Saturday 23rd of September 2017 04:37:26 AM

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১১জুলাই,সুনামগঞ্জ প্রতিনিধিঃছভরা বর্ষায় ভাল নেই সুনামগঞ্জের ১১টি উপজেলার বিভিন্ন উপজেলার হাওরা লের মানুষ। অকাল বন্যায় একের পর এক হাওর ডুবে জেলার ৯০শতাংশ বোরো ধান পানিতে তুলিয়ে যাওয়ায় পর থেকেই হাহাকার বিরাজ করছে সর্বতই। বেশির ভাগেই হাওরবাসী অর্ধহারে,অনাহারে,অভাব-অনটন কে সঙ্গী করে কষ্টের জীবন পার করছে।

বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা না থাকায় ও সরকারের সুদৃষ্টি না পড়ায় এই মানব সম্পদ এখন সমাজের বোঝা হচ্ছে দিন দিন। যার জন্যে এই অনুন্নত অবহেলিত হাওরবাসীর কণ্ঠে কেবলেই শুধু বাচাঁর আকুতি। সরকার হাওরবাসীর যোগাযোগ ব্যবস্থা,মিল-কলখারকানা,বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজ সহ আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ করলেও হাওরা লের ব্যাপারে উদাসীন।

ফলে এভাবেই যুগযুগ ধরে মুখ থুবড়ে পড়ে আছে ক্ষু্ধা,দারিদ্রতা,রোগ শোক,যোগাযোগ,অশিক্ষা,অন্ধ গোড়ামী আর অবহেলা নিয়ে হাওরবাসী।

এসব পরিস্থিতির শিকার হয়ে অনেকেই অবস্থান করছে আবার অনেকেই এলাকা ছেড়ে চলে গেছে অন্যত্র আর এভাবেই চলছে সুনামগঞ্জ জেলার হাওরা ল বাসীর জীবন যুদ্ধ। জানাযায়,বর্ষার ৬মাস এখন জেলার ছোট-বড় বিভিন্ন হাওর পানিতে ভড়ে কানায় কানায় পরিপূর্ন। এখন হাওরে মাছ নেই তাই পরিবার-পরিজন নিয়ে জীবন-জীবিকা সন্ধানের খোঁেজ না পেয়ে চরম দুশচিন্তায় রয়েছে হাওরবাসী।অকাল বন্যায় একমাত্র সম্পদ বোরো ধান হারিয়ে বুক ভরা র্দীঘশ্বাস নিয়ে হাওরপাড়েই বিকল্প কাজের ব্যবস্থা না থাকায় একবারেই বেকার সময় পাড় করছে লাখ লাখ পরিবার।

এবার জেলার দিরাই,শাল্লা,জগন্নাথপুর,ধর্মপাশা,জামালগঞ্জ,দোয়ারা বাজার,বিশ্বম্ভরপুর ও তাহিরপুর উপজেলার হাওর গুলোতে অকাল বন্যায় স্বরনকালের সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে এক ফলসী বোরো ধান চাষ করা কৃষক পরিবার গুলোর। হাওর ডুবে যাওয়ার পর থেকে সরকারী সহযোগীতা পেলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় কম। ফসলহারা কৃষকদের জন্য নেওয়া সরকারী সহায়তাও শেষের দিকে। ইতি মধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে খোলা বাজারে চাল বিক্রির কার্যক্রম। চলতি মাসের শেষের দিকে শেষ হবে প্রান্তিক,দরিদ্র ও ক্ষুদ্র চাষীদের জন্য নেওয়া বিশেষ বরাদ্ধ ভিজিএফ কার্ডের কার্যক্রম।

সরকারী সহায়তার পাশা পাশি বেসরকারী ত্রান সহায়তাও কমে আসছে দিন দিন। এতে করে হাওরপাড়ে অভাব দিন দিন প্রকট আকার ধারন করবে। আরো জানাযায়,অকাল বন্যায় জেলায় হাওর ডুবে যাওয়ার পর গত ১০এপ্রিল ৪২টি পয়েন্টে ১৫টাকা কেজি ধরে চাল বিক্রিয় শুরু হয়। এর আরো ৬৮টি ওএমএস কেন্দ্র চালু করা হয়। এসব কেন্দ্রে সাপ্তাহে ৬দিন শনিবার ছাড়া প্রতিদিন ১৫টাকা কেজিতে ২শত মানুষের মধ্যে ১টন চাল বিক্রি করা হত। ৩০জুন ওএমএস চাল বন্ধ হয়ে গেছে।

গত এপ্রিল মাসের ২৩তারিখে ৩মাসের জন্য ক্ষতিগ্রস্থ ঐসব কৃষকদের জন্য সরকারের বিশেষ বরাদ্ধ ভিজিএফ কার্ড চালু হয়। এতে প্রতিটি পরিবার ৫শত টাকা ও ৩০কেজি চাল সহায়তা পাচ্ছে। এই সহয়তাও বন্ধ হবে ৩০জুলাই। জেলার তাহিরপুরের বীরনগড় গ্রামের সাদেক আলী,শফিক,সবুজ,সোহাগ মিয়া জানান,সরকারী যে সহায়তা দিয়েছে তার মধ্যেও চেয়ারম্যান ও মেম্ভারগন করেছে চরম দূর্নীতি।

