Saturday 23rd of September 2017 04:26:29 AM

“প্রথম লালন ফকিরের আদর্শে ফরহাদ মজহারকে গুরু মেনে ফকিরী বায়াত নেন। এর থেকে শুরু হয় তাদের ঘনিষ্ঠতা। পরবর্তীতে মন দেওয়া নেওয়া এবং দৈহিক সম্পর্ক !”

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১২জুলাই,ডেস্ক নিউজঃ কবি-প্রাবন্ধিক ফরহাদ মজহারের বান্ধবী অর্চনা রানীকে আর্থিক সহযোগিতা করার জন্যেই অপহরণের নাটক। ফরহাদ মজহার তার বান্ধবীর সঙ্গে ঘটনার আগে-পরে মোবাইল ফোনে যে ধরনের কথা বলেছেন, কথোপকথনের রের্কডও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সংগ্রহ করেছে।

উভয়ের মোবাইল থেকে যে ম্যাসেজ আদান-প্রদান করেছেন এ রের্কডও রয়েছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে। ৩ জুলাই ভোরে তিনি মোহাম্মদপুর স্যার সৈয়দ রোডের বাসা থেকে বের হন। এরপর নিখোঁজ হন। তার পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয় তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা। তার পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করে।

মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) ও পুলিশ সদর দফতরের সমন্বয়ে ফরহাদ মজহারের কথিত অপহরণের ঘটনার তদন্ত শুরু হয়। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয় এ তদন্তে।
তদন্তে শনাক্ত করা হয় এক নারীর মোবাইল ফোন। এ ফোনের সঙ্গে ফরহাদ মজহারের হয়েছে কথা বার্তা। এ মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে খোঁজ পান তদন্তকারী কর্মকর্তারা এক নারীর। ঐ নারী হলেন ফরহাদ মজাহারের “উবিনীগ” নামের এনজিও’র সাবেক কর্মী। তার নাম অর্চনা রানী (২৮)। তিনি সহজ সরল এক নারী। বাঁচার তাগিদে অনেক কাঠখড় পুড়িয়েছেন। ২০০৫ সালে উবিনীগ নামক এনজিওতে চাকরি নেন তিনি। অর্চনা রানী ভাবছেন এই বুঝি তার এক ঠাঁই হলো। কিন্তু কাজের ফাঁকে ফরহাদ মজহারের সঙ্গে তার হয়ে উঠে ঘনিষ্টতা। প্রথম লালন ফকিরের আদর্শে ফরহাদ মজহারকে গুরু মেনে ফকিরী বায়াত নেন। এর থেকে শুরু হয় তাদের ঘনিষ্ঠতা। পরবর্তীতে মন দেওয়া নেওয়া এবং দৈহিক সম্পর্ক!
তদন্ত কর্মকর্তাদের বলেন, তিনি ফরহাদ মজহারকে মনেপ্রাণে ভালবাসেন ও ভক্তি করেন। প্রায়ই অর্চনা রানীর বাসায় যাতায়াত এবং দৈহিক মেলামেশা করতেন ফরহাদ মজহার।
ফরহাদ মজহার তাকে আর্থিক সহযোগিতা করতেন।বাড়ি ভাড়া থেকে শুরু করে সংসারের অন্যান্য খরচ দিতেন তিনি। ২০০৭ সালে অর্চনা রানী অন্তঃসত্তা হয়ে পড়েন। ওই সময় তার অবৈধ গর্ভপাত ঘটানো হয়। ঐ গর্ভপাত ঘটাতে গিয়ে ঐ সময় অর্চনা রানী শারীরিক ক্ষতিগ্রস্ত হন। সুস্থ হয়ে উঠতে তার অনেক সময় লাগে। ঐ সব ঘটনা ফরহাদ মজহারের পরিবারে জানাজানি হলে অর্চনা রানী উবিনীগ থেকে চাকরি হারান।
তিনি চাকরি হারালেও ফরহাদ মজহারের আর্থিক সহযোগিতা অব্যাহত থাকায় অর্চনা রানীর কোন সমস্যা হয়নি। সর্বশেষ তিনি আবার ৪ মাসের অন্তঃসত্তা হয়ে পড়েন। তিনি ফরহাদ মজহারকে বলেন, আপনার সম্পর্ক এখন আমার পেটে।  ফরহাদ মজহার  অর্চনা রানীকে আশস্ত করেন যে, এবার তোমাকে ভাল ডাক্তার দেখানো হবে। আগের মত তোমার শারীরিক ক্ষতি যাতে না হয়। সে বিষয়টি ফরহাদ মজহার গুরুত্ব সহকারে দেখছেন। ইতিমধ্যে অর্চনা রানীর বাবা অসুস্থ হয়েছেন। বাবার চিকিত্সার জন্য অর্চনা রানীর দরকার অনেক টাকা। ফরহাদ মজাহারের কাছে সেই পরিমাণ অর্থ নেই। অবশেষে অর্থের নেপথ্যে ফরহাদ মজহারের অপহরণের নাটক। এ নাটক ছিল তার পরিবারের কাছ থেকে ৩০ লাখ টাকা আদায় করা।
অর্চনা রানীর দেওয়া তথ্য, কথোপোকথন রেকর্ড ও বিভিন্ন তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্তকারী কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত হন যে ফরহাদ মজহারের অপহরণের ঘটনা “সাজানো নাটক।” ঘটনার দিন সকাল ১১টার দিকে ফরহাদ মজহার স্ত্রীকে ফোন করে বলেন, ৩০ লাখ টাকা তোমার কাছে রেখে দিও এবং তোমার কাছে ঐ টাকা চাইলে বলবে ডেলিভার হয়ে গেছে। ফিরে এসে বাকিটা দেখব। খুলনা গিয়ে তিনি নিউমার্কেটে (খুলনা) গেছেন ও বের হয়েছেন।
ঐ দিন সন্ধ্যায় খুলনা থেকে অর্চনা রানীকে তার দুইটি নম্বরের প্রথম দফা ১৩ হাজার টাকা ও দ্বিতীয় দফায় দুই হাজার টাকা পাঠিয়েছেন ফরহাদ মজহার। সময় সন্ধ্যা ৭টা ১৮ মিনিট ও সন্ধ্যা সাতটা ১৯ মিনিট। বাসের টিকেট নিজে ক্রয় করেছেন। তারও প্রমাণ তদন্তকারী কর্তৃপক্ষের হাতে। তার কথিত অপহরণের সময় মাইক্রোবাসের কথা বলা হলেও গতকাল মঙ্গলবার পর্যন্ত ঐ মাইক্রোবাসের কোন হদিস পাননি গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১২জুলাই,গীতিগমন চন্দ্র রায়,পীরগঞ্জ(ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার ৫নং সৈয়দপুর ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে মঙ্গলবার বিকেলে যৌতুক, বাল্য-বিবাহ, চুরি-ডাকাতি, ছিনতাই, মাদক, ইভটিজিং, সন্ত্রাস-নাশকতা ও জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে ইউপি চেয়ারম্যান একরামুল হকের সভাপতিত্বে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক মোঃ আব্দুল আওয়াল। তিনি বলেন, সন্ত্রাস ও নাশকতা কখনো ধর্মের মূল লক্ষ্য হতে পারে না। আমাদের নবি করিম (দঃ) কখনো কাউকে হত্যার নিদের্শ করেননি। তিনি শান্তির জন্য ইসলাম প্রচার করেছিলেন।

