Saturday 25th of November 2017 04:22:15 AM

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৫জুলাই,ডেস্ক নিউজঃ ফরহাদ মজহারের বিষয়টা খতিয়ে দেখছি বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, “ফরহাদ মজহার কীভাবে গেলেন, কী নিয়ে বের হয়েছেন, তার সবই আমরা খতিয়ে দেখছি।”
বুধবার দুপুরে গাজীপুরের টঙ্গী মডেল থানার নতুন ভবনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন মন্ত্রী।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, “পুলিশ বাহিনী ফরহাদ মজহারের মোবাইলফোন নজরদারি করার মাধ্যমে তাকে শনাক্ত করে উদ্ধার করে। পরে তাকে আদালতে নেয়া হয় তার জবানবন্দি নেয়ার জন্য। এ বিষয়ে একটি মামলা হয়েছে। মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দ্রুতই প্রকাশ করা হবে।”

এ সময় মন্ত্রীর সঙ্গে সংসদ সদস্য জাহিদ আহসান রাসেল, মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি আজমত উল্লা খান, জেলা প্রশাসক দেওয়ান মোহাম্মদ হুমায়ুন কবীর, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন অর রশীদসহ পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
দৃষ্টি সরাতেই মজহারকে অপহরণ: ফখরুল
সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর রায়ের বিষয় থেকে দৃষ্টি সরাতেই কবি ও প্রাবন্ধিক ফরহাদ মজহারের অপহরণের ঘটনা ঘটিয়েছে সরকার বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
বুধবার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ফখরুল এ মন্তব্য করেন।
ফখরুল বলেন, “ফরহাদ সাহেবের ব্যাপারটা নিয়ে যেটা চলছে, এ রায়টা হলো ষোড়শ সংশোধনীর। তার পরেই কিন্তু ঘটনাটা ঘটল। অর্থাৎ ডাইভারশনটা (মোড়) এটা অনেকটা, এটা হচ্ছে আমাদের স্পেকুলেশনস (জল্পনা)।”
সাংবাদিকদের তিনি বলেন, “আপনারা যদি না করে থাকেন, জড়িত না থাকেন, সত্যটা বের করেন।”
এক সাংবাদিকের আরেক প্রশ্নের জবাবে বিএনপির মহাসচিব বলেন, “কী করবে ভাই? আর বাকি রেখেছে কী? এখন শুধু জানটা নিয়ে নেয়া বাকি। এই তো।”
ফখরুল বলেন, “৮৬টা মামলা, আপনার ৩৬টা মামলায় চার্জশিট হয়ে গেছে। আপনার মামলায় প্রতিদিন যেতে হয়। আমার নেত্রীকে, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে আজকে প্রতি সপ্তাহে আপনার কোর্টে যেতে হয়। কী অপরাধ তাঁর? কার কাছে বলব? কোথায় যাব?”
ফরহাদ মজহার অপহরণ মামলা ডিবিতে
বিশিষ্টি কবি, প্রাবন্ধিক ও রাজনৈতিক ভাষ্যকার ফরহাদ মজহারকে অপহরণের অভিযোগে করা মামলার তদন্ত করতে যাচ্ছে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়ার আদেশে মামলাটি বুধবার আদাবর থানা থেকে ডিবির কাছে হস্তান্তর করা হবে।
পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) বিপ্লব কুমার সরকার বুধবার দুপুরে বলেন, “ফরহাদ মজহারকে অপহরণের অভিযোগে হওয়া মামলাটি ডিবির কাছে হস্তান্তরের জন্য গতকাল মঙ্গলবার ডিএমপির কমিশনার মহোদয় আদেশ দিয়েছেন। মামলাটি ডিবির কাছে হস্তান্তরের জন্য তদন্ত কর্মকর্তাকে বলা হয়েছে।”
এদিকে, ফরহাদ মাজহারকে কারা-কিভাবে তুলে গিয়েছিল, সে প্রশ্নের কোনো উত্তর এখনো মেলেনি।
পুলিশ তাকে যশোর থেকে উদ্ধারের পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঢাকায় ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে আসে মঙ্গলবার সকালেই। সেখান থেকে নিয়ে যায় আদালতে।
সেখানে এই অপহরণ রহস্যের ব্যাপারে তার একটি জবানবন্দী নেয়া হয়। এরপর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তিনি বাড়ি ফিরে গেছেন। নতুন বার্তা