এর পরেও হাওর পাড়ের লাখো কৃষক পরিবার সরকারী সহায়তা পাইয়া কোন রখমে খুড়িয়ে খড়িয়ে জীবন চলছে এই সহয়াতা বন্ধ হলে সামনের দিন গুলো কিভাবে পার করবে এই নিয়ে উৎবেগ আর উৎকণ্ঠায় আছে আগামী ফসল উঠার পূর্ব মুহুর্ত পর্যন্ত সরকারী সহায়তা বাড়ানো উচিত। দক্ষিন শ্রীপুর ইউনিয়নের দুমাল গ্রামের ইসলাম উদ্দিন,রামসিমপুর গ্রামের তারা মিয়া,আলী আজগড় জানান,এই বার ত সব শেষ করে দিছে পানিতে নিছে গা সব ধান।

বর্ষায় অনেকেই কারেন্ট জাল,কোনা জাল,বেড়জাল দিয়া হাওরে নেমে পড়ে মাছ ধরার লাগি এখন হাওরে মাছ নাই তাই খাইয়া না খাইয়া দিন পারকরতাছি। অন্য কোন কাজের ব্যবস্থা নাই এখন সরকারী সহযোগীতা বাড়ানো উচিত। না হইলে আমরা চলমো কেমনে। সরকারী যে চাল দেয় তাও এক বারেই বাজে দূগন্ধ করে তার পরও কোন রখমে কাইতে পারি না পাইলে খাইমো কি।

অপু,সাজিদ মিয়া,করিম মিয়া সহ জেলার বিভিন্ন হাওরপাড়ের লোকজন জানান-সরকারী সাহায্য যা পাইছি তা কোন রখমে এক বেলা খাইয়া দু বলা উপোষ থাইকা চলছি। ওএমএস বন্ধ শুনতাছি সামনের মাসে নাকি ভিজিএফ বন্ধ হইয়া যাইব তাইলে কেমনে চলমো কামকাজ একবারেই নাই। বৈশাখ মাসের আগেই চৈত্র মাসে বৃষ্টির পানির চাপে বাঁধ ভেঙ্গে তলিয়ে ৯০ভাগ বোরো ধান পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় কৃষক পরিবার গুলোর চাষাবাদের গরু আর গোলা(ধান রাখার পাত্র) এখন শূন্য।

পরিবেশ ও হাওর উন্নয়ন সংস্থার সাধারণ সম্পাদক পিযুস পুরকাস্থ টিটু সহ জেলার সচেতন মহল মনে করেন-শিক্ষা,স্বাস্থ্য,যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রয়োজনী ও যুগপযুগী পদক্ষেপের মাধ্যমে হাওরা লবাসীর উন্নয়নের জন্য বর্তমান সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিলে হাওরবাসীরা তাদের জীবন মানের উন্নয়ন গঠাতে সক্ষম হবে। সরকারী সহযোগীতা বন্ধ না করে সময় বাড়ানো খুবেই প্রয়োজন।

তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল জানান-বর্তমানে সরকারী ভাবে ওএমএস চাল ও ভিজিএফ কার্ডের সময় শেষের পথে এই সুবিধা বন্ধ হলে চরম দূভোর্গে পড়বে হাওরবাসী। সময় ও সহায়তা বাড়ানো খুবেই প্রয়োজন।

আর এক ফসলী বোরো ধানের উপর নির্ভরশীল না থেকে হাওরের বিশাল জনগোষ্টীকে বিকল্প কাজের মাধ্যমে সম্পদে পরিনত করার জন্য মিল-কলখারকানা স্থাপন,কুটির শিল্প ও হাওরে বিশাল নারী গোষ্টীকে হস্ত শিল্পে পারদর্শী,আধুনিক,উন্নত প্রশিক্ষনের মাধ্যমে হাসঁ ও মুরগি লালন-পালনের সঙ্গে যুক্ত করা হলে করলে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রাখবে।

 

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১১জুলাই,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ স্থাপনের দাবিতে ‘উই ফর বাংলাদেশ’ এর আয়োজনে মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার জুলাই ১১ দুপুর পৌনে ১২টা থেকে দুই ঘণ্টাব্যাপী প্রেসক্লাব প্রাঙ্গণে মানববন্ধনে  শতাধিক তরুণ-তরুণী, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ, জনপ্রতিনিধি, চিকিৎসক, আইনজীবী, সমাজকর্মীসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধন পরবর্তী পথ সভায় বক্তারা বলেন, মৌলভীবাজার একটি অগ্রসর ও অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ এলাকা। এই জেলা থেকে প্রতি বছর চা-পাতা, আগর, খনিজ সম্পদ ও প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্স সরকারের বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আদায়ে অবদান রাখছে। রয়েছে পর্যটন শিল্পও। কিন্তু শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে পিছিয়ে আছে মৌলভীবাজার জেলা। প্রতি বছর প্রায় ১৫ হাজার শিক্ষার্থী উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে বিড়ম্বনায় পড়ে। অনেকেই জেলার বাইরে যেতে না পারায় উচ্চ শিক্ষা থেকে বঞ্চিত থাকে। এতে ঝরে পড়ার হার বেড়ে যাচ্ছে।

অন্যদিকে ৭টি উপজেলার প্রায় ২৫ লাখ মানুষের জন্য নেই কোনো মেডিকেল কলেজ। যে কারণে অধিকাংশ ক্ষেত্রে রোগীদের সিলেটে পাঠিয়ে দেয়া হয়। এতে রোগীরা অনেক ভোগান্তিতে পড়েন। মুমূর্ষু রোগীরা পথিমধ্যে মারাও যান অহরহ।

