Saturday 25th of November 2017 09:47:12 AM

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৯জুলাই,হাবিবুর রহমান খানঃ মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার টিলাগাঁও’র ইউনিয়নে বাঘরিয়াল  গ্রামে রেহানা বেগম (১৭) নামে এক যুবতী খুন হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন রেহানার পিতা আছকির আলী (৪৮)।

এ ঘটনায় জড়িত লাল মিয়ার বাবা রফিক আলী (৫৫) কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে স্থানীয় পুলিশ। রোববার ভোর রাতে প্রায় সাড়ে ৩ টার দিকে টিলাগাঁও  ইউনিয়নের বাঘরিয়াল গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটেছে।

নিহত রেহানা বেগমের বাবা আছকির মিয়া জানান,দীর্ঘদিন তার মেয়ের সঙ্গে লাল মিয়া নামে একটি ছেলের প্রেমের সম্পর্ক ছিল,সেই এ ঘটনা ঘটিয়েছে।

স্থনীয় সূত্রে জানা যায়,”বিয়ে দিতে রাজী না হওয়ায় রাতে আছকির মিয়ার ঘরে ঢুকে ঘুমন্ত রেহানাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করা হয় বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এসময় আছকির মিয়া বাধা দিতে গেলে তাকেও কুপিয়ে আহত করে ঘাতক।”

এ ব্যাপারে কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) বিনয় ভূষণ রায় জানান, স্থানীয়দের সংবাদ পেয়ে পুলিশ সকালে নিহতের মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।এই সংবাদ লিখা পর্যন্ত এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৯জুলাই:আরবী ও ইংরেজী ভাষার উপর বহু গ্রন্থের রচয়িতা অধ্যাপক এ এস মতলুব আহমদ গত ৫ জুলাই খন্ডকালীন প্রফেসর হিসেবে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইন্সটিউটে যোগদান করেছেন।

তিনি দীর্ঘ ৩০ বছরের অধিক সময় মর্ডান ল্যাগুয়েজ একাডেমী তথা সাবেক আরবী ও ইংরেজী ভাষার শিক্ষা একাডেমীর পরিচালক ও প্রধান অধ্যাপক হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। প্রফেসর মতলুব আহমেদের বহু গ্রন্থ দেশে-বিদেশে প্রশংসিত হয়েছে।প্রেস বিজ্ঞপ্তি

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৯জুলাই,নাজমুল হক নাহিদ,আত্রাই (নওগাঁ) থেকেঃ  নওগাঁর আত্রাইয়ে বিলুপ্ত প্রায় এক সময়ের এদেশের প্রধান অর্থকারী ফসল সোঁনালী আঁশ হিসাবে খ্যাত পরিবেশ বান্ধব পাটের চাষে কৃষক দিন দিন আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে। ফলে এবার পাটের ভরা মৌসুমেও পাট মিলেনি উপজেলার হাট বাজার গুলোতে।
সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কৃষকের সাথে আলাপকালে জানাযায়, বিভিন্ন সময়ে পাটের মূল্য পতন, উৎপাদন খরচ বেশি ও পাট পচানো পানির অভাবেই কৃষকরা পাট চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে। ৬০ এর দশকে দেশের খ্যাতমান পাটক্রয় কেন্দ্র ছিল আত্রাইয়ে। এক সময় উপজেলার র্যালিব্রাদার্স নামে বিখ্যাত সেই পাটক্রয় কেন্দ্রে পাটক্রয় করে নৌপথে পাঠানো হতো দেশ বিদেশের বিভিন্ন জুটমিলে। সে সময় সরকারী ও বেসরকারী ব্যবস্থাপনায় প্রতিদিন শত শত টন পাট ক্রয় করা হতো চাষীদের নিকট থেকে। ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তির নিশ্চয়তা নিয়ে কৃষকেরাও ঝুঁকে পড়তো ব্যাপকহারে পাটচাষে। আত্রাই থেকে এ পাটগুলো দেশের দক্ষিণঅ ল জেলা খুলনা, যশোর সহ বিভিন্ন জুটমিলে নৌপথে ও রেলপথে নিয়ে যাওয়া হতো। জনস্ত্রুতি আছে শুধু দেশেই নয় বরং আকাশ পথে আত্রাই এর পাট রপ্তানি করা হতো সেই ইংল্যান্ডে। সেই সময় মালবাহী উড়জাহাজ যোগে আত্রাই পাটক্রয় কেন্দ্র থেকে সরাসরি এই পাট লন্ডনে রপ্তানি করা হতো বলে তথ্যঅনুসন্ধানে জানাগেছে। আজ আর আত্রাইয়ে আগের মতো পাট চাষ হয়ন্।া
উপজেলা কৃষি অফিস সূএে জানাগেছে, এবার এ উপজেলায় মাত্র ২১০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ করা হয়েছে। পাটের মূল্য কম সহ নানাবিধ সমস্যার কারণে কৃষকেরা পাট চাষে এবার আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন। এদিকে পাটের চাষ কম হওয়ায় জ্বালানীকাজে ব্যবহার্য পাটখড়ির মূল্য আকাশচুম্বি হয়েছে। ফলে মধ্যম আয়ের পরিবারে সৃষ্টি হয়েছে চরম ভোগান্তি।
উপজেলার মির্জাপুর গ্রামের আলহাজ্ব সামাদ মাষ্টার বলেন, ৬০ এর দশকে উত্তরা লের মধ্যে আত্রাই ছিল পাটের জন্য বিখ্যাত। সে সময় আমরা ব্যাপকহারে পাট চাষ করতাম। পাটের ন্যায্যমূল্য ও পেতাম। বর্তমানে উৎপাদন খরচ বেশি , মূল্য কম এ জন্য আমরা পাট চাষে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছি।
ভবানিপুর গ্রামের কৃষক মোঃ আজাদ আলী প্রাং বলেন, গত দু বছর থেকে পাট চাষ করে পাট পচানো পানির অভাবে আমাদের চরম বিপাকে পড়তে হয়েছে। এ জন্য এবার আমরা পাট চাষ করিনি। ওই জমিগুলোতে এবার ধান সহ অন্যান্য আবাদ করে লাভবান হচ্ছি।
এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কে এম কাউছার হোসেন জানান, বিগত বছরগুলোতে পাটের বাজার মন্দ থাকায় এই ফসলের প্রতি চাষিদের আগ্রহ কমে গিয়েছিল বর্তমান সরকার খাদ্যদ্রব্যসহ বিভিন্ন পণ্য পরিবেশ বান্ধব পাটের মোড়ক বহুবিদ ব্যবহার করায় বর্তমান পাটের উৎপাদন ও বাজার দর ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করায় এবার প্রান্তিক পর্যায়ে চাষিদেরও পাট চাষের আগ্রহ বৃদ্ধির লক্ষে চলতি খড়িপ মৌসুমে চাষিদের রোগ প্রতিরোধ সম্পর্কে কৃষকদের গঠনমূলক পরামর্শ দেয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