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৫জুলাই,মতিউর রহমান ও সানিউর সাজ্জাদ,নবীগঞ্জ থেকেঃনবীগঞ্জ পৌরসভার ২০১৭-১৮ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষনা করা হয়েছে।বুধবার সকালে পৌরসভার হল রুমে প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষনা ও সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ বাজেট ঘোষনা করেন করেন পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব ছাবির আহমদ চৌধুরী।
পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব ছাবির আহমদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও প্যানেল মেয়র-১ এটিএম সালামের পরিচালনায় এতে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, হবিগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক হবিগঞ্জের জনতার এক্সপ্রেসের সম্পাদক ফজলুর রহমান।

এতে উপস্থিত ছিলেন, দৈনিক হবিগঞ্জ সময় পত্রিকার সম্পাদক মোঃ আলা উদ্দিন, কাউন্সিলর সুন্দর আলী, কাউন্সিলর জাকির হোসেন, প্যানেল মেয়র-২ বাবুল দাশ, কাউন্সিলর কবির মিয়া, কাউন্সিলর প্রাণেশ দেব, সংরক্ষিত কাউন্সিলর ফারজানা আক্তার পারুল, রোকেয়া বেগম, সৈয়দা নাছিমা, পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী ভবি মজুমদার, হিসাব রক্ষক জালাল উদ্দিন আহমদ, সচিব আজম হোসেন। অনুষ্টান শুরতেই পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন, মাওলানা আব্দুর রকিব হক্কানি ও গীতা পাঠ করেন সুকেশ চক্রবর্তী।

প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষনা ও সংবাদ সম্মেলনে বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
উক্ত বাজেটে মোট আয় ধরা হয়েছে ৩৬ কোটি ৮৪ লক্ষ ৭৪ হাজার ৭শত ৯০ টাকা। মোট ব্যয় ৩৬কোটি ৬৮ লক্ষ ৮৪ হাজার ৫ শত টাকা। সার্বিক উদ্বৃত্ত ১৫ লক্ষ ৯০ হাজার ২ শত ৯০ টাকা।
এর মধ্যে মোট রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ৩ কোটি ৯১ লক্ষ ৭৪ হাজার ৭ শত ৯০ টাকা এবং ব্যয় ৩ কোটি ৭৬ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা। এ ছাড়া ও মোট উন্নয়ন আয় দেখানো হয়েছে ৩২ কোটি ৯৩ লক্ষ টাকা এবং উন্নয়ন ব্যয় দেখানো হয়েছে ৩২ কোটি ৯২ লক্ষ ২৪ হাজার ৫শত টাকা।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৫জুলাই,নাজমুল হক নাহিদ,আত্রাই (নওগাঁ) থেকেঃ কালের আবর্তে ক্রমেই হারিয়ে যাচ্ছে নওগাঁর আত্রাইয়ের ঐতিহ্যবাহী মৃৎ শিল্প। বহুমুখী সমস্যা আর পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে আজ সংকটের মুখে এ মৃৎ শিল্প। নওগাঁ জেলার ছোট যমুনা নদীর তীরবর্তী দাঁড়িয়ে থাকা ভবানীপুর পালপাড়া যেন শিল্পীর তুলিতে আকাঁ একটি স্বর্ণালী ছবি। আত্রাই উপজেলার রাইপুর, মিরাপুর, সাহেবগঞ্জ, বহলা, পাঁচুপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে অসংখ্য কুটিরের নয়নাভিরাম মৃৎ শিল্পীদের বাসস্থান। যা সহজেই যে কারোর মনকে পুলকিত করে। এক সময় এ গ্রামগুলো মৃৎ শিল্পের জন্য খুবই বিখ্যাত ছিল। বিজ্ঞানের জয়যাত্রা, প্রযুক্তির উন্নয়ন ও নতুন নতুন শিল্প সামগ্রীর প্রসারের কারণে এবং প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা ও অনুকূল বাজারের অভাবে এ শিল্প আজ বিলুপ্তির পথে। যা আমরা আত্রাইবাসী দিন দিন হারাতে বসেছি।
সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে জানা যায়, বাংলাদেশের বিভিন্ন অ লের মতো আত্রাই উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে নিয়োজিত মৃৎশিল্পিদের অধিকাংশ পাল সম্প্রদায়ের। প্রচীন কাল থেকে ধর্মীয় এবং আর্থ সামাজিক কারণে মৃৎশিল্পে শ্রেণীভ’ক্ত সমাজের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। পরবর্তী সময়ে অন্য সম্প্রদায়ের লোকেরা মৃৎশিল্পকে পেশা হিসেবে গ্রহন করে। বর্তমান বাজারে এখন আর আগের মতো মাটির জিনিস পত্রের চাহিদা না থাকায় এর স্থান দখল করে নিয়েছে দস্তা, অ্যালুমিনিয়াম ও প্লাষ্টিকের তৈজসপত্র। ফলে বিক্রেতারা মাটির জিনিসপত্র আগের মতো আগ্রহের সাথে নিচ্ছেনা। তাদের চাহিদা নির্ভর করে ক্রেতাদের ওপর। কিন্তু উপজেলার অঁজ পাড়াগাঁ পর্যন্ত এখন আর মাটির হাড়ি পাতিল তেমনটা চোখে পড়ে না। সে কারণে অনেক পুরোনো শিল্পিরাও পেশা বদল করতে বাধ্য হচ্ছে। যুগের পরিবর্তনের সাথে সাথে মাটির জিনিসপত্র তার পুরোনো ঐতিহ্য হারিয়ে ফেলেছে।