অপরদিকে শান্ত প্রকৃতির জেলা মৌলভীবাজারে লেখাপড়ার জন্য রয়েছে উপযুক্ত পরিবেশ। এ জেলার অনেক শিক্ষার্থী মেডিকেলে পড়তে বিদেশ পাড়ি জমায়। এ অবস্থায় সরকারের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় মৌলভীবাজারে একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজ দ্রুত স্থাপনের দাবি জানান বক্তারা।

শাহ ফাহিমের সভাপতিত্বে ও এস এ এস রুহিনের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ আজিজুর রহমান, পৌর মেয়র ফজলুর রহমান, উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান, জেলা পরিষদের প্যানেল মেয়র হাসান আহমদ জাবেদ, সাংবাদিক হাসানাত কামাল, ডা. একে জিল্লুল হক, সামাজিক সংগঠক কয়ছর আহমদ, মুজাহিদ উদ্দিন, মুহিবুর রহমান, ইমন আহমদ, ফজলুর রহমান, রেহনুবা রুবাইয়াৎ, ইহাম মুজাহিদ, মাকসুদ নেওয়াজ, মিরাজ চৌধুরী, শিক্ষক পারভেজ আহমদ।

এছাড়া উই ফর বাংলাদেশের মো. আজমীর আলী মিতু, ইশরাত জাহান জুলি, মোফাজ্জ্ল হোসেন অনিক, রাকিবুল ইসলাম রাহি, রিয়াদ কোরেশী, পুলক রায়, রুমানা আক্তার চৌধুরী।

এর আগে মৌলভীবাজার সরকারি কলেজ ক্যাম্পাসে ‘উই ফর বাংলাদেশ’ এর আয়োজনে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা পৃথক মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন। এতে কলেজ অধ্যক্ষ সৈয়দ মুহিবুর রহমান, উপাধ্যক্ষ ডা. ফজুলুল আলী বাপ্পি প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১১জুলাই,জৈন্তাপুর প্রতিনিধিঃ “জনগণের ক্ষমতায়ন, জাতির উন্নয়ন” শ্লোগানে এবার সারা দেশের ন্যায় জৈন্তাপুরে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস পালিত হয়।  আজ ১১ জুলাই মঙ্গলবার সকাল ১১টায় পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়, জৈন্তাপুরের আয়োজনে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০১৭ পালিত হয়।

“পরিবার পরিকল্পনাঃ জনগণের ক্ষমতায়ন, জাতির উন্নয়ন” প্রতিপাদ্য বিষয় সামনে রেখে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হতে সকাল ১১টায় বিশাল শোভাযাত্রা বের হয়ে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে শোভা যাত্রাটি পুনরায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে শেষ হয়। দুপুর ১২টায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হল রুমে পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নুসরাত জাহান চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সহকারী পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ হারুনুর রশিদ এর পরিচালনায় আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন জৈন্তাপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ সুহেল মাহমুদ।

বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ বশির উদ্দিন এলএলবি, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শ্রী মতি জয়মতি রানী, দরবস্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাহারুল আলম বাহার, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. উজ্জ্বল কান্তি দত্ত, উপজেলা বিআরডিপি কর্মকর্তা আনোয়ারুল হক, জৈন্তাপুর অনলাইন প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রেজওয়ান করিম সাব্বির, জৈন্তাপুর প্রেসক্লাবের ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক শাহাজাহান কবির খাঁন, মমতা প্রকল্পের টেকনিক্যাল অফিসার অঞ্জন কুমার চৌধুরী, সিমান্তিক সূর্যের হাসি ক্লিনিক ম্যাসোজার পলাশ বনিক প্রমুখ।

আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন এফডাব্লিউভি, এফডাব্লিউএ, এসএসিএমও, ইউএফপিএ, এফপিআই সহ বিভিন্ন সংস্থার ও নির্বাচিত প্রতিনিধি বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

স্বাগত বক্তব্যে পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নুসরাত জাহান চৌধুরী উপজেলা পর্যায়ে পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে বিভিন্ন উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরেন। পরিশেষে তিনি সবার প্রতি দু’টি সন্তানের বেশি নয়, একটি হলে ভালো হয়। প্রতিটি গর্ভই হোক পরিকল্পিত, প্রতিটি জন্মই হোক নিরাপদ। স্বামী-স্ত্রী দু’জন মিলে সেবা কেন্দ্রে গিয়ে পছন্দের পদ্ধতি বেছে নিন। গুজবে কান না দিয়ে পদ্ধতি ছাড়বেন না, অধিক সন্তান নিয়ে বিপদে পড়বেন না।

মা ও শিশুর জীবন যদি রক্ষা করতে চান, নিরাপদ প্রসবের জন্য সেবা কেন্দ্রে যান। বয়ঃসন্ধিকালীন সমস্যা সমাধানে, আপনার সন্তানের সাথে খোলা মনে আলাপ করুন। জানেন কী? সুখী পরিবার গঠনে এবং সন্তান লালন পালনে স্বামী-স্ত্রীর সমান দায়িত্ব। মায়েরা তাদের সন্তানদের পূর্ণ দুই বৎসর পর্যন্ত বুকের দুধ পান করাবেন। দুই সন্তানে গড়ি ঘর, ধনে জনে স্বনির্ভর। এই বার্তা গুলো উপজেলা প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় পৌছে দেওয়ার আহবান জানান।
প্রধান অতিথিসহ অন্যান্য বক্তারা বলেন- অতিতের তুলনায় জৈন্তাপুর পরিবার পরিকল্পনা গ্রহনে অনেকটা অগ্রসর হয়েছে। আগামী দিনে আমরা সমাজের সচেতনরা বার্তাগুলো সর্বস্তরে পৌছে দিতে পারলে আমাদের উপজেলাকে বাংলাদেশের শ্রেষ্ট উপজেলা হিসাবে মডেল স্থাপন করতে পারব এই জন্য সবাইকে কাজ করার আহবান জানান।

