পর ইমরান এইচ সরকার জামিনের জন্য আবেদন করেছেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে,আজ বেলা সাড়ে ১১টায় হাকিম এস এম মাসুদ জামানের আদালতে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে ৩১ মে ঢাকা মহানগর হাকিম এস এম মাসুদ জামানের আদালতে মামলাটি করেন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক গোলাম রব্বানী। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে ১৬ জুলাইয়ের মধ্যে তাকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। মামলায় সনাতন উল্লাহ নামে আরেকজনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২৮ মে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে থেকে রাজু ভাস্কর্য পর্যন্ত মিছিল নিয়ে যায় গণজাগরণ মঞ্চের কর্মীরা। ভাস্কর্য নিয়ে অপরাজনীতির প্রতিবাদে করা ওই মশাল মিছিলের নেতৃত্ব দেন ইমরান এইচ সরকার।

আর তার সহকারি সনাতন উল্লাহ মিছিলের স্লোগান দেন। স্লোগানে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি করা হয়।পার্সটুডে

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৬জুলাই,ডেস্ক নিউজঃ রাজধানী ঢাকার অদূরে সাভারের আশুলিয়ায় জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে যে বাড়িটি ঘিরে রাখা হয়েছে, সেখানকার বাসিন্দাদের আত্মসমর্পণের চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছে অভিযান পরিচালনাকারী র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

যদিও সেই বাড়ি থেকে মুহুর্মুহু গুলির শব্দ শোনা যাচ্ছে। আত্মসমর্পণের আহ্বানে সাড়া না দিয়ে র‍্যাবের অভিযানের মুখে ভেতর থেকে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে বাড়ির বাসিন্দারা। তবু আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বাড়ির ভেতরে থাকা বাসিন্দাদের আত্মসমর্পণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন র‍্যাবের গণমাধ্যম শাখার পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান।

শনিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে র‌্যাব-৪’র একটি দল নয়ারহাট এলাকার চৌরাবালি এলাকায় ইব্রাহীম নামে এক ব্যক্তির টিনশেডের ওই বাড়িটি ঘিরে রাখে।

বাড়িটির ভেতর থেকে ‘জঙ্গিরা’ র‌্যাবকে লক্ষ্য করে দুই দফায় ১০-১২ রাউন্ড গুলি বোমা ছোড়ে বলে জানান অতিরিক্ত ডিআইজি লুৎফুল কবীর। তিনি বলেন, অভিযান শুরুর পরপরই ভেতরে থাকা ‘জঙ্গিরা’ র‌্যাব সদস্যদের লক্ষ্য করে কমপক্ষে ৫ রাউন্ড গুলি ছোড়ে।

পরে আজ রোববার সকাল ৬টার দিকে ওই বাড়ি থেকে র‌্যাব সদস্যদের লক্ষ্য করে ফের ৫-৭ রাউন্ড গুলি ও বোমার বিস্ফোরণ ঘটানো  হয়। জবাবে র‌্যাবের সদস্যরাও পাল্টা গুলি ছোড়েন।

বাড়িটির ভেতরে ‘জঙ্গি দলের’ ৩-৪ জন সদস্য রয়েছে এবং তাদের কাছে শক্তিশালী বিস্ফোরক দ্রব্য রয়েছে। মাইকে বাড়িটির ভেতরে থাকা ‘জঙ্গিদের’ আত্মসমর্পণ করার জন্য বার বার বলা হচ্ছে। কিন্তু তারা এই আহ্বানে সাড়া না দিয়ে উল্টো গুলি ও বোমা ছুড়েছে বলে জানান অতিরিক্ত ডিআইজি।

এদিকে এ ঘটনায় জিঞ্জাসাবাদের জন্য ওই বাড়ির মালিক ইব্রাহীমকে আটক করা হয়েছে। তিনি এ ঘটনায় জড়িত থাকতে পারেন বলে সন্দেহ করছেন র‌্যাব সদস্যরা।

ওই জঙ্গি বাড়ির আধা কিলোমিটার এলাকায় জুড়ে গণমাধ্যম কর্মী ও সর্বসাধারণদের চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। সেখানে শুধুমাত্র অভিযানে অংশগ্রহণকারী র‌্যাব সদস্যরা উপস্থিত রয়েছেন।

এছাড়া র‌্যাবের বিশেষ ইউনিট এবং বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৬জুলাই,নিজস্ব প্রতিবেদকঃ হবিগঞ্জে পুলিশ সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে  ১৬ জন পলাতক আসামীদের আটক করেছে। শনিবার (১৫ জুলাই) রাত থেকে রবিবার (১৬ জুলাই) ভোররাত পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তাদের কে আটক করা হয়।