ফলে এ পেশায় যারা জড়িত এবং যাদের জীবিকার একমাত্র অবলম্বন মৃৎশিল্প তাদের জীবন যাপন একেবারেই কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। দুঃখ কষ্টের মাঝে দিন কাটলেও আত্রাইয়ের মৃৎশিল্পীরা এখনও স্বপ্ন দেখেন। কোন একদিন আবারও কদর বাড়বে মাটির পণ্যের। সেদিন হয়তো আবারো তাদের পরিবারে ফিরে আসবে সুখ-শান্তি। আর সেই সুদিনের অপেক্ষায় আজও দিন-রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তারা।
এ ব্যাপারে উপজেলার ভবানীপুর পালপাড়া গ্রামের শ্রী দেবেন্দ্রনাথ পাল বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে নদী-খাল ভরাট হয়ে যাওয়ায় এখন মাটি সংগ্রহে অনেক খরচ করতে হয় তাদের। এ ছাড়াও জ¦ালানির মূল্য বেড়ে যাওয়ায় উৎপাদন ও বিক্রির সঙ্গে মিল না থাকায় প্রতিনিয়ত লোকসান গুনতে হচ্ছে তাদের।
এ ব্যাপারে আত্রাই মোল্লা আজাদ মেমোরিয়াল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সমাজ কর্ম বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ লোকমান হোসেন মৃৎশিল্পের চলমান অবস্থা সম্পর্কে বলেন, মৃৎশিল্প আমাদের ঐতিহ্য, সরকার কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পোদ্যোক্তাদের ঋণসুবিধা প্রদান করে। এ ছাড়া বিভিন্ন এনজিও এসব শিল্পে ঋণসুবিধা দিয়ে আসছে। দেশের ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প বেঁচে থাকুক সরকার তা চায়।
এ বিষয়ে ১নং শাহাগোলা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মোঃ শফিকুল ইসলাম বাবু বলেন, আধুনিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিল্পকর্মে প্রশিক্ষিত করে মৃৎশিল্পের সমোপযোগী জিনিসপত্র তৈরিতে এবং বিদেশে এ পণ্যের বাজার সৃষ্টিতে জরুরি পদক্ষেপ প্রয়োজন। এদিকে উপজেলার সচেতন মহল ও বিশিষ্টজনেরা মনেকরছেন মৃৎশিল্পকে বাঁচিয়ে রাখতে এর বাজার সৃষ্টি এবং প্রয়োজনীয় পৃষ্ঠপোষকতা খুবই জরুরি।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৫জুলাই,নবীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ নবীগঞ্জের কায়স্থগ্রামে সাবেক ইউপি সদস্য জাহির আলীকে জড়িয়ে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ ও শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত অভিযোগটি সামাজিক ভাবে সালিশে নিষ্পত্তি হয়েছে। এ ঘটনাটি নিষ্পত্তির লক্ষ্যে গতকাল মঙ্গলবার সকালে দৈনিক মানবজমিন পত্রিকার প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরীর নিজ বাড়িতে এক সালিশ বৈঠক বসে।