অবহেলার অভিযোগটি পুরোপুরি ভিত্তিহীনঃআর এম ও ডাক্তার মহসিন 

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৯জুলাই,বিক্রমজিৎ বর্ধন ও জহিরুল ইসলামঃ শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসকের অবহেলায় ৭মাসের অন্তসত্ত্বা এক নারীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।

মৃত মহিলার লাশ

শনিবার দুপুরে শ্রীমঙ্গল শহরের বারিধারা এলাকার ফরিদ মিয়ার ৭ মাসের অন্তসত্ত্বা স্ত্রী রাজিয়া খাতুন (৩০)এর প্রসব ব্যাথা শুরু হলে শ্রীমঙ্গল উপজেলা স্বাাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়।
নিহতের স্বামী ফরিদ মিয়া এবং দেবর কামাল মিয়া জানান “ভর্তি করানোর কিছুক্ষন পরেই রোগীর অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে।রোগীর আত্মীয় স্বজন হাসপাতালে কর্তব্যরত ডাক্তারকে বলেন যে রোগীর অবস্থা ভাল না, রোগীকে তাড়াতাড়ী অক্সিজেন দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলেও তারা পাত্তা দেননি তাদেরকে।এক পর্যায়ে দীর্ঘ এক ঘন্টা অতিবাহিত হওয়ার পর ডাক্তার এসে অক্সিজেন দেওয়ার কিছুক্ষনের মধ্যেই রোগীর মৃত্যু ঘটে।”
এ বিষয়ে হাসপাতালের আর এম ও ডাক্তার মহসিন জানান, “আমাদের ষ্টাফ স্বল্পতার পাশাপাশি অক্সিজেন স্বল্পতাও রয়েছে। তাছাড়া রোগীকে যখন হাসপাতালে নিয়ে আসা হয় তখন তার অবস্থাও বেশ করুণ ছিল। আমরা রোগীকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছি অবহেলার অভিযোগটি পুরোপুরি ভিত্তিহীন।”