পরে প্রধান অথিতি পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে সেবা প্রদানের মাধ্যমে নিরলস ভাবে কাজ করার অতিতের মত এবারও জৈন্তাপুর উপজেলা সিলেট বিভাগের মধ্যে শ্রেষ্ট তিনটি পুরুস্কারে পুরস্কৃত হওয়ার গৌরভ অর্জন করায় তিনি সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং বিজয়ী প্রতিষ্ঠান ব্যক্তিদের কাছে পুরস্কার তুলে দেন। সিলেট বিভাগের মধ্যে শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ সহকারী হিসাবে উজ্জ্বলা বালা দে, সিলেট বিভাগের মধ্যে শ্রেষ্ঠ পরিবার কল্যাণ পরিদশিকা হোসনা জাহান লাভলী, বিভাগের মধ্যে শ্রেষ্ট ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র হিসাবে চারিকাটা ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র এবং শ্রেষ্ট বেসরকারী সংস্থা হিসাবে মমতা প্রকল্প, এফআইভিডিবি, জৈন্তাপুর সিলেটকে পুরস্কার তুলে দেন।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১১জুলাই,মিজানুর রহমান সৌদি আরব দাম্মাম থেকেঃ পেশা যার যার দেশ সবার। প্রাকৃতিক তেল সমৃদ্ধ দেশ সৌদি আরবের অতি প্রাচীনতম বিভাগীয় জেলা শহরের এক নাম দাম্মাম। পুরো সৌদি আরবের এক তৃতীয়াংশ তেল উত্তোলন হয় দাম্মাম থেকে। বিশ্ব বিখ্যাত আরামকো কোম্পানীর মূল কার্যক্রম দাম্মামের বিভিন্ন জেলা শহর গুলোতেই। সৌদি আরবের বিভাগীয় শহর গুলোর মধ্যে রাজধানী রিয়াদ এবং জিদ্দার পরেই দাম্মাম শহরের স্হান। আর এই দাম্মাম বিভাগীয় শহরের সিকো মার্কেট বা সিকো শহরই হলো ব্যবসা বানিজ্যের মূল কেন্দ্র বিন্দু।

দাম্মামে অবস্হিত প্রায় পাঁচ লাখেরও অধিক প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রান কেন্দ্র হলো এই সিকো শহর। সারাদিন হাড়ভাঙ্গা পরিশ্রমের পর বিকেল পাঁচটা বাজতে না বাজতেই প্রবাসী মিলন মেলায় পূর্ন হয় বিশাল শহর সিকো মার্কেট।

বাংলা বর্নমালার সাইনবোর্ড  দেখলে কিছুতেই মনে হয়না সৌদি আরবের শহর, মনে হয় বাংলাদেশের কোন এক বড় শহর। নিত্য প্রয়োজনীয় সবজি, মাছ,মাংস থেকে শুরু করে সব কিছুরই কেনা বেচার হাট বসে এই শহরে। এখানে শুধু বাংলাদেশীই নয়, ইন্ডিয়ান, কেরালা, পাকিস্হানি,নেপালীসহ বিভিন্ন দেশের প্রবাসীদের প্রিয় শহর এই সিকো মার্কেট। তবে ইদানিং সৌদি আরবের অর্থ নৈতিক মন্দা ভাব এবং কাতার সৌদআরব বিরোধ সংকট নিরসন  না হওয়ার কারনে ব্যবসা বানিজ্য আগের চেয়ে অনেক নিম্নমানে চলে আসছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীগন।

তৃপ্তি হোটেলের মালিক তার ব্যবসা আগের তুলনায় কমে গেছে বলে জানালেন। তবে খুব শীঘ্রই এ সমস্যা কেটে ঘুড়ে দাড়াবে ব্যবসার পূর্বের অবস্হান এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন ব্যবসায়িকগন। নিউজ সংগ্রহ করতে দেখা হয় দাম্মামের আবকিক শহরের ব্যবসায়িক ও বিএনপি নেতা মোহাম্মদ ইয়ার হোসেনের সাথে আলাপ হয় ব্যবসা বানিজ্যের বিভিন্ন পরিস্হিতি নিয়ে। তিনি জানালেন সেখানকার বাস্তব অবস্হান।