এতে দৈনিক মানবজমিনের সম্পাদকের সহদোর মুহিবুর রহমান চৌধুরী হান্নানের সভাপতিত্বে অবসরপ্রাপ্ত বিডিআর কর্মকর্তা কলিম আহমদসহ অত্র এলাকার অনেক বিশিষ্ট মুরুব্বিয়ান উপস্থিত ছিলেন।
এলাকাবাসী জানান, একটি মেমরী কার্ড নিয়ে গত কয়েক দিন পুর্বে কায়স্থগ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য জাহির আলীর নাতি পারভেজ আহমেদ ও একই গ্রামের অামির মিয়ার ছেলে পারভেজ মিয়ার মধ্যে হাতাহাতি ও মারপিঠের ঘটনা ঘঠে। তবে তারা দুপক্ষই একে অপরের আত্মীয়।

তারা জানান, শিশু বাচ্চাদের একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কায়স্থগ্রামে নানার বাড়িতে বসবাসকারী ছনি চৌধুরী নামের এক ছেলে সাংবাদিকদের ভূল ও বিভ্রান্তিকর তথ্য এবং একটি ভূয়া ভিডিও ক্লিপ পাঠিয়ে দেয়। ছনির দেওয়া তথ্যে কয়েকজন সাংবাদিক জাতীয় ও স্থানীয় কয়েকটি পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করেন। এমনকি ছনির নামেও একটি অনলাইন নিউজ পোর্টালে ‘মিথ্যা সংবাদ’ প্রকাশ হয় বলে অভিযোগ উঠে। এরপর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করে। নির্যাতনের শিকার দাবীদার পারভেজের পরিবার শিশু নির্যাতনের অভিযোগ তুলে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি নেন।

অপর দিকে ভূয়া তথ্য প্রচারের অভিযোগ তুলে এলাকাবাসী কথিপয় ছনির বিরুদ্ধে ক্ষিপ্ত হন। এ অবস্থায় দৈনিক মানবজমিনের সম্পাদকের সহদোর মুহিবুর রহমান চৌধুরী হান্নান ও অবসরপ্রাপ্ত বিডিআর কলিম আহমদের হস্তক্ষেপে বিষয়টি আপোষে সমাধানের লক্ষে সালিশ বৈঠকে বসা হয়। বিষয়টি উভয় পক্ষের মুরব্বীদের আন্তরিকতায় স্থানীয় মুরব্বী ও সালিশ ব্যক্তিত্বদের সমন্বয়ে সালিশের সুষ্ট নিষ্পত্তি হয়েছে। এবং ছনি চৌধুরী প্রকাশে ক্ষমা প্রার্থী হলে তাকে ক্ষমা করে দেওয়া হয়।
অপর দিকে, যেহেতু বিষয়টি আপোষে নিষ্পত্তি হয়েছে তাই আইনিভাবে কোন পদক্ষেপ না নেওয়ার জন্য আইনশৃংখা বাহিনীর প্রতি আহবান জানান সালিশে উপস্থিত মুরুব্বিয়ান।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৫জুলাই,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ   সদ্য মন্ত্রিপরিষদে অনুমোদিত অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা নিয়ে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু’র সাথে মতবিনিময় করেছেন বাংলাদেশ অনলাইন নিউজ পোর্টাল এসোসিয়েশন (বনপা)’র প্রতিনিধিবৃন্দ।

মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে তথ্যমন্ত্রীর দপ্তরে আলোচনাকালে সংগঠনের সভাপতি সুভাষ সাহা ও মহাসচিব এএইচএম তারেক চৌধুরী বিশ্বের প্রথম অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা প্রণীত হওয়ায় তথ্যমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান ও নীতিমালাটি সবার জন্য উন্মুক্ত করতে দ্রুত গেজেট  আকারে প্রকাশের অনুরোধ করেন। অনলাইন নিউজ পোর্টাল গুলোর সাংবাদিকদের জন্য সরকারি পরিচয়পত্র দেবার দাবি তুলে ধরে এসময় মন্ত্রীকে একটি পত্রও হস্তান্তর করেন তারা।

অনলাইন গণমাধ্যম নীতিমালা প্রণয়ণ কালে সক্রিয় ভূমিকা পালনের জন্য ‘বিওএনপিএ’সহ সকল অংশীজনকে ধন্যবাদ জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুত ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার পথে এটি একটি বিরাট অগ্রগতি। তাৎণিকভাবে খবর সকলের কাছে পৌছুঁতে অনলাইন সংবাদ পোর্টালগুলোর ভূমিকা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।’

সংবাদ পরিবেশনে বস্তুনিষ্ঠতা বজায় রাখার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্বারোপ করে হাসানুল হক ইনু আলোচনায় উত্থাপিত দাবিগুলো দ্রুত পর্যালোচনার আশ্বাস দেন। বাংলাদেশ অনলাইন নিউজ পোর্টাল এসোসিয়েশনের সদস্যদের মধ্যে বি এইচ বেলাল, মিজানুর রহমান, নাজমুল হাসান, আ হ ম ফয়সল ও কামরুজ্জামান মতবিনিময়ে অংশ নেন।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৫জুলাই,বেনা‌পোল প্রতিনিধিঃ    যশোরের বেনাপোল থেকে ৯লক্ষ হুন্ডির টাকাসহ আজগর আলী (৫৫) নামে একজন পাচারকারীকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা। বেনাপোল পোর্ট থানার চেকপোস্ট এলাকার সাদীপুর মোড় থেকে মঙ্গলবার সকালে তাকে আটক করা হয়। আজগর পুটখালী গ্রামের শাহাদাৎ হোসেনের ছেলে।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)’র ৪৯ বেনাপোল আইসিপি ক্যাম্প কমান্ডার সুবেদার আবুল ওয়াহাব জানান, গোপন খবরে জানতে পারি একজন পাচারকারী প্রচুর পরিমাণে বাংলাদেশি টাকা পুটখালীর বিপরীতে ভারতের আংরাইল সীমান্ত পার হয়ে বেনাপোল চেকপোস্টের একটি মানিচেঞ্জারে নিয়ে যাবে।

এ সময় বিজিবি সদস্যরা অভিযান চালিয়ে একটি বাজার করা ব্যাগসহ আজগরকে আটক করে ক্যাম্পে নিয়ে আসা হয়। পরে ওই ব্যাগ তল্লাশি করে ৯লক্ষ হুন্ডির টাকা উদ্ধার করে। আটক আজগারকে বেনাপোল পোর্ট থানায় ও উদ্ধার টাকা বেনাপোল কাস্টমসে জমা দেওয়া হয়েছে।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৫জুলাই,বেনা‌পোল প্রতিনিধিঃ চারদিনের সীমান্ত সম্মেলনে যোগ দিতে বিজিবি ২৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় গেছেন। মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে বিজিবি’র উচ্চ পর্যায়ের এ দলটি ভারতে প্রবেশ করে।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)’র যশোর ৪৯ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আরিফুল হক জানান, মঙ্গলবার শুরু হয়ে আগামী শুক্রবার পর্যন্ত এ সম্মেলন চলবে।
বিজিবির প্রতিনিধি দলটি বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে নো-ম্যান্সল্যান্ডে পৌঁছলে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)’র কর্মকর্তারা তাদের ফুল দিয়ে তাদের শুভেচ্ছা জানান। পরে কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনির মধ্য দিয়ে তাদের কলকাতা নিয়ে যাওয়া হয়।
কর্নেল আরিফুল বলেন, সীমান্তে বাংলাদেশি গুলি করে হত্যা, আটক, দু’দেশের সীমান্ত পথে অস্ত্র ও মাদক চোরাচালান, অবৈধ ভাবে পরাপারসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সম্মেলনে আলোচনা হবে। এছাড়া দু’দেশের সীমান্তে যৌথ টহলসহ উভয় বাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক আস্থা বাড়ানোর উপায়ের বিষয়গুলো আলোচনায় স্থান পাবে বলে জানান তিনি।
বিজিবি’র অতিরিক্ত মহাপরিচালক শাহরিয়ার আহমেদ চৌধুরীর নের্তৃত্বে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলে রয়েছেন দক্ষিণ-পশ্চিম রিজিয়ন, যশোর এবং উত্তর-পশ্চিম রিজিয়ন রংপুরের রিজিয়ন কমান্ডার, উভয় রিজিয়নের সংশ্লিষ্ট সেক্টর কমান্ডারগন, স্টাফ অফিসার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর, যৌথ নদী কমিশন এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। সম্মেলন শেষে আগামী ৭ জুলাই প্রতিনিধি দলটি বাংলাদেশে ফিরবেন বলে আরিফুল হক জানান।