হবিগঞ্জের সহকারী পুলিশ সুপার (মিডিয়া) মোঃ নাজিম উদ্দিন এক বিজ্ঞপ্তিতে সাংবাদিকদের বলেছেন, আটককৃতদের মধ্যে ১২ জন গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ভূক্ত আসামী। ৪ জন নিয়মিত  মামলার পলাতক আসামি।
তিনি সাংবাদিকদের আরও বলেছেন, এরকম অভিযান চালালে অপরাধ অনেকটাই কমে আসতে পারে। তাই এরকম অভিযান মাঝে মাঝে চালানো হবে।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৬জুলাই,মিজানুর রহমান সৌদি আরব থেকেঃ সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় শহর দাম্মাম-খোবার হাইওয়েতে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার খাবিজ ফারজানিয়া সানাইয়া এলাকার আল জামিল স্টিল কোম্পানির সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে ।

নিহত দুজনের নামই হানিফ। একজনের বাড়ি টাঙ্গাইল, অপরজনের বাড়ি কুমিল্লায়। দুর্ঘটনার শিকার একজন ঘটনাস্থলে অপরজন শুক্রবার দাম্মামের মারকাজি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

শুক্রবার মারা যাওয়া হানিফ টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলাধীন এলাসিন খান বাড়ির হজরত আলীর ছেলে। তারা মেসার্স ফারেস নাজদ কনস্ট্রাকশন নামের একটি কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। তাদের মরদেহ দাম্মাম সেন্ট্রাল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৬জুলাই,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল থেকে প্রকাশিত ও প্রচারিত বিশিষ্ট সাংবাদিক মরহুম এম বি এ বেলাল কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত দৈনিক খোলাচিঠি ও সাপ্তাহিক শ্রীমঙ্গলের চিঠির সহকারী সম্পাদক ও সাংবাদিক কে পি দাশ ভুলু শনিবার রাত ৯ টায় সিলেটের একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।

তাহার মৃত্যুতে “আমার সিলেট” পরিবারের পক্ষ থেকে “শ্রীমঙ্গল অনলাইন প্রেসক্লাবে”র সভাপতি ও “আমার সিলেট টুয়েন্টি ফোর ডটকমে”র প্রধান সম্পাদক আনিছুল ইসলাম আশরাফী এক লিখিত শোক বার্তায় বলেন, প্রয়াত কে পি দাস ভুলু ছিলেন একজন অক্লান্ত পরিশ্রমকারী,সংবাদ নিবেদিত প্রাণ,যিনি দিনরাতে বহু সাংবাদিকের প্রেরিত সংবাদকে সাজিয়ে গুছিয়ে পাঠকের যোগ্য করে তুলে দিতেন পাঠকদের মত করে,আমরা তার এ প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করছি এবং তার পরিবার ও নিকটাত্মীয়দের সমবেদনা জানাচ্ছি।

শোক বার্তায় তিনি আরও বলেন,তার মৃত্যুতে শ্রীমঙ্গলবাসী একজন অভিজ্ঞ সংবাদ তৈরির কারিগরকে হারালেন যা অপূরণীয় থেকে যাবে স্থানিয় সাংবাদিক অঙ্গনে।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১৬জুলাই,ডেস্ক নিউজঃ মালয়েশিয়া সরকারের “মাই সেকেন্ড হোম “ কর্মসূচির আওতায় অন্তত: সাড়ে তিন হাজার বাংলাদেশি সেদেশে তাদের দ্বিতীয় গৃহ গড়ার অনুমতি পেয়েছেন।

মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে বৃহস্পতিবার এ কর্মসূচি নিয়ে এক জাতীয় কর্মশালায় দেশটির পর্যটন ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নাজরি আজিজ এ তথ্য জানিয়েছেন।

নাজরি আজিজ আরও জানিয়েছেন,ওই কর্মসূচির আওতায় ২০০২ সাল থেকে এ পর্যন্ত মালয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোম গড়ার অনুমতি পেয়েছেন ১২৬টি দেশের ৩৩ হাজার ৩শ’ জন।

আবেদনকারীরা ভিসা নবায়ন, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট চালু ও অন্যান্য সম্পদ ক্রয়ের কারণে মালয়েশিয়ার রাজস্ব আয় হয়েছে ২৯০ কোটি রিঙ্গিত।

দেশটির কর্তৃপক্ষ জানায়, সর্বশেষ প্রকাশিত ওই তালিকায় শীর্ষে রয়েছে চীন। দেশটির ৮ হাজার ৭১৪ ব্যক্তি মালয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোম করেছেন। এরপরের অবস্থানে আছে জাপান (৪ হাজার ২২৫ জন)। তৃতীয় অবস্থানে বাংলাদেশ। এরপর কোরিয়া, যুক্তরাজ্য, আয়ারল্যান্ড ও সিঙ্গাপুরের অবস্থান।