রোগী মারা যাওয়ার পর রোগীর আত্মীয় স্বজন হাসপাতালে হৈ হুল্লোর শুরু করলে তাৎক্ষনিক খবর পেয়ে শ্রীমঙ্গল থানা পুলিশ ঘটনা স্থলে পৌছলে অবস্থা স্বাভাবিক হয়।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৯জুলাই,মৌলভীবাজার প্রতিনিধিঃ এমন দূর্বিষ জীবন আর ভাল লাগেনা। একটু পানি কমলে আবার বৃষ্টি তা ভরিয়ে দিচ্ছে। তাই বন্যার পানি কমে যাওয়ার আশা করি কি ভাবে।
হাওর তীরের শাহপুর,সাদিপুর,মিরশংকর,মহেশঘরি ও বাদে ভূকশিমল গ্রামের বাসিন্ধা কয়েছ আহমদ বটলাই, গুলজার মিয়া,বদর উদ্দিন,অজির আলী, লিচু মিয়া,নেওয়া বিবি ও আখলিমা বেগমসহ অনেকেই ক্ষোভে কন্ঠে তাদের দূর্ভোগ,দূর্দিন আর চলমান বন্যার সার্বিক অবস্থা তুলে ধরেন। তারা কান্না জড়িত কন্ঠে জানালেন তাদের চরম অসহায়ত্বের কথা। বোরো ধান হারানোর পর থেকে এবছর কিভাবে একের পর এক বন্যায় তাদের সব কেড়ে নিয়েছে।
সব হারিয়ে কিভাবে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তাদের সাথে আলাপে জানাগেল চলমান এ বন্যা দীর্ঘস্থায়ী রুপ নিচ্ছে। জেলায় ৩য় দফার এই বন্যার প্রায় মাস দিন ধরে। কিন্ত পানি কমার কোন লক্ষণই নেই। উজানের পাহাড়ি ঢল আর টানা ভারী বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে বন্যা দূর্ভোগ।হাকালুকি হাওর তীরের স্থানীয় বাসিন্ধারা জানান দুপুরে পানি কিছু কমতে দেখা গেলে বিকেল কিংবা রাতের টানা বৃষ্টিতে আবার যেই সেই।
এতে হাওর পাড়ের তীরবর্তী উচুঁ অংশের কিি ত উন্নতি হলেও নিন্মাঞ্চলের অবস্থা আগের মতই। সম্প্রতি আবহাওয়ার অবস্থা এই ভালো এই খারাপ।এমন অবস্থায় বন্যা পরিস্থিতির কখনো কিছুটা উন্নতি হলে,আবারও অবনতি হচ্ছে।এতে করে বন্যা পরিস্থিতির আশানুরুপ উন্নতি লক্ষ করা যাচ্ছে না।হাকালুকি হাওর তীরের ৩ উপজেলার কুলাউড়া,জুড়ী ও বড়লেখার গ্রামীন জনপদের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি এখনো অপরিবর্তিত রয়েছে।
প্রায় ৩ লক্ষাধিক মানুষ বানের পানিতে রয়েছেন বন্ধি দশায়। ওই এলাকা গুলোর রাস্তাঘাট আর ঘর-বাড়িতে এখনো কমর থেকে বুক পানিতে নিমজ্জিত। ঘরবাড়ি বানের পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় মানুষের দূর্ভোগের অন্তর নেই। বন্যায় তাদের মাথাগুঁজার ঠাঁই যেমন কেড়ে নিয়েছে। তেমনি রান্নাঘর,টিবওয়েল আর টয়লেটও পানিতে তলিয়ে দিয়েছে। তাই প্রয়োজনীয় নিত্য ব্যবর্হায এই উপাদানগুলো পানিতে ডুবে যাওয়ায় তাদের অবর্ণীয় দূর্ভোগ। এবছর হাকালুকি হাওর তীরের মানুষ এনিয়ে ৩য় দফায় বন্যা কবলিত হল। বলতে গেলে হাকালুতি হাওর পাড়ের বাসিন্ধারা প্রায় ৪ মাস থেকে পানি বন্ধি।
এবছর চৈত্রের ভয়াবহ অকাল বন্যার দকল সামলে উঠার আগেই পর পর একাধিক বন্যা।একের পর এক বন্যায় তাদের জীবন জীবীকার সব উপকরনই কেড়ে নিয়ে তাদের নি:স্ব করেছে। আর চলমান এ বন্যায় ডুবিয়ে দিয়েছে তাদের শেষ আশ্রয়স্থল। তাদের চোখের সামনেই সবই তলিয়ে গেছে বানের পানিতে। এখন চারদিকে শুধু থৈ থৈ পানি আর পানি। ঘরবাড়ি পানিতে ডুবে গেলেও আশ্রয় নিয়েছেন অন্যত্র। আশ্রয় কেন্দ্র বা নিজের আতœীয় স্বজনদের বাড়িতে। কিন্তু সেখানেও ভালো নেই তারা। পিছু নিয়েছে নানা সমস্যা আর বিড়ম্বনা।
হাওর তীরের কৃষি আর মৎস্যজীবী মানুষগুলো কর্মহীন থাকায় নেই আয় রোজগারও। তাই পরিবার পরিজন নিয়ে তারা এখন অনাহারে দিন কাটাচ্ছেন। চরম অসহায় এ মানুষ গুলোর দু’চোখের অশ্রু যেন তাদের সন্তানদের ভাষা। তাদের মত অসহায় ওই এলাকার গৃহগালিত পশুগুলোও। খাদ্য আর বাসস্থান হারিয়ে তারাও পড়েছে চরম সংকটে। খাদ্যহীন গৃহহীন মানুষ গুলোর দুর্ভোগ আর মানবেতর জীবনযাপন এখন তাদের নিত্যসঙ্গী। বানভাসি অসহায় মানুষগুলো রাত পোহালেই ত্রাণের আশায় পথের পাণে চেয়ে থাকেন। জীবন বাচাঁতে পেটের দায়ে। কিন্তু তারা হতাশ হচ্ছেন। কারন তারা দূর্দিনে পাচ্ছেন না আশানূরুপ সাহায্য।

সরকারী তরফে যে সহযোগীতাগুলো আসছে তা যেমন পর্যাপ্ত নয়। তেমনি যে বরাদ্দ গুলো আসছে তাও পুরোপুরি ভাবে পৌচ্ছে না তাদের হাতে। এনিয়ে জন প্রতিনিধিদের উপর তাদের অভিযোগ আর ক্ষোভের অন্তর নেই। আর এবারের বন্যায় ব্যক্তি,প্রতিষ্ঠান কিংবা বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণ হচ্ছে একে বারেই কম।

জেলা ও সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসন ও সরজমিনে স্থানীয় বাসিন্ধাদের সাথে যোগযোগ করলে জানা যায়,জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অনেকটা অপরিবর্তিত রয়েছে।ফলে জেলার হাকালুকিও কাউয়াদিঘি হাওর তীরের কুলাউড়া,জুড়ী,বড়লেখা,রাজনগর ও মৌলভীবাজার এই পাঁচটি উপজেলার প্রায় তিন লক্ষাধিক মানুষ এখনো পানি বন্দী।

কুশিয়ারা নদী, হাকালুকি, কাউয়াদীঘি ও হাইল হাওরে পানি বৃদ্ধির কারণে জেলার ৫টি উপজেলার প্রায় ৩০ টি ইউনিয়নে বন্যা স্থায়ী রুপ নিচ্ছে। বানের পানি কিছুটা কমলেও তা স্থির থাকছেনা।বৃষ্টির প্রতিদিনই হওয়ায় তা আগের অবস্থায় চলে আসছে। জানা যায়, জেলার ৩৩ টি ইউনিয়ন বন্যাকবলিত হয়েছে।এতে প্রায় ২ লক্ষ ৭০ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন।

পর্যন্ত ৩০টি আশ্রয় কেন্দ্র ঠাঁই নিয়েছেন প্রায় সাড়ে ৫ শতাধিক পরিবার। এ ছাড়া ২০০ শতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্যাকবলিত থাকায় পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তলিয়ে গেছে কয়েক শতাধিক মৎস্য খামার। বন্যায় মৌসুমী সবজি, আউশ ও বোরো আমনেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

“তার বিরুদ্ধে কুলাউড়ার পৃথিমপাশাস্থ শাহ ডিংগীর মাজারে বোমা বিস্ফোরন ও ২০১৫ সালের ১৭ আগষ্ট সিরিজ বোমা হামলার মামলাসহ আরোও কয়েকটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে”