আরও বক্তব্য রাখেন, পীরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার, পীরগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ আমিরুজ্জামান, পীরগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান জিয়াউল ইসলাম জিয়া, পীরগঞ্জ উপজেলা শাখা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ আখতারুল ইসলাম, পীরগঞ্জের তরুণ নেতা মোঃ রেজওয়ানুল হক বিপ্লব, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোঃ ইব্রাহীম খান প্রমুখ।

উক্ত অনুষ্ঠানে পীরগঞ্জ উপজেলা প্রেস ক্লাব সভাপতি গীতিগমন চন্দ্র রায় ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এবং সৈয়দপুর ইউনিয়নের অসংখ্য লোকজন উক্ত সভায় উপস্থিত হয়ে সভাটিকে সাফল্যমন্ডিত করেন।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১২জুলাই,ডেস্ক নিউজঃ ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরের ভাগ্য নির্ধারণের বিষয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে পাস হওয়া প্রস্তাব বাস্তবায়নের জন্য নয়াদিল্লির প্রতি আবারো আহ্বান জানিয়েছে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা বা ওআইসি। এছাড়া, কাশ্মিরের জনগণের ওপর চলমান নিপীড়নের নিন্দা জানিয়েছে মুসলিম দেশগুলোর এ সংস্থা।

আইভরি কোস্টের রাজধানী আবিদজানে অনুষ্ঠিত ওআইসি’র পররাষ্ট্রমন্ত্রী পরিষদের ৪৪তম বৈঠকে পাস হওয়া প্রস্তাবে এ আহ্বান জানানো হয়। গতকাল মঙ্গলবার দুদিনব্যাপী এ বৈঠক শেষ হয়েছে। ৫৬টি সদস্য দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা সর্বসম্মতভাবে প্রস্তাবটি পাস করেন। ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরে অব্যাহত হত্যাকাণ্ড ও রক্তপাত বন্ধে নির্ধারিত ভূমিকা পালনের জন্য জাতিসংঘ এবং আন্তর্জাতিক সমাজের প্রতিও আহ্বান জানানো হয় ওই প্রস্তাবে।