মালয়েশিয়ার পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে, সেকেন্ড হোম প্রজেক্ট প্রথম চালু হয় ২০০২ সালে। এর আওতায়, ২০০৩ সালে প্রথমবার বাংলাদেশিরা আবেদন করেন। তখন থেকে এ পর্যন্ত মোট আবেদন করেছেন প্রায় ৮ হাজার ৩৫০ জন বাংলাদেশি। এর মধ্যে  অনুমতি পেয়েছেন ৩৫৪৬ জন।

পত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্ট থেকে জানা যায়,  যে সব বাংলাদেশী  মালয়েশিয়ায় সেকেন্ড হোম গড়েছেন বাংলাদেশি টাকায় জনপ্রতি খরচ হয়েছে ১২ কোটি টাকা। ওই হিসেব অনুযায়ী যে সব বাংলাদেশি সেখানে  সেকেন্ড হোম করেছেন তারা  প্রায় ৪২ হাজার ৫৫২ কোটি টাকা অবৈধ পথে মালয়েশিয়ায় নিয়ে গেছেন।

মালয়েশিয়ার পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পরিচালিত এ  প্রোগ্রামে মালয়েশিয়ার ২৩৮টি এজেন্টের বাইরে অনুমোদিত এজেন্ট নেই। কিন্তু দিন দিন জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকায় এ জন্য  বাংলাদেশে সাব-এজেন্টের সংখ্যা পাল্লা দিয়ে বাড়ছে। এখন বিভিন্ন অনলাইন সামাজিক মাধ্যমে এ নিয়ে বিজ্ঞাপন দেয়া হচ্ছে।

এ প্রসংগে সিংগাপুর-মালয়েশিয়ায় ভিসা ও টিকেট সেবা প্রদান করে এমন একটি ট্রাভেল এজেন্সির  কর্মকর্তা জানান, গড়ে মাসে পাঁচ-ছয়টি  আবেদন পরে। এর মধ্যে দু-একটি পরিবারও থাকে যাদের পাসপোর্টে সেকেন্ড   হোম ষ্টীকার লাগানো পাওয়া যায়।  তাদের মালয়েশিয়ায় প্রবেশে ভিসা লাগে না ; আর সিংগাপুরের ভিসা পেতেও  অসুবিধা হয় না ।

এদিকে,  মালয়েশিয়াতে সেকেন্ড হোম গড়েছেন এমন বাংলাদেশিদের ওপর নজরদারি শুরু করেছে বাংলাদেশের জাতীয় রাজস্ব বোর্ড।  সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে,  সেকেন্ড হোমের সুযোগ নিয়ে অর্থ পাচার ও কর ফাঁকির বিষয়টি খতিয়ে দেখতে মালয়েশিয়ার সাথে  যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে এনবিআর। গত বছরের শেষের দিকে এনবিআরের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেলের যুগ্ম পরিচালক সাব্বির আহমেদকে প্রধান করে চার সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি করা হয়।

ওই কমিটির কার্য পরিধি সংক্রান্ত এনবিআরের আদেশে বলা হয়, আয়কর না দিয়ে অবৈধভাবে অপ্রদর্শিত অর্থ বিদেশে পাচার বা সেকেন্ড হোম নির্মাণ করেছেন তাদের তালিকা প্রস্তুত ও ব্যবস্থা নেয়ার জন্য কর্মকৌশল নির্ধারণ করছে।

এদিকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের পাশাপাশি দুদকের এক উপ-পরিচালকের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিশেষ টিম সেকেন্ড হোম নেয়া ব্যক্তিদের সম্পর্কে অনুসন্ধান চালাচ্ছে। বাংলাদেশ সরকারের এ দুই সংস্থার বাইরে ইমিগ্রেশন বিভাগের মাধ্যমে ১০ বছর মেয়াদি মালয়েশিয়ান ভিসাধারী রয়েছে এমন তালিকা তৈরি করা হচ্ছে।

দুদক ও এনবিআর তদন্ত করতে গিয়ে দেখেছে, এ সুবিধা পেতে মালয়েশিয়ার ব্যাংকে মোটা অঙ্কের অর্থ জমা রাখতে হলেও এদেশের সুযোগ গ্রহণকারীদের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে।

দেশে রাজনৈতিক পট পরিবর্তন হলে নানা সমস্যার মুখে পড়তে পারেন এমন আশঙ্কায় অনেকে সেকেন্ড হোম সুবিধা নিয়ে থাকেন। এ কারণে সরকার পরিবর্তনের সময়গুলোয় সেকেন্ড হোম প্রোগ্রামে আবেদনের হিড়িক পড়ে যায় বলে অভিবাসন বিশেষজ্ঞদের ধারণা।সুত্রঃপার্সটুডে