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৯জুলাই,জহিরুল ইসলাম: মৌলভীবাজারের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত জেলা জজ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম এক এক জেএমবি সদস্যকে অস্ত্র ও বিস্ফোরক মামলায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেছেন ।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, ২০১৬ সালের ১৫ জুন মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের উত্তর বুধ পাশা এলাকা থেকে নিষিদ্ধ জঙ্গী সংঘঠন জেএমবি সদস্য লুৎফুর রহমান হারুনকে পুলিশ গ্রেফতার করে। এ সময় ১টি দেশীয় তৈরী এলজি ২টি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে কুলাউড়া থানায় অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে।
দীর্ঘ শুনানির পর ৯ জুলাই রোববার দূপুরে দায়রা জজ আদালতের বিচারক এই জেএমবি অন্যতম সদস্য লুৎফুর রহমান হারুনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন।

উল্লেখ্য লুৎফুর রহমান হারুন ২০০৫ সাল হইতে ২০০৭ সাল পর্যন্ত ভারতের দেওবন্দ মদ্রাসায় লেখাপড়া করেন। তাকে দিল্লী রেলষ্টেশন হইতে এ্যাক্লুসিভ প্লানিং এ্যাক্ট এবং ফরেনার্স এ্যাক্ট-এ গ্রেফতার হয়। ওই ঘটনায় ভারতের তিহার জেলে যাবৎজীবন সাজা প্রাপ্ত আসামী হিসাবে সাজা ভোগ করে।

২০০৪ সালে কুলাউড়ার পৃথিমপাশাস্থ শাহ ডিংগীর মাজারে বোমা বিস্ফোরন ও ২০১৫ সালের ১৭ আগষ্ট সিরিজ বোমা হামলার মামলা সহ আরোও কয়েকটি মামলা বিচারাধীন আছে রয়েছে।
মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবীর দায়িত্ব পালন করেন এস এম আজাদুর রহমান আজাদ ও আসামী পক্ষের আইনজীবি আজিজুর রব চৌধুরী।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৯জুলাই,মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:  মৌলভীবাজারে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় তপন রুদ্র পাল (১৯) নামের এক কলেজ ছাত্র নিহত হয়েছে।
শনিবার (৮ জুলাই) রাত সাড়ে ৯ টার দিকে শ্রীমঙ্গল রোডের জগন্নাথপুর এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। তপন জুড়ী উপজেলার সোনারপা চা বাগানের শ্রমিক জনারতন রুদ্র পালের ছেলে। সে মৌলভীবাজার সরকারী কলেজের হিসাব বিজ্ঞান বিভাগের অর্নাস ১ম বর্ষের ছাত্র।

তপন এর বন্ধু সঞ্জয় নায়েক জানায়, রাতে তপন শ্রীমঙ্গল সড়কের একটি বাসায় প্রাইভেট পড়িয়ে ম্যাচে যাওয়ার পথে দ্রুতগ্রামী একটি প্রাইভেটকার তাকে ধাক্কা দিলে স্থানীয় লোকজন মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে কত্যবরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন।

মৌলভীবাজার মডেল থানার ওসি মো: সোহেল আহাম্মদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় একজনকে আসামী করে মামলা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে জাকির হোসেন (৩৩) নামে এক জনকে আটক করেছে পুলিশ।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৯জুলাই,শংকর শীল,হবিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় ৫২ বস্তা ৪০ কেজি ভারতীয় চা পাতা সহ পিকআপ ভ্যান চালক কে অাটক করেছেন আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অালহাজ্ব অাবেদ হাসনাত চৌধুরী সনজু।

ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান অালহাজ্ব অাবেদ হাসনাত চৌধুরী সনজু জানিয়েছেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে স্থানীয় এলাকাবাসীর সহযোগিতায় ৯ জুলাই রবিবার রাত ১.৩০ মিঃ সময়ে  উপজেলার রাজার বাজার এলাকা থেকে ৫২ বস্তা ৪০ কেজি ভারতীয় চা পাতা সহ পিকআপ ভ্যান চালক কে অাটক করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত ভারতীয় চা পাতা সহ পিকআপ ভ্যান চালক কে চুনারুঘাট থানা পুলিশ কে সোপর্দ করা হয়েছে।

এব্যাপারে চুনারুঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ কে. এম. আজমিরুজ্জামান জানিয়েছেন, উদ্ধারকৃত ৫২ বস্তা ৪০ কেজি ভারতীয় চা পাতা নিয়ে পিকআপ ভ্যানটি এসেছে বলে আমাদের প্রাথমিক ধারণা করা হয়েছে।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৯জুলাই,মিজানুর রহমান সৌদি আরব থেকেঃ কাতারের বিরুদ্ধে নতুন করে ‘রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও আইনি পদক্ষেপ’ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরবের নেতৃত্বে চার আরব দেশ। বাকি তিন দেশ হলো সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও মিসর। সন্ত্রাসবাদে মদদদান ও আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা তৈরির অভিযোগে কাতারের ওপর সম্প্রতি অবরোধ আরোপ করে এসব আরব দেশ।