বর্তমান সৌদি সরকার কর্তৃক প্রবাসীদের ওপর বিভিন্ন কেটাগরীতে কর আরোপ করাতে এখানকার প্রবাসীরা মহাসংকট পোহাতে হবে তিনি জানালেন। দিন দিন প্রবাসীদের ওপর বিভিন্ন কৌশলে সৌদি সরকার যেভাবে করের বোঝা চাপিয়ে দিচ্ছে এমন দ্বারা অব্যাহত থাকলে অচিরেই অধিকাংশ শ্রমিক দেশে ফিরতে হবে  এমন ধারনা এখানকার প্রবাসীদের।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১১জুলাই,জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া,সুনামগঞ্জ: আল্লাহর হস্তে ভিক্ষা দেন ভাই। কাম-কাজ করার ক্ষমতা নাই। হাত নাই,পায়ে জোড় পাই না,নেই কাজ করার ক্ষমতা জীবন সংসারে খাইয়া পইড়া বাচঁবার লাগি ভিক্ষা দেন ভাই। দেন না ভাই আল্লাহর হস্তে। প্রতিদিন এভাবেই ধারে ধারে ভিক্ষা করছে রমজান মিয়া। তার ডাকে সাড়া দিয়ে অনেকেই ১-২টাকা ৫টাকা দিচ্ছে। আবার অনেকেই না দিয়েই চলে যাচ্ছে কাছ দিয়েই।

তার কাছে এমন অবস্থা জানতে চাইলেই বুক ভড়া র্দীঘশ্বাস নিয়ে জানায়,তার জীবনের এই করুন কাহিনী। জীবনের একটি দূঘটনা আমার সকল স্বপ্ন শেষ করে দিছে ভাই ভিক্ষা করতে চাই না,কি করমু এছাড়া ত আর কোন উপায় নাই। সুনামগঞ্জ জেলা সদরের বিভিন্ন স্থানে ভিক্ষা করি। সবার কাছেই চাই সবাই কম বেশি দেয় আর যে যা দেয় সারাদিন শেষে ২৫০-৩০০টাকা হয়। আবার কোন দিন তার চেয়ে কম পাই। তাই নিয়ে রাতে দিরাই নিজ বাড়িতে গিয়ে মায়ের হাতে তুলে দেই আর মা এই টাকা দিয়ে কোন রখমে সংসার চালায়।

সংসারে আমার মা,বাবা,আমার বৌ ও ছেলে নিয়ে ৫জনের কষ্টের জীবন পার করতাছি। আর কোন দিন শরীল খারাপ বা আবহাওয়া খারাপ থাকলে বাড়ি থেকে বের হই না তখন না খেয়ে থাকতে হয়। ভিক্ষা করতে মনে চায় না কিন্তু কোন উপায় নাই সংসার চালাতে এই পথে হাটতাছি। কথা গুলো বলছিল সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার বড়ারগাঁ গ্রামের মোহাম্মদ কদ্দুছ মিয়ার ছেলে রমজান মিয়া (২২)।

কথা হয় সুনামগঞ্জের পুরাতন বাসষ্ট্যান্ডে রাতে ভিক্ষা করার সময়। আরো জানায়,১৪বছর বয়সে লেখাপড়া ছেড়ে আমি সংসার চালাবার জন্য রাজ মিস্ত্রির যোগালের কাজে যোগ দেই। দিরাই বাজারের একটি দু-তলা বিল্ডিংয়ে কাজের এক ফাকেঁ একটি রড তুলে অন্য জায়গায় সরানো সময় অজান্তেই কারেন্টের তারে লেগে যায় শরীলে। সাথে সাথেই কারেন্টে আমার শরীল জ্বালিয়ে দিছে। শরীল জ্বালাইছে না আমার জীবনটাই জ্বালিয়ে দিছে আর এই দশা হইছে। এর পর থেকে সংসার চালাতে ভিক্ষা শুরু করি। ভিক্ষা করতে চায় না ভাই যদি ব্যবসা করার টাকা পাইতাম তাহলে ব্যবসা করতাম। ভিক্ষা করা ছেড়ে দিতাম।

রমাজান মিয়া আরো জানায়,সরকারী ভাবে পঙ্গু ভাতা দেয় তাও সঠিক ভাবে পাই না। ৬মাসের টাকা আইলে ২মাসের দেয় বাকিটা দেয় না। কিছু কইলে কয় টাকা আয় নাই। রমজান মিয়ার মা জানায় ছেলেটাই একমাত্র ভরসা আমার সংসারের। তার উপার্জিত টাকা দিয়েই কষ্টের সংসার চালাই। সবার কাছে আমার এই ছেলেটা ও সংসার চালাতে সবার সহযোগীতা চাই। সবাই সহযোগীতা করলে আমার ছেলেটা আর ভিক্ষা করত না।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১১জুলাই,হাবিবুর রহমান খানঃ জেলার কুলাউড়া উপজেলার টিলাগাঁও ইউনিয়নের বাগৃহাল গ্রামে নিজের ঔরসজাত সন্তান রেহানা বেগমকে (১৭) কে ঘুমন্ত অবস্থায় হত্যা করে  মেয়ের প্রেমিকের উপর চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে ঘাতক পিতা  আকছর আলী (আছকির) (৪৮)। সোমবার বিকালে জেলার ৫ নম্বর আমলি আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে তিনি  এ হত্যাকাণ্ডের দ্বায় স্বীকার করেছেন  বলে পুলিশ  সুত্রে জানা গেছে।

