Saturday 25th of November 2017 09:42:26 AM

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩জুলাই,কমলগঞ্জ প্রতিনিধিঃ মৌলবীবাজারের কমলগঞ্জ পৌর এলাকায় সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের মাঝে জি আর এর চাল বিতরন করা হয়েছে। সোমবার (৩জুলাই) বেলা ১২ টায় কমলগঞ্জ পৌরসভা প্রাঙ্গনে মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক তোফায়েল ইসলাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে চাল বিতরন কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন।

কমলগঞ্জ পৌর মেয়র জুয়েল আহমেদ এর সভাপতিত্বে ও কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন এর স ালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহমুদুল হক।

অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কমলগঞ্জ প্রেসক্লাব সভাপতি এম.এ ওয়াহিদ রুলু। অনুষ্ঠানে প্রায় ২৫০ শতাধিক কৃষকের মধ্যে চাল বিতরন করা হয়।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩জুলাই,সদেরা সুজন,সিবিএনএ কানাডা থেকেঃ কানাডার ১৫০তম শুভ জন্মদিনে কানাডার বিভিন্ন প্রভিন্সের শহরে শহরে মূলধারার সঙ্গে প্রবাসীদের অংশগ্রহণ ছিলো দেখার মতো। মন্ট্রিয়ল, টরন্টো, অটোয়া, ভেঙ্কোবার, মেনিটোবা, সাচকাচুয়ানসহ বিভিন্ন শহরে কানাডার ১৫০তম শুভ জন্মদিন আনন্দ উল্লাসে পালন করেছে। মূলধারার সঙ্গে সম্পৃক্ত নতুন মাত্রা। অন্যান্য বছর শুধু খয়েকটা শহরে প্রবাসীরা অংশগ্রহণ করলেও এবছর ব্যাপকভাবে অংশগ্রহণ করেছে।

 পহেলা জুলাই কানাডা দিবসে বিগত বছরের মত কানাডার রাজধানী অটোয়ায় ‘বাংলা ক্যারাভান’ বিপুল উতসব-আমেজে পালন করে কানাডার ১৫০ তম জন্মদিবস। বাঙালির ঐতিহ্যবাহী ঢোল, মৃদঙ্গ, শিঙ্গা, দুমুরু ইত্যাদি বাদনযন্ত্র সহযোগে পোষ্টার-ফেস্টুন ও বাংগালির চিরাচরিত মঙ্গল-শোভাযাত্রা ধারণ করে বিপুল সংখ্যক বাঙালি অটোয়ার রাজপথে বর্ণাঢ্যে র‌্যেলিতে অংশগ্রহণ করেন। এতে অংশগ্রহণ করেন অটোয়া -ভেনিয়ার এম পি পি নাটালি দেজ রোসিয়ার্স, বাংলাদেশ হাইকমিশন প্রতিনিধি দেওয়ান মাহমুদ প্রমুখ ।

আমরা পরীজায়ী বাঙ্গালির ধাত্রীভূমি আর  এদেশে জন্মনেয়া আমাদের নতুন প্রজন্মের গরিয়সী জন্মভূমি এই কানাডার জন্মদিবসে বহুজাতিক সংস্কৃতির মিছিলে প্রবাসী বাঙ্গালির আনন্দঘন  অংশগ্রহণ বিপুল গৌরবের বাঙ্গালিপনায় মশগুল করে রাখে বহুজাতিক সংস্কৃতির কানাডার জন্মদিবসের  উৎসবকেন্দ্র অটোয়ার পার্লা্মেন্ট চত্বর। ‘বাংলা ক্যারাভান” রাজধানী অটোয়ায় নৃ্তাত্ত্বিক বাঙালির আত্মপরিচয় নির্মাণের বাতিঘর  হিসেবে বাংলাদেশ, পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, আসাম-যে অঞ্চল থেকেই আসা হোক না কেন নৃ্তাত্তিক জাতিসত্বায় সবাই এখন ক্যানাডিয়ান বাঙালি বা অন্যনামে বিশ্ববাঙালি –এই সত্যটাই প্রমাণ করে। ভাষা, সংস্কৃতি, আচার, লোকাচারে  সকলেই একই সুতোয় গাঁথা। এই দেশে  ঐতিহ্যময় বাঙালি সংস্কৃতি ও কৃষ্টির যথাসম্ভব আয়োজন নিয়ে বাংলা ক্যারাভান করে শোভাযাত্রা রাজধানী অটোয়ার রাজপথে।