অবরোধ তুলে নেওয়ার বিনিময়ে সৌদিসহ চার আরব দেশ ১৩টি শর্ত দিয়ে দুই দফায় সময়সীমা বেঁধে দেয়। কিন্তু তা মানতে দোহা অস্বীকৃতি জানায় এবং জানায় তারা এ বিষয়ে আলোচনায় বসতে প্রস্তুত আছে। এরপর গত বৃহস্পতিবার যৌথ বিবৃতি দিয়ে দোহার বিরুদ্ধে ‘উপযুক্ত’ পদক্ষেপ নেওয়ার ঘোষণা দেয় ওই দেশগুলো। যৌথ বিবৃতিতে উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা অব্যাহতভাবে নষ্ট করার চেষ্টার অভিযোগে কাতারকে আবারও দায়ী করা হয়। আরও বলা হয়, শর্ত মানতে তাদের অনীহা বুঝিয়ে দেয়, দোহা আগের অবস্থানে অটল। বিবৃতিতে কাতারকে নতুন করে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি দেওয়া হলেও সেগুলো কী ধরনের হবে, তার কোনো ইঙ্গিত দেওয়া হয়নি।

উল্লেখ্য, সৌদি আরব, মিসর, ইউএই এবং বাহরাইনের অভিযোগ, কাতার মুসলিম ব্রাদারহুডসহ কট্টর ইসলামপন্থী একাধিক সংগঠনকে মদদ দেয়। আল-জাজিরা টেলিভিশন চ্যানেলও এই কট্টরপন্থীদের সহযোগিতা করে। এ ছাড়া আঞ্চলিক শত্রু হিসেবে পরিচিত ইরানের সঙ্গেও দোহার সুসম্পর্ক আছে। কিন্তু কাতার এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
এএফপি জানায়, মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী জিম ম্যাটিস কাতারের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত নিরাপত্তা অংশীদারত্ব বজায় রাখার কথা পুনর্নিশ্চিত করেছেন। উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েনের প্রেক্ষাপটে গত বৃহস্পতিবার তিনি এটা নিশ্চিত করেন। পেন্টাগন এ কথা জানায়।
পেন্টাগনের এক বিবৃতিতে আরও বলা হয়, চলমান সংকট নিয়ে আলোচনা করতে কুয়েতের আমন্ত্রণে ১০ জুলাই মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেক্স টিলারসন কুয়েত সফর করবেন। ম্যাটিস কাতারের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালেদ বিন মোহাম্মাদ আল-আতিয়াহর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন। এ সময় তিনি ইসলামিক স্টেটের বিরুদ্ধে অভিযানের ধরন নিয়ে আলোচনা করেন।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৯জুলাই,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ ৮ই জুলাই শনিবার বাংলাদেশ অনলাইন নিউজ পোর্টাল এ্যাসোসিয়েশন বনপা’র মতিঝিলে অস্থায়ী কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় কমিটির এক জরুরী সভায় গত ৬ জুলাই বৃহস্পতিবার ট্রান্সপারেন্সী ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) দেওয়া বিবৃতিতে অনলাইন নীতিমালা’কে স্থগিত রাখার আহবান জানানোয় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়।

এসময় বনপা’র সাধারণ সম্পাদক এ এইচ এম তারেক চৌধুরী গত ১৯ শে জুন মন্ত্রী পরিষদে “জাতীয় অনলাইন নীতিমালা ২০১৭” এর খসড়া অনুমোদিত হওয়ায় মাননীয় প্রধান মন্ত্রী, তথ্য মন্ত্রী ও অংশীজনদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বর্তমানে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে অনলাইন গণমাধ্যমের ভূমিকার স্বীকৃতি স্বরূপ বিশ্বের প্রথম অনলাইন নীতিমালা অনুমোদন দিয়েছে সরকার। এই নীতিমালা এক দিনে হয় নাই। সরকার এই নীতিমালার অংশীজনদের নিয়ে বার বার আলোচনার পর চুড়ান্ত করেছে ।

গত ৬ই জুলাই বৃহস্পতিবার টিআইবি’র এক বিবৃতিতে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বাঁধাগ্রস্থ হওয়ার আশঙ্কায় জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালার বেশ কিছু নিবর্তনমূলক ধারা ও উপধারায় পরিমার্জন সম্পন্ন না করা পর্যন্ত জাতীয় অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালার বাস্তবায়ন স্থগিত রাখার আহ্বান জানায় । টিআইবি’র এমন বিরূপ প্রতিক্রিয়ায় বনপা’র পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। টিআইবি অনলাইন নীতিমালা স্থগিত রাখার আহবান জানাতে পারেন না। কারন এই নীতিমালা নিয়ে যখন বনপা’র নেতৃবৃন্দ ২০১২ সাল থেকে আন্দোলন করে আসছে তখন টিআইবি’র মতো কোন সংস্থা এই বিষয়ে কোন মন্তব্য করে নাই। আজ বনপা’র সফল আন্দোলনের ফসল হিসেবে সরকার যখন অনলাইন নীতিমালা প্রনয়ন করেছে তখনই টিআইবি এই নীতিমালাকে স্থগিত করার প্রতিক্রিয়া জানায় ।

টিআইবি আরো যেসব বিষয়ে মতামত দিয়েছে এই বিষয়গুলো বনপা সরকারের কাছে অনেক আগেই দাবী করে আসছে এবং সরকার এই বিষয়গুলো অংশীজনদের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে পরিবর্তন পরিমার্জন করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছে। অনলাইন নীতিমালা নিয়ে টিআইবি’র এমন বিরূপ প্রতিক্রিয়ায় বর্তমান সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানের লক্ষ্য-উদ্দেশ্যকে বিশ্বের কাছে হেয় করা ছাড়া আর কিছুই নয়।

বাংলাদেশ অনলাইন নিউজ পোর্টাল এ্যাসোসিয়েশন বনপা’র প্রতিনিধিদল গত ৪ই জুলাই মাননীয় তথ্য মন্ত্রীর সাথে মতবিনিময়কালে অনলাইন নীতিমালাটি গেজেটের মাধ্যমে সকলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া সহ অতি শীঘ্রই সংসদে পাশ করার আহবান জানান ।