“ছাতক প্রেসক্লাবের ঈদ পূনর্মিলনীতে হলুদ সাংবাদিকতার নিন্দায় নেতৃবৃন্দ”

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৫জুলাই,চান মিয়া,ছাতক (সুনামগঞ্জ):ছাতক প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত ঈদ পূনর্মিলনী সভায় হলুদ সাংবাদিকতার ব্যাপক বৃদ্ধির ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।

সোমবার প্রেসক্লাবের রোকেয়া ম্যানশনস্থ কার্যালয়ে প্রেসক্লাব সভাপতি আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিন তালুকদারের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন রনির পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন, সিনিয়র সহ-সভাপতি চান মিয়া, যুগ্ম সম্পাদক আমিনুল ইসলম হিরন, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজি রেজাউল করিম রেজা, কোষাধ্যক্ষ আতিকুর রহমান মাহমুদ, ক্রিড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক কামরুল হাসান সবুজ, সাংবাদিক নাজমুল ইসলাম, হেলাল আহমদ, কেএম মোশাহিদ আলী, মাহবুব আলম, ছদরুল আমিন, জুনেদ আহমদ রুনু, আহমেদ সফির, আজহার আলম প্রমূখ।

সভায় ছাতকে হলুদ সাংবাদিকতার ব্যাপক বৃদ্ধির ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বক্তারা বলেন, সাম্প্রতিককালে সাংবাদিকতার নামে অফিস আদালতসহ সর্বত্র কতিপয় চাটুকারদের অপতৎপরতা আশংকাজনকহারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এরা পবিত্র রমজান মাসেও ইফতার মাহফিল আয়োজনের নামে উপজেলার বিভিন্ন চেয়ারম্যান, কর্মকর্তা, ব্যবসায়িসহ সর্বত্র ব্যাপক চাঁদাবাজির রামরাজত্ব কায়েম করে। এতে সচেতন মহলসহ সাধারণ জনমনে প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। সাংবাদিকতার মতো একটি সৎসাহসি ও প্রতিবাদি মহৎ পেশায় জড়িতদের চাটুকারিতা মানায়না। সম্প্রতি প্রেসক্লাবের নামে একটি কমিউনিটি সেন্টারে আয়োজিত কথিত ইফতার মাহফিলের অনুষ্ঠানস্থলে একই রাজনৈতিক দলের গ্রুপ ভিত্তিক ও বিভিন্ন দলের নেতৃবৃন্দের পেছনে পৃথক পৃথক ব্যানার দিয়ে চাটুকারিতার সকল রেকর্ড ভঙ্গ করেছে। প্রেসক্লাবের সাইন বোর্ড ব্যবহার করে ব্যক্তিগতভাবে লাভবান হওয়ার অসৎ উদ্দেশ্য থেকে বিরত থাকার জন্যে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানান তারা।