এই শহরের অভিবাসী বাঙালি সমাজসহ যেসব বাঙালি আসেন অন্যান্য পাশ্ববর্তী শহরগুলো থেকে ক্যানাডা দিবসের মুলধারার জমকাল অনুষ্ঠানাদি উপভোগ  করতে, তাঁদের সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে বাংলা ক্যারাভান বাঙালির এই আনন্দ উৎসবের মঙ্গল শোভাযাত্রায়। গত বছরের সাফল্যময়তারই ধারাবাহিকতায় বাংলা ক্যারাভান নামের এই  অসাম্প্রদায়িক সংগঠনটি সকল বাঙালির কোলাহলে বা অংশগ্রহণে এবারের আয়োজনে যোগ করে বহুবিধ বর্ণিল মাত্রা। কানাডা দিবসে  এদেশের বহুধা সংস্কৃতির মূলধারায় বাঙালিরা এই বছরে যোগ করে বাঙালি সংস্কৃতি আর লোকমানসের গৌরবময় কিছু মহার্ঘ।

বাংলা ক্যারাভানের উদ্যোক্তারা আবেদন করেন, এই আনন্দের সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম এ শেয়ার করে আপনার পরিবার ও বন্ধুসভার সকলের কাছে পৌঁছে দিয়ে সকলের কিচিরমিচির অংশগ্রহণের সংবাদটি ঘরেঘরে পৌঁছে দিয়ে আগামী দিনে বাংলা ক্যারাভানের অমৃতযাত্রায় সহায়তা করতে। ‘বাংলা ক্যারাভান’ নৃতাত্ত্বিক বাঙালির প্রাণের মেলা, কানাডা দিবসের রেলিতে সকল প্রবাসীর সরব অংশগ্রহণ তুলে ধরে  গর্বিত সংস্কৃতি-কৃষ্টির ঐতিহ্য ধাত্রীভূমি কানাডার মূলধারায় তুলে ধরা হয়েছে তা কম কিসে!

১৫০তম কানাডার শুভ জন্মদিনে ম্যারাথন বৃষ্টির মধ্যেও মন্ট্রিয়লের প্যারেডে অংশগ্রহণ করে কানাডা-বাংলাদেশ সলিডারিটির সদস্যরা। বাংলাদেশের পতাকা, শরীরে লাল-সবুজের পতাকাখচিত টিশার্ট সালোয়ার-কামিজ পরে বাংলাদেশের গান গেয়ে আনন্দ উল্লাসে অংশগ্রহণ করেছে কানাডা দিবসের র‌্যালীতে। এছাড়া কানাডার অন্যান্য শহরেও প্রবাসীদের অংশগ্রহন ছিলো দেখার মতো।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩জুলাই,এম এম সামছুল ইসলাম,জুড়ী থেকেঃ টানা কয়েকদিনের অতিবৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ী ঢলের সৃষ্ট বন্যায়, উজানের পানি কিছুটা কমলেও নিম্না লে পানি প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলা ৮টি মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয়, ৬টি মাদ্রাসা, ২০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যাক্রম স্থগিত হয়ে পড়েছে।

উপজেলা মাধ্যমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, রোজা ও ঈদের ছুটি শেষে শনিবার (১ জুলাই) বিদ্যালয় খোলার প্রথম দিন ছিল। কিন্তু জুড়ী উপজেলার হাকালুকি হাওর পাড়ের ওই বিদ্যালয়গুলোতে পানি উঠায় শিক্ষা কার্যক্রম চালানো সম্ভব হচ্ছে না।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভিতরে ও চারপাশ পানিতে ডুবে আছে। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পক্ষে বিদ্যালয়ে যাতায়াত করা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ফলে ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে পড়েছে। উপজেলার মক্তদির বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, হাকালুকি উচ্চ বিদ্যালয়, জায়ফরনগর উচ্চ বিদ্যালয়, নিরোধ বিহারী উচ্চ বিদ্যালয়, কৃষ্ণনগর উচ্চ বিদ্যালয়, পাতিলা সাঙ্গন উচ্চ বিদ্যালয়, সোনামিয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও জীবনজ্যাতি উচ্চ বিদ্যালয় এবং শাহপুর দাখিল মাদ্রাসা, নয়াগ্রাম শিমূলতলা দাখিল মাদ্রাসা, জায়ফর নগর ইসলামীয়া মডেল মাদ্রাসা, জায়ফরনগর দাখিল মাদ্রাসা, এম এ মূছাওয়ীর দাখিল মাদ্রাসা ও শাহখাকী দাখিল মাদ্রাসা। ওই ৮টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ৬টি মাদ্রাসা বন্যায় প্লাম্বিত হয়েছে।