এব্যাপারে সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক এ কে এম মাহমুদ রিয়াজ বলেন, অনলাইন গণমাধ্যম বর্তমান সরকারের প্রতি মুহুর্তের উন্নয়নকে বিশ্বে ছড়িয়ে দিচ্ছে। অনলাইন নীতিমালা স্থগিত রাখার বিষয়ে টিআইবি’র বিরূপ প্রতিক্রিয়ার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। এসময় সংগঠনের সভাপতি সুভাষ সাহা’র সভাপতিত্বে জরুরী সভায় উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি শেখ ফয়েজ আহমেদ, সহ-সভাপতি বিএইচ বেলাল, কোষাধক্ষ্য কাজী কবির, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক জোহরা পারভিন জয়া, নির্বাহী সদস্য এম এম মিজানুর রহমান, নির্বাহী সদস্য আ হ ম ফয়সাল, নির্বাহী সদস্য নাজমুল হাসান বাবু, নির্বাহী সদস্য মোঃ কামরুজ্জামান, নির্বাহী সদস্য কায়সার হাসান, নির্বাহী সদস্য ওবায়দুল ইসলাম ও অনলাইনে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম থেকে হাদিদুর রহমান, এম কে মমিন, মীর মেজবাহ, হারুন অর রশিদ এবং বরিশাল থেকে মামুন অর রশিদ, কুমিল্লা থেকে মোঃ আলী হাজারী, নারায়নগঞ্জ থেকে নাছির উদ্দিন, সিলেট থেকে আমিনুল হক, নরশিংদি থেকে, মোঃ মোস্তফা খান, সাভার থেকে তপু প্রমুখ। সংগঠনের পক্ষে সরকারের যোগাযোগ অব্যাহত রাখার জন্য অক্লান্ত শ্রমের বিনিময়ে কার্যক্রমকে গতিশীল করার জন্য সংগঠনের সাধারন সম্পাদক এ এইচ এম তারেক চৌধুরীকে বনপা’র নেতৃবৃন্দ ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে অভিনন্দন জানান।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৯জুলাই,আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ নওগাঁর আত্রাইয়ে অসামাজিক কার্য্যকলাপের অভিযোগে উপজেলার কলেজ রোডে অবস্থিত মালা বিউটি পার্লারের বিউটিশিয়ান মাহমুদা আক্তার মালা (৩৫) ও উপজেলার মহাদিঘী গ্রামের মোঃ মুন্টুর পুত্র মোঃ সাদ্দাম (২২) নামের দুজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে এলাকাবাসী।

এ ব্যাপারে আত্রাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ বদরোদজ্জা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খোলাপাড়া এলাকায় আটককৃত মালার ভাড়া বাসায় দীর্ঘ দিন যাবৎ মোঃ সাদ্দাম প্রতিনিয়ত অসামাজিক কার্য্যকালাপ চালিয়ে আসছিলো এমন সূত্রে এলাকাবাসী গত শুক্রবার গভীর রাতে মালা ও সাদ্দামকে অসামাজিক কাজে লিপ্ত অবস্থায় হাতেনাতে আটক করে।

এবং আত্রাই থানা পুলিশে খবর দিলে, খবর পাওয়া মাত্র আমরা তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসি। এ নিউজ লেখা পর্যন্ত মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা যায়।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৯জুলাই,নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইলে গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ৬শ পিচ ইয়াবাসহ এক চা বিক্রেতাকে আটক হয়েছে।

শনিবার বিকালে শহরের রূপগঞ্জ বাজারের বাটারফ্লাই শো-রুমের সামনে চা বিক্রেতা শাহ পরাণের কাছ থেকে ১৯০ পিচ ইয়াবা উদ্ধার করে। এরপর তার স্বীকারোক্তি মোতাবেক শহরের কুড়িগ্রাম এলাকায় এস,এম সুলতান কমপ্লেক্স সড়কের সামনে জাকির হোসেন সুমনের বাসায় অভিযান চালিয়ে আরও ৪১০ পিচ ইয়াবা ও ইয়াবা খাওয়ার সরঞ্জামাদি উদ্ধার করে পুলিশ।

নড়াইলের গোয়েন্দা পুলিশের ওসি আশিকুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শহরের ভওয়াখালী  মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র এলাকা থেকে শাহ্ পরাণ নামে এক চা বিক্রেতাকে ১৯০ পিচ ইয়াবাসহ আটক করা হয়।  শাহ পরাণ পৌরসভার ভওয়াখালী এলাকার গোলাম রহমানের ছেলে।

নড়াইলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল) মোঃ মেহেদী হাসান জানান, শাহ পরাণের স্বীকারোক্তি মোতাবেক শহরের কুড়িগ্রামের এসএম সুলতান কমপ্লেক্স সড়কের পাশের বক্তিয়ার রহমানের বাসার ভাড়াটিয়া এসকে ইন্টারন্যাশনালের মালিক জাকির হোসেন সুমনের বাসায় অভিযান চালানো হয়। এসময় বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে ৪১০পিচ ইয়াবা ও ইয়াবা খাওয়ার সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

 অভিযানে নড়াইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহিদুল ইসলাম, সদর থানার ওসি (তদন্ত) জুলফিকার আলীসহ সদর থানা ও গোয়েন্দা পুলিশের সদস্যবৃন্দ  অংশগ্রহণ করেন।