প্রাপ্ত সুত্রে আদালতে ১৬৪ ধারার দেওয়া জবানবন্দিতে আকছর আলী হত্যাকাণ্ডের দ্বায় স্বীকার করে জানান, মেয়েকে হত্যার পর ব্লেড দিয়ে নিজের শরীরের বিভিন্ন অংশও রক্তাক্ত করেন তিনি। ওই দিন সন্ধ্যায় ঘাতক আছকর আলীকে মৌলভীবাজার কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, রেহানা বেগম সেলাইয়ের কাজ করতেন সে সুবাধে পাশের আশ্রয় গ্রামের বাসিন্দা লাল মিয়ার (২২) সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। এ নিয়ে রেহানার বাবা আছকর তার মেয়েকে বিরক্ত করার অভিযোগ এনে লাল মিয়ার বিরুদ্ধে গত চার মাস আগে কুলাউড়া থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। সম্প্রতি লাল মিয়া রেহানাকে বিয়ের প্রস্তাব দিলে উভয় পরিবারই এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে। তবে লাল মিয়া ও রেহানার মধ্যে যোগাযোগ অব্যাহত ছিল।

পুলিশ আরও জানায়, এর মধ্যে গত শুক্রবার বিকালে রেহানার মা শাহানা বেগম শিশু মেয়ে রোকসানাকে  নিয়ে পাশের এলাকা হাজীপুর ইউনিয়নের কটারকোনা গ্রামে বাবার বাড়িতে বেড়াতে যান। পরের দিন শনিবার বিকালে বড় ছেলে আয়াত আলী (২২) তাদের আনতে ওই গ্রামে যায়। তখন ঘরে শুধু আছকর ও তার মেয়ে রেহানা ছিল (?)। পরে গত রবিবার সকালের দিকে পুলিশ বসতঘর থেকে গলাকাটা অবস্থায় রেহানার লাশ উদ্ধার করে।

এরপর আছকর আলী পুলিশের কাছে দাবি করেন, শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে লাল মিয়ার নেতৃত্বে চার-পাঁচজন দুর্বৃত্ত ঘরে ঢুকে রেহানাকে জোর করে অপহরণের চেষ্টা চালায়। বাধা দেওয়ায় তারা আছকর ও রেহানাকে ছুরি দিয়ে কোপায়, এতে রেহানার মৃত্যু হয়। আছকরের দেওয়া বর্ণনা অনুযায়ী ওই দিন বিকালেই তার স্ত্রী শাহানা বেগম লাল মিয়াকে প্রধান আসামি করে তার কথিত সহযোগীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

কুলাউড়া থানার (ওসি তদন্ত) বিনয় ভূষণ রায় বলেন, হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে নিহতের বাবার কথাবার্তা অসংলগ্ন ও সন্দেহজনক হলে রোববার রাতে আছকরকে আটক করে থানায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এ সময় জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকার করেন। হত্যার সময় ব্যবহৃত জিনিসপত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

হত্যাকাণ্ডে স্ত্রীর দায়ের করা মামলায় তার স্বামী আছকরকে গ্রেফতার দেখিয়ে ওই দিন সোমবার বিকালে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়। তবে রেহানার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের সত্যতা স্বীকার করেছেন লাল মিয়া। তিনি জানান ‘কুলাউড়া উপজেলার গাজীপুর এলাকায় চারদিন ধরে কাজে রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তাকে ফাঁসানোর কথা শুনে তিনি চোখে মুখে অন্ধকার দেখছে বলে আক্ষেপ করেন।”

প্রতিষ্ঠানসমূহের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ১১ হাজার ৩৪৭ কোটি টাকা

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১১জুলাই,ডেস্ক নিউজঃ দেশের জাতীয় সংসদে ১০০ ঋণ খেলাপি ও প্রতিষ্ঠানের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের পক্ষে খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেছেন, চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশে কার্যরত তফসিলি ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ১১ হাজার ৩৪৭ কোটি টাকা। তিনি গতকাল (সোমবার) সংসদে সরকারি দলের মুহিবুর রহমান মানিকের এক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণ তথ্য ব্যুরোর (সিআইবি) ডাটাবেজ রক্ষিত ২০১৭ সালের এপ্রিল মাস ভিত্তিতে এ হিসাব দেয়া হয়েছে।

তিনি খেলাপী ঋণের সাথে জড়িত শীর্ষ ঋণ খেলাপির ১০০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নাম প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, শীর্ষ ঋণ খেলাপিদের মধ্যে রয়েছে-মোহাম্মদ ইলিয়াস ব্রাদার্স (প্রাইভেট) লিঃ, জাসমির ভেজিটেবল অয়েল লিঃ, ম্যাক্স স্পিনিং মিলস লিঃ, বেনেটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিঃ, ঢাকা ট্রেডিং হাউজ, আনোয়ার স্পিনিং মিলস, ইয়াসির এন্টারপ্রাইজ, কোয়ান্টাম পাওয়ার সিস্টেম লিঃ, এম এম ভেজিটেবল অয়েল প্রোডাক্টস লিঃ, আলপা কমপোজিট টাওয়েলস লিঃ, ওয়েসটার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড লিঃ, ম্যাক ইন্টারন্যাশনাল, হল মার্ক ফ্যাশন লিঃ, মন্নু ফেব্রিকস লিঃ, ফেয়ার ট্রেড ফেব্রিকস লিঃ, সাহারিশ কমপোজিট টাওয়েল লিঃ, নুরজাহান সুপার অয়েল লিঃ, সালেহ কার্পেট মিলস লিঃ, এস কে স্টিল, চৌধুরী নিটওয়্যারস লিঃ, রাংকা সোহেল কমপোজিট টেক্সটাইল মিলস লিঃ, টি এন্ড ব্রাদার্স নিট কমপোজিট লিঃ, তানিন এন্টারপ্রাইজ ইউনিট।

রহমান স্পিনিং মিলস লিঃ, এস শিপিং লাইন, হাজি ইসলাম উদ্দিন শিপিং মিলস লিঃ, গ্রামবাংলা এন পি কে, ফার্টিলাইজার এন্ড এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ, টেলি বার্তা লিঃ, কটন কর্পোরেশন, ভার্গো মিডিয়া, সোনালী জুট মিলস লিঃ, এক্সপার টেক লিঃ, এমবিএ গার্মেন্টস এন্ড টেক্সটাইল লিঃ, ওয়ালমার্ট ফ্যাশন লিঃ, ওয়ান ডেনিম মিলস লিঃ, এগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ প্রাইভেট লিঃ, হিমালয়া পেপার এন্ড বোর্ড লিঃ, ইমদাদুল হক ভুইয়া, এম কে শিপ বিল্ডার্স এন্ড স্টিল মিলস লিঃ, রাংকা ডেনিম টেক্সটাইল লিঃ, ম্যাক শিপ বিল্ডার্স লিঃ, বিশ্বাস গার্মেন্টস লিঃ, মাস্টার্ড ট্রেডিং, হিনবুল ওয়ালি টেক্সটাইল লিঃ, ইসলাম ট্রেডি কনসোর্টিয়াম লিঃ, ক্যাপিটাল বনানী ওয়ান লিঃ, মেরিন ভেজিটেবল অয়েল লিঃ, আরজান কার্পেট এন্ড জুট ওয়েভিং লিঃ, এ জামান এন্ড ব্রাদার্স, ওরনেট সার্ভিস লিঃ, দোয়েল এ্যাপারেলস লিঃ, আশিক কমপোজিট টেক্সটাইল মিলস লিঃ, মুন বাংলাদেশ লিঃ, মোস্তফা পেপার কমপ্লেক্স লিঃ, এইচ আর স্পিনিং মিলস প্রাইভেট লিঃ, বিসমিল্লাহ টাওয়েল লিঃ, কেয়া ইয়াং মিলস লিঃ, তাবাসসুম এন্টারপ্রাইজ, এ্যাপেক্স ওয়েভিং এন্ড ফিশিং মিলস লিঃ, দি ওয়েল টেক্স লিঃ, ডেল্টা সিস্টেমস লিঃ, জাহিদ এন্টারপ্রাইজ লিঃ, হিলফুল ফুজল, সমাজকল্যাণ সংস্থা, মুজিবুর রহমান খান, নিউ রাখি টেক্সটাইল মিলস লিঃ, আলী পেপার মিলস লিঃ, অল টেক্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিঃ, নর্দান ডিসটিলারিজ লিঃ, লাকি শিপ বিল্ডার্স লিঃ, যমুনা এগ্রো কেমিক্যাল, মাকসুদা স্পিনিং মিলস লিঃ, শাপলা ফ্লাওয়ারস মিল, সিদ্দিক এন্ড কোম্পানি লিঃ, যমুনা এগ্রো কেমিক্যাল, মনোয়ারা ট্রেডিং, একে জুট কোং, মাহবুব স্পিনিং লিঃ।

আল-আমিন ট্রেড এন্ড বিস্কুট লিঃ, প্রোফিউশন ট্রেক্সটাইল লিঃ, মা টেক্স, সুপার সিক্স স্টারশিপ ব্রেকিং ইয়ার্ড, টেকনো ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট লিঃ, বিসমিল্লা টাওয়েলস লিঃ, সর্দার এ্যাপারেন্স লিঃ, জেট এন্ড জে ইন্টারন্যাশনাল, বিশ্বাস ট্রেক্সটাইল লিঃ, মডার্ন স্টিল মিলস লিঃ, নিউ অটো ডিফাইন, আনিকা এন্টারপ্রাইজ, ডি আফরোজ সোয়েটার্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিঃ, মোবারক আলী স্পিনিং লিঃ, আপিল জুট মিলস লিঃ, রেজা জুট ট্রেডিং, আর কে ফ্রুট লিঃ, আলফা টোবাকো মেনুঃ কোম্পানি লিঃ, ফেডার এক্সপো ওয়েভিং মিলস লিঃ, কেয়ার স্পেশালাইজড হসপিটাল এন্ড রিচার্স সেন্টার লিঃ এবং ফিয়াজ এন্টারপ্রাইজ।পার্সটুডে

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১১জুলাই,নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইল সদরের বাশঁগ্রামের বগুড়া গ্রামে বজ্রপাতের ঘটনায় ২ কলেজ শিক্ষার্থী গুরুতর অসুস্থ হয়েছে। তাদের সঙ্গাহিন অবস্থায় নড়াইল সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার  সকাল ৯ টার দিকে নড়াইলসহ আশপাশের এলাকায় প্রচন্ড বৃষ্টিসহ বজ্রপাতের ঘটনা ঘটে, এসময় বগুড়া গ্রামের মোঃ মিঠু শেখের মেয়ে রনি (১৭ ) এবং একই গ্রামের মোঃ মিলন মোল্যার ছেলে সোহাগ মোল্যা (১৯) কলেজে যাবার জন্য বাড়ী থেকে বের হয়ে বাসের অপেক্ষায় বাস স্ট্যান্ডে দাড়িয়ে ছিল। এ সময় বজ্রপাত হলে তারা দুজনই সঙ্গা হারিয়ে ফেলে ।

পরে তাদেরকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা নড়াইল সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের হাসপাতালে ভর্তি করেন।  এরা দুজনই কালিয়ার চাচুড়ি-পুরুলিয়া মনোরঞ্জন কাপুড়িয়া কলেজের ১শ বর্ষের শিক্ষার্থী।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,১১জুলাইঃ বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনা মৌলভীবাজার জেলা শাখার উদ্যোগে শহীদ হালিম দিবস ও জেলা সাধারন সভা, জেলার সভাপতি এম এ এম রাসেল মোস্তফার সভাপতিত্বে জেলা কার্যালয়ে অনুষ্টিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্তিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী যুবসেনার মৌলভীবাজার জেলার সভাপতি এম মুহিবুর রহমান মুহিব,বাংলাদেশ ইসলামী ছাএসেনার মৌলভীবাজার জেলা শাখার সহ সাধারন সম্পাদক আশরাফুল খাঁন রুহেল,আলমগীর হোসেন সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ সাইফুর রহমান মুন্না।

এ ছাড়া আর উপস্তিত ছিলেন শ্রীমঙ্গল উপজেলা শাখার সাধারন সম্পাদক হাফিজুর রহমান জুলহাস, ছাত্রকল্যান সম্পাদক নুরে আলম সিরাজ নগর ফাজিল মাদরাসা শাখার প্রচার সম্পাদক মোশারফ হোসেন প্রমুখ, পরে শহীদ হালিম এর মাগফিরাত কামনা করে এর জন্য মিলাদ ও দোয়া করা হয়।

নেতৃবৃন্দ বক্তৃতায় বলেন, শহীদ আবদুল মুস্তফা হালিম অত্যন্ত মেধাবী এবং চৌকষ সেনা কর্মী ছিলেন।একজন স্বপ্নবাজ মানুষ ও আর্দশের ফেরিওয়ালা ছিলেন তিনি।

তারা আরও বলেন,ধর্মব্যবসায়ী ও স্বাধীনতা বিরোধী চক্রের হাতে ১৯৮৪ সালের ১০ জুলাই নির্মমভাবে শাহাদাত বরণ করেন সুন্নী রনাঙ্গনের সাহসী এই বীর।তার রক্তের দাগ এখনো শুকায়নি। শহীদের রক্তের প্রতিটি কণা হতে জন্ম নিয়েছে লাখো কোটি সেনা কর্মী।শহীদ হালিমের রক্তের ফোটা হতে জন্ম নেয়া লাখো কোটি কর্মী আজ ছড়িয়ে পড়েছে দেশের সর্বত্র।মজবুত খুটি গড়েছে দেশের সীমানায় সীমানায় দেশ মাতৃকাকে নিরাপদ রাখতে।ধর্মদ্রোহী, দেশদ্রোহী,স্বাধীনতা বিরোধী চক্রকে রুখে দিতে শহীদ হালিমের ৩৩ তম শাহাদাত বার্ষিকীতে নতুন করে শপথ নিতে হবে এই প্রজন্মের সেনানীদের। শহীদ হালিমের হত্যার বদলা নিতে হবে এই প্রজন্মদের শহীদ হালিমের স্বপ্নের মহানবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়াসাল্লাহ এর আর্দশের রাষ্ট্র ও সমাজ বির্নিমাণের মাধ্যমে।

বক্তারা বলেন,শহীদ আবদুল হালিমের স্বপ্ন ছিলো হেরার আলোয় আলোকিত করবে প্রিয় দেশকে। কিন্তু স্বাধীনতা বিরোধী চক্র,স্বার্বভৌমত্ব বিরোধী চক্র,ধর্মব্যবসায়ীরা তাকে নির্মমভাবে হত্যা করে চেয়েছিল তার সেই স্বপ্নকে চুরমার করে দিতে এবংসাথে চেয়েছিল দ্বীনি আন্দোলনের কাফেলা, শহীদি কাফেলা, মহান মুক্তিযুদ্ধের স্বপঙ্কের সংগঠন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট ও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রসেনার অগ্রযাত্রাকে রুখে দিতে।কিন্তু তার বিপরীতে শহীদ আবদুল হালিমের রক্তের স্রোতধারা বহুদূর এগিয়ে নিয়ে যায় শহীদের হালিমের সেই স্বপ্নকে, সাথে এগিয়ে নিয়ে যায় তার প্রিয় কাফেলাকে। বরাবরের মতো ইতিহাসের আস্তাখুলে ধ্বংস হয় হায়েনারা।চিহ্নিত হয় জাতির কাছে ধর্মব্যবসায়ীরা।

বক্তারা আরও বলেন,শহীদ আবদুল হালিম আজীবন রয়ে যাবে দেশপ্রেমী,ইসলামপ্রেমী মুক্তিকামী জনতার হ্রদয়ের মনিকোটায়। ৩৩তম শাহাদাত বার্ষিকীতে আমার ভাই শহীদ আবদুল মুস্তফা হালিমের আত্নার মাগফেরাত কামনা করছি।দোয়া করছি মহাপরাক্রমশালী আল্লাহতায়ালা তাকে যেন যথাযথ শহীদি মর্যাদা দান করে।আমিন। দোয়া মাহফিলে শহীদ হালিমের শাহাদাতের উসিলায় আল্লাহতায়ালা আমাদের জীবন-যৌবন,অর্থ -সম্পদ সবকিছু য়েন আল্লাহর রাস্তায় কবুল করে নেন বলে প্রার্থনা করা হয়।