তন্মধ্যে হাকালুকি উচ্চ বিদ্যালয়, নিরোধ বিহারী উচ্চ বিদ্যালয়, জায়ফর নগর উচ্চ বিদ্যালয় ও নয়াগ্রাম শিমূলতলা দাখিল মাদ্রাসায় খোলা হয়েছে বন্যার্তদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র। মক্তদীর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি সভাপতি ইছহাক আলী বলেন, বিদ্যালয় বন্যায় প্লাম্বিত হওয়ায় শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে পড়েছে।

পার্শ্ববর্তী এলাকার রাস্তা-ঘাটও পানির নিচে। আমরা পানিবন্দী হয়ে আছি। পানি কমলে যথারীতি ক্লাস শুরু হবে। এদিকে ৬জুলাই থেকে জুড়ী উপজেলায় মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয়ের অর্ধবার্ষিকী ও প্রাক নির্বাচনী পরিক্ষা শুরু হওয়ার কথা। কিন্তু অকাল বন্যার কারনে সঠিক সময়ে পরীক্ষা শুরু করা কি সম্ভব হবে ? এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিবাবকেরা।

অপর দিকে জুড়ী উপজেলার তালতলা খাগটেকা, কালনীগড়, নয়াবাজার, বশিরপুর, হরিরামপুর, ভবানীপুর, উত্তর ভবানীপুর, কৃষ্ণনগর, ধামাই ই এ সি, দক্ষিন জাঙ্গিরাই উত্তর জাঙ্গিারাই, নয়াগ্রাম, ভোগতেরা, বেলাগাঁও, পূর্ব বেলাগাঁও, শাহাপুর, নিশ্চিন্তপুর, । ভূয়াই, দিগলবাগ ও মানিকসিংহ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো বন্যায় প্লাম্বিত হয়েছে।

তন্মধ্যে বেলাগাঁও, কালণীগড়, শাহাপুর ও কে.বি এহিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে খোলা হয়েছে আশ্রয়কেন্দ্র। জুড়ী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা রাজন কুমার শাহ বলেন, এখন পর্যন্ত ২০টি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্যায় প্লাবিত হয়েছে। চারটিতে আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। পানি কমলেই পাঠদান শুরু করা হবে।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩জুলাই,খালেদ আহমদ, বেলজিয়ামঃ আওয়ামী লীগের জন্মদিনে সংগঠনের দেশ বিদেশে অগণিত নেতা-কর্মী, সমর্থক ও শুভানুধ্যায়ীসহ সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে বেলজিয়াম আওয়ামী লীগ এর নেতৃবৃন্দ বলেন আওয়ামীলীগ বাংলাদেশের ক্ষমতায় আছে বলেই বাংলাদেশ দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। আওয়ামী লীগ জনগণকে সঙ্গে নিয়ে জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশে গড়ে চলছে। এ ধারা অব্যাহত রাখতে আগামী নির্বাচনে আওয়ামীলীগ কে বিজয়ী করতে প্রবাসীদের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

গত রবিবার ব্রাসেলসের এক অভিজাত হলরুমে আয়োজিত এ আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বেলজিয়াম আওয়ামী লীগ সভাপতি লতিফ শহিদুল হক ও অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর চৌধুরী রতন।

সর্ব ইউরোপিয়ান আওয়ামী লীগের সম্মানিত প্রচার সম্পাদক খোকন শরীফ ও বেলজিয়াম আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক নূরে আলম সিদ্দিকীর পিতার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে এক মিনিট নীরবতা পালন এর মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়।