নড়াইলের পুলিশ সুপার সরদার রকিবুল ইসলাম জানান, মাদক ব্যবসায়ী জাকির হোসেন সুমনকে আটকের জোর চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এর আগে শনিবার সকাল সাড়ে ১১ টায় পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে লোহাগড়াকে মাদক মুক্ত করতে ১শত দিনের মাদক বিরোধী অভিযান শুরু উপলক্ষে সাংবাদিকদের সাথে এক মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। পুলিশ সুপার সরদার রকিবুল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় পুলিশের পদস্থ কর্মকর্তাগন সহ জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকগন উপস্থিত ছিলেন। সভায় ২৩ শে ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ জুলাই পর্যন্ত নড়াইলের মাদক ও জঙ্গি বিরোধী অভিযানের চিত্র তুলে ধরা হয়। সভায় জানানো হয় এ পর্যন্ত (২৩ ফেব্রুয়ারি – ৭ জুলাই ) জেলায় ২৭৪ টি মামলায় ৩৪২ জন আসামী ও গ্রেফতারসহ ০৭ পুরিয়া হেরোইন, ৪ হাজার ৯ শত ৫৩ পিস ইয়াবা, ১০ কেজি ৯শত৮৭ গ্রাম গাজা,৪৬ লিটার৬শত৫০ মিলি লিটার দেশি/ বিদেশি মদ ও ২ শত ৮৩ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়েছে।

 

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৯জুলাই,মতিউর রহমান মুন্না,নবীগঞ্জ থেকে:হবিগঞ্জের নবীগঞ্জে আনন্দ স্কুলের এক শিক্ষিকার শ্লীলতাহানির অভিযোগে সাফি মিয়া (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে ২ বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালত।  গতকাল শনিববার দুপুরে নবীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জীতেন্দ্র কুমার নাথ এই দন্ডাদেশ দেন। দন্ডাদেশপ্রাপ্ত সাফি মিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের কানাইপুর গ্রামের মৃত হেসমত উল্লার ছেলে।

সূত্রে জানা যায়, উপজেলার আদিত্যপুর গ্রামের ২২ বছর বয়সী এক যুবতী দীর্ঘদিন ধরে কানাইপুর গ্রামে আনন্দ স্কুলের শিক্ষিকা হিসেবে দায়ীত্ব পালন করে আসছেন। গত কয়েকদিন ধরে সাফি মিয়া তার পিছু নেয়। স্কুলে আসা যাওয়ার সময় প্রায়ই শ্লীলতাহানি করে অভিযোগ তুলেন ওই শিক্ষিকা। প্রতিদিনের ন্যায় গতকাল শনিবার সকালে শিক্ষিকা স্কুলে আসা মাত্রই সাফি মিয়া স্কুলের সামনে এসে তাকে অশালিন ভাষায় গালিগালাজ ও শ্লীলতাহানি করে বলে নবীগঞ্জ থানায় গিয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ দেন ওই শিক্ষিকা।

অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাৎক্ষনিকভাবে নবীগঞ্জ থানার এস আই মাজহারুল ইসলামের নেতৃত্বে একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে সাফি মিয়াকে অানন্দ স্কুলের সম্মুখ থেকে আটক করেন। এসময় স্থানীয় লোকজন ঘটনার সাক্ষ্য ও ধৃত সাফি মিয়া মাদকসেবী বলেও জানান। পরে স্কুল শিক্ষিকাকে শ্লীলতাহানির প্রমাণ মেলায় ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে দন্ডবিধি-৩৫৪ ধারায় অভিযুক্ত সাফি মিয়াকে ২ বছরের বিনাশ্রম কারাদন্ড প্রদান করেন ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জীতেন্দ্র কুমার নাথ। পরে থাকে থানা পুলিশের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করা হয়।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৯জুলাই,বেনাপোল প্রতিনিধিঃ  বেনাপোলে মাসব্যাপী গ্রামীন শিল্প ও বানিজ্য মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছে যশোর জেলা প্রশাসক আশরাফ উদ্দীন। শনিবার (৮ই জুলাই) বিকেল ৫টা বেনাপোল ফুটবল মাঠে বেনাপোল পৌরসভার আয়োজনে মাসব্যাপী গ্রামীন শিল্প ও বাণিজ্য মেলার উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বেনাপোল পৌরমেয়র আশরাফুল আলম লিটনের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, যশোর জেলার পুলিশ সুপার (বিপিএম, পিপিএম বার) আনিছুর রহমান, শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুস সালাম, বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ অপূর্ব হাসান প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, গ্রামীন শিল্প ও বাণিজ্যের প্রসার ঘটাতেই মাসব্যাপী এ মেলার আয়োজন করা হয়েছে।মাসব্যাপী এ মেলায় হস্ত ও কুটির শিল্পসহ দেশী-বিদেশী বিভিন্ন রকমারির শতাধিক স্টল ও শিশুদের খেলাধূলার জন্য বিভিন্ন পণ্যের সমারহ বসেছে।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৯জুলাই,আশরাফ আলী:মৌলভীবাজার জুড়ে চলছে হাহাকার। বন্যা স্থায়ী রুপ নেওয়ায় দূর্গত এলাকায় বেড়েই চলেছে হাহাকার। বন্যাদূর্গত এলাকায় এখন পর্যন্ত যে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে তা চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল। বন্যা ওদের পিছু নিয়েছে। বন্যায় সবকিছু গিলে খেয়েছে। ঘরে চাল, ভাত, পানি কিছুই নেই।  নেই জিনিষ  ছাড়া আছে জিনিষ বলতে কিছুই নেই। শুধুই নেই আর নেই। চারদিকে আছে শুধু হাহাকার। দফায় দফায় বন্যায় হাওর পারের মানুষগুলো নিঃস্ব।

মৌলভীবাজার জেলার হাওর পারের মানুষের করুণ চিত্র।  হাকালুকি হাওর পারের শাহপুর, সাদিপুর, মিরশংকর, মহেশঘরি, ভূকশিমুল, বেলাগাঁও, জাঙ্গিরাই, ইউসুফ নগর, নয়াগ্রাম ও বাছিরপুর  গ্রামের মানুষগুলো হয়ে পড়েছে নির্বিকার। বন্যা ওদের মায়ার বন্ধনে আবদ্ধ করে রেখেছে। ওদের পিছু ছাড়ছে না বন্যা।