এসময় প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দ যে কোন হলুদ সাংবাদিকতার বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলতে সচেতন ছাতক বাসিকে এগিয়ে আসার অনুরুধ করেন।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৫জুলাই,মোহাম্মদ জুমান হোসেনঃযুক্তরাজ্যে বসবাসরত সিলেট শহরের বৃহত্তর কাজিটুলার প্রবাসীদের এক সভা অনুষ্ঠিত হয়। গত ৩ জুলাই সোমবার বিকেলে পূর্ব লন্ডনের স্থানীয় এক রেষ্টুরেন্টে বৃহত্তর কাজিটুলা প্রবাসী ইউকের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন হিরক চৌধুরী। সামসুদ্দিন বাবলুর পরিচালনায় সভায় সর্বসম্মতিক্রমে আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়। শাহরীন ইসলামকে আহবায়ক এবং মীর জসিম উদ্দিন জিলহাদকে সদস্য সচিব করে ৪৯ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়।

সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আর এ চৌধুরী, মোঃ ফয়সল আহমদ, এনামুল হক, আফসর আহমদ,এলিছ খাঁন,শাহ জামাল হোসেনটিপু ,সোহেল আহমদ, শাহ কামাল হোসেন দিপু, সুজাদ আহমদ, আমিনুল হক মাসুম, মোঃ আশরাফুর রহমান, ওয়াহিদুর রহমান নাবেদ, ওমর শরীফ বাদশা, মোঃ আমিন খছরু ইমন, মনসুর আহমদ রুবেল, মোস্তাক আহমদ চৌধুরী, রাজিব আহমদ, মীর জসিম উদ্দিন জিলহাদ, আব্দুস ছালিম জাদীদ, মোঃ আতিকুর রহমান আতিক, আশরাফ আহমদ টিপু, হাসনাত আবুল কালাম, মীর জামাল উদ্দিন জালেক, নুরুল ইসলাম, আব্দুল হামিদ সামাদ, বুলবুল আহমদ ,লাহিন আহমদ, আজিজুল আম্বিয়া সজিব, মিলাদ আহমদ, আবুল হায়াত মাসুম, ইকবাল আহমদ, শাকিল আহমদ ,শাহ নজরুল হোসেন শিপু , সজিব আহমদ প্রমুখ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আতিকুর রহমান চৌধুরী পাপ্পু, তোফায়েল বাছিত তপু, আব্দুর রাজ্জাক রোকন, মোহনুজ্জামান চৌধুরী, জাবেদ কাদির, জাবেদ আহমদ, নাসিম আহমদ প্রমুখ।
আহবায়ক কমিটি আহবায়ক শাহরীন ইসলাম, যুগ্ম আহবায়ক এনামুল হক, আফসর আহমদ, সামসুদ্দিন বাবলু, মোঃ আশরাফুর রহমান, মনসুর আহমদ রুবেল, মোস্তাক আহমদ চৌধুরী, সদস্য সচিব মীর জসিম উদ্দিন জিলহাদ, সদস্যরা হলেন আর এ চৌধুরী, মোঃ ফয়সল আহমদ, সোহেল আহমদ, শাহ কামাল হোসেন দিপু, সুজাদ আহমদ, আমিনুল হক মাসুম, মোঃ আশরাফুর রহমান, ওয়াহিদুর রহমান নাবেদ, ওমর শরীফ বাদশা, মোঃ আমিন খছরু ইমন, আব্দুল জব্বার খান পাপ্পা, রাজিব আহমদ, মীর জসিম উদ্দিন জিলহাদ, আব্দুস ছালিম জাদীদ, মোঃ আতিকুর রহমান আতিক, আশরাফ আহমদ টিপু, হাসনাত আবুল কালাম, মীর জামাল উদ্দিন জালেক, নুরুল ইসলাম, আব্দুল হামিদ সামাদ, লাহিন আহমদ, আজিজুল আম্বিয়া সজিব, মিলাদ আহমদ, আবুল হায়াত মাসুম, ইকবাল আহমদ, সজিব আহমদ, নুর আহমদ ফয়সল, নিজাম উদ্দিন ফরহাদ, আরিফ আহমদ জাবেদ, রুম্মান আহমদ।