এসময় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বেলজিয়াম বঙ্গবন্ধু পরিষদের সাবেক সভাপতি ড: ফারুক মির্জা, এসময় বক্তব্য রাখেন বাবু নিরঞ্জন রয় সহ সভাপতি বেলজিয়াম আওয়ামী লীগ, এম এম মোর্শেদ যুগ্ম সম্পাদক, বেলজিয়াম আওয়ামী লীগ,আক্তারুজ্জামান প্রচার সম্পাদক বেলজিয়াম আওয়ামী লীগ, নূরে আলম সিদ্দিকী দপ্তর সম্পাদক বেলজিয়াম আওয়ামী লীগ, ফিরোজ আহমদ বাবুল বঙ্গবন্ধু পরিষদ সভাপতি, খালেদ মিনহাজ সাধারণ সম্পাদক বেলজিয়াম যুব লীগ, কার্যকরী পরিষদ সদস্য রাইসুল ইসলাম রাসেল।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বেলজিয়াম আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি মোশাররফ হোসেন (বাবু), জামাল হোসেন মনির, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহির খান রফিকুল ইসলাম বাদশা,মফিজ, সোলতান, সাইফ, রানা, বাবু, লিটন সহ বেলজিয়াম আওয়ামী লীগ, যুব লীগ, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, ৭১ এর ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির বিভিন্ন স্থরের নেতা কর্মী এবং বেলজিয়ামের বাংলাদেশী কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ।

আলোচনা সভা শেষে কেক কেটে দলের জন্মদিন পালন করেন নেতাকর্মীরা।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩জুলাই,মিজানুর রহমান সৌদি আরব থেকেঃ মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবে বসবাসরত ও কর্মরত অবৈধ অভিবাসীদের সাধারণ ক্ষমার সময়সীমা আরো ৩০ দিন বাড়ানো হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে শ্রম আইন লঙ্ঘনকারীরা বিনা জরিমানায় সৌদি ছাড়তে পারবেন।  সৌদি রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা সৌদি প্রেস এজেন্সির (এসপিএ) বরাত দিয়ে আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
গত ১৯ মার্চ সৌদি আরবের সাবেক উপপ্রধানমন্ত্রী ও যুবরাজ মোহাম্মদ বিন নায়েফ ‘এ নেশন উইদাউট ভায়োলেশনস’ কর্মসূচির মাধ্যমে ৯০ দিনের রাজক্ষমার ঘোষণা দেন। এই ক্ষমার মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ৩০ জুন। কিন্তু তা কার্যকর না করে ২৫ জুন, রোববার থেকে পরবর্তী ৩০ দিন পর্যন্ত সময়সীমা বাড়িয়েছে।
সৌদির পাসপোর্ট অধিদপ্তরের প্রধান সুলাইমান বিন আবদুল আজিজ আল ইয়াহইয়া বলেন, সাধারণ ক্ষমার অধীনে এ বর্ধিত সময়ের সুবিধা সৌদিতে বসবাসকারী সব জাতিগোষ্ঠীর মানুষ পাবেন।
সৌদিতে অনুমতি ছাড়া বসবাস, ইকামা ছাড়া অবস্থান, সরকারি অনুমতি না নিয়ে কাজ এবং অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের নিজ দেশে ফেরাতে গত ২৯ মার্চ থেকে ৯০ দিনের রাজক্ষমা ঘোষণা করে সৌদি কর্তৃপক্ষ।  সৌদি আরবের আইন অনুযায়ী, অবৈধভাবে বসবাস বা কাজ করা কোনো বিদেশি নাগরিক আটক হলে, তাঁকে জরিমানা বা কারাদণ্ড অথবা উভয় শাস্তি পেতে হয়।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩জুলাই,শিমুল তরফদার,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ মৌলভীবাজারে সাধুহাটি গ্রামে ছয় বছরের একটি শিশু অপহরনের চারদিন পর পাশের বাড়ী থেকে মাটিচাপা দেওয়া অবস্থায় লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানায়, মৌলভীবাজার সদর উপজেলার সাধুহাটি গ্রামের ওমান প্রবাসী কয়েস মিয়ার ছয় বছরের শিশু পুত্র কামরান আহমদ তামিম গত ২৯ জুন সকালে বাড়ী থেকে নিখোঁজ হয়। এই দিন বিকেলে তামিমের মা শিল্পী বেগমের মোবাইল ফোনে অপরিচিত নাম্বার থেকে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপন চেয়ে ফোন আসে। এরপর গত ১লা জুলাই মৌলভীবাজার মডেল থানায় অপহরন মামলা করেন তামিমের পরিবার।

মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে আজ ভোর রাতে পুলিশ অভিযান চালায় একই গ্রামে নিহত তামিমের পাশের বাড়ীর আল আমিনের ঘরে। সেখানে ঘরের ভিতরে খাটের নীচে মাটি খুঁড়ে তামিমের লাশ উদ্ধার করা হয়।

এ সময় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে। মুক্তিপনের টাকা না পেয়ে তামিমকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করছে পুলিশ। শিশু তামিমের মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩জুলাইঃ   মৌলভীবাজার সাইক্লিং কমিউনিটির তিন সদস্য সৌরভ রায় শুভ,লিংকন দাশ রায় ও টিটু চন্দ্র দেব দেশের একপ্রান্ত পঞ্চগড় জেলার তেতুলিয়ার বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট থেকে কক্সবাজার জেলার টেকনাফ জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত বাইসাইকেল চালিয়ে ভ্রমণ করেছেন।সাইক্লিং এর ভাষায় এই ধরনের ভ্রমণকে ক্রসকান্ট্রি রাইড বলা হয়।
মৌলভীবাজার জেলা থেকে তারা সর্বপ্রথম কোনো সাইক্লিং সংগঠনের ব্যানারে ক্রসকান্ট্রি রাইড সম্পূর্ণ করলেন।
গত ২১শে জুন রাতে তারা মৌলভীবাজার থেকে বাসযোগে পঞ্চগড়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা করে,পরদিন বিকেলে বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট থেকে তারা বাইসাইকেল চালিয়ে ক্রসকান্ট্রি রাইড শুরু করে পর্যায়ক্রমে ঠাকুরগাও,দিনাজপুর,জয়পুরহাট,বগুড়া,সিরাজগঞ্জ,টাঙ্গাইল,ঢাকা,কুমিল্লা,ফেনী,চট্রগ্রাম সহ কয়েকটি জেলা ভ্রমণ শেষে ৩০শে জুন বিকেলে কক্সবাজারের টেকনাফ জিরো পয়েন্টে পৌছায়।
সৌরভ রায় শুভ,লিংকন দাশ রায় ও টিটু চন্দ্র দেবের সাথে মোবাইল ফোনে আলাপকালে তারা জানান,দেশের সাম্প্রতিক কিছু বড় সমস্যা যেমন সাম্প্রদায়িকতা,মাদক,যৌতুক,শিশু শ্রম,পরিবেশ দূষণ সহ বর্তমানে সম্মুখীন হওয়া কিছু সামাজিক ও জাতীয় সমস্যা বিরোধী শ্লোগানকে সামনে রেখে সাধারণ মানুষের মাঝে সচেতনতা সৃষ্টি ও সাইক্লিং এর প্রতি মানুষকে উৎসাহীত করার লক্ষ্যে তারা বাইসাইকেল চালিয়ে এই এক হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দেন।এই কার্যক্রমে যারা সর্বাত্মক সহযোগীতা করেছেন তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তারা।
এছাড়া,মৌলভীবাজার সাইক্লিং কমিউনিটির পক্ষ থেকে জানানো হয় যে এই ধরনের রাইডের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে তাদের আগামীতে আরো বড় কিছু করার পরিকল্পনা আছে এবং এই তিন সাইক্লিষ্ট মৌলভীবাজার ফিরলে তাদের কে অভ্যর্থনা ও সংবর্ধনার আয়োজন করা হবে।

 

“হাওর পাড়ের কুলাউড়া, জুড়ী ও বড়লেখা উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ।ব্যাহত হচ্ছে পাঠদান”

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩জুলাই,শিমুল তরফদারঃ  এশিয়ার বৃহত্তম হাওর হাকালুকি পাড়ে স্কুল, কলেজ ও মাদরাসাসহ শতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্যাকবলিত। ০১ জুলাই ঈদেও ছুটি শেষ হয়েছে। কিন্তু হাওর পাড়ের কুলাউড়া, জুড়ী ও বড়লেখা উপজেলার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ রয়েছে। এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষার্থীদের পাঠদান।

কুলাউড়া উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সুত্রে জানা যায়, বন্যা পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতিতে কুলাউড়া উপজেলার ৪২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। এরমধ্যে ভুকশিমইল ইউনিয়নে ১৩টি, কাদিপুর ইউনিয়নে ৬টি, জয়চন্ডী ইউনিয়নে ৬টি, রাউৎগাঁও ইউনিয়নে ৩টি, ভাটেরা ইউনিয়নে ৩টি, শরীফপুর ইউনিয়নে ৩টি, টিলাগাঁও ইউনিয়নে ২টি, কুলাউড়া পৌরসভায় ২টি এবং হাজীপুর, বরমচাল ও ব্রাহ্মণবাজার ইউনিয়নে একটি করে প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্যার কারণে বন্ধ রয়েছে।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ আনোয়ার জানান, বন্যার কারণে পৌরসভায় এলাকায় ইয়াকুব তাজুল মহিলা বিশ^বিদ্যালয় কলেজ, ছকাপন স্কুল এন্ড কলেজ, ভুকশিমইল স্কুল এন্ড কলেজ, নবীগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, সপ্তগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয় ও উত্তর কুলাউড়া উচ্চ বিদ্যালয় বন্ধ রয়েছে। এছাড়া মাধ্যমিক পর্যায়ে ভুকশিমইল আলিম মাদরাসা, গৌড়করণ দাখিল মাদরাসা ও গিয়াসনগর দাখিল মাদরাসায় পাঠদান বন্ধ রয়েছে।

বড়লেখা উপজেলার ৮৮ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্যায় আক্রান্ত হয়েছে। এরমধ্যে ৬৮ টি প্রাইমারী স্কুল, ১৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ২টি কলেজ ও ২টি মাদ্রাসা রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠান প্রধানরা কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে ১০ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করেছেন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সমীর কান্তি দেব জানান, আজ  সোমবার ঈদের ছুটি শেষে স্কুল, মাদ্রাসা ও কলেজ খুলছে। কিন্তু ১৫-২০ দিন ধরে ভারী বর্ষণে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকে। এতে হাকালুকি হাওর পাড়ের ২০টি প্রতিষ্ঠান তেিলয়ে গেছে। প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে হাকালুকি উচ্চ বিদ্যালয়, ছিদ্দেক আলী, উচ্চ বিদ্যালয়, কানসাই হাকালুকি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, পশ্চিম বর্নি, পাকশাইল আইডিয়েল, বর্নি আদর্শ, মাইজগ্রাম, ইটাউরি হাজী ইউনুছ মিয়া মেমোরিয়েল, হাজী শামছুল হক আদর্শ, ইউনাইটেড, ঈদগাহবাজার উচ্চ বিদ্যালয়সহ ১৮টি মাধ্যমিক স্কুল, সুজানগর পাথারিয়া কলেজ, এম. মুন্তাজিম আলী মহাবিদ্যালয়, ফকিরবাজার দাখিল মাদ্রাসা ও গল্লাসাঙ্গন দাখিল মাদ্রাসা। ৬ জুলাই থেকে অর্ধবার্ষিক পরীক্ষার রুটিন দেয়া হয়েছে। কিন্তু যেসব এলাকার রাস্তাঘাট ও স্কুল কলেজ বন্যায় নিমজ্জিত সেগুলোর নির্ধারিত পরীক্ষা স্থগিত রাখার চিন্তা ভাবনা চলছে। এব্যাপারে সোমবার জেলায় সভা অনুষ্ঠানের কথা রয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার জালাল উদ্দিন জানান, উপজেলার ৬৮ প্রাইমারী স্কুলে বন্যার পানি ঢুকেছে। এরমধ্যে ১৫টি স্কুলের শ্রেণীকক্ষ ও অফিস কক্ষ ৫-৭ ফুট, ৫৩টি স্কুলের রাস্তা, মাঠ ও শ্রেণীকক্ষ ৩-৪ ফুট পানির নিচে তলিয়ে গেছে। বেশিরভাগ স্কুলের আসবাবপত্র, জরুরী ফাইলপত্র, বই ভিজে সম্পুর্ণ নষ্ট হয়েছে। বেশিরভাগ ক্ষতিগ্রস্ত স্কুলগুলো হচ্ছে, হাল্লা, হাকালুকি, দক্ষিণ বাগিরপার, কবিরা, সালদিগা, রাঙাউটি, কামিলপুর, ইসলামপুর, শ্রীরামপুর, কা নপুর, খোঠাউরা, টেকাহালি, ঘুলুয়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যলয়। এসব স্কুলের প্রধান শিক্ষকরা তালা খুলতেও স্কুলে যেতে পারছেন না।

জুড়ী উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার রাজন কুমার সাহা জানান, তার উপজেলায় ২০ প্রাইমারী স্কুল বন্যার কারণে বন্ধ রয়েছে। শনিবার স্কুল খুললেও প্রধান শিক্ষকরা রাস্তাঘাট ও স্কুলের মাঠ শ্রেণীক্ষ অফিস ডুবে থাকায় স্কুলে যেতে পারেননি। ক্ষতিগ্রস্ত স্কুলগুলো হচ্ছে নিশ্চিন্তপুর, নয়াবাজার শিশু কল্যাণ, তালতলা খাগটেকা, কালনিগড়, জাঙ্গিরাই, উত্তর জাঙ্গিরাই সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়।

মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার ফজলে এলাাহি জানান, জুড়ীতে বন্যায় ৭টি মাধ্যমিক স্কুল ও কলেজ নিমজ্জিত হয়েছে। এগুলো হচ্ছে নিরোদ বিহারি উচ্চ বিদ্যালয়, মুক্তদির বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, জায়ফুরনগর উচ্চ বিদ্যালয়, হাকালুকি আশ্রয়ন উচ্চ বিদ্যালয়, সাগরনাল ফুলতলা শাহনিমাত্রা মহাবিদ্যালয়, জাঙ্গিরাই দাখিল মাদ্রাসা। এসব স্কুলে শিক্ষক শিক্ষার্থীরা যেতে পারছেন না। বন্যাদুর্গত এলাকার এসব স্কুলগুলোর শ্রেণী কার্যক্রম ও ৬ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য অর্ধ বার্ষিক পরীক্ষা স্থগিতের ব্যাপারে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে পরামর্শ করছেন।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩জুলাই,নিজস্ব প্রতিনিধিঃ কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলায় ক্ষেতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে পাঁচ ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ৫ ব্যক্তি। রোববার দুপুরের দিকে মিরপুর উপজেলার ছাতিয়ান ইউনিয়নের ধলশা গ্রামের মশাতলা নামক স্থা‌নে বজ্রপাতে এই প্রাণহানি ঘটে। সংবাদ লিখা পর্যন্ত হতাহত হওয়া ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, বজ্রপাতে নিহত দুজনের লাশ পড়ে থাকতে দেখা গেছে। বাকি তিন জনের লাশ পরিবার নিয়ে গেছে। আহত ৫ জনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

মিরপুর সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার নুর ই আলম সিদ্দিকী জানান, ওই সময় জমিতে ১০ ব্যক্তি কাজ করছিলেন। এ সময় বৃষ্টির পড়ার সময় বজ্রপাতে ৫জন নিহত হন। আহত হন আরও ৫ জন তাদের অবস্থা গুরুত্বর।

আমার সিলেট টুয়েন্টিফোর ডটকম,০৩জুলাই,এম এ সামাদ: সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত বাঘা ইউনিয়ন।গোলাপগঞ্জ উপজেলার সাথে বাঘা সবচেয়ে নিকটতম ইউনিয়ন।গোলাপগঞ্জ থানা মোট ১১ ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে ঘটিত।তন্মধ্যে বাঘা ইউনিয়ন নদীর উত্তরপাড়ে অবস্থিত হওয়ায় তা পরিণত হয়েছে গোলাপগঞ্জ থানার নাগরিক সুবিধা বঞ্চিত একমাত্র অবহেলিত ইউনিয়ন।

সুরমা নদী বাঘা ইউনিয়ন কে গোলাপগঞ্জ উপজেলার সাথে বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে।বাঘা ইউনিয়ন এর উন্নয়ন ও জনগণের উন্নতমানের জীবন ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য ব্রীজ নির্মাণ অত্যন্ত প্রয়োজন।বর্তমান সরকার এর অন্যতম পরিকল্পনা যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন তথা গ্রাম এর প্রত্যন্ত অঞ্চলে রাস্তাঘাট নির্মাণ করা এবং গ্রামের প্রত্যন্ত এলাকার জনগণ কে আধুনিক জীবনযাপনের সুযোগ করে দেয়া।

ব্রীজ নির্মাণ হইলে বাঘা ইউনিয়ন এর বাসিন্দাদের গোলাপগঞ্জ বাজারে আশা যাওয়া সহজ হবে।বটেশ্বর আর্মি কেম্প,গুয়াইনঘাট, জাফলং এবং সদর এর সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হবে।ব্রীজ নির্মাণ হইলে মাত্র ১৫ মিনিটে বটেশ্বর আর্মি কেম্পে যাওয়া যাবে তাছাড়াও
গোলাপগঞ্জ,বিয়ানীবাজার,গুয়াইনঘাট,কানাইঘাট এর সংযোগস্থল ব্রীজ নির্মাণ হইলে স্থাপিত হবে।

মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন সিনিয়র সহকারী শিক্ষক হাজি আব্দুল আহাদ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ  বলেন; ব্রীজ না থাকার কারণে পা‌য়ে হেটে নদীপথে যাতায়াতএ অত্যাধিক সময় অতিবাহিত হয় সাধারন মানুষ উপজেলার সাথে যোগা‌যোগ স্থাপনে বঞ্চিত হচ্ছে।কৃষক তাদের পণ্যের পর্যাপ্ত ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।উন্নত চিকিৎসার জন্য অসহায় সঙ্কটাপন্ন রুগীদের নদীপথে পারাপার হতে হয়।ব্রীজ না থাকার কারণে অত্র এলাকায় এখনো উন্নতমানের সরকারি,বেসরকারি,শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কল কারখানা গড়ে উঠে নাই।

তাছাড়াও উন্নত শিক্ষার জন্য গোলাপগঞ্জ উপজেলার একমাত্র ডিগ্রী কলেজ ঢাকা দক্ষিণ ডিগ্ৰী কলেজ এ যেতে এই নদী পথে ছাত্র ছাত্রীদের যাতায়াত করতে হচ্ছে।

বাঘা ইউনিয়ন এ মোট গ্রাম ২৫টি ও জনসংখ্যা প্রায় ৩৮০০০।প্রতিদিন নদীপথে অন্তত ১০-১২ হাজার লোকজন মোট ৮টি খেয়া ঘাটের মাধ্যমে নদী পথে পারাপার হন।এই বিশাল জনগোষ্ঠী ব্রীজ না থাকার কারণে উন্নত জীবন ব্যবস্থা থেকে প্রতিনিয়ত বঞ্চিত হচ্ছেন।তাই বাঘা বাসীর প্রাণের দাবি ব্রীজ নির্মাণ করা যত দ্রুত সম্ভব। এলাকার যোগা‌যোগ ব্যবস্থা উন্নয়ন ও বেকারত্ব দূরীকরণে এলাকাবাসীর দীর্ঘ দিনের দাবি গুলাপনগর মাদ্রাসা ঘাটে ব্রীজ নির্মাণ করা।বাঘা ইউনিয়ন কে উন্নত জীবন ব্যবস্থা স্থাপনে সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে গ্রাম বাসীর পক্ষ হইতে আবেদন জানাচ্ছি।

ইতিমধ্যে ব্রিজ নির্মাণের জন্য  স্নারক লিপিতে সম্মতি ক্রমে নিজ স্বাক্ষর প্রদান করেছেন বাংলাদেশ আওয়ামিলীগ এর সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব মিসবা উদ্দিন সিরাজ,স্নারকলিপিতে সম্মতি প্রদান করেছেন বাঘা ইউনিয়‌নের বর্তমান ও সাবেক চেয়ারম্যান গণ,হাজি আব্দুল আহাদ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রিন্সিপাল ও সভাপতি।