হাওর পারের মানুষদের সাথে কথা হলে অনেকেই তাদের দুর্ভোগের কথাগুলো তুলে ধরেন। কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানালেন তাদের চরম অসহায়ত্বের কথা। বোরো ধান হারানোর পর থেকে এবছর কিভাবে একের পর এক বন্যায় তাদের সব কেড়ে নিয়েছে। সব হারিয়ে কিভাবে তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। ৩য় দফার এই বন্যা প্রায় মাস দিন। কিন্তু পানি কমার কোনো লক্ষণই নেই। উজানের পাহাড়ি ঢল আর টানা ভারি বৃষ্টি অব্যাহত থাকায় দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে বন্যা।

হাকালুকি হাওর পারের বাসিন্দারা জানান, দিনে পানি কিছু কমতে দেখা গেলে রাতের বৃষ্টিতে আবার যেই সেই। কিছু কিছু এলাকায় পানি কমলেও নিচু এলাকায় পানি আগের মতোই রয়েছে। আবহাওয়ার অবস্থাও বেশ ভালো নয়। এ অবস্থায় বন্যার কিছুটা উন্নতি হলে, বৃষ্টির কারণে আবারো অবনতি হচ্ছে। হাকালুকি হাওর পারের ৩ উপজেলার বন্যার পানি আগের মতোই রয়েছে।

জেলার কুলাউড়া, জুড়ী ও বড়লেখার প্রায় ২৫টি ইউনিয়নের দুই শতাধিক গ্রামের রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাটবাজার, ঘরবাড়ি, মসজিদ-মন্দির পানির নিচে রয়েছে। প্রায় ৩ লক্ষাধিক মানুষ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। বেলাগাঁও এলাকায় গেলে দেখা যায় রাস্তায় বুক পানি। এবং অনেক বাড়ি পানির নিচে রয়েছে।

ঘরবাড়ি বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় মানুষের কষ্টের শেষ নেই। বন্যার কারণে যেমন তাদের বাড়িঘর পানিতে তলিয়ে গেছে, তেমনি রান্নাঘর, টিউবওয়েল আর টয়লেটও পানিতে তলিয়ে গেছে। হাকালুকি হাওর পারের মানুষগুলো চৈত্রের ভয়াবহ অকাল বন্যার ধকল সামলে ওঠার আগেই পর পর বন্যা। এভাবে বন্যার কারণে তারা একের পর এক সব কিছুই হারিয়েছেন। আর এ বন্যায় তাদের শেষ আশ্রয়স্থল বাড়িঘরও পানিতে তলিয়ে গেছে।

এখন হাকালুকি হাওরের চারদিকে শুধু থৈ থৈ পানি আর পানি। যাদের ঘরবাড়ি পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন। সেখানেও ভালো নেই তারা। তাদের সঙ্গী হয়েছে নানা সমস্যা। হাওর পারের কৃষক ও মৎস্যজীবীদের কাজ না থাকায় নেই আয় রোজগারও। তাই পরিবার পরিজন নিয়ে তারা এখন অর্ধাহারে-অনাহারে দিন কাটাচ্ছেন। চরম অসহায় আবস্থায় পড়েছে হাওর পারের মানুষগুলো।

মানুষের মতো অসহায় ওই এলাকার গৃহপালিত পশুগুলোও। খাদ্য আর বাসস্থান হারিয়ে তারাও পড়েছে চরম সংকটে। খাদ্যহীন, গৃহহীন মানুষগুলোর দুর্ভোগ আর মানবেতর জীবনযাপন এখন তাদের নিত্যসঙ্গী। বন্যায় অসহায় মানুষগুলো রাত পোহালেই ত্রাণের আশায় পথের পানে চেয়ে থাকেন জীবন বাঁচাতে ও পেটের দায়ে। কিন্তু তারা হতাশ। কারণ তারা দুর্দিনে পাচ্ছেন না আশানুরূপ সাহায্য। সরকারি তরফে যে সহযোগিতাগুলো আসছে তা যেমন পর্যাপ্ত নয়। তেমনি যে বরাদ্দগুলো আসছে তাও পুরোপুরি ভাবে পৌঁছাচ্ছে না তাদের হাতে।

এখন পর্যন্ত জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অনেকটা অপরিবর্তিত রয়েছে। ফলে  জেলার হাকালুকি ও কাউয়াদিঘি হাওর পারের কুলাউড়া, জুড়ী, বড়লেখা, রাজনগর ও মৌলভীবাজার এই পাঁচটি উপজেলার প্রায় তিন লক্ষাধিক মানুষ এখনো পানিবন্দি। কুশিয়ারা নদী, হাকালুকি, কাউয়াদীঘি ও হাইল হাওরে পানি বৃদ্ধির কারণে জেলার ৫টি উপজেলার প্রায় ৩০টি ইউনিয়নে বন্যা স্থায়ী রূপ নিয়েছে। বন্যার পানি কিছুটা কমলেও তা স্থির থাকছে না। প্রতিদিনই বৃষ্টি হওয়ায় তা আগের অবস্থায় চলে আসছে।

জানা যায়, জেলার ৩০টি ইউনিয়ন বন্যাকবলিত হয়েছে। এতে প্রায় ২ লক্ষ ৭০ হাজার মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। এ পর্যন্ত ৩০টি আশ্রয়কেন্দ্রে ঠাঁই নিয়েছেন প্রায় সাড়ে ৫ শতাধিক পরিবার। এছাড়া ২ শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্যাকবলিত থাকায় পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তলিয়ে গেছে কয়েক শতাধিক মৎস্য খামার। বন্যায় মৌসুমি সবজি, আউশ ও রোপা আমনেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। তবে সবাই আশা প্রকাশ করেন আবহাওয়া ভালো হলে, বৃষ্টি থামলে বন্যার পানি কমতে শুরু করবে।