এতে আরো বলা হয়েছে, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বিরাজমান দ্বন্দ্বের কেন্দ্রবিন্দু হলো কাশ্মির ইস্যু এবং জাতিসংঘের প্রস্তাব বাস্তবায়নই হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি আসার পূর্বশর্ত।পার্সটুডে

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১২জুলাই,জুড়ী প্রতিনিধিঃ  মৌলভীবাজারের জুড়ী পিডিবিকে পল্লী বিদ্যুতে হস্তান্তরের প্রতিবাদে এক বিশাল মানববন্ধন করেছে “পিডিবি বাঁচাও, পল্লী বিদ্যুৎ হঠাও” আন্দোলন পরিষদ। মানববন্ধনে উপজেলার সর্বস্তরের বিদ্যুৎ গ্রাহক ও ব্যবসায়ীসহ শত শত নারী পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।

বুধবার (১২ জুলাই) জুড়ী শহরের পোষ্ট অফিস রোডস্থ বিজিবি ক্যাম্প সংলগ্ন ত্রিমোহনী চত্বরে জুড়ী উপজেলা আওয়ামীলীগ যুগ্ম আহবায়ক ও অত্র আন্দোলন পরিষদ সভাপতি আলহাজ্ব শফিক আহমদের সভাপতিত্বে ও সাংবাদিক সিরাজুল ইসলামের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন জুড়ী উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান কিশোর রায় চৌধূরী মনি, জায়ফরনগর ইউপি চেয়ারম্যান হাজী মাছুম রেজা, পশ্চিম জুড়ী ইউপি সাবেক চেয়ারম্যান হাজী মইন উদ্দিন মইজন, সিলেট বিভাগ উন্নয়ণ সংস্থা (সিবিউস) প্রেসিডেন্ট এইচ এম এ কাদির, জুড়ী মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি সভাপতি, মক্তদীর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক ইছহাক আলী, ভবানীগঞ্জবাজার ব্যবসায়ী সমিতি সভাপতি হাজী আয়াজ উদ্দিন আহমদ, আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল কাদির দারা, কামিনীগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতি সভাপতি হাজী কামাল উদ্দিন, জুড়ী উপজেলা প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক এম এম সামছুল ইসলাম, অনলাইন প্রেস ইউনিটি জুড়ী শাখা সভাপতি এ.বি.এম নূরুল হক, হাওর বাঁচাও, ক , সমাজ সেবক মাহবুবুল আলম কাজল প্রমূখ।

বক্তারা বলেন, আমরা জুড়ীবাসী দীর্ঘদিন থেকে পিডিবি গ্রাহক, তা কোনোভাবেই পল্লী বিদ্যুতের নিকট হস্তান্তর করতে চাইনা। পিডিবি আছে এবং থাকবে এটা আমাদের প্রাণের দাবী। প্রয়োজনে তার জন্য জান দেব তবুও পল্লী বিদ্যুতের নিকট হস্তান্তর করবো না। পরে এক বিশাল ভিক্ষুভ মিছিল “পিডিবি বাঁচাও, পল্লী বিদ্যুৎ হঠাও, বাঁশের লাঠি বাহির করো, পল্লী বিদ্যুৎ বিদায় করো” স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত করে বিক্ষুভ মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে উপজেলার জুড়ী নিউ মার্কেট সম্মুখে গিয়ে শেষ হয়।

মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১২জুলাই,নড়াইল প্রতিনিধিঃ  এমপিও ভূক্ত বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারিদের বেতন থেকে অবসর সুবিধা ও কল্যান ট্রাস্টের জন্য শতকরা ১০ ভাগ টাকা কর্তনের প্রতিবাদে নড়াইলে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার সদর উপজেলা শিক্ষক সমিতির আয়োজনে এ বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। নড়াইল পুরাতন বাস টার্মিনাল এলাকা থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে নড়াইল প্রেসক্লাবের সামনে মানবন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

বন্ধন চলা কালে বক্তব্য রাখেন জেলা শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক ধ্রুব কুমার ভদ্র, আব্দুর রশিদ, সিদ্দিকুর রহমান, আনোয়ার হোসেন, নিমাই চন্দ্র পাল প্রমূখ।

এসময় উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা অবিলম্বে এমপিও ভূক্ত বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারিদের বেতন থেকে অবসর সুবিধা ও কল্যান ট্রাস্টের জন্য শতকরা ১০ ভাগ টাকা কর্তনের প্রতিবাদ জানান এবং এটা প্রত্যাহারের জন্য সংশ্লিস্